Home আঞ্চলিক সারা খুলনা অঞ্চলের খবর

সারা খুলনা অঞ্চলের খবর

64

চালুর আগেই খুলনা-ঢাকা রুটে পার্সেল ট্রেন বন্ধ

স্টাফ রিপোর্টার

করোনার কারণে ৩৬ দিন বন্ধ থাকার পর খুলনা-ঢাকা পার্সেল ট্রেন সার্ভিস চালু করা হলেও ব্যবসায়ীদের অনাগ্রহে তা আলোর মুখ দেখেনি। চালু ঘোষণার ৩ দিন পরই তা আবার বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

খুলনা রেল স্টেশনের স্টেশন মাস্টার বুলবুল আহমেদ বলেন, ‘খুলনা থেকে পার্সেল ট্রেনটি ১ মে বিকালে ছাড়ার কথা থাকলেও তা সম্ভব হয়নি। ব্যবসায়ীদের সাড়া না থাকা এবং মালামাল বুকিং না হওয়ায় ট্রেনটি ছাড়তে পারেনি। শনিবার ও রবিবার বিকাল পর্যন্ত ব্যবসায়ীদের সাড়া না থাকায় রবিবারও নির্ধারিত দিনে ট্রেনটি ছাড়া সম্ভব হয়নি। ব্যবসায়ী মহলে যোগাযোগ অব্যাহত রেখেও কোনও সাড়া না পাওয়ায় সোমবার সার্ভিসটি ফের বন্ধ করা হয়েছে। খুলনা বড় বাজারের পাইকারি ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান বলেন, ‘পণ্য পরিবহনে সড়ক পথে বাধা পেতে হচ্ছে না। ট্রেনের থেকে সড়ক পথে পণ্য পরিবহন সুবিধাজনক।’

সোনাডাঙ্গা কাঁচামালের আড়তের সোহেল হোসেন বলেন, ‘খুলনা-ঢাকা রুটে ট্রেনে মালামাল পরিবহন করা যাবে তা অনেকেই জানেন না। আর ট্রেনে মালামাল পরিবহনে সময় এবং খরচ দুটোই বেশি।’

সোনাডাঙ্গা আড়তদার ব্যবসায়ী কায়সার হোসেন বলেন, ‘ট্রেনে মালামাল পরিবহন করতে হলে একই মাল কয়েকবার নাড়াচাড়া করতে হয়। যার কারণে অধিকাংশই সড়ক পথে সরাসরি আড়তে নিয়ে আসেন পণ্য।’

ঝিনাইদহে চিকিৎসক-সেবিকাসহ আরও ৪ জনের করোনা

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

ঝিনাইদহে চিকিৎসক-সেবিকাসহ আরও চার জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা এখন ৩২ জন। বুধবার (৬ মে) সকালে জেলা সিভিল সার্জন অফিস এই তথ্য নিশ্চিত করে। নতুন শনাক্তরা হলেন, কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক চিকিৎসক ও কোটচাঁদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক সেবিকা এবং বাকি দুই জন নারায়ণগঞ্জ ফেরত।

ঝিনাইদহ সিভিল সার্জন অফিসের করোনা ইউনিটের মেডিক্যাল অফিসার ও মুখপাত্র ডা. প্রসেনজিৎ বিশ্বাস পার্থ জানান, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সকালে ১৫টি নমুনার ফলাফল আসে। এরমধ্যে চিকিৎসক ও সেবিকাসহ নতুন চার জনের করোনা পজিটিভ ধরা পড়েছে। আর পুরাতনদের মধ্যে দুই জনের দেহে দ্বিতীয়বারের পরীক্ষায়ও করোনা পজিটিভ এসেছে। তিনি আরও জানান, জেলার প্রথম করোনা রোগীকে বর্তমানে শিশু হাসপাতালের আইসোলেশন ইউনিটে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তার শারীরিক অবস্থা এখন ভালো রয়েছে।

হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে সন্তান প্রসবের ঘটনায় তদন্ত কমিটি

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি না হতে পেরে জরুরি বিভাগের বাইরে ভ্যানের ওপর বাচ্চা প্রসবের ঘটনায় জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে পৃথক দু্টি তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছে। কমিটিকে এক সপ্তাহের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে মঙ্গলবার (৫ মে) সকাল সাড়ে ১০টায় সদর উপজেলার মাছখোলার ঝুটিতলা এলাকায় বাবার বাড়িতে অবস্থানকারী গৃহবধূ শিমুলি রানী এবং তার পরিবারে সঙ্গে দেখা করেন ও সদ্য ভূমিষ্ট শিশুর খোঁজ খবর নেন জেলা প্রশাসক এস এম মোস্তফা কামাল। এ সময় খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তা এবং প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া খাদ্য সহায়তা সামগ্রী পৌঁছে দেন তিনি। এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জন্য জেলা প্রশাসক দুঃখ প্রকাশ করেন। ওই পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন তিনি। এ ঘটনায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. বদিউজ্জামানকে প্রধান করে দুপুরে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছেন জেলা প্রশাসক।

জেলা প্রশাসক ভুক্তভোগী পরিবারের কাছ থেকে সেই দিনের বর্ণনা শুনে বিষয়টি তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন। সিভিল সার্জন ডা. হুসাইন শাফায়াত বলেন, ‘ঘটনাটির ভিডিও ফুটেজ দেখেছি। এটা খুবই দুঃখজনক। ভ্যানের ওপর বাচ্চা প্রসবের ঘটনায় গাইনি বিশেষজ্ঞ ডা. এহেছান আরাকে প্রধান করে আজ তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে আগামী ১ সপ্তাহের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ প্রসঙ্গত, গত (১ মে) সকালে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ঘোনা ইউনিয়নের ছনকা গ্রামের গৃহবধূ শিমুলী রাণী প্রসব বেদনা নিয়ে সদর হাসপাতালে যান। চিকিৎসক না থাকায় ও করোনার ভয়ে তাকে হাসপাতালে ভর্তি নেওয়া হয়নি। চিকিৎসকদের না পেয়ে সঙ্গে থাকা লোকজন হাসপাতালের বাইরে ভ্যানের ওপরেই কাপড় ঘিরে ডেলিভারি করান। ডেলিভারির পর সদর উপজেলার মাছখোলার ঝুটিতলা এলাকায় বাবার বাড়ি চলে আসেন শিমুলী। সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের বাইরেই এই ঘটনা ঘটে। বিষয়টি দাঁড়িয়ে দেখেও হাসপাতালের কেউ এগিয়ে আসেননি বলে গৃহবধূর পরিবার থেকে অভিযোগ উঠেছে।

গৃহবধুর বাবা পরেশ চন্দ্র দাশ বলেন, ‘শহরের দুটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলেও করোনার ভয়ে সেখানে ভর্তি না নিয়ে সদর হাসপাতালে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। সেখানে গিয়েও কোনও চিকিৎসা পাইনি।’ ঘটনার দিন হাসপাতালের জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. অসীম সরকার বলেন, ‘সেদিন আমি আমার রুমের মধ্যে ছিলাম। আমাকে কিছু জানানো হয়নি। বিষয়টি অন্য স্টাফদের কাছ থেকে পরে জেনেছি। জরুরি বিভাগে আসার আগেই ওই গৃহবধূর সন্তান প্রসাব হয়ে যায়। সে কারণে তাকে আর জরুরি বিভাগে ওঠানো হয়নি। সাধারণত রোগীকে জরুরি বিভাগে ঢোকানোর পর চিকিৎসক ডাকা হয়। স্টাফরা কেন আমাকে ডাকলো না সেটা আমি জানি না। তাদের উচিত ছিল আমাকে জানানো। আমার ডিউটি শেষ হওয়ার পর থেকে ১৪ দিনের হোম কোয়ারেন্টিনে আছি।’

মোল্লারহাটে র‌্যাবের অভিযানে গাঁজা গাছসহ গ্রেফতার ১

স্টাফ রিপোর্টার

বাগেরহাট জেলার মোল্লারহাট থানাধীন চরকুলিয়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে গাঁজা গাছসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৬। মঙ্গলবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে গোপন সংবাদের মাধ্যমে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার মাদক বিক্রেতা হলেন বাগেরহাট জেলার মোল্লারহাট থানার চরকুলিয়া গ্রামের মৃত. রমজান আলীর ছেলে মো. তুহিন আহম্মেদ রাজু হাওলাদার (২৬)।

র‌্যাব-৬, মঙ্গলবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে বাগেরহাট জেলার মোল্লারহাট থানাধীন চরকুলিয়া গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে র‌্যাবের একটি আভিযানিক দল। এসময় তার বসত ভিটায় রোপনকৃত ও নিজ হেফাজতে থাকা ছোট ও বড় ৪টি তাঁজা গাঁজার গাছসহ হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়। সে দীর্ঘদিন গাঁজার গাছ রোপন করে নিজ হেফাযতে রেখে চাষাবাদ, উৎপাদন, ক্রয়-বিক্রয় এবং সেবন করে আসছে। তার বিরুদ্ধে মোল্লারহাট থানায় মাদক আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

নগরীতে ত্রাণের দাবিতে ডিসি অফিসের সামনে বিক্ষোভ

স্টাফ রিপোর্টার

নগরীতে সরকারি ত্রাণ বঞ্চিত কয়েকশ মানুষ ত্রাণের দাবিতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে বিােভ করেছেন। গতকাল বুধবার দুপুর বারটার দিকে এ বিােভ কর্মসূচি পালন করেন তারা। এর আগে বিােভকারীরা খুলনা প্রেসকাবের সামনে বিােভ করেন।

বিােভকারীদের অভিযোগ, তারা সরকার বা বেসরকারি সংস্থা থেকে কোনো ত্রাণসহায়তা পাননি। খুলনা সিটি করপোরেশনের এক ওয়ার্ড কাউন্সিলর অভাবগ্রস্থদের পর্যাপ্ত পরিমাণে ত্রাণ সামগ্রী সরবরাহ করেননি। ওই কাউন্সিলর তার পরিচিতদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেছেন বলে অভিযোগ বিােভকারীদের।

বিােভে অংশ নেওয়া শান্তা বেগম বলেন, ‘তিনি যাকে চেনেন তাদের কাছে খাবার ও অন্যান্য পণ্য বিতরণ করেছেন। এটি পুরোপুরি স্বজনপ্রীতি। আমরা দুই মাস ধরে অনাহারে আছি। আমার ছয় সদস্যের পরিবার গত দুই মাসে মাত্র চার কেজি চাল, আধা কেজি তেল এবং দুই কেজি আলু পেয়েছি।’

“অন্য কোন বিকল্প না পেয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়েছিলাম কিন্তু ডিসির সঙ্গে দেখা করতে পারিনি। তিনি অফিসে ছিলেন না,’ বলেন আরেক বিােভকারী মোহাম্মদ সোলায়মান ।

বিােভকারীরা অভিযোগ করেছেন, ওই কাউন্সিলর ও তার লোকেরা বিােভকারীদের কারাগারে পাঠানোর হুমকি দিয়েছেন। তবে, অভিযুক্ত ওয়ার্ড কাউন্সিলর বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

অন্যদিকে, সকাল দশটার দিকে খুলনা জেলার ফুলতলা বাস টার্মিনালে ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ করেন কয়েকশ পরিবহন শ্রমিক। তাদের অভিযোগ এই এলাকায় বাস, ট্রাক, থ্রি হুইলার, ইজিবাইকের প্রায় চার শতাধিক পরিবহন শ্রমিক এখনও সরকারের কাছ থেকে কোনও সহায়তা পাননি। গত দুই মাসা তারা কর্মহীন অবস্থায় আছেন। পরে ফুলতলা উপজেলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার পরভীন সুলতানা তাদের আশ্বস্ত করলে সড়ক ছেড়ে দেন শ্রমিকরা।

গত ২৪ ঘন্টায় এক কিশোরীসহ যশোরে মোট আক্রান্ত-৭০

যশোর অফিস

বুধবার ৬ মে যশোরের আরো ১ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস পজিটিভ এসেছে। তিনি যশোরের অভয়নগর উপজেলার এক কিশোরী (১৩)। এ নিয়ে যশোর জেলায় সংক্রমন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে ৭০জন। যশোর সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডাক্তার রেহনেওয়াজ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

যশোর সিভিল সার্জন ডাক্তার শেখ আবু শাহীন জানান, বুধবার সকালে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনোম সেন্টারে ও খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ল্যাবে পাঠানো যশোর জেলা থেকে ৪৬ টি নমুনা পরীক্ষার মধ্যে একটি পজিটিভ এসেছে। খুলনা থেকে পাঠানো ২৩টি’র মধ্যে ২৩টি নেগেটিভ ও যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২৩ টি স্যাম্পুলের মধ্যে ১টিতে পজিটিভ এসেছে। করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত যশোরের অভয়নগর উপজেলার বাসিন্দা এক কিশোরী।

অপরদিকে, সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডাক্তার রেহনেওয়াজ জানান, মঙ্গলবার যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠানো ২৩ টি স্যাম্পুলের মধ্যে ১টি পজিটিভ এসেছে। একই দিন খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ল্যাবে পাঠানো ১৯টি’র সবক’টি নেগেটিভ এসেছে। তিনি আরো জানান,গত ৩ মে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো ৪৭টি নমুনা রিপোর্ট বুধবার ৬ মে আসেনি। উক্ত ৪৭টি রিপোর্ট পেন্ডিং রয়েছে। অপরদিকে, বুধবার ৬ মে যশোর জেলার ৬ উপজেলা থেকে ১৬টি স্যাম্পল সংগ্রহ করা হয়েছে। যে গুলি বৃহস্পতিবার ঢাকায় পাঠানো হবে।

প্রধানমন্ত্রীর উপহার পেল চৌগাছার অটিস্টিক শিশুরা

যশোর অফিস

যশোরের চৌগাছার পাশাপোল শহীদ মশিয়ূর রহমান অটিস্টিক প্রতিবন্দ্বী স্কুলের ২৭ জন শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর উপহার শিশুখাদ্য সামগ্রী বিতরন করলেন চৌগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহিদুল উসলাম।

বুধবার দুপুর ১২ টায় ওই স্কুল প্রাঙ্গনে শিশুখাদ্য বিতরন করা হয়।

এই সকল শিশুদের ব্যাপারে আমাদের প্রধানমন্ত্রী সবের্োচ্চ ভালবাসা প্রদানসহ সকল প্রকার তত্বাবধায়নের নির্দেশ দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর সেই ভালবাসার উপহার অঅজ আমি অঅপনাদের কাছে পৌছে দিতে এসেছি। উপহার বিতরনকালে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বললেন তিনি। এছাড়াও করোনা প্রতিরোধে করোনীয় সম্বন্ধে ওই সকল শিশুদের অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন এই বিশেষ বাচ্চাদের জন্য বর্ত মান সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ দৃষ্টি রয়েছে। তাইতো তাদের পড়ালেখার জন্য উপজেলাতে বিশেষ স্কুলেরও ব্যবস্থা করছেন। স্কুলটিতে মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৪১ জন। অটিস্টিক শিশুদেরকে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে ৪শ গ্রামের একটি মিল্কভিটার দুধ, ৫শ গ্রাম সুজি ও ৫শ গ্রাম করে চিনি শিশুখাদ্য হিসেবে দেয়া হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে বাকি সকল শিক্ষার্থীদেরকে দেয়া হবে। কিছুদিন পরে এসব শিশুদের খাদ্য কেনার জন্য সরকারি নগদ অর্থও সহায়তা দেয়া হবে বলেও জানালেন নিবার্হী কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম।।

যশোরের চৌগাছার সিংহ পুরুষ শহীদ মশিয়ুর রহমানের নামে ২০১৫ সালে এ স্কুলটির যাত্রা শুরু হয়। এ স্কুলে যথারীতি ১৪১ জন বাচ্চাদেরকে লেখাপড়া করানো হয়। তাদেরকে আনা নেওয়ার জন্যে আছে পৃথক যানবাহনের ব্যবস্থা। অতিদ্রুতই সেটি সরকারি অনুমোদন পাবে বলেও আশা প্রকাশ করেন স্কলুটি ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও ওই ইউনিয়নরে চেয়ারম্যান অবায়দুল ইসলাম সবুজ।

এসময় অন্যানের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ইশতিয়াক আহমেদ, চৌগাছা প্রেসকাবের সভাপতি জিয়াউর রহমান রিন্টুসহ স্কুলটির সকল শিক্ষক-কর্মচারি ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

যশোরের হুশতলায় হামলা জখম ভাংচুর লুটপাটের ঘটনায় মামলা: আটক ২

যশোর অফিস

৪ মে সোমবার সন্ধ্যারাতে শহরের বকচর হুশতলার এক বাড়িতে চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়ে ধারালো চাকু দিয়ে আঘাত করে নগদ টাকা স্বর্ণালংকর ছিনিয়ে ভাংচুর করেছে। এ ঘটনায় কোতয়ালি মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ হামলা সাথে জড়িত প্রধান আসামীসহ ২ দুইজনকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করে ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানিয়েছেন। আসামীরা হচ্ছে, যশোর শহরের বকচর হুশতলার মৃত কুটি মিয়ার ছেলে ইকবাল হোসেন,শাহীন কবির শাহীন,রেজাউলের ছেলে অনিক,মৃত মোকছেদ আলীর ছেলে নয়ন, ইমদাদুল শেখের ছেলে এতেশামুল,আনছার আলীর ছেলে আরমান,মৃত আলাউদ্দিনের ছেলে ইমাদুল মৃত কুটি মিয়ার ছেলে এনামুলসহ অজ্ঞাতনামা ১৫/২০জন। পুলিশ প্রধান আসামী ইকবাল হোসেন ও তার সহোদর এনামুলকে গ্রেফতার পূর্বক বুধবার আদালতে সোপর্দ করে ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানিয়েছেন।

শহরের বকচর হুশতলার মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে হাজী নজরুল ইসলাম পাটোয়ারী বাদি হয়ে মঙ্গলবার দুপুরে কোতয়ালি মডেল থানায় উল্লেখিত আসামীদের নাম উল্লেখ করে এজাহার দায়ের করেন। তিনি এজাহারে উল্লেখ করেন, তার ভাই সোহেল রানা লাভলু রিকশার ব্যবসা করেন। তার অপর ভাই সাইফুল ইসলাম জমি কেনা বেচার ব্যবসা করেন। কিছুদিন পূর্বে আসামী নয়ন সাইফুল ইসলামে মারপিট করে তার কাছ থেকে টাকা মোবাইল কেড়ে নেয়। এ ঘটনায় ভাই সোহেল রানা লাভলু ,মিন্টু গাজী প্রতিবাদ করে। ৪ মে বিকেল সোয়া ৫ টায় নজরুল ইসলাম পাটোয়ারীর এক ভাই মিন্টু গাজী বকচর চক্ষু হাসপাতালের সামনে গুলিবিদ্ধ হয়। মিন্টুগাজীকে নিয়ে পরিবারের সকলে ব্যস্ত থাকার সুযোগে সন্ধ্যা সোয়া ৭ টায় উক্ত আসামীরা সোহেল রানা লাভলুর বাড়িতে হামলা করে। তারা লাভলুকে ধারালো চাকু দিয়ে কুপিয়ে জখম করে। ঘরের শোকেচের ড্রয়ারের মধ্যে থেকে নগদ টাকা স্বর্ণালংকরসহ ২লাখ ৪০ হাজার টাকার মালামাল ছিনিয়ে গেট ভাংচুর করে চলে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় লাভলুকে  যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় পুলিশ ইকবাল হোসেন এনামুলকে গ্রেফতার করে। তবে মিন্টু গাজীর উপর গুলিবিদ্ধর ঘটনায় এখনও থানায় মামলা দায়ের করা হয়নি বলে পুলিশ জানিয়েছেন।

যশোর শহরে ৬ লক্ষাধিক টাকার ইলেক্ট্রিাক মালামাল চুরি

যশোর অফিস

খোদ শহরের এমএম আলী রোডস্থ তসবীর মহলের দ্বিতীয় তলার গোডাউন থেকে ইলেক্ট্রিক ৬ লক্ষাধিক টাকার মালামাল চুরির ঘটনায় কোতয়ালি মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। যশোর শহরের ১০১ ঘোপ নওয়াপাড়া রোডস্থ মৃত মনোয়ারুল হকের ছেলে সাইফুল হক বাদি হয়ে মঙ্গলবার দুপুরে কোতয়ালি মডেল থানায় অজ্ঞাতনামা চোর উল্লেখ করে মামলাটি দায়ের করেন।

সাইফুল হক  তার দায়েরকৃত এজাহারে বলেছেন, যশোর শহরের এমএম আলী রোডস্থ তসবীর সিনেমা হলের সামনে তার ইলেক্ট্রিক কর্ণার নামে এক একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছেন। তসবীর সিনেমা হলের দ্বিতীয়তলায় তার ৩টি গোডাউন রয়েছে। গত ২৭ এপ্রিল বিকেল ৫ টায় তিনি গোডাউন খুলে মালামাল দেখে তালা মেরে বাড়িতে চলে যায়। ৩ মে সকাল ১১ টায় গোডাউনে এসে দেখেন, ১, ২ ও ৩ নং গোডাউনের তালা, টিনের চালা খোলা। সংঘবদ্ধ চোরেরা গোডাউন থেকে, স্ট্যান্ড ফ্যান, চার্জার ফ্যান, বাল্বসহ ৬লাখ ১ হাজার ৩শ’ টাকার মালামাল চুরি করে নিয়ে গেছে।

যশোরে কারাগারে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত কয়েদীর মৃত্যু

যশোর অফিস

যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত কয়েদী  আসামী আছালত মিয়া (৫৬) নামে  এক ব্যক্তি মারা গেছে।  হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি মারা গেছে বলে  কারা কর্তৃপক্ষ জানান।

৬ মে বুধবার ভোরের দিকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছালত মারা যান। কয়েদী  আছালত ঝিনাইদহ জেলা সদরের গোপীনাথপুর পশ্চিমপাড়ার মৃত শমসের আলীর ছেলে। তিনি ঝিনাইদহ জেলার নারী-শিশু নির্যাতন দমন আইনের একটি মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামী।

যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার তুহিন কান্তি খান জানান, ঝিনাইদহ জেলা কারাগার থেকে আছালত মিয়া একটি ধর্ষন মামলায় সাজাপ্রাপ্ত ওই বন্দিকে ২০০৮ সালের ১৮ মে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। ঝিনাইদহের আদালতের জিআর  নং ৩১/০৬ মামলায় তাকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছিলেন। আসামি পক্ষ উচ্চ আদালতের শরণাপন্ন হন। পরে হাইকোর্ট মামলাটি পর্যালোচনা করে মৃত্যুদন্ডের বদলে তাকে যাবজ্জীবন কারাভোগের আদেশ দেন। এর পর থেকে আছালত যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে (কয়েদি নম্বর ৭৩৩০/এ) ছিলেন।

৪ মে রাত ৯টায় হঠাৎ আছালত হৃদরোগে আক্রান্ত হন। তখনই তাকে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। কিন্তু অবস্থার অবনতি হওয়ায় ওই রাতেই আছালতকে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। ৬ মে  বুধবার ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে। আছালতের ছোট ভাইয়ের স্ত্রী নার্গিস আলম মৃত্যুর খবর শুনে মরদেহ নিতে যশোর এসেছেন। তিনি দাবি করেন, একটি  মামলায় আছালত কারা ভোগ করছিলেন।

যশোরে তারেক রহমানে ঈদ উপহার বিতরণ

যশোর অফিস

যশোর সদর উপজেলায় বিএনপি’র শহীদ পরিবারের মাঝে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রেরিত ঈদ উপহার বিতরন করা হয়েছে।

জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম-সম্পাদক শহীদ আবদার ফারুক, জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শহীদ ফেরদৌস হোসেন, সদর উপজেলার ইছেলী ইউনিয়নে বিএনপির সাবেক সহসভাপতি শহীদ কহিনুর, শহীদ খলিলুর রহমান, কাশিমপুর ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের বিএনপির সাবেক সভাপতি শহীদ ইদ্রিস আলীর পরিবারের নিকট বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রেরিত ঈদ উপহার পৌঁছে দেওয়া হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন যশোর জেলা বিএনপির আহবায়ক অধ্যাপক নার্গিস বেগম, সদস্য সচিব সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, যুগ্মআহবায়ক দেলোয়ার হোসেন খোকন, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি নুরুন-নবী, সাধারন সম্পাদক কাজী আজম, যশোর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি রবিউল ইসলাম, সাধারন সম্পাদক মোস্তফা আমীর ফয়সাল, সাংগঠনিক সম্পাদক আলী হায়দার রানা সহ বিভিন্ন ইউনিয়ন বিভিন্ন বিএনপির সভাপতি সাধারন সম্পাদক সহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

এসময় শহীদ পরিবারের সদস্যরা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

কেশবপুর শিশুকল্যাণ প্রাথমিক বিদ্যালয়েরে সাইনবোর্ড ভাংচুর

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি

যশোরের কেশবপুর শিশুকল্যাণ প্রাথমিক বিদ্যালয়েরে সাইনবোর্ড ভাংচুরের অভিযোগ পাওয়াগেছে।

জানাগেছে, কেশবপুর পৌরসভার সাবদিয়া মৌজায় একটি সরকারী সম্পত্তিতে শিশুকল্যাণ প্রাথমিক বিদ্যালয়েরে নির্মাণ কাজ আইনগত জটিলতার কারণে স্থগিত হয়ে আছে। মঙ্গলবার গভীর রাতে কে বা কারা  শিশুকল্যাণ প্রাথমিক বিদ্যালয়েরে সাইনবোর্ডটি ভেঙ্গে ফেলে। এব্যাপারে শিশুকল্যাণ প্রাথমিক বিদ্যালয়েরে প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম জানান, বিদ্যালয়ের সাইনবোর্ডটি ভেঙ্গে ফেলার বিষয়টি তিনি উপজেলা প্রশাসনকে জানিয়েছেন।

কেশবপুরে তারেক রহমানের পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তা প্রদান

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি

যশোরের কেশবপুর থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি, যশোর জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ও কেশবপুরের মজিদপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান প্রায়ত আবু বকর আবুর পরিবারকে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রদত্ত আর্থিক সহায়তা আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। বুধবার বিকালে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রদত্ত আর্থিক সহায়তা তাঁর পরিবারের হাতে তুলে দেন কেশবপুর থানা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক পৌর কাউন্সিলর মশিয়ার রহমান, মজিদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হুমায়ূন কবীর পলাশ ও যশোর জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-দপ্তর সম্পাদক ফারুক খান। এসময় কেশবপুর থানা বিএনপি ও যশোর জেলা ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য আবু বকর আবু গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশায় ঢাকাতে অবস্থানকালে নিখোঁজ হন। পরবর্তীতে ঢাকার বুড়িগঙ্গা নদী থেকে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে। বর্তমানে আবু বকর আবু হত্যা মামলা আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।

ফকিরহাটে উভয় পক্ষের সংঘর্ষের আহত-৬

ফকিরহাট প্রতিনিধি

বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার পিলজংগ ইউনিয়নের কলমের দোকান নামক স্থানে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট এক সংঘর্ষে উভয় পক্ষের ৬জনের কম-বেশী আহত হয়েছেন। বুধবার সকাল সাড়ে ১১টায় এঘটনা ঘটে। এঘটনায় মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে। আহতরা হলেন পিলজংগ গ্রামের আশ্বাব আলী শেখ (৫০), জিয়াউর রহমান শেখ (৩৫), আজাদ শেখ (২৫) ও আকবর মশাদী (৫২)। এরমধ্যে আশ্বাব আলী শেখ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছে এবং অন্যান্যরা প্রাথমিক চিকিৎসা গ্রহন করেছেন। এ ব্যাপারে আকবর মশাদী নিজ বাদী হয়ে আহাদ শেখ, হাসান মোড়ল, ইকতিয়ার শেখ, আজাদ শেখ, শাহাজান শেখ, মিরাজুর শেখ ও সবুজের নাম উল্ল্যেখ করে মডেল থানায় লিখিত অভিযাগ দায়ের করেছে। তবে সংঘর্ষের ঘটনায় অভিযুক্ত অপর পক্ষের আজাদ শেখ ও বাবর আলী নামের দুইজন আহত হয়েছেন বলেও জানা গেছে। টাকা পয়সা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে এই ঘটনা ঘটেছে। মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বিস্তারিত জানা যায়নি।

ফকিরহাটে কুয়েত জয়েন্ট রিলিফের খাদ্য বিতরণ

ফকিরহাট  প্রতিনিধি

বাগেরহাট ফকিরহাট উপজেলার বাহিরদিয়া-মানসা ইউনিয়নে কুয়েত জয়েন্ট রিলিফের উদ্যোগে বুধবার দুপুর ১২টায় ইউনিয়ন পরিষদ চত্তরে করোনা ভাইরাস দূর্যোগে কর্মহীন ৫০দরীদ্র পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। প্রত্যেককে মাক্স, হ্যান্ড স্যানিটাইজার, মুড়ি, চিনি, ছোলা, ডাউল, আলু, তেল, চাউল বিতরণ করা হয়েছে। বাহিরদিয়া-মানসা ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ রেজাউল করিম ফকির প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে উপরোক্ত খাদ্য সামগ্রী বিতরন করেন। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংস্থার খুলনা বিভাগীয় পরিদর্শক এস এম আরাফাত হোসেন, অফিস সেক্রেটারী নাজমুল ইসলাম, ইউপি সদস্য রবীন্দ্রনাথ হালাদার বাটুল, আ: খালেক, মোঃ হাফিজুর রহমান, কোহিনুর বেগম প্রমূখ। অনুরুপ বেতাগা মূলঘর ও পিলজংগ ইউনিয়নেও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

অভয়নগরে ১০বছরের শিশুর করোনা শনাক্ত

অভয়নগর প্রতিনিধি

অভয়নগরে দ্বিতীয় করোনা রোগী হিসাবে শনাক্ত হয়েছে তৃতীয় শ্রেণিতে পড়–য়া এক শিশু শিক্ষার্থী। বুধবার ৬মে সকালে অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: এস এম মাহামুদর রহমান রিজভী জানান, উপজেলার শ্রীধরপুর ইউনিয়নের পুড়াখালি গ্রামের বাসিন্দা ৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধের শরীরে গত ৩ মে প্রথম করোনা পজেটিভ ধরাপড়ে। যার প্রেক্ষিতে উপজেলা প্রশাসন ওই বৃদ্ধের বাড়ি সহ তিনটি বাড়ি লকডাউন করেন এবং বৃদ্ধার সংস্পর্শে আসা ১০ জন সদস্যদের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য যশোর ল্যাবে পাঠানো হয়। বুধবার সকালে ওই পরিবারের সদস্যদের রিপোর্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পৌছালে দেখা যায় প্রথম করোনায়  আক্রন্ত ওই বৃদ্ধের ছেলের মেয়ে(৮) পুতনির শরীরে করোনা পজিটিভ পাওয়া যায়। শিশুটিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আইসোলেশন কক্ষে আলাদা ভাবে রেখে চিকিৎসা শুরু করা হয়েছে। বর্তমান শিশু রোগীর অবস্থা স্বাভাবিক রয়েছে। অপরদিকে প্রথম করোনায় আক্তন্ত বৃদ্ধার অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় খুমেক হাসপাতালে স্থানন্তরিত করা হয়েছে।

অভয়নগর থানা ও পৌর বিএনপির শহীদ নেতাদের পরিবারের নিকট ঈদ উপহার প্রদান

অভয়নগর প্রতিনিধি

নওয়াপাড়া পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শহীদ শেখ লুৎফর রহমান ও অভয়নগর থানা বিœেপির সাবেক সাংগাঠনিক সম্পাদক শহীদ রফিকুল ইসলামের পরিবারের হাতে বিএবপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রদত ঈদ উপহার তুলেদেন নেতৃবৃন্দ। ৬ মে বুধবার সকালে শহীদ পবিরারের নওয়াপাড়া পৌর সভার ৪নং ওয়ার্ডের নিজ বাড়িতে ঈদ উপহারের নগদ অর্থ প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও অভয়নগর থানা বিএনপির সভাপতি ফারাজি মতিয়ার রহমান, নওয়াপাড়া পৌর বিএনপির সভাপতি আবু নঈম মোড়ল, অভয়নগর থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী গোলাম হায়দার ডাবলু, যশোর জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য রেজাউল করিম মোল্যা, যশোর জেলা ছাত্রদলের সভাপতি রাজিদুল রহমান সাগর, সা:সম্পাদক কামরুজ্জামান বাপ্পি, সাংগাঠনিক সম্পাদক মো: শাহানেওয়াজ ইমরান, শহীদ লুৎফর রহমানের বড় জামায় পৌর বিএনপির নেতা জি এম বাচ্চু, শহীদ রফিকুল ইসলামের ছোট ভাইশফিকুল ইসলাম ও অভয়নগর থানা ও পৌর স্বেচ্ছাসেবক দল, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ।

যোগীপোলে মাদ্রাসা শিক্ষার্থী গণধর্ষণের অভিযেগে ৩ ধর্ষক আটক

ফুলবাড়ীগেট(খুলনা)প্রতিনিধি

নগরীর খানজাহান আলী থানাধীন যোগীপোল ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের বিল্লালের বাড়ীর ভাড়াটিয়া ৪র্থ শ্রেণীর মাদ্রাসার শিক্ষার্থী(১৫)কে গণধর্ষণ মামলার এজাহারভুক্ত ৩ আসামীকে আটক করেছে খানজাহান আলী থানা পুলিশ। মঙ্গলবার দিনগত গভীররাতে বাগেরহাট সিএন্ডবি এলাকা থেকে এজাহারভুক্ত আসামী যোগীপোল ৭নং ওয়ার্ডের মৃত শহিদের পুত্র আজিজুল (২১), জাব্দীপুর এলাকার আব্দুর রাজ্জাকের পুত্র পারভেজ (২৫) এবং দিঘলিয়া থেকে অপর আসামী যোগীপোল ৭নং ওয়ার্ডের একই বাড়ির ভাড়াটিয়া নাহিদের পুত্র আমিনুল (১৭) কে অত্যাধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামীদেরকে  আটক করে পুলিশ। গত ৩০ এপ্রিল সন্ধায় বিল্লালের বাড়ীর ভাড়াটিয়া (১৫)কে সুকৌশলে ডেকে নিয়ে পাশ্ববর্তী মুফতী মানসুরুর রহমানের পরিত্যাক্ত বাসভবনে এনে ৩ যুবক জোরপূর্বক পালাক্রমে ধর্ষণ করে। এঘটনায় ভিকটিমের মা হেলেনা বেগম বাদী হয়ে গত ২ মে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে খানজাহানআলী থানায় মামলা দায়ের করেন। যার নং- ০১। কেএমপির দৌলতপুরজোন সহকারি পুলিশ কমিশনার বায়জিত বিন আকবার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন,ধর্ষণ মামলার ৩ আসামীকেই আটক করা হয়েছে এবং তাদের কাছ থেকে ধর্ষণের  মুল রহস্য উদঘাটনের জন্য জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

দিনে দুপুরে শিরোমণিতে দিন মুজুরের গাভী চুরি

ফুলবাড়ীগেট(খুলনা)প্রতিনিধি

নগরীর খানজাহান আলী থানাধীন শিরোমণি থেকে দিনে দুপুরে দিন মুজুর শিরোমণি পূর্বপাড়া গোলাম আলী খানের পুত্র মোঃ সুলতান খানের ১টি গাভী গরু চুরি হয়েছে। এঘটনায় খানজাহান আলী থানায় ১টি সাধারণ ডায়েরী হয়েছে যার নং-২১৬, ডায়েরী সুত্রে জানা যায় গত ২৯ এপ্রিল শিরোমণির আকব্বার (আগা)খানের পুত্র  মুক্তার খান ভুক্তভুগী সুলতান খানকে শিরোমণি বিআরটিসি সংলগ্ন সরকারী জায়গায় গরু বাধতে নিষেধ করে এমনকি হরু বাধলে জবাই করে খাওয়ার হুমকী দেয়। গত  ২মে শনিবার ভুক্তভোগী সকালে গরুকে ঘাস খাওয়ার জন্য বেধে রেখে আসে, বেলা ৩টার সময়তার গাভীটি আনতে গিয়ে দেখে যথা স্থানে নাই। খানজাহান আলী থানার অফিসার্স ইনচার্জ মোঃ শফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন এঘটনায় থানায় জিডি হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে   আইনগত ব্যবস্থ নেয়া হবে।

 বকেয়া মুজুরী বেতনের  দাবিতে আলীম জুট মিলে গেট সভা অনুষ্ঠিত 

 ফুলবাড়ীগেট(খুলনা)প্রতিনিধি

আটরা শিল্পাঞ্চলের  রাষ্ট্রয়াত্ব আলীম জুট মিল শ্রমিক কর্মচারীদের বকেয়া মুজুরী বেতনের দাবীতে  বুধবার সকাল ১০ টায় আলীম জুট মিল মজদুর ইউনিয়ন এর উদ্যোগে এক জরুরী গেট সভা অনুষ্ঠিত হয়। গেট সভায় শ্রমিক নেতৃবৃন্দ বলেন ভুয়া  মালিকের নাটক বন্ধ করে শ্রমিক দের পাওনা ১৬ সপ্তাহের মজুরি ও কর্মচারীদের ৪ মাসের বেতন পরিশোধ করতে হবে । সভায় নেতৃবৃন্দ বলেন আগামী ৯ মে  শনিবার সকাল ১০ টায় সংগ্রাম পরিষদের উদ্যোগে আলীম জুট মিল সিবিএ কার্যালয়ে সিবিএ নন সিবিএ সমন্বয়ে এক জরুরী সভা অনুষ্ঠিত হবে ।  সভা থেকে শ্রমিক কর্মচারীদের বকেয়া মজুরি পরিশোধের দাবিতে রাজপথ রেলপথ অবোরোধ সহ আন্দোলনের কঠিন কর্মসুচি ঘোষনা করা হবে। উল্ল্যেখ্য খুলনার সকল রাষ্ট্রয়াত্ব  পাটকলের ৪ সপÍাহের বকেয়া মজুরি পরিশোধ করা হলেও  আলীম জুট মিল শ্রমিক কর্মচারীদের  কোন বিল বেতন পরিশোধ করা হয়নি। সিবিএ সভাপতি সাইফুল ইসলাম লিটুর সভাপতিতে ¡সভায় বক্তৃতা করেন সাধারন সম্পাদক আঃ হামিদ সরদার,হক মহলদার, মোঃ হাফিজুর, মকবুল হোসেন, নজরুল, মোঃ আলতাফ, হাফেজ আঃ সালাম , বদরউদ্দিন, কালাম , মোঃ মান্নান প্রমুখ।

মহসেন জুট মিলের ছাটাইকৃত শ্রমিক কর্মচারীরা চরম মানবেতর জীবন যাপন করছে : জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা

ফুলবাড়ীগেট(খুলনা)প্রতিনিধি

খুলনার শিরোমনি শিল্পাঞ্চলের  ব্যক্তিমালিকানাধীন মহসেন জুট মিলের শ্রমিক কর্মচারীরা তাদের বকেয়া পাওনা না পাওয়ায় পরিবারের মাঝে চরম খাদ্য কষ্টে দিন কাটছে।  মহসেন জুট মিলটি একটি লাভ জনক প্রতিষ্ঠান হওয়া সত্বেও মালিক কৃত্রিম অর্থ সংকট দেখিয়ে মিলটি ২০১৩ সালের  ২৩ জুন থেকে   ৩৯০ দিন বেআইনি লেঅফ করে । ২০১৪ সালের ১৭ জুলাই মালিকপক্ষ এক নোটিশে সকল শ্রমিক কর্মচারীদের কে  শ্রম আইনকে উপেক্ষা করে ছাঁটাই করে । মহসেন জুট মিল সিবিএ সাবেক সাধারণ সম্পাদক আঃ রহমান মোড়ল বলেন ছাটাইয়ের পর প্রায়  ৬ বছর   অতিবাহিত হলেও আজও পরিশোধ হয়নি  শ্রমিক কর্ম চারীদের  গ্রাচুইটি সহ চুড়ান্ত  পাওনাদী। শ্রমিকের পাওনা পরিশোধে মালিক পক্ষ বিভিন্ন টালবাহানা করছে  যা শুধু শ্রম আইন বিরোধীই নয় মানবাধিকার লংঘন, খামখেয়ালী , ও অমানবিক ।  এদিকে মার্চ থেকে সারা দেশে চলছে করোনা ভাইরাসের মহামারী। মিলটি বন্ধ হওয়ার পর কিছু শ্রমিক আশপাশে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজ করে জিবিকা নির্বাহ করলেও বর্তমানে করোনাভাইরাসের কারনে সে সকল প্রতিষ্ঠানে কাজকর্মবন্ধ থাকায় ছাটাইকৃত  শ্রমিক কর্মচারীরা চরম অর্থকষ্টে পড়েছে । অসহায় শ্রমিক কর্মচারীদের অনাহারে অর্ধাহারে দিন কাটছে । এ ব্যাপারে জানতে চাইলে প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক মোঃ তাওহিদুল ইসলাম বলেন যেহেতু করোনাভাইরাসের কারনে এখন সবকিছু বন্ধ রয়েছে সেহেতু ইচ্ছা থাকলেও আমরা এ মুহুর্তে কিছু করতে পারছিনা তবে এমডির সাথে আমার কথা হয়েছে যেটা আমি শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারন সম্পাদক শেখ আঃ রশিদ কে অবহিত করেছি যে করোনাভাইরাস সিথিল হলে শ্রমিকদের বকেয়া পাওনা পরিশোধের  ব্যাপারে পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এব্যাপারে শ্রমিক কর্মচারীরা ঈদের পূর্বেই চুড়ান্ত পাওনা পরিশোধে জেলা প্রশাসকের আশুহস্তক্ষেপ কামনা করেছে।

কর্মহীন মানুষের পাশে  খানজাহান আলী থানা যুবদল

ফুলবাড়ীগেট(খুলনা)প্রতিনিধি

করোনার প্রভাবে কর্মহীন মানুষের পাশে খানজাহান আলী থানা যুবদল নেতৃবৃন্দ । খানজাহান আলী থানা এলাকার সকল ওয়াডের্ পর্যায়ক্রমে  অসহায় মানুষের মধ্যে খাদ্রসামগ্রি বিতরণ উপলক্ষে সর্বশেষ প্রস্তুতি সভা গতকাল বিকাল ৪ টায় শিরোমনিতে অনুষ্ঠিত হয় । এ সময় উপস্থিত ছিলেন  খুলনা মহানগর যুবদল সহ সভাপতি মোল্লা সোলায়মান, সহ-সাধারণ সম্পাদক জিএম কামরুজ্জামান, সদস্য ইসমাইল হোসেন বাবু, মোঃ এস এম রানা, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হাসিবুল হাসান উজ্জল, মোঃ আলম , শাহাদাত হোসেন সাজু, এস এম লিটন প্রমুখ।

বাড়ি বাড়ি গিয়ে রাতের আঁধারে খাদ্যসামগ্রী পৌছে দিচ্ছেন উপজেলা চেয়ারম্যান শাহ্ ফরিদ জাহাঙ্গীর

অভয়নগর প্রতিনিধি

যশোরের অভয়নগরে করোনা পরিস্থিতির কারণে কর্মহীন মানুষের বাড়িতে গিয়ে রাতের আঁধারে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পীরজাদা শাহ্ ফরিদ জাহাঙ্গীর।

রাতের আঁধারে এক একটি পরিবারের হাতে তুলে দিচ্ছেন- সাত কেজি চাল, দুই কেজি আলু, আধা লিটার তেল, আধাকেজী ডাল ও একটি সাবান। ইতিমধ্যে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ৩ হাজার ৪৬৪ পরিবারকে দিয়েছেন খাদ্য সহায়তা।

এ ব্যাপারে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পীরজাদা শাহ্ ফরিদ জাহাঙ্গীর বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা মোতাবেক করোনা পরিস্থিতির কারণে সমস্যায় আছে এমন পরিবার চিহ্নিত করেছি। কে কোন দলের তা দেখিনি। প্রয়োজন আছে এমন পরিবারের তালিকা তৈরি করেছি। তালিকা অনুযায়ী ওইসব বাড়িতে গিয়ে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছি।

কিভাবে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, পরিস্থিতির শুরু থেকে প্রায় প্রতিদিন রাতে আমার ড্রাইভার টুলু ও ছোট ভাই সাংবাদিক রাকিবুল ইসলাম রুবেলকে সঙ্গে নিয়ে বিতরণের কাজ শুরু করি।

এ পর্যন্ত উপজেলা ও পৌর এলাকার ৩ হাজার ৪৬৪টি কর্মহীন ও দরিদ্র পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী তুলে দিতে পেরেছি। অভয়নগরের মানুষের জন্য এ প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি অঙ্গীকার করেন।

অভয়নগরে লকডাউন না মানায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান; জরিমানা আদায়

অভয়নগর প্রতিনিধি

যশোরের অভয়নগরে লকডাউন না মেনে নওয়াপাড়া বাজারের বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখাই ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ১৪ হাজার টাকা জরিমানা আদায়। ৬মে বুধবার সকালে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নিবার্হী ম্যাজিস্ট্রেট কে এম রফিকুল ইসলাম এই অভিযান পরিচালনা করেন। আদালত সূত্রে জানানো হয়, লকডাইন নিষেধাজ্ঞ উপেক্ষা করে নওয়াপাড়া বাজারের বাবু সাইকেল ষ্টোর, স¤্রাট সু, সরদার ষ্টীল, জয় টেলিকম, পাদুকা সু,শান্ত পলিথীন ষ্টোর সহ মোট ১৪ টি ব্যবসা পতিষ্ঠান সকালে খোলারাখে। এসময় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে দোকান খোলা রাখায় ১৪ টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে বিভিন্ন অংকে মোট ১৪ হাজার টাকা জরিমানা করে তা আদায় করেন।

সাতক্ষীরায় ইটভাটা শ্রমিক করোনায় শনাক্ত, তার বাড়িসহ আশেপাশের ১০ টি বাড়ি লক ডাউন

খান নাজমুল হুসাইন, সাতক্ষীরা

সাতক্ষীরার দেবহাটায় নারায়নগঞ্জ থেকে আসা রেজাউল করিম গাজী (৪৮) নামে এক ইটভাটা শ্রমিকের করোনা শনাক্ত হয়েছে। তিনি বর্তমানে দেবহাটা সরকারি খান বাহাদুর আহসানউল্লাহ কলেজের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন। তার বাড়ি দেবহাটা উপজেলার সদর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী বসন্তপুর গ্রামে

দেবহাটা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আব্দুল লতিফ জানান, গত ১ মে ভোরে নারায়নগঞ্জ থেকে ২৪ জন ইটভাটা শ্রমিক ট্রাক যোগে দেবহাটায় নিজ এলাকায় ফিরে আসেন। এলাকায় ফেরার পর উপজেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে তাদের সরকারি খান বাহাদুর আহসানউল্লাহ কলেজে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়। এরপর গত ৩ মে ওই শ্রমিকের শ^াসকষ্ট দেখা দিলে তার নমুনা সংগ্রহ করে পিসিআর ল্যাবে পাঠানো হয়। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পিসিআর ল্যাব থেকে প্রকাশিত রিপোর্টে তার করোনা শনাক্ত হয়েছে মর্মে নিশ্চিত করেছেন সাতক্ষীরার সিভিল সার্জন ডা. হুসাইন শাফায়াত।

দেবহাটা উপজেলা নির্বাহি অফিসার সাজিয়া আফরিন জানান, খান বাহাদুর আহসানউল্লাহ কলেজেসহ ওই ব্যক্তির বাড়ি ও তার আশেপাশের ১০ টি বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে। টানানো হয়েছে লাল পতাকা।  তিনি আরো জানান, প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে ২৪ জনকে আলাদা আলাদা রুমে আইসোলেশনে নেওয়া হয়েছে। এনিয়ে, সাতক্ষীরায় দুই জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

এদিকে, সাতক্ষীলা জেলা থেকে মোট ৪৩৩ জনের নমুনা সংগ্রহ করে আইইডিসিআর ও পিসিআরল্যাবে পাঠানো হয়েছে। ইতিমধ্যে ২৬৬ জনের নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন কার্যালয়ে পৌঁছেছে। এর মধ্যে ২৬৪ টি রিপোর্ট নেগেটিভ ও দুটি রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে।

দেবহাটা সখিপুরে ৪৫ জন ভিক্ষুকদের মাঝে মসলা সামগ্রী বিতরন করলো স্বেচ্ছাসেবকলীগ

কে এম রেজাউল করিম, দেবহাটা

দেবহাটায় আবারো ভিক্ষুকদের মাঝে মসলা সামগ্রী বিতরন করলো স্বেচ্ছাসেবকলীগ। দেবহাটায় করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় ব্যতিক্রমধর্মী কাজ করে যাচ্ছে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ। সাতক্ষীরার জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের দিক নির্দেশনায়, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনির পৃষ্ঠপোষকতায় উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ সচেতনতা বৃদ্ধি, মাস্ক বিতরন, কর্মবঞ্চিত অসহায় পরিবারের মাঝে ত্রাণসহ বিভিন্ন কাজ করে যাচ্ছে স্বেচ্ছাসেবকলীগ। তাছাড়া করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে উপজেলায় সরকারী-বেসরকারী পর্যায়ে যারা কাজ করছে তাদের সুরক্ষার জন্য কয়েকটি ধাপে পিপিই প্রদানও করেছে স্বেচ্ছাসেবকলীগ। যার মধ্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাজিয়া আফরীন, দেবহাটা থানা পুলিশের জন্য থানার অফিসার ইনচার্জ বিপ্লব কুমার সাহা, , উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকতা ডাঃ আব্দুল লতিফ,  কুলিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক কোষাধাক্ষ আছাদুল হক, সখিপুর ইউপি চেয়ারম্যান ও সাবেক উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ ফারুক হোসেন রতন, কুলিয়া. দেবহাটা সদর চেয়াম্যান আবু বকর, পারুলিয়ার ইউপি চেয়ারম্যা সাইফুল ইসলামনসহ বিভিন্ন ব্যক্তির মাঝে পিপিই তুলে দেন।তারই ধারাবাহিকতায় এবার পর্যায়ত্রমে উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের ভিক্ষুকদের মাঝে মসল্লা সামগ্রী বিতরনের ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ নিল স্বেচ্ছাবেকলীগ । এতে দ্বিতীয় দিনে সখিপুর ইউনিয়নের ৪৫ জন ভিক্ষুকদের মাঝে গরম মসলা, জিরা-মরিচ,মুশারীর ডাউল, আলু, পেয়াজ, রসুন, আদা, লবন, সোয়াবিন তেল সহ ১১ প্রকার মসলা সামগ্রী বিতরণ করেন উপজেলা স্বেচ্ছা সেবকলীগ। বুধবার সকাল ১০ টায় সখিপুরা ইউনিয়ন পরিষদের বিতরন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন,উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও সখিপুর ইউপি চেয়ারম্যান শেখ ফারুক হোসেন রতন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক মোস্তাক আলী, সহ-সভাপতি এ্যাড:সাঈদুজ্জামান জিকো, উপজেলা স্বেচ্ছা সেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক লোকমান কবির, উপজেলা কৃষকলীগের যুগ্মআহবায়ক আব্দুর রব লিটু, উপজেলা তাঁতীলীগের সভাপতি আশরাফুল ইসলাম, নওয়াপাড়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারন সম্পাদক মিজানুর রহমান, পারুলিয়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারন সম্পাদক আবু রাযহান প্রমূখ। এ সময় উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি স্বেচ্ছা সেবকলীগের ব্যতিক্রমধর্মী এ সব কাজের প্রশংসা করে বলেন, বিশ্বব্যাপী করোনা প্রতিরোধে সাধারন মানুষ যখন কর্মবিমুখ হয়ে পড়েছে। যখন মানুষের ঘরে খাকা অত্যন্ত জরুরী,তখন সরকারের পাশাপাশি ত্রান সামগ্রী হিসেবে বিভিন্ন সংগঠন খাদ্য সামগ্রী বিতরন করছে। কিন্ত স্বেচ্ছাসেবকলীগ বিতরন করছে মসলা সামগ্রী। যাতে অকারনে তারা আর ঘরের বাহিরে না যায়। এ সময় তিনি সমাজের  বৃত্তবানদেরও এগিয়ে এসে সাধারন মানুষের পাশে দাড়ানের অনুরোধ জানান। তাছাড়া দেবহাটায় প্রথম করোনা রোগী সনাক্ত হওয়ার বিষয় উল্লেখ করে তিনি সকলকে আতঙ্কিত না হয়ে আরো সচেতন হওয়ার কথা বলেন।

ত্রান কমিটিকে জড়িয়ে একটি অনলাইলনে ভিত্তিহীন সংবাদের প্রতিবাদে পাইকগাছা প্রেসকাবে সংবাদ সম্মেলন

পাইকগাছা প্রতিনিধি

করোনা সংকট মুহুর্তে “এসডব্লিউ নিউজ” অনলাইনে “পাইকগাছায় গদাইপুর ইউপি চেয়ারম্যন ও ত্রান কমিটিকে জড়িয়ে চাঁদা তোলার কথিত অভিযোগ” শিরোনামে ভিত্তিহীন সংবাদের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল সকালে পাইকগাছা প্রেসকাবে লিখিত সংবাদ সম্মেলনে করোনা প্রতিরোধে ইউনিয়ন ত্রান কমিটির আহবায়ক ব্যবসায়ী অশোক কুমার ঘোষ কমিটি সংশ্লিষ্টদের উপস্থিতে জানান, দেশের এই দুর্যোগ মুহুর্তে সরকারের পাশাপাশি, রাজনৈতিক, ব্যক্তি ও বিভিন্ন সংগঠন গরীব মানুষদের খাদ্য সহয়তা করছেন। সেই বিবেচনায় আমরা গদাইপুরের চেয়ারম্যান চাকুরী জীবি, ব্যবসায়ী, সমাজকর্মীদের নিয়ে ত্রান কমিটি গঠন করে নিজেরাই অর্থ সংগ্রহ করছি। ইতোমধ্যে পাইকগাছা সোনালী ব্যাংকে ২৭১৮৫০১০১৯০০৬ হিসাব নম্বরে টাকা জমা ও উত্তোলন করা হচ্ছে। ১শ বস্তা চাল ক্রয় করা হয়েছে। কিন্তু এই সুন্দর উদ্যোগকে বিনষ্ট করার জন্য প্রকাশ ঘোষ বিধান চাঁদা তোলার কথিত অভিযোগে নিজে “এসডব্লিউ নিউজ” পোর্টালে অত্যন্ত নোংরা ও ভিত্তিহীন ভাবে সংবাদ প্রকাশ করে আমাদের ভাবমুর্তি ও প্রত্যেকের সুনাম নষ্ট করেছে। আমরা এ সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ইউপি চেয়ারম্যন গাজী জুনায়েদুর রহমান, অধ্যক্ষ শেখ ফারুক উদ্দীন, প্রভাষক শামিম আজাদ লিটু, প্রভাষক আবু সালেহ মুহাম্মদ ইকবাল, কাজী হেদায়েত উল্লাহ, সাবেক বাংক্যার প্রজিৎ রায়, বাংক্যার আসাদুজ্জামান সহ অনেকে।

শেখ সোহেলের মেয়ে শেখ নাবিলার জন্মদিন উপলক্ষে এতিম ছাত্রদের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ

স্টাফ রিপোর্টার

বুধবার বিকাল ৫টায় নগরীর খালিশপুরে বঙ্গবন্ধুর ভ্রাতুষ্পুত্র বিসিবির পরিচালক শেখ সোহেলের বড় মেয়ে শেখ নাবিলার জন্মদিন উপলক্ষে মহানগর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি রণবীর বাড়ই সজলের উদ্যোগে এতিম ছাত্রদের ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

খালিশপুর থানা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি কাজী ফয়েজ মাহমুদ প্রধান অতিথি থেকে এসব সামগ্রী বিতরণ করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন কাজী জাকির হোসেন, সিরাজুল ইসলাম, রনি হায়দার, জনি রহমান, বায়েজিদ সিনা, দেবা কুমার প্রমুখ।  পরে শেখ নাবিলার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

সাবেক সংসদ সদস্য লবীর পক্ষে খাদ্য সামগ্রী প্রদান

খবর বিজ্ঞপ্তি

খুলনা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য  ও সাবেক সভাপতি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)জনাব আলহাজ্ব মোহাম্মদ আলী আসগর লবীর পক্ষে থেকে খুলনা সরকারী সিটি কলেজ হোষ্টেল এ অবস্থিত ৪র্থ শ্রেনীর ষ্টাফদের পরিবারের মাঝে এবং নিরালা, সোনাডাংগা এলাকার অসহায় মানুষের মাঝে বুধবার খাদ্য সামগ্রী চাল, ডাল, আটা, আলু, পেঁয়াজ, তেল, লবণ বিতরণ করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন, মো. মোদাচ্ছের হোসেন, আলী আক্কাস, মো. মিজানুর রশীদ, সৈয়দ মো. তানভীর আহমেদ প্রমুখ।

আর্তমানবতার ডাকে সাড়া দিয়ে করোনায় বিপর্যস্ত মানুষের কল্যাণে এগিয়ে আসুন: সাংসদ বাবু

খবর বিজ্ঞপ্তি

খুলনা-৬ (কয়রা -পাইকগাছা) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ আক্তারুজ্জামান বাবু বলেছেন, সারাদেশের মানুষ আজ করোনা ভাইরাস আতঙ্কে গৃহবন্দী। এই কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে সরকার আন্তরিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রী দেশরতœ শেখ হাসিনা তৃণমূলের মানুষকে সব সময় সহযোগিতা করে যাচ্ছেন। সরকারের পাশাপাশি আমরা সবাই যদি এগিয়ে আসি তাহলে কয়রা-পাইকগাছাসহ দেশের মানুষ না খেয়ে থাকবে না। এমপি আক্তারুজ্জামান বাবু সমাজের বিত্তবান ব্যক্তিদের আর্তমানবতার ডাকে সাড়া দিয়ে করোনায় বিপর্যস্ত মানুষের কল্যানে এগিয়ে আসার আহবান জানিয়েছেন। গত মঙ্গলবার বিকালে কয়রা উপজেলার বাগালী ইউনিয়নের কুশোডাঙ্গা গ্রামে করোনায় কর্মহীন শ্রমজীবী দুই শ’ পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণকালে তিনি এসব কথা বলেন। করোনা ভাইরাসের কারণে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে নিম্ন আয়ের মানুষেরাই বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। তারা এখন খাদ্য ও অর্থ সংকটে ভুগছে। সরকারের পাশাপাশি আসুন সমাজের বিত্তবান ব্যক্তিরা মিলে এই সংকটে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াই, কর্মহীন শ্রমজীবী মানুষের জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেই। সাথে সাথে করোনা প্রতিরোধে সরকারি সকল বিধি-নিষেধ মেনে চলি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কয়রা থানা অফিসার ইনচার্জ রবিউল হোসেন, বাগালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুস ছামাদ গাজী, অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম, উপাধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম, আওয়ামী লীগ নেতা লুৎফর রহমান খোকন, জিনারুল ইসলাম বাচ্চু, জেলা যুবলীগ নেতা শামীম সরকার, খুলনা জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মোঃ আবু সাঈদ খান, উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) আমিনুল হক বাদল, সহ-সভাপতি মোঃ তরিকুল ইসলাম, উপজেলা বঙ্গবন্ধু ছাত্র পরিষদের সভাপতি ইসমাইল হোসেন প্রমুখ।

কপিলমুনিতে ধান কেটে চাষীর পাশে ছাত্রলীগ

পলাশ কর্মকার, কপিলমুনি

করোনার প্রার্দুভাবে খুলনার পাইকগাছা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় চলতি বোরো মৌসুমে অর্থসংকট ও পর্যাপ্ত ধান কাটার শ্রমিক সংকটে বেশ কিছুটা বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা। এ অবস্থায় হতদরিদ্র কৃষকদের ধান কেটে দেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ।

এরই অংশ হিসেবে সোমবার সকালে খুলনা জেলা ছাত্রলীগের উপ-আপ্যায়ন সম্পাদক ও কপিলমুনি কলেজ ছাত্রলীগ এর সভাপতি আজমল হোসেন বাবু ও কপিলমুনি ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি মোঃ ইমরান মোল্লাার নেতৃত্বে ২৫ সদস্যের একটি দল উপজেলার কপিলমুনির হরিঢালীর এক অসচ্ছল কৃসকের প্রায় ২ বিঘা জমির পাকা ধান কেটে দিয়েছেন। এ ব্যাপারে কপিলমুনি ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি মোঃ ইমরান মোল্লা বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের নির্দেশনায় এবং স্থানীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ আক্তারুজ্জামান বাবু মহোদয়ের পরামর্শক্রমে আমরা রোজা রেখেও হরিঢালীর এক অসচ্ছল কৃষকের প্রায় ২ বিঘা জমির ধান কেটে দিয়েছি। আমরা মনে করি কৃষক বাঁচলে এই দুর্যোগের মধ্যেও খাদ্য ঘাটতি রোধ করা সম্ভব হবে, তাই আমরা কপিলমুনি কলেজ, কপিলমুনি ইউনিয়ন ও হরিঢালী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দরা মিলে অসচ্ছল কৃষকদের জমির ধান কেটে তাদের পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি যা আজ থেকে শুরু হলো ।’

উক্ত ধান কাটা কার্যক্রমে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, ছাত্রলীগ নেতা সাইদুর রহমান পাপ্পু, নুন, আকাশ মোড়ল, সোহানুর রহমান পাপ্পু, আলী সরদার, তামিম গাজী, আকরাম শেখ, বোরহান ও মৃদুল প্রমুখ।

বাম গণতান্ত্রিক জোটের উদ্যোগে খুলনার বিশিষ্ট নাগরিকদের সাথে মতবিনিময় সভা

খবর বিজ্ঞপ্তি

করোনা ভাইরাস সংক্রমণকালে চলমান পরিস্থিতি বিষয়ে মতবিনিময় এবং সম্মিলিত উদ্যোগ নেয়ার লক্ষ্যে বুধবার বাম গণতান্ত্রিক জোট খুলনা জেলা শাখার আয়োজনে প্রতিনিধিত্বশীল নাগরিকদের নিয়ে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি খুলনা জেলা কার্যালয়ে শারীরিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে সকাল ১১টায় অনুষ্ঠিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন জোটের খুলনা জেলা কমিটির সমন্বয়কারী ও বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ), খুলনা জেলা সমন্বয়কারী কমরেড জনার্দন দত্ত নাণ্টু এবং সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), খুলনা মহানগর সাধারণ সম্পাদক কমরেড এড. মোঃ বাবুল হাওলাদার। উপস্থিত ছিলেনÑজেএসডি কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা এড. আ ব ম মহসীন, বিশিষ্ট নাগরিক নেতা এড. কুদরত-ই-খুদা, সিপিবি কেন্দ্রীয় সদস্য ও খুলনা জেলা সভাপতি কমরেড ডাঃ মনোজ দাশ, কেন্দ্রীয় সদস্য কমরেড এস এ রশীদ, জেলা সদস্য কমরেড মিজানুর রহমান বাবু, বিশিষ্ট নাগরিক এড. জাহাঙ্গীর সিদ্দিকী, ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগ, খুলনা জেলা সম্পাদকম-লীর সদস্য কমরেড মোস্তফা খালিদ খসরু, কমরেড কাজী দেলোয়ার হোসেন, সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট, খুলনা জেলা সাধারণ সম্পাদক আব্দুল করিম, বাংলাদেশ যুব ইউনিয়নের জেলা সদস্য আফজাল হোসেন রাজু, সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরাম খুলনা জেলা আহ্বায়ক কোহিনুর আক্তার কণা, রাষ্ট্রায়ত্ব পাটকল বদলী শ্রমিক সংগঠন, খুলনা-যশোর অঞ্চল কমিটির আহ্বায়ক আব্দুর রাজ্জাক তালুকদার, বিজ্ঞান আন্দোলন মঞ্চ খুলনা জেলা সদস্য সঙ্গীতা ম-ল প্রমুখ।

মতবিনিময় সভায় বিশিষ্ট নাগরিকরা বলেন, করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে ভূমিকা নেয়ার ক্ষেত্রে সরকার শুরুতে গাড়িমসি করেছে। সব ধরনের প্রস্তুতি আছে বললেও প্রয়োজনের সময় প্রস্তুতিতে প্রচ- ঘাটতি পরিলক্ষিত হয়। দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার দুর্বলতা ও অসহায়ত্ব মারাত্মকভাবে দৃশ্যমান, বলা যায় ভেঙ্গে পড়েছে। লকডাউন কার্যকরভাবে মানতে হলে যেমন জনগণের সচেতনতা প্রয়োজন তেমনি সরকারের দিক থেকে তাদের ন্যূনতম খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। কিন্তু ত্রাণ ও রেশন কার্ড বিতরণে দুর্নীতি, দলীয়করণ, স্বজনপ্রীতি, চুরি প্রভৃতি কারণে প্রকৃত শ্রমজীবী মানুষের বেশিরভাগ বঞ্চিত হচ্ছে। ফলে লকডাউনের মধ্যে পেটের দায়ে শ্রমজীবী মানুষ ঘরের বাইরে বের হতে বাধ্য হচ্ছে। আবার এমন পরিস্থিতিতে গার্মেন্টস-সহ খুলে দেয়ার কারণে সংক্রমণ পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে ধাবিত হচ্ছে। মালিক শ্রেণির কাছে সরকারের অসহায়ত্ব প্রকটভাবে প্রকাশমান। আগামী ১০ মে থেকে মার্কেট দেয়ার ঘোষণা দেয়া হয়েছে। সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের মধ্যে সমন্বয়হীনতাও স্পষ্ট। আর এমন পরিস্থিতি চলতে থাকলে সংক্রমণ মহামারী আকার ধারণ করলে সরকারের পক্ষে তা সামাল দেয়া সম্ভব হবে না। আর পরবর্তীতে খাদ্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়ে যে দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা দেখা দেবে, তার সম্ভাবনা এখনই দূর করার উদ্যোগ না নিলে পরিস্থিতি সামগ্রিকভাবে ভয়াবহ অবস্থার দিকে যাবে। এমতাবস্থায় উপস্থিত নাগরিকবৃন্দ দেশপ্রেমিক সকল রাজনৈতিক দল, বিশিষ্ট ব্যক্তি, পেশাজীবী-সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনকে নিয়ে একটি ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগ বিনা চলমান পরিস্থিতি মোকাবেলা করা সম্ভব নয় বলে মনে করেন। তাঁরা বৈঠক থেকে এ বিষয়ে উদ্যোগ নিতে সরকারের কাছে দাবী জানান। একই সাথে ত্রাণ ও রেশন কার্ড বিতরণে সমন্বয় সাধন করে প্রকৃত প্রয়োজন যাদের তারা যেন পায় তা নিশ্চিত করতে এলাকার জনপ্রতিনিধিদের সাথে মতবিনিময় করার বিষয়েও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। আগামীতে এ উদ্যোগ আরও বৃহত্তর পরিবেশে গ্রহণ করে একটি সামাজিক শক্তি গড়ে তোলার জন্য নাগরিকবৃন্দ এগিয়ে আসবেন বলে অংশগ্রহণকারীরা আশা প্রকাশ করেন।

আ’লীগ নেতা এসএম কামালের পক্ষে দৌলতপুরে উপহার সামগ্রী প্রদান

খবর বিজ্ঞপ্তি

বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম কামাল হোসেনের পক্ষে খুলনা মহানগরীর দৌলতপুর থানাধীন মহেশ^রপাশা কালিবাড়ি ঋষিপাড়ার লকডাউন এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে খাদ্যদ্রব্যসহ উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। খুলনা মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা বুধবার সকারে এ উপহার সামগ্রী বিতরণ করেন। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, দৌলতপুর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ সৈয়দ আলী, ওয়ার্ড কাউন্সিলর মাস্টার আব্দুস সালাম, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী দাউদ হায়দার, খুলনা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি’র সাবেক পরিচালক বদরুল আলম মার্কিন, নাগরিক ফোরামের নেতা শাহিন জামাল পন, ৩ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি হাসিবুর রহমান হাসিব, সাধারণ সম্পাদক মাকসুদ হাসান পিকু প্রমুখ।

উল্লেখ্য, মহেশ^রপাশা কালিবাড়ি ঋষিপাড়ার বাসিন্দা রিক্সাচালক বিষ্ণুপদ হাজরা গত ২৯ এপ্রিল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর থেকে ওই এলাকার ২০টি বাড়ি লকডাউন ঘোষণা করে খুলনার জেলা প্রশাসন। এজন্য ওই এলাকার বাসিন্দারা যেমন ঘরের বাইরে হতে পারছেন না তেমনি বাইরে থেকেও কেউ সেখানে যেতে পারছে না। সঙ্গত কারণে তাদের খাদ্য সহায়তার প্রয়োজন হয়ে পড়ে। বিষয়টি ৩ নম্বর ওয়ার্ড আ’লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় নেতা এসএম কামাল জানার পর তিনি তাদেরকে সাহায্যের জন্য সহযোগিদা দেন। যার আলোকে সেখানে ১৫২ প্যাকেট খাদ্যদ্রব্য বিতরণ করা হয়।

রূপসায় করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত ব্যাক্তিদের পরিবার ও লক ডাউনকৃত পরিবারের পাশে নগর যুবলীগ

খবর বিজ্ঞপ্তি

মঙ্গলবার রাতে খুলনা করোনা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাওয়া জরিনা  বেগমের ছেলের নূরে আলম এর নিকট প্রশাসনের মাধ্যমে আর্থিক ও খাদ্য সামগ্রী তুলে  দেওয়া হচ্ছে খুলনা মহানগর যুবলীগের পক্ষ থেকে। এছাড়ার গত ২২ এপ্রিল মারা যাওয়া নুর আলম খানের পরিবারকেও আর্থিক ও খাদ্য সামগ্রী দিয়ে সহযোগিতা করেছেন তিনি। এ সময় নূরে আলম খানের দুই সন্তান করোনা আক্রান্ত হয়। পিতৃহীন এই সন্তানদের সকল ধরনের সহযোগিতা করছেন তিনি। বর্তমানে তারা করোনা থেকে মুক্ত হওয়ার পর্যায়ে রয়েছে। এছাড়া দেওয়াড়া জড়িনা বেগম ও রাজাপুরে নূও আলম খানের বাড়ির পাশ্ববর্তী প্রায় দেড় শতাধিক লক ডাউনকৃত বাড়ির পরিবারের মাঝে পাঠানো হচ্ছে খাদ্য সামগ্রী।

২৩ এপ্রিল রাজাপুর ও ৩০ এপ্রিল দেয়াড়ার দেড়শত পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী দেওয়ার পর বুধবার আবার পনের দিনের খাবার পাঠানো হয়েছে। খাদ্য সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে চাল, ডাল, তেল, আলু, লবন, শ্বাক-সবজি, ফল ও শুকনো খাবার।

এ বিষয়ে নগর যুবলীগের আহবায়ক সফিকুর রহমান পলাশ জানান, করোনা আক্রান্ত পরিবারকে আমরা সহযোগিতা করছি। পাশাপাশি লকডাউনকৃত পরিবারকে আমরা সহযোগিতা করছি। যাতে করে তাদের খাবার দাবারে সমস্যা না হয়। এবং খাদ্যের প্রয়োজনে যেন বাইরে তাদের না বের হতে হয়।

নগর যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক শেখ শাহাজালাল হোসেন সুজন জানান, আমরা মহানগরীতে আক্রান্তদের পরিবার ও তাদের লক ডাউনকৃত পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছি। এখন নগরীর পাশ্ববর্তী উপজেলাতেও আমরা করোনা আক্রান্ত ও লক ডাউনকৃত পরিবারের পাশে আমরা দাঁড়াচ্ছি। আমাদের সাধ্য অনুযায়ী আমরা দাঁড়াব।

১৪নং ওয়ার্ডে নিন্ম আয়ের মানুষের মাঝে যুবলীগের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

খবর বিজ্ঞপ্তি

নগরীর ১৪নং ওয়ার্ডে নিম্ম আয়ের মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ করেছে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, খুলনা মহানগর শাখার নেতৃবৃন্দ। বুধবার সকালে ১৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর এর কার্যালয়ের সামনে প্রায় অর্ধসহ¯্রাধিক মানুষের মাঝে এই খাদ্য সামগ্রী বতিরণ করা হয়। খাদ্য সামাগ্রীর ভিতর রয়েছে চাল, ডাল, তেল, লবন, আলু। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ১৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শেখ মোশাররফ হোসেন, নগর যুবলীগের আহবাযক সফিকুর রহমান পলাশ, যুগ্ম আহবায়ক শেখ শাহজালাল হোসেন সুজনসহ যুবলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। যুবলীগ নেতৃবৃন্দ জানান, পুরো মহানগরী জুরে তাদের ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। যার অংশ হিসাবে আজ ১৪নং ওয়ার্ডে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হলো। পর্যায়ক্রমে সকল স্থানেই করা হবে।

দৌলতপুরে যুবলীগের মাস ব্যাপী সবজি বিতরণ

খবর বিজ্ঞপ্তি

দৌলতপুরে নগর যুবলীগের সৌজন্যে সবজি বিতরন কাযক্রম চলছে। বুধবার দৌলতপুরের  দেয়ানা উত্তর পাড়া, বড় বাড়ি, মুন্সি বাড়ি ও ঋষি পাড়ায় বিণামূল্যে সবজি বিতরণ করা হয়। নগর যুবলীগের সদস্য মেহেদী হাসান মোড়ল জানান, মাস ব্যাপী খুলনা মহানগর যুবলীগের সৌজন্যে দৌলতপুর থানার বিভিন্ন স্থানে সবজি বিতরণ করা হচ্ছে। এর আগে দেয়ানা মধ্য পাড়া, আবু সড়কে সবজি বিতরণ করা হয়েছে। খুলনা মহানগর যুবলীগের আহবায়ক সফিকুর রহমান পলাশ ও যুগ্ম আহবায়ক শেখ শাহজালাল হোসেন সুজনের সহযোগিতায় আমি আমার এই কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি। এই কার্যক্রমে মহানগর যুবলীগ ও স্থানীয় যুবলীগ নেতবৃন্দরা সহযোগিতায় চলছে। পর্যায়ক্রমে থানার বিভিন্ন স্থানে এই কার্যক্রম চলবে।

করোনা মোকাবেলায় দেশের উপকূলীয় ও প্রত্যন্ত এলাকায় নৌবাহিনীর খাদ্য সহায়তা প্রদান

খবর বিজ্ঞপ্তি

দেশব্যাপী করোনা ভাইরাস সংক্রমণ মোকাবেলায় খুলনা ও চট্টগ্রামের উপকূলীয় ও প্রত্যন্ত এলাকার গরিব, দুঃস্থ ও অসহায়দের বাড়ি বাড়ি পৌছে ইফতারসহ বিভিন্ন খাদ্য সহায়তা প্রদান করেছে নৌবাহিনী। বুধবার দিনব্যাপী নৌসদস্যরা এ কার্যক্রম পরিচালনা করে। এছাড়া রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার রাস্তাঘাট, ফুটপাত ও আশেপাশের পরিবেশ জীবাণুমুক্ত রাখতে জীবাণুনাশক ঔষধ ছিটানো, চিকিৎসা সহায়তাসহ বিভিন্ন সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনায় নিরলসভাবে কাজ করে চলেছে নৌবাহিনীর সদস্যরা। নৌবাহিনী কন্টিনজেন্ট উপকূলীয় জেলা বরগুনাসহ আশেপাশের এলাকাগুলোর প্রায় ১৬০০ অসহায় ও দুঃস্থ পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী প্রদান করে। তাছাড়া খুলনা শহরের স্থানীয় বাস্তুহারা গল্লামারি ও রুপসা এলাকায় প্রায় ৩০০ দুঃস্থ পরিবারের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়। অন্যদিকে মংলা নৌ কন্টিনজেন্ট দিগরাজ বাজার, সুন্দরবন, মিঠাখালী, মংলা বন্দর এলাকা, বুড়িরডাঙ্গা ও চরকানাই এলাকায় টহল প্রদানের পাশাপাশি স্থানীয় প্রায় ১৩০০ গরিব ও অসহায় পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করে। সেইসাথে নৌসদস্যরা স্থানীয় জনগণকে কাঁচা বাজার, ঔষধ ও নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রীর দোকান ব্যবহারে নির্দিষ্ট সময় অনুসরণে স্থানীয়দের সচেতন করতে সার্বক্ষণিকভাবে কাজ করে চলেছে।

অন্যদিকে চট্টগ্রামের উপকূলীয় টেকনাফ, সন্দীপ ও হাতিয়া  উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় নিয়োজিত নৌ কন্টিজেন্টসমূহ স্থানীয় অসহায় ও দুঃস্থদের মাঝে খাদ্য ও চিকিৎসা সহায়তা প্রদানসহ বিভিন্ন জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনায় দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছে। এসময় নৌসদস্যরা জনসমাগম পরিহার করে অসহায়দের বাড়ি বাড়ি গিয়ে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছে। এছাড়া বিভিন্ন এলাকায় হোম কোয়ারেন্টিনে বা আইসোলেশনে থাকা নিশ্চিত করতে নিয়মিত খোঁজ খবর রাখার পাশাপাশি স্থানীয় জনগোষ্ঠীদের মাঝে মাইকিং করে নিয়মিত হাত ধোয়া, মাস্ক ব্যবহার ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখাসহ বিবিধ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে পরামর্শ প্রদান করছে।

চিতলমারীতে  কালবৈশাখী ঝড়ের তান্ডবে গাছপালা-ঘরবাড়ি বিদ্ধস্ত, নিহত ১

চিতলমারী প্রতিনিধি

বাগেরহাটের চিতলমারীতে কাল বৈশাখী ঝড়ে বিপুল পরিমান গাছপালা, বিদ্যুতের তার ও ৩০ টির উপরে ঘরবাড়ি বিদ্ধস্ত হয়েছে। এছাড়া ঘরের উপর গাছ পড়ে হিজলা শেখ পাড়া গ্রামের আনসার মল্লিকের ছেলে ইমন মল্লিক (১৪) নামে এক স্কুল শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে। এসময় তার ছোট বোন সুরাইয়া (৮) আহত হয়েছে। মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে উপজেলার হিজলা শেখ পাড়া গ্রামে হঠাৎ ঝড়ে হতাহতের ঘটনা ঘটে। এছাড়া পল্লিবিদ্যুতের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। মাঠে থাকা পাকা ধানে বৃষ্টি ও ঝড়ে ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয় কৃষকরা।

ঘরবাড়ি ভাংচুরের খবর পেয়ে হিজলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কাজী আজমির হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমান নিরুপন করেছেন। এছাড়া বড়বাড়িয়া চরপাড়া একটি নতুন নির্মান করা টিনের মসজিদ ঘর সম্পূর্ণ বিদ্ধস্ত হয়েছে।ওই এলাকায় একটি সুপারি বাগানের ব্যাপক ক্ষয়খতি হয়েছে। ইউপি চেয়ারম্যান কাজী আজমির হোসেন বলেন, আকস্মিক ঝড়ে আমার ইউনিয়নের ৩০ টির অধিক কাচা ঘরবাড়ি বিদ্ধস্ত হয়েছে। ঘরের নিচে চাপা পড়ে এক কিশোর মারা গেছে। আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করেছি। ক্ষতিগ্রস্থদের তালিকা করা হয়েছে। চিতলমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মারুফুল ইসলাম জানান, আকস্মিক ঝড়ে উপজেলার হিজলা গ্রামের আনসার মল্লিকের ঘরের উপরে চাম্বল গাছ পড়ে তার ছেলে  ইমন মল্লিক নিহত হয়েছে। এছাড়া কয়েকটি ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে তালিকা তৈরি করে ক্ষতিপূরণের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে বলে তিনি জানান ।

পাইকগাছার গদাইপুরের পাল পরিবারের মানবেতর জীবন-যাপন : বিত্তশালীদের এগিয়ে আসার আহবান

বাবুল আক্তার, পাইকগাছা

পাইকগাছার গদাইপুর ইউনিয়নের করোনা ভাইরাসে ঘর বন্দি কর্মহীন অসহায় পালপাড়ার অধিবাসীরা মানবেতর জীবন যাপন করছে। সামান্য সরকারি সহযোগিতা পেলেও সংসার নির্বাহ করা দুরহ হয়ে পড়েছে। এমতাবস্থায় বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহবান জানিয়েছেন তারা।

জানা যায়, হিতামপুরের পালপাড়ার ৫০ পরিবার মৃৎশিল্পের সাথে জড়িত। হাঁড়ি, পাতিল, কলস তথা মাটির তৈরী জিনিসপত্র বিক্রি করে তারা জীবন-জীবিকা নির্বাহ করেন। বর্তমানে প্লাস্টিক, মেলামাইন ও স্টিলের যুগে মাটির তৈরী আসবাবপত্র প্রায়ই বিলুপ্তের পথে। বর্তমান ৫০টি পরিবারের মধ্যে ১৬টি পরিবার শুধুমাত্র গাছের চারা তৈরীর পাত্র ছাড়া তেমন কোন কাজ নেই বলে নরেন্দ্রনাথ পাল জানান। মহামারী করোনা ভাইরাসের সময়ে তাদের মাটির তৈরী কোন কিছুই বিক্রি হচ্ছে না। ফলে তারা মানবেতর জীবন-যাপন করছে। ইতোমধ্যে সরকার ৭নং গদাইপুর ইউনিয়নে সাড়ে ৬ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দিয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। সরকারি ও স্থানীয়ভাবে অনেকেই ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করলেও তা দিয়ে জীবকা নির্বাহ করা সম্ভব হচ্ছে না। এ পরিবারগুলোর দিকে কেউ কোন বিত্তশালীরা এগিয়ে আসেনি বলে বিধান পাল ও সুব্রত পাল জানান। এ অবস্থায় সরেজমিনে দেখা যায়, ১১২ বছরের বৃদ্ধা বেহুলা পাল নিজ হাতে মাটির জিনিসপত্র তৈরী করছে এবং আমাদের এ প্রতিনিধিকে বলেন, আমাদের এই চরম দুর্দিনে কেউ খোঁজ-খবর নিচ্ছে না। তারা সমাজের বিত্তশালদের এগিয়ে আসার আহবান জানিয়েছেন। এ ব্যাপারে স্থানীয় ইউপি সদস্য শেখ জাকির হোসেন লিটন বলেন, সরকারিভাবে যে সাহায্য সহযোগিতা পেয়েছি তা সমহারে আমার ওয়ার্ডে বন্ঠন করে দিয়েছে। এখনও কিছু পরিবার বাকী রয়েছে। যা পরিবর্তীতে দেয়া হবে।

পাইকগাছায় অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত থাকা অবস্থায় আটক ২

পাইকগাছা প্রতিনিধি

পাইকগাছায় অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত থাকা অবস্থায় দুজনকে জনতা আটক করে পুলিশে দিয়েছে। মঙ্গলবার রাত পৌনে ১২টায় উপজেলার চাঁদখালী ইউপির গড়েরডাঙ্গা গ্রামের মৃত মোন্তাজ মালীর ছেলে রহিম মালী (৫০) ও কাওয়ালী নতুন গুচ্ছগ্রামের একগৃহ বধূর সাথে অসামাজিক কাজে লিপ্ত ছিল। স্থানীয়রা টের পেয়ে তাদেরকে আটক করে পুলিশে সংবাদ দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাদেরকে উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নিয়ে আসে। ওসি এজাজ শফী জানান, অসামাজিক কাজে লিপ্ত থাকায় ধৃত দু’জনকে বুধবার সকালে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

সাতক্ষীরায় স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ, স্বামী পলাতক

খান নাজমুল হুসাইন, সাতক্ষীরা

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার লাবসা ইউনিয়নের কৈখালীতে স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ঘাতক স্বামী ওহিদুজ্জামান পলাতক রয়েছে। সাতক্ষীরার কাটিয়া ফাঁড়ির ইনচার্জ ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ইন্সপেক্টর মিজানুর রহমান জানান, মঙ্গলবার দুপুরে স্বামী ওহিদুজ্জামান তার স্ত্রী ডলি খাতুনকে পিটিয়ে সংকটাপন্ন অবস্থায় সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নিহতের ভাই বাবলু হোসেন নিহত ডলির স্বামীসহ চারজনকে আসামী করে সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। ইন্সপেক্টর মিজান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জানান, নিহত ডলি’র মরদেহের ময়না তদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহত গৃহবধূর স্বামী ওহিদকে গ্রেফতারের পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে তিনি আরো জানান।

নিহত গৃহবধূর ভাই বাবলু জানান, ডলি’র স্বামী সবসময়ই তার বোনকে নানাভাবে নির্যাতন করে আসছিল। এরই জেরে তাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

সুন্দরবনের কর্তন নিষিদ্ধ সুন্দরী গাছ কেটে বনবিভাগের ট্রলারেই পাচার

আবু হোসাইন সুমন, মোংলা

করোনা পরিস্থিতি ও চলমান লকডাউনের মধ্যে দিনে দুপুরে সুন্দরবনের কর্তন নিষিদ্ধ সুন্দরী ও কাকড়া গাছ কেটে তা পাচারের অভিযোগ উঠেছে বনবিভাগের এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। পূর্ব সুন্দরবনের ঢাংমারী ষ্টেশনের ষ্টেশন অফিসার (এসও) মোঃ আনোয়ার হোসেন খাঁন বনের ঘাগরামারী এলাকা থেকে সুন্দরী ও কাকড়া গাছ কেটে তা ট্রলারযোগে পাচার করছিল। বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পাচার কাজে ব্যবহৃত করা হয় বনবিভাগের পতাকাবাহী ট্রলার। বনবিভাগেরই ট্রলারে থাকা গাছ পাচারকারী তরুন বলেন, এ গাছ তাদের ষ্টেশন অফিসার আনোয়ার সাহেব ঘাগরামারী থেকে কেটে আনার অনুমতি দিয়েছেন।

তবে ঢাংমারী ষ্টেশনের ষ্টেশন অফিসার (এসও) মোঃ আনোয়ার হোসেন খাঁন দাবী করে বলেন, ঘাগরামারী টহল ফাঁড়ি থেকে এ গাছ আমাদের ষ্টেশনের (ঢাংমারী) স্থাপনা তৈরীর কাজে আনা হচ্ছিল। এ ব্যাপারে তাদের উর্দ্ধতন কর্মকর্তার নির্দেশনা রয়েছে। তবে বনবিভাগের পতাকাবাহী ট্রলারে গাছ নেয়ার সময় ছিলনা কোনও বনরক্ষী, ছিল তিনজন পাচারকারী।

এদিকে বনবিভাগের স্থাপনা তৈরীর কাজে কোন গাছ ব্যবহার করতে হলে তাদের জব্দকৃত গাছ ছাড়া ব্যবহার করতে পারবেনা বলে জানান পূর্ব সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) মোঃ এনামুল হক। ঢাংমারী ষ্টেশনের ষ্টেশন অফিসার আনোয়ার হোসেন খাঁনের সুন্দরবনের সদ্য গাছ কাটার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘উনি তাকে (এসও আনোয়ার) বলেছেন তাদের ষ্টেশনের জেটি নির্মাণের জন্য ওই গাছ নেয়া হচ্ছিল। তবে সেটি সদ্য কাটা কিনা আমি বলতে পারব না।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, ঢাংমারী ষ্টেশনের ষ্টেশন অফিসার আনোয়ার হোসেন খাঁন ও ঢাংমারী ষ্টেশনের আওতাধীন ঘাগরামারী টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রউফের বিরুদ্ধে গাছ কেটে পাচারসহ নানা রকম অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। ঢাংমারী ষ্টেশন সংলগ্ন ভোজনখালী গ্রামের বাসিন্দা মুক্তিযোদ্ধা মুজিবর রহমান, সাবেক ইউপি মেম্বর মোঃ আফসার আলী ও সঞ্জয় কুমার বর্মন অভিযোগ করে বলেন, ঢাংমারী ষ্টেশন অফিসার আনোয়ার হোসেন এবং ঘাগরামারীর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুর রউফ তাদের লোক (দালাল) দিয়ে সুন্দরবন থেকে প্রতিনিয়তই কর্তন নিষিদ্ধ সুন্দরী, কাকড়া ও বাইনসহ বিভিন্ন প্রজাতির মূল্যবান গাছ পাচার করে থাকেন। যারা এসব অপকর্মের প্রতিবাদ করে তাদের বিরুদ্ধে হরিণ পাচারের মিথ্যা মামলা দিয়ে ফাঁসিয়ে দেন বলেও অভিযোগ ওই গ্রামবাসীর।

আর অভিযোগ রয়েছে বনবিভাগের এই দুই কর্তার সকল অনিয়মে সহযোগী হিসেবে কাজ করছেন ভোজনখালী গ্রামের বাসিন্দা বাদল ও ট্রলার মাঝি রহিম নামের দুই ব্যক্তি (দালাল)। বনকর্তা আনোয়ার ও রউফের সহযোগী বাদল এবং রহিমের অত্যাচারে অতিষ্ট গ্রামের সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ।

পূর্ব সুন্দরবনের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মোঃ বেলায়েত হোসেনের কাছে ঢাংমারী ষ্টেশনের ষ্টেশন অফিসার আনোয়ার হোসেন খাঁনের কর্তন নিষিদ্ধ সুন্দরী ও কাকড়া গাছ কাটার বিষয়ে জানতে চাইলে বিষয়টি আমি দেখছি বলেই ফোন কেটে দেন।

এ বিষয়ে বনবিভাগের খুলনাঞ্চল’র বন সংরক্ষক (সিএফ) মোঃ মঈন খাঁন বলেন, সুন্দরবন থেকে সদ্য গাছ কেটে ষ্টেশনের কোন স্থাপনা তৈরী করার কোন সুযোগ নেই। দীর্ঘদিনের জব্দকৃত গাছ দিয়ে এসব স্থাপনা করতে গেলেও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয়ের অনুমতির প্রয়োজন। কোন কর্মকর্তা বনের গাছ কেটে থাকলে তার বিরুদ্ধে তদন্ত করে আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

নিম্ন আয়ের কর্মহীনদের মাঝে সিটি মেয়রের ত্রাণসামগ্রী বিতরণ

তথ্য বিবরণী

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) প্রতিরোধে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ‘মানবিক সহায়তা কর্মসূচির’ আওতায় বুধবার সকালে খুলনার ৩০ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর কার্যালয় চত্বরে চারশত ২৮ কর্মহীন নি¤œআয়ের শ্রমজীবী, অসহায়, দুস্থ ও হতদরিদ্রদের মাঝে সাত কেজি করে চালসহ আলু, ডাল, লবণ, পেঁয়াজ ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন।

ত্রাণসামগ্রী বিতরণকালে খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানা, ৩০ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর এসএম মোজাফফর রশিদী রেজা, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি এ্যাডভোকেট মোঃ ফারুক হোসেন শেখ, সাধারণ সম্পাদক মোঃ শিহাব উদ্দিনসহ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

পরে সিটি মেয়র পর্যায়ক্রমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ‘মানবিক সহায়তা কর্মসূচির’ আওতায় নগরীর ২৭, ২৫, ২০, ১২, ১১, ৮ ও ৭ নম্বর ওয়ার্ডের চারশত ২৮ জন করে মোট দুই হাজার নয়শত ৯৬ কর্মহীন নি¤œআয়ের শ্রমজীবী, অসহায়, দুস্থ ও দরিদ্রদের মাঝে সাত কেজি করে চালসহ আলু, ডাল, লবণ, পেঁয়াজ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী বিতরণ করেন।

খুলনা বিভাগীয় শ্রম দপ্তর চত্বরে আজ সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ‘মানবিক সহায়তা কর্মসূচির’ আওতায় পাঁচশ ৪০ কর্মহীন বাসচালক ও হেলপারের মাঝে আট কেজি করে চালসহ খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়। ইতোপূর্বে এক হাজার সাতশত ৮০ কর্মহীন বাসচালক ও হেলপারের মাঝে আট কেজি করে চালসহ খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

বাড়িতে বসে বাজার: খুলনায় হাতের মুঠোয় কাঁচাবাজার মোবাইল অ্যাপের উদ্বোধন

তথ্য বিবরণী

করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে জনসাধারণের ঘরে বসে শাক-সবজি ও ডিম-দুধ প্রাপ্তির লক্ষ্য নিয়ে  ‘হাতের মুঠোয় কাঁচাবাজার’ অ্যাপটি বুধবার খুলনায় চালু হয়েছে। স্মার্ট ফোনের মাধ্যমে ডিজিটাল পদ্ধতিতে অ্যাপটির মাধ্যমে খুলনা মহানগরের বাসিন্দারা ঘরে বসে বিষমুক্ত, তাজা শাক-সজবি, মাছ, মাংস ও ডিম ক্রয় করতে পারবেন।

সকালে খুলনা সার্কিট হাউজ সম্মেলনকক্ষে খুলনার বিভাগীয় কমিশনার ড. মুঃ আনোয়ার হোসেন হাওলাদার এই অ্যাপটির উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনকালে তিনি বলেন, ক্রেতাকে মানসম্পন্ন পণ্যটি ন্যায্যমূলে সময়মতো বাড়িতে পৌঁছে দিতে পারলে এটি জনপ্রিয় হয়ে উঠবে।

এসময় খুলনার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার সরদার রকিবুল ইসালম, পুলিশ সুপার এসএম শফিউল্লাহ, খুলনা আঞ্চলিক তথ্য অফিসের উপপ্রধান তথ্য অফিসার ম. জাভেদ ইকবাল, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক পঙ্কজ কান্তি মজুমদার, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা এসএম আউয়াল হক, বাজার কর্মকর্তা আব্দুস সালাম তরফদারসহ অন্যান্য কর্মকর্তা ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

 দেশের এই ক্রান্তিকালে প্রান্তিক কৃষক, পোল্ট্রি ও ডেইরি খামারীদের উৎপাদিত পণ্য মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে বাজারজাতকরণে খুলনা জেলা প্রশাসনের উদ্ভাবনী উদ্যোগটিতে  খুুলনা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর,  জেলা প্রাণিসম্পদ অফিস এবং খুলনা কৃষি বিপণন অধিদপ্তরসহ ঘরে বসে কৃষি বাজার ও ডিজিটাল সুন্দরবন প্রোটিন হাউজ নামের দু’টি উদ্যোক্তা সংগঠন সহযোগিতা করে।

‘হাতের মুঠোয় কাঁচাবাজার’ অ্যাপের ‘ঘরে বসে কৃষি বাজার করি’ কার্যক্রমের আওতায় শাক-সবজি, কাঁচা তরকারি, ফলমূল ইত্যাদি কেনা যাবে। ‘ডিজিটাল সুন্দরবন প্রোটিন হাউজ’ কার্যক্রমের আওতায় আমিষ জাতীয় পণ্য ডিম, দুধ ইত্যাদি কেনা যাবে।

খুলনা মহানগরীর মধ্যে যে কোন বাসিন্দা শাক-সবজি, ডিম, মাংস ও দুধের অর্ডার করলে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ২৪ ঘন্টার মধ্যে বাসা-বাড়িতে প্রয়োজনীয় মালামাল পৌঁছে দিবে।

এই কর্মসূচির ফলে দুর্যোগের এই মুহূর্তে সামাজিক দূরত্ব যেমন বজায় থাকবে তেমনি কৃষি উৎপাদনকারীরা তাদের পণ্য বিক্রিতে সুবিধা পাবেন। ক্রেতারা ভিড় এড়িয়ে ঘরে বসে বিষমুক্ত এবং তাজা পণ্য কিনতে পারবেন।

গুগল প্লে-স্টোর থেকে ‘হাতের মুঠোয় কাঁচাবাজার’ অ্যাপটি সহজেই ডাউনলোড করা যাবে।

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে খুলনা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির হাত ধোয়া বেসিন স্থাপন

খবর বিজ্ঞপ্তি

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে খুলনা জেলা রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির উদ্যোগে গতকাল  খুলনা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের প্রধান প্রবেশদ্বারের পাশে হাত ধোয়ার বেসিন বসানো হয়েছে। স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বেসিনের সাথে রয়েছে সাবান ও স্যানিটাইজার। বেসিন বসানোর পর খুলনা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন হাত ধোয়া কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

এ সময় খুলনা জেলা রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সেক্রেটারি বীর মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেন মিন্টু,নির্বাহী সদস্য ও খুলনা প্রেস কাবের সভাপতি এস এম নজরুল ইসলাম,খুলনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ জিয়াউর রহমান,  রেড ক্রিসেন্ট ইউনিট কর্মকর্তা মঈনুল ইসলাম পলাশ, জেলা যুব রেড ক্রিসেন্টের আহবায়ক আল আমিনসহ স্বেচ্ছাসেবকরা উপস্থিত ছিলেন।  

ফুলতলায় মটর শ্রমিকদের ঘন্টাব্যাপী মহাসড়ক অবরোধ

ফুলতলা (খুলনা) প্রতিনিধি

করোনায় কর্মহীন হয়ে পড়া মটর শ্রমিক ইউনিয়ন (১১১৪) ফুলতলা শাখার অসহায় শ্রমিকেরা সরকারি ত্রানের দাবিতে বুধবার সকাল ১০টা থেকে ঘন্টাব্যাপী খুলনা-যশোর মহাসড়কের ফুলতলা বাসষ্টান্ড এলাকা অবরোধ করে। এ সময় মটরশ্রমিক ফুলতলা শাখা সভাপতি ওয়াহিদ মুরাদ পিন্টু ও সাধারণ সম্পাদক সনজিৎ বসু প্রমুখ নেতৃবৃন্দ অভিযোগ করে বলেন, করোনায় প্রায় দেড় মাস কর্মহীন হয়ে পড়েছে ফুলতলা এলাকার বাস, ট্রাক, পিকআপ,মাইক্রো,থ্রি-হুইলার, ইজিবাইকের সহ¯্রাধিক শ্রমিক। ফলে সহ¯্রাধিক অসহায় মটর শ্রমিক পরিবার অর্ধহারে ও অনাহারে দিন কাটাচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিরা সরকারি ত্রান প্রদানের প্রতিশ্রুতি দিয়ে দফায় দফায় শ্রমিকদের পরিচয়পত্র, নাগরিকত্ব সনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি নিলেও আজ পর্যন্ত তাদের মাঝে কোন ত্রান বা খাদ্য সহায়তা পৌঁছায়নি। অবিলম্বে সরকারি ত্রান সহায়তা না পেলে পরিবার পরিজন নিয়ে আমরণ সড়ক অবরোধের ঘোষনা দেয়া হয়। কর্মসূচি চলাকালে এক পর্যায়ে ইউএনও পারভীন সুলতানা ও পুলিশ প্রশাসনের আশ্বাসে শ্রমিকরা অবরোধ প্রত্যাহার করে নেয়।

গৃহবন্ধি মোটর শ্রমিকদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণকালে মঞ্জু: সরকার বলছে সব কিছু ঠিক আছে, কিন্তু বাস্তবে চিত্র উল্টো

খবর বিজ্ঞপ্তি

কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, মানুষের জীবন-জীবিকা দুটোই ঠিক রাখতে হবে। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ যেহেতু এখনও উর্ধ্বমুখি, সেহেতু আর কিছুদিন অবরুদ্ধ ও সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখতে হবে। সংক্রমণ পরিস্থিতি একটু স্বাভাবিক হলে কলকারখানাগুলো খুলে দিলে ভাল হত, কেননা জীবন ও জীবিকার মধ্য জীবন নিঃসন্দেহে প্রাধান্য পাবে। বর্তমান দেশে একটি যুদ্ধ পরিস্থিতি বিরাজ করছে। করোনার বিরুদ্ধে এই যুদ্ধ সকল রাজনৈতিক দলসহ সকলে সম্মিলিত প্রচেষ্টায় মহাদুর্যোগ মোকাবেলা করতে হবে। মঞ্জু বলেন, করোনা ভাইরাসের মহাদুর্য়োগের মধ্যে ত্রাণ চুরি এবং স্বাস্থ্যখাতের দুর্ণীতি দেশ ও জাতীর জন্য লজ্জাজনক। সরকার এক দলীয় ভিত্তিতে কর্মকা- করতে যেয়ে সব কিছু লেজেগোবরে অবস্থা করে ফেলেছে। দেশের মানুষকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে না দিয়ে তাদের খাবারের ব্যবস্থা করুন। প্রতিটি পরিবার গৃহবন্ধি কর্মহীন অবস্থায় পড়ে আছে। তাদের কোন কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা নেই, খাবারেরও ব্যবস্থা নেই। সরকার এখনও বলছে সব কিছু ঠিক আছে, কিন্তু বাস্তবে সব কিছুই উল্টো। মানুষের ঘরে খাবার নেই। আর এই খাদ্যহীন প্রতিটি পরিবারের মাঝে খাবারের ব্যবস্থা করতে হবে।      

বুধবার দুপুর ২টায় নগর বিএনপি’র ত্রাণ কর্মসুচির অংশ হিসেবে নগর বিএনপি’র উদ্যোগে ১৮নং ওয়ার্ডের নবপল্লী কমিউনিটি সেন্টারে গৃহবন্ধি মোটর শ্রমিকদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণকালে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু। এসময় উপস্থিত ছিলেন অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, অধ্যক্ষ আরিফুজ্জামান অপু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, মেহেদী হাসান দীপু, ইউসুফ হারুন মজনু, শরিফুল ইসলাম বাবু, আশিকুর রহমান আশিক, মুশফিকুর রহমান অভি, আব্দুল আহাদ শাহীন, ইমরান হোসেন, সাইফুল মল্লিক, ইকবাল হোসেন, ফজলুর রহমান, রিয়াজুল কবির, ইসবুল রহমান ইমন, সাহেব আলি, আব্বাস মোল্লা, মোস্তফা দুলাল, মোজাম্মেল হোসেন, ইয়াসিন মোল্লা, আল আমিন হোসেন, আসিফ রহমান হৃদয়, সাবরিন বিন সরাফত, মো. আপন প্রমুখ।