Home আঞ্চলিক সারা খুলনা অঞ্চলের খবর

সারা খুলনা অঞ্চলের খবর

17

বটিয়াঘাটায় এক সপ্তাহে ১৬টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা
বটিয়াঘাটা প্রতিনিধি
বটিয়াঘাটা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ রাশেদুজ্জামান এপ্রিল মাসে এক সপ্তাহে ১৬টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে মোট ২৯ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেছে। যে সব বিষয়ের উপর ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হয়েছে তা হলো যৌক্তিক কারণ ছাড়া অহেতুক বাজারের রাস্তা-ঘাটে ঘোরাঘুরি করা, আড্ডা দেওয়া, বেশি দামে নিত্য প্রয়োজনীয় পন্য বিক্রয় করা ইত্যাদি। এ ব্যাপারে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ রাশেদুজ্জামানের কাছে জানতে চাইলে; তিনি এ প্রতিবেদককে জানান, জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট ও জেলা প্রশাসক মোঃ হেলাল হোসেনের নির্দেশে ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ নজরুল ইসলামের বাস্তবায়নে এ প্রক্রিয়া অব্যহত আছে এবং অব্যহত থাকবে। আমার এ কাজে সহযোগিতা করছেন সেনা বাহিনীর সদস্য ও থানা পুলিশের ইনচার্জ মোঃ রবিউল কবিরের নেতৃত্বাধীন পুলিশ সদস্যবৃন্দ।

রাতের আঁধারে ঘরে ঘরে খাদ্যদ্রব্য নিয়ে হাজির বাগেরহাট জেলা প্রশাসন

মাসুম হাওলাদার, বাগেরহাট

বাগেরহাট জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ এর নির্দেশনায় রাতের আঁধারে বাগেরহাট শহরের নাগেরবাজার এলাকায় ও সদর উপজেলা থানাধীন বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন অসহায় দিনমজুর, বাসায় হাজির হয়ে খাদ্যদ্রব্য সহায়তা করেন বাগেরহাট অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোঃ কামরুল ইসলাম. বাগেরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানজিল্লুর রহমান. এসময় উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক অলীপঘটক সাংবাদিক মাসুম হাওলাদার সহ প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাতে বিভিন্ন গ্রামে-গ্রামে চাল,আলু. ডাল, তেল, লবণ, সাবান, নিয়ে নিম্ন আয়ের মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে হাজির হন বাগেরহাট অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোঃ কামরুল ইসলাম ও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানজিল্লুর রহমান. সন্ধ্যা থেকে মাঝরাত পর্যন্ত প্যাকেট ভর্তি খাবার তুলে দেন নিম্ন আয়ের মানুষের হাতে। তিনি সবাইকে ঘরে থাকার পরামর্শ দেন। সব সময় সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার আহ্বান জানান। এই মহতী ভূমিকায় অভিভূত গ্রামের মানুষ। ঝরনা মন্ডল ও সুফিয়া বেগম সহ অনেকে চোখের পানি ঝরিয়ে দোয়া করেন । করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সরকারের নির্দেশনা আসার পর থেকে-ই মাঠে নেমেছেন। বাগেরহাট জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ তিনি রাত দিন অকান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন মাঠে ময়দানে। খাবার বিতরণ করে চলেছেন বাগেরহাট পৌরসভা সহ জেলার ৯ টি উপজেলার গ্রামে গ্রামে নিম্নআয়ের মানুষের মাঝে। মানুষকে ঘরে থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন। সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ রাখার জন্য আহ্বান জানাচ্ছেন। করোনাভাইরাস প্রতিরোধে মানুষকে সচেতন করছেন।

বাগেরহাটে লতিফ মাষ্টার ফাউন্ডেশনের খাদ্যদ্রব্য সহায়তা প্রদান

বাগেরহাট প্রতিনিধি :

বাগেরহাটে লতিফ মাষ্টার ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে কর্মহীন মানুষের মাঝে খাদ্যদ্রব্য ও নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী বিতরন করা হয়েছে। বুধবার সকালে বাগেরহাট পৌরসভা ও সদর উপজেলা ৫শত পরিবারের মাঝে এ খাদ্যদ্রব্য সহায়তা প্রদান করা হয়। এ সকল খাদ্যদ্যব্য বিতারন করেন বাংলাদেশ জাতীয়বাদী বন্দুদল কেন্দ্রীয় কমিটি সভাপতি বিএনপি নেতা শরীফ মোস্তফাজামান লিটু বাগেরহাট জেলা কৃষকদলের আহবায়ক সৈয়দ আসফউদ্দৌলা জুয়েল,সহ ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তাবৃন্দ। উল্লেখ্য ২০১৯ সালের ১ জানুয়ারী বাগেরহাট পৌরসভার খারদ্বার এলাকায় এ ফাউন্ডেশনটি প্রতিষ্ঠিত হয়। আমেরিকা প্রবাসী জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাবেক কেন্দ্রীয়নেতা রফিকুল ইসলাম জগলু এ ফাউন্ডেশনের অন্যতম পৃষ্ঠপোষক।

তেরখাদায় আজিজুল বারী হেলালের ত্রান সামগ্রী বিতরণ
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা-৪ আসনে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও দেশনায়ক তারেক রহমান তথা বিএনপি মনোনীত “ধানের শীষ”-এর প্রার্থী রূপসা-তেরখাদা-দিঘলিয়ার কৃতি সন্তান কেন্দ্রীয় বিএনপির তথ্য সম্পাদক, ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সাবেক সফল সভাপতি আজিজুল বারী হেলালের পক্ষ থেকে খুলনা জেলার রূপসা-তেরখাদা-দিঘলিয়ায় অসহায়-দু:স্হ-কর্মহীন ৩ হাজার পরিবারের মাঝে প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ সামগ্রী ও নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্য বিতরন কার্যক্রম শুরু করেন। গতকাল প্রাথমিক ভাবে দিনব্যাপি তেরখাদার ৪টি ইউনিয়নে ৬০০ পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী তেরখাদা থানা বিএনপির নেতৃবৃন্দ বিতরন করেন। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নির্দেশনায় ও তারেক রহমানের সার্বিক তত্ত্বাবধায়নে দেশের এই ক্রান্তিকালে আজিজুল বারী হেলাল, তার নির্বাচনী এলাকা রূপসা-তেরখাদা-দিঘলিয়ার পর্যায়ক্রমে ৩ হাজার পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী দিবেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের সাধারন সম্পাদক আতাউর রহমান রনু, খুলনা জেলা ছাত্রদলের সাধারন সম্পাদক গোলাম মোস্তফা তুহিন, তেরখাদা থানা বিএনপির সহ-সভাপতি মোল্লা আজিজুর রহমান গাউস, আব্দুল হক, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক বুলু চৌধুরী, সাংগাঠনিক সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবীব, ১নং আজগড়া ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক ইউসুফ মোল্লা, ৩ নং ছাগলাদাহ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ইমদাদ হোসেন, ৪ নং ছাচিয়াদাহ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবুল বাশার, ৫ নং ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সেখ নাসির উদ্দীন, তেরখাদা থানা যুবদলের আহবায়ক হুমায়ন মোল্লা, যুগ্ম আহবায়ক আব্দুর রাজ্জাক কচি, সাংগঠনিক সম্পাদক সেখ ওহিদুল ইসলাম, স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক শামিম আহমেদ রমিজ, ছাত্রদলের আহবায়ক মোঃ সুমন, সদস্য সচিব সাব্বির আহমেদ টগর, শ্রমিকদলের আহবায়ক এনামুল কবির, যুগ্ম আহবায়ক জামাল বিশ্বাস, স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক টনি, বাহার, ফেরদাউস, পলাশ, হালিম, মোস্তফা, ইউসুফ, কামাল সহ বিএনপি ও সহযোগী অঙ্গসংগঠন নেতৃবৃন্দ।

গিলাতলায় করোনা আতংকের ভিতরেও থেমে নেই সুদে ব্যাবসায়িদের অত্যাচার
খানজাহান আলী থানা প্রতিনিধিঃ
আটরা গিলাতলা ইউনিয়নে দিন মজুর মানুষ যখন করোনা আতংকে ঘরে বসে পরিবার পরিবার পরিজন নিয়ে না খেয়ে দিন কাটাচ্ছে পথ চেয়ে বসেআছে কখন একটু ত্রান আসে,কিন্তু না ত্রান না পেলেও অভাবের তাড়নায় যে সকল দিন মজুরেরা সুদে ব্যাবসায়িদের কাছ থেকে চড়া সুদে টাকা নিয়েছিলো তাদের আয় রোজগার বন্ধ থাকায় সুদের লভ্যাশং নিতে না পারায় তাদের ওপর চলছে অমানুষিক অত্যাচার।অনেকের বাড়ি থেকে মালামাল বের করার ও ঘটনা ঘটেছে এদের মধ্যে একজন গিলাতলার মৃত কায়সার এর পুত্র ভ্যান চালক রাজিব নিজের স্তী সিজারের সময় নগদ টাকার প্রয়োজনে সুদে ব্যাবসায়ি আজমত এর কাছ থেকে ৫ হাজার টাকা নিয়োিছলেন সুদে সপ্তাহে ৫০০ টাকা লাভ দিবে এ হিসাবে ৭ মাস ধরে লাভের টাকা পরিশোধ করলেও একসাথে ৫ হাজার টাকা পরিশোধ করার ক্ষমতা হয়নি ভান চালক রাজিবের, বর্তমান করোনা পরিস্থিতির কারনে কোন আয়রোজ গার না করতে পেরে লাভের টাকা দিতে না পারায় সুদে ব্যাবসায়ি আজমত এর অত্যাচারে দিশেহারা রাজিব। অনেকটা অসহায় হয়ে বলেন ঘরে খাবার নেয় আর সুদে ব্যাবসায়ি যে ভাবে জুলুম শুরু করেছে তাতে আমার মরা ছাড়া কোন পথ নেয় । এমনি ভাবে এ এলাকার প্রায় ১০ জন সুদে ব্যাবসায়িদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে দিন আনা দিন খাওয়া সাধারন মানুষ। খানজাহান আলী থানা ওসি তদন্ত মোঃ কবির হোসেন বলেন সরকার যখন বিভিন্ন এনজিও কিস্তি আদায় বন্দ করে দিয়েছে,সেখানে যদি কোন সুদে ব্যাবসায়ি সুদের টাকার জন্য জন্য নিরিহ মানুষ এর উপর অত্যচার করে তাহলে অবশ্যই আইনগত ব্যাবস্থা নেওয়া হবে। আটরা গিলাতলা

সাতক্ষীরায় করোনা উপসর্গ নিয়ে এক নারী মেডিকেল কলেজে ভর্তি
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি
করোনার উপসর্গ নিয়ে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোমানা খাতুন (৩৮) নামের এক নারী ভর্তি হয়েছেন। তিনি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার গয়েশপুর গ্রামের ওলিউর রহমানের স্ত্রী। এ নিয়ে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসোলেশনে রয়েছেন দুই জন। এদিকে, সাতক্ষীরায় বিদেশ ফেরত আরো নতুন ৪২ জনসহ মোট ৩ হাজার ১৫৩ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। ছাড় পত্র দেয়া হয়েছে আরো ১ হাজার ১৩৮ জনকে। এছাড়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসোলেশনে থাকা দুজনসহ জেলার মোট ৬৬ জনের নমুনা সংগ্রহ করে আইইডিসিআরে পাঠানো হয়েছে। এদের মধ্যে দুই জনের নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন কার্যালয়ে পৌঁছেছে। দুটি রিপোর্টই নেগেটিভ। বাকীদের রিপোর্ট এখনও আসেনি। অপরদিকে, নারায়নগঞ্জ থেকে সাতক্ষীরার দেবহাটায় আসা চারটি পরিবারকে লক ডাউন ঘোষণা করেছে স্থানীয় উপজেলা প্রশাসন এসবপরিবারের ২০জন সদস্য বাড়ি থেকে বের হতে পারবেন না।

কয়রায় করোনার মত আরও একটি আতঙ্ক ছড়িয়েছে দূর্বল বেঁড়িবাঁধ
শাহজাহান সিরাজ (কয়রা)
নদীতে পূর্ণিমার জোয়রের পানি বেড়ে যাওয়ায় কয়রায় দশালিয়া ওয়াপদার বেঁড়িবাাঁধ ছাপিয়ে ভিতরে পানি প্রবেশ করায় করোনার মত আরও একটি আতঙ্ক ছড়িয়েছে এলাকার মানুষের মধ্যে। জানা গেছে, বুধবার সকাল ১১ টার পর কপোতাক্ষ নদীতে জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় দূর্বল বেঁড়িবাঁধ ছাপিয়ে লোকালয়ে পানি প্রবেশ শুরু করলে মহারাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল মামুন লাভলু করোনা পরিস্থিতি উপেক্ষা করে স্থানীয় লোকজনদের দিয়ে কোন রকমে লবন পানি আটকাতে সক্ষম হয়েছে। সরেজমিনে উক্ত বেঁড়িবাঁধের প্রায় ৫০০ ফুট রাস্তার উপর দিয়ে ভিতরে পানি প্রবেশ করতে দেখা যায়। এবং খবর পেয়ে আশেপশের গ্রামের লোকজন ছুটে এসে মাটি দিয়ে পানি আটকাতে চেষ্টা করে। এসময় চেয়ারম্যান লাভলু জানান, দিনের বেলায় কোন রকমে রক্ষা করা গেছে, কিন্তু রাতে পূর্ণিমার বড় জোয়ারে পানি বৃদ্ধি পেলে রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে। সেজন্য তিনি পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাসহ সংসদ সদস্য কে বিষয়টি অবগত করেছেন বলে জানান। এদিকে বেঁড়িবাঁধের বেহাল অবস্থার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে মানুষের মধ্যে প্রাণঘাতি করোনার মত নতুন করে আরও একটি আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আকতারুজ্জামান বাবু সাংবাদিকদের জানান, বিষয়টি জানার পর তিনি পানি উন্নয়ন বোর্ডের বিভিন্ন দপ্তরে যোগাযোগ করেছেন এবং ঘটনাস্থল দেখভালের জন্য লোকজন প্রস্তুত রাখতে নির্দেশ দিয়েছেন।এছাড়া স্থানীয় চেয়ারম্যান ও মেম্বরদের সার্বক্ষণ বাঁধের দিকে লক্ষ্য রাখতে এবং জনগণকে আতঙ্কিত না হওয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন।পাউবোর আমাদী সেকশন অফিসার সেলিম মিয়া জানান, দশহালিয়া বেড়িবাধ উপচে পানি পানি প্রবেশ করার বিষয়টি জানতে পেরেছি। পাউবোর উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। জরুরী ভিত্তিতে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে

ফকিরহাটে ৩৬০কৃষককের মাঝে সার ও বীজ বিতরন
ফকিরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাটের ফকিরহাটে করোনা দুর্যোগের কারনে কৃষকরা বাইরে বের না হয়ে বাড়ির আঙ্গিনায় সবজী চাষ করার লক্ষ্যে উপজেলা কৃষি অফিসের উদ্যোগে কৃষক-কৃষাণীদের মাঝে বিভিন্ন প্রকারের বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার সকাল ১০টায় উপজেলা কৃষি অফিস চত্ত্বরে এক অনুষ্ঠানে এ সমস্ত বীজ সার বিতরন করা হয়। উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ নাছরুল মিল্লাত এর সভাপতিত্ব অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে এর উদ্বোধনী করেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান স্বপন দাশ। এসময় উপ-সহকারি উদ্ভিদ সংরক্ষন কর্মকর্তা নয়ন কুমার সেন, উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা নীল রতন রায়, শেখ বিল্লাল হোসেন, বিপ্লব কুমার দাশ, একরামুল কবীর, সুমন বাগচী, বিপুল পাল সহ বিপুল সংখ্যাক কৃষক-কৃষাণী উপস্থিত ছিলেন। কৃষি অফিস সুত্রে জানা গেছে, এদিন ২০জন কৃষকের মাঝে প্রণোদনা স্বরুপ ৫কেজি করে উপশী আউশ ধানের বীজ, ১০ কেজি এমওপি সার ও ২০কেজি ডিএপি। ১৪০আউশ চাষীদের মাঝে ৫কেজি করে উপশী ধানের বীজ বিতরণ করা হয়। এছাড়াও ৬০জন চাষীর মাঝে শষা, ডাটা, ধেড়স ও পুইশাকের বীজ বিতরণ করা হয়। মোট ৩৬০জন কৃষকের মাঝে বীজ ও সার বিতরণ করা হবে। উল্লেখ্য করোনা দুর্যোগের কারনে কৃষকরা বাইরে না বের হয়ে বাড়ীর আঙ্গিনায় বা পতিত জমিতে সবজী চাষ করতে পারেন তার জন্য এইসব বিতরণ করা হয়।

খুলনায় দোকান ও হাট-বাজার সকাল ৭টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত খোলা থাকবে
জেলায় সকল যানবাহন প্রবেশ ও বাহির হওয়া বন্ধ
তথ্য বিবরণী
করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধ ও সামাজিক দূরত্ব অধিকতর নিশ্চিত করার লক্ষ্যে খুলনা জেলা ও সিটি কর্পোরেশন এলাকায় দোকান, হাট-বাজার, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা ও যানবাহন চলাচলের ওপর খুলনা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ হেলাল হোসেন ৮ এপ্রিল (বুধবার) জনস্বার্থে এক গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেছেন। গণবিজ্ঞপ্তির নির্দেশনাবলি নি¤œরূপ: কিনিক, হাসপাতাল ও ওষুধের দোকান ব্যতীত অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের দোকান ও বাজার প্রতিদিন সকাল ৭টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। রূপসা সান্ধ্যবাজার, কেসিসি সান্ধ্যবাজার ও সোনাডাঙ্গাস্থ কেসিসি পাইকারি কাঁচাবাজার পূর্বের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সময়সূচি বহাল থাকবে। খুলনা জেলা প্রশাসনের অনুমতি ব্যতীত খুলনা জেলায় সকল ধরণের যানবাহন প্রবেশ ও বাহির হওয়া বন্ধ থাকবে। তবে চিকিৎসা সংশ্লিষ্ট, অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবা যেমন: খাদ্যদ্রব্য, কৃষি পণ্য, সেচ সরঞ্জাম ও জ¦ালানি তেল বহনের গাড়ি এ নিদের্শনার বাইরে থাকবে। এছাড়া ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, হিসাব রক্ষণ অফিস এবং জরুরি সেবা সংশ্লিষ্ট অফিস এ নির্দেশনার আওতামুক্ত থাকবে। উপরোক্ত নির্দেশনা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইননানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

রামপালের সগুনা সামাজিক উন্নয়ন যুব সংঘের নিত্যপন্য বিতরণ
রামপাল (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
রামপালে সগুনা সামাজিক উন্নয়ন যুব সংঘের পক্ষ থেকে দুস্থঃ ও কর্মহীনদের মধ্যে নিত্যপণ্যসামগ্রী বিতরন করা হয়েছে। বুধবার সকাল ১১ টায় সংস্থার প্রধান কার্যালয় সগুনাতে নিজস্ব অর্থায়নে এ ত্রানসামগ্রী বিতরন করা হয়। এ সময় ১০০ টি পরিবারের হাতে চাল ডাল আলু পেয়াজ সহ বিভিন্ন নিত্যপন্য তুলে দেয়া হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সগুনা সামাজিক উন্নয়ন যুব সংঘের সভাপতি সাংবাদিক অমিত পাল,সাধারন সম্পাদক সুব্রত পাল,ভলান্টিয়ার সভাপতি মঞ্জু রানী পাল,খাদিজা খাতুন,লিপি পাল সহ কাবের সদস্যবৃন্দ ও এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ, সাংবাদিকবৃন্দ। সগুনা সামাজিক উন্নয়ন কাব ভিএসও (ভলান্টিয়ার সার্ভিস ওভারসীস) এবং যুব উন্নয়নের তত্বাবধানে একটি অলাভজনক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন হিসাবে এলাকার বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজে অগ্রনী ভ’মিকা পালন করে আসছে।

মণিরামপুরে যুবসমাজের উদ্যোগে পৌর ওয়ার্ড লকডাউন
মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি
ঘাতক করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে নিজেদের রক্ষায় যশোরের মণিরামপুর পৌরএলাকার একটি ওয়ার্ড লকডাউন করে দিয়েছেন স্থানীয়রা। পৌরসভার সাত নম্বর মোহনপুর ওয়ার্ডের যুব সমাজের উদ্যোগে বুধবার সকাল থেকে ওই এলাকার সকল প্রবেশ পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি ব্যারিকেডে সেঁটে দেওয়া হয়েছে ‘বহিরাগতদের প্রবেশ নিশেষ। এই এলাকা লকডাউন। করোনা রোধে আপনার এলাকাও লকডাউন ঘোষণা করুন।’ বাইরের কেউ এই ব্যারিকেড এড়িয়ে গ্রামে ঢুকছেন কিনা তা দেখতে পাহারাও দিচ্ছেন নিজেরা। যুব সমাজের এই উদ্যোগকে প্রশংসনীয় বলছেন ইউএনও নিজেই। আর রাস্তায় ব্যারিকেড দেওয়ায় সকাল থেকে বাইরের কাউকে এলাকাটিতে প্রবেশ করতে দেখা যায়নি। মোহনপুর মহিলা কলেজ পাড়ার মেহেদী হাসান বলেন, প্রথমে আমরা মঙ্গলবার বিকেলে রাস্তায় বাঁশ বেধে বাইরের ছোটখাট গাড়ি চলাচল বন্ধ করে দিই। এরপর রাতে বসে পাড়ার যুবকরা সিদ্ধান্ত নিয়ে সকালে রাস্তায় বেড়া ঘিরে দিয়েছি। বিষয়টি নিয়ে ইউএনও স্যারের সাথে কথা হয়েছে। তিনি আমাদের সমর্থন দিয়েছেন। রাস্তা ঘেরার ব্যাপারে পাড়ার কেউ কেউ বিরোধিতাও করছেন। একই এলাকার আবু বক্কার সিদ্দীক বলেন, করোনার হাত থেকে নিজেদের সুরক্ষার জন্য আমরা এলাকাকে লকডাউন করে দিয়েছি। উপজেলার প্রত্যেক এলাকায় এই উদ্যোগ নেওয়া উচিৎ। এই ব্যাপারে মতামত জানতে ওই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর কামরুজ্জামানের মোবাইলে একাধিকবার কল করলেও তিনি ফোন ধরেননি।
মণিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আহসান উল্লাহ শরিফী বলেন, ‘বিষয়টি আনি শুনেছি। মোহনপুর এলাকার যুবকেরা নিজেদের রক্ষায় যে উদ্যোগটা নিয়েছে তা প্রশংসনীয়। বহিরাগতদের প্রবেশ ঠেকাতে উপজেলার সব এলাকার মানুষ এমন উদ্যোগ নিলে করোনার সংক্রমণ রোধে তা বেশ কার্যকরী হবে বলে আশা করি।

কুয়েট হল কর্মচারীদের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

খবর বিজ্ঞপ্তি
করোনা ভাইরাসের কারণে আর্থিকভাবে বিপর্যস্ত খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয় (কুয়েট) এর বিভিন্ন হলে কর্মরত হল কর্মচারীদের মধ্যে হলসমূহের উদ্যোগে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। ০৮ এপ্রিল বুধবার সকাল ১১টায় বিশ^বিদ্যালয়ের স্টুডেন্ট ওয়েলফেয়ার সেন্টারে ১৫২ জন হল কর্মচারীর মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন বিশ^বিদ্যালয়ের মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. কাজী সাজ্জাদ হোসেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন ফজলুল হক হলের প্রভোস্ট প্রফেসর ড. মোঃ হাবিবুর রহমান, ড. এম এ রশীদ হলের প্রভোস্ট প্রফেসর ড. সজল কুমার অধিকারী, রোকেয়া হলের প্রভোস্ট প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু ইউসুফ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের প্রভোস্ট প্রফেসর ড. পিন্টু চন্দ্র শীল, ফজলুল হক হলের সহকারী প্রভোস্ট ড. মোঃ ইলিয়াস উদ্দিন, লালন শাহ্্ হলের সহকারী প্রভোস্ট পারভেজ আহম্মেদ, অমর একুশে হলের সহকারী প্রভোস্ট মোঃ আব্দুল হাফিজ মিয়াসহ বিশ^বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের মধ্যে পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) প্রফেসর ড. কাজী এবিএম মহীউদ্দিন, ভারপ্রাপ্ত পরিচালক (ছাত্র কল্যাণ) ড. ইসমাঈল সাইফুল্যাহ, কম্পট্রোলার মোঃ নূরুজ্জামান, প্রমুখ।
উল্লেখ্য, করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয় প্রথম থেকেই সচেষ্ট। ইতঃপূর্বে বিশ^বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে বিনামূল্যে কয়েক হাজার বোতল হ্যান্ড সেনিটাইজার বিতরণ, ক্যাম্পাস ও ফুলবাড়ীগেট এলাকায় সচেতনতামূলক ব্যানার ও ফেস্টুন স্থাপন এবং হ্যান্ড বিল বিতরণ করা হয়। এছাড়া, গত ০৫ এপ্রিল রবিবার বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির উদ্যোগে কুয়েট ও আশেপাশের ১৩৫ টি কর্মহীন অসহায় ও দুস্থ্য পরিবারের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন বিশ^বিদ্যালয়ের মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. কাজী সাজ্জাদ হোসেন।

মোড়েলগঞ্জে বিএনপি নেতা কাজী শিপনের পক্ষে ত্রাণ বিতরণ
মোড়েলগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রাণঘাতী করোনা প্রতিরোধে কর্মহীন শ্রমজীবি, অসচ্ছল দুস্থ্য পরিবারের মাঝে বাগেরহাট জেলা বিএনপির সদস্য কেকে গ্রুপের চেয়ারম্যান কাজী খায়রুজ্জামান শিপনের পক্ষে বুধবার দুপুরে পৌরসভায় ১ ও ২নং ওয়ার্ডের অসচ্ছল পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা শহিদুল হক বাবুল, আব্দুল মজিদ জব্বার, সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুক হোসেন সামাদ, শামী বেপারী, মাসুদ হোসেন কাঞ্চন প্রমুখ। কাজী শিপন বলেন, তারেক রহমানের নির্দেশে প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাসে বাগেরহাট-৪, আসনে কর্মহীন মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ অব্যাহত থাকবে। এছাড়াও বিকেলে উপজেলার তেলিগাতি ও বহরবুনিয়া ইউনিয়নে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়। বাগেরহাট-৪, মোড়েলগঞ্জ-শরণখোলা আসন থেকে কাজী খায়রুজ্জামান শিপন এমপি প্রার্থী ছিলেন।

মোড়েলগঞ্জে জেলে পরিবার পেলেন ভিজিডি’র চাল
মোড়েলগঞ্জ প্রতিনিধি
বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জের বলইবুনিয়ায় ইউনিয়নে ১৬৯ জেলে পরিবার পেলেন ভিজিডি’র মৎস্য চাল। বুধবার দুপুরে ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে সামাজিক দুরাত্ব বজায় রেখে জাটকা আহরণ থেকে বিতর থাকা জেলে পরিবারদের মাঝে সরকারিভাবে বরাদ্ধকৃত ফেব্রুয়ারি ও মার্চ এ দু’ মাসের জনপ্রতি ৮০ কেজি করে এ চাল বিতরণ করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইউপি চেয়ারম্যান মো. শাহাজাহান আলী খান, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ট্যাগ অফিসার মো. আলমঙ্গীর হোসেন, ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলাম বাবুল, মৎস্যজীবি সমিতির সভাপতি আব্দুল ওহাব শেখ, সম্পাদক শাহআলম খান প্রমুখ। বিতরণকালে ইউপি চেয়ারম্যান শাহাজাহান আলী খান বলেন, করোনা আতংকের কিছুই নেই, সচেতনতায় নিজ ঘরে থেকে সবাইকে অবস্থান করতে হবে। খাদ্য সামগ্রী বিতরণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় বিভিন্ন প্রকল্পের চাল প্রতিটি সাধারণ মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।

সাতক্ষীরায় মধ্যবিত্তদের খুঁজে ফটোসেশন ছাড়া খাবার দিচ্ছে ছাত্রলীগ নেতা নয়ন
খবর বিজ্ঞপ্তি
ত্রাণ বা খাদ্য সহায়তা বিতরণের চিরাচরিত ধারা পরিহার করে ব্যক্তিক্রমী দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে সাতক্ষীরা পৌর ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ ইসলাম নয়ন। করোনার সংকটময় পরিস্থিতে যেখানে ত্রাণ দিতে সারাদেশে চলছে আনুষ্ঠানিকতা ও ফটোসেশন, সেখানে ছাত্রলীগ নেতা নিভৃতে এই মুহূর্তে অসহায় মানুষের দোরগোরায় খাবার পৌছে দিচ্ছে। খাবার গ্রহীতাদের কোনো ছবি না তুলে রাতের আঁধারে ১০০ মধ্যবিত্ত পরিবারের কাছে খাদ্য সহায়তা পৌছে দিয়েছেন তিনি। এসব খাবারের মধ্যে আছে ৫ কেজি চাল, এক কেজি ডাল, আধা কেজি তেল ও একটি সাবান। বুধবার (৮ এপ্রিল) রাতে শহরের পলাশপোল সহ আশেপাশের কয়েকটি এলাকার মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোকে খুঁজে বের এ খাবার পৌছে দেন তিনি। এসময় ছাত্রলীগ নেতা রাজিবুল, সাগর, মাসুম, মিজানুল ইসলাম, মাজেদ, জীবন সহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
মাহমুদ ইসলাম নয়ন জানান, গরীব মানুষদের জন্য প্রশাসন ও বিত্তবানরা খাদ্যের ব্যবস্থা করলেও মধ্যবিত্তরা সাহায্য চাইতে পারছেন না। তাই তাদের খুঁজে বের করে রাতে আমরা খাবারগুলো পৌছে দিচ্ছি। তারা যাতে সাহায্য নিতে সংকোচ বোধ না করে তাই হাতে খাবার দিয়ে ছবি তোলা থেকে আমরা বিরত থাকছি। পর্যায়ক্রমে অনান্য এলাকাগুলোতেও আমরা খাদ্য সহায়তা পৌছে দেবো।

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ
গত ৭ এপ্রিল দৈনিক প্রবাহ, দৈনিক খুলনাঞ্চল, দৈনিক জন্মভূমি ও দৈনিক নওয়াপাড়া পত্রিকায় কয়রায় ওয়াপদার বেড়িবাঁধে অবৈধ পাইপ তুলে দিয়েছেন এলাকাবাসী শিরোনামের সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। উক্ত সংবাদে আমাকে জড়িয়ে যে মিথ্যা তথ্য দেওয়া হয়েছে আমি তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। সংবাদে মহারাজপুর ইউনিয়নের মঠবাড়ি গ্রামে ঘের করার জন্য পানি ওঠাতে ওই পাইপের সাথে আমার ও মাস্টার রহিমের কোন সম্পর্ক নেই। মূলত আমি ও আমার পিতার নামে কোন ঘের নেই এলাকায়। পাইপটি ২০০০ সালের পূর্বে বসানো। ওই সময় পাইপ বসায় ইউপি মেম্বর ওহিদ মোড়ল। টানা তিন বছর ঘের করার মাধ্যমে এলাকার মানুষকে নির্যাতনের পর বিভিন্ন জন নোনা পানি তুলে ঘের করতে বাধ্য হয়ে আসছে। এছাড়াও প্রকাশিত সংবাদে আমি এলাকার বিভিন্ন জনের নামে মামলা করেছি বলে যে তথ্য দেয়া হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। বরং স্থানীয় মেম্বর ওহিদ মোড়ল একই এলাকার ফজলু, কোহিনুর ও ইয়াসিনের নামে হয়রানীমূলক মামলা করে। যার মামলার সি আর নং ৩০/২০। অথচ তাদের নামেও কোন পাইপ বসানো নেই এলাকায়। আমি এই সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। মূলত রাজনৈতিকভাবে আমাকে হেনস্থা করতেই এমন সংবাদ পরিবেশন করিয়েছে একটি কুচক্রি মহল।
-মোঃ আল আমিন
সাবেক সাধারন সম্পাদক
কয়রা উপজেলা ছাত্রলীগ

বটিয়াঘাটায় “জমি আছে ঘর নেই” প্রকল্প বাস্তবায়নে নানা অভিযোগ
ইন্দ্রজিৎ টিকাদার, বটিয়াঘাটাঃ
প্রধানমন্ত্রীর গৃহহীন ছিন্নমূল মানুষের জন্য বরাদ্ধকৃত ‘জমি আছে ঘর নেই’ প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে বটিয়াঘাটা উপজেলায় নানা অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে সম্প্রতি সময়ে করোনা ভাইরাস ও আসন্ন ইউপি নির্বাচনকে সামনে রেখে অর্থ বাণিজ্য, দলীয়করন এবং দূনীতির মধ্যমে স্ব স্ব ইউনিয়ন পরিষদের কিছু চেয়ারম্যান ও মেম্বরদের বিরুদ্ধে এ সব অভিযোগ উঠেছে। বিগত বছরে এ উপজেলায় ৭টি ইউনিয়নে ৫০০ ঘর বরাদ্ধ হয়। এর মধ্যে স্থানীয় সাংসদ ও জাতীয় সংসদের হুইপ ৪০টি, উপজেলা চেয়ারম্যান ৪০টি এবং স্ব স্ব ইউপি চেয়ারম্যানেরা প্রত্যেকে ৬০টি করে প্রকল্পের ঘর বরাদ্ধ পায়। উক্ত বরাদ্ধে বন্টন প্রক্রিয়ায় সংরক্ষিত মহিলা এমপির বরাদ্ধ বাদ পড়ে। তবে ঐ সময়ে স্থানীয় সাংসদ শারিরীক ভাবে অসুস্থ থাকায় তার বরাদ্ধকৃত ৪০টি ঘর উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা পরিষদ মিলে তাদের পছন্দের লোকদের বরাদ্ধ দেয়। এতে স্থানীয় সাংসদের অনুসারীরা বরাদ্ধ থেকে বঞ্চিত হয়। অপরদিকে উক্ত বরাদ্ধ কে কেন্দ্র করে কিছু কিছু ইউপি চেয়ারম্যান ও মেম্বররা একত্রে যোগসাজসে বিভিন্ন দপ্তরের নাম ভাঙ্গিয়ে ১০ থেকে ২০ হাজার টাকা অর্থ বাণিজ্যের কথা স্বীকার করেছে একাধিক ভূক্তভোগী। বর্তমানে আবারও একই প্রকল্পের ঘর বরাদ্ধ আসায় আসন্ন ইউপি নির্বাচনকে সামনে রেখে অর্থ বাণিজ্য, দলীয়করন এবং দূনীতির মধ্যমে ঘর বারাদ্ধ দেয়ার পায়তারা করছে। আর এসব কাজে সহযোগী হিসেবে রয়েছে একাধিক দালাল চক্র। এতে করে প্রকৃত গৃহহীন মানুষ বাদ পড়ে যাবার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। ফলে একদিকে যেমন প্রকৃত গৃহহীনরা ঘর বরাদ্ধ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে, অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রীর “জমি আছে ঘর নেই” প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে। এব্যপারে ভূক্তভোগী প্রকৃত গৃহহীনরা স্থানীয় সংরক্ষিত মহিলা এমপি, জাতীয় সংসদের হুইপ ও প্রধানমন্ত্রীর আশুহস্তক্ষেপ কামনা করেছে।

যশোরে র‌্যাবে অভিযানে করোনা ভাইরাস সংক্রামন এবং সরকারি পদপে নিয়ে গুজব ও বিভ্রান্ত সৃষ্টিকারি যুবক গ্রেফতার
স্টাফ রিপোর্টার
যশোর জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন বালিয়াঘাটা লাউখালী এলাকায় অভিযান চালিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে করোনা ভাইরাস নিয়ে নানা সরকারি পদপে নিয়ে গুজব ও বিভ্রান্ত সৃষ্টি করার অপরাধে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৬।
গতকাল বুধবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার গুজব সৃষ্টিকারী হলেন যশোর জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন বালিয়াঘাটা লাউখালী এলাকার মো. মোজাফ্ফর হোসেনের ছেলে মো. মোস্তাফিজুর রহমান (৩২)।
র‌্যাব-৬ জানায়, গতকাল বুধবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে যশোর জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন বালিয়াঘাটা লাউখালী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে র‌্যাবের একটি আভিযানিক দল। এসময় ব্যক্তিগত ব্লগ ও ফেসবুক ব্যবহার করে ইন্টারনেটর মাধ্যমে সারা বিশ্ব ব্যাপী বহুল আলোচিত করোনা ভাইরাস নিয়ে মিথ্যা ও ভীতি তথ্য উপাত্ত তৈরী, প্রেরণ ও প্রকাশ করে জনমনে বিভ্রান্ত সৃষ্টিসহ ভীতির পরিবেশ সৃষ্টি করে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি করার চেষ্টা করার অপরাধে মোস্তাফিজুর রহমানকে গ্রেফতার করা হয়। তার দখল থেকে মোবাইল সেট, সিম এবং মেমোরী কার্ড উদ্ধার করা হয়েছে। পরবর্তীতে উদ্ধারকৃত মোবাইল, সীমকার্ড পর্যালোচনা করে গুজব ছড়ানোর সত্যতা পাওয়া যায়। তার বিরুদ্ধে যশোর কোতয়ালী মডেল থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সাবেক সংসদ সদস্য’র মৃত্যুতে ঝাউডাঙ্গা প্রেসকাবের শোক
ঝাউডাঙ্গা প্রতিনিধি
সাতীরা সদর-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এম এ জব্বার’র মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন ঝাউডাঙ্গা প্রেসকাব। এম এ জব্বার মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টায় ঢাকা ইউনাইটেড হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে সকলকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে চলে যান (ইন্না—রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৯ বছর। তিনি ৪মেয়ে ও ৩পুত্র সন্তানের জনক ছিলেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বার্ধ্যকজনিত রোগে ভুগছিলেন।
তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোকার্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন ঝাউডাঙ্গা প্রেসকাবের সভাপতি শেখ খায়রুল ইসলাম, সিনিয়র সহ-সভাপতি মনিরুল ইসলাম মনি, সহ-সভাপতি হুমায়ন কবীর মিরাজ, সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক আরিফ হোসেন, নাজমুল শাহাদাৎ জাকির, সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল ইসলাম আজিজ, অর্থ সম্পাদক মোমিনুর রহমান সবুজ, দপ্তর সম্পাদক মিলন হোসেন, তথ্য প্রযুক্তি ও গবেষণা সম্পাদক মামুনুর রশিদ, ক্রীয়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক আজারুল ইসলাম, প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক সাবিনা ইয়াসমিন পলি, নির্বাহী সদস্য রাজু ঘোষ, এস এম আবু রায়হান, রবিউল ইসলাম, শাহারিয়া হোসেনসহ কাবের সকল সদস্যবৃন্দ।

মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য: সংসদ সদস্য বাবু
খবর বিজ্ঞপ্তি
কেউ স্বার্থপর হয়ে সুখী, কেউ স্বার্থ বিলিয়ে সুখী। তবে আমি কখনো স্বার্থপর হতে শিখিনি। সব সময় চেষ্টা করেছি অন্যের জন্য নিজেকে বিলিয়ে দিতে। এসবের বিনিময় একদিন কিছু পাব এমন আশা আগেও করিনি, আজও করি না। আমি শাসক হতে আসিনি সেবক হয়ে মানুষের হৃদয়ে থাকতে চেয়েছি। ‘মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য’ এই দায়িত্ববোধ থেকেই কিছু একটা করার চেষ্টা করেছি মাত্র। জানিনা কতটুকু পেরেছি। গত মঙ্গলবার বিকালে কয়রা উপজেলার আমাদী ও বাগালী ইউনিয়নে করোনা ভাইরাসের কারণে কর্মহীন মানুষদেরকে ব্যক্তিগত তহবিল থেকে খাদ্য সামগ্রী বিতরণকালে এ কথাগুলো একটু চিন্তিত সুরে বলছিলেন খুলনা-৬ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ আক্তারুজ্জামান বাবু। “সবার সুখে হাসব আমি / কাঁদব সবার দুখে, নিজের খাবার বিলিয়ে দেব / অনাহারীর মুখে।” পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের এই কবিতাটি বুকে ধারণ করে নিজ স্বার্থ বিলিয়ে আজ পরম সুখী এমপি আক্তারুজ্জামান বাবু। এসময় তিনি আরও বলেন, দেশে ভয়াবহ করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। এতে আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন হয়ে সকলকে থাকতে হবে। এটি যাতে অনেক বেশি বিস্তার না ঘটাতে পারে, সেজন্য সকলেই প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হবেন না। তিনি আরো বলেন, যেকোনো দুর্যোগ মানুষকে ক্ষতি করে থাকে। এজন্য আপনারা ভয় পাবেন না, যতদিন আমি বেঁচে থাকব ততদিন আমার সাধ্যমতো সবকিছু নিয়ে জনগণের পাশে থাকব। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শিতায় করোনা মোকাবেলা আমাদের জন্য আশীর্বাদ স্বরূপ। সরকারি নির্দেশ মেনে আপনারা চলুন। সরকার আপনাদের পাশে আছে এবং থাকবে। নিজের গাড়িতে করে এমপি আক্তারুজ্জামান বাবু উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে অসহায় হতে দারিদ্র দিন মজুরদের খাদ্য সামগ্রী ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা তুলে দেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, কয়রা উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাফরুল ইসলাম পাড়, সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম বাহারুল ইসলাম, খুলনা জেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জসিম উদ্দিন বাবু, যুবলীগ নেতা শামীম সরকার, জেলা ক্রীড়া সংস্থার যুগ্ম সম্পাদক জিএম রেজাউল ইসলাম, খুলনা জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মোঃ আবু সাঈদ খান, জেলা শ্রমিক লীগের দপ্তর সম্পাদক কামরুল গাজী, আমাদী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক নির্মল চন্দ্র দাস, আওয়ামী লীগ নেতা জিয়ায়ুর রহমান জুয়েল, কয়রা উপজেলা যুবলীগের সহসভাপতি জহিরুল ইসলাম,উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি শরিফুল ইসলাম টিংকু, সহসভাপতি তরিকুল ইসলাম, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আমিনুল হক বাদল প্রমূখ।

পাইকগাছায় করোনায় আক্রান্তের ভুয়া সংবাদ প্রকাশের জের : এডমিন আটক
পাইকগাছা প্রতিনিধি
পাইকগাছায় মহামারী করোনায় আক্রান্তের ভুয়া সংবাদ প্রকাশের জেরে একটি নিউজ পোর্টালের এডমিনকে আটক করেছে পুলিশ। সোমবার “ভয়েস অব পাইকগাছা” ফেইসবুক পেইজে “খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে পাইকগাছার এক ব্যক্তি ভর্তি” শিরোনামে ভুয়া সংবাদ প্রকাশ করায় এলাকায় আতংক ছড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে আসলে পাইকগাছা থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮ এর ২৫(২)/২৯(১)/৩১(২)/৩৫(২) ধারায় ঐ পোর্টালের এডমিন সহ অজ্ঞাতদের নামে মামলা হয়েছে। পুলিশ এ অপরাধে এডমিন পৌরসভার বাতিখালীস্থ ৮নং ওয়ার্ডের নাথবিষ্ণুপদ-এর ছেলে উত্তীয় দেবনাথ (২৮) কে আটক করে। এ ব্যাপারে ওসি এজাজ শফী জানান, উক্ত পেইজে সম্প্রতি বাগেরহাট-৬ সংসদ সদস্য এ্যাডঃ গ্লোরিয়া ঝর্ণা সরকারকে জড়িয়ে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ নিয়ে আপত্তিকর স্ট্যাটাস দেয়ায় তার বিরুদ্ধে গত ৪ এপ্রিল পৌর মেয়র সেলিম জাহাঙ্গীর ৩৪২নং জিডি করেন। এছাড়া তার বিরুদ্ধে আরো অনেক অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

পাইকগাছায় ইউপি চেয়ারম্যান ও ৭ সদস্যের নিজস্ব অর্থায়নে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ
পাইকগাছা প্রতিনিধি
পাইকগাছার সোলাদানা ইউপি চেয়ারম্যান ও ৭ ইউপি সদস্য নিজস্ব অর্থায়নে প্রায় ৪ হাজার পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করছে। ইউপি চেয়ারম্যান এস,এম, এনামুল হক জানান, মহামারী করোনার কারণে সর্বসাধারণ কর্মহীন হয়ে পড়ায় ৯৪০জন মধ্যবৃত্ত পরিবার সহ ৩৬৬০টি হতদরিদ্রদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী পৌছে দেয়া হচ্ছে। প্রতিদিন ৫শ পরিবারের মধ্যে এসব খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে। যা এক সপ্তাহ ধরে চলমান থাকবে। মঙ্গলবার থেকে এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

খুলনায় কর্মহীনদের মাঝে মেক্সসা’র উদ্যোগে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ
খবর বিজ্ঞপ্তি
নভেল করোনা ভাইরাসের ছোবলে থমকে গেছে গোটা বিশ্ব। প্রভাব ঠেকাতে বিশ্বের অনেক দেশ লকডাউন করা হয়েছে। বাংলাদেশে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হলেও তৈরি হয়েছে অঘোষিত লকডাউন পরিস্থিতি। মহামারি ঝুঁকি এড়াতে গৃহবন্দী থাকা ছাড়া এখন মানুষের আর কোনো উপায় নেই। এতে সমাজের সব বিত্তের মানুষরা বিপাকে পড়লেও দিন আনা দিন খাওয়া মানুষেরা পড়েছে সীমাহীন দুর্ভোগে। এমন পরিস্থিতিতে কর্মহীন অসহায় ও দুস্থদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছে মিলিটারি কলেজিয়েট স্কুল এক্স স্টুডেন্টা অ্যাসোশিয়েসন (মেক্সসা)।
বুধবার (০৮ এপ্রিল) খুলনা মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় ৩০০ টি কর্মহীন অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে তারা খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন। এসময়ে উপস্থিত ছিলেন, সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো: ইমরান খান, মেক্সসার সভাপতি ইফতেখার মামুন, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক শেখ সাদী, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মুনির ইফতেখার, ফটো সাংবাদিক কাজী শান্ত, সদস্য রায়হান মির্জা, মো: আফরোজ, তাজ উদ্দীন আহমেদ সজীব, আল-ফয়সাল, নাজমুল সাকিব, রাফসান জাহিদ ও শেখ তানভির রাফিন।
তারা জানান, করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে থেমে গেছে অর্থনৈতিক চাকা। বন্ধ হয়ে হয়েছে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, মার্কেট, শপিং মল এমনকি সবধরনের পাবলিক ট্রান্সপোর্ট লঞ্চ, বাস ও ট্রেন। এরকম পরিস্থিতিতে বন্দী হয়েছে পড়েছে অসংখ্য পরিবার। এ অবস্থায় কর্মহীদের মুখে একটু হাঁসি ফুটাতে এ উদ্যোগ নিয়েছে তারা। প্রত্যেকটি পরিবারের মাঝে বিতরণ করা খাদ্য সামগ্রীর মধ্যে ছিল, চার কেজি চাল, এক কেজি ডাল, এক কেজি পেঁয়াজ, দুই কেজি আলু, ২৫০ গ্রাম লবন, ৫০০ মিলি সয়াবিন তেল ও একটি সাবান। এর আগে মঙ্গলবার (০৮ এপ্রিল) যশোরের বিভিন্ন এলাকায় ২৫০ টি কর্মহীন অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে তারা খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করে।

মণিরামপুরে একটি মহল্লাবাসী সচেতনমূলক উদ্যোগ: হাত ধুয়ে মাস্ক পরে প্রবেশ করুন
মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি:
করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে নিজেদের রক্ষায় যশোরের মণিরামপুরে একটি মহল্লাবাসী সচেতনমূলক উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। বাইরের বা পাড়ার কেউ ওই এলাকায় ঢুকতে গেলে হাত ধুয়ে এবং মাস্ক পরেই প্রবেশ করতে হবে। এমন একটি নির্দেশনা সেঁটে মহল্লার প্রবেশ পথে বাঁশ টানিয়ে দিয়েছেন উপজেলার বাসুদেবপুর মাঠপাড়া এলাকার বাসিন্দারা। বিষয়টি নিয়ে আশপাশের লোকজনকে সচেতন করতে এলাকায় মাইকিং করা হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) সকাল থেকে তারা এই কার্যক্রম শুরু করেছেন। মহল্লায় প্রবেশকারীরা নির্দেশনা মানছেন কিনা সেটাও সঠিকভাবে তদারকি করা হচ্ছে।
ওই পাড়া হয়ে প্রতিদিন প্রায় ৫০০ মানুষ পাশের বাগডোব, সরসকাঠি, কাশিমপুর গ্রাম এমনকি শার্শার বাগআছড়ায় যাতায়াত করেন বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী। বুধবার সরেজমিন গিয়ে কয়েকজনকে হাত ধুয়ে এবং মাস্ক পরে পাড়ায় ঢুকতে দেখা গেছে।
বাসুদেবপুর মাঠপাড়ার রিয়াজ উদ্দিন বলেন, আমাদের পাড়ায় ৪০০ লোকের বসবাস। প্রতিদিন এই পাড়া হয়ে বিভিন্ন এলাকার মানুষ যাওয়া আসা করেন। করোনার সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচতে আমরা নিজেরা আলোচনা করে এই উদ্যোগ নিয়েছি। প্রথমত এই এলাকায় বহিরাগতদের প্রবেশ নিষেধ। তারপরও যদি বাইরের কেউ ঢুকতে চান তাকে হাত ধুয়ে এবং মাস্ক পরে ঢুকতে হবে। এমনটি পাড়ার কেউ প্রয়োজনে বাইরে গেলে তাকেও পাড়ায় ঢুকতে গেলে একই নিয়ম মেনে চলতে হবে।
স্থানীয় মসজিদ কমিটির সভাপতি মোজাম্মেল হক বলেন, আমাদের পাড়ায় কয়েকটি নার্সারি রয়েছে। এখানে বিকেল হলে বাইরের লোকজন ঘুরতে আসেন। এছাড়া বাসুদেবপুর দাখিল মাদরাসাটি এই পাড়ায়। সেখানে বিভিন্ন সময়ে বাইরের ছেলেরা খেলতে আসে। এসব ঠেকাতে আমরা এই উদ্যোগ নিয়েছি।
স্থানীয় ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ওই পাড়ার লোকজন নিজেদের উদ্যোগে এই পদ্ধতি নিয়েছেন। আমাকে জানাননি। তবে করোনা রোধে তাদের সচেতনতা দেখে ভাল লেগেছে।
মণিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আহসান উল্লাহ শরিফী বলেন, করোনার হাত থেকে নিজেদের রক্ষায় বাসুদেবপুর মাঠপাড়ার বাসিন্দারা যে উদ্যোগ নিয়েছেন তা প্রশংসনীয়। তাদের এই উদ্যোগ অন্যকে উদ্বুদ্ধ করবে বলে আশা করি।

মোড়েলগঞ্জে একই পরিবারে দু’জনের মৃত্যু নিয়ে আতংক নয়, করোনার উপসর্গ মেলেনি
মোড়েলগঞ্জ প্রতিনিধি
বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জে ৩ ঘন্টার ব্যবধানে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যুত ঘটেছে। মোড়েলগঞ্জ পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সেরেস্তাদারবাড়ি এলাকার গীতা ভৌমিক(৭২) ও তার স্ত্রী সীপ্রা রানী ভৌমিক বুধবার বেলা ৭টা ও ৯ টার দিকে নিজ বাড়িতে মৃত্যুবরাণ করেন। এ খবর ছড়িয়ে পড়ামাত্র এলাকায় করোনা আতঙ্ক দেখা দেয়। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার জন্য মোড়েলগঞ্জ সার্কেলের সহকারি পুলিশ সুপার মো. রিয়াজুল ইসলাম, থানার ওসি কেএম আজিজুল ইসলাম, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কামাল হোসেন মুফতি বেলা ১১টায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
উপজেলা হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. রাফসান হোসেন ও ডা. ওমামা হকের নেতৃত্ব একটি মেডিকেল টিম ওই বাড়ি অন্যান্য সদস্যদের সাথে কথা বলেছেন। মেডিকেল টিম এখানে কোন করোনা উপসর্গ পাননি।
এ বিষয়ে ডা. মুফতি কামাল হোসেন বলেন, অল্প সময়ের ব্যবধানে দু’জনের মৃত্যুতে করোনা আতকের কিছুই নেই, তবে করোনার কোন আলামত পাওয়া যায়নি। পরিবারের অপর সদস্যরা সকলে সুস্থ্য আছেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামান বলেন, করোনার কোন উপসর্গ ওই পরিবারে পাওয়া যায়নি। পরিস্থিতি বিবেচনা করে বিষয়টি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
মৃতদেহ দুটি দাহ না করে ধর্মীয় বিধান অনুযায়ী মাটি চাঁপা দেওয়া হবে বলে ওয়ার্ড কাউন্সিলর তপন কুমার পোদ্দার জানিয়েছেন।

লকডাউন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে: খুলনা পুলিশ সুপার
ফুলতলা প্রতিনিধি
খুলনা জেলা পুলিশ সুপার এসএম শফিউল্লাহ বলেছেন, করোনা ভাইরাস নামক মহামারী থেকে পরিত্রান পেতে নিজেদেরকে সচেতন, স্বচ্ছতার সাথে সকলকে দায়িত্ব পালন করতে হবে। করোনা ভাইরাস বিস্তার রোধে লকডাউন করা হয়েছে। লকডাউন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
খুলনা জেলা পুলিশের উদ্যোগে বুধবার বেলা দেড়টায় খুলনার ফুলতলা বাজারে করোনা ভাইরাস বিষয়ে সচেতনমুলক লিফলেট বিতরণ ও প্রচারনাকালে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ সজীব খান, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শেখ আকরাম হোসেন, জেলা গোয়েন্দা পুলিশ পরিদর্শক সেখ কনি মিয়া, ওসি মোঃ মনিরুল ইসলাম, ওসি (তদন্ত) উজ্জ্বল দত্ত, ইউপি চেয়ারম্যান শরীফ মোহাম্মদ ভুইয়া শিপলু, বণিক কল্যাণ সোসাইটির সভাপতি মো: ফিরোজ জমাদ্দার, সহ-সভাপতি রবীন বসু, উপজেলা প্রেসকাব সভাপতি শামসুল আলম খোকন, প্রেসকাব সভাপতি তাপস কুমার বিশ্বাস, সহকারী অধ্যাপক মো: নেছার উদ্দিন প্রমুখ। পরে পুলিশ সুপার এসএম শফিউল্লাহ ফুলতলার শেষসীমানা এলাকায় ইউপি চেয়ারম্যান শেখ আবুল বাশারকে নিয়ে হাট বাজার পরিদর্শন এবং সচেতনমুলক লিফলেট বিতরণ করেন।