বেনাপোল প্রতিনিধি।।
পবিত্র ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে যশোর ৪৯ ও খুলনার ২১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের আওতাধীন বেনাপোল ও শার্শার বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে চোরাচালান, পুশইন এবং কোরবানির পশুর চামড়া পাচার প্রতিরোধে সীমান্তজুড়ে বিজিবির টহল ও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে এবং বিজিবি সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
বৃহস্প্রতিবার (২৮ মে) যশোর ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের কমান্ডিং অফিসার লে. কর্ণেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান ও খুলনা ২১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের কমান্ডিং অফিসার লে. কর্ণেল নাফিজ ইমতিয়াজ আহসান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
কমান্ডিং অফিসার বলেন, প্রতি বছর ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশের চাহিদা অনুযায়ী পর্যাপ্ত পরিমাণ পশু কোরবানি করা হয়ে থাকে। কোরবানি পরবর্তী সময়ে যেকোন পশুর চামড়া যাতে সীমান্ত দিয়ে ভারতে পাচার হয়ে যেতে না পারে, সেজন্য এবারও সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে আমাদের বিজিবি সদস্যরা। এ ব্যাপারে স্থানীয় জনগনের সতর্কতার থাকার জন্য সীমান্ত এলাকায় মাইকিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে তারা জানান।
এছাড়াও সীমান্তে সব ধরনের অপরাধ সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আমরা বিএসএফের সঙ্গে দফায় দফায় সীমান্ত সম্মেলন করছি। পুশইন, চামড়া পাচাররোধ, মাদক ও চোরাচালান বন্ধে বিজিবি সতর্ক অবস্থানে রয়েছি। সীমান্তের সব ধরনের অপরাধ দমনে টহল ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে বলে জানান ২১ ও ৪৯ বিজিবির এই দুই কর্মকর্তা।
প্রসঙ্গত, ঈদকে ঘিরে ভারতে চামড়া পাচার ঠেকাতে যশোরের বিভিন্ন সীমান্ত পথে ব্যাপক সতর্ক অবস্থান নিয়েছে বিজিবি। বিশেষ করে বেনাপোল ও শার্শা সীমান্তের ১০২ কিলোমিটার সীমান্তের কাশিপুর, শালকোনা, শিকারপুর, ধান্যখোলা, রঘুনাথপুর, বেনাপোলের পুটখালি, দৌলতপুর, সাদিপুর, ঘিবা, গোগা, রুদ্রপুর, অগ্রভুলোট, পাঁচভুলোট ও দাদখালি সীমান্তকে চামড়া পাচারের পথ হিসেবে চিহ্নিত করে বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয়েছে।
চামড়া ব্যবসায়ীদের আশঙ্কার পরিপ্রেক্ষিতে চিহ্নিত এসব এলাকায় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর পাশাপাশি পুলিশও সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলে জানান যশোর ৪৯ ব্যাটালিয়নের কমান্ডিং অফিসার লে. কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল খান এবং ২১ বিজিবি ব্যাটলিয়নের কমান্ডিং অফিসার লে. কর্ণেল নাফিজ ইমতিয়াজ আহসান।











































