কলারোয়া উপজেলার লাঙ্গলঝাড়া ইউনিয়নের বাজার কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত
কলারোয়া সাতক্ষীরা
১০ জানুয়ারি সোমবার সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার লাঙ্গলঝাড়া ইউনিয়নের বাজার কমিটির প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।এই নির্বাচনে ৩ পদে ৭ জন প্রার্থী অংশগ্রহণ করেন। সভাপতি পদে সাফিজুল ইসলাম সাফি বাঘ প্রতীকে ও সামছুর খাঁ হরিণ প্রতীকে। সাধারণ সম্পাদক পদে জাহিদ হোসেন লিটন মটরবাইক্, আনিছুর রহমান দোয়েল পাখি ও সামিম হোসেন গোলাপ ফুল প্রতীকে নির্বাচন করেন। কোষাধ্যক্ষ পদে –আল মামুন আনিছ উড়োজাহাজ ও আনারুল ইসলাম দেয়াল ঘড়ি প্রতীকে নির্বাচন করেন। দুপুর ১টা থেকে বিকাল ৪ ঘটিকা পর্যন্ত ১২১ জন ভোটার শান্তিপূর্ণভাবে ভোট প্রদান করেন। শতভাগ ভোট গ্রহণ শেষে সাংবাদিক ও সাধারণ মানুষের সামনে প্রকাশ্যে ভোট গণনা করা হয়। ভোট গণনার শেষে এই নির্বাচনের প্রিজাইডিং অফিসার আব্দুল হামিদ (সচিব লাঙ্গলঝাড়া ইউনিয়ন পরিষদ) ইউনিয়ন পরিষদের সুযোগ্য চেয়ারম্যান অধ্যাপক এম এ আবুল কালাম এর হাতে অঘোষিত ফলাফল তুলে দেন। অধ্যাপক এম এ আবুল কালাম আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল প্রকাশ করেন। এই নির্বাচনে সভাপতি পদে – সাফিজুল ইসলাম সাফি(বাঘ প্রতীকে) ৯২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী সামছুর খাঁ(হরিণ প্রতীকে) ২৮ ভোট পান। ১টি ভোট নষ্ট বলে বিবেচিত হয়। সাধারণ সম্পাদক পদে – শামীম হোসেন (গোলাপ ফুল প্রতীক) ৫০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। আনিছুর রহমান (দোয়েল পাখি প্রতীকে) ৩৯ ভোট, ও জাহিদ হোসেন লিটন (মটরবাইক্ প্রতীকে) ৩৩ ভোট পায়। কোষাধ্যক্ষ পদে – আল মামুন আনিছ (উড়োজাহাজ প্রতীকে) ৭২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আনারুল ইসলাম (দেয়াল ঘড়ি প্রতীকে)-৪৮ ভোট পায়। ৩টি ভোট নষ্ট বলে বিবেচিত হয়। ফলাফল ঘোষণা শেষে নবনির্বাচিত কমিটিকে শুভেচ্ছা ও সকলকে সকল ভেদাভেদ ভুলে একত্রে কাজ করার আহ্বান জানান চেয়ারম্যান অধ্যাপক এম এ আবুল কালাম
কাঠ পুড়িয়ে কয়লা বানানো চুল্লি বুল্ডোজার দিয়ে গুড়িয়ে দিল পরিবেশ অধিদপ্তর
সোহাগ হোসেন কলারোয়া
সাতক্ষীরার কলারোয়ায় পরিবেশ দূষণ করে দীর্ঘদিন ধরে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা বানানো তেরোটি চুল্লি গুঁড়িয়ে দিল পরিবেশ অধিদপ্তর। সোমবার ( ১০ জানুয়ারি) সকাল ১১টায় উপজেলার হেলাতলা ইউনিয়নের মোয়াজ্জেম চেয়ারম্যানের ইটভাটার সামনে কাঠ পোড়ানো ১৩টি চুল্লী ঢাকা পরিবেশ অধিদপ্তরের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সাঈয়েদা পারভীন এর নেতৃত্বে বুল্ডেজার মেশিন দিয়ে ভেঙে গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ঢাকা পরিবেশ অধিদপ্তরের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সাঈয়েদা পারভীন জানায়, স্থানীয়দের কাঠ পুড়িয়ে কয়লা বানানোতে পরিবেশের ভারসাম্যে ব্যপক ক্ষতি হয় এমন অভিযোগে ঘটনাস্থলে এসে সত্যতা পাওয়া যায়। পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সহযোগিতায় হেলাতলা ইউনিয়নের মোয়াজ্জেম হোসেন চেয়ারম্যানের ভাটার পার্শ্বের ১৩টি চুল্লী ভেঙ্গে দেওয়া হয়েছে। কাঠ পোঁড়ানোর মাধ্যমে যে ধোঁয়া হয় তা পরিবেশের জন্য যেমন ক্ষতিকর তেমনি এলাকার সবুজ গাছ নিধন হচ্ছে এজন্য এ ধরণের পরিবেশের ভারসাম্য ক্ষতি হওয়া ভাটা ভেঙে বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও পরিবেশের ক্ষতি হয় এমন কোন ধরনের প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠলে পরিবেশ অধিদপ্তরের নিকট অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক সে সকল প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান। এই কাঠ পোড়ানো ভাটার মালিক যদি কখনও পুনরায় চালু করে পরিবেশের ক্ষতি করে এমন অভিযোগ পেলে মালিকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এসময় উপস্থিত ছিলেন, কলারোয়া থানা সাব ইন্সপেক্টর আলী হোসেন, কলারোয়া ফায়ার সার্ভিসের সাব অফিসার মেজবাহ উদ্দিনসহ থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের টিম।
রূপসায় নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালিত
রূপসা প্রতিনিধিঃ
১০ জানুয়ারী বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে রূপসা উপজেলা সদরস্থ দলীয় কার্যালয়ে সামনে উপজেলা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ অর্পণ করেন আওয়ামীলীগ ও তার অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
এর পর উপজেলা আওয়ামীলীগ দলীয় কার্যালয় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামাল উদ্দীন বাদশার সভাপতিত্ব বক্তৃতা করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আরিফুর রহমান মোল্লা, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম হাবিব, ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক
স ম জাহাঙ্গীর, দপ্তর সম্পাদক আকতার ফারুক, প্রভাষক অহিদুজ্জামান, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক, সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান কামাল হোসেন বুলবুল, জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রিনা পারভীন,বিনয় কৃষ্ণ হালদার, আজিজুল হক কাজল, ফরিদ শেখ, উপজেলা যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক শারমিন সুলতানা রুনা,
উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি রুহুল আমিন রবি, উপজেলা শ্রমিক লীগের সদস্য আহবায়ক মো:মফিজুল ইসলাম,সদস্য সচীব আশরাফ আলী রাজ, সদস্য সচীব মনিরুজ্জামান হাতেম, তাহিদুল ইসলাম, যুবলীগের আশিষ রায়, বাদশা মিয়া,সরদার জসিম উদ্দীন, রবিউল ইসলাম, খান মারুপ হাসান, ইউনিয়ন শ্রমীকলীগের আহবায়ক আবুল বাশার,সদস্য সচীব সেলিম বাবু, মামুন শেখ, খায়রুজ্জামান সজল, এহতেশামুল হক প্রমূখ।
অপরদিকে সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করেন যুবলীগের নেতৃবৃন্দ। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক এবিএম কামরুজ্জামান, এমপির প্রধান সমন্বয়কারী ও যুবলীগ নেতা নোমান ওসমান রিচি,সরদার জসিম উদ্দিন, বাদশা মিয়া আব্দুল মজিদ শেখ,এম শাহনেওয়াজ কবির টিংকু, সৈয়দ মোস্তাফিজুর রহমান হেলাল, শফিকুল ইসলাম ইমণ, আবুল কালাম আজাদ, রতন মন্ডল, শাহরিয়ার হোসেন মানিক, শেখ আব্দুর রশিদ, ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি রবিউল ইসলাম প্রমূখ।
ডুমুরিয়ায় ভোট গণনার দাবিতে দু’প্রার্থীর আদালতে মামলা
ডুমুরিয়া প্রতিনিধি
ডুমুরিয়ায় ভোট গননায় অনিয়মের অভিযোগে আদালতে মামলা করেছেন নৌকা মার্কার দু’চেয়ারম্যান প্রার্থী।গত ২ জানুয়ারি খুলনার নির্বাচন ট্রাইব্যুনালে পৃথক ভাবে মামলা করেন শরাফপুর ইউনিয়নের নৌকার প্রার্থী এইচএআইএম উবাইদুল্লাহ ও ভান্ডারপাড়া ইউনিয়নে নৌকার প্রার্থী হিমাংশু বিশ^াস।আদালত মামলা দুটি আমলে নিয়ে আগামী ১৮ জানুয়ারীর মধ্যে ওই দু’ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদের সকল ব্যালট পেপারসহ আনুসঙ্গিক সামগ্রী আদালতে দাখিল করতে উপজেলা নির্বাচন অফিসকে নির্দেশ দয়েছেন বলে জানা গেছে।প্রসঙ্গতঃ গত ১১ নভেম্বর ২য় ধাপের নির্বাচনে ডুমুরিয়ায় ১৪টি ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এ নির্বাচনে শরাফপুর ইউনিয়নে নৌকা প্রতীক নিয়ে এইচএআইএম উবাইদুল্লাহ ও ভান্ডারপাড়া ইউনিয়নে নৌকা প্রতীক নিয়ে হিমাংশু বিশ^াস চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্ধিতা করেন।ভোট গননায় ত্রুটি হয়েছে এমন অভিযোগ এনে পুনরায় ভোট গণনার দাবিতে তারা খুলনার নির্বাচন ট্রাইব্যুনাল আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন।এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাচন অফিসার কল্লোল বিশ^াস জানান, ভোট পুনঃগননা চেয়ে আদালতে শরাফপুর ও ভান্ডারপাড়া ইউনিয়নের নৌকা মার্কার দুই প্রার্থী মামলা করেছেন। বিজ্ঞ আদালত আগামী ১৮ জানুয়ারির মধ্যে ব্যালট পেপার হাজির করতে নির্দেশ দিয়েছেন।
ডুমুরিয়ায় পর্নোগ্রাফি মামলায় কিশোর গ্যাংয়ের ৪ সদস্য গ্রেফতার
ডুমুরিয়া প্রতিনিধি ।।
ডুমুরিয়ায় এক কন্যা শিশুর গোসলের নগ্নদৃশ্য মোবাইল ফোনে ধারন করে ফেইজবুক ম্যাসেঞ্জারে ছড়িয়ে দেয়ার অভিযোগে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রন আইনে থানায় একটি মামলা হয়েছে।গত সোমবার শিশুটির পিতা বাদি হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।পুলিশ মামলার আসামী কিশোর গ্যাংয়ের ৪ সদস্যকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করেছে।মামলার বিবরনী সূত্রে জানা যায়,উপজেলার পাটকেলপোতা গ্রামের রতন কুমার বিশ^াসের পুত্র রনিত বিশ^াস অনৈতিক সুবিধাভোগ করার লক্ষ্যে এক কন্যা শিশুর গোসলের নগ্নদৃশ্য তার মোবাইল ফোনের ক্যামেরা দিয়ে ধারণ করে। এরপর থেকে সেই মেয়েকে ভিডিও ধারণ করার বিষয়টি জানিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে বিভিন্ন সময় কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছে। তার প্রস্তাবে মেয়েটি রাজি না হওয়ায় রনিত এক এক করে তার বন্ধুদের নিকট ফেইজবুক ম্যাসেঞ্জারের মাধ্যমে ভিডিওটি ছড়িয়ে দেয়। থানা পুলিশের ওসি (তদন্ত) মোঃ রফিকুল ইসলাম জানান,ধৃত আসামী রনিত তার স্বীকারোক্তিতে বলেন প্রথমে ভিডিওটি রনিত তার বন্ধু অন্তর ফৌজদারের ম্যাসেঞ্জারে পাঠায়।এরপর অন্তর ওই ভিডিও নাঈমের ম্যাসেঞ্জারে দিলে সে পাঠায় সৈকতের ম্যাসেঞ্জারে।এভাবে নগ্ন ভিডিওটি কিশোর গ্যাংদের মাধ্যমে তাদের পরস্পর বন্ধুদের মাঝে ছড়িয়ে পড়ে।এ ঘটনায় মামলার আসামী পাটকেলপোতা গ্রামের রনিত বিশ^াস (১৫),কুলটি গ্রামের অন্তর ফৌজদার (১৬),গুটুদিয়া গ্রামের মোঃ জান্নাতুল ফেরদৌস নাঈম (১৬) ও সৈকত মন্ডল (১৮) কে আটক করে জেল-হাজতে প্রেরন করা হয়েছে।
নব-দিগন্ত কৃষক ফোরার্ম খুলনার আয়োজনে দুস্থ ও অসহায়াদের মাঝে শীত বস্ত্র বিতরণ
খবর বিজ্ঞপ্তি
আড়ংঘাটা নব-দিগন্ত কৃষক ফোরার্ম খুলনার আয়োজনে দুস্থ ও অসহায়াদের মাঝে শীত বস্ত্র বিতরণ। গতকাল একটি কল্যাণমুখী কৃষক সংগঠন নব দিগন্ত কৃষক ফোরাম খুলনার আয়োজনে অস্থায়ী কার্যালয়ে দুস্থ ও অসহায়দের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়। শীত বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানের উপস্থিত ছিলেন শেখ ওয়াজেদ আলী মজনু, বাবু রতন মিস্ত্রি, সাইদুল ইসলাম, সাইফুল ইসলাম লিটন, মোঃ সুলতান শেখ, মোঃ রবিউল ইসলাম, মোঃ টিটু শেখ, আউলিয়া শেখ, ইউনুস শেখ, বিকাশ কুমার মন্ডল, পিন্টু হালদার, রবিউল ইসলাম প্রমুখ।
বঙ্গপসাগরে ভাসতে থাকা ২০ জেলে উদ্ধার
মোংলা প্রতিনিধি
ইঞ্জিন বিকল হয়ে বঙ্গোপসাগরের ভারতীয় জলসীমায় ভাসতে থাকা ফিসিং ট্রলারসহ ২০ জেলেক উদ্ধার করেছে কোস্ট গার্ড। সোমবার (১০ জানুয়ারি) দুপুরে কোস্টগার্ড পশ্চিম জোন, মোংলা কার্যালয় থেকে উদ্ধার জেলেদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর জরা হয়েছে। এর আগে রবিবার (০৯ জানুয়ারি) বঙ্গপসাগরের বাংলাদেশ ভারত সীমান্ত রেখা থেকে ভারতীয় কোস্টগার্ডের কাছে থেকে জেলেদের নিজেদের হেফাজতে নেয় বাংলাদেশ কোস্টগার্ড।
উদ্ধার হওয়া জেলেরা হলেন, মোঃ নুরুল ইসলাম, মোঃ তাছিন, মোঃ নুরুল ইসলাম, মোঃ হানিফ, মোঃ সোহেল, মোঃ বেল্লাল, মোঃ আলাউদ্দিন আহমেদ, আবু বকর, মোঃ মিরাজ, মোঃ সালাউদ্দিন, মোঃ সালাউদ্দিন, মোঃ সবুজ, মোঃ হারুন, মোঃ জামাল, মোঃ বসর, মোঃ মোস্তাফিজ, মোঃ সোলাইমান, মোঃ আবু জাহের, মোঃ রিপন ও মোঃ দেলোয়ার। এদের সবার বাড়ি ভোলা জেলায়।
উদ্ধার হওয়া জেলেরা জানান, ইঞ্জিন বিকল হয়ে ১১ ডিসেম্বর থেকে গভীর বঙ্গপসাগরে হারিয়ে যায় তারা। পরবর্তীতে ২৬ ডিসেম্বর ভারতীয় কোস্টগার্ড ওই ফিসিং ট্রলারসহ ২০ জেলেদের উদ্ধার করেন। পরে দুই দেশের কোস্টগার্ডের সমঝোতায় জেলেদের বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হয়।
কোস্টগার্ড পশ্চিম জোন, মোংলার জোনাল কমান্ডার ক্যাপ্টেন এম মোসায়েদ হোসেন সোমবার দুপুরে বলেন, কোস্টগার্ডের জাহাজ স্বাধীন বাংলা বাংলদেশের সমুদ্র সীমার নিয়ন্ত্রণ রেখায় ভারতীয় কোস্টগার্ডের জাহাজ সরোজিনি নাইডু থেকে বাংলাদেশের ওই ট্রলারসহ ২০ জেলেকে গ্রহণ করেন। দুপুরেই এ জেলেদেরকে তাদের মহাজন ও ট্রলার মালিক আবুল কাশেমের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
জোনাল কমান্ডার আরও বলেন, গভীর সাগরে অনেক সময়ই জেলেদের হারিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটে। কখনো আমরা জানতে পারি, আবার কখনো জানতে পারি না। এখানে সুবিধা হয়েছে যে, তারা আমাদের সাথে যোগাযোগ করেছেন।
সাধারণভাবে কোনো জাহাজ দুর্ঘটনায় পড়লে তারা একটি এসওএস (বার্তা পাঠান) দেয়। তবে আমাদের জেলেদের মাছ ধরায় ব্যবহৃত নৌযানগুলোতে কেমন ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি না থাকলেও, একটা মিনিমাম ট্রান্সপন্ডার (রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি) থাকতে পারে। এটা চালু করলে আমরা জানতে পারবো কোন নৌযান দুর্ঘটনায় পড়েছে। একটি সম্ভাব্য লোকেশন পাওয়া যাবে। যাতে সহজেই তাদের উদ্ধার করা সম্ভব হবে। ভারতীয় বোর্টগুলোতে এই ধরনের যন্ত্র আছে। যা আমাদের সমুদ্রগামী বোর্টগুলাতেও থাকা দরকার।
উপকূলীয় এলাকার ভূমিহীনদের জন্য নির্মান হবে বহুতল ভবন
স্টাফ রিপোটার,বাগেরহাট
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সিনিয়র সচিব মো: তোফাজ্জল হোসেন মিয়া বলেছেন, উপকূলীয় এলাকার ভূমিহীন ও গৃহহীন মানুষদের জন্য বহুতল ভবন নির্মান করা হবে। ইতোমধ্যে আপনারা দেখেছেন ঝড় জলচ্ছাস, নদী ভাঙ্গনসহ বিভিন্ন কারণে যারা ক্ষতিগ্রস্থ তাদের জন্য কক্সবাজার জেলার খুরুশকুল মৌজায় হাইরাইজ ভবন করা হয়েছে। বরগুনা, পিরোজপুর, পটুয়াখালীসহ উপকূলীয় এলাকায়ও স্থানীয় চাহিদার ভিত্তিতে বহুতল ভবন নির্মান করা হবে। এজন্য সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক ও প্রকৌশলীরা চাহিদা দিবেন। আমাদের মূল লক্ষই হচ্ছে যাতে কেউ গৃহহীন না থাকেন। এজন্য যা যা করা প্রয়োজন আমরা এসব ব্যবস্থা গ্রহন করব। বাগেরহাট সদর উপজেলার চুড়ামনি এলাকায় ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য নির্মানাধীন ঘর পরিদর্শণ শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
এসময়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো: মহসীন, খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মোঃ ইসমাইল হোসেন, আশ্রয়ণ-২, প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক আবু সালেহ মো: ফেরদৌস, বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আজিজুর রহমান, বাগেরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মোছাব্বেরুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার (ভুমি) মোঃ রাশেদুজ্জামান, ইউপি চেয়ারম্যান শেখ আক্তারুজ্জামান বাচ্চু, ফকির ফহম আলী, শামীম হাসান আসনুসহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। পরিদর্শণ শেষে আশ্রয়ন প্রকল্প চত্বরে একটি গাছ রোপন করেন সিনিয়র সচিব মো: তোফাজ্জল হোসেন মিয়া।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আজিজুর রহমান বলেন, মুজিবর্ষ উপলক্ষে ‘ক’ শ্রেণির ভূমিহীণ ও গৃহহীন পরিবারের জন্য একক গৃহ নির্মান প্রকল্পের আওতায় বাগেরহাট সদর উপজেলার চুড়ামনি এলাকায় ৪০টি ঘর নির্মান করা হচ্ছে। ৪‘শ বর্গফুটের প্রতিটি ঘর নির্মানে ২ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা ব্যয় হবে। এছাড়া মার্চ মাসের মধ্যে খুলনা বিভাগে অন্তত চার হাজার গৃহহীনকে ঘর উপরহার দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। উপকারভোগীদের নামে ঘরসহ দুই শতক জমি দলিল করে দেওয়া হবে।
বাগেরহাটে জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালিত
স্টাফ রিপোটার,বাগেরহাট
নানা আয়োজনে বাগেরহাটে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে সোমবার (১০ জানুয়ারি) সকাল সাতটায় বাগেরহাট শহরের রেলরোডস্থ আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ের সামনে দলীয় ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। পরে জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্মমাল্য দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বাগেরহাট জেলা আওয়ামী লীগের আয়োজনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় বাগেরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি অ্যাডভোকেট ফরিদ উদ্দিন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট ভূঁইয়া হেমায়েত উদ্দিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সরদার ফকরুল আলম সাহেব, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ আকতারুজ্জামান বাচ্চু, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বশিরুল ইসলাম, জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মোল্লা শাহনেওয়াজ দোলন, পৌর যুব মহিলা লীগের আহ্বায়ক সাদিয়া আফরোজ, পৌর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রানা সরদার ও জেলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক খান আবু বক্করসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। দেশ আজ উন্নয়নশীল রাষ্ট্র হিসেবে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে। স্বাধীনতার ৫০ বছর পরেও স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি এখনো দেশকে পেছনে ফেলে রাখতে নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। নতুন প্রজন্মকে বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে জানতে হবে। দেশেকে স্বাধীন করতে বঙ্গবন্ধুর যে অবদান তা নতুন তরুণ প্রজন্মকে জানাতে হবে। তা না হলে আমাদের এই অর্জন ম্লান হবে। এ জন্য সবাইকে দেশ প্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহবান জানান তারা।
খুলনায় শশিভূষণ পাল আর্ট স্কুল ভবন সংরক্ষণের দাবিতে লেখক-শিল্পী ঐক্যজোট’র প্রতিবাদ সভা
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনায় শশিভূষণ পাল আর্ট স্কুল ভবন সংরক্ষণের দাবিতে লেখক-শিল্পী ঐক্যজোট খুলনার এক প্রতিবাদ সভা গতকাল বিকাল ৫টায় বয়রাস্থ ত্রিকাল ত্রিকাল সাংস্কৃতিক গোষ্ঠীর কার্যালয়ে সংগঠনের আহবায়ক বেতার ব্যক্তিত্ব কবি এস এম হুসাইন বিল্লাহর সভাপতিত্বে এবং সংগঠনের সদস্য সচিব এল কে টফির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়।
প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন জাতীয় কবিতা পরিষদ খুলনার সভাপতি কবি শেখ অলিউর রহমান, কবি বিমল কৃষ্ণ রায়, মোঃ ইমদাদ আলী, মোহিত কুমার মন্ডল, কাজী হুমায়ুন কবীর, মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, ত্রিকাল সাংস্কৃতিক গোষ্ঠীর রওশন আরা বিল্লাহ, কবি পরিমল মল্লিক, রুহুদ্বীত বিল্লাহ রাশেদ, ক্ষুদে বঙ্গবন্ধু সংসদের লেখক অরবিন্দ মৃধা, তপন কুমার রায়, অগ্নিবীণা বিভাগীয় সংসদেও সভাপতি এম এম তৈয়াবুর রহমান, সুরের ভবন সংগীত একাডেমীর তরুন কুমার মজুমদার, চিত্তরঞ্জন রায়, মুক্তির আহবানের প্রশান্ত হালদার, অচিন্ত্য বিশ^াস, রংতুলি আর্ট স্কুলের এস এম মিজানুর রহমান, নাট্যশিল্পী রেীফন নাহার শাম্মী, সিইউসি’র মোঃ শাহীন হোসেন, উইথ সি’র মোঃ ইমরান হোসেন সহ ২০ জন নেতৃবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা বলেন, খুলনা নগরের বয়স ১শত ৫০ বছর। ইতিমধ্যে হারিয়ে গেছে নগরের ঐতিহ্যমন্ডিত বেশকিছু স্মৃতিচিহ্ন নতুন করে ধ্বংস হতে চলেছে নগরের দৌলতপুর থানার অন্তর্গত মহেশ^রপাশা মৌজার শশিভূষণ পাল প্রতিষ্ঠিত ‘মহেশ^রপাশা আর্টস্কুল’। ভারত বিভক্তির পর বাংলাদেশের প্রথম প্রাতিষ্ঠানিক চারুকলা শিক্ষাকেন্দ্র এই মহেশ^রপাশা আর্ট স্কুল অথচ শিল্পী শশিভূষণ স্থাপিত ঐতিহ্যবাহী মহেশ^রপাশা আর্ট স্কুলটি ভেঙে নতুন ভবন নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করে টেন্ডার আহবান করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তাই ইতিহাস ঐতিহ্যের ভবনটি না ভেঙে মূল ভবনের সঙ্গে সংগতি রেখে সংস্কারের মাধ্যমে সংরক্ষণ করে শিল্প জাদুঘর স্থাপনের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি পাশাপাশি ভবন বাদে যে জায়গা রয়েছে সেখানে নকশা প্রণয়ন কওে নতুন ভবন নির্মাণের দাবি জানিয়েছে। সংগঠনটি শশিভূষণ পালের নিজ হাতে গড়া প্রতিষ্ঠানটির স্মৃতি রক্ষার্থে যে কোন ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত রয়েছে। এ ব্যাপারে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ভবনটি রক্ষার্থে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
কেশবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালিত
আলমগীর হোসেন কেশবপুর
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস কেশবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে পালিত হয়েছে।
সকালে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে দলীয় কার্যালয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। দপ্তর সম্পাদক মফিজুর রহমানের সঞ্চালনায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এস এম রুহুল আমিন।
আলোচনায় অংশ নেন সহ-সভাপতি সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এইচএম আমির হোসেন, তপন কুমার ঘোষ মন্টু, যুগ্ম সম্পাদক নাসিম আহমেদ, ইয়ার মাহমুদ, উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক শহিদুজ্জামান শহিদ, আবু সাঈদ লাভলু, ছাত্রলীগ নেতা হাবিবুর রহমান মুকুলসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
কয়রায় মুক্তির মহানায়ক বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালিত
কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি
কয়রা উপজেলা আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের আয়োজনে নানা কর্মসুচির মধ্য দিয়ে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী, স্বাধীনতার মহান স্থপতি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালিত হয়েছে। সোমবার (১০ জানুয়ারি) দিবসটি উপলক্ষে সকাল ৭ টায় উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি জিএম মোহসিন রেজার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলী নিবেদন, জাতীয় পতাকা ও দলীয় পতাকা উত্তোলন, বঙ্গবন্ধুর মুর্যালে পুষ্পস্তবক অর্পন করা হয়। সকাল ১১ টায় র্যালী পরবর্তী দলীয় কার্যালয়ে বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি জিএম মোহসিন রেজার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) নিশিত রঞ্জন মিস্ত্রীর সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি মাষ্টার কফিল উদ্দীন, বাবু খগেন্দ্রনাথ মন্ডল, প্রচার সম্পাদক এসএম হারুন অর রশিদ, সংস্কৃতি সম্পাদক ও কৃষলীগের আহবায়ক প্রভাষক শাহাবাজ আলী, দপ্তর সম্পাদক সুজিত কুমার রায়, মহারাজ পুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি দেবদাস মন্ডল, সাধারণ সম্পাদক কায়রুল আলম, উত্তর বেদকাশি সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান সরদার নুরুল ইসলাম কোম্পানি, সাধারণ সম্পাদক গণেষ মন্ডল, কয়রা ইউনিয়ন সভাপতি জিয়াদ আলী, দক্ষিণ বেদকাশি সাধারণ সম্পাদক সমরেশ মন্ডল, বাগালী সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান আঃ সামাদ গাজী, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান এসএম শফিকুল ইসলাম, যুবলীগ নেতা এ্যাডঃ আরাফাত হোসেন, দক্ষিণ বেদকাশি ইউপি চেয়ারম্যান আছের আলী মোড়ল, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শরিফুল ইসলাম টিংকু ও সাধারণ সম্পাদক আমিনুল হক বাদল, কৃষকলীগ নেতা শাহিনুর রহমান, সেচ্ছাসেবকলীগ নেতা ইমদাদুল হক টিটু, রোকনুজ্জামান কাজল, আক্তারুল ইসলাম সৌরভ, রকিব, শ্রমিক লীগ নেতা আমিরুল ইসলাম, প্রজন্মলীগ নেতা শামীম রেজা, ছাত্রলীগ নেতা জোবায়ের, বিল্লু, আশিক সহ সকল সহযোগী সংগঠন, ওয়ার্ড, ইউনিয়ন ও উপজেলা আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ। আলোচনা শেষে বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের নিহত সদস্যদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে ফাতেহা পাঠ, মিলাদ ও বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
ফকিরহাটে পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা বিষয়ক উন্মুক্ত ওর্য়াড সভা
ফকিরহাট প্রতিনিধি।
বাগেরহাটের ফকিরহাটের লখপুর ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে সকল শ্রেণী ও পেশার জনসাধারনের উপস্থিতিতে পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা বিষয়ক উন্মুক্ত ওর্য়াড সভা ৭নং ওয়ার্ডের ভট্টখামার মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইউপি সদস্য মোঃ হারুনার রশিদ এর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা বেগম। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ নাছরুল মিল্লাত। উদ্ভোধক ছিলেন লখপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম ডি সেলিম রেজা। উপদেষ্টা ছিলেন, মাহাম্মুদা বেগম। প্যানেল চেয়ারম্যান-০১ ও ইউপি সদস্য মোঃ সেলিম শেখ এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক তপন দেবনাথ ভজন, জেলা কৃষকলীগের সহ-সভাপতি পুলিন বিহারী ঘোষ, হাবিবুর রহমান মোড়ল ও শেখ সিরাজুল ইসলাম প্রমুখ। সভায় দুই শতাধিক নারী ও পুরুষ তাদের চাহিদার কথা তুলে ধরেন, যা ইউপি সচিব প্রসুন কুমার দাশ খসড়া আকারে একটি রেজুলেশন করেন। এসময় শিক্ষক সাংবাদিক ডাক্তার জনপ্রতিনিধিসহ সুশীল সমাজের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
ঝিনাইদহে জমি নিয়ে বিরোধের জের ভাতিজার হাতে চাচা খুন
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি-
ঝিনাইদহে জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে ভাতিজার কোদালের আঘাতে চাচা নিহত হয়েছে। সোমবার বিকেলে সদর উপজেলার যাদবপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আওলাদ হোসেন (৭০) হোসেন সদর উপজেলার মধুহাটি ইউনিয়নের যাদবপুর গ্রামের মৃত সৈয়দ আলীর ছেলে।
এলাকাবাসী জানায়, গ্রামের দাড়িরপুর মাঠের ১০ কাঠা জমি নিয়ে আওয়াল হোসেন ও তার ভাতিজা শহীদের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। সোমবার দুপুর ১ টার দিকে বিরোধপুর্ণ ওই জমিতে গেলে তারা-ভাতিজার বাক-বিতন্ডা হয়। এক পর্যায়ে ভাতিজা শহীদ কোদাল দিয়ে আওলাদের মাথায় আঘাত করে। এতে সে গুরুতর আহত হয়। সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।
ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে জরুরী বিভাগের চিকিৎসক রাজিব চক্রবর্তী বলেন, আওলাদ হোসেন নামের যে ব্যক্তি মারা গেছে তিনি হাসপাতালে আসার আগেই মারা যান। মাথার আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
এ ব্যাপারে ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ সোহেল রানা বলেন, জমি নিয়ে বিরোধে একজন মারা গেছে। এ ঘটনায় দোষীদের গ্রেফতারে অভিযান চালানো হচ্ছে।
নিশা মন্ডল এখন ২০ টি গরুর মালিক
মোঃ শামীম হোসেন- বাজুয়া (দাকোপ)
নিশা মন্ডল। খুলনা জেলার দাকোপের কৈলাশগঞ্জ ইউনিয়নের কালিখাল এলাকার সফল এক খামারির নাম। প্রথমে একটি দেশি গরু দিয়ে ১৭ বছর ধরে তিল তিল করে গড়ে তুলেছেন স্বপ্নের খামার। বর্তমানে তার খামারে ১০টি গাভি,৩টি বকনা, ৫টি ষাঁড় ও ২টি বাছুর রয়েছে। যার আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ৮ লক্ষ টাকা। নিশা মন্ডল জানান তার স্বামী ২০০২ সালে বাজার থেকে দেশী জাতের মাত্র ১টি গরু এনে দেয় আর তা দিয়েই যাত্রা শুরু করেন। পরবর্তীতে স্থানীয় একটি এনজিও থেকে ২০ হাজার টাকা ঋণ ও নিজস্ব কিছু পুঁজি নিয়ে আরও একটি গরু কেনেন। দুটি গরু থেকে পর্যায়ক্রমে বংশ বৃদ্ধির মাধ্যমে আজকের এ অবস্থায় এসে পৌঁছেছে খামারটি। জানা যায়, প্রতি বছর তিনি ২-৩ টি করে ষাঁড় কোরবানির সময় বিক্রয় করে থাকেন। বছরে তিনি দেড়-দুই লক্ষ টাকার গরু বিক্রয় করে থাকেন। এছাড়াও বর্তমানে তার খামারে ৫টি দুধের গাভি রয়েছে। এসব গাভি থেকে প্রতিদিন ১৫-২০লিটার পর্যন্ত দুধ পেয়ে থাকেন। স্থানীয় বাজারে নিজস্ব একটি মিষ্টির দোকানে বিক্রয় করে থাকেন। নিশার পারিবারিক দেশী খামারের পাশাপাশি রয়েছে ছোট একটি দেশি জাতের হাস- মুরগির খামার। যেখানে দেশি ও উন্নত জাতের প্রায় ৫০টি হাস-মুরগি রয়েছে। টেলিভিশনে দেখে উৎসাহিত হয়ে তিনি ছোট খাটো ভাবে শুরু করেছেন এই খামার ব্যবসা। তিনি বলেন প্রথমে গরুর গোবর তেমন কাজে আসত না। বর্তমানে গোবর থেকেও আয় হচ্ছে তার। গরুর গোবর দিয়ে তিনি জমিতে ব্যবহারের জন্য জৈব সার তৈরি করছেন এবং বাঁকি গোবর দিয়ে গুঠে ও বইড়ে তৈরি করে নিজের জ্বালানি চাহিদা মিটিয়ে বাজারে বিক্রয় করে বাড়তি আয় করার সুযোগ পাচ্ছেন। নিশা মন্ডল জানান, প্রত্যেক মাসে খরচ বাদ দিয়ে ২০-২৫ হাজার টাকা আয় হয়ে থাকে। গরুর খাদ্যের দাম ও দুধের বাজার ওঠা-নামার সাথে আয়ও ওঠা-নামা করে থাকে। তিনি আরও জানান, তার খামারের সফলতার পেছনে স্থানীয় প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার সহযোগিতা রয়েছে। পারিবারিক ভাবে খামার করার পর থেকে আজ পর্যন্ত বড় ধরনের তেমন কোন সমস্যা হয়নি। তিনি মনে করেন, বাংলাদেশে বেকারত্ব দূর করতে হাতিয়ার হতে পারে গরুর খামার। সরকারের সহযোগিতা আরও বাড়লে এ খাতে ২০% বেকারত্ব দূর করা সম্ভব হবে। তিনি বলেন এভাবে দেশী গরু পালন করে তিনি ২ টি ছেলেকে পড়াশোনা শিখিয়ে তাদের চাকরির ব্যবস্থা করে দিয়ে স্বামী সংসার নিয়ে সুখেই আছেন। উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা জানান, এই এলাকায় গরু পালন করে প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই। তাই গরুর গোবর জৈব সারের চাহিদা মেটানো সহ এলাকার মানুষের জ্বালানির চাহিদাও মিটিয়ে থাকে। গ্রামীণ নারীরা গরু পালনের উপযুক্ত প্রশিক্ষণ ও পৃষ্টপোষকতা পেলে তারা নিজেদের ভাগ্য উন্নয়ন ও গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হবে।
লতায় বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালন
কপিলমুনি প্রতিনিধি
পাইকগাছায় লতা বাজারে সোমবার বিকাল ৪টায় আওয়ামীলীগ লতা ইউনিয়ন শাখার আয়োজনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত। সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন লতা ইউপি চেয়ারম্যান কাজল কান্তি বিশ্বাস। সভায় সভাপতিত্ব করেন লতা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নির্মল বৈদ্য। সঞ্চালনা করেন লতা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি সদস্য মঙ্গল চন্দ্র মন্ডল। উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি অমলেন্দু তরফদার, প্রকাশ সরকার, আওয়ামীলীগ নেতা কালিপদ বিশ্বাস, ভূধর বিশ্বাস, মোতালেব সানা, অনিল সরকার, নিরঞ্জন মল্লিক, দিলীপ রায়, অর্জুন মন্ডল, দীনেশ তরফদার, মদন মোহন মন্ডল, পবিত্র মন্ডল, শুভংকর মন্ডল, তারক মন্ডল, জগবন্ধু সরকার, হীরন্ময় মল্লিক, লতা ইউনিয়ন যুবলীগের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য পুলকেশ রায়, ইউপি সদস্য বাবলু সরদার, স্বপন মন্ডল, ফেরদৌস ঢালী, মহিলা সদস্য চম্পা বেগম, রীনা পারভিন, যুবনেতা প্রনব কান্তি মন্ডল, বাসার গাজী, মৃগাঙ্ক বিশ্বাস, উজ্জল রায়, রাজীব রায়, মিজান সানা, শাহাবুদ্দিন গাজী, হরিচাদ মন্ডল, হরিচাদ শিকারী, রিপন সানা, পলাশ বাছাড়, কমলেশ সরকার, মিঠুন মন্ডল, লতা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি বিদ্যুৎ মন্ডল, মিথুন সরকার, ছাত্রনেতা দীপায়ন বিশ্বাস, লিটন মন্ডল, আশিক সরকার, অমৃত লাল সরদার, আলাউদ্দিন সানা, সেতু মন্ডল, চিরঞ্জিত মন্ডল, সহ লতা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী।
রফিকুল ইসলামের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল
ফুলবাড়িগেট প্রতিনিধি
আটরা গিলাতলা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ও ইস্টান গেট এলাকার মিয়া রফিকুল ইসলামের রুহের মাগফিরাত কামনায় ৯ জানুয়ারী আসর বাদ ইস্টার্ন গেট বাজার জামে মসজিদ এক দোয়ার অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শেখ বাবুল হোসেন। হাদিউজ্জামান এর পরিচালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন ফুলতলা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শেখ ইকবাল হোসেন। বক্তৃতা করেন মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন খোকা, মিয়া ইমলাক হোসেন, মোহাম্মদ সেলিম বিশ্বাস, সৈয়দ মিন্টু, মোঃ তৌহিদুল ইসলাম, জাকারিয়া মাহমুদ টিটু, ফিরোজ ফকির, আজাদ বিশ্বাস, মিয়া আব্দুর রশিদ, মিয়া রবিউল ইসলাম, মুন্সি আইয়ুব আলী, মোঃ নওয়াব আলী, উজ্জ্বল নাগ প্রমূখ দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা আবুল কালাম। শেষে প্রধান অতিথি শেখ ইকবাল হোসেন মিয়া রফিকুল ইসলামের পরিবারের কাছে নগদ অর্থ প্রদান করেন।
কে. কে. এ জেনারেল হসপিটাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ভিত্তিপ্রস্তরের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত
ফুলবাড়িগেট প্রতিনিধি
কে কে এ জেনারেল হসপিটাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ভিত্তিপ্রস্তরের প্রস্তুতি সভা ৯ জানুয়ারী রবিবার বেলা ১২ টায় স্থানিয় সাংবাদিকদের নিয়ে গিলাতলা বাজার সংলগ্ন খান ভিলায় অনুষ্ঠিত হয় । এ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম মাসুদের সভাপতিত্বে ও খান জাকির হোসেনের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন কে কে এ জেনারেল হসপিটাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর ডাঃ খুরশীদ আলম এমবিবিএস (ডিইউ) সিসিডি (বারডেম) পিজিটি (এ্যনেসথেসিয়া) , ডিওসি (চর্ম ও যৌন) সিনিয়র মেডিকেল অফিসার সিটি মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতাল খুলনা। অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন মোঃ আঃ আলীম খান, খানজাহান আলী থানা সংবাদিক ইউনিটির সভাপতি শেখ বদরউদ্দিন, খানজাহান আলী থানা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোড়ল মুজিবর রহমান , প্রেসক্লাব খানজাহান আলী থানার সভাপতি মোশারফ হোসেন, মিয়া বদরুল আলম, শেখ আসলাম হোসেন, মোঃ সাইফুল্লাহ তারেক, মোঃ জিয়াউল ইসলাম, অনিশেষ মন্ডল, ডাঃ মজ্নুর হাসান প্রান্ত, সৈয়দ আলাউদ্দিন এসময় উপস্থিত ছিলেন মোঃ মামুন হোসেন, জুলফিকার আলী, রাজু আহম্মেদ, আরিফুর রহমান, হাসমত আলী, রফিকুল ইসলাম, শাহাদৎ হোসেন প্রমুখ । সভায় বক্তারা গুরুত্বপুর্ন মতামত ব্যক্ত করেন। প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর ডাঃ খুরশীদ আলম সাংবাদিক সহ সকলের দিকনির্দেশনা মতামত শোনেন এবং প্রতিষ্ঠানটি চালাতে সাংবাদিক সহ সকল শ্রেণির মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন । উল্লেখ্য কে কে এ ডায়াগনস্টিক এন্ড কনসালটেশন সেন্টার দির্ঘদিন ধরে সল্পমুল্যে ডিজিটাল আল্ট্রাসনোগ্রাম , ইসিজি , প্যাথলজি সহ বিভিন্ন পরিক্ষার রিপোর্ট প্রদান করে আসছে এবং গরিব ও অসহায় মানুষদেরকে বিশেষ সুবিধা প্রদান করছে ।
গণ সেবা সংস্থা আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ভূমিকা রাখছে স্থানীয় প্রতিনিধিরা
ফুলবাড়িগেট প্রতিনিধি
গণ সেবা সংস্থা খুলনার ফুলতলা উপজেলার খানজাহান আলী থানা এলাকার দরিদ্র, হতদরিদ্র, নির্যাতিত ও নিপীড়িত মহিলাদের সল্পশিক্ষিত বেকার যুবকদের আর্থ –সামাজিক উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রেখেছে। সরেজমিনে যে দেখা গেছে এলাকার দরিদ্র ও হতদরিদ্র অসহায় নির্যাতিত ও বিধবা মহিলাদের মাঝে সেলাই মেশিন প্রদান শীতবস্ত্র বিতরণ করছে। এসকল মহিলাদের মাঝে আয় বর্ধক কর্মসূচির মাধ্যমে বিনামূল্যে হাঁস মুরগি পালন ও সেলাই মেশিন পরীক্ষণ তাদের স্বাবলম্বী করেছে। এসকল উপকারভোগীর মধ্যে শিরোমনি দক্ষিনপাড়ার নিলুফা বেগম বলেন গণ সেবা সংস্থা দুর্দিনে আমার পাশে এসে দাঁড়িয়েছে। আমার স্বামী সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যাওয়ার পর পাঁচটি সন্তান নিয়ে আমি অর্ধহারে অনাহারে মানবতার জীবনযাপন করছিলাম ঠিক তখন ঐ কোন সেবা সংস্থা থেকে বিনামূল্যে সেলাই প্রশিক্ষণ নেই। তারপর সংস্থাটি আমাকে বিনামূল্যে একটি সেলাই মেশিন প্রদান করেন। আমার মত শত শত মহিলারা সেলাই ও হাঁস মুরগি পালনের উপর প্রশিক্ষণ নিয়ে গণ সেবা সংস্থার সহযোগিতায় স্বাবলম্বী। এলাকার একই এলাকার প্রবীন ব্যক্তি শাহজাহান শেখ বলেন গণ সেবা সংস্থা অনেক ধরনের সহযোগিতা করে থাকেন। আমার ছেলেকে মৎস চাষের উপর পরিশ্রম দিয়ে স্বাবলম্বী হওয়ার জন্য সহযোগিতা করেছে। করোনাকালীন সময় বিনামূল্যে মাক্স, হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও খাদ্য সামগ্রী দিয়েছেন। গিলাতলা ইউনিয়নের শেখ ইলিয়াস বলেন গণ সেবা সংস্থা আমাদের এলাকার পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন এর জন্য কালবাট রিং পাইপ এবং সেনেটারী লেট্রিন করার জন্য সহযোগিতা করেছেন সংস্থাটি। সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় ২০২০-২০২১ অর্থবছরে এক হাজারেরও বেশি বিনামূল্যে গাছের চারা বিতরণ করেছেন। গণ সেবা সংস্থার নির্বাহি পরিচালক শেখ আব্দুস সালাম বলেন এলাকার একদল সমমনা স্বেচ্ছাসেবী যুবকদের দের নিয়ে ২০০১ সালে গণ সেবা সংস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়। সংস্থাটি এ পর্যন্ত এক হাজারেরও উপর অসহায় ও বিধবা মহিলা এবং বেকার যুবকদের প্রশিক্ষণ দিয়ে আয়বর্ধক কর্মসূচিতে সম্পৃক্ত করেছে। সরকারি ও দাতা সংস্থার সহযোগিতা পেলে আমাদের কার্যক্রম আরো বৃদ্ধি পাবে।
বশেমুরবিপ্রবিতে জাতির পিতার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উদ্যাপন
অর্জুন বিশ্বাস, গোপালগঞ্জ
গোপালগঞ্জে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস ২০২২ উদ্যাপিত হয়েছে। এ উপলক্ষে টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। সোমবার দুপুর ১.০০ টায় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ. কিউ. এম. মাহবুবের নেতৃত্বে টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতার সমাধিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। শ্রদ্ধা নিবেদনের পর জাতির পিতাসহ ১৫ আগস্ট ১৯৭৫ সালে নিহত সকল শহিদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-র্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। পরে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ ও কর্মচারী সমিতি পৃথকভাবে জাতির পিতার সমাধিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করে। উল্লেখ্য, জাতির পিতার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস ২০২২ উদ্যাপন উপলক্ষে প্রশাসনিক ভবনে ও ক্যাম্পাস চত্বরে আলোকসজ্জা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের সড়কে তোরণ নির্মাণ করা হয়। এছাড়া ১১ জানুয়ারি ২০২২ সকাল ১১টায় একাডেমিক ভবনের ৫০১ নং কক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।
মহেশপুরে যুবলীগের কমিটি ঘোষনা মশিয়ার সভাপতি-শাহিন সম্পাদক নির্বাচিত
মহেশপুর(ঝিনাইদহ)প্রতিনিধি
ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার নাটিমা ইউনিয়ন যুবলীগের সম্মেলন শেষে গতকাল সোমবার কমিটি ঘোষনা করা হয়েছে। মশিয়ার রহমানকে সভাপতি,জমির উদ্দীনকে সহ সভাপতি,শাহিনুর রহমান শাহিন সাধারণ সম্পাদক ও আজিজুর রহমানকে যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক করে কমিটি ঘোষনা করা হয়।
সোমবার দুপুরে উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক কাজি আতিয়ার রহমান আতি ও যুগ্ন আহবায়ক ইয়াকুব আলী সম্মেলন শেষে কমিটি ঘোষনা করেন। পরে নব-নির্বাচিত নেতৃ বৃন্দ উপজেলা আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে ঝিনাইদহ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ¦ শফিকুল আজম খান চঞ্চলকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের সদস্য আজিজুল হক আজা প্রমুখ।
গত শনিবার বিকালে মহেশপুরের মান্দারতলা মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে নাটিমা ইউনিয়ন যুবলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সাতক্ষীরার পলাশপোলে স্বাধীন ইলেকট্রভিশন শো রুম উদ্বোধন
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি
সোমবার বেলা ১২টায় সাতক্ষীরা শহরের পলাশপোল সংগ্রাম হাসপাতাল সংলগ্ন স্বাধীন ইলেকট্রভিশন এর বিভিন্ন ব্রান্ডের ইলেকট্রনিক্্র পণ্যের শো রুমের ফিতা কেটে শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সাপ্তাহিক মুক্ত স্বাধীন পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক, নিরাপদ সড়ক চাই সাতক্ষীরা জেলা শাখার উপদেষ্টা, সাতক্ষীরা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ সাতক্ষীরা সদর শাখার যুগ্ন আহবায়ক মোঃ আবুল কালাম (বীরের সন্তান)। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক ভোরের পাতা’র জেলা প্রতিনিধি ও নিরাপদ সড়ক চাই সাতক্ষীরা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক এস এম মহিদার রহমান, জেলা কৃষকদল আহবায়ক আহসানুল কাদির স্বপন, জেলা কৃষকদল সদস্য সচিব শাহিনুর রহমান শাহিন, যুগ্ন আহবায়ক শাহাদাত হোসেন। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন দৈনিক খুলনাঞ্চলের জেলা প্রতিনিধি খান নাজমুল হুসাইন, দৈনিক দেশের কন্ঠের জেলা প্রতিনিধি মোঃ শহিদুল ইসলাম শহিদ, জে এস এন্টারপ্রাইজের স্বত্ত্বাধিকারী মোঃ জহুরুল ইসলাম, স্বাধীন ইলেকট্রভিশন এর স্বত্ত্বাধিকারী জি এম মনিরুল ইসলাম, মোঃ ওমর আলী, সাইদ, সুমন, রহিম, স্বাধীন, হৃদয়, মনির, মাহিম প্রমুখ। দোয়া অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন এস এম মহিদার রহমান।
স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষ্যে খুবি বঙ্গবন্ধু পরিষদের শ্রদ্ধা নিবেদন
খবর বিজ্ঞপ্তি
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষ্যে সোমবার ১০ জানুয়ারি সোমবার দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসস্থ বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল কালজয়ী মুজিব এ খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় বঙ্গবন্ধু পরিষদের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হয়। এসময় পরিষদের সভাপতি প্রফেসর ড. শেখ জুলফিকার হোসেনসহ কমিটির অন্যান্য সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
ষড়যন্ত্র হলে বুকের রক্ত দিয়ে কর্মসূচি সফল করা হবে: এজাজ
খবর বিজ্ঞপ্তি
১২ জানুয়ারী খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলা সদরে বিএনপির গণ সমাবেশ কর্মসূচি বানচালে পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন দলটির নেতারা। অন্তত এক সপ্তাহ আগে থেকে প্রস্ততি নেওয়া এ কর্মসূচি বাঁধাগ্রস্থ করতে পুলিশের ইন্ধনে ছাত্রলীগ-যুবলীগ ওই একই দিনে একই স্থানে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালনের জন্য দরখাস্ত করেছে। এরপর ডুমুরিয়া থানার ওসি বিএনপিকে কর্মসূচি পালন করতে দেওয়া হবেনা বলে সাফ জানিয়ে বলেছেন, আজ রাত থেকেই টের পাবেন এখানে কি ঘটে। এরপর রবিবার (৯ জানুয়ারী) দিবাগত রাতভর গোটা থানা ব্যাপি বিএনপির নেতাকর্মীদের বাড়িতে বাড়িতে পুলিশের চিরুনি অভিযান চলেছে।
ঘটনার তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে বিএনপি নেতারা বলেছেন, বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও সুচিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর দাবিতে ১২ জানুয়ারীর গণ সমাবেশ একটি মানবিক কর্মসুচি। খুলনা জেলা ও মহানগর বিএনপি এই কর্মসূচি সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণভাবে পালন করতে চায়। কিন্ত অহেতুক উস্কানিমূলকভাবে গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক কর্মসূচিকে বাঁধাগ্রস্থ করা হলে প্রয়োজনে বুকের রক্ত দিয়ে কর্মসুচি সফল করা হবে।
১২ জানুয়ারীর গণ সমাবেশের সার্বিক প্রস্ততি এবং সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে সাংবাদিকদের অবহিত করতে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বিএনপি নেতারা এ হুশিয়ারী উচ্চারণ করেন। সোমবার (১০ জানুয়ারী) দুপুর ১২ টায় নগরীর কে ডি ঘোষ রোডস্থ দলীয় কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়।
বক্তব্য উপস্থাপনকালে জেলা বিএনপির আহবায়ক আমির এজাজ খান বলেন, কেন্দ্র থেকে মহানগর ও জেলা সদরের বাইরে থানা পর্যায়ে সমাবেশ আয়োজনের নির্দেশনা আসলে দলীয় ফোরামে আলোচনায় আমরা ডুমুরিয়ায় কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত নেই। ৬ জানুয়ারী আমরা পুলিশ সুপারের সাথে সাক্ষাৎ করি কর্মসূচি সম্পর্কে অবহিত করে প্রশাসনের সহায়তা চাই। তিনি সার্বিক সহায়তার আশ^াস দেন। এরপর ডুমুরিয়া উপজেলা সদরের স্বাধীনতা চত্বর মাঠ ব্যবহারের জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর এবং মাইক ব্যবহার ও আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরাবর লিখিত আবেদন করি। প্রাথমিকভাবে তাদের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া মিললেও হঠাৎ করেই পরিস্থিতি পাল্টে যায়। জানতে পারি, ছাত্রলীগ-যুবলীগ একই দিনে একই স্থানে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালন করবে বলে থানায় দরখাস্ত করেছে। এরপর বিএনপির শীর্ষ নেতারা ওসির সাথে দেখা করতে গেলে তার আচরণ পাল্টে যায় এবং কোন মতেই ডুমুরিয়ায় বিএনপিকে সমাবেশ করতে দেওয়া হবেনা বলে জানিয়ে দেন। তিনি প্রকাশ্যেই বলেন, দেখেন না আজ রাত থেকে কি ঘটে! এরপর রাতেই বিপুল সংখ্যক পুলিশ থানা বিএনপির সভাপতি মোল্লা মোশারফ হোসেন মফিজ, সরোয়ার হোসেন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান গাজী আব্দুল হালিম, শাহাদাত হোসেন, আব্দুস শহীদসহ অসংখ্য নেতাকর্মীদের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে তল্লাশি চালিয়েছে। এর আগে থানার প্রতিটি ওয়ার্ড, ইউনিয়ন ও গ্রাম পর্যায়ে আয়োজিত প্রস্ততি সভাস্থলে গিয়ে পুলিশ বাঁধাসৃষ্টি করে। ফলে রাতেই বিএনপি নেতাকর্মীরা নিরাপদ অবস্থানে থাকায় কেউ গ্রেফতার না হলেও পুলিশ বাড়ি বাড়ি গিয়ে আতংক সৃষ্টি করে এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন করে।
বিএনপি নেতারা প্রশ্ন রাখেন, স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস ১০ তারিখ। কেন সেটিকে ১২ তারিখে পালন করতে হবে? দেশে কি আর কোথাও জায়গা নেই? ডুমুরিয়াতেই এক সপ্তাহ আগে বিএনপি নির্ধারিত ভেন্যুতেই কেন তাদের কর্মসূচি দিতে হবে? বিএনপি নেতারা জানান, মহানগর ও জেলার প্রতিটি ওয়ার্ড, থানা, ইউনিয়ন, গ্রাম এবং বিভাগের ১০ জেলা থেকে অন্তত এক লক্ষ লোকের জমায়েত ঘটানো হবে। বিএনপি সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণভাবে মানবিক এই কর্মসূচি পালন করতে চায়। আপনারা যদি সহিংস আচরণ করেন এবং বাঁধা দেন আমরা প্রয়োজনে বুকের রক্ত দিয়ে কর্মসূচি সফল করবো। দেশের বিভিন্ন স্থানে ১৪৪ ধারা ভেঙ্গে বিএনপির কর্মসূচি পালন করার উদাহরণ টেনে তারা বলেন, প্রয়োজনে ডুমুরিয়াতেও ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটবে।
সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক এমপি শেখ মুজিবর রহমান, মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব শফিকুল আলম তুহিন, জেলা সদস্য সচিব মনিরুল হাসান বাপ্পী, মহানগর সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক তরিকুল ইসলাম জহির ও জেলা সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আবু হোসেন বাবু।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন কাজী মো: রাশেদ, খান জুলফিকার আলী জুলু, মোস্তফা উল বারী লাভলু, সাইফুর রহমান মিন্টু, কামরুজ্জামান টুকু, আশরাফুল আলম নান্নু, আজিজুল হাসান দুলু, মুর্শিদ কামাল, এহতেশামুল হক শাওন, শেখ সাদী, শের আলম সান্টু, রোবায়েত হোসেন বাবু, সাজ্জাদ আহসান পরাগ, ইলিয়াস মল্লিক, তৈয়েবুর রহমান, মুজিবর রহমান, মো: মাসুদ পারভেজ বাবু, মোল্লা মোশারফ হোসেন মফিজ, চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন, একরামুল হক হেলাল, শামীম কবির, চৌধুরী হাসানুর রশিদ মিরাজ, জাফরী নেওয়াজ চন্দন, আবু সাঈদ হাওলাদার আব্বাস, শেখ ইমাম হোসেন, কাজী মিজানুর রহমান, নাজমুস সাকির পিন্টু, শাহনাজ ইসলাম, কাজী মাহমুদ আলী, রফিকুল ইসলাম বাবু, ইবাদুল হক রুবায়েদ, সরোয়ার হোসেন, শামসুল বারিক পান্না, মোল্লা কবির হোসেন, তারভীরুল আযম রুম্মান, শেখ জামালউদ্দিন, বদরুল আনাম খান, শাহাবুদ্দিন মন্টু, গাজী আফসারউদ্দিন মাস্টার, কাজী শাহনেওয়াজ নীরু, এইচ এম আসলাম, মোল্লা ফরিদ আহমেদ, মতলেবুর রহমান মিতুল, সিরাজুল ইসলাম লিটন, বেগ তানভিরুল আযম, হাসিনুল ইসলাম নিক, আলী আক্কাস, তরিকুল ইসলাম তারেক, ইঞ্জিনিয়ার নুরুল ইসলাম বাচ্চু, সজিব তালুকদার, আব্দুল মান্নান মিস্ত্রি, ইসতিয়াক আহমেদ ইস্তি, মনিরুজ্জামান লেলিন, গোলাম মোস্তফা তুহিন, শেখ হেমায়েত হোসেন, সেতারা সুলতানা, শাহনাজ সরোয়ার প্রমুখ।
লিফলেট বিতরণ : এদিকে প্রেস ব্রিফিং শেষে জেলা ও মহানগর নেতৃবৃন্দ গণ সমাবেশ কর্মসূচি সফল করতে মহানগরী এলাকায় লিফলেট বিতরণ করেন। থানার মোড় থেকে কর্মসূচি শুরু হয়ে পিকচার প্যালেস, বড় বাজার, হেলাতলা, কে ডি ঘোষ রোড, নগর ভবন, কেসিসি মার্কেট, আদালত এলাকায় লিফলেট বিতরণ করেন।
বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে কেইউজের আলোচনা সভা
খবর বিজ্ঞপ্তি
হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষ্যে ১০ জানুয়ারী খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়ন (কেইউজে) নানা কর্মসূচী পালন করে। কর্মসূচীর মধ্যে রয়েছে প্রেসক্লাব চত্বরে অবস্থিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুুজিবুর রহমানের ভাস্কর্যে পুষ্পমাল্য অর্পণ ও আলোচনা সভা।
সোমবার সকাল ১১টায় খুলনা প্রেসক্লাবে সংগঠনের কার্যালয়ে আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়নের (কেইউজে) সহ সভাপতি মহেন্দ্র নাথ সেন। সভা পরিচালনা করেন খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়নের (কেইউজে) সাধারণ সম্পাদক মো: সাঈয়েদুজ্জামান সম্রাট।
বক্তৃতা করেন বিএফইউজে- বাংলাদেশ ফোডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের যুগ্ম মহাসচিব মোঃ হেদায়েৎ হোসেন মোল্লা, খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়নের (কেইউজে) সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেন মিন্টু ও শেখ আবু হাসান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ সাহেব আলী ও মোঃ শাহ আলম, বিএফইউজে- বাংলাদেশ ফোডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক নির্বাহী সদস্য আসাদুজ্জামান রিয়াজ, কেইউজের কোষাধ্যক্ষ অভিজিৎ পাল, প্রচার প্রকাশনা সম্পাদক নূর হাসান জনি, নির্বাহী সদস্য বিমল সাহা, সদস্য বাবুল আক্তার, তানজির হোসেন প্রমুখ।
এর আগে পৌনে ১১টায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুুজিবুর রহমানের ভাস্কর্যে শ্রদ্ধা নিবেদনকালে উপস্থিত ছিলেন কেইউজে সহ সভাপতি মহেন্দ্র নাথ সেন, সাধারণ সম্পাদক মো: সাঈয়েদুজ্জামান সম্রাট, বিএফইউজে- বাংলাদেশ ফোডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের যুগ্ম মহাসচিব মোঃ হেদায়েৎ হোসেন মোল্লা, খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়নের (কেইউজে) সাবেক সভাপতি শেখ আবু হাসান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ সাহেব আলী ও মোঃ শাহ আলম, প্রচার প্রকাশনা সম্পাদক নূর হাসান জনি, সদস্য এস এম কামাল হোসেন, তৌহিদুল ইসলাম তুহিন, বাবুল আক্তার, তানজির হোসেন প্রমুখ।
স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে বঙ্গবন্ধুর’র প্রতিকৃতিতে নগর যুবলীগের শ্রদ্ধা নিবেদন
খবর বিজ্ঞপ্তি
১০ জানুয়ারী স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রমানের প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, খুলনা মহানগর শাখার নেতৃবৃন্দ। সোমবার সকাল ১০টায় খুলনা প্রেস ক্লাব চত্ত্বরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পন করে শ্রদ্ধা নিবেদন করে নগর যুবলীগের আহবায়ক সফিকুর রহমান পলাশ, যুগ্ম আহবায়খ শেখ শাহাজালাল হোসেন সুজন, রোজি ইসলাম নদী, আব্দুল কাদের শেখ, আবুল হোসেন, কাজী কামাল হোসেন, সওকাত হোসেন, অভিজিৎ চক্রবর্তী দেবু, কবির পাঠান, মসিউর রহমান সুমন, কে এম শাহিন হাসান, ইলিয়াস হোসেন লাবু, রবিউল ইসলাম লিটন, আরিফুর রহমান আরিফ, জামিল আহমে সোহাগ, আসাদুজ্জামান শাহিন, রাকিবুল ইসলাম প্রমুখ।
সোনাডাঙ্গা থানা আওয়ামীলীগের কার্য নির্বাহি কমিটির সভা অনুষ্ঠিত
খবর বিজ্ঞপ্তি
সোমবার মাগরীব বাদ কেডিএ নিউমার্কেট (বুলু বিশ্বাসের নিজস্ব কার্যলয়ে) সোনাডাঙ্গা থানা আওয়ামীলীগের কার্য নির্বাহি কমিটির বিশেষ সভার সভাপতিত্ব করেন সোনাডাঙ্গা থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বুলু বিশ্বাস সভা সঞ্চালনা করেন থানা আওয়ামীলীগের সাধারন স¤পাদক তসলিম আহম্মেদ আশা।সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মোঃ আমির হোসেন, জান্নাতুল ফেরদৌস পিকুল, রফিকুল ইসলাম পিটু, আঃ কাইয়ুম গোরা, এস এম রাজুল হাসান রাজু, এস এম কবির উদ্দিন বাবলু, টি এম আরিফ, কাউন্সিলর আমেনা হালিম বেবী, শরীফ এনামুল কবীর, মোক্তার হোসেন, এজাজ পারভেজ বাপ্পি, এড এনামুল হক, আলী আকবর, মোঃ রুহুল আমীন খান, এড শামীম আহম্মেদ পলাশ, শিপন চৌধুরী, মেহেজাবিন খান, ইঞ্জিনিয়ার আঃ জব্বার, তোতা মিয়াঁ ব্যাপারী, খান হুমায়ুন কবীর, আসাদুজ্জামান মিলটন, হায়দার আলী খোকন, মুন্সি আইয়ুব আলী, শেখ আবিদ উল্লাহ, শেখ জাহিদুল হক, শেখ মোঃ জাহিদুল ইসলাম,সরদার আঃ হালিম, শেখ রুহুল আমিন, মীর মোঃ লিটন, জাকির হোসেন,মোঃ সবুর হোসেন,সোহেল চৌধুরী, এম এম সিপার হায়দার, মাহবুব মম, এ এম আল মামুন চৌধুরী, মশিউজ্জামান খান মশি, এড জসিমউদ্দিন খান লিটন প্রমুখ।
প্রতিবেশী ভারত বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু রাষ্ট্র: সিটি মেয়র
তথ্য বিবরনী
খুলনার বয়রাস্থ ডায়াবেটিক হাসপাতালের জন্য ভারত সরকার কর্তৃক একটি এ্যাম্বুলেন্স হস্তান্তর অনুষ্ঠান সোমবার সকালে ডায়াবেটিক হাসপাতাল চত্বরে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক। খুলনাস্থ ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার রাজেশ কুমার রায়না প্রধান অতিথি ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে এ্যাম্বুলেন্সের চাবি হস্তান্তর করে।
প্রধান অতিথির বক্তৃতায় সিটি মেয়র বলেন, প্রতিবেশী ভারত বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু রাষ্ট্র। মুক্তিযুদ্ধসহ বিভিন্ন সময়ে তারা বাংলাদেশকে সাহায্য সহযোগিতা করেছে। তিনি বলেন, পদ্মার এপারে খুলনা ডায়াবেটিক হাসপাতাল একটি বড় হাসপাতাল। ডায়াবেটিকস জীবনব্যাপী রোগ। এই রোগ একেবারে নির্মূল করা সম্ভব নয়। তবে এই রোগ নিয়ন্ত্রণে রেখে সম্পূর্ণ সুস্থ ও কর্মঠ থাকা যায়। পাশাপাশি যাদের ডায়াবেটিকস হয়নি তারা একটু সচেতন হলেই এই রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব। অনুষ্ঠানে অন্যান্য অতিথিরা কিডনী রোগীদের জন্য এই হাসপাতালে একটি ডায়ালাইসিস মেশিনে স্থাপনের জোর দাবি জানান। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন খুলনা মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ ডাঃ মেহেদী নেওয়াজ। সাবেক সংসদ সদস্য ও ডায়াবেটিক সমিতি’র আহবায়ক মোঃ মিজানুর রহমান মিজান অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। এসময় কেসিসি’র প্যানেল মেয়র আলী আকবর টিপু, ডায়াবেটিক সমিতি’র চিফ মেডিকেল অফিসার ডাঃ মোঃ আব্দুস সবুরসহ কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ডায়াবেটিক সমিতির নির্বাহী সদস্য মোঃ মফিদুল ইসলাম টুটুল।
দাকোপে আওয়ামী লীগের উদ্যোগে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালিত
বাজুয়া (দাকোপ) প্রতিনিধি
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালন উপলক্ষে দাকোপ উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বিকাল ৫ টায় উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনের মাঠে উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও সাবেক অধ্যক্ষ আব্দুল্লাহ ফকিরের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা যুবলীগনেতা রতন কুমার মন্ডল ও আরাফাত আজাদের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শেখ আবুল হোসেন। প্রধান বক্তা ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান বিনয় কৃষ্ণ রায়। বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শেখ আব্দুল কাদের, ইউপি চেয়ারম্যান পঞ্চানন মন্ডল, চালনা পৌরসভা আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ শফিকুল ইসলাম আক্কেল, চালনা পৌরসভার মেয়র সনত কুমার বিশ্বাস, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান মিহির মন্ডল, এবিএম রুহুল আমীন, অধ্যাপক দুলাল রায়, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও ভাইস চেয়ারম্যান গৌরপদ বাছাড়, জেলা পরিষদ সদস্য কে এম কবির হোসেন, উপজেলা কৃষক লীগ সভাপতি শেখ গোলাম হোসেন শেখ, মহিল আওয়ামী লীগনেত্রী কনিকা বৈরাগী, লিপিকা বৈরাগী, বিজয় লক্ষ্মী সাহা, উপজেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি গোবিন্দ বিশ্বাস, জেলা যুবলীগনেতা আফজাল হোসেন খান, সুকুমার গোলদার, পৌর আওয়ামী লীগ যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মোঃ শিপন ভূইয়া, শ্যাম সুন্দর মন্ডল, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহবায়ক জি এম রেজা, তাপস জোয়াদ্দার, উপজেলা শ্রমিক লীগ সাধারণ সম্পাদক অমরেশ ঢালী, আওয়ামীলীগনেতা দেবাশিষ ঢালী, শুভংকর রায়, হাবিবুর রহমান শেখ, মোহন লাল সাহা, মিজানুর রহমান টুটুল, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি শচীন্দ্র নাথ মন্ডল, উত্তম মন্ডল, কুমারেশ বিশ্বাস, উপজেলা যুবলীগনেতা আব্দুল্লাহ আল মাসুম, জাহিদুর রহমান মিল্টন, পৌর প্যানেল মেয়র শেখ মেহেদী হাসান বুলবুল, বিপ্লব সাহা, গাজী রবিউল ইসলাম, পৌর যুবলীগনেতা অসিত মন্ডল, মিঠুন সাহা, গোবিন্দ রায়, প্রতাপ রায়, রনি গাজী, চিন্ময় সাহা টুটুল, ইউপি যুবলীগের সভাপতি শান্ত মিস্ত্রী পাবক, হিমাদ্রী বিশ্বাস, প্লাবন মন্ডল, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ফয়সাল শরীফ, সাধারণ সম্পাদক লিটন সরদার, পৌর সভাপতি রাসেল কাজী, সাধারণ সম্পাদক রাহুল রায়, মাসুম হাওরাদারসহ উপজেলার ৯টি ইউনিয়নের যুবলীগ নেতৃবৃন্দ, চালনা পৌরসভার ৯টি ওযার্ডের সভাপতি/সম্পাদক বৃন্দ।
অভয়নগরে নব নির্বাচিত ইউপি সদস্যকে গুলি করে হত্যা
স্টাফ রিপোর্টার
যশোরের অভয়নগর উপজেলায় নবনির্বাচিত ইউপি সদস্যকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। আজ সোমবার রাত সোয়া আটটার দিকে উপজেলার হরিশপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে তাঁকে গুলি করে হত্যা করা হয়।
নিহত ওই ব্যক্তির নাম উত্তম সরকার (৪০)। তিনি উপজেলার হরিশপুর গ্রামের অশান্ত সরকারের ছেলে। তিনি গত ২৬ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত ইউনিয়নের পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে উপজেলার সুন্দলী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।
উত্তম সরকারের কাকা স্বপন কুমার সরকার জানান, আজ সোমবার রাতে উত্তম সরকার উপজেলার সুন্দলী বাজার থেকে মোটরসাইকেলে করে হরিশপুর গ্রামের নিজের বাড়িতে ফিরছিলেন। পেছনে অপর একটি মোটরসাইকেলে করে তিন ব্যক্তি যাচ্ছিলেন। রাত সোয়া আটটার দিকে উত্তম হরিশপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে পৌঁছান। এ সময় পেছনে আসা মোটরসাইকেল আরোহীরা তাঁর গতিরোধ করেন। এরপর তারা সামনের দিক থেকে তার বুকের বামপাশে গুলি করে মোটরসাইকেলে করে পালিয়ে যান। এতে উত্তম ঘটনাস্থলেই মারা যান।
অভয়নগর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিলন কুমার মণ্ডল বলেন, দুর্বৃত্তদের গুলিতে উত্তম সরকার নিহত হয়েছেন। এ ব্যাপারে তদন্ত করা হচ্ছে। হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
১২ জানুয়ারী বিএনপির গণ সমাবেশ সফল করতে থানায় থানায় প্রস্ততি সভা
খবর বিজ্ঞপ্তি
১২ জানুয়ারী ডুমুরিয়া উপজেলা সদরে বিএনপির গণ সমাবেশ কর্মসূচি বাস্তবায়নে ব্যাপক প্রস্ততি চলছে। বিভিন্ন থানা ও ওয়ার্ডে চলছে সভা ও প্রস্ততি। সভাগুলো থেকে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীর উপস্থিতিতে কর্মসূচি সফল করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
সদর থানা বিএনপি : সদর থানা বিএনপির প্রস্ততি সভা সোমবার বিকেলে কে ডি ঘোষ রোড দলীয় কার্যালয়ে নাজিরউদ্দিন আহমেদ নান্নুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব শফিকুল আলম তুহিন। সভায় উপস্থিত থেকে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন আব্দুর রাজ্জাক, ওয়াহিদুর রহমান দীপু, বদরুল আনাম খান, গাজী আফসারউদ্দিন মাস্টার, নাসিরউদ্দিন খান, বেগ তানভিরুল আযম, এইচ এম আসলাম, জি এম মঈনউদ্দিন, মো: সিরাজুল ইসলাম লিটন, মো: বাবুল রানা, এস এম নুরুল আলম দীপু, আমিন আহমেদ, মো: ইবাদুল ইসলাম, মো: নাজমুল হোসেন প্রমুখ। এ সময় সদর থানার ৯টি ওয়ার্ড বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
খালিশপুর থানা বিএনপি : বিকেলে নিউজপ্রিন্ট মিল গেটস্থ দলীয় কার্যালয়ে থানা বিএনপির প্রস্ততি সভা আবুল কালাম জিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন মহানগর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক তরিকুল ইসলাম জহির। উপস্থিত ছিলেন স ম আব্দুর রহমান, জাহিদুল ইসলাম, শাহিনুল ইসলাম পাখি, শেখ সাদী, আব্দুল লতিফ,হাবিবুর রহমান বিশ^াস, আব্দুল মতিন বাচ্চু, তসলিমউদ্দিন, খোদাবক্স কোরাইশী কাল্লু, মশিউর রহমান খোকন, জাহিদুল হোসেন, সালাম হাওলাদার, ডা: শ্যামল, খান মোহাম্মদ মোকসেদুল আলম, মেহেদী মাসুদ সেন্টু, সাইফুল ইসলাম সান্টু, ফজলে বারী লিপন, শাহীনউদ্দিন, মাহবুব হোসেন বাবুল, জাহিদুল ইসলাম রিপন, মাহমুদ হাসান শান্ত, মো: রফিকুল ইসলাম, শেখ আলী হোসেন, মো: ফারুক হিল্টন, জাকির হোসেন, ইউসুফ মোল্লা, সামসুজ্জোহা ডিয়ার, গাজী সালাহউদ্দিন, গোলাম মোস্তফা ভূট্টো, তুহিন, নাজমুল হাসান বাবু, মইনুদ্দিন নয়ন, জাহিদুল ইসলাম বাচ্চু, আনজিরা বেগম, মিজানুর রহমান, শাহানাজ সরোয়ার, পারুল আক্তার, সত্যানন্দ দত্ত, ইমরান সালেহ সিফাত, আসিফ প্রমুখ।
সোনাডাঙ্গা থানা বিএনপি : সোনাডাঙ্গা থানা বিএনপির প্রস্ততি সভা সোমবার বাদ মাগরিব ১৮ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর কার্যালয়ে হাফিজুর রহমান মনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন ও দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব শফিকুল আলম তুহিন, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক তরিকুল ইসলাম জহির, কাজী মো: রাশেদ, সাজ্জাদ আহসান পরাগ, শফিকুল ইসলাম হোসেন, শেখ জামালউদ্দিন, একরামুল কবির মিলটন, মুসা হোসেন খান, মইদুল হক টুকু, মোল্লা রাজু আহমেদ, আবুল ওয়ারা, আসাদুজ্জামান হারুন, কাজী মিজানুর রশিদ, ইয়াজুল ইসলাম এ্যাপোলো, নজরুল ইসলাম, তরিকুল ইসলাম বাকুর, হাবিবুর রহমান বিপুল, জাকির মুন্সি, ওহিদ হাওলাদার, রিয়াজুল কবির, বিপ্লব, মোল্লা ইউনুস, মাহবুব, মুস্তাফিজ, শাকারুল ইসলাম সুমন, নুর ইসলাম নুরু, গিয়াস, শাহিন প্রমুখ।
বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনেই পূর্ণাঙ্গতা পায় স্বাধীনতা: তালুকদার খালেক
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র আলহাজ্জ তালুকদার আব্দুল খালেক বলেছেন, বঙ্গবন্ধু ফিরে এসেছিল বলেই এ দেশ তাবেদারী রাষ্ট্র এবং গৃহযুদ্ধ থেকে রক্ষা পেয়েছিলো। তিনি ফিরে এসে অস্ত্র জমা নিয়ে সকলকে দেশ গঠনে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন। তিনি ফিরে এসেছিলেন বলেই ভারত মিত্র বাহিনী ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছিলো; রক্ষা পেয়েছিলো নিশ্চিত গৃহযুদ্ধ থেকে দেশ। তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধু ছিলেন বিশ্বসেরা একজন সংগঠক। সে দুঃসময়ে সাইকেলে চড়ে, পায়ে হেঁটে গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে ঘুরে সংগঠনকে শক্তিশালী করেছিলেন। সে কারণেই বাংলার মানুষ তাকে জীবন দিয়ে ভালোবাসতেন। মানুষের ভালোবাসার কারণেই তিনি সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে বিজয়ী হয়েছেন। জনগণের ভালোবাসার কারণেই পাক বাহিনী বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার দুঃসাহস পায়নি। বাংলার জনগণের ভয়ে তাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়েছিলো। তাঁর অনুপস্থিতিতে অপূর্ণ ছিল স্বাধীনতা। তাঁর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনেই পূর্ণাঙ্গতা পায় স্বাধীনতা। জনগণ ফিরে পায় তাদের ভালোবাসার মানুষকে।
তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর এই আদর্শ আগামী প্রজন্মকে মনে প্রাণে ধারণ করতে হবে। তাহলেই জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণের কাজ দ্রুত সম্পন্ন হবে।
গতকাল সোমবার বাদ মাগরিব দলীয় কার্যালয়ে মহান স্বাধীনতার স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। আলোচনা সভায় বক্তৃতা করেন খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানা। সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তৃতা করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেন মিন্টু, বীর মুক্তিযোদ্ধা নুর ইসলাম বন্দ, অধ্যক্ষ শহিদুল হক মিন্টু, জামাল উদ্দিন বাচ্চু, শেখ মো. ফারুক আহমেদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যা. আলমগীর কবির, এ্যাড. খন্দকার মজিবর রহমান, প্যানেল মেয়র আলী আকবর টিপু, এ্যাড. মো. সাইফুল ইসলাম, সিদ্দিকুর রহমান বুলু বিশ্বাস, মো. মফিদুল ইসলাম টুটুল, এ্যাড. সুলতানা রহমান শিল্পী, রনজিত কুমার ঘোষ, এ্যাড. এ কে এম শাহজাহান কচি, মো. সফিকুর রহমান পলাশ, এম এ নাসিম। সভা পরিচালনা করেন মহানগর আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মো. মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ। এসময়ে উপস্থিত ছিলেন মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা মল্লিক আবিদ হোসেন কবীর, বীর মুক্তিযোদ্ধা শ্যামল সিংহ রায়, এ্যাড. আইয়ুব আলী শেখ, শেখ মো. আনোয়ার হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফেরদৌস আলম চাঁন ফারাজী, এ্যাড. অলোকা নন্দা দাস, বীর মুক্তিযোদ্ধা মাকসুদ আলম খাজা, শেখ ফারুক হাসান হিটলু, কামরুল ইসলাম বাবলু, বীরেন্দ্র নাথ ঘোষ, হাফেজ মো. শামীম, শেখ নুর মোহাম্মদ, অধ্যা. রুনু ইকবাল, তসলিম আহমেদ আশা, কাউন্সিলর শেখ হাফিজুর রহমান, মনিরুজ্জামান খান খোকন, এস এম আকিল উদ্দিন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোতালেব মিয়া, মীর বরকত আলী, অধ্যা. এ বি এম আদেল মুকুল, বীর মুক্তিযোদ্ধা মুন্সি আইয়ুব আলী, চ. ম. মুজিবুর রহমান, বাদল সরদার বাবুল, শেখ আব্দুল আজিজ, এমরানুল হক বাবু, এ্যাড. শামীম মোশাররফ, ফায়জুল ইসলাম টিটো, মো. আজম খান, আতাউর রহমান শিকদার রাজু, ওহিদুল ইসলাম পলাশ, মীর মো. লিটন, মো. সিহাব উদ্দিন, কাউন্সিলর কণিকা সাহা, কাউন্সিলর রেকসোনা কালাম লিলি, মো. আমির হোসেন, আলী আকবর মাতুব্বর, মুন্সি নাহিদুজ্জামান, হাবিবুর রহমান দুলাল, আব্দুল কাদের শেখ, কবীর পাঠান, অভিজিৎ চক্রবর্তী দেবু, জেসমিন সুলতানা, নুর জাহান রুমি, নূরানী রহমান বিউটি, রেখা খানম, রেজওয়ানা প্রধান, সাবিহা ইসলাম আঙ্গুর, ফেরদৌসি আলম রিতা, মো. জিলহজ্জ হাওলাদার, মো. শহীদুল হাসান, ইখতিয়ার উদ্দিন মোল্লা, জহির আব্বাস, মাহমুদুর রহমান রাজেস, এম এ হোসেন সবুজ সহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। এর আগে সকাল ৮টায় দলীয় কার্যালয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হয়।
বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে স্বাধীনতা এবং স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পরে অর্থনৈতিক মুক্তি ডাক দিয়েছিলেন: বাবুল রানা
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানা বলেছেন, বঙ্গবন্ধু ‘৭১ সালের ডিসেম্বরে চূড়ান্ত বিজয়ের পরে দেশে ফিরে যুদ্ধ বিধ্বস্ত বাংলাদেশ গঠনে মনোনিবেশ করেন। বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে স্বাধীনতা এবং স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পরে অর্থনৈতিক মুক্তি ডাক দিয়েছিলেন। তিনি বাংলাদেশের আর্থ সামাজিক উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন কর্মসূচী গ্রহণ করেন। এজন্য তিনি বিশ্ব নেতাদের সাথে অর্থনৈতিক উন্নয়নে বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক বিষয়ে আলোচনা করেন। তাঁর যোগ্য নেতৃত্বে মাত্র তিন বছরের মধ্যে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক অবস্থা ঘুরে দাড়িয়েছিলো।
তিনি আরো বলেন, বর্তমানে তাঁরই সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এখন বিশ্বের দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে। যারা এক সময় বাংলাদেশকে তলা বিহীন ঝুড়ি বলেছিল তারাই এখন বাংলাদেশকে উন্নত দেশের রোল মডেল হিসেবে স্বীকৃতি দিতে বাধ্য হয়েছে। ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ বিশ্বে আধুনিক উন্নত দেশে পরিণত হবে। এসবই সম্ভব হয়েছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বের কারণে।
গতকাল সোমবার বিকালে মহানগর শ্রমিকলীগ কার্যালয়ে বঙ্গবন্ধু স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে মহানগর যুব শ্রমিক লীগের উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহানগর আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মো. মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ। মহানগর যুব লীগের সভাপতি মো. আজিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সঞ্জয় কর্মকারের পরিচালনায় উপস্থিত ছিলেন মহানগর শ্রমিক লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. মোতালেব মিয়া, সাধারণ সম্পাদক রনজিত কুৃমার ঘোষ, মল্লিক নওশের আলী, আব্দুর রহিম খান, মো. জয়নাল আবেদিন, শরিফ মোর্ত্তজা আলী, মো. আনিছ, মো. নুর ইসলাম, প্রশান্ত কুমার ঘোষ, বায়োজিদ সরদার, বিপ্লব কুমার রায়, মোস্তাফিজুর রহমান, মো. রেজাউল করিম, খোকন শীল কুট্টি, কুতুব রহমান, মো. মারুফ হোসেন, আইনুল ইসলাম, মিজানুর রহমান, অসীম কুমার পাল, প্রবীর কুমার পাল, আব্দুর রহিম, লোকমান হোসেন, প্রমূখ।
সেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল এমপি‘র পক্ষে শীতবস্ত্র বিতরণ
খবর বিজ্ঞপ্তি
নগরীর নিউমার্কেট ও শহীদ হাদিস পার্কে খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য সেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল এমপি‘র পক্ষে ১৬, ১৭, ১৮, ২১, ২২ ও ২৩নং ওয়ার্ডের দুঃস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়। গতকাল সোমবার দুপুরে বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন যথাক্রমে সদর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি এ্যাড. মো. সাইফুল ইসলাম ও সোনাডাঙ্গা থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বুলু বিশ্বাস। এসময়ে উপস্থিত ছিলেন মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা অধ্যক্ষ শহিদুল হক মিন্টু, শেখ ফারুক হাসান হিটলু, কাউন্সিলর ফকির মো. সাইফুল ইসলাম, তসলিম আহমেদ আশা, কাউন্সিলর হাফিজুর রহমান হাফিজ, কাউন্সিলর আনিছুর রহমান বিশ্বাষ, মো. সফিকুর রহমান পলাশ, শেখ আবু হানিফ, এম এ নাসিম, শেখ শাহজালাল হোসেন সুজন, কাউন্সিলর কণিকা সাহা, কাউন্সিলর আমেনা হালিম বেবী, নুর ইসলাম, শেখ জাহিদ হাসান, শেখ আবিদ উল্লাহ, চৌধুরী মিনহাজ উজ জামান সজল, ইউসুফ আলী খান, এমরানুল হক বাবু, মো. জাকির হোসেন, কাজী কামাল হোসেন, রোজী ইসলাম নদী, মো. আইয়ুব আলী খান, বিপ্লব সাহা লব, মো. শহিদুল হাসান, মো. আশরাফ আলী হাওলাদার শিপন সহ ওয়ার্ডের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে খুলনা-২ আসনের ০৬ টি ওয়ার্ডের ১২০০ জন দুঃস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র হিসেবে কম্বল বিতরণ করা হয়।
বসতঘরে গলায় ফাঁস দিয়ে স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যা
কুমারখালী (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি
কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলায় বসতঘরে গলায় ফাঁস দিয়ে এক স্কুলছাত্রী আত্মহত্যা করেছে। সোমবার ভোরে উপজেলার যদুবয়রা ইউনিয়নের কেশবপুর গ্রামে নানাবাড়ির বসতঘরে আড়ার সঙ্গে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দেয় ওই ছাত্রী। নিহত স্কুলছাত্রীর নাম মাকছুমা খাতুন (১৬)। তিনি কুষ্টিয়া সদরের উজানগ্রাম ইউনিয়নের দুর্বাচারা গ্রামের মোকাদ্দেস শেখের মেয়ে। সে কুমারখালীতে নানাবাড়িতে থাকত এবং যদুবয়রা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণিতে পড়ত।
মৃতের খালা ফারজানা ইয়াসমিন জানান, মাকছুমার মা মারা যাওয়ার পর থেকে সে তার নানাবাড়ি কেশবপুরে বসবাস করত। গত এক মাস আগে মাকছুমা স্ট্রোক করেছিলেন। তার চিকিৎসা চলছিল।
সোমবার সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত সে তার বসতঘরের দরজা না খুললে বাড়ির লোকজন ডাকাডাকি করেন। এর একপর্যায়ে দরজা ভেঙে ঘরের আড়ার সঙ্গে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে কুমারখালী থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে পাঠায়।
এ ব্যাপারে কুমারখালী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আকিবুল ইসলাম জানান, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে কুমারখালী থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।
ডুমুরিয়ায় একই স্থানে বিএনপি গণসমাবেশ ও ছাত্রলীগের সমাবেশের ডাক
স্টাফ রিপোর্টার
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বিদেশে সুচিকিৎসার দাবিতে আগামী বুধবার খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার স্বাধীনতা চত্বরে গণসমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে। তবে পুলিশের কাছ থেকে সোমবার দুপুর পর্যন্ত এর অনুমতি পায়নি খুলনা জেলা বিএনপি।
সোমবার দুপুরে খুলনা বিএনপি কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আমির এজাজ খান। তিনি অভিযোগ করেন, বুধবার ডুমুরিয়ায় বিএনপির গণসমাবেশ কর্মসূচি বানচালে পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। অন্তত এক সপ্তাহ আগে থেকে প্রস্তুতি নেওয়া এ কর্মসূচি বাধাগ্রস্ত করতে পুলিশের ইন্ধনে ছাত্রলীগ-যুবলীগ ওই একই দিনে একই স্থানে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালনের জন্য আবেদন করেছে।
গত রোববার ডুমুরিয়া থানার ওসি বিএনপিকে কর্মসূচি পালন করতে দেওয়া হবে না জানিয়ে বলেন, ‘রাত থেকেই টের পাবেন এখানে কী ঘটে।’ পরে রোববার সারারাত পুরো থানা এলাকার বিএনপি নেতাকর্মীদের বাড়িতে বাড়িতে পুলিশের চিরুনি অভিযান চলেছে।
আমির এজাজ খান বলেন, ‘কেন্দ্র থেকে মহানগর ও জেলা সদরের বাইরে উপজেলা পর্যায়ে সমাবেশ আয়োজনের নির্দেশনা এলে দলীয় ফোরামে আলোচনায় আমরা ডুমুরিয়ায় কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত নিই। ৬ জানুয়ারি পুলিশ সুপারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে কর্মসূচি সম্পর্কে অবহিত করে প্রশাসনের সহায়তা চাই। তিনি সার্বিক সহায়তার আশ্বাস দেন। এরপর ডুমুরিয়া উপজেলা সদরের স্বাধীনতা চত্বর মাঠ ব্যবহারের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর এবং মাইক ব্যবহার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য থানার ওসি বরাবর লিখিত আবেদন করি। প্রাথমিকভাবে তাদের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া মিললেও হঠাৎ পরিস্থিতি পাল্টে যায়। জানতে পারি, ছাত্রলীগ-যুবলীগ একই দিনে একই স্থানে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালন করবে বলে থানায় দরখাস্ত করেছে।’
এরপর বিএনপির শীর্ষ নেতারা ওসির সঙ্গে দেখা করতে গেলে তার আচরণ পাল্টে যায় এবং কোনোমতেই ডুমুরিয়ায় বিএনপিকে সমাবেশ করতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়ে দেন।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, ‘জীবনের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও আমরা সমাবেশ সফল করব।’ সমাবেশে প্রধান অতিথি থাকবেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান ও বিশেষ অতিথি থাকবেন চেয়ারপারসনের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য মশিউর রহমান।
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি নেতারা প্রশ্ন রাখেন, স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস ১০ তারিখ। কেন সেটিকে ১২ তারিখে পালন করতে হবে? দেশে কি আর কোথাও জায়গা নেই? ডুমুরিয়ায় এক সপ্তাহ আগে বিএনপির নির্ধারিত ভেন্যুতেই কেন তাদের কর্মসূচি দিতে হবে?
সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য শেখ মুজিবর রহমান, মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব শফিকুল আলম তুহিন, জেলা সদস্য সচিব মনিরুল হাসান বাপ্পী, মহানগর সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক তরিকুল ইসলাম জহির ও জেলা সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আবু হোসেন বাবু।
এদিকে সংবাদ সম্মেলন শেষে জেলা ও মহানগর বিএনপি নেতারা গণসমাবেশ কর্মসূচি সফল করতে মহানগরী এলাকায় লিফলেট বিতরণ করেন। থানার মোড় থেকে কর্মসূচি শুরু হয়ে পিকচার প্যালেস, বড় বাজার, হেলাতলা, কে ডি ঘোষ রোড, নগর ভবন, কেসিসি মার্কেট ও আদালত এলাকায় লিফলেট বিতরণ করা হয়।
এ ব্যাপারে ডুমুরিয়া থানার ওসি মো. ওবায়দুর রহমান বলেন, ছাত্রলীগ-যুবলীগ বুধবার অনুষ্ঠান করার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে আবেদন করেছে। এর অনুলিপি তারা থানায় দিয়েছে। তবে বিএনপির পক্ষ থেকে কোনো আবেদন করা হয়নি। কাউকে এখনও সেখানে সমাবেশ করার অনুমতি দেওয়া হয়নি।
ব্যবসায়ীর মরদেহ মিলল মাঠে, পরিবারের দাবি হত্যা
মেহেরপুর প্রতিনিধি
মেহেরপুরে তোফাজ্জেল হোসেন বিশ্বাস (৪৫) নামে এক ছাগল ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার দুপুরে সদর উপজেলার হরিরামপুর গ্রামের উত্তর মাঠ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। মারা যাওয়া তোফাজ্জল হোসেন একই গ্রামের বক্স বিশ্বাসের ছেলে।
তোফাজ্জেল হোসেনের স্ত্রী মনিতাজ খাতুন জানান, রোববার সন্ধ্যায় ব্যক্তিগত কাজে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফেরেননি তার স্বামী। রাতে বিভিন্ন যায়গায় খোঁজ করেও তার সন্ধান পাননি তারা। দুপুরে কৃষকরা মাঠে গিয়ে লাশ দেখতে পেয়ে বাড়িতে খবর দেয়। পরে তারা গিয়ে মাঠে স্বামীর লাশ পড়ে থাকতে দেখেন। পরে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে।
মনিতাজ খাতুনের দাবি, তার স্বামীকে টিপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। তবে কি কারণে ও কারা তোফাজ্জেলকে হত্যা করেছে তা নিশ্চিত করে বলতে পারেননি তিনি।
মেহেরপুর সদর থানার ওসি মো. শাহ দ্বারা খাঁন জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও জানান, পুলিশের ধারণা, কারো ব্যাক্তিগত কোন আক্রোশ বা রাগ থেকে তোফাজ্জল হোসেন বিশ্বাসকে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে। হত্যাকারীদের ধরতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।
খুলনা জেলা-মহানগর যুবলীগের শীর্ষ দুই পদে ১৯ প্রার্থী
স্টাফ রিপোর্টার
আগামী ২২ জানুয়ারি খুলনা মহানগর ও জেলা যুবলীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। সম্মেলনে মহানগরে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে একজন করে জীবনবৃত্তান্ত জমা দিয়েছেন। জেলায় সভাপতি পদে ছয় জন ও সাধারণ সম্পাদক পদে ১১ জন জীবনবৃত্তান্ত জমা দিয়েছেন।
যুবলীগের কেন্দ্রীয় উপ-দফতর সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন শাহাজাদা এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আগামী ২২ জানুয়ারি খুলনা মহানগর ও জেলা যুবলীগের সম্মেলনের লক্ষ্যে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদপ্রত্যাশীদের জীবনবৃত্তান্ত চাওয়া হয়। সে লক্ষ্যে পদপ্রত্যাশীরা জীবনবৃত্তান্ত জমা দিয়েছেন। খুলনা মহানগর যুবলীগে সভাপতি পদে জীবনবৃত্তান্ত দিয়েছেন সফিকুর রহমান পলাশ ও সাধারণ সম্পাদক পদে জীবনবৃত্তান্ত জমা দিয়েছেন শেখ শাহজালাল হোসেন সুজন।
দেলোয়ার হোসেন শাহাজাদা বলেন, খুলনা জেলা যুবলীগের সভাপতি পদে জীবনবৃত্তান্ত জমা দেওয়া ছয় জন হলেন অজিত বিশ্বাস, সরদার জাকির হোসেন, জসিম উদ্দিন বাবু, আরাফাত হোসেন পল্টু, চৌধুরী রায়হান ফরিদ ও হাদীউজ্জামান হাদী।
এ ছাড়া জেলায় সাধারণ সম্পাদক পদে জীবনবৃত্তান্ত জমা দেওয়া ১১ জন হলেন এবিএম কামরুজ্জামান, আব্দুল্লাহ আল মামুন, মো. পারভেজ হাওলাদার, মো. মুশফিকুর রহমান সাগর, তসলিম হুসাইন তাজ, দেব দুলাল বাড়ই বাপ্পী, মো. আবু সাঈদুজ্জামান, মাহফুজুর রহমান সাগর, জলিল তালুকদার, মো. কামরুজ্জামান মোল্লা ও হারুন উর রশিদ।
যুবলীগের খুলনা মহানগর ও জেলা শাখার আগামী সম্মেলনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক প্রার্থীদের জীবনবৃত্তান্ত কেন্দ্রে জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ছিল ছয় জানুয়ারি।
মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক সফিকুর রহমান পলাশ বলেন, ২২ জানুয়ারি সুষ্ঠুভাবে সম্মেলন সফল করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। সম্মেলন ঘিরে নগরীতে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর সফিকুরর রহমান পলাশকে আহ্বায়ক ও শেখ শাহাজালাল হোসেন সুজনকে যুগ্ম আহ্বায়ক করে ২৫ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। সর্বশেষ ২০২১ সালের ১ এপ্রিল বিশেষ সাধারণ সভায় ২০২২ সালের ২২ জানুয়ারি সম্মেলনের ঘোষণা করা হয়।
অপরদিকে, ২০০৩ সালের ২৫ মে জেলা যুবলীগের সর্বশেষ ত্রিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে কামরুজ্জামান জামাল সভাপতি ও আক্তারুজ্জামান বাবু সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। পাঁচ-ছয় মাস পর ৭১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়। দীর্ঘদিন সম্মেলন বা কাউন্সিল না হওয়ায় জেলা যুবলীগের বর্তমান সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড ছিল স্থবির। নয় উপজেলা ও ৬৮টি ইউনিয়ন কমিটির মেয়াদোত্তীর্ণ হয়েছে আগেই। ২০১৫ সালের ১৫ নভেম্বর যুবলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান জামাল ও আক্তারুজ্জামান বাবু জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হন। এরপর সম্মেলনে তারা জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হন। আক্তারুজ্জামান বাবু বর্তমানে খুলনা-৬ আসনের সংসদ সদস্য।











































