স্টাফ রিপোর্টার।।
সয়াবিন তেলের তেলেসমাতির মধ্যেই বেড়েছিল ডিম ও পেঁয়াজের দাম। এখন সেই বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে তেল, পেঁয়াজ আর ডিম। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলো চাল। ভরা মৌসুমে মানভেদে প্রতিকেজি চালে ৫ থেকে ৬ টাকা বেড়েছে।
শনিবার (২১ মে) নগরীর বড় বাজারের পাইকারী ও খুচরা দোকানে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রতিকেজি মিনিকেট চাল ৬৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। একইভাবে ২৮ সেদ্ধ ৫০, মোটা ৪২, স্বর্ণা ৪৩, নাজিরশাল ৭১ ও বাসমতি ৭৬ টকায় বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা। অথচ এক সপ্তাহ আগেও মিনিকেট চাল বিক্রি হয়েছে প্রতিকেজি ৬২ টাকায়। অনুরুপভাবে ২৮ সেদ্ধ ৪২, মোটা ৩৬, স্বর্ণা ৩৯, নাজিরশাল ৬৫ ও বাসমতি ৬৭ টাকায় বিক্রি হয়।
টুটপাড়া জোড়াকল বাজারের চাল বিক্রেতা আতাহার আলী, আবু বক্কর, শামিম হোসেন বলেন, চালের দাম একটু বাড়তির দিকে। পাইকারি বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। তাই সেই হিসেবে বিক্রি করছি। একসপ্তাহ ধরে চালের বাজারে উত্তাপ ছড়াচ্ছে। সামনে আবারও বাড়তে পারে। দাম বৃদ্ধির জন্য মিল মালিকদের দায়ী করেন তারা।
নগরীর লবণচরা এলাকার মিল মালিক গোলাম মাওলা বলেন, উত্তরবঙ্গের মিল মালিকরা কৃষকদের কাছ থেকে কম দামে ধান কিনে মজুত রাখছে। ফলে বাজারে সংকট দেখা দিলে মিল মালিকরা ধান ভঙিয়ে অতিরিক্ত মূল্যে চাল বিক্রি করবে।
মিস্ত্রিপাড়া বাজারের চাল ব্যবসায়ী হোসাইন বরকত বলেন, চালের সঙ্কটের কথা জানিয়েছে বড় বাজারের পাইকারী ব্যবসায়ীরা। কিন্তু নতুন চাল বাজারে আসতে শুরু করেছে। এসময়ে চালের দাম বাড়তি হওয়ার কথা নয়। তবে কি কারণে দাম বেড়েছে তা বলতে পারছি না।
নগরীর বড় বাজারের এক পাইকারী ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, বৃষ্টি ও বন্যার কারণে অনেকই ধান ঘরে তুলতে পারেননি। তাই চালের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।
জোড়াকল বাজারে ক্রেতা মিজানুর রশিদ লাবু বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিষের দাম যেভাবে বেড়েছে তাতে বেঁচে থাকা কষ্টসাধ্য ব্যাপার। তেলের পর বেড়েছে পেঁয়াজের দাম এরপর বাড়ছে চালের দাম।
এদিকে খুলনার বাজারে বর্তমানে পেঁয়াজের কেজি ৪০ টাকা। যা গত দুই সপ্তাহ আগেও ছিল ৩৩ টাকা।











































