খবর বিজ্ঞপ্তি।।
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ঘরোয়া ক্রিকেটের ঐতিহ্যবাহী ও বড় আসর ঘিরে পুনরায় প্রাণচাঞ্চল্য ও নতুন উদ্দীপনা ফিরে এসেছে খুলনা বিভাগীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। আজ শনিবার (৩ অক্টোবর) থেকে পর্দা উঠতে যাওয়া ২৮তম জাতীয় ক্রিকেট লিগের (এনসিএল) ম্যাচ আয়োজনের শেষ মুহূর্তের সার্বিক প্রস্তুতি ও ভেন্যুর সক্ষমতা সরজমিনে খতিয়ে দেখতে খুলনা স্টেডিয়াম পরিদর্শন করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) একটি প্রতিনিধি দল।
শুক্রবার বিকেলে বিসিবি পরিচালক, নারী উইংয়ের ভাইস চেয়ারম্যান ও খুলনা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. শফিকুল আলম তুহিনের নেতৃত্বে টেকনিক্যাল টিমটি খুলনা বিভাগীয় স্টেডিয়ামের সার্বিক অবস্থা পর্যালোচনা করে। এ সময় বিসিবি পরিচালক ও গ্রাউন্ডস কমিটির চেয়ারম্যান শানিয়ান তানিম নাভীন এবং বিসিবি পরিচালক শান্তনু ইসলামসহ আঞ্চলিক দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পরিদর্শকরা স্টেডিয়ামের মূল মাঠ, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, পিচ ও উইকেট, মিডিয়া বঙ্, ইনডোর প্র্যাকটিস গ্রাউন্ড এবং খেলোয়াড়দের ড্রেসিং রুমসহ বিভিন্ন অবকাঠামো ঘুরে দেখেন।
পরিদর্শন শেষে বিসিবি পরিচালক মো. শফিকুল আলম তুহিন জানান, “এনসিএলের ম্যাচ আয়োজনের সার্বিক প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে। দীর্ঘদিন পর খুলনায় জাতীয় পর্যায়ের ক্রিকেট ফেরানো হচ্ছে। খেলোয়াড়, ম্যাচ অফিসিয়াল ও গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে বিসিবি থেকে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।” ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, ৩ অক্টোবর থেকে দেশের আটটি বিভাগীয় দল নিয়ে শুরু হচ্ছে চার দিনের এই ক্রিকেট মহাযজ্ঞ। প্রথম রাউন্ডেই ঐতিহ্যবাহী খুলনা বিভাগীয় স্টেডিয়ামে স্বাগতিক খুলনা বিভাগের মুখোমুখি হবে বরিশাল বিভাগ। পুরো টুর্নামেন্টে প্রতিটি দল মোট সাতটি করে ম্যাচ খেলবে এবং আগামী ১৭ নভেম্বর টুর্নামেন্টের পর্দা নামবে। কেবল এনসিএল নয়, আগামী ডিসেম্বর থেকে শুরু হতে যাওয়া ‘ডি-থ্রি’ টুর্নামেন্টের ম্যাচগুলোও খুলনা বিভাগীয় স্টেডিয়ামে আয়োজনের জোরালো সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।
বিসিবি টিমের এই পরিদর্শনের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল এনসিএল সফলভাবে সম্পন্ন করার পাশাপাশি ডি-থ্রি ও ভবিষ্যতে বিসিবির পরিকল্পিত বড় পরিসরের ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি আসরের ভেন্যু হিসেবে খুলনার সক্ষমতা যাচাই করা। যদিও ভেন্যুর কিছু সংস্কার কাজ এখনও চলমান রয়েছে, তবুও এনসিএলের এই ম্যাচ শুরুর মধ্য দিয়ে খুলনায় আবারও নিয়মিত জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানের ক্রিকেট ফেরানোর দুয়ার উন্মুক্ত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন স্থানীয় ক্রীড়ামোদী ও আয়োজকরা।










































