সাতক্ষীরা প্রতিনিধি
শান্ত তালাকে অশান্ত করে তুলেছে নিজেকে যুবদল নেতা পরিচায়দানকারী ফারুক জোয়ার্দ্দার। গত ৫ ই আগস্টের পর থেকে উপজেলা জুড়ে চাঁদাবাজি,লুটতরাজ, জমি জবর দখলসহ নানান অপকর্ম লিপ্ত হয়ে তালা বাসীর শান্তির ঘুম হারাম করে দিয়েছে এই ফারুক জোয়ার্দ্দার।
‘তথ্য মতে, গত ৫ আগস্ট বিকালে সরকার পতনের সুযোগ কাজে লাগিয়ে নিজেকে যুবদল নেতা পরিচায়দানকারী ও আনিশা ক্লিনিকের মালিক ফারুক জোয়ার্দ্দার ক্লিনিকের সামনে থাকা মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আ.ক.ম সিরাজ উদ্দীনের ৪ টি আধা পাকা দোকান ঘরে থাকা নগত টাকা সহ ২০ লক্ষ টাকার মালামাল চোখের পলকে লুট করে নিয়ে আধাপাকা দোকান ঘর গুলো ভেঙ্গে ধুলিসাৎ করে দেন। এখনও দোকান ঘরের চিহ্ন হিসাবে ৪ টি আধাপাকা দোকানের পাকা ফ্লোর জ্বলন্ত সাক্ষী হয়ে আছে। ফ্লোর দেখে বুঝা যায় এখানে দোকান ঘর ছিল। ফারুক জোয়াদ্দারের আনিশা ক্লিনিকের সামনে দোকান ঘর গুলো থাকায় তার নেতৃত্বে এই দোকান ঘর ভাংচুর সংঘটিত হয়।
ঘটনার বিবারণে প্রকাশ, জনৈক মজিবর রহমান জানান, আনিশা ক্লিনিকের মালিক ফারুক জোয়াদ্দার পিতা.মৃত আমির জোয়াদ্দার,গ্রাম- আটারই তালা সাতক্ষীরা নিষিদ্ধ ঘোষিত পূর্ব বাংলা কমিউনিষ্ট পার্টির অস্ত্রধারী নেতা ছিল। জীবন বাঁচাতে তার পিতা তাকে মালেশিয়া পাঠিয়ে দেয়। সেখান প্রায় ১৫ বছর অবস্থান করার পর কয়েক বছর আগে বাড়িতে এসে তার সম্পর্কের মামা যুবলীগের তালা উপজেলা সভাপতি ও আরেক মামা সাবেক ভাইচ চেয়ারম্যানের শেল্টারে থেকে তালা পুরাতন ফুটবল মাঠের উত্তর পার্শ্বে আনিশা ক্লিনিক তৈরী করে। তার বিরুদ্ধে বিদেশে পাঠানোর নামে প্রায় কোটি টাকা আত্নসাৎ এর অভিযোগ রয়েছে। বিগত ১৭ বছর কোনদিন বিএনপির কোন কার্যক্রমে সে ছিল না । হঠাৎ ৫ ই আগস্ট শেখ হাসিনা পালানোর সাথে সাথে তার নেতৃত্বে তার ক্লিনিকের সামনে ৪ টি দোকান,নগত টাকা সহ ২০ লক্ষ টাকার মালামাল লুট করে। এবং আধাপাকা টিনের ছাউনি দেওয়া ৪ টি দোকান ভেঙ্গে যার পাকা ফ্লোরের চিহ্ন ছাড়া কিছুই নেই।
জেয়ালা গ্রামের জনৈক ব্যক্তি জানান, গত ৫ ই আগস্ট জেয়ালা শেখেরহাট ঘোষপাড়া গরু ট্রাকে করে তুলে নিয়ে যাওয়ার হুমকি দিয়ে ৩০ লক্ষ টাকার চাঁদাবাজি করে। এবং স্বদেশ ঘোষের দোকানেন ১৫০০ বস্তা ফিড লুট করে ও তুষার ঘোষে দোকান থেকে ডিজেল,পেট্রোল,কীটনাশক সহ নগত টাকা লুট। সুভাষ ঘোষের দোকান ঘর থেকে ৪০০ বস্তা চাউল লুট করে। কিন্তু তারা ভয়ে নাম প্রকাশ করছে না। সে জমি দখল করতে রাত ১২ টা পর্যন্ত থানায় অবস্থান করে। বিএনপির কোন পদে না থাকলেও সে ভার খানা এমন দেখায় যে সে বিএনপির কর্ণধর। তার রয়েছে সন্ত্রাসী বাহিনী তাদের ভয়ে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায়না উক্ত ঘটনা গোপন তদন্ত করলে জড়িতদের নেপথ্য নায়ক কে তাহা জানা যাবে।
দোকান মালিক জাহিদ অর রশিদ জানান, তার দোকান থেকে দামি কসমের্টিক্স ফার্নিচার সোকেচ নগত ৮৫ হাজার টাকা মিলে ১০/১২ লক্ষ টাকার মালামল লুট করেছে। এবং তাদের ৪ টি দোকান ঘর নিশ্চিহ্ন করেছে। ৪ টি দোকান ঘরের মধ্যে বিউটি পার্লার ও আসাদ আট ঘর এবং মালিক নিজে কসমের্টিক্স দোকান করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। তার ক্লিনিকের সামনের দক্ষিণ পার্শ্বে সরকারী রাস্তা থাকলেও পূর্ব পার্শ্বের ৪ টি দোকান ভেঙ্গে ক্লিনিকের জায়গা প্রশারিত করলো। ৫ ই আগস্ট এর পর থেকে পুরাতন চেহারা নতুন রুপে আর্বিভাব হয়েছে। চাঁদাবাজি,দখলবাজি সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে লিপ্ত । তার বিরুদ্ধে মুখ খুলতে কেউ সাইস পায়না। মানবপাচার এর নামে কোটি টাকা আত্নসাৎ করেছে। গরীব অসহায় মানুষ বিদেশে পাঠানোর নামে তাদের সর্বশান্ত করেছে । তার অত্যাচারে এলকাবাসী অতিষ্ট। এলাকাবাসী ভুক্তভোগী পুলিশ র্যাব গোয়েন্দা সংস্থার তদন্ত দাবি করেছে।











































