স্টাফ রিপোর্টার।।
নর্থ ওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগে শিক্ষার্থী মো. আজমুল হোসেন হত্যাকাণ্ডের তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। মামলায় গ্রেপ্তারকৃত চার আসামির মধ্যে সর্বশেষ আসামি খুবির সাবেক শিক্ষার্থী শেখ আসিফ হাসানও আদালতে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এর মধ্য দিয়ে মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া চারজনই হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার দায় স্বীকার করলেন।
গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) খুলনা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৪-এর বিচারক ইব্রাহিম খলিল মুহিম প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে আসামি আসিফের জবানবন্দি রেকর্ড শেষে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এর আগে গত মঙ্গলবার মামলার অপর আসামি হাসানাত হাবিব রিফাত এবং বুধবার তারেক হাসান রুবেল ও বিসিএস কৃষি ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত প্রতাপ সরকার আদালতে একই ধরনের জবানবন্দি প্রদান করেন।
মামলার বিবরণী ও নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ১৮ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের হল রোড সংলগ্ন ইসলামনগর সড়কের একটি বহুতল ভবনের ছাদে ভাত চুরির সামান্য অভিযোগে আজমুলকে নির্মমভাবে মারধর করা হয়। নিহতের পিতা কুতুবউদ্দিনের অভিযোগ, ঘাতকেরা ফোনে তাঁর কাছে এক লাখ টাকা দাবি করে এবং সময় চেয়েও কোনো কাকুতি-মিনতিতে তারা সাড়া না দিয়ে ছেলেকে পিটিয়ে ছাদ থেকে ফেলে হত্যা করে।
হরিণটানা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ইকবাল হোসেন জানান, আজমুলকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে নাকি মারধরের একপর্যায়ে ছাদ থেকে ফেলে দেওয়া হয়েছে-তা উদ্ঘাটনে জবানবন্দিগুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। আজমুলের বাবার দায়ের করা হত্যা মামলায় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী ও বহিরাগতসহ ২০ থেকে ২৫ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।
স্পেশাল র্যাপিড ব্যাটালিয়ন (এসআরবি-৬)-এর সিও নিস্তার আহমেদ জানান, পুলিশের সমন্বয়ে ইতোমধ্যে বিভিন্ন জেলায় সফল অভিযান পরিচালনা করে মূল আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং প্রযুক্তির সহায়তায় এজাহারভুক্ত বাকিদের গ্রেপ্তারে যৌথ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।










































