স্টাফ রিপোর্টার।।
খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়নের (কেইউজে) ১৮ জন সদস্যের সদস্যপদ বাতিল করা হয়েছে। শ্রম আদালতের আদেশ মোতাবেক মঙ্গলবার (২৬ মে) বেলা ১১টায় অনুষ্ঠিত সংগঠনের নির্বাহী কমিটির সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। গঠনতন্ত্র পরিপন্থী কর্মকাণ্ড ও সাংবাদিকতার বাইরে বিভিন্ন পেশায় সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে তাদের সদস্যপদ বাতিল করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
সদস্যপদ বাতিল হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন- ক্লিনিক ব্যবসা ও এনজিওতে কর্মরত থাকার অভিযোগে ফারুক আহমেদ, ওএমএস ডিলার হওয়ায় আসাদুজ্জামান খান রিয়াজ, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরিরত থাকায় জয়নাল ফরাজী, অনলাইন পত্রিকার মালিক ও আইনজীবী পেশায় জড়িত থাকায় বিমল সাহা, পত্রিকার মালিক হওয়ায় গৌরাঙ্গ নন্দী, সংবাদপত্র মালিকদের সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে মকবুল হোসেন মিন্টু, কলেজের অধ্যক্ষ পদে কর্মরত থাকায় আসিফ আলতাফ, কলেজে কর্মচারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করায় শেখ ইলিয়াস হোসেন,
কলেজ শিক্ষক হওয়ায় প্রদ্যুত কুমার ভট্ট, ডুমুরিয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি ও খুলনার বাইরে অবস্থান করায় এস এম জাহাঙ্গীর আলম, ইউপি সদস্য হওয়ায় এস এম ফরিদ রানা, এনজিওতে চাকরিরত থাকায় শেখ আব্দুল হালিম, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত থাকায় সাইদা আক্তার রিনি, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরিরত থাকায় মো. নাজমুল হাসান, পত্রিকার মালিক হওয়ায় শেখ তৌহিদুল ইসলাম তুহিন ও ড্যানিয়াল সুজিত বোস, কুয়েটে কর্মরত থাকায় মো. মনিরুজ্জামান সাগর এবং শিক্ষকতার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে মো. আবুল বাশার।
জানা গেছে, সাংবাদিক ইউনিয়নের সদস্য সুনীল দাশ এ বিষয়ে শ্রম আদালতে মামলা দায়ের করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অনেকে সাংবাদিকতার পাশাপাশি বিভিন্ন ব্যবসা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, এনজিও, রাজনৈতিক ও অন্যান্য পেশায় যুক্ত থাকায় তারা ইউনিয়নের সদস্যপদের যোগ্যতা হারিয়েছেন। আদালতের নির্দেশনার পর সংগঠনটি যাচাই-বাছাই শেষে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ জানান, সংগঠনের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সাংবাদিকতার সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত নন-এমন সদস্যদের বিষয়ে তদন্ত ও পর্যালোচনা শেষে সদস্যপদ বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এদিকে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে খুলনার সাংবাদিক মহলে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। কেউ কেউ এটিকে সংগঠনের শুদ্ধি অভিযান হিসেবে দেখছেন, আবার অনেকে সিদ্ধান্তের স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।











































