Home আঞ্চলিক অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ: যশোরে পুলিশ কর্মকর্তা রফিকের স্থাবর সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ

অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ: যশোরে পুলিশ কর্মকর্তা রফিকের স্থাবর সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ

19


ঢাকা অফিস।।

যশোরের সাবেক টাউন সাব-ইন্সপেক্টর (টিএসআই) রফিকুল ইসলাম ও তাঁর স্ত্রী ঝরণা ইয়াসমিন ঝরণার স্থাবর সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। ৫ কোটি ৯৪ লাখ ৮৭ হাজারের বেশি অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনে মঙ্গলবার এ আদেশ দেন সিনিয়র স্পেশাল জজ শেখ নাজমুল আলম।

রফিকুল বর্তমানে ফরিদপুর জেলা পুলিশের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর। দুদকের স্পেশাল পিপি সিরাজুল ইসলাম জানান, আদালতের ক্রোকের আদেশ পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনা মেনে দুদক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

দুদক সূত্র জানায়, রফিকুল ও তাঁর স্ত্রী ঝরণা ইয়াসমিনের দাখিল করা সম্পদ বিররণী যাচাইয়ে এ দম্পতির নামে গোপালগঞ্জ জেলা শহরে সাত তলা বিল্ডিং, যশোর শহরে একটি ছয় তলা ভবন, দুই তলা মার্কেট ও একটি দোকান বিল্ডিং, ঢাকায় ফ্ল্যাট, রাজশাহী শহরে বাড়ি এবং খুলনায় জমি, ফ্ল্যাটসহ সম্পদ থাকার তথ্য পাওয়া যায়। এসব সম্পদ তিনি অবৈধভাবে অর্জন করেছেন বলে প্রমাণিত হয়।

প্রাথমিক অনুসন্ধান প্রতিবেদন দাখিলের পর থেকে অভিযুক্তরা সম্পদ অন্যত্র হস্তান্তরের চেষ্টা করছেন। এ ব্যাপারে দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে বেহাত হয়ে রাষ্ট্রের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

ক্রোকের আদেশ হওয়া সম্পত্তির মধ্যে রফিকুল ইসলামের গোপালগঞ্জ সদরে শুকতাইল মৌজায় ১৮৩ দশমিক ০৪ শতক, পাইকেরডাঙ্গা মৌজায় ৬৭, স্ত্রীর নামে গোপালগঞ্জ পৌরসভার খাটরা মৌজাতে ৭ শতকের মধ্যে ২ দশমিক ৩৩ (বাকি জমি শ্যালিকার নামে), যশোর পৌরসভার বারান্দি মৌজায় ৬ দশমিক ৬৭, ঢাকা সিটি করপোরেশন সেনপাড়া পার্বত্য মৌজায় ৮ দশমিক ২৪ কাঠা, ঢাকা জেলার বিলামালিয়া মৌজায় ৬ দশমিক ৫০, খুলনা সিটি করপোরেশন মুজগুন্নি আবাসিক মৌজায় ০ দশমিক ০৬৬১ একর, খুলনা ফুলতলার ৯ নম্বর মশিয়ালিতে ৭ শতক, রাজশাহী সিটি করপোরেশন হড়গ্রাম মৌজায় ০ দশমিক ০০৩০৮ একর, যশোর পাগলাহ মৌজাতে ১৯১ শতক, খুলনার ফুলতলা মশিয়ালি মৌজায় এক একর, স্ত্রীর নামে ৫০ শতক, যশোর কোতোয়ালির পাগলাদাহ মৌজায় ৮৫ শতক, যশোর পৌরসভার বারাদ্দি মৌজায় ১ দশমিক ০৩৮ শতক, একই স্থানে ৬ দশমিক ৫০ শতকের বাড়িসহ মোট ৪২৯ দশমিক ৫৪৪ শতক জমি।