স্টাফ রিপোর্টার।।
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের প্রাক্-নির্বাচনী পরীক্ষার উত্তরপত্র ফাঁসের অভিযোগে তিনজনকে ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁদের প্রত্যেককে ৫ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ মামলার অপর এক আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে খুলনার সাইবার ট্রাইব্যুনাল আদালতের (সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক অরুণাভ চক্রবর্তী এ রায় ঘোষণা করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ওই আদালতের বেঞ্চ সহকারী গোপাল চন্দ্র পাল।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, সদর থানাধীন ইস্পাহানি গলির সাখাওয়াত হোসেনের স্ত্রী রেশমা খাতুন, মুন্সিপাড়া দ্বিতীয় লেনের বেলালুজ্জামানের স্ত্রী ফেরদৌসী আফরোজ এবং শেখপাড়া মেইন রোডে হাজি আলাউদ্দিনের ছেলে মো. আবুল হাসান।
খালাসপ্রাপ্ত আসামির নাম মাহবুবুর রহমান। তিনি গোপালগঞ্জের কাশিয়ানি উপজেলার গোপালপুর গ্রামের বাসিন্দা।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের ১৬ আগস্ট প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের প্রাক্-নির্বাচনী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। সেই পরীক্ষার উত্তরপত্র টাকার বিনিময়ে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে পরীক্ষার্থীদের কাছে পাঠানোর কথা বলে একটি প্রতারকচক্র খুলনায় অবস্থান করছে—এমন খবর পায় পুলিশ। পরে সাদা পোশাকে পুলিশের একটি দল হোটেল রয়্যাল মোড়সহ আশপাশের এলাকায় নজরদারি শুরু করে।
পরের দিন ১৭ আগস্ট সন্ধ্যায় তাঁরা জানতে পারেন, প্রতারকচক্রটি সদর থানার ইস্পাহানি লেনের একটি বাড়ির চতুর্থ তলায় অবস্থান করছে। এরপর অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশের কাছে তাঁরা প্রতারণার বিষয়টি স্বীকার করেন।
এ ঘটনায় সদর থানায় গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উপপরিদর্শক বাহাউদ্দিন মোল্লা বাদী হয়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনে একটি মামলা করেন। পরে আটক চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে একটি অভিযোগপত্র দাখিল করেন।









































