যশোরে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় দুইজন নিহত
স্টাফ রিপোর্টার, যশোর
যশোরে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় দুইজন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে আরো দুইজন। তাদের যশোর জেনারেল হাসপাতাল ভর্তি করা হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যার পর যশোর বিমানবন্দর সড়ক ও সদর উপজেলার বাউলিয়ায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। যশোর কোতোয়ালি থানার ওসি তাজুল ইসলাম জানান, সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে যশোর- নড়াইল সড়কের বাউলিয়া বাজারের অদূরে যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেলে থাকা তিন আরোহী ছিটকে পড়ে। এ সময় ঘটনাস্হলে আলআমিন ( ১৮) নামে এক যুবক নিহত হয়। ওসি আরো জানান, নিহত আলআমিন যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার দরাজহাট গ্রামের আবু বকরেরর ছেলে। দূর্ঘটনায় আহত শুকর (২৪) ও পিকুলের (৪৫) বাড়ি ছাতিয়ানতলা ও দরাজহাট গ্রামে। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ওসি তাজুল ইসলাম আরও জানান, বিমানবন্দর সড়কে মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মাহমুদুল হাসান ইমন (২১) নামে এক যুবক নিহত হয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত হওয়ার পর স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। মাথায় গুরুতর আঘাত লাগার কারণে তার মৃত্যু হয়েছে বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। নিহত মাহমুদুল হাসান ইমন সদর উপজেলার ভেকুটিয়া পশ্চিম পাড়ার আজিমুদ্দিনের ছেলে।
কেয়ারটেকার সরকার ও ব্যালট পেপারে ভোটের দাবিতে গণ-আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে :খুলনা বিএনপি
।। খবর বিজ্ঞপ্তি।।
খুলনা মহানগর বিএনপি নেতৃবৃন্দ বলেছেন, হাসিনার বদলে কেয়ারটেকার, ইভিএমের বদলে ব্যালট পেপারে ভোট নিতে হবে। এ দাবিতে সকলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে তীব্র গণ-আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। সেইসাথে একটি মিথ্যা বায়োবিও মামলায় কারারুদ্ধ ৩ বারের সাবেক নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী এ দেশের গণতন্ত্রের প্রতীক বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হবে। দেশনেতা তারেক রহমানকে বীরের বেশে দেশে প্রত্যাবর্তন করাতে হবে।
শনিবার (২১ মে) মহানগরীর ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপি প্রাথমিক সদস্য ও তথ্য সংগ্রহ ফরম বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন। নেতৃবৃন্দ বলেন, দেশে আজ ৪০ লাখেরও বেশি নেতাকর্মী নির্যাতিত ও মামলায় জর্জরিত। এইসব মিথ্যা মামলা থেকে রেহাই পেতে দলের পক্ষ থেকে ডাক আসলেই সবাইকে একযোগে রাজপথে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। দেশের মানুষের বাকস্বাধীনতা ও ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। অবৈধ সরকারকে অবিলম্বে পদত্যাগ করতে হবে। একইসাথে নিরপেক্ষ সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে। নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন করতে হবে। দেশের জনগণ এখন বিএনপির দিকে তাকিয়ে আছে। এজন্য দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। এ সরকারকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করতে হবে।
মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ও সদর থানা বিএনপির সাংগঠনিক টিম প্রধান আজিজুল হাসান দুলুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, নগর বিএনপির আহবায়ক এড. শফিকুল আলম মনা, সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রনেতা, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনা-৩ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল, বিশেষ অতিথি ছিলেন মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব শফিকুল আলম তুহিন, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক তরিকুল ইসলাম জহির, জেলার সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আবু হোসেন বাবু, বিশেষ বক্তা ছিলেন, আব্দুর রাজ্জাক, এড. তৌহিদুর রহমান তুষার। বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী মাহমুদ আলী, যুগ্ম আহ্বায়ক শের আলম সান্টু, যুগ্ম আহ্বায়ক চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন, জেলার যুগ্ম আহবায়ক মোল্লা খায়রুল, যুগ্ম আহবায়ক মাহবুব হাসান পিয়ারু, যুগ্ম আহ্বায়ক একরামুল হক হেলাল, যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ পারভেজ বাবু, ওয়াহিদুর রহমান দিপু, তানভিরুল আজম, কে এম হুমায়ূন কবীর, একরামুল কবীর মিল্টন, নাজির উদ্দিন নান্নু, শেখ জামাল উদ্দিন, মোল্লা ফরিদ আহমেদ, নাসির খান, তারিকুল ইসলাম তারেক, খন্দকার হাসিনুল ইসলাম নিক, মিজানুর রহমান মিলটন, শফিকুল ইসলাম শফি, মুজিবর রহমান, আজিজা খানম এলিজা ও মাসুদ খান বাদল, আব্দুল আজিজ সুমন, মাহমুদ হাসান বিপ্লব প্রমূখ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন যুগ্ম আহবায়ক শেখ সাদী।
সিটি মেয়রের সুস্থতা কামনায় মহানগর কৃষক লীগের দোয়া অনুুষ্ঠিত
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেকের সুস্থতা ও দীর্ঘায়ূ কামনায় দোয়া মাহফিল করেছে খুলনা মহানগর কৃষক লীগ। গতকাল শনিবার সন্ধ্যা ৭টায় দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানা। মহানগর কৃষক লীগের আহ্বায়ক এ্যাড. এ কে এম শাহজাহান কচি‘র সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব অধ্যা. এ বি এম আদেল মুকুলের পরিচালনায় এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা অধ্যক্ষ শহিদুল হক মিন্টু, মো. মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ, হাফেজ মো. শামীম, এস এম আকিল উদ্দিন, এ্যাড. শামীম আহমেদ পলাশ, বাদল সরদার বাবুল, ফয়েজুল ইসলাম টিটো, কাজী জাকারিয়া রিপন, মহানগর কৃষক লীগ নেতা মুন্তাকিম লালু, আইউব আলী খান, মো. শহীদুল হাসান, শেখ হারুন মানু, কানাই রায়, আলমগীর মল্লিক, মনিরুল ইসলাম গাজী, মো. রেজোয়ান আকুঞ্জি রাজা, শেখ আবু বক্কর সিদ্দিকী বাবুল, অনিক রায়, মো. আবু নাঈম, শেখ আকরাম হোসেন, মো. মফিজুর রহমান, লুৎফর রহমান, বাবুল হোসেন, মাহবুবুর রহমান নাজিম, মো. আলী রানা. আবু হাসান, সাকিব হাসান, মো. ইয়াছিন, শেখ মো. শামসুদ্দোহা বাঙালী, মোয়াজ্জেম হোসেন সহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী। দোয়া পরিচালনা করেন মুফতি রফিকুল ইসলাম।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিশন বাস্তবায়নে কাজ করছে কৃষক লীগ: বাবুল রানা
খবর বিজ্ঞপ্তি
মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানা বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তৃণমূলের মানুষদের নিয়ে কাজ করেছেন। তার আহ্বানে সাড়া দিয়ে দেশের সাধারণ মানুষ স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছে। স্বাধীনতার পরে কৃষকদের অধিকার নিশ্চিতে বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া সংগঠন বাংলাদেশ কৃষক লীগ। বাংলাদেশ কৃষক লীগ সৃষ্টি হওয়ার পর থেকেই কৃষকদের জন্য কাজ করে যাচ্ছে। নামে কৃষক লীগ হলেও তারা শুধু কৃষকদের জন্য কাজ করেনি। করোনাকালে সারাদেশে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা। পাশাপাশি কৃষকের ধান কেটে বাড়িতে তুলে দেওয়া, অসহায় মানুষের বাড়িতে বাড়িতে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছানো, দুস্থ, দিনমজুর খেঁটেখাওয়া মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ থেকে শুরু করে সকল কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা।
তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিশন বাস্তবায়নে কাজ করছে কৃষক লীগ। সেই সাথে আওয়ামী লীগ সরকারের ক্ষমতার ধারাবাহিকতা রক্ষায় সংগঠনটি ভূমিকা রাখছে। এই ভিশন বাস্তবায়ন হলেই বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়িত হবে। বাংলাদেশের কৃষক-শ্রমিক সহ সাধারণ মানুষের কাঙ্খিত আশা পূরণ হবে।
তিনি প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের সুফল আমরা দেশবাসী সবাই ভোগ করছি উল্লেখ করে কৃষক লীগের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে আবারো ভোটের মাধ্যমে আমাদের ক্ষমতায় আনতে হবে। সে লক্ষে সংগঠনের নেতাকর্মীদের আওয়ামী লীগকে সার্বিক সহযোগীতা করতে হবে। ওয়ার্ডের সাধারণ মানুষের সাথে ভালো আচরণ করতে হবে। মানুষের সুখে দুঃখে তাদের পাশে দাড়াতে হবে। বর্তমান সরকারের উন্নয়নের কথা আত্মীয় স্বজন ও মানুষকে বুঝাতে হবে। দল মত নির্বিশেষে সবাইকে বিভিন্নভাবে সাহায্য সহযোগীতা করতে হবে।
গতকাল শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় দলীয় কার্যালয়ে মহানগর কৃষক লীগের বিশেষ সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক অধ্যক্ষ শহিদুল হক মিন্টু, দপ্তর সম্পাদক মো. মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ, উপ-দপ্তর সম্পাদক হাফেজ মো. শামীম, নির্বাহী সদস্য এস এম আকিল উদ্দিন। মহানগর কৃষক লীগের আহ্বায়ক এ্যাড. এ কে এম শাহজাহান কচির সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব অধ্যা. এ বি এম আদেল মুকুলের পরিচালনায় এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা এ্যাড. শামীম আহমেদ পলাশ, বাদল সরদার বাবুল, ফয়েজুল ইসলাম টিটো, কাজী জাকারিয়া রিপন, মহানগর কৃষক লীগ নেতা মুন্তাকিম লালু, আইউব আলী খান, মো. শহীদুল হাসান, শেখ হারুন মানু, কানাই রায়, আলমগীর মল্লিক, মনিরুল ইসলাম গাজী, মো. রেজোয়ান আকুঞ্জি রাজা, শেখ আবু বক্কর সিদ্দিকী বাবুল, অনিক রায়, মো. আবু নাঈম, শেখ আকরাম হোসেন, মো. মফিজুর রহমান, লুৎফর রহমান, বাবুল হোসেন, মাহবুবুর রহমান নাজিম, মো. আলী রানা. আবু হাসান, সাকিব হাসান, মো. ইয়াছিন, শেখ মো. শামসুদ্দোহা বাঙালী, মোয়াজ্জেম হোসেন সহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী।
সভায় ডা. মো. শহিদুল হককে আহ্বায়ক ও মো. আনোয়ার হোসেনকে সদস্য সচিব করে ৪১ সদস্য বিশিষ্ট ১২নং ওয়ার্ড কৃষক লীগ এবং মো. মাহবুবুল হক লিখনকে আহ্বায়ক ও মো. সালেহ আহমেদ শান্তকে সদস্য সচিব করে ৪৩ সদস্য বিশিষ্ট ২৮নং ওয়ার্ড কৃষক লীগের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়।
দিঘলিয়ায় শিক্ষার্থীদের মাঝে সাইকেল ও প্রতিবন্ধিদে মাঝে হুইলচেয়ার বিতরণ
দিঘলিয়া প্রতিনিধিঃ
খুলনা-০৪ আসনের সাংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূর্শেদীর সহধর্মিণী, এনভয় গ্রুপের চেয়ারম্যান ও বিশিষ্ট সমাজ সেবিকা মিসেস সারমিন সালাম গতকাল বিকালে দিঘলিয়া উপজেলার বারাকপুর ইউনিয়ন এর নন্দন প্রতাপ মাধ্যমিক বিদ্যালয় এর কৃতি শিক্ষার্থীদের মাঝে সাইকেল ও প্রতিবন্ধিদের মাঝে হুইলচেয়ার বিতরণ করেন। নিত্য নন্দন রায় এর সভাপতিত্বে ও প্রধান শিক্ষক ভরত বর এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা-০৪ আসনের সাংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূর্শেদীর সহধর্মিণী, এনভয় গ্রুপের চেয়ারম্যান ও বিশিষ্ট সমাজ সেবিকা মিসেস সারমিন সালাম। আরও উপস্থিত ছিলেন দিঘলিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোল্লা আকরাম হোসনে, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোসাম্মাদ শামসুন্নাহার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও বারাকপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গাজী জাকির হোসেন, ঢাকা দক্ষিণ মহিলা আওয়ামী লীগের শিল্প ও বানিজ্য বিষয়ক সম্পাদক নিলুফার ইয়াসমিন, জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সংগঠনিক সম্পাদক রিনা পারভীন, তেরখাদা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান নাজমা বেগম, তেরখাদা উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আঞ্জুয়ারা আবজাল, সাধারণ সম্পাদক নয়ন তারা, দিঘলিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক মোল্লা নজরুল ইসলাম, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক গাজী জাকির হোসেন, বারাকপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি গাজি আব্দুর রউফ, সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী ওয়াদুদ হোসেন, দিঘলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ আনসার আলী, সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুর হোসনে, উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য কে এম আসাদুজ্জামান, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ইয়াজুল ইসলাম, খুলনা-০৪ আসনের সাংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূর্শেদীর প্রধান সমন্বয়ক নোমান ওসমানী রিচি, দিঘলিয়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি এস এম হাবিবুর রহমান, উপজেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি শেখ রিয়াজ, গাজী মাসুদ রানা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান, সহ-সম্পাদক শেখ সাইদুর রহমান, হাসান মাহমুদ রাকিব, রানা মোল্লা, গাজী জিয়াউর রহমান দূর্জয়, সদস্য শেখ আল-আমীন, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি মোঃ আমিনুর রহমান, রুপসা উপজেলা যুব মহিলা লীগের সভাপতি আকলিমা খাতুন তুলি, সাধারণ সম্পাদক রুনা খাতুন, দিঘলিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মোল্লা নাহিদুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক শেখ ইয়াসিন আরাফাত, সালাম মূর্শেদী সেবা সংঘের টিম লিডার সামসুল আলম বাবু, বারাকপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আলী বাকের প্রিন্স, দিঘলিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি সৈয়দ জামিল মোরশেদ মাসুম, সাধারণ সম্পাদক কে এম তহিদুজ্জামান সহ প্রমূখ। এর আগে তিনি নিজস্ব অর্থায়নে একই ইউনিয়ন এর রাধামাধবপুর গ্রামে অবস্থিত মাধবপুর আল-হেরা সামছুল উলূম কওমি মাদরাসার এতিম ও মেধাবী ছাত্রদের মাঝে কোরআন শরিফ ও পাঞ্জাবী বিতরণ করেন। খুলনা জেলার দিঘলিয়া উপজেলার গাজীরহাট ইউনিয়নে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে দুইজনকে কুপিয়ে মারাত্মক জখম।
বকেয়া পাওনা পরিশোধের দাবিতে শিরোমণি হুগলী বিস্কুট কোঃ শ্রমিক ইউনিয়নের সভা
ফুলবাড়ীগেট প্রতিনিধি
নগরীর শিরোমণি বিসিক শিল্প এলাকার হুগলী বিস্কুট কোঃ শ্রমিক কর্মচারীদের ১৮ সপ্তাহের বেতন ২ টি বোনাস সহ বকেয়া পাওনা পরিশোধের দাবিতে এক জরুরী সভা শনিবার সন্ধায় হুগলী বিস্কুট কোঃ শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন(রেজি নং-২৩৮৬) এর উদ্যোগে শিরোমণি কলেজ রোডস্থ ইউনিয়নের অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। ইউনিয়নের সভাপতি কাজী মোস্তাফিজুর রহমান এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ মোড়ল পরিচালনায় বক্তৃতা করেন, ইয়াসিন, মোঃ হাফিজ, জয়, মোঃ জিন্নাহ, বাদল , ইমরান, ফজল, জোহরা, তরু, রমজান, খলিল প্রমুখ সভায় নেতৃবৃন্দরা বলেন গত ১৯ এপ্রিল খুলনা বিভাগীয় শ্রম পরিচালকের দপ্তরে ত্রি পক্ষিয় বৈঠকের সিদ্ধান্তের অনেক কিছুই মালিকপক্ষ পুরন করেনি অতিদ্রত মালিকপক্ষ যাতে শ্রমিকদের নায্য পাওনা পেতে পারে এ ব্যাপারে খুলনা বিভাগীয় শ্রম পরিচালক মোঃ মিজানুর রহমানের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন শ্রমিকরা ।
খুলনায় বিশ^ মেডিটেশন দিবস পালিত
খবর বিজ্ঞপ্তি
‘ভালো মানুষ, ভালো দেশ, স্বর্গভূমি বাংলাদেশ’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বিশ^ মেডিটেশন দিবস পালিত হয়েছে। বাংলাদেশে বিশ্ব মেডিটেশন দিবস পালনের মূল উদ্যোক্তা কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন এ দিবসের আয়োজন করে। এ উপলক্ষে শনিবার সকাল সাড়ে ৬টায় খুলনার ১০টি উন্মুক্ত স্থানে মেডিটেশনের আয়োজন করা হয় এবং বিকেলে খুলনা শিল্পকলা একাডেমি ভবনে শিশু-কিশোরদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
বিকেলে শিশু-কিশোরদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় সংক্ষিপ্ত আলোচনা এবং পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, মনের সার্বজনীন ব্যায়ামকে ধ্যান বা মেডিটেশন বলা হয়। প্রতিদিনই যে কোনো বয়সের মানুষ এটি চর্চা করতে পারে। নিয়মিত অনুশীলন করলে মানুষের ভেতরের ইতিবাচক সত্তা জেগে ওঠে। মনের রাগ, ক্ষোভ, দুঃখ হতাশা, দুশ্চিন্তা, স্ট্রেস বা মানসিক চাপ দূর হয়। দৃষ্টিভঙ্গি নেতিবাচকতা থেকে ইতিবাচকতায় বদলে যায়। মন প্রশান্ত থাকলে, মনে মমতা জাগলে পারিবারিক, পেশাগত, সামাজিক সম্পর্কগুলোও সুন্দর হয়ে ওঠে। মানসিক চাপমুক্ত থাকা যায় বলে বাড়ে পেশাগত দক্ষতা। একজন মানুষ পেতে পারেন প্রশান্তি, সুস্বাস্থ্য ও সাফল্য। এসব প্রেক্ষাপট সামনে রেখে বাংলাদেশেও দিবসটি পালন করছে।
সকালে নগরীর হাদিস পার্ক, জাতিসংঘ পার্ক, নিরালা পার্ক, সোনাডাঙ্গা পার্ক, রূপসা সেতু গোল চত্বর, শহীদ আবু নাসের হাসপাতাল চত্বর, খালিশপুর প্রভাতী স্কুল, খুলনা বিশ^বিদ্যালয় ক্যাম্পাস, কয়েট ক্যাম্পাস, রূপসা বেলফুলিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে মেডিটেশন অনুষ্ঠিত হয়।
বিকেলে খুলনা শিল্পকলা একাডেমি ভবনে শিশু-কিশোরদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় সংক্ষিপ্ত আলোচনা এবং পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে কুয়েটের পদার্থবিদ্যা বিভাগের প্রধান প্রফেসর ড. জী সুলতানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন আযম খান সরকারি কমার্স কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর কার্ত্তিক চন্দ্র মন্ডল। চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় বিচারকদের প্রধান সেবক ছিলেন খুলনা বিশ^বিদ্যালয়ের ফাইন আর্ট স্কুলের সহকারী অধ্যাপক শেখ সাদী ভুইয়া, খুলনার প্রথম আর্ট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা নিজাম উদ্দিন বাবু, খুলনা পাবলিক কলেজের চারুকলা শিক্ষক সামসুল আলম ফারুক এবং অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন খুলনা শাখার অর্গানিয়ার মোস্তফা আশরাফ সিদ্দিকী।
শিরোমনি বিল ডাকাতিয়ায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ২ যুবককে মারপিট থানায় অভিযোগ
ফুলবাড়ীগেট প্রতিনিধি
নগরির শিরোমনি বিল ডাকাতিয়ায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ২ যুবককে এলোপাতাড়ি কিল ,ঘুষি মেড়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে , ভুক্তভোগি শিরোমনি বিল ডাকাতিয়া গ্রামের শেখ মোহাম্মাদ আলীর পুত্র মোঃ নাজমুল হাসান জয় এ ব্যাপারে আড়ংঘাটা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন থানায় দায়েরকৃত অভিযোগ সুত্রে জানা যায় গত ২০ মে বেলা সাড়ে ১১ টার সময় নাজমুল হাসান জয় তার বিল ডাকাতিয়ার মৎস ঘেরে গেলে একই এলাকার মধুসুদন মন্ডল এর পুত্র মনিমহন মন্ডল (৪৫) সহ ৪/৫ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে তার ঘেরের ভেরির উপর ঘোরাঘুরি করতে দেখে । এ সময় তাদেরকে ঘেরের কাছে ঘোরাঘুরির কারন জানতে চাইলে অকাথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে বিষ মেরে ঘেরের মাছ চুরি করে নিয়ে যাওয়ার হুমকি দিয়ে দ্রত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে । গতকাল শনিবার বেলা সাড়ে ১২ টার সময় ভুক্তভোগি ও ঘটনার স্বাক্ষি একই এলাকার এনামুল হক ঘের থেকে নিজ বাড়িতে আসার পথে মনিমহন মন্ডল তার পুত্র হৃদয় মন্ডল, সহ অজ্ঞাতনামা ৪ /৫ ব্যক্তি নাজমুল হাসান জয় কে এলোপাতাড়ি কিল ,ঘুষি মেড়ে গুরুতর আহত করে এ সময় তাকে ঠেকাতে গেলে একই এলাকার এনামুল হককে বেদম মারপিট করে পরে তাদের চিৎকারে আশপাশের লোকেরা এগিয়ে আসলে এ ঘটনা নিয়ে বেশি বাড়াবাড়ি করলে রাতের আধারে ঘেড়ে বিষ দিয়ে মাছ ধরে নিয়ে যাবে এ ছাড়া মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি এমনকি হত্যা করে লাশ গুম করার হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে । ভুক্তভোগি নাজমুল হাসান জয় থানায় দায়েরকৃত অভিযোগে উল্লেখ করেন ইতিপুর্বে ২০২০ সালের ৩১ মার্চ মনিমহন মন্ডল ও তার পুত্র হৃদয় মন্ডল শিরোমনি বাইপাস সড়ক ঘের মালিক সমিতি ঘেরে বিষ মেরে মাছ চুরির অভিযোগে ৩ লক্ষ টাকা জরিমানা আদায় করে । ভুক্তভোগি এ ব্যাপারে তদন্তপুর্বক প্রশাসনের উর্দ্ধতন কতৃপক্ষের আশুহস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ।
খুলনার দাকোপে সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট গ্লোরিয়া ঝর্ণা সরকার এমপির মায়ের সমাধি সম্পূর্ণ
বাজুয়া (দাকোপ) প্রতিনিধি
মাননীয় সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট গ্লোরিয়া ঝর্ণা সরকার এমপির মমতাময়ী মা সুপ্রিয়া সরকার (৭০) গত ১৯- ০৫ তারিখ রাত ৩ঃ২৫ মিনিটে রাজধানীর এভাকেয়ার হসপিটালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরলোকগমন করেন। মৃত্যুকালে তিনি ২ কন্যা ও ১ ছেলে সহ অসংখ্য আত্মীয় সজন রেখে যান। শনিবার ২১-০৫ তারিখ সকাল ১০ টায় লাউডোবে তার গ্রামের নিজ বাড়িতে পারিবারিক কবর স্থানে সমাধি করা হয়। এলাকার হাজার হাজার মানুষের ভির জমে তাকে শেষ বার দেখার জন্য। এলাকার সকলে তার মার স্বর্গীয় আত্মার শান্তি কামনা করে। সমাধি স্থলে উপস্থিত ছিলেন দাকোপ উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্জ্ব শেখ আবুল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক বিনয় কৃষ্ণ রায়, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ আব্দুল কাদের, চেয়ারম্যান শেখ যুবরাজ, চেয়ারম্যান মানস কুমার রায়, চেয়ারম্যান সুদেব কুমার রায়, চেয়ারম্যান আসলাম শেখ, সাবেক চেয়ারম্যান সরোজিত কুমার রায়, উপজেলা সেচ্ছাসেবক লীগের আহবায়ক জি এম রেজা, আওয়ামীলীগ নেতা অপরাজিত মন্ডল অপু, যুবলীগ নেতা বিধান বিধান বিশ্বাস, তাপস জোদ্দার, সত্যজিত রায়, প্যানেল চেয়ারম্যান নিহার মন্ডল, এনায়েত শেখ, সেচ্ছাসেবক নেতা জয়ন্ত রায়। এছাড়া সকল ইউনিয়নের আওয়ামীলীগের নেতানেত্রীবৃন্দ, সাংবাদিক, শিক্ষক ও ইউপি সদস্য সহ এলাকার হাজার হাজার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন প্রমুখ।
নড়াইলে বিএনপি নেতা সাবেক এমপি আব্দুল কাদের শিকদারের ১ম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত
নড়াইল প্রতিনিধিঃ
নড়াইল জেলা বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক, সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান, সাবেক এমপি আব্দুল কাদের শিকদারের ১ম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়েছে। দিনটি পালন উপলক্ষে শনিবার বাদ আসর নড়াইল কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া মাহফিলে জেলা বিএনপির সভাপতি বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম, সাধারন সম্পাদক মোঃ মনিরুল ইসলাম, সহ-সভাপতি জুলফিকার আলী, যুগ্ম-সম্পাদক আলী হাসান, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহারিয়ার রিজভি জর্জ, সদর উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মোজাহিদুর রহমান পলাশ, জেলা কৃষক দলের আহবায়ক মোঃ নবীর হোসেন, পৌর বিএনপির সভাপতি মোঃ আজিজার রহমান, বিএনপি নেতা মোঃ তেলায়েত হোসেন, আহম্মদ আলী, জেলা যুবদলের সভাপতি মোঃ মশিয়ার রহমান, সাধারন সম্পাদক সায়দাত কবির রুবেল, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মোঃ রহিম ফকির, মুন্সী বায়েজীদ বিল্লাহ, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মোঃ ফসিয়ার রহমান, সদস্য সচিব খন্দকার মনজুরুল সাইদ বাবু, নড়াইল পৌর যুবদলের আহবায়ক রিয়াজুল কামাল পাভেল, যুগ্ন আহবায়ক মোঃ রফিকুল ইসলাম, সদর উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক জীবন ইসলাম টিপু, নড়াইল পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মোঃ ফিরোজ মোল্যা, জেলা ছাত্রদলের সাধারন সম্পাদক খন্দকার মাহমুদুল হাসান সানিসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্তিত ছিলেন। দোয়া অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে পেশ ইমাম মাওলানা এমএম শফিউল্লাহ। দোয়া অনুষ্ঠান শেষে জেলা বিএনপির সভাপতি বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম, সাধারন সম্পাদক মোঃ মনিরুল ইসলাম মরহুম আব্দুল কাদের শিকদারের শহরের বাসভবনে গিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেন ও খোঁজ খবর নেন।এ সময় বিএনপি নেত্রী মাজেদা খানম টুকটুকি উপস্তিত ছিলেন।
২১ মে রামপালের ডাকরা গণহত্যা দিবসে স্মৃতিচারণ ও মোমবাতি প্রজ্বলন
রামপাল (বাগেরহাট) সংবাদদাতা
৭১ এর ২১ মে’র এই দিনে রামপালের ডাকরার বধ্যভূমিতে পাকিস্তানের দোসর রাজাকাররা নির্মমভাবে গুলি করে প্রায় সাড়ে ৬ শতাধিক নিরীহ নারী পুরুষকে হত্যা করা হয়। নিহতদের স্মরণে ডাকরা বধ্যভূমিতে প্রতি বছরের ন্যায় এবারও স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ, স্মৃতিচারণ, আলোচনা সভা ও সন্ধ্যায় মোমবাতি প্রজ্বলন করে শহীদদের স্মরণ ও তাদের আত্মার শান্তি কামনা করা হয়। শনিবার সকল ১০ টা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার অতীন্দ্রনাথ হালদার দুলাল এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন পিসি রায়। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন সাবেক প্রধান শিক্ষক বিষ্ণুপদ বাকচী, সাবেক রবীন্দ্র নাথ মন্ডল প্রমুখ। এ সময় ডাকরা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী এ এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন। সন্ধায় রামপাল উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কবীর হোসেন শহীদদের স্মরণে স্মৃতিস্তম্ভে মোমবাতি প্রজ্বলন ও তাদের আত্মার শান্তি কামনা করেন। এ সময় তার সাথে ছিলেন বাঁশতলী ইউপি চেয়ারম্যান মো. মোস্তাফিজুর রহমান সোহেল। এ বিষয়ে ডাকরা বধ্যভূমির স্মৃতিস্তম্ভের জমিদাতা পিসি রায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দীর্ঘ ৫০ বছর পার হলেও শহীদদের তাকিকা করা হয়নি। তিনি দ্রুত তালিকা করে শহীদদের পরিবারের সদস্যদের পুনর্বাসনের জোর দাবী জানান।
২০ মিনিটেই গ্রামের পর গ্রাম লন্ডভন্ড বজ্রপাতে পশু ও গৃহবধুর মৃত্যু
সাবজাল হোসেন,বিশেষ প্রতিনিধি ॥
সময় শনিবার ভোর সাড়ে ৫ টা। হঠাৎ পূব আকাশে ঘন কালো মেঘ। মূহুর্তে¡র মধ্যেই চারপাশে নেমে এলো কালো ঘন অন্ধ্যকার। দৃশ্যটা ছিল রাতের মতই। এরপর শুরু হলো জোরালো ঝড়ের সঙ্গে বৃষ্টিও। ঝড় বৃষ্টি বেশি সময়ের স্থায়ী না হলেও তা আনুমানিক ১৮ থেকে ২০ মিনিটের মত হবে। তবে অল্প সময়ের প্রবল গতির এ ঝড়ে অতীতের যে কোন সময়ের চেয়ে ক্ষয়ক্ষতি বেশি বৈ কম নয়। যার তান্ডবে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জসহ জেলার প্রায় সব অঞ্চলেই চলেছে এক ধবংসলীলা। আচমকা এ ঝড়ে কাঁচা ঘরবাড়ি,গাছপালা ও উঠতি ফসলের ক্ষতি ব্যাপক। অপরদিকে মধুমাস জ্যৈষ্টের নানা রকমের ফল আম, জাম,কাঁঠাল, লিচু ঝরে পড়েছে। আর নাবি বোরোর ক্ষেতগুলোর ধান পুনরায় ঝড়োবৃষ্টির কবলে পড়ে কফিনে শেষ পেরেক ঠুকার অবস্থা। এমনটাই ছিল ঝিনাইদহের কালীগঞ্জসহ অধিকাংশ অঞ্চলের ঝড়ের তান্ডবলীলা।
সরেজমিনে বিভিন্ন অঞ্চলের গ্রাম ও মাঠে গেলে নজরে আসে, ঝড়ের ক্ষতির দৃশ্য। গ্রামের পর গ্রামের বড় বড় গাছপালা উপড়ে পড়েছে। বিদ্যুতের অনেক পোল উপড়ে রাস্তার ওপর দুমড়ে মুচড়ে পড়ে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে। ঘরের টিন উড়িয়ে নিয়ে ফেলেছে অনেক দুরে দুরে। সবজি ক্ষেতের বান মুখ থুবড়ে পড়েছে। উঠতি ফসলের ক্ষতি অতীতের রেকর্ড ভেঙেছে। মৌসুমী ফলচাষীদের ক্ষতিতে বুঝ আসছেনা নিজেদের। আর নাবি বোরো ধানের পুনরায় ক্ষতি কফিনে শেষ পেরেক ঠোকার মত অবস্থা। সবমিলিয়ে শনিবারের এ ঝড়ে ক্ষয়ক্ষতি পুষিয়ে উঠার নয়।
স্থানীয়রা জানায়, শনিবার ভোরের দিকে হঠাৎ করেই আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। মুহূর্তেই বৃষ্টির সাথে শুরু হয় প্রচন্ড ঝড়। এতে কালীগঞ্জ উপজেলার এনায়েতপুর, রঘুনাথপুর, পিরোজপুর ও খোসালপুর, বেলাট , বারোবাজার সাদিকপুর, সাতগাছিয়া, নিয়ামত ইউনিয়নের , বলরামপুর, ভোলপাড়া, কোলা, পারখালকুরা, খড়িকাডাঙ্গা, কামালহাট, বেথুলী, সাইটবাড়িয়া, মনোহরপুর, রায়গ্রাম ইউনিয়নের মেগুরখির্দ্দা, দুলারমুন্দিয়া, একারপুর জটারপাড়া ও কালীগঞ্জ পৌর এলাকার খয়েরতলা,বাকুলিয়া, কাশিপুর, ত্রিলোচনপুর ইউনিয়নের বেশিভাগ গ্রামে ক্ষয়ক্ষতির পরিমান অনেক বেশি। বিদ্যুতের পোল ও বিভিন্ন গাছ ভেঙ্গে পড়েছে। তবে বারোবাজারের সাদিকপুর সাতগাছিয়া গ্রামের মধ্যের অনেকগুলো বৈদ্যুতিক পোল উপড়ে ভেঙে গেছে। সাতগাছিয়া গ্রামের আতিয়ার রহমান ঝড়ে কাঁচা ঘর চাপা পড়ে মারাত্বক আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। একইভাবে জেলার হরিণাকুন্ডু উপজেলা জোড়াদহ, মালিপাড়া, তৈলটুপিসহ কয়েকটি গ্রামের পানবরজ ও কলার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
কালীগঞ্জের রাখালগাছি ইউনিয়নের এনায়েতপুর গ্রামের নজরুল ইসলাম বলেন, ঝড়ে আমাগের সব শ্যাষ করে দিয়ে গেছে। গাছ-পালা ভাঙ্গে গেছে। কারেন্টের পোল ভাঙ্গে গেছে। রাস্তা বন্ধ ছিলো। আমাগের ম্যালা ক্ষতি হয়েছে।
পিরোজপুর গ্রামে আব্দুস সাত্তার বলেন, সকালে হঠাৎ করে খুব ঝড় শুরু হয়। এর আগে আম্পানের সময় যে ঝড় হয়েছিল। তেমন ঝড় আজকে হয়েছে। আমাগের বাড়ি-ঘর ভেঙ্গে গেছে। আম বাগান, লিচু বাগান, কলা বাগানের ক্ষতি হয়েছে।
এদিকে জেলার শৈলকুপা উপজেলার কুলচারা গ্রামে বজ্রপাতে স্বামী আহত ও স্ত্রীর মৃত্যু হয়েছে। সকালে তারা দু’জনে বাড়ির পাশের মাঠে বেগুন তুলতে যায়। পরে ঝড় থামার পরে স্থানীয়রা মাঠে গিয়ে তাদের অচেতন অবস্থায় দেখতে পায়। তাদের উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নিয়ে আসলে চিকিৎসক রুপসী খাতুনকে মৃত ঘোষনা করে। আহত গোলাম নবীকে হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
অপরদিকে সদর উপজেলার ডেফলবাড়িয়া গ্রামে বজ্রপাতে আশরাফুল ইসলাম নামের এক কৃষকের গোয়ালের দুটি তরতাজা মহিষ মারা গেছে।
ঝিনাইদহ পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার রথীন্দ্রনাথ বলেন, ঝড়ে ৩৩ টি বিদ্যুতের পোল ভেঙ্গেছে। তাছাড়া ৩৩ কেভি লাইনের উপর গাছ পড়েছে আর তার ছিড়ে গেছে। যে কারনে সারাজেলায় বিদ্যুৎ সংযোগ ভোর থেকেই সারাদিন বিচ্ছিন্ন রয়েছে। সব স্থানেই মেরামতের কাজ চলছে। সঠিক সময় বলা সম্ভব না তবে শীঘ্রই বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হবে।
এ ব্যাপারে ঝিনাইদহের জেলা প্রশাসক মনিরা বেগম জানান, জেলাব্যাপি অস্বাভাবিক ঝড় বৃষ্টি হয়েছে ,ক্ষতির পরিমানও ব্যাপক। বেশি ক্ষতিগ্রস্থদের তালিকা করা হচ্ছে। তালিকা অনুযায়ী ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে সরকারের উপরি মহলে পাঠানো হবে।
কেশবপুরে মধুমাসে ফল উৎসব:শিশুরা আনন্দে আত্মহার
কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি
টেবিলের উপর থরে থরে সাজানো আম, কাঁঠাল, লিচুসহ হরেক রকমের বাহারি ফল। বাতাসে ম-ম করছে রসালো ফলের ঘ্রাণ। রসে টইটম্বুর এসব ফল খুদে শিক্ষার্থীরা নিজ হাতে নিয়ে আনন্দ সহকারে খাচ্ছে। তাদের নিয়ে মধুমাসে এমন ব্যতিক্রম ফল উৎসবের আয়োজন করে কেশবপুর চারুপীঠ আর্ট স্কুল ও সাংস্কৃতিক সংগঠন উল্লাস। শুক্রবার দিনব্যাপী প্রায় দুই শতাধিক শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকেরা অংশ নেন এ ফল উৎসবে। বারো রকম ফলের ভেতরে ছিল আম, কাঁঠাল, লিচু, তাল, তরমুজ, জামরুল, পেঁপে, সবেদা, পেয়ারা, কলা, শশা ও আতা। ফল উৎসবে আসা খুদে শিক্ষার্থীদের এসব দেশি ফলের সাথে পরিচয় করিয়ে গুণাগুণ তুলে ধরা হয়। উল্লাসের সভাপতি আশরাফ-উজ-জামান খানের সভাপতিত্বে আল আমিন মডেল একাডেমির হলরুমে প্রধান অতিথি হিসাবে ফল উৎসবের উদ্বোধন করেন উপজেলা লেডিস ক্লাবের সভাপতি দিলরুবা ইয়াসমিন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন চারুপীঠ আর্ট স্কুলের পরিচালক উৎপল দে। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন উপজেলা সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পুলোক সিকদার, পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা সুজন কুমার চন্দ্র ও আমার বাড়ি আমার খামারের ব্যবস্থাপক শুভংকর বিশ্বাস। ফল উৎসবে আপ্যায়ন করেন চারুপীঠের সহসভাপতি সাহা বৈদ্যনাথ, তন্ময় মিত্র বাপী, সহকারী পরিচালক শ্রাবন্তী রায় দে, নবনীতা হালদার, সৌরভ ধর জয়, সৈয়দা জান্নাতুল মাওয়া, পৌলমী অধিকারী প্রমুখ। এদিন ফল উৎসবে আসা শিশু শিক্ষার্থীরা হরেক রকমের বাহারি ফল দেখে ও নিজেদের ইচ্ছে মতো খেতে পেরে আনন্দে আত্মহারা হয়ে যায়। তিন বছর বয়সী খুদে শিক্ষার্থী আয়ান জানায়, সে মায়ের সঙ্গে ফল উৎসবে এসে আজই তালের শাঁস খেয়েছে। শিক্ষার্থী নুসরাত জাহান সূচি জানায়, আজকে সবাই একসাথে অনেক আনন্দে করে সুস্বাদু ফল খেয়েছি। এ ব্যাপারে চারুপীঠ আর্ট স্কুলের পরিচালক উৎপল দে বলেন, মধুমাসে খুদে শিক্ষার্থীদের দেশি ফলের সাথে পরিচয় করিয়ে দিতে এবং এসব ফলের গুণাগুণ তাদের সামনে তুলে ধরতে এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়। ছোটবেলা থেকে এসব শিশুরা দেশী ফলের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে জানলে অনেক রোগব্যাধীর হাত থেকে রক্ষা পাবে।
গণকমিশন ইসলাম ও দেশ বিরোধী শক্তি: পীর চরমোনাই
খবর বিজ্ঞপ্তি
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমীর, মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম পীর সাহেব চরমোনাই বলেছেন, একটি অপশক্তি সাম্প্রদায়িকতাকে কৃত্রিমভাবে উপস্থাপন করে বৈশ্বিক হানাদার শক্তির দৃষ্টি আকর্ষণের অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এধরণের দেশ ও ইসলামবিরোধী কর্মকান্ড রুখে দিতে হবে।
তিনি বলেন, জনগণ আজ ভালো নেই, সাধারণ মানুষ তাদের চাহিদা সঠিকভাবে পূরণ করতে পারছেনা কারণ মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য লাগামহীনভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে । ভোজ্য তেল, চাল, ডাল, গ্যাস সহ সকল নির্মাণসামগ্রী মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে। অথচ সরকার এটাকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না। সরকার এ ব্যপারে যথাযথ কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না ফলে সাধারণ মানুষ ক্ষোভে ফুঁসছে কিন্তু প্রতিবাদও করতে পারছে না হামলা-মামলা ও হয়রানির ভয়ে।
স্বাধীনতার ৫১ তম বর্ষে এসেও আজকের সরকার ৭১ পুর্ববর্তী সরকারের মতো, নিপিড়নমূলক আচরণ করছে। দেশের সাধারণ নাগরিকদের কোন অধিকার ও সম্মান নেই। সকল অধিকার ভোগ করছে ক্ষমতাসীন এবং তাদের দোসররা। অথচ স্বাধীনতা উত্তর দেশের মানুষ স্বপ্ন দেখেছিল, স্বাধীন দেশে তাদের ন্যায্য অধিকার ফিরে পাবে। স্বাধীন নাগরিক হিসেবে মর্যাদা পাবে, সম্মান পাবে। বাক স্বাধীনতা পাবে, ন্যায়বিচার পাবে। জান-মাল, ইজ্জত-আব্রুর এবং জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে বেঁচে থাকতে পারবে। অর্থনৈতিক সাম্য ও রুটি রুজির নিশ্চয়তা পাবে। একটি আত্মমর্যাদাশীল জাতি হিসেবে পৃথিবীর মানচিত্রে স্থান পাবে। তিনি বলেন, স্বাধীনতা পরবর্তী যারাই ক্ষমতায় এসেছে, সবাই জনগণের স্বপ্নকে গলা টিপে হত্যা করেছে। সবাই জনগণের সাথে অঙ্গীকার ভঙ্গ করেছে। গণ-মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করেছে। দেশ শাসনের নামে জনগণকে জিম্মি করে রেখেছে। জনগণের সকল মৌলিক অধিকার হরণ করেছে। জনগণের সম্পদ লুন্ঠন করেছে। গণতন্ত্রের নামে সর্বত্র দলীয়করণ এবং স্বৈরতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছে। গুম ও খুনের রাজত্ব কায়েম করেছে। দুর্নীতি, লুটপাট এবং সুদ ও ঘুষকে রাষ্ট্রীয় নীতি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছে। শাসক শ্রেণীর এহেন কর্মকান্ডের ফলে স্বাধীনতা আজ অর্থহীন হয়ে পড়েছে। গোটা সমাজ ও রাষ্ট্রব্যবস্থায় এক ধরনের নৈরাজ্য চলছে। জাতিকে নেশাগ্রস্থ করতে মদের বিধিমালা প্রণয়ন করতে সরকার ও তাদের দোসররা মরিয়া হয়ে উঠেছে। দেশ আর এভাবে চলতে পারে না। শনিবার দুপুর ২টায় খুলনা রেলষ্টেশন সংলগ্ন কদমতলা রোডে অনুষ্ঠিত বিশাল সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। কথিত ‘গণকমিশন’ কর্তৃক দেশের সম্মানিত ১১৬ জন আলেম ও ১০০০ মাদরাসার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ এবং ইসলাম ও দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র-চক্রান্তের প্রতিবাদ, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ, শিক্ষা-সিলেবাসে ধর্মীয় শিক্ষার সংকোচন বন্ধ, ইসলাম, দেশ ও মানবতাবিরোধী মদের বিধিমালা বাতিল, স্বাধীনতার মূল লক্ষ্য-সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং দুর্নীতি ও সন্ত্রাসমুক্ত কল্যাণরাষ্ট্র গঠনে ইসলামী হুকুমত কায়েমের লক্ষ্যে, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ খুলনা বিভাগের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত বিশাল সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন দলের নায়েবে আমীর অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা আব্দুল আউয়াল। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি প্রসঙ্গে পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, সরকারীদলের সমর্থনপুষ্ট মধ্যস্বত্বভোগীরা স্তরে স্তরে দ্রব্যের দাম বৃদ্ধি করে। পথে-ঘাটে পুলিশ ও স্থানীয় মাস্তানরা চাঁদাবাজি করে। বিদেশ থেকে পণ্য আমদানী করার ক্ষেত্রে সরকারঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীরা নানা ধরণের কারসাজী করে পণ্যের দাম বৃদ্ধি করে। তিনি বলেন সিন্ডিকেটবাজী বন্ধ করতে আইন-শৃংখলা বাহিনীকে কঠোর হতে হবে। রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণে ব্যবসায়ীদের দৌরত্ব কমাতে হবে। যেকোন মূল্যে খাদ্যদ্রব্যের দাম সহনীয় করতে হবে।
মাদক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সরকার দেশে মদ ও অ্যালকোহল আমদানি, রপ্তানি, উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ, সরবরাহ, বিপণন ও ক্রয় বিক্রয় এবং সংরক্ষণের দুয়ার উন্মুক্ত করতে চাইছে। মদকে একটি সাধারণ ও সহজলভ্য পানীয় বানিয়ে ফেলা হয়েছে। যার মাধ্যমে গোটা দেশের তরম্নণ প্রজন্মকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, দেশের মানুষ আজ আতঙ্কিত। দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে আমরাও আজ চিন্তিত। দেশময় সংঘাত আর সহিংসতার অশনি সংকেত পাওয়া যাচ্ছে। ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগ নবম জাতীয় সংসদে একতরফাভাবে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী পাশ করার পর থেকেই রাজনৈতিক সংকটে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। আমরা বারবার রাজনৈতিক সংকট উত্তরণে দাবী জানিয়ে আসছি। দেশের প্রায় সব রাজনৈতিকদল এবং নাগরিকসমাজের প্রতিনিধিগণ সংকট সমাধানের উদ্যোগ গ্রহণের কথা বলে আসলেও, কার্যকর কোন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি। আওয়ামীলীগ সরকার দেশের নির্বাচন ব্যবস্থাকেই ধ্বংস করে ফেলেছে। বিগত ১৩ বছরে দেশে কোন সুষ্ঠু নির্বাচন হয়নি। স্থানীয় সরকারের নির্বাচনগুলোতেও জনগণ তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারেনি। ক্ষমতাসীনরা তাদের দলীয় লোকদেরকে নির্বাচিত করার জন্যে এহেন কাজ নেই যা করেনি। নির্লজ্জভাবে মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নেয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন এবং প্রশাসন কেউই নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করেনি। ফলে নির্বাচনকে মানুষ এখন প্রহসন এবং তামাশা মনে করে। আগামীতে মানুষ আর তামাশা ও প্রহসনের নির্বাচন দেখতে চায় না। আবারও ২০১৪ ও ১৮ এর নির্বাচনের মতো নির্বাচনের নামে প্রহসন হবে। রাতের ভোটে নির্বাচিত বর্তমান সংসদের কোন নৈতিক বৈধতা নেই। এই অবৈধ সংসদ বহাল রেখে কোন নির্বাচন দেশবাসী মেনে নেবে না। পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, আমরা দেশে প্রকৃত শান্তি প্রতিষ্ঠা, জনমনে উদ্বেগ-উৎকন্ঠা দূর, মানুষকে স্বস্তি ও নিরাপত্তা দিতে চাই। ন্যায়বিচার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা করে মানুষের মানবীয় ও মৌলিক অধিকার ফিরিয়ে দিতে চাই। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি চাই। প্রতিহিংসা জিঘাংসা আর ধ্বংসের রাজনীতির চির অবসান চাই। এ জন্যে আমরা কালজয়ী আদর্শ ইসলামের আলোকে বাংলাদেশকে একটি কল্যাণরাষ্ট্রে পরিণত করতে চাই। তিনি বলেন, অতীতে যারা দেশ শাসন করেছে, জনগণের কাছে তাদের নতুন কিছু বলার নেই। মানুষ তাদের কর্মকান্ড দেখেছে। তাদের প্রতি জনগণের কোন আস্থা নেই। অতএব জনগণের আস্থা অর্জনে ইসলামী আন্দোলনের নেতা-কর্মীদেরকে জনগণের হৃদয় জয় করতে হবে। মানুষের সেবা করতে হবে। দেশের কল্যাণে ঝাপিয়ে পড়তে হবে। দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন আপনারা অন্যায়-অবিচার আর জুলুমকারীদেরকে বর্জন করুন। দুর্নীতিবাজদেরকে চিরতরে প্রত্যাখ্যান করুন। ন্যায়ের পক্ষে এবং কল্যাণের পক্ষে অবস্থান নিন। দেশের সকল স্তরের ওলামা মাশায়েখ, অপরাপর ভাতৃপ্রতিম ইসলামী সংগঠন এবং সকল মতের ইসলামপন্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ইসলামকে রাষ্ট্র ক্ষমতায় নেয়ার জন্যে একটি কার্যকর ঐক্য গড়ে তোলার আহবান জানান। পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, সিলেট বিভাগের বিভিন্ন অঞ্চলে বন্যায় পানিবন্দী দূর্দশাগ্রস্থ মানুষের পাশে দাড়ানোর জন্য দলের নেতা-কর্মী এবং বিত্তবানদের প্রতি আহবান জানান। সরকারের প্রতি প্রয়োজনে হেলিকপ্টারে পানিবন্দী মানুষের কাছে ত্রাণ পৌছে দেয়ার আহবান জানান।
দলের সিনিয়র নায়েবে আমীর মুফতী ফয়জুল করীম বলেন, রাষ্ট্রের রন্দ্রে রন্দ্রে দুর্নীতি। বিদেশে টাকা পাচারকারীদের ব্যাপারে কোন বক্তব্য নেই। অথচ একটি পক্ষ দেশকে অস্থিতিশীল করতে মাঠে নেমেছে। সরকার যদি ভোটের অধিকার বারংবার কেড়ে নিতে চান তাহলে বাংলার মানুষ আপনাদেরও উৎখাত করে ছাড়বে। আমরা কোন হামলা, মামলা বা বুলেটের ভয় করি না। বাংলার মানুষ আইয়ুব খানের বুলেটের ভয় পায় নাই, আপনাদের এসব জুলুম নির্যাতনকেও ভয় পায় না। তিনি বলেন, দেশে কোথাও মদের দোকান খোলা হলে বাংলাদেশের জনতা মেনে নেবে না। তিনি বলেন, মদের বিরুদ্ধে বঙ্গবন্ধুর কঠোর অবস্থান ছিলো। তাঁর কন্যার সময় মদের আইন পাশ হতে পারে না। তিনি কারাবন্দী সকল আলেমের মুক্তি চান।
বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান সহকারী মহাসচিব মাওলানা আব্দুল কাদের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক বেলায়েত হোসেন সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা শোয়াইব হোসেন দপ্তর সম্পাদক মাওলানা লোকমান হোসেন জাফরী ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন বাংলাদেশ এর জয়েন্ট সেক্রেটারী জেনারেল মুফতী মোস্তফা কামাল ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ এর সেক্রেটারী জেনারেল ইঞ্জিনিয়ার আতিকুর রহমান মুজাহিদ ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ এর সহ-সভাপতি শরিফুল ইসলাম রিয়াদ মুফতী আমানুল্লাহ, অধ্যাপক মাওলনা আব্দুল্লাহ ইমরান, অধ্যাপক খাদেমুল ইসলাম, মাওলানা তাসনীম, ডা. কাজী ওয়ায়েস কুরনী, হা. মনিরুজ্জামান, মুহা. আইউব আলী মিয়া, হাসানুজ্জামান সজিব, বীর মুক্তিযোদ্ধা আহমাদ আলী, ডা. এইচ এম মোমতাজুল করিম, মাওলানা মাহমুদুল হাসান, আল: আব্দুল হালীম আলঃ শামসুদ্দিন মোল্লা, চেয়ারম্যান মুফতী ওসমান গনী মুছাপুরী, ইঞ্জিনিয়ার শেখ মারুফ, ডা. কেএম আল আমিন এহসান, মুফতী আ: জলিল, হাফেজ মাওলানা মুস্তাক আহমেদ, মাওলানা রফিকুর রহমান, মাওলানা নাসির উদ্দিন কাসেমী, মুফতী আব্দুল্লাহ ইয়াহইয়া, মুফতী জিহাদুল ইসলাম, মাওলনা মিছবাহ উদ্দিন, মাওলানা আলী আহমাদ, মাওলানা ওমর ফারুক নূরী, এইচ এম সাইফুল ইসলাম,
মুফতী মাহবুবুর রহমান মাওলনা আবু সাইদ শেখ হাসান ওবায়দুল করিম, আলঃ মাওলানা দ্বীন ইসলাম, মুফতী রবিউল ইসলাম রাফে, মাওলানা শাইখুল ইসলাম বিন হাসান, আবুল কালাম আজাদ, আলঃ জাহিদুল ইসলাম, মুহা. মেহেদী হাসান, আলঃ আবুল কাশেম, মুহা.সাইফুল ইসলাম, মাওলানা আসাদুল্লাহ হামিদি, মুফতী আশরাফুল ইসলাম, আব্দুল্লাহ নোমান প্রচার, গাজী ফেরদাউস সুমন, মাওলানা হারুন অর রশিদ, মাওলানা এস.কে নাজমুল হাসান, মুফতী শেখ আমীরুল ইসলাম, এইচ এম খালিদ সাইফুল্লাহ, মুহা. মইনুদ্দিন, ইনামুল হাসান সাইদ, আলঃ আমজাদ হোসেন, হাফেজ আ: লতিফ, আলঃ আবু তাহের, মাল্লা রবিউল ইসলাম তুষার, ফরহাদ মোল্লা, আব্দুল্লাহ আল মামুন, নিজাম উদ্দিন, মাওলানা আব্দুস সাত্তার, মাওলানা হাফিজুর রহমান, হায়দার আলী, মুহা. ইমরান হোসেন মিয়া গাজী মুরাদ হোসেন মুফতী হেলাল উদ্দিন শিকারী মাওলানা মাহবুবুর রহমান মুফতী ফজলুল হক। সমাবেশ পরিচালনা করেন শেখ মোঃ নাসির উদ্দিন, হাফেজ আসাদুল্লাহ গালীব ও মুফতী ইমরান হোসাইন।
বাগেরহাটে চন্দ্রমহল ইকোপার্ক: দর্শনার্থী বৃদ্ধির সাথে বেড়েছে কর্মসংস্থান
বাগেরহাট প্রতিনিধি
ভারতের আগ্রার তাজমহলের আদলে গড়ে তোলা চন্দ্রমহল ঘীরে তৈরি করা হয়েছে ইকোপার্ক। বাগেরহাট সদর উপজেলার রনজিতপুর এলাকায় অবস্থিত “চন্দ্রমহল ইকোপার্ক” এখন বিনোদন প্রেমীদের অন্যতম আকর্ষনে পরিনত হয়েছে। ২০০৯ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই প্রতিনিয়ত দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে দর্শনার্থী ভিড় করছেন পার্কটিতে। ভারতের আগ্রার তাজমহলের আদলে গড়ে তোলা এই চন্দ্রমহল “ছোট হলেও সৃষ্টির মধ্যে সৃজনশীলতা আছে। এর মাধ্যমে শুধু বিনোদনই নয়, ইতিহাস ঐতিহ্য জানারও সুযোগ রয়েছে এখানে। বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবন, ষাট গম্বুজ মসজিদ ,খানজাহান(রহঃ) এর মাজারের পাশাপাশি সুযোগমত দেশের বিভিন্ন এলাকার দর্শনার্থীরা ভ্রমণ করছেন এখানে। শত শত নারিকেল গাছ, বাহারী ফুল-ফল ও ইতিহাস ঐতিহ্য বিষয়ক নানা প্রতিকৃতি দিয়ে সাজানো এই নান্দনিক পার্ক দেখে খুশি দর্শনার্থীরা।
পার্কটির প্রতিষ্ঠাতা সৈয়দ আমানুল হুদার স্ত্রী নাসিমা হুদা চন্দ্রার নামানুসারেই তিনি এর নামকরণ করেছেন । প্রায় ১০ একর জমির ওপর গড়ে ওঠা এই চন্দ্রমহলের মূল আকর্ষণ ভারতের তাজমহলের আদলের চন্দ্রমহল। যার চারিদিকে পানিবেষ্টিত। একপাশে বাঁশের পুল দিয়ে এখানে যেমন যাওয়া যায় তেমনি মূল প্রবেশ পথটি পানির মধ্য দিয়ে অর্থাৎ সুড়ঙ্গ পথ দিয়ে যেতে হয়। যার দু’পাশে গ্লাস বেষ্টিত। এছাড়া বিভিন্ন ভাস্কর্যের মাধ্যমে দেশীয় সংস্কৃতিকে তুলে ধরা হয়েছে। এখানে বেশ কয়েকটি পুকুর রয়েছে। পুকুরের মাঝখানে সিড়ি দিয়ে তৈরি হয়েছে খাবার হোটেল। যেখানে পর্যটকরা আয়েশ করে খাবার সুযোগ পান। চন্দ্রমহলের অভ্যন্তরে প্রতিষ্ঠাতার সংগৃহীত বিভিন্ন জিনিসপত্র প্রদর্শিত হয়েছে। সেখানে গ্রাম্য মানুষের চরিত্র নিয়ে প্রতিকৃতি তৈরি করা হয়েছে। আদি আসবাবপত্র আর তৈজশপত্র ছাড়া কিছু স্থির ছবি রয়েছে সেখানে। লেকের পাড় রয়েছে নারিকেল গাছের সারি। গ্রাম পঞ্চায়েত ও মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্যের পাশাপাশি রয়েছে মাস্টারদা সূর্যসেন, বেগম রোকেয়া, আতাউল গনি ওসমানী, মাদার তেরেসা, মহাত্মা গান্ধীর ভাস্কর্যও। রয়েছে রবীন্দ্র-নজরুলসহ কবি-সাহিত্যিকদের সংক্ষিপ্ত জীবনীও। শিশুদের খেলার জন্য রয়েছে রেলগাড়ি, মটর বাইকসহ অন্যান্য খেলনা সামগ্রী।
বাগেরহাট শহর থেকে ঘুরতে আসা মোঃ শফিক হোসেন বলেন, ‘আমাদের পক্ষে ভারতের আমার তাজমহল দেখতে যাওয়া সম্ভব হয়তো হবে না। তাইতো পরিবারের সদস্যদের নিয়ে এখানে এসে নয়া তাজমহলের নান্দনিক স্থাপনা দেখার সুযোগ হলো। এটি আমাদের মতো মধ্যবিত্তদের জন্য একটি বিরাট পাওয়া” বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
খুলনা থেকে পার্কে ঘুরতে আসা নুসরাত নামে দর্শনার্থী বলেন, গ্রামের ভিতরে অত্যন্ত মনোরম পরিবেশে এত সুন্দর পার্ক সত্যিই কল্পনা করা যায় না। পার্কে ঘুরে অনেক আনন্দ পেয়েছি। সামনে পরিবার নিয়ে পার্কে ঘুরতে আসবেন বলে জানান তিনি।
কুষ্টিয়া থেকে আসা রবিউল নামে এক দর্শনার্থী জানান, তাজ মহলের আদলে নাকি চন্দ্র মহল তৈরী এটি জানার পর থেকেই ইচ্ছে জাগছে চন্দ্র মহলে ঘুরতে যাব। স্ইে ইচ্ছা শক্তি থেকেই বন্ধুরা মিলে চন্দ মহলে আসা। ঘুরতে এসে সত্যিই অনেক ভালো লাগছে। আগামীতে আবার আসার ইচ্ছা প্রকাশ করেন তিনি।
তবে একাধিক দর্শনার্থী জানান, খুলনা -মোংলা মহাসড়কের যে রাস্তা দিয়ে পার্কে প্রবেশ করতে হয় এটা ইটের। এটি সংস্কার করা অতি জরুরি । এটি সংস্কার করা হলে দর্শনার্থী আরো অনেক বৃদ্ধি পাবে।
করোনার প্রকোপ কমে যাওয়ার পর ধীরে ধীরে সবকিছু যখন উন্মুক্ত করা হচ্ছে ঠিক তেমন সময় এ অঞ্চলের অন্যান্য পর্যটনকেন্দ্রের ন্যায় বাগেরহাটের হাকিমপুরের এই চন্দ্রমহলেও বাড়ছে দর্শনার্থীদের ভিড়। চন্দ্রমহলটি এমন একটি স্থানে স্থাপিত যে, এটিকে কেন্দ্র করেই একাধিক স্থান ঘুরে দেখার সুযোগ পাচ্ছেন পর্যটকরা। আর এই চন্দ্র মহলটি স্থাপনের জন্য আশ পাশের প্রায় অর্ধশতাধিক বেকার মানুষ পেয়েছেন তাদের কর্মসংস্থান।
পার্কের মধ্যে একাধিক দোকানদার জানান, আগের চেয়ে দর্শনার্থী অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। আমাদের পার্কের মধ্যে ব্যবসা করতে পার্কের মালিককে কোন টাকা পরিশোধ করতে হয়না। অত্যন্ত স্বাচ্ছন্দে আমরা ব্যবসা করে যে লাভ আসছে তাতে আমরা পরিবার পরিজন নিয়ে অনেক ভালো আছি।
এ প্রসঙ্গে চন্দ্রমহলের দেখাশোনার দায়িত্বে নিয়োজিত মহব্বত আলী চাকলাদার বলেন, এটি একটি পিকনিক স্পটও বটে। অনেকেই এখানে প্রথমে এসে রান্না-বান্নার জন্য সংশ্লিষ্টদের রেখে সুন্দরবনে যান। সুন্দরবন ঘুরে চন্দ্রমহলে দুপুরের খাবার খেয়ে বাগেরহাটের ষাট গম্বুজ ও খানজাহান (রহ:) এর মাজার জিয়ারত করে বাড়িতে ফেরেন। তিনি বলেন, চন্দ্রমহলে একইসাথে অন্তত ২৫ টি গ্রুপের পিকনিক করবার সুযোগ রয়েছে।
পার্কের ম্যানেজার কাবুল শেখ বলেন, বাগেরহাট সদর থানাধীন খানপুর ইউনিয়নের হাকিমপুরের বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী ও শিল্পপতি সৈয়দ আমানুল হুদা রণজিৎপুর গ্রামে ভারতের তাজমহলের আদলে চন্দ্রমহল নির্মাণ করেন ২০০১ সালে। যেটি ২০০৯ সালে দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। সেই থেকে এখন পর্যন্ত এটি দর্শক নন্দিত তবে বিগত দু’বছর করোনার কারণে এটি কিছুটা ক্ষতিগ্রস্থ হলেও এখন আবারো পর্যটকদের আনা গোনায় জমজমাট হয়ে উঠছে। প্রতিদিন সকাল নয়টা থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পার্কটি দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকে। যার প্রবেশমূল্য ৫০ টাকা।
আম পাড়তে গিয়ে নির্মাণ শ্রমিকের ব্যাক্তির মৃত্যু
নড়াইল জেলা প্রতিনিধিঃ
নড়াইলের লোহাগড়ায় আম গাছ থেকে পড়ে গিয়ে মোঃ হারুন অর রশিদ(৫০) নামে এক নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২১) মে সকালে উপজেলার বিদ্যুৎ অফিসের সামনের আম গাছ থেকে পড়ে তার মৃত্যু হয়।
হারুন অর রশিদ বরিশালের মৃত ইব্রাহিম হাওলাদারের ছেলে। সে লোহাগড়া উপজেলার আদর্শ নগরের ইব্রাহিম মোল্যার বাড়ির ভাড়াটিয়া।
লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আবু হেনা মিলন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকাল ৬ টার দিকে উপজেলার বিদ্যুৎ অফিসের সামনের আম গাছে ওঠে, ঝড়ো বাতাস শুরু হওয়ায় তাড়াহুড়ো করে নামতে গিয়ে পা পিছলে ১০০ফুট উচু আম গাছ থেকে সরাসরি নিচে পড়ে যান। তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় লোকজন লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিলে গুরুতর অবস্থায় কর্তব্যরত চিকিৎসক নড়াইল জেলা সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। সকাল ৮ টায় সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক হারুনকে মৃত ঘোষনা করেন।
নিহতের স্ত্রী রোজিনা খুলনাঞ্চালকে বলেন, ঘরে আম আছে তারপর ও কেন আম পাড়তে উঠলো, এ বিলাপ যেন থামবার নয়! নিজেদের কোন বাড়িঘর জমি না থাকায় ইব্রাহিম মোল্যার বাড়িতে ২সন্তান নিয়া কষ্টের সংসারে তারা ১৭বছর ধরে ভাড়া আছেন। হারুন পেশায় রাজমিস্ত্রীর কাজ করেন এবং রোজিনা খণ্ডকালীন হিসাবে ৫০০০টাকা বেতনে উপজেলা হাসপাতালে ক্লিনারের কাজ করেন। স্বামীর মৃত্যুতে তার ছেলে মিয়া নিয়া অথৈ সাগরে কেমনে সংসার চালাবেন ছেলে মেয়েদের পড়াশোনার খরচ জোগাবেন মাথায় কিছু আসছেনা। দাফন কাফনের ব্যাবস্থা করতে না পারায় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন আল মার্কা জুল তার স্বামীর দাফন কাফনের দায়িত্ব নিয়েছেন।
শরণখোলায় আগুনে বসত ঘর ভস্মিভূত
শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার বাধাল গ্রামে একটি বসত ঘর আগুনে সম্পূর্ণ ভস্মিভূত হয়েছে। শুক্রবার রাত আড়াইটার দিকে এ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। আগুনে নগদ টাকা ও মালামালসহ প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়।
সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আসাদুজ্জামান স্বপন জানান, তার বাড়ি পাশের ইজিবাইক চালক মাসুম বিশ্বাসের ঘরে আগুন লাগে। কিছু বুঝে ওঠার আগে মালামালসহ সম্পূর্ণ ঘর পুড়ে ছাই হয়ে যায়। তবে কেউ আহত হয়নি। রান্নাঘর থেকে আগুনের সুত্রপাত বলে তাদের ধারনা। মাত্র চার মাস আগে সাড়ে চার লাখ টাকা ব্যয় করে কাঠ দিয়ে ঘরটি তৈরী করেন মাসুম। আগুনে নগদ ও মালামালসহ প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয় বলে তিনি জানান।
শরণখোলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ নুর ই আলম সিদ্দিকী বলেন, অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে উপজেলা পরিষদ থেকে বিধি অনুযায়ী সহায়তা করা হবে।
দি হাঙ্গার প্রজেক্টের উদ্যোগে খুলনায় কোভিড-১৯ প্রতিরোধ প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা
খবর বিজ্ঞপ্তি
দি হাঙ্গার প্রজেক্টের উদ্যোগে ইউনিসেফের সহযোগিতায় শনিবার সকাল ১০টায় সোনাডাঙ্গাস্থ এফপিএবির হল রুমে কোভিড-১৯ প্রতিরোধ প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা প্রজেক্টের বিভাগীয় সমন্বয়কারী মাসুদুর রহমান রঞ্জুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ৩১নং ওয়ার্ড সভাপতি আরিফ হোসেন মিঠু। সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক সবুরুন্নেসা, মাহাবুর রহমান, রেশমা খাতুন, সৈয়দ আঃ হাকিম, সাব্বির আহমেদ, সাংবাদিক কৌশিক দে বাপী, রীতা রাণী দাস, খলিলুর রহমান সুমন ও তানভীর আহমেদ, রুবিনা আক্তার, বনানী ঝুমুর প্রমূখ। সভায় করোনা প্রতিরোধে টিকা গ্রহণ কর্মসূচী পুরোপুরি সফলতা অর্জনের জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহবান জানানো হয়।
গল্লামারী ময়ূর নদী সংষ্কার করে নগরীর জলাবদ্ধতা দূর করতে হবে
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনার প্রবেশদ্বার গল্লামারী ময়ূর নদী সংষ্কার, দখল মুক্ত, দুষণ মুক্ত, দুর্গন্ধ মুক্ত ও অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ এবং ময়ূর নদীর পরিবেশ রক্ষা করে নগরীর জলাবদ্ধতা দূর করতে হবে। গত বছরের সেপ্টেম্বরে নগরীর ২২ খাল পুনরুদ্ধারে খুলনা সিটি করপোরেশন অভিযান পরিচালনা করলে তা করোনার কারণে বন্ধ হয়ে যায়। আর এ সুযোগে কেউ কেউ নতুন করে দখল করেছে। ২২টি খাল নানাভাবে দখল হয়ে যাওয়ায় নগরীর জলাবদ্ধতা সমস্যা তীব্রতর হয়েছে।
শনিবার (২১ মে) সকাল ১১টায় নগরীর গল্লামারী ব্রিজের উপর বৃহত্তর আমরা খুলনাবাসীর উদ্যোগে ময়ূর নদী রক্ষার দাবিতে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তরা এসব কথা বলেন। বক্তরা আরও বলেন, নগরী ২২টি খালের মধ্যে সাহেবখালী খাল, বাটকেমারী খাল, ছড়িছড়া খাল, ময়ূর নদ, মন্দার খাল, হরিণটানা খাল, তালতলা খাল, তমিজ উদ্দিন খাল, মতিয়াখালী খাল, খুদে খাল, নারকেলবাড়িয়া খাল, ছোট বয়রা শ্মশানঘাট খাল ও মজুমদারের খাল ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ অবৈধভাবে দখল হয়ে গেছে। নবীনগর খালের ওপর তৈরি হয়েছে ট্রাক টার্মিনাল ও বাস টার্মিনাল। রেলওয়ে এলাকায় যে খালটি ছিল তার ওপর এখন হলুদ-মরিচের আড়ত। সোনাডাঙ্গা বাস টার্মিনালের পশ্চিমে তৈরি মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সের কারণে একটি খালের মুখ বন্ধ হয়ে আছে। এর ফলে নগরীর পানি নিষ্কাশিত না হওয়ায় জলাবদ্ধতা বাড়ছে। এছাড়া ময়ূর নদীর পানি নষ্ট হয়ে এলাকায় দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। আসছে বর্ষা মৌসুমে পানি বাধাগ্রস্ত হয়ে ভয়াবহ জলাবদ্ধতার সৃষ্টি করবে। সামান্য বৃষ্টিতে তলিয়ে যাবে নগরের সড়ক ও ঘরবাড়ি-ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান। পানি জমে থাকায় ক্ষতিগ্রস্ত হবে সড়ক। যে কারণে ময়ূর নদী ও ২৬টি খাল দখলমুক্ত করতে পূনরায় উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে পরিবেশ রক্ষা এবং শহরের বাসিন্দা ও সাধারণ মানুষকে দুর্ভোগ হতে রক্ষা করার আহবান জানান বক্তরা।
বৃহত্তর আমরা খুলনাবাসীর সহ-সভাপতি ডা. সৈয়দ মোসাদ্দেক হোসেন বাবলু’র সভাপতিত্বে এবং প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক এস এম মাহবুবুর রহমান খোকন এর পরিচালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন খুলনা মহানগর বিএনপির আহবায়ক এডভোকেট শফিকুল আলম মনা, সদস্য সচিব মো. শফিকুল আলম তুহিন, সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল গফ্ফার বিশ্বাস, বাংলাদেশ কমিউনিষ্ট পার্টি খুলনা মহানগর সভাপতি মিজানুর রহমান বাবু, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট নিত্যনন্দ ঢালী, নাগরিক সমাজের আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট আ ফ ম মহসীন, পরিবেশ সুরক্ষার উপকুলীয় জোটের আহবায়ক আয়কর আইনজীবী এস এম শাহনেওয়াজ আলী, ওয়াকার্স পার্টি খুলনা মহানগর সভাপতি মফিদুল ইসলাম, শ্রমিক নেতা মো. দেলোয়ার হোসেন দিলু, মানবধিকার বাস্তবায়ন সংস্থার কো-অডিনেটর এডভোকেট মোমিনুল ইসলাম, গ্লোবাল খুলনার আহবায়ক শাহ্ মামনুর রহমান তুহিন, খুলনা পোল্ট্রি ফিস ফিড শিল্প মালিক সমিতির মহাসচিব প্রেণিপ্রেমী এস এম সোহরাব হোসেন, যুব ইউনিয়ন খুলনার সভাপতি আজমল হোসেন রাজু, কেডিএফ সভাপতি আব্দুস সালাম আকর শিমুল, আলোর মিছিল সভাপতি তারেক শেখ, সমাজ উন্নয়ন কমিটির সভাপতি মো. দেলোয়ার হোসেন, সোনালী দিন প্রতিবন্ধি সংস্থার সভানেত্রী ইশরাত আরা হিরা, নাগরিক নেতা মো. আব্দুল হালিম, মোটরসাইকেল গ্যারেজ মালিক সমিতির নেতা মো. আইনুল হক, সিবিপি জেলা যুগ্ম-সম্পাদক মো. আব্দুল হান্নান, বাংলাদেশ পিপলস্ পার্টি খুলনা মহানগর সভাপতি শাকিল আহমেদ রাজা, খালিশপুর থানা যুবলীগ নেতা মো. রিপন ও মো. জাহাঙ্গীর হোসেন।
মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন বৃহত্তর আমরা খুলনাবাসীর সহ-সভাপতি কাউন্সিলর মাজেদা খাতুন, ডা. আব্দুস সালাম ও শেখ হেদায়েত হোসেন হেদু, প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক এস এম মাহবুবুর রহমান খোকন, যুগ্ম-সম্পাদক মোহাম্মদ আলী ও এম এ জলিল, দপ্তর সম্পাদক কামরুল ইসলাম ভুট্রো, ক্বারী শরীফ মিজানুর রহমান, মো. শহিদুল ইসলাম, মো. রবিউল ইসলাম সবুজ, নারী নেত্রী কাওসারী জাহান মঞ্জু, শাহানা পারভীনস্বপ্না, লাকী আক্তার, সোমা আক্তার, সাথী আক্তারসহ নগরীর গণ্যমান্য বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ।
দ্বিধাদ্বন্দ্ব ভুলে এখন থেকেই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে -সালাম মূর্শেদী এমপি
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বিজিএমইএ’র সাবেক সভাপতি আব্দুস সালাম মূর্শেদী বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে দ্বিধাদ্বন্দ্ব ভুলে এখন থেকেই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। বিএনপিসহ ঐক্যজোটকে শক্ত হাতে দমন করতে হলে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজের কোন বিকল্প নেই।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কৃষিবান্ধব, শিক্ষাবান্ধব ও ক্রীড়াবান্ধবসহ জনগণের সেবার জন্য সকল কাজে দক্ষতার সাথে করে থাকেন। যার কারণেই পৃথিবী উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে বাংলাদেশকে বেছে নিয়েছেন।
শনিবার সকাল ১০টায় তেরখাদা উপজেলা সদরে সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তরের আওতাধীন তেরখাদা ব্রীজের সড়ক ও জনপদ চলমান কাজ পরিদর্শন ও বিকল্প সড়কের উদ্বোধন, তেরখাদা উপজেলার জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নতুন ভবনের উদ্বোধন, দুপুর ১২টায় রূপসা উপজেলার শিয়ালী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুইতলা বিশিষ্ট নতুন ভবনের উদ্বোধন, দুপুর সাড়ে ১২টায় রূপসা উপজেলার শিয়ালী পুলিশ ক্যাম্প হতে শশ্মান মন্দির অভিমুখে যাতায়াতের রাস্তার নির্মাণ কাজের উদ্বোধন, তেরখাদা মশুন্দিয়া নদীভাঙ্গন পরিদর্শন, দুপুর ১টায় রূপসা উপজেলার চাঁদপুর কলেজের নতুন চার তলা একাডেমিক ভবনের উদ্বোধন, বিকাল ৫টায় রূপসা উপজেলার কাজদিয়া মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের নতুন একাডেমিক ভবনের উদ্বোধন, তেরখাদা উপজেলায় ভূমি সেবা সপ্তাহ পরিদর্শন, তেরখাদা সরকারি খাদ্যগুদামে ধান সংগ্রহ উদ্বোধন ও বিকেলে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় গোল্ডকাপ টুর্ণামেন্ট ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জাতীয় গোল্ডকাপ টুর্ণামেন্ট এবং সন্ধ্যায় রূপসা উপজেলায় বিকল্প কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে ইলিশ ধরা জেলেদের মাঝে বকনা বাছুর বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
বিভিন্ন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রূপসা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা কামাল উদ্দীন বাদশা, রূপসা উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুবাইয়া তাসনিম, জেলা কৃষকলীগের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান আশরাফুজ্জামান বাবুল, ফ, ম আব্দুস সালাম, জাহাঙ্গীর হোসেন মুকুল, জেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এবিএম কামরুজ্জামান, তেরখাদা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান এফ এম অহিদুজ্জামান, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শারাফাত হোসেন মুক্তি, উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা আইয়ুব মল্লিক বাবু, সৈয়দ মোর্শেদুল আলম বাবু, আরিফুর রহমান মোল্লা, এমদাদুল ইসলাম, এস এম হাবীব, মোতালেব হোসেন, আক্তার ফারুক, জাহাঙ্গীর শেখ, মোল্লা ওয়াহিদুজ্জামান মিজান, সরদার ফেরদৌস, রাজীব দাস, মোঃ আবুল কালাম আজাদ, শাহনেওয়াজ কবীর টিংকু, রতন মন্ডল, খায়রুজ্জামান সজল, এসএম রিয়াজ,হুমায়ূন কবীর,রূপম দাস, আল মামুন এলিচ,সোহেল রানা, আলী ওমর,রাসেল প্রমূখ।
মণিরামপুরে নিজ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে শিক্ষক আটক
মণিরামপুর প্রতিনিধি:
মণিরামপুরে ৭ম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে ঢাকুরিয়া প্রতাপকাটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের গণিত শিক্ষক প্রদীপ কুমার পাইনকে চাকুৃরি থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। শিক্ষককে বহিষ্কারের প্রতিবাদে এসএসসি পরিক্ষার্থীরা শনিবার সকালে প্রস্তুতিমূলক পরীক্ষায় অংশ না নিয়ে বিক্ষোভ করে স্কুলের জানালা-দরজাসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাংচুর করে। অভিযোগ রয়েছে বহিষ্কৃত শিক্ষক প্রদীপ কুমার পাইন নিজেকে রক্ষা করতে এসএসসি পরিক্ষার্থীদের উস্কে দিয়ে ভাংচুরের এ ঘটনা ঘটিয়েছে। খবর পেয়ে সকাল ১১টার দিকে র্যাব-৬ এর সদস্যরা স্কুল থেকে বহিষ্কৃত শিক্ষক প্রদীপ কুমার পাইনকে আটক করে। প্রদীপ কুমার পাইন উপজেলার শ্রীপুর গ্রামের সন্তোষ কুমার পাইনের ছেলে।
উপজেলার ঢাকুরিয়া প্রতাপকাটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুল জব্বারসহ এলাকাবাসী জানান, সহকারি শিক্ষক (গণিত) প্রদীপ কুমার পাইন বেশ কয়েক বছর যাবত ঢাকুরিয়া বাজারে একটি ঘর ভাড়া নিয়ে গড়ে তোলেন দি-সাগর কোচিং সেন্টার। এ কোচিং সেন্টারের পরিচালক তিনি নিজেই। কোচিং সেন্টারে তিনিসহ বেশ কয়েকজন শিক্ষক এলাকার বিভিন্ন শ্রেণির শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট পড়ান।
অভিযোগ রয়েছে গত ২০ এপ্রিল বিকেলে কোচিং সেন্টারে ক্লাশ শেষে ৭ম শ্রেণির ওই শিক্ষার্থীকে-শিক্ষক প্রদীপ কুমার পাইন যৌন হয়রানি করেন। পরে শিক্ষার্থী বাড়িতে গিয়ে বিষয়টি তার মায়ের কাছে খুলে বলে। এ ব্যাপারে শিক্ষার্থীর পিতা বাদি হয়ে প্রদীপ কুমার পাইনের বিরুদ্ধে ঢাকুরিয়া-প্রতাপকাটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বরাবর অভিযোগ করেন। প্রধান শিক্ষক আবদুল জব্বার জানান, এ ব্যাপারে ম্যানেজিং কমিটির পক্ষ থেকে প্রদীপ কুমার পাইনকে শোকজ করে বিষয়টি তদন্তের জন্য ৩ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। সহকারি প্রধান শিক্ষক রমজান আলীর নেতৃত্বে টিমের অন্য সদস্যরা তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা পেয়ে প্রতিবেদন দাখিল করেন। ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি বাবলু সিংহ জানান, তদন্ত প্রতিবেদন পাবার পর গত বৃহস্পতিবার সহকারি শিক্ষক (গণিত) প্রদীপ কুমার পাইনকে চাকুরি থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়। ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও প্রধান শিক্ষকসহ প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এসএসসি পরিক্ষার্থীদের প্রস্তুতিমূলক হিসেবে শনিবার সকাল ১০ টায় ইংরেজি দ্বিতীয় পত্রের পরিক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু শিক্ষক প্রদীপ কুমার পাইনের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে শতাধিক এসএসসি পরিক্ষার্থী নির্ধারিত সময়ে পরিক্ষায় অংশ না নিয়ে স্কুলের মাঠে বিক্ষোভ করে। এক পর্যায়ে পরিক্ষার্থীরা স্কুলের দ্বিতীয় তলায় পরীক্ষা কেন্দ্রের দরজা-জানালাসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র ভাংচুর করে। অভিযোগ রয়েছে নিজেকে রক্ষা করতে শিক্ষক প্রদীপ কুমার পাইন উপস্থিত থেকে প্রাইভেট পড়ানো শতাধিক এসএসসি পরিক্ষার্থীকে উষ্কে দিয়ে ভাংচুরের এ ঘটনা ঘটিয়েছে। ভাংচুরের পর এ দিনের প্রস্তুতিমূলক পরীক্ষা স্থগিত করার কথা উল্লেখ করে প্রধান শিক্ষক আবদুল জব্বার জানান। খবর পেয়ে সকাল ১১ টার দিকে র্যাব সদস্যরা স্কুল থেকে বহিষ্কৃত শিক্ষক প্রদীপ কুমার পাইনকে আটক করে। র্যাব-৬ যশোর ক্যাম্পের লে.কমান্ডার নাজিউর রহমান জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য শিক্ষক প্রদীপ কুমার পাইনকে আটক করা হয়েছে। এ দিকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে ঢাকুরিয়া এলাকার একাধিক ব্যক্তি সাংবাদিকদের জানান, ইতিপূর্বে শিক্ষক প্রদীপ কুমার পাইন কোচিং সেন্টারে প্রাইভেট পড়ানোর নাম করে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থীর সর্বনাশ করেন। সামাজিক অবস্থার কথা বিবেচনা করে ভুক্তভোগী বিষয়টি চেপে যায়। তাছাড়া প্রদীপ প্রভাবশালী হওয়ায় তার বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে সাহস পাইনা। মণিরামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি সার্বিক) নূর ই আলম সিদ্দিকী জানান, এ ঘটনায় শিক্ষক প্রদীপের বিরুদ্ধে ওই শিক্ষার্থীর পিতা বাদি হয়ে বিকেলে একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন।
শ্বশুরবাড়ি থেকে প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার
চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি
চুয়াডাঙ্গায় মনিশা আক্তার মিমি (২৬) নামে এক প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার রাতে জেলা শহরের পলাশপাড়ার শ্বশুরবাড়ি থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত মনিশা আক্তার ওই পাড়ার সৌদি প্রবাসী লিটন হোসেনের স্ত্রী। মনিশার বাবার বাড়ি কুষ্টিয়ায়।
নিহত মিমির বাবা বিল্লাল হোসেন অভিযোগ করে বলেন, জামাই লিটন সৌদি আরবে থাকার কারণে মিমি ও তার ছেলে শাশুড়ির সঙ্গে চুয়াডাঙ্গা শহরের পলাশপাড়ায় থাকত। মাঝেমধ্যে তার শাশুড়ি ও ননদ আমার মেয়েকে নির্যাতন করত। আমার মেয়ে নামাজি ছিল। সে আত্মহত্যা করতে পারে না। তাকে শ্বশুরবাড়ির লোকজন হত্যা করে ঝুলিয়ে রেখেছিল বলে আমার ধারণা।
নিহত মিমির ছেলে ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র মাহিম বলেছে, দাদি রোমেছা বেগম ও ফুফু রিক্তা প্রায়ই আমার আম্মুর সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করত। মাঝেমধ্যে মারধরও করত। শুক্রবার সন্ধ্যার পর আমি বাইরে ছিলাম। রাত ৮টার দিকে বাড়ি ফিরে দেখি আম্মুকে সবাই হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছে।
তবে মিমির শাশুড়ি রোমেছা বেগম বলেন, আমাদের সঙ্গে মিমির খুবই ভালো সম্পর্ক ছিল। সে বেশ কয়েক মাস অসুস্থ ছিল। আমরা তাকে কখনো নির্যাতন করিনি। সন্ধ্যার পর নিজ ঘরে মিমিকে ঝুলতে দেখি আমি। পরে চিৎকার করলে প্রতিবেশীরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। হাসপাতালের ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন। আমরা কেন তাকে হত্যা করতে যাব?
চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) আবু সাঈদ বলেন, পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে হত্যা কিংবা নির্যাতনের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। আমরা শুক্রবার রাতেই লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছি। ময়নাতদন্তের পর বিস্তারিত জানতে পারব।
‘উগ্রপন্থা থেকে যুব সমাজকে সুরক্ষায় তথ্যপ্রযুক্তি বড় হাতিয়ার’
স্টাফ রিপোর্টার
তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলম বলেছেন, তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে তরুণরা স্বাবলম্বী হতে পারে। নিজেদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলে অন্যদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে। উগ্রপন্থা থেকে যুব সমাজ সুরক্ষায় তথ্য প্রযুক্তি একটা বড় হাতিয়ার হতে পারে।
শনিবার খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে পাঁচ শতাধিক তরুণ-যুবকদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত সাব ন্যাশনাল ইয়ুথ সামিটের প্রধান অতিথির বক্তন্যে এ কথা বলেন তিনি। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, নর্থ-ওয়েস্টার্ন, নর্দান বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা মহানগর ও সাতক্ষীরা পিসক্লাবের ৫ শতাধিক তরুণ-যুবক এ সামিটে অংশগ্রহণ করেন।
বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা রূপান্তর আয়োজিত এই সামিটে সভাপতিত্ব করেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনার জেলা প্রশাসক মো. মনিরুজ্জামান তালুকদার, ইউএনডিপি’র প্রকল্প পরিচালক রবার্ট স্টয়েলম্যান, নর্দান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. জহিরুদ্দিন, সরকারি বিএল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক শরীফ আতিকুজ্জামান।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তৃতা করেন রূপান্তর-এর নির্বাহী পরিচালক রফিকুল ইসলাম খোকন ও খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস। অভিজ্ঞ বর্ণনা করেন নর্থ ওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শ্রাবন্তী চক্রবর্তী, কেসিসি’র ৩০ নং ওয়ার্ড পিস ক্লাবের ইফতেখার মাহবুব লাবিব, ৫ নং ওয়ার্ড পিস ক্লাবের তাইয়্যেবা ইসলাম এবং খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিফাত-উল-ইসলাম। এতে উপস্থিত ছিলেন রূপান্তর-এর অপর নির্বাহী পরিচালক স্বপন কুমার গুহ।
সভাপতির বক্তৃতায় উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন এই আয়োজনের জন্যে আয়োজক প্রতিষ্ঠানকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, সব অন্যায়, অসত্য, কুসংস্কারের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের যুবকরা অতীতে যেমন রুখে দাঁড়িয়েছে এখনও তারা সেটা করবে। এজন্য প্রয়োজন যুবকদের সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে তোলা।
অনুষ্ঠানে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র অমানিশার প্রিমিয়ার অনুষ্ঠিত হয়। পরে ডিজিট্যাল যুব নাগরিক বিষয়ে এক প্যানেল আলোচনা ইউএনআরসিও’র পিভিই সমন্বয়কারী নাদিম ফরহাদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনায় অংশ নেন শেখ ইফতেশাম ইসলাম, রুসলান আবিদ, শেখ নাঈমা সুলতানা ও অরিশা আরজু।
শান্তি-সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় উদ্যোগী যুবদের এই সামিটে তাদের গৃহীত নানা উদ্যোগের বিষয়গুলো প্রদর্শনের জন্য বেশ কয়েকটি স্টল ছিল। এর মধ্যে তিনটি সেরা স্টলকে পুরষ্কৃত করা হয়।
কালবৈশাখীতে গাছ পড়ে খুলনার পথে রেল যোগাযোগ তিন ঘণ্টা বন্ধ
চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় কালবৈশাখী ঝড়ে রেললাইনের ওপর গাছ পড়ে খুলনার পথে তিন ঘণ্টা ট্রেন চলাচল বন্ধ ছিল। পরে রেলকর্মীরা গাছ অপসারণ করার পর রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়।
আলমডাঙ্গা-হালসার মাঝে রেললাইনের ওপর কয়েকটি গাছ ভেঙে পড়ে। এতে ভোর সাড়ে ৫টার পর থেকে সারা দেশের সঙ্গে খুলনার ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায় বলে সমকালকে জানান আলমডাঙ্গার স্টেশন মাস্টার নাজমুল হুসাইন।
স্থানীয়রা জানন, শনিবার ভোরে আলমডাঙ্গায় আধা ঘণ্টা ধরে ঝড়-বৃষ্টি হয়। এতে বহু ঘরবাড়িসহ উঠতি ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়। বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে গেছে। আলমডাঙ্গা-হালসার মাঝে রেললাইনের ওপর গাছ পড়ে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যান। আলমডাঙ্গা স্টেশনে নকশীকাথা এক্সপ্রেস ও কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস আলমডাঙ্গা স্টেশনে, বেনাপোল এক্সপ্রেস হালসা স্টেশনে, সাগরদাড়ি এক্সপ্রেস পোড়াদহ স্টেশনে আটকা পড়ে।
খুলনায় ছাদ থেকে পড়ে নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু
স্টাফ রিপোর্টার
খুলনায় কাজ করার সময় তিন তলা ভবনের ছাদ থেকে পড়ে রেজাউল (৪৫) নামে এক নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২১ মে) সকাল ৯টায় মহানগরীর সদর থানার মিস্ত্রিপাড়া বাজারের পেছনে এই ঘটনা ঘটে।
রেজাউল কয়রা থানার মহারাজপুর ইউনিয়নের খুঁড়িয়া গ্রামের মৃত হোসেন সরদারের ছেলে। তিনি মহানগরীর মিস্ত্রিপাড়া এলাকায় বসবাস করতেন।
খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান আল মামুন জানান, মিস্ত্রিপাড়ায় একটি বাড়িতে কাজ করার সময় পা পিছলে ভবনের তিন তলা থেকে পড়ে যান রেজাউল। তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান স্থানীয়রা। সেখানে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।











































