Home আঞ্চলিক সারা খুলনা অঞ্চলের খবর

সারা খুলনা অঞ্চলের খবর

13

নগরীতে বাসে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ে জরিমানা

স্টাফ রিপোর্টার

নগরীতে বাসে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করার অপরাধে রূপসা পরিবহনকে ৭ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। গতকাল রবিবার খুলনা জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ হেলাল হোসেন এর নির্দেশনায় সোনাডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দেবাশীষ বসাক।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দেবাশীষ বসাক জানান, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ কর্তৃক জারিকৃত প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী করোনাকালে সীমিত পরিসরে যান চলাচলের শর্তসমূহ পালিত হচ্ছে কিনা এবং নির্দেশিত হারে যাত্রীদের নিকট থেকে ভাড়া আদায় করা হচ্ছে কিনা তা তদারকি করতে এই মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। এসময় যশোরগামী প্রতি যাত্রীর নিকট থেকে অতিরিক্ত ১২টাকা আদায় করার অপরাধে ভোক্তা অধিকার সংরণ আইন, ২০০৯ এর ৪০ ধারায় রূপসা পরিবহনকে ৭হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অভিযানে সহযোগিতা করেন সেনাবাহিনীর সদস্যবৃন্দ এবংসোনাডাঙ্গা থানা পুলিশ।

নগরীতে তথ্য গোপন করে করোনা রোগী ভর্তি : মৃত্যুর পর বিপাকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ

স্টাফ রিপোর্টার

যশোরে শনাক্ত ১২৭ করোনা রোগীর মধ্যে মারা গেলেন একজন। তিনি শিল্পশহর নওয়াপাড়ার আমির হোসেন (৭৫)। নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তথ্য গোপন করে চিকিৎসা নেওয়াকালে শনিবার দুপুরে তিনি মারা যান।

এর আগে গত ৩০মে তার নমুনা সংগ্রহ করে পাঠানো হয়েছিল খুলনা মেডিকেল কলেজ ল্যাবে। সেখান থেকে শুক্রবার যশোরে যে ছয়জনের রেজাল্ট পজেটিভ আসে, তার মধ্যে আমির হোসেনের নমুনাও ছিল। খুলনা, যশোর ও অভয়নগর উপজেলার সংশ্লিষ্টরা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নগরীর বেসরকারি গাজী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কর্ণধার ডা. গাজী মিজানুর রহমান জানান, স্ট্রোক ও কিডনি রোগে আক্রান্ত যশোরের নওয়াপাড়া এলাকার আমির হোসেন নামে ওই রোগী এক সপ্তাহ আগে এই হাসপাতালে ভর্তি হন। শনিবার দুপুরে তিনি মারা যান। তিনি যে করোনায় আক্রান্ত ছিলেন সেই তথ্য তার পরিবার গোপন করেছে। এর ফলে হাসপাতাল কর্তৃপ এখন বিপাকে পড়েছেন।

যশোরের অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মাহমুদুর রহমান রিজভি জানান, গত ৩০মে আমির হোসেনের নমুনা সংগ্রহ করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ল্যাবে পাঠানো হয়। শুক্রবার তার রিপোর্ট পজেটিভ আসে। এরপর শনিবার তিনি মারা যান।

অভয়নগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজমুল হোসাইনও মৃত. আমির হোসেন করোনায় আক্রান্ত ছিলেন বলে নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, স্বাস্থ্যবিধি মেনে নওয়াপাড়ার শংকরপাশা এলাকায় তার দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

আমির হোসেনের আগে যশোরে আর কোনো করোনা রোগীর মৃত্যু হয়নি বলে জানান জেলার সিভিল সার্জন। অবশ্য ঢাকায় মৃত. তিন করোনা রোগীকে যশোরে দাফন করা হয়েছে। আর যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে মারা গেছেন যশোরের দুইজন।

রাত সোয়া ১১টার দিকে যশোরের সিভিল সার্জন ডা.শেখ আবু শাহীন জানান, যশোর থেকে সংগ্রহ করা নমুনাগুলোর মধ্যে শুক্রবার যে ছয়টির পজেটিভ রেজাল্ট আসে, তার মধ্যে আমির হোসেনের নমুনাও ছিল। তিনি খুলনার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

মোহাম্মদনগরে করোনা আক্রান্ত বৃদ্ধের মৃত্যু

স্টাফ রিপোর্টার

নগরীর করোনা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ফরিদ হোসেন (৬০) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। তিনি মোহাম্মদনগর এলাকার বাসিন্দা। গতকাল রবিবার দুপুর ৩টার দিকে তিনি মারা যান।

সিভিল সার্জন ডা. সুজাত আহমেদ জানান, করোনা আক্রান্ত ফরিদ হোসেন দুপুরে মারা গেছেন। এ নিয়ে করোনা আক্রান্ত খুলনার মোট ৫জন রোগীর মৃত্যু হলো।

খুলনা করোনা হাসপাতালের ফোকাল পারসন ডা.শেখ ফরিদ উদ্দিন আহমেদ জানান, ওই রোগী খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ফু কর্নারে ভর্তি ছিলেন। করোনা পজিটিভ শনাক্ত হওয়ার পর শনিবার বিকেলে তাকে করোনা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

খুমেকে চিকিৎসকসহ আরও ৩০জন পজিটিভ

স্টাফ রিপোর্টার

খুলনা মেডিকেল কলেজের (খুমেক) ল্যাবে দুইজন চিকিৎসকসহ আরও ৩০ জনের করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। যার মধ্যে খুলনা জেলার ২৮জন রয়েছেন। এছাড়া ঝিনাইদহ ও বাগেরহাট জেলার একজন করে রয়েছেন।

গতকাল রবিবার রাতে তাদের নমুনা পরীার পর এ তথ্য পাওয়া গেছে। এটি খুলনায় একদিনে শনাক্ত হওয়া দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। এর আগে গত বৃহস্পতিবার একদিনে সর্বোচ্চ ৩৫ জনের করোনা শনাক্ত হয়; যার মধ্যে ৩০জনই খুলনার ছিলেন। গত শনিবার ২৯ জনের করোনা শনাক্ত হয়। পরবর্তীতে রোববার আরও একজনের বেশি অর্থাৎ মোট ৩০জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।

খুলনা মেডিকেল কলেজের (খুমেক) উপাধ্য ডা. মেহেদী নেওয়াজ বলেন, গতকাল রবিবার খুমেকের পিসিআর মেশিনে মোট ১৮৯ জনের নমুনা পরীা করা হয়েছে। যার মধ্যে খুলনা জেলার নমুনা ছিল ১৭০টি। এদের মধ্যে একদিনে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩০জনের নমুনা পরীার রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। যার মধ্যে ২৮জনই খুলনা জেলার। বাকি দুইজন বাগেরহাট ও ঝিনাইদহজেলার।

তিনি আরও বলেন, খুলনায় শনাক্তদের মধ্যে ২২জনই নতুন, আর বাকি ছয়জনের ফলোআপ রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। আক্রান্তদের মধ্যে দুইজন চিকিৎসক রয়েছেন। এছাড়া জুট মিল শ্রমিকসহ এলাকার নানা পেশার মানুষ রয়েছেন।

৬-দফা ছিলো বঙ্গবন্ধু’র রাজনৈতিক দুরদর্শিতার অন্যতম এক সঠিক সিদ্ধান্ত: সিটি মেয়র

খবর বিজ্ঞপ্তি

খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক বলেছেন, বাংলা এবং বাঙালির স্বাধীনতার মূল সনদ ছিলো ৬ দফা। এই ৬-দফা ছিলো জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক দুরদর্শিতার অন্যতম এক সঠিক সিদ্ধান্ত। এই সিদ্ধান্তের ধারাবাহিকতায় ১৯৬৯ এর গণঅভ্যত্থান, ৭০-এর সাধারণ নির্বাচন এবং ৭১-এর মহান মুক্তিযুদ্ধ। যার সফল পরিণতি ছিলো স্বাধীনতা। তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধুর ৬-দফা ছিলো বাঙালির ভাগ্য, ভৌগলিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সহ সাংবিধানিক পরিবর্তনের। ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধুর ডাকে নিরস্ত্র বাঙালি সশস্ত্র পাকহানাদার বাহিনীর উপর ঝাপিয়ে পড়েছিলো। সেদিন বাঙালির সামনে শেখ মুজিবের নিদের্শনা ছিলো বাংলাদেশ এবং বাঙালিকে স্বাধীনতা করার। বাঙালিকে স্বাধীন করার লক্ষ্যেই বঙ্গবন্ধু ৬-দফা ঘোষণা করেছিলেন। বঙ্গবন্ধু জানতেন যে, বাঙালি জাতিকে কেউ কোনদিন দাবিয়ে রাখতে পারেনি এবং ভবিষ্যতেও পারবে না। সেজন্যেই বঙ্গবন্ধু তাঁর দুরদর্শিতা দিয়ে ৬-দফার ডাক দিয়েছিলেন। তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধু’র নিদের্শেই আজ বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে। রক্ত আর সম্ভ্রমের বিনিময়ে অর্জিত এই স্বাধীনতাকে সম্মানের সাথে রক্ষা করতে হবে। এই অর্জনকে ম্লান হতে দেয়া যাবে না। তাই আসুন সকল ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী দেশরতœ জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধু’র বাংলাদেশকে সোনার বাংলাদেশে পরিণত করি।

রবিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় মহানগর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে দলীয় কার্যালয়ে ঐতিহাসিক ৬-দফা দিবসের আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় বক্তব্য রাখেন, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানা। সভা পরিচালনা করেন, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক দপ্তর সম্পাদক মো. মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ। এসময়ে উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগ নেতা নুর ইসলাম বন্দ, এ্যাড. মো. আইয়ুব আলী শেখ, এ্যাড. মো. সাইফুল ইসলাম, রনজিত কুমার ঘোষ, শফিকুর রহমান পলাশ, বি এম সজীব, শেখ আবু হানিফ, শেখ আব্দুল কাদের, রণবীর বাড়ৈই সজল, ইয়াছির আরাফাত, মাহমুদুল হাসান রাজেশ, বায়েজিদ সিনা, সালমান জামান, আসিকুর রানা, সোহাগ হোসেন, শান্ত চৌধুরী সহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী।

আলোচনা সভা শেষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ প্রেসিডিয়াম মেম্বর, সাবেক বন ও পরিবেশ মন্ত্রী বেগম সাজেদা চৌধুরী, প্রেসিডিয়াম মেম্বর, ১৪ দলের সমন্বয়ক এবং সাবেক স্বরাষ্ট্র ও স্বাস্থ্য মন্ত্রী মো. নাসিম এবং প্রেসিডিয়াম মেম্বর, সাবেক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী এ্যাড. সাহেরা খাতুনের সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করে এবং খুলনা পলিটেকনিক কলেজের সাবেক জিএস ইসাহাক আলী খান বাবু’র অকাল মৃত্যুতে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

সাজেদা চৌধুরী, মো. নাসিম ও সাহেরা খাতুনের সুস্থতা কামনা করে আ’লীগের বিবৃতি

খবর বিজ্ঞপ্তি

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ প্রেসিডিয়াম মেম্বর, সাবেক বন ও পরিবেশ মন্ত্রী বেগম সাজেদা চৌধুরী, প্রেসিডিয়াম মেম্বর, ১৪ দলের সমন্বয়ক এবং সাবেক স্বরাষ্ট্র ও স্বাস্থ্য মন্ত্রী মো. নাসিম এবং প্রেসিডিয়াম মেম্বর, সাবেক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী এ্যাড. সাহেরা খাতুন অসুস্থ হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। নেতৃবৃন্দের সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন, শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান এমপি, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক, খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য সেখ সালাহ উদ্দিন জুয়েল, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রিয় সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন, খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শেখ হারুনুর রশীদ, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানা, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. সুজিত কুমার অধিকারী।

সাজেদা চৌধুরী, মো. নাসিম ও সাহেরা খাতুনের সুস্থতা কামনা করে ১৪ দলের বিবৃতি

খবর বিজ্ঞপ্তি

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ প্রেসিডিয়াম মেম্বর ও ১৪ দলের সমন্বয়ক এবং সাবেক স্বরাষ্ট্র ও স্বাস্থ্য মন্ত্রী মো. নাসিম এবং প্রেসিডিয়াম মেম্বর ও সাবেক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী এ্যাড. সাহেরা খাতুন অসুস্থ হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। নেতৃবৃন্দের সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন ১৪ দলের নেতৃবৃন্দ। বিবৃতিদাতারা হলেন, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক, খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য সেখ সালাহ উদ্দিন জুয়েল, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রিয় সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন, খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শেখ হারুনুর রশীদ, মহানগর জাসদের সভাপতি রফিকুল হক খোকন, ন্যাপের সভাপতি এ্যাড. ফজলুর রহমান, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানা, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. সুজিত কুমার অধিকারী, সাম্যবাদি দলে সম্পাদক এফ এম ইকবাল, জেপি’র কেন্দ্রিয় ভাইস চেয়ারম্যান শরীফ শফিকুল হামিদ চন্দন, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. মিনা মিজানুর রহমান, জাসদের কেন্দ্রিয় সাংগঠনিক সম্পাদক মো. খালিদ হোসেন, ন্যাপের সাধারণ সম্পাদক তপন কুমার রায়, জেপি’র সাধারণ সম্পাদক ডা. এন আলম সিদ্দিকী, জাকের পার্টির বদরুদ্দিন বিশ্বাস বদু, গোলাম নবী মাসুম সহ ১৪ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

ছাত্রলীগের সাবেক জিএস বাবু’র মৃত্যুতে আ’লীগের শোক

খবর বিজ্ঞপ্তি

খুলনা মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি এবং খুলনা সরকারি পলিটেকনিকেল কলেজের সাবেক জিএস ইসাহাক আলী খান বাবু ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না …………. রাজেউন)। রোববার ভোর ৫টায় ঢাকার হলিফ্যামিলি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। তিনি দীর্ঘদিন লিবার সিরোসিস রোগে ভুগছিলেন। তার মৃতদেহ বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখানে তার জানাযা শেষে দাফন করা হবে বলে পরিবারের সদস্যরা জানান।

এদিকে ইসাহাক আলী খান বাবু’র অকাল মৃত্যুতে গভীর শোক, শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা ও মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন, শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান এমপি, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক, খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য সেখ সালাহ উদ্দিন জুয়েল, খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শেখ হারুনুর রশীদ, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানা, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. সুজিত কুমার অধিকারী, মহানগর যুবলীগ আহবায়ক মো. সফিকুর রহমান পলাশ, মহানগর ছাত্রলীগ সভাপতি শেখ শাহাজালাল হোসেন সুজন, মহানগর ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক এস এম আসাদুজ্জামান রাসেল।

কর্মহীন দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ

খবর বিজ্ঞপ্তি

করোনায় ক্ষতিগ্রস্থ কর্মহীন দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ করেছেন মহানগর আওয়ামী লীগ। গতকাল রবিবার সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত নগরীর ১৬, ১৭, ১৮, ১৯, ২০, ২১, ২৩, ২৪, ২৫, ২৬, ২৭, ২৮ নং ওয়ার্ডে এ সকল খাদ্য সামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ করেন খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক, সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানা। এসময়ে উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগ নেতা কাউন্সিলর আজমল আহমেদ তপন, মকবুল হোসেন মিন্টু, মো. মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ, কাউন্সিলর জেড এ মাহমুদ ডন, প্যানেল মেয়র আলী আকবর টিপু, অধ্যাপক আলমগীর কবীর, শেখ নুর মোহাম্মদ, এ্যাড. মো. সাইফুল ইসলাম, কাউন্সিলর শামছুজ্জামান মিয়া স্বপন, জাহাঙ্গীর আলী মন্টু, কাউন্সিলর মাহমুদা বেগম, মো. মোক্তার হোসেন, নাজমুল আহমেদ স্বপন, চৌধুরী মিনহাজ উজ জামান সজল, শেখ আবিদ উল্লাহ, মো. নুর ইসলাম, শেখ জাহিদ হোসেন, মো. জাহিদুল হক, চ. ম. মুজিবর রহমান, মুন্সি আইয়ুব আলী, শেখ আব্দুল আজিজ, ফয়েজুল ইসলাম টিটো, হাসান ইফতেখার চালু, ইউসুফ আলী খান, জাকির হোসেন, মো. মোতালেব মিয়া, মীর মো. লিটন, সরদার আব্দুল হালিম, শেখ মো. রুহুল আমিন সহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। এ সময়ে প্রতি ওয়ার্ডে ২০০ পরিবারের মাঝে চাল ও নগদ অর্থ প্রদান করা হয়।

ঝিনাইদহে চেতনানাশক স্প্রে করে কিশোরি ধর্ষণের অভিযোগ: নিরাপত্তাহীনতায় ধর্ষিতার পরিবার

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

ঝিনাইদহ সদর উপজেলার লক্ষীকোল গ্রামের মোঃ বারেক আলীর ছেলে জান্নাত আলী (৩০) এর নামে চেতনানাশক স্প্রে মুখে দিয়ে তারই বাসার ভাড়াটিয়ার কিশোরি মেয়েকে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছে।

এই ঘটনাই ওই কিশোরির মা বাদী হয়ে ঝিনাইদহ সদর থানায় একটি মামলা করেছেন।

 মামলার বিবরণে জানা যায়, আসামী জান্নাত আলী বাসার মালিকের ছেলে। অনুমানিক প্রায় দেড় মাস যাবত আসামীর বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে তিনি ৩ কন্যাসহ ভাড়া রয়েছেন। মানুষের বাড়িতে কাজ করে তিনি জীবিকা নির্বাহ করেন। সেই সুবাদে কাজের কারণে তিনি তার বড় মেয়েকে নিয়ে প্রতিদিন সকালে বাড়ি থেকে বের হন। আসামী কিশোরিকে বিভিন্ন ভাবে উত্যক্ত করে এবং কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। পরবর্তীতে ঘটনার দিন বাড়িতে একা পেয়ে তার অনৈতিক লালসা চরিতার্থ করার জন্য সে আমার মেয়ের মুখে চেতনানাশক ওষুধ স্প্রে করে অজ্ঞান করে।

গত ইংরেজি ২৪ মে সকাল অনুমান ১০ টার সময় তাকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে। কন্যার জ্ঞান ফিরলে আসামী তাকে বিভিন্ন ভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে বলে, এই কথা যদি কাউকে বলিস তবে তোকে খুন করে ফেলবো। তখন আমার কিশোরি ভয়ে বিষয়টি কাউকে কিছু না বললে ধর্ষক জোরপূর্বক আমার মেয়েকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় একাধিকবার ধর্ষণ করে। এবাবে ৩০ মে আবারও বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে ধর্ষক জান্নাত আমার মেয়েকে অনৈতিক কাজের কথা বললে আমার মেয়ে প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় সে ধারালো ছুরি গলায় ধরে হত্যার হুমকি প্রদর্শন করে। এসময় তার মেয়েকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এতে করে ওই কিশোরি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। বর্তমানে আসামী আমার ও আমার মেয়েকে বিভিন্ন ভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করে বলে এই নিয়ে যদি কোন বাড়াবাড়ি করিস তবে তোদেরকে জানে মেরে ফেলবো। আসামী অত্যন্ত খারাপ ও সন্ত্রাসী প্রকৃতির লোক। এবিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য আসামী পক্ষের লোকজন ভুক্তভোগী পরিবারের মামলা তুলে নেওয়ার জন্য হুমকি ধামকি অব্যাহত রেখেছে।

ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি (তদন্ত) এমদাদুল হক বলেন, এ বিষয়ে ধর্ষিতার মা বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা করেছেন। তদন্ত পূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আসামী গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

করোনা সংক্রমণ রোধে নৌবাহিনীর জনসচেতনতামূলক টহল

খবর বিজ্ঞপ্তি

দেশের ভয়াবহ করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতি রোধকল্পে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে, উপকূলীয় সব জেলা, শহর এবং গ্রামের জনগণের সচেতনতার জন্য বিভিন্ন কার্যক্রম করছে নৌবাহিনী। বর্তমান পরিস্থিতিতে অসহায় ও দুস্থ পরিবারের দরজায় দরজায় গিয়ে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণসহ বিভিন্ন জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে ও বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা প্রদানের অংশ হিসেবে মোতায়েনকৃত নৌবাহিনী কন্টিনজেন্ট বরগুনা জেলা সদর, বামনা, বেতাগী ও পাথরঘাটা এলাকায় নিয়মিত টহলের পাশাপাশি জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমসহ উপজেলাসমূহের বিভিন্ন স্থানে ২০০টি সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করে এবং রাস্তায় ও যানবাহনে ১০% কোরিনযুক্ত জীবাণুনাশক পানি ছিটিয়ে জীবাণুমুক্ত করে। এ সময় সাধারণ জনগণকে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চতকরণ, একান্ত প্রয়োজনে বাড়ির বাহিরে অবস্থানের ক্ষেত্রে মুখে মাস্ক পরিধানের জন্য নির্দেশনা প্রদান করে। নৌ কন্টিনজেন্ট মংলা সামাজিক জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে দিগরাজ বাজার, বুড়িরডাঙ্গা, চরকানাই, চাদপাই, আপাবাড়ি, মংলা বাজার, হাসপাতাল চত্ত্বর ও ফেরিঘাট এলাকায় টহল অব্যাহত রেখেছে। করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ সর্ম্পকিত বিভিন্ন লিফলেট বিতরণ, সাধারণ জনগণকে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চতকরণ, একান্ত প্রয়োজনে বাড়ির বাহিরে অবস্থানের ক্ষেত্রে মুখে মাস্ক পরিধানের জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়। সাধারণ জনগণকে কাঁচা বাজার, ঔষধের দোকান ও মসজিদ ব্যবহারে সরকারী নীতিমালা অনুসরণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। নৌ কন্টিনজেন্ট জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন কার্যক্রমে সহায়তা প্রদানসহ নিয়মিত টহল ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে ।

পাইকগাছার দেলুটি ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন দপ্তরে অনিয়ম, দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ দাখিল

স্টাফ রিপোর্টার

পাইকগাছার দেলুটি ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ৬জন ইউপি সদস্য স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় সহ বিভিন্ন দপ্তরে অনিয়ম, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ করেছে।

অভিযোগে দেখা যায়, উপজেলার ৪নং দেলুটি ইউপি চেয়ারম্যান রিপন কুমার মন্ডল ২০১৬ সাল থেকে এ পর্যন্ত নানাভাবে দুর্নীতি, অর্থ আত্মসাৎ ও স্বজনপ্রীতি করে যাচ্ছেন। তিনি পরিষদকে পাশ কাটিয়ে কোন প্রকার মিটিং ছাড়াই হাট-বাজার, খেয়াঘাট ও খোয়াড় ইজারা প্রদান করছে। যার যাবতীয় টাকা পরিষদের খাতে জমা না দিয়ে নিজেই আত্মসাৎ করছেন। তিনি ভিজিএফ, ভিজিডি, বিধবা ভাতা, অস্বচ্ছল প্রতিবন্ধীদের কার্ড প্রদানে আর্থিক সুবিধা আদায় করে আসছেন। উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলে প্রতি বছর ১০-১৫টি পানির ট্যাংক বরাদ্দ হয়ে আসছে। যা তিনি নিজস্ব লোকের মধ্যে ৭-৮ হাজার টাকার বিনিময়ে দিয়ে থাকেন। একই প্রকল্প দেখিয়ে জেলা পরিষদ, এলজিএসপি-৩, এডিপি ও ইউএনডিপি’র অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে। অভিযোগে দেখা যায়, ২০১৬ সাল থেকে এ পর্যন্ত তিনি ৩০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন। তার মধ্যে জন্ম নিবন্ধন খাতে ৬ লাখ, ট্রেড লাইসেন্স, খেয়াঘাট থেকে ৪ লাখ, অফিস ব্যবস্থাপনা খাতে ৪ লাখ, নামে-বেনামে বিভিন্ন প্রকল্পের খাত থেকে ১৬ লাখ টাকা। অভিযোগকারীরা হলেন, ইউপি সদস্য নিরাপদ সরকার, কিংশুক রায়, বিশ্বজিৎ রায়, ডালিম রায়, সুকুমার কবিরাজ ও সুপদ কুমার রায়। এব্যাপারে চেয়ারম্যান রিপন কুমার মন্ডল জানান, আমার বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ হয়েছে কিনা তা আমার জানা নেই। যদি কোন অভিযোগ হয়ে থাকে তবে তা তদন্ত হলে সত্য-মিথ্যা বেরিয়ে আসবে।

সাতক্ষীরায় নতুন করে আরো ৫ জনের করোনা শনাক্ত, মোট আক্রান্ত ৫৩ জন

খান নাজমুল হুসাইন, সাতক্ষীরা

সাতক্ষীরায় নতুন করে আরো ৫ জনের করোনা পজেটিভ শনাক্ত হয়েছে। রোববার দুপুর আড়াইটায় খুলনা পিসিআর ল্যাব থেকে পাঠানো এক রিপোর্ট এ তথ্য জানানো হয়। এ নিয়ে সাতক্ষীরায় এ পর্যন্ত মোট ৫৩ জন করোনা শনাক্ত হয়েছে।

করোনা আক্রান্ত পাঁচ জন হলেন, তালা উপজেলার খালশখালী গ্রামের সুমি বেগম(২৬,শ্যামনগর উপজেলার মুন্সিগঞ্জ কদমতলা এলাকার কায়কোবাদ হোসেন(৩৪), কলারোয়া উপজেলার খোর্দ্দ গ্রামের কৃপা তরফদার(২৪), সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ঘোনা গ্রামের মুনতাছির মামুন(৩৮) ও আসমা খাতুন(২৩), তার গ্রামের ঠিকানা দেয়া হয়নি।

এদিকে, আজ পর্যন্ত এ জেলা থেকে মোট ১ হাজার ৪৫ জনের নমুনা সংগ্রহ করে আইইডিসিআর ও পিসিআরল্যাবে পাঠানো হয়েছে। ইতিমধ্যে ৭৪৯ জনের নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন কার্যালয়ে পৌঁছেছে। এর মধ্যে ৫৩ জনের পজিটিভ ও বাকী সব রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। লক ডাউন করা হয়েছে শতাধিক বাড়ি।

সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডাঃ জয়ন্ত সরকার জানান, দুপুর আড়াইটায় খুলনা পিসিআর ল্যাব থেকে পাঠানো রিপোর্টে উক্ত ৫ জনের রিপোর্ট পজেটিভ এসেছে।

বিষ দেয়া মাছ, জাল ও ট্রলার জব্দ: সুন্দরবনের বিষ দিয়ে মাছ ধরার সময় ছয় জেলে আটক

শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি

পূর্ব সুন্দরবনের ছাপড়াখালী এলাকা থেকে বিষ দিয়ে মাছ ধরার সময় ছয় জেলেকে আটক করেছে বনরক্ষীরা। আটককৃতরা হচ্ছে, শরণখোলা উপজেলার সোনাতলা গ্রামের আঃ হক খানের পুত্র সেলিম (২৮), আঃ রব হাওলাদারের পুত্র কবির (২৫) ও মোরেলগঞ্জ উপজেলার বাড়ইখালী গ্রামের আলী আকবরের পুত্র আলী আজগর (৪০), মোঃ শাহদাত হোসেনের পুত্র জাকির (৩৫), মোঃ আলামিন শেখের পুত্র সাকির শেখ (৩০)।

এসময় তাদের কাছ থেকে একটি ট্রলার, একটি ডিঙ্গি নৌকা, ২টি বিষের বোতল, ২২৩ কেজি বিষ দেয়া মাছ ও তিনটি জাল জব্দ করা হয়। রোববার দুপুরে বন আইনে মামলা দিয়ে তাদের জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে। বন বিভাগর শরণখোলা রেঞ্জ কর্মকর্তা (এসিএফ) মোঃ জয়নাল আবেদীন জানান, কটকা অভয়ারণ্য কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আবুল কালাম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে তার আওতাধীন বনে তল্লাশী চালায়। এক পর্যায়ে শনিবার বিকেলে চাপড়াখালীর দুইটি খালে বিষ দিয়ে মাছ ধরা অবস্থায় তাদের আটক করতে সক্ষম হন। রোববার দুপুরে তাদের শরণখোলা রেঞ্জে অফিসে নিয়ে আসার পরে পৃথক দুইটি মামলা দিয়ে জেলহাজতে পাঠানো হয়।

খুলনা শহরের হিজড়াদের খুলনা মহানগর পূজা উদ্যাপন পরিষদ’র খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

খবর বিজ্ঞপ্তি

বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদ, খুলনা মহানগর শাখার পক্ষ থেকে রবিবার বেলা সাড়ে ১২টায় আদি কালীবাড়ীপাড়া সার্বজনীন পূজা মন্দির প্রাঙ্গণে খুলনা মহানগরীতে বসবাসরত করোনা ভাইরাসজনিত কারণে অসহায় হিজড়া সম্প্রদায়ের সদস্যদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়। এ সময়ে উপস্থিত ছিলেনÑবাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদ, খুলনা মহানগর শাখার সভাপতি শ্যামল হালদার, সাধারণ সম্পাদক প্রশান্ত কুমার কু-ু, কোষাধ্যক্ষ রতন কুমার নাথ, খুলনা সদর থানা পূজা পরিষদের সভাপতি বিকাশ কুমার সাহা, সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব সাহা লব, বিশিষ্ট ধর্মানুরাগী সমাজসেবক বাবলু বিশ্বাস, রাজদ্বীপ ঘোষ, গৌরাঙ্গ সাহা, বাংলাদেশ যুব ঐক্য পরিষদ-খুলনা মহানগর সভাপতি বিশ্বজিৎ দে মিঠু, উজ্জ্বল ব্যানার্জী, ভবেশ সাহা, রবীন দাস, রূপম দে প্রমুখ।

খুলনায় বাসভাড়া বৃদ্ধির প্রতিবাদ সভা ও মানববন্ধন

খবর বিজ্ঞপ্তি

করোনা মহামারীতে কর্ম হারিয়ে মহাসংকটে পতিত দেশের জনগণের উপর জোর করে চাপিয়ে দেওয়া গণপরিবহনের বর্ধিত ভাড়া প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি খুলনা জেলা কমিটি ।

রবিবার দুপুরে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি খুলনা জেলা কমিটির উদ্যোগে “করোনা সংকটে দিশেহারা মানুষের উপর চাপিয়ে দেওয়া গণপরিবহণের বর্ধিত ভাড়া প্রত্যাহারের দাবিতে” খুলনা প্রেসকাবের সামনে আয়োজিত এক প্রতিবাদ সভা ও মানববন্ধনে বক্তারা এই দাবি জানায়।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, দেশে করোনা মহামারী কারনে কর্মহীন ও আয় বঞ্চিত খেটে খাওয়া নি¤œ আয়ের মানুষের উপর গণপরিবহনের ভাড়া এক লাফে ৬০% বৃদ্ধির ফলে জনগণ আজ দিশেহারা। ইতিমধ্যে এই ভাড়া বৃদ্ধির প্রতিবাদে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি কেন্দ্রীয় কমিটি তীব্র প্রতিবাদ অব্যাহত রয়েছে।

এই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় সামাজিক ও শারীরিক দুরত্ব বজায় রেখে আয়োজিত একজনাকীর্ণ এই প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন যাত্রী কল্যাণ সমিতি খুলনা জেলা কমিটির পক্ষে সভাপতিত্ব করেন – আলহাজ্ব গাজী অহিদুজ্জামান খোকন, পরিচালনা করেন – সদস্য সচিব জিএম ইউনুস আলী, সদস্য – আলহাজ্ব জাহিদ হাবিব, মোঃ রাশেদ রানা, এসএম নাজমুল হক, গাজী আখতার হোসেন, এস এম নজরুল ইসলাম প্রমুখ।

প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা অনতিবিলম্বে অন্যায় ও অযৌক্তিকভাবে অসহায় জনগণের উপর জোর করে চাপিয়ে দেওয়া গণপরিবহনের বর্ধিত বাসভাড়া প্রত্যাহার করে পুর্বের ভাড়া বহাল রাখার দাবী জানান।

জেপির উদ্যোগে ৬ দফা দিবস পালিত

খবর বিজ্ঞপ্তি

রবিবার বাঙালির মুক্তির সনদ ৬দফা দিবস পালনের লক্ষে জাতীয় পার্টি-জেপি খুলনা জেলা শাখার উদ্যোগে এক আলোচনা সভা সকাল ১১টায় সংগঠনের ১২ কে সি সি সুপার মার্কেটের জেলা শাখার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। জেপি খুলনা জেলা শাখার সিনিয়র সহ-সভাপতি ডঃ এস এম জাকারিয়ার সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক মোঃ মোশারেফ হোসেন হাওলাদারের পরিচালনায় এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি জেপির প্রেসিডিয়াম সদস্য শরীফ শফিকুল হামিদ চন্দন, বিশেষ অতিথি হিসাবে জেপির মহনগর শাখার সভাপতি এম এস রাশিদা করিম ও সাম্যবাদী দলের খুলনা জেলা শাখার সভাপতি জনাব এফ এম ইকবাল উপস্থিত ছিলেন। মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে আজকে এই দিবসটি অত্যন্ত সাড়ম্বরে পালনের ইচ্ছা থাকলেও করোনার কারনে বিশেষ পরিস্থিতিতে জেপির সীমিত আকারে এই আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চৌধুরী হাবিবুর রহমান, ডা নজরুল ইসলাম খান, ইঞ্জিনিয়ার শরিফুল ইসলাম, আলহাজ্ব মোঃ আব্দুস সামাদ, আবু জাফর, আলহাজ্ব মোয়াজ্জেম হোসেন, ইব্রাহিম হোসেন প্রমুখ নেতৃবৃন্দ। প্রেসিডিয়াম সদস্য শরীফ শফিকুল হামিদ চন্দন বলেন ৬দফা বাঙালির মুক্তি সনদ জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর বিচক্ষন নেতৃত্বে প্রণয়ন করা হয়েছিল। এই ৬ দফা আন্দোলনের কারনেই তদানিন্তন পাকিস্তানের স্বৈরাচারী শাসক গোষ্ঠীর ভিত্তি নড়ে যায় এবং ১৯৭১ সালের মুক্তির সংগ্রামের মাধ্যমে আমরা একটি স্বাধীন রাষ্ট্র অর্জন করি। তিনি এই স্বাধীনতা রক্ষার জন্য দেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সকল শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ থেকে যেকোন প্রকার সংকট মোকাবিলার আহবান জানান।

নিজেদের সুরক্ষার পাশাপাশি সর্বোচ্চ মানবিকতা প্রদর্শন করুন: খুবি উপাচার্য

খবর বিজ্ঞপ্তি

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামান বর্তমান করোনা ভাইরাসের মহামারী পরিস্থিতিতে চিকিৎসকসহ সকলের প্রতি সতর্কতা অবলম্বন করে নিজেদের সুরক্ষার পাশাপাশি টিকে থাকার এ সংগ্রামে সর্বোচ্চ মানবিকতা প্রদর্শনের জন্য আহবান জানিয়েছেন। তিনি রবিবার বেলা ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারের ডাক্তারদের সাথে এক ভিডিও কনফারেন্সে বৈঠককালে এ আহবান জানান। উপাচার্য বলেন আমারা বিশ্বাস করি জীবন-মৃত্যু মহান আল্লাহর হাতে। বর্তমান করোনা মহামারী পরিস্থিতিতে সুস্থ থাকার জন্য আমাদের সতর্ক থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে-এর বিকল্প নেই। তিনি বলেন সব জ্বর-সর্দি-কাশির উপসর্গই করোনা নয়, এছাড়া আমাদের দেশে আরও অসংক্রামক রোগও আছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে সীমিত পরিসরে খুললেও ক্যাম্পাসে অনেক শিক্ষক, কর্মকর্তা কর্মচারি সপরিবারে বসবাস করেন। আশপাশে এবং খুলনা শহরেও বিশ্ববিদ্যালয়ে অনেকেই থাকেন। তাই এই পরিস্থিতিতে করোনা চিকিৎসার সক্ষমতা বা সুবিধা আমাদের মেডিকেল সেন্টারে নেই এটা সত্য, কিন্তু প্রাথমিক চিকিৎসা বা সাধারণ রোগের চিকিৎসার সুযোগ এখানে যাতে থাকে সে জন্য আমরা জোর দিতে চাই। বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো একজন শিক্ষক, কর্মকর্তা কর্মচারি ন্যুনতম সে সেবাটুকু যাতে পান। তিনি বলেন বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রথমেই চিকিৎসকদের নিজেদের সুরক্ষা করেই চিকিৎসা সেবা দিতে হবে। অনেক চিকিৎসক, অনেক সার্ভিসে কর্মরত মানুষ নিজেদের জীবনকে বাজি রেখে করোনা ভাইরাস পরিস্থিতিতে লড়াই করে যাচ্ছেন, এটা সর্বোচ্চ মানবতা প্রদর্শন, মহৎ কাজ। ভিডিও কনফারেন্সে আলোচনার পর সিদ্ধান্ত হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারের চিকিৎসকদের সুরক্ষা সরঞ্জামসহ বেশকিছু চিকিৎসাসরঞ্জাম জরুরীভিত্তিতে ক্রয় করা হবে। ইলেক্ট্রনিক থার্মমিটার, থার্মাল স্কানার, অক্সিমিটার, প্রয়োজনীয় অক্সিজেন সিলিন্ডার, পিপি, মাস্ক এবং ডিউটি রুমের পরিবেশ উন্নত করা প্রভৃতি এর মধ্যে রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর সাধন রঞ্জন ঘোষ, রেজিষ্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস, সংশ্লিষ্ট কমিটির সদস্য ফার্মেসি ডিসিপ্লিন প্রধান প্রফেসর ড. আশীষ কুমার দাস, মেডিকেলসেন্টারের চিফ মেডিকেল অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) ডাঃ কানিজ ফাহমিদা এবং সেন্টারের অন্যান্য চিকিৎসকবৃন্দ এসময় সংযুক্ত ছিলেন। চিকিৎসকবৃন্দ কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা ও চিকিৎসা সরঞ্জাম ক্রয়ের উদ্যোগকে সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত বলে এ উদ্যোগ গ্রহণের জন্য উপাচার্যকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

দাকোপে পাউবোর জায়গা জোর পূর্বক দখলের অভিযোগ

দাকোপ (খুলনা) প্রতিনিধি

খুলনার দাকোপে জয়নগর এলাকায় ফের পাউবোর জায়গা দখলের অভিযোগ উঠেছে। বর্তমানে জোর পূর্বক দখলকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। এঘটনায় দখলকারী গংদের বিরুদ্ধে প্রতিকার চেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন ভোগদখলকার মালিক পক্ষরা।

লিখিত অভিযোগ সূত্রে ও সরেজমিনে জানা গেছে উপজেলার জয়নগর এলাকায় দীর্ঘ কয়েক বছর যাবৎ ওই এলাকার রহমত শেখ গংরা একই এলাকার ইয়াদুল ইসলাম গংদের ভোগদখলীয় সম্পত্তির সম্মুখে পাউবোর ওয়াপদা বেড়িবাঁধের পাশে দখল করে পাকাঁ স্থাপনা বানিয়ে দোকানের ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিল।

জয়নগর এলাকার ইয়াদুল ইসলাম ও হাফিজুর রহমান হাফিজ জানান, বিশ^ বাংকের অর্থায়নে পাউবোর ৩২নং পোল্ডারের ন্যায় জয়নগর এলাকায় নতুন ওয়াপদা বেড়িবাঁধ নির্মান কাজ চলছে। কয়েক মাস আগে অবৈধ দখলকারী রহমত গংদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বেড়িবাঁধের নীচে পড়ায় আর কখনো ওই জায়গা দখল করবে না মর্মে অঙ্গিকার নামা দিয়ে ক্ষতিপূরন বাবদ তারা জেলা প্রশাসকের জমি অধিগ্রহন শাখা থেকে প্রায় ৫ থেকে ৭ লাখ টাকা করে উত্তোলন করেন। কিন্তু বর্তমানে ওই স্থানে বেড়িবাঁধ নির্মান হওয়ার পর পূনরায় আবার রহমত গংরা ওই জায়গায় জোর করে দোকানঘর তৈরী করতে যান। এসময়ে তারা বাঁধা দিতে গেলে তাদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে মারপিট করতে উদ্ব্যত হয়। এঘটনার প্রতিকার চেয়ে তারা ওই দখলকারীদের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন।

রহমত শেখ বলেন তিনি জয়নগর বাজারে রাস্তার পাশে ঘর নির্মান করে অনেক দিন যাবৎ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান চালিয়ে আসছেন। তিনি বিশ^ ব্যাংকের দেয়া ক্ষতিপূরনের টাকাও পেয়েছেন। তাপরও বাজারের দিন কাচা মাল বিক্রির জন্যে বাশ দিয়ে ঘর বাধছিলেন বলে জানান।

ইউনিয়ন ভূমি সহকারী (তহশীলদার) ইলিয়াজ হোসেন জানান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এসিল্যান্ড স্যারের নির্দেশে ঘটনাস্থলে যেয়ে দেখি পাউবোর জায়গা দখলে নিয়ে রহমত গংরা বাশ দিয়ে ঘর নির্মান করছেন। তিনি সাথে সাথে কাজ বন্দো করে দিয়েছেন বলে জানান।

বিশ^ ব্যাংকের ইনঞ্জিয়ার সামসুর রহমান বলেন, পাউবোর প্রকৌশলীকে সাথে নিয়ে এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসার পুলিশ ফোর্স দিলে গোটা পোল্ডারে অভিযান চালিয়ে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে।

এবিষয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী সিইআইপি-১ আশরাফুল আলম জানান, বেড়িবাঁধ নির্মানধিন সব এলাকায় মাইকিং করে সতর্ক করা হবে। পরে অভিযান চালিয়ে এসব অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করা হবে।

উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি বলেন স্থানীয় তহশীলদার (নায়েবকে) ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছিল এবং তিনি তা নিয়েছেনও। বর্তমানে সেখানে ঘর বানোর কাজ বন্দো করে দিয়েছেন বলে জানান। এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবদুল ওয়াদুদ জানান, অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমিকে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

ঝিনাইদহে আ’লীগ নেতার মৃত্যু, ব্যাপক তান্ডব 

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

ঝিনাইদহ সদর উপজেলার হরিশংকরপুর ইউনিয়নের হরিশংকরপুর গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত আওয়ামী লীগ নেতা নুর ইসলাম (৪০) মারা গেছে। রোববার বিকেলে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধিন অবস্থায় তিনি মারা গেছেন। এ নিয়ে মারা গেল ২ জন। নিহত নুর ইসলাম ওই গ্রামের রিয়াজুল বিশ^াসের ছেলে। স্থানীয়রা জানায়, আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সদর উপজেলার হরিশংরপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান খন্দকার ফারুকুজ্জামান ফরিদের সমর্থক আলাপ শেখ ও নুর ইসলামকে গত বৃহষ্পতিবার বিকালে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে বর্তমান চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল মাসুমের লোকজন। সেখান থেকে আহত আলাপ শেখকে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হলে ওই দিন সে মারা যায়। আহত নুর ইসলামকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে রোববার বিকেলে সেও মারা যায়।

এদিকে মারা যাওয়ার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে শুরু হয় ভাংচুর ও লুটপাট। সাবেক চেয়ারম্যান ফরিদের নেতৃত্বে শত শত নারী পুরুষ প্রতিপক্ষের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাংচুর করে। এসময় তারা গরু, ছাগল, আসবাবপত্র, ধান-চাল লুট করে নিয়ে গেছে। ওই গ্রামসহ আশপাশের গ্রাম থেকে লোক এসে এ ভাংচুর চালায়।

এ ব্যাপারে ঝিনাইদহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আবুল বাশার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি শান্ত করে। তারপর থেকে গ্রামে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

এর আগে আলাপ শেখ নিহতের ঘটনায় শুক্রবার রাতে আলাপ শেখের ভাই গোলাপ শেখ বাদী হয়ে ২৫ জনের নাম উল্লেখ ও ১০ জন অজ্ঞাত নামা ব্যক্তির নামে ঝিনাইদহ সদর থানায় মামলা করেন। পুলিশ এ ঘটনায় ৬ জনকে গ্রেফতার করেছে।

খুলনায় ঘূর্ণিঝড় আম্পানে ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে ইসলামী আন্দোলনের নগদ অর্থ প্রদান

খবর বিজ্ঞপ্তি

খুলনায় ঘূর্ণিঝড় আম্পানে ক্ষতিগ্রস্ত ৫শ পরিবারের মাঝে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটি, মহানগর ও জেলার যৌথ উদ্দোগে  নগদ অর্থ প্রদান করা হয়। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুস আহমাদ এর নেতৃত্বে পীর সাহেব চরমোনাইর একটি প্রতিনিধি দল রবিবার (৭ জুন) খুলনা জেলার কয়রা উপজেলায় ঘুর্ণিঝড় আম্পানে ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা পরিদর্শন করেন  এবং পাঁচ  শতাধিক পরিবারকে নগদ অর্থ প্রদান করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটির অন্যতম সদস্য ও ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মাওলানা খলিলুর রহমান, কেন্দ্রীয় শুরার সদস্য ও ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের কেন্দ্রীয় জয়েন্ট সেক্রেটারী জেনারেল মুফতী মোস্তফা কামাল, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ খুলনা মহানগর সহ-সভাপতি মুফতি মাহাবুবুর রহমান, জেলা সহ সভাপতি মাওঃ রেজাউল করীম, ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন খুলনা জেলা সভাপতি মাওঃ গাজী নুর আহমাদ, হাফেজ আসআদুল্লাহ আল গালীব, মাওলানা মাহবুব আলম, মাওলানা হাফিজুর রহমান, মাওলানা শায়খুল ইসলাম বিন হাসান, ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন কেন্দ্রীয় কলেজ বিষয়ক সম্পাদক এম এ হাসিব গোলদার, ইসলামী যুব আন্দোলনের মাওলানা মুস্তাফিজুর রহমান, শেখ আমীরুল ইসলাম, ইশা ছাত্র আন্দোলনের শেখ নাজমুস সাকিব, কাজী মোঃ আল আমীন, মোঃ রায়হান, মোঃ সাব্বির, কাবির, রাকিব, মেহরাব হোসেন প্রমুখ নেতৃবৃন্দ। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে নগদ অর্থ বিতরণয়কালে ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব মাওলানা ইউনুছ আহমাদ বলেন, উপকূলীয় অঞ্চল খুলনা ও সাতক্ষীরা অঞ্চলে বেড়িবাঁধ নির্মাণে সীমাহীন দুর্নীতি হয়েছে। কোন রকম দায়সাড়া গুসের বেড়িবাঁধ নির্মাণ করে সব টাকা সরকার দলীয় লোকজন লুটপাট করে খেয়েছে। ফলে উপকূলীয় অঞ্চলে আম্পানসহ ঘূর্ণিঝড়ে সীমাহীন ক্ষতির মুখোমুখি হতে হয় এসব অঞ্চলের মাুষের। তিনি বলেন, আম্পানে দুগর্ত এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের পাশে দাড়ানোর সকলের মানবিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্যে সমাজের বিত্তবানদেরকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। ইসলামী আন্দোলণ বাংলাদেশ যেকোন দুর্যোগে অসহায় মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করে যাচ্ছে।

আম্ফানে বাসা হারানো পাখিদের জন্য কৃত্রিম বাসা স্থাপন

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

সম্প্রতি আঘাত হানা ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের আঘাতে মানুষের মতো বাসা হারিয়েছে পাখিরাও। বিশ্ব পরিবেশ দিবসে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় পাখিদের নিরাপদ থাকার জন্য সাতক্ষীরার তালা উপজেলা পরিষদকে পাখির অভয়াশ্রম ঘোষণা করেছেন তালা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.ইকবাল হোসেন।

শুক্রবার সকালে তালা উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন তালা ব্লাড ব্যাংকের কর্মীরা গাছে গাছে পাখির নিরাপদ বাসার জন্য মাটির তৈরি ভাড় (কলস) স্থাপন করে দেয়।

পাখির অভয়াশ্রমের জন্য পাখির বাসা স্থাপনকালে উপস্থিত ছিলেন তালা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ঘোষ সনৎ কুমার, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ইকবাল হোসেনসহ ব্লাড ব্যাংকের স্বেচ্ছাসেবীরা।

উদ্বোধনকালে তালা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ইকবাল হোসেন বলেন, পাখিরা পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে। আম্ফান ঝড়ে মানুষের মতো ঘর-বাড়ি হারিয়েছে পাখিরাও।পাখির জন্য দেয়া কৃত্রিম বাসাগুলোতে নিরাপদে থাকতে পারবে পাখিরা। উপজেলা পরিষদ হবে পাখির নিরাপদ অভয়াশ্রম।

পাখির এ কৃত্রিম বাসা উদ্বোধনকালে তালা সদর প্রেসকাবের সভাপতি মো. আব্দুল জব্বার, উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি শেখ সাদিসহ তালা ব্লাড ব্যাংকের স্বেচ্ছাসেবীরা উপস্থিত ছিলেন।

খুলনায় করোনা উপসর্গ নিয়ে দুই নারীসহ তিনজনের মৃত্যু

স্টাফ রিপোর্টার

খুলনায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে ফরিদ হোসেন (৬০) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। রোববার দুপুর ৩টার দিকে করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। মৃত ফরিদ হোসেনের বাড়ি নগরীর মোহাম্মদনগর এলাকায়। এ নিয়ে করোনা আক্রান্ত হয়ে খুলনায় ৫ জনের মৃত্যু হলো।

অপরদিকে, এর আগে করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন আরও দুই নারী। রোববার সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের করোনা সাসপেক্টেড আইসোলেশন ওয়ার্ডে তাদের মৃত্যু হয়। মৃত দুই নারী হলেন নড়াইল সদর উপজেলার হাটবাড়িয়া গ্রামের আব্দুল মান্নানের স্ত্রী রোকেয়া (৬৫) ও গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়া উপজেলার বদরুল আলমের স্ত্রী কামরুন্নাহার (৪৫)। তারা দুইজনই জ্বর ও শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন।

খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক (আরএমও) ও করোনা ইউনিটের মুখপাত্র ডা. মিজানুর রহমান জানান, বৃদ্ধ ফরিদ হোসেন খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ফু কর্নারে ভর্তি ছিলেন। করোনা পজিটিভ শনাক্ত হওয়ার পর শনিবার বিকালে তাকে করোনা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার দুপুর ৩টার দিকে তিনি মারা যান।

তিনি আরও জানান, এর আগে রোববার সকাল ৮টায় জ্বর ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে নড়াইল সদর উপজেলা সদরের হাটবাড়িয়া গ্রামের আবদুল মান্নানের স্ত্রী রোকেয়া বেগমকে (৬৫) হাসপাতালের করোনা সাসপেক্টেড আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় বেলা ১১টায় তিনি মারা যান। এছাড়া শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়া কলোনি রোডের বাসিন্দা বদরুল আলমের স্ত্রী কামরুন নাহারকে (৪৫) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি রবিবার সকাল ৭টায় মারা যান।

ডা. মিজানুর রহমান জানান, মৃত দুই নারী করোনায় আক্রান্ত ছিলেন কিনা তা জানার জন্য নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এই নিয়ে খুলনায় করোনা উপসর্গ নিয়ে ৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের দপ্তর সূত্র জানায়, এ নিয়ে খুলনা বিভাগের দশ জেলায় ১৩ জন করোনা রোগীর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে খুলনায় ৫ জন, বাগেরহাটে ২ জন, যশোরে ১ জন, নড়াইলে ২ জন, চুয়াডাঙ্গায় ১ জন ও মেহেরপুরে ২ জন।

সোনাডাঙ্গা পাইকারী  কাঁচা বাজারে মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি : ঝুঁকিতে ব্যবসায়ীরা

সেলিম মৃধা 

নগরীর সোনাডাঙ্গা পাইকারী কাঁচা বাজারে স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরিচালিত হচ্ছে না ব্যবসা। ফলে দিন দিন করোনা ঝুঁকি বাড়ছে এ প্রতিষ্ঠানে। সম্প্রতি বাজার পরিচালনা কমিটির সভাপতি করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় আতংকিত হয়ে পড়েছে বাজারের ব্যবসায়ীরা।    

গতকাল রবিবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পাইকারী কাঁচা বাজারে খাবার হোটেল রয়েছে ৯টি, চা ও সিগারেটের দোকান রয়েছে ১০টি, সেলুন রয়েছে ৩টি, মুদিখানা দোকান ২টিসহ অন্যান্য বেকারী, মিষ্টির দোকান রয়েছে। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত এসব দোকানে চলছে স্বাস্থ্য বিধি না মেনে বিকিকিনি। পাশাপাশি কাঁচা বাজার অভ্যন্তরে ১৫৩টি ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। প্রতিটি ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানে নিযুক্ত রয়েছেন ৩ জন কর্মচারি। এছাড়া সোনাডাঙ্গা কাঁচা বাজার হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়ন (রেজিঃ-১৯৪৬) এ কর্মরত শ্রমিক মালামাল উঠানো (রফতানি) ১৩০ জন, মালামাল নামানো (আমদানী) ১১০জন রয়েছেন। বস্তা সেলাই কাজে নিযুক্ত রয়েছেন ৯০জন।

প্রতিদিন দেশের ঠাকুরগাও, মেহেরপুর, ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা, চৌগাছা, কালিগঞ্জ, সাতক্ষীরা, গোপালগঞ্জ, বাগেরহাট, পিরোজপুর, পাইকগাছা, ডুমুরিয়াসহ বিভিন্ন জায়গা থেকে শাক-শবজি, ফল, পেয়াজ-রসুন, আদা, আলু কাঁচা বাজারে পাইকারী ও খুজরা দরে বিকিকিনি হচ্ছে। প্রতিদিন ২০০টির মতো ছোট-বড় ট্রাকের মালামাল উঠানো-নামানো হয়। প্রত্যেহ সন্ধ্যা নামার সাথে সাথে কাঁক ডাকা ভোর পর্যন্ত চলে কাঁচা মালামাল বিকিকিনি। বর্তমান বিশ্বের প্রতিটি দেশে মরনব্যাধি করোনা ভাইরাস সংক্রোমন বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশে ও এর বিস্তার লাভ শুরু হয়েছে। ফলে পাইকারী কাচা বাজারে প্রতিদিন এতো জনবল স্বাস্থ্যবিধি মেনে তাদের কার্যকক্রম পরিচালনা করতে পারছে কি না তাতে ও সংশয় থেকে যায় ।

কাঁচা বাজারের উষা বানিজ্য ভান্ডারের পরিচালক আবুল কালাম জানান, প্রতিদিন এতো জনবল সামলাতে আমরা হিমশিম খাচ্ছি। করোনা ভাইরাস থেকে মুক্তি পেতে যে কঠোর নিয়ম রয়েছে সেটি বাজারের অভ্যন্তরে মেনে চলা যাচ্ছেনা।

সবজি ক্রেতা সাতক্ষীরার কামরুজ্জামান বলেন, বাজারের জন সচেতনতা আরো বৃদ্ধি করা প্রয়োজন তা না হলে এই রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে না। সম্প্রতি বাজারের মসজিদেও মাইক দিয়ে ছয় জন সনাক্তের বিষয় প্রচার করা হলে ও বিষয়টি ধামাচাপা পড়ে গেছে।

১৮ মাইল থেকে আসা আড়তদার এরশাদ আলি মোরলকে মাক্র না পরে বাজারে আসার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কথা না বলে দ্রুত এক প্রকার পালিয়ে যান। তিনি এবং তার ৪/৫ জন সহযোগী একটি ট্রাকে কাঁচা মালামাল নিয়ে বাজারে প্রবেশ করেন।

বাজারের মালিক সমিতির সাধারন সম্পাদক মাইনুল ইসলাম নাছির কে অফিস কক্ষে না পেয়ে তার ব্যাক্তিগত মুঠো ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান।

অফিসে থাকা বিদ্যুৎ মিস্ত্রি কামরুজ্জামান বাবলু জানান, বাজারের সকল দৃশ্য এক নজরে দেখতে বিভিন্ন স্থানে ১৬টি সিসি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। প্রতিদিন বাজারে আসা সাধারন শ্রেনিকে করোনা বিষয়ে সচেতন করতে ১০জন সেচ্ছা সেবক কাজ করছেন। তিনটি শব্দ যন্ত্র (মাইক) দ্বারা প্রত্যেককে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দুরত্বে চলাফেরা করতে বলা হচ্ছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যাক্তি বলেন, দিনের বেলায় চ্যাচামেচি শোনা গেলেও রাতের মধ্যভাগের দৃশ্যটি অন্যরকম। বিভিন্ন মালামাল বিকিকিনির সময় ব্যাস্ততা বেড়ে গিয়ে পরিবেশ ঘোলাটে হয়ে যাচ্ছে। খাবার হোটেল গুলোতে স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছ না। ফলে এই মরন ব্যাধি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। চায়ের দোকান গুলোতে চা ও ধুমপানে ব্যস্ত সাধারন শ্রেনি দুরত্ব বজায় রাখতে হিমসিম খাচ্ছেন। বর্তমানে বাজারে সংশ্লিষ্ট প্রসাশনের হস্তক্ষেপে মনিটরিং না করলে মৃত্যু ঝুকি অধিকাংশে বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে সচেতন মহল মনে করছেন।  বাজার পরিচালনার বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলেও মনে করছেন অভিজ্ঞমহল ।