Home আঞ্চলিক নগরীর প্যাথলজিতে হামলা ও ভাঙচুরের নাটক সাজিয়েছেন ডা. মাহবুবুর রহমান!

নগরীর প্যাথলজিতে হামলা ও ভাঙচুরের নাটক সাজিয়েছেন ডা. মাহবুবুর রহমান!

90


স্টাফ রিপোর্টার।।
খুলনা মহানগরীর শামসুর রহমান রোডস্থ আব্দুল্লাহ প্যাথলজিতে রোগীর পরীক্ষার নমুনা ফেরত দিতে অনৈতিক সুবিধা দাবি এবং টালবাহানা করার অভিযোগ উঠেছে। নমুনা ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে অতিরিক্ত টাকা দাবি এবং আসল ঘটনা ধামাচাপা দিতে প্যাথলজির মালিক ডা. মাহবুবুর রহমান নিজেই নাটকীয় হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা সাজিয়েছেন বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা।


গত মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সন্ধ্যায় প্রতিষ্ঠানটিতে হামলা ও ভাঙচুরের কোনো প্রকৃত ঘটনা ঘটেনি বলে জানান স্থানীয়রা। এমনকি প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবির যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লোকমান হোসেন।


ওসি লোকমান হোসেন জানান, ঘটনাটি মূলত একজন রোগীকে কেন্দ্র করে সৃষ্টি হওয়া বিরোধের জেরে ঘটেছে। ভুক্তভোগীদের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে ওই প্যাথলজিতে ক্যান্সারের একটি পরীক্ষা করানো হয়। পরবর্তীতে রোগীকে নিয়ে ঢাকার জাতীয় ক্যান্সার ইনস্টিটিউটে গেলে সেখানকার চিকিৎসকরা পরীক্ষার নমুনাটি সঙ্গে নিয়ে যেতে বলেন। কিন্তু ভুক্তভোগীরা নমুনা সংগ্রহ করতে গেলে প্যাথলজি কর্তৃপক্ষ টালবাহানা শুরু করে এবং অতিরিক্ত টাকা দাবি করে। মূলত ৭২ ঘণ্টা সময় চাওয়ার বিষয়টি ছিল তাদের একটি কৌশল মাত্র। পরবর্তীতে পরীক্ষার রিপোর্ট বা নমুনা দিতে অনৈতিক সুবিধা আদায় করতে না পেরে স্থানীয়দের সঙ্গে প্যাথলজি কর্তৃপক্ষের ভুল-বোঝাবুঝি ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়, যা পরে স্থানীয়ভাবে মীমাংসা হয়ে যায়।


এদিকে ঘটনার দিন প্রতিষ্ঠানটির ডাক্তারের স্ত্রী ও একজন কর্মচারী দাবি করেছিলেন যে, সন্ধ্যায় কয়েকজন ব্যক্তি প্রতিষ্ঠানে প্রবেশ করে ভাঙচুর চালিয়েছেন এবং ডাক্তারকে মারধর করতে গেলে তারা বাধা দেন। এ সময় তাঁকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়া হয় এবং ঠোঁটে আঘাত লাগে বলে দাবি করা হয়। এছাড়া ডাক্তারের স্ত্রীর মুখে ইট দিয়ে আঘাত করা হয়েছে বলেও প্রচার করা হয়; কিন্তু বাস্তবে এর কোনো প্রমাণ বা শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি। এমনকি ভাঙচুরের কোন নমুনও পাওয়া যায়নি। স্থানীয় অনেকেই জানান, প্যাথলজি কর্তৃপক্ষের ভুল ও অনিয়মের বিরুদ্ধে কথা বলায় এখন চাঁদাবাজির মিথ্যা অভিযোগ তুলে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করার চেষ্টা চালাচ্ছেন ডা. মাহবুবুর রহমান।