ঢাকা অফিস ।।
নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরীকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি-উত্তর) যুগ্ম-কমিশনার হারুন-অর-রশিদ।
শুক্রবার (৬ আগস্ট) রাতে ডিবি কার্যালয়ের বাইরে উপস্থিত সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।
হারুন-অর-রশিদ বলেন, চয়নিকাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে আসা হয়েছিল। জিজ্ঞাসাবাদ এখনো চলছে। শেষ হলে তাকে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হবে। পরে আবারও জিজ্ঞাসাবাদ করার প্রয়োজন হলে তাকে ডেকে নেওয়া হবে।
এর আগে শুক্রবার সন্ধ্যায় আটক হওয়ার আধা ঘণ্টা আগে সময় টেলিভিশনের ফেসবুক লাইভে এসেছিলেন নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরী। সেখানে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন। পরীমনি আটক হওয়ার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় তাকে নিয়ে আলোচনা-সমালোচনারও জবাব দিয়েছেন চয়নিকা। অনুষ্ঠান শেষে অফিস থেকে বের হয়ে পান্থপথ সিগনালে গেলেই তাকে আটক করে ডিবি পুলিশ। পরে তাকে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়।
নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরী ফেসবুক লাইভে বলেন, পরীমনিকে আটকের পর তিনি সাইবার বুলিংয়ের শিকার হচ্ছেন। যা তাকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করেছে। পরীমনিকে মেয়ের মতো ভালোবাসলেও তার ব্যক্তিগত বিষয়ে জানেন না বলেও জানান তিনি।
এক প্রশ্নের জবাবে চয়নিকা বলেন, পরীমনিকে তিনি চেনেন না এমন কথা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে সাইবার বুলিং হচ্ছে, তা কোনোভাবেই যৌক্তিক নয়। পরীকে তিনি মেয়ের মতো এখনও ভালোবাসেন।
এ প্রসঙ্গে চয়নিকা বলেন, কাজ করতে গিয়ে আমি বুঝেছি পরী অনেক ট্যালেন্টেড একটা মেয়ে। সে অনেক ভালোবাসার কাঙ্গাল। অনেক মিষ্টি সে।
পরীকে ভালোবাসলেও সে কোথায় যায়, কী করে এ সমস্ত বিষয় তিনি জানাতেন না বলেও দাবি করেন।
তিনি বলেন, আমি তো যেতে পারিনি। তাহলে আপনারাই যান? আপনারাই জানার চেষ্টা করুন। আমি একাই কি পরীকে চিনি? আমি একাই কি পরীকে দিয়ে ছবি বানিয়েছি?
সাইবার বুলিংয়ের কারণে সামাজিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলেও এসময় জানান চয়নিকা চৌধুরী।
সময় সংবাদকে তিনি আরও বলেন, আমি ব্যক্তিগতভাবে অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি। যদিও ফিট আছি। তবে আমারও খারাপ লাগছে, কষ্ট হচ্ছে। চোখের পানি পড়ছে। কখনও মনে হচ্ছে সব এখনই ছেড়ে দেই। সবকিছুই বন্ধ করে বসে আছি।
চয়নিকা চৌধুরীর নির্মিতব্য ওয়েব ফিল্ম ‘অন্তরালে’ পরীমনিকে নিয়েই কাজ করতে চান তিনি। প্রয়োজনে অপেক্ষা করার কথাও জানান এই নির্মাতা।











































