স্পোর্টস ডেস্ক।।
ব্যালন ডি’অরের এবারের লড়াইয়ে লামিন ইয়ামালকে অন্যতম ফেভারিট মনে করেছিলেন অনেকেই। স্পেনের হয়ে বিশ্বকাপ জয়ের পাশাপাশি বার্সেলোনার জার্সিতেও দারুণ সাফল্য পেয়েছেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড।
তবে শেষ পর্যন্ত গোল্ডেন বল জেতা হয়নি তার। ভোটের লড়াইয়ে তৃতীয় হয়েছেন ইয়ামাল, পেছনে পড়েছেন দ্বিতীয় হওয়া কিলিয়ান এমবাপ্পের।
এই ফল কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না ইয়ামালের বাবা মুনির নাসরাউই। স্পেনের ভোটিং প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে তার অভিযোগ, রিয়াল মাদ্রিদের সাদা জার্সির প্রতি পক্ষপাতিত্বের কারণেই এমবাপ্পে বাড়তি সুবিধা পেয়েছেন।
সাংবাদিক জোতা জর্দির সঙ্গে এক আলাপচারিতায় এমবাপ্পেকে ভোট দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন নাসরাউই। ফ্রান্স ফুটবল ম্যাগাজিনের স্পেন প্রতিনিধি এবং স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম এএসের পরিচালক হোসে ফেলিক্স দিয়াজ নিজের ভোটে এমবাপ্পেকে প্রথম স্থানে রেখেছিলেন। শেষ পর্যন্ত সামগ্রিক ভোটেও দ্বিতীয় হন ফরাসি তারকা।
দিয়াজের ভোট নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন তোলেন ইয়ামালের বাবা। তিনি বলেন, ‘এমবাপ্পেকে যারা ভোট দিয়েছেন, তাদের একজনকে আমি পর্দায় দেখতে চাই। তার সঙ্গে কথা বলতে চাই। আর তোমার সঙ্গেও কথা বলতে চাই, বন্ধু—তুমি তো এমবাপ্পের ভক্ত।’
এরপর স্পেনের ফুটবল সংস্কৃতি এবং রিয়াল মাদ্রিদের প্রতি পক্ষপাতের অভিযোগ তুলে আরও ক্ষোভ ঝাড়েন নাসরাউই। তার ভাষায়, ‘এমন ঘটনা শুধু স্পেনেই ঘটে। বিশ্বের সেরা খেলোয়াড় যদি রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে খেলে, তাহলে জাতীয় দলের জন্য ভোট দিন! আমি বলছি না, পুরস্কারটি শুধু একজন খেলোয়াড়ের জন্য, দলের জন্য নয়। আমরা তো একবিংশ শতাব্দীতে আছি।’
বিভিন্ন দেশের ভোটের চিত্রও আলোচনায় এনেছেন ইয়ামালের বাবা। আর্জেন্টিনা ভোট দিয়েছে লিওনেল মেসিকে, ফ্রান্সের ভোট পেয়েছেন এমবাপ্পে, ইংল্যান্ডের পছন্দ ছিলেন হ্যারি কেইন। অন্যদিকে জর্জিয়া ভোট দিয়েছে তাদের তারকা খভিচা খাভারাস্খেলিয়াকে।
এমন পরিস্থিতিতে বিশ্বকাপজয়ী স্প্যানিশ তারকা ইয়ামাল নিজ দেশের ভোটে প্রত্যাশিত সমর্থন পাননি—এমন অভিযোগই তুলছেন তার বাবা। তবে ভোটের ফলাফল নিয়ে তার এই ক্ষোভ নতুন করে ব্যালন ডি’অরের ভোটিং প্রক্রিয়া এবং জাতীয় পরিচয়ের প্রভাব নিয়ে বিতর্ক উসকে দিয়েছে।











































