বিশেষ প্রতিনিধি ॥
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ-হাকিমপুর গ্রামীন পাকা সড়কের কাশীপুর মাঠের কালভার্ট ভেঙ্গে পড়ায় তা মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। ফলে কালীগঞ্জ ও পার্শ^বর্তী যশোরের চৌগাছা উপজেলার প্রায় অর্ধ শতাধিক গ্রামের মানুষ ওই সড়কে চলাচলে চরম দূর্ভোগে পড়েছে। বন্ধ হয়ে গেছে এ অঞ্চলের সকল মাঠের পানি প্রবাহ। এখন অতিরিক্ত বৃষ্টি হলেই স্থায়ী জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়ে ওই বিস্তর এলাকার ভরা আমন ক্ষেত তলিয়ে যাওয়ার বিরাট ঝুঁকিতে রয়েছে।
স্থানীয়, কাশিপুর গ্রামের কৃষক মাসুদুর রহমান জানান, কয়েক মাস আগে থেকেই কালভার্টটির অংশ বিশেষ ভাঙতে শুরু করে। এ অবস্থার মধ্যদিয়েই চরম ঝুঁকি নিয়ে ওই ব্যস্থতম সড়কের মানুষ যাতায়াত করছিল। এরপর গত কয়েকদিন আগে কালভার্টটির সম্পূর্ণই ধসে পড়েছে। এছাড়াও কালীগঞ্জ উপজেলার রোকনপুর ও ত্রিলোচনপুর ইউনিয়ন ও যশোরের চৌগাছা উপজেলাসহ প্রায় অর্ধশত গ্রামের মানুষ যাতায়াতে ভোগান্তিতে পড়েছে।
কাশীপুর গ্রামের পৌর কাউন্সিলর মেহেদী হাসান সজল বলেন, কালভার্টটি ভেঙে যাওয়ায় কালীগঞ্জ থেকে হাকিমপুর যাওয়া-আসার পথ সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। স্থানীয়রা তার পাশেই মাটি দিয়ে কিছুটা ভরাট করে আপাতত চলাচলের উপযোগী করেছে মাত্র। তবে, সেটাও ঝুঁকিপূর্ণ। জনস্বার্থে এখনই কালভাটটি নির্মান জরুরী। এ বিষয়টি তিনি সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছেন।

শিমলা রোকনপুর গ্রামের রবিউল ইসলাম জানান, শুক্রবার বিকালে হঠাৎ কালভার্টটি ভেঙ্গে পড়ার পর স্থানীয়রা ভাঙ্গা স্থানে গাছের ডাল পুতে এর সঙ্গে লাল কাপড় জড়িয়ে দিয়ে চলাচলকারীদের সাবধান করছে মাত্র।
ওই সড়কের পথচারী আব্দুস সালাম জানান, এখন এই সড়কে চলাফেরা করা কঠিন হয়ে পড়েছে। মালবাহী কোন গাড়ি যেতে পারছে না। আবার এখন ভারি বর্ষা দেখা দিলে এ বিস্তর এলাকার পানি নিষ্কাশন বাধাগ্রস্থ হবে। এমনকি পানিতে আমনের ভরাক্ষেত ডুবে যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।
কালীগঞ্জ উপজেলা এলজিইডি’র প্রকৌশলী আবুল কালাম আজাদ জানান, কালভার্ট ভেঙ্গে পড়ার সংবাদটি জেনেছেন। ভাঙ্গা কালভার্টটি অনেক পুরাতন। রাস্তা এবং ওই রাস্তার কালভার্ট ও ব্রীজ নির্মাণের জন্য প্রস্তাবনা আগেই পাঠানো হয়েছে। প্রস্তাব পাশ না হলে স্থায়ী সমাধান হচ্ছে না। তবে কিছুদিন পরেই মাঠের আমন ধান পাকতে শুরু করবে। এ সময় ভারি বর্ষা হলে জলাবদ্ধতার ঝুঁকিও রয়েছে বর্তমানে ওই সড়কে চলাচলকারী মানুষের ভোগান্তি চরম আকার ধারন করেছে বলে তিনিও স্বীকার করে বলেন আপাতত চলাচল উপযোগী করার ব্যবস্থার কথা ভাবা হচ্ছে।










































