কলারোয়া (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি।।
সাতক্ষীরার কলারোয়া ও যশোরের কেশবপুর উপজেলার মানুষের যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম কপোতাক্ষ নদের ওপর অবস্থিত ধানদিয়া-সাগরদাঁড়ি বাঁশের সাঁকো। উজান থেকে ভেসে আসা শ্যাওলার চাপে ভেঙে গেছে সাঁকোটি। দীর্ঘদিন ধরে সাঁকোটি মেরামতের কোনো ব্যবস্থা না করায় বিপাকে পড়েছেন দুই উপজেলার অর্ধশতাধিক গ্রামের বাসিন্দা।
জানা যায়, কয়েক মাস আগে কলারোয়ার ধানদিয়া থেকে মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের স্মৃতিবিজড়িত সাগরদাঁড়ি ডাকবাংলোসংলগ্ন কাঠবাদামতলা পর্যন্ত কপোতাক্ষ নদের সাঁকোটি ভেঙে যায়। এতে কলারোয়া ও কেশবপুর সীমান্তবর্তী গ্রামের বাসিন্দারা যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন। এ ছাড়া পার্শ্ববর্তী তালা উপজেলার পাটকেলঘাটা থানার বাসিন্দাদের সাগরদাঁড়ি বাজারে আসা-যাওয়া খুবই সমস্যা হচ্ছে। এতে বিরূপ প্রভাব পড়েছে তিন উপজেলার কয়েক লাখ মানুষের ওপর। দীর্ঘদিন ধরে কপোতাক্ষ নদের দুই পারের সাতক্ষীরা ও যশোরের মানুষ ওই বাঁশের সাঁকোটি ব্যবহার করে আসছিলেন। সাঁকো ভেঙে যাওয়ায় জরুরি প্রয়োজনে নদের দুই পারের বাসিন্দাদের ঝুঁকি নিয়ে খেয়া নৌকায় পারাপার হতে হচ্ছে।
কলারোয়ার অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক নওশের আলী আক্ষেপ করে বলেন, দেশ স্বাধীনের পর আজও পর্যন্ত এখানে একটা পাকা সেতু নির্মাণ করা সম্ভব হয়নি। এখানকার মানুষের যাতায়াতের সুবিধার্থে একটি সেতু নির্মাণ করা খুবই জরুরি। একই সঙ্গে কলারোয়া, পাটকেলঘাটা ও কেশবপুর উপজেলাবাসীর সুবিধার কথা বিবেচনা করে বাঁশের সাঁকোটি দ্রুত মেরামতের দাবি জানান তিনি।
এ বিষয়ে কলারোয়া ও তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জহরুল ইসলাম ও শেখ মো. রাসেল বলেন, ধানদিয়া-সাগরদাঁড়ি কপোতাক্ষ নদের ওপর একটি বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করেছিলেন স্থানীয়রা। সাঁকোটি ভেঙে যাওয়ায় কপোতাক্ষ নদের দুই পারের মানুষের চলাচলে সমস্যা দেখা দিয়েছে। দ্রুত সাঁকোটি মেরামতের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।









































