ডুমুরিয়া প্রতিনিধি||
ডুমুরিয়ায় সাহস ইউনিয়নে নব-নির্বাচিত ইউপি সদস্যসহ ৯ জনকে জখমের ঘটনায় চেয়ারম্যান সহ ২০ জনকে এজাহার নামীয় আসামী করে থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। আহত ইউপি সদস্য সরদার সিরাজুল ইসলামের ভাই আতাউর রহমান বাদি হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। এ মামলায় ৯ আসামীকে আটক করে জেল-হাজতে প্রেরন করেছে পুলিশ। এদিকে পরাজিত প্রার্থীদের প্রতিহিংসার তান্ডবে বিজয়ী প্রার্থীদের অনেক নেতাকর্মী মারমিট ও মিথ্যা মামলার ভয়ে আতংকে রয়েছে বলে জানান ওই ইউপি সদস্য ও নব-নির্বাচিত চেয়ারম্যান। মামলার বিবরনী সূত্রে জানা যায়, ঘটনার দিন গত শুক্রবার সকালে সাহস ইউনিয়নে ১নং ওয়ার্ডে ফুটবল প্রতীক নিয়ে সিরাজ সরদার ও তালা প্রতীক নিয়ে তার আপন চাচাতো ভাই শহিদুল ইসলাম প্রতিদ্বন্ধিতা করেন। নির্বাচনের পরদিন বিজয়ী সদস্য সিরাজ সরদার কর্মী সমর্থক নিয়ে ভোটারদের বাড়ি বাড়ি যাওয়ার উদ্দেশ্যে বের হয়। এসময় পরিকল্পিত ভাবে পরাজিত প্রার্থী শহিদুল ইসলাম চেয়ারম্যান শেখ জয়নাল আবেদীনের হুকুমে চাইনিজ কুড়াল,দা,লাঠিসোটা হাতে থাকা ২০/২৫ জনের একটি বাহিনী নিয়ে তাদের উপর হামলা চালায়। এতে সদ্য নির্বাচিত ইউপি সদস্য সরদার সিরাজুল ইসলাম(৪৫), আলমগীর সরদার(৩৫), আজাহারুল সরদার(৪৫), জামিনুল সরদার(৩৮), আলী আহম্মদ গাজী(৪০), আব্দুল আজিজ শেখ(৬০), পঞ্চানন দাস(৫৫) ও সুভাষ দাস (৩৪) রক্তাক্ত জখম হয়। এ ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় ৯ আসামীকে আটক করে পুলিশ। এরপরও থেমে নেই নির্বাচনোত্তর সহিংসতা,পুলিশী কড়া নজরদারী রয়েছে এমনটি উল্লেখ করে নব-নির্বাচিত চেয়ারম্যান মোল্যা মাহবুবুর রহমান বলেন, ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় পরাজিত প্রার্থীদের কর্মী সমর্থকরা উচ্ছৃংখল ও মারমুখী আচরন করছে। এছাড়া নিজেরাই গা-হাত-পা কেটে,আবার নিজেদের ঘরে আগুন দিয়ে অন্যের উপর দোষ চাপানো ও মিথ্যা মামলার ফন্দি এটে বেড়াচ্ছে। এ প্রসঙ্গে থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ ওবাইদুর রহমান বলেন, নির্বাচনোত্তর সহিংসতা এড়াতে নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান ও মেম্বরদের সাথে মতবিনিময় এবং বিভিন্ন ইউনিয়নে পুলিশিং টহল অব্যাহত রয়েছে। কোন অবস্থায় সহিংসতা ঘটাতে দেয়া হবে না।









































