খবর বিজ্ঞপ্তি
বাঙালীর সংস্কৃতির মূল মন্ত্রই হলো শান্তি, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি। সম্প্রীতির বন্ধন অটুট রাখার দায়িত্ব আমাদের সবার। রাজনৈতিক মতভেদ থাকলেও উৎসবের আনন্দে সবাইকে মিলেমিশে অংশ নেওয়া উচিত। বিএনপি সবসময় জনগণের অধিকার রক্ষায় যেমন সোচ্চার থেকেছে, তেমনি সামাজিক সম্প্রীতি ও সহাবস্থানের রাজনীতিতেও অবিচল থেকেছে উল্লেখ করে মহানগর বিএনপি সাধারণ সম্পাদক ও খুলনা-২ আসনে ধানের শীষে মনোনয়ন প্রত্যাশী শফিকুল আলম তুহিন বলেন, শারদীয় দুর্গোৎসব বাঙালি সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। ধর্ম যার যার, বাংলাদেশ সবার-এই চেতনাই দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। শান্তিপূর্ণভাবে দুর্গাপূজা সম্পন্ন করতে সবাইকে আন্তরিক হতে হবে। বিএনপি সবসময় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির পক্ষে। রাজনৈতিক বিভেদ থাকলেও উৎসবের আনন্দ সবার মাঝে সমানভাবে ছড়িয়ে দিতে হবে।
শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টায় নগরীর ২৭নং ওয়ার্ডে শ্রীশ্রী শীতলামাতা ঠাকুরানী মন্দিরে শারদীয় দুর্গাপূজা উৎসব ও ৩দিন ব্যাপী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তুহিন বলেন, বাংলাদেশে হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান-সব সম্প্রদায়ের মানুষ যুগ যুগ ধরে সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ। বিএনপি সবসময়ই সম্প্রীতি রক্ষা ও ধর্মীয় স্বাধীনতার পক্ষে কাজ করেছে এবং ভবিষ্যতেও করবে। রাজনৈতিক বিভেদ যাই থাকুক, সামাজিক সম্প্রীতি নষ্ট করা যাবে না। বাংলাদেশের মানুষ চিরকালই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মধ্য দিয়ে বসবাস করেছে। হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সকলের মিলনেই গড়ে উঠেছে এই দেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য। বিএনপি সবসময় ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় বিশ্বাসী এবং প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বিএনপি নেতা শফিকুল আলম তুহিন আরো বলেন, বিগত ১৭ বছর আওয়ামী লীগ হিন্দু সম্প্রদায়ের বন্ধু সেজে তাদের ক্ষতি করেছে। সারাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়িঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে লুটপাট চালিয়ে আওয়ামী লীগ একক কর্তৃত্ব কায়েম করেছে। পতিত হাসিনা সরকার সনাতন ধর্মালম্বীদের নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করেছে। কিন্তু বিএনপি কখনো কাউকে ব্যবহার করেনি, বরং সব ধর্ম-বর্ণের মানুষের নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত করেছে এবং আগামীতেও করবে।
শ্রীশ্রী শীতলাবাড়ি মন্দির উদযাপন কমিটির সভাপতি শ্রী অভিজিৎ কুমার দাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন খুলনা মহানগর পূজা উদযাপন ফ্রন্ট এর সভাপতি ডা. প্রদীপ দেবনাথ, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট এর ট্রাস্টি ইঞ্জি. শ্রী সত্যানন্দ দত্ত, মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক বেগম রেহানা ঈসা, সদর থানা বিএনপির সভাপতি কে. এম. হুমায়ুন কবির, সুজিত সাহা, বিজয় কুমার ঘোষ, আব্দুল আজিজ সুমন, খায়রুজ্জামান সজিব, মাসুদুল হক হারুন, মেশকাত আলী, তপন কুমার ঘোষ, সুমন ঘোষ। শ্রী সন্তোষ দাসের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন নাসির উদ্দিন, মনিরুজ্জামান মনি, বায়েজিদ হোসেন, জামির হোসেন দিপু, সরোয়ার হোসেন, খান জিয়াউর রহমান আপন, নাসরিন হক শ্রাবণী, তামজিদ হোসেন মিশু প্রমুখ। পরে তিনি প্রদীপ প্রজ্বলন ও ফিতা কেটে শারদীয় দুর্গাপূজা উৎসব ও ৩দিন ব্যাপী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন।











































