Home আঞ্চলিক রূপসায় রেলের জমির লিজ নিয়ে নিয়মিত খাজনা দিয়েও ভোগ-দখল করতে পারছেনা ইদ্রিস...

রূপসায় রেলের জমির লিজ নিয়ে নিয়মিত খাজনা দিয়েও ভোগ-দখল করতে পারছেনা ইদ্রিস মীর

13

 

রূপসা প্রতিনিধি।।

বাংলাদেশ রেলওয়ে থেকে লিজ নিয়ে নিয়মিত খাজনা দিয়েও জমি ভোগ-দখল করতে পারছেনা রূপসা উপজেলার বাগমারা গ্রামের ইদ্রিস আলী মীর। প্রথম লিজ গ্রহীতার লিজ বাতিল না করে একই জায়গায় অন্য আর একজনকে লিজ দেয় রেল কর্তৃপক্ষ। পরবর্তীতে প্রথম পক্ষের লিজ বহাল রেখে দ্বিতীয় পক্ষের লিজ বাতিল করলেও প্রথম পক্ষকে জমির কাছে যেতে দিচ্ছেনা দ্বিতীয় পক্ষ। এ নিয়ে প্রতিনিয়ত বিবাদ লেগেই আছে।
ভুক্তভোগী সূত্রে জানা গেছে, রূপসা উপজেলার বাগমারা গ্রামের মৃত রাশেদ আলী মীরের ছেলে ইদ্রিস আলী মীর ২০১১ সালে বাগমারা মৌজার ১৭৩ নম্বর দাগের ১৬ শতক জমি বাংলাদেশ রেলওয়ে থেকে একসনা লিজ গ্রহন করে। সেই থেকে নিয়মিত বার্ষিক খাজনা দিয়ে ভোগ দখল করে আসছে সে। এদিকে ওই এলাকার মৃত নিয়ামত আলী মীরের ছেলে আব্দুল্লাহ আল মামুন ২০১৭ সালে ওই একই মৌজার একই দাগের ১৬ শতক জমির মধ্যে ১৫ শতক জমি কৌশলে লিজ নিয়ে জবর দখল করে নেয়। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর ইদ্রিস আলী মীর রেল কর্তৃপক্ষের নিকট অভিযোগ করলে আব্দুল্লাহ আল মামুনের লিজ বাতিল করে দেয়। তবে লিজ বাতিল হলেও দ্বিতীয় পক্ষ মামুন ও সাহিদা বেগম ওই জমির মালিকানা ছাড়তে নারাজ। প্রথম পক্ষ জমিতে কাজ করতে গেলেই লোকজন দিয়ে তার উপর হামলা চালাচ্ছে।
জমির লিজ মালিক ইদ্রিস আলী মীর বলেন, ২০১১ সাল থেকে আমি ওই জমি লিজ নিয়ে ভোগদখলে আছি। প্রতি বছর নিয়মিত খাজনা প্রদান করছি। তিনি বলেন, রেল কর্তৃপক্ষকে ভুল বুঝিয়ে আমার লিজের জায়গা ওরা লিজ আনে। পরে রেল কর্তৃপক্ষকে আমার লিজের ও খাজনার কাগজ দেখালে ওদের লিজ বাতিল করে আমার লিজ বহাল রাখে। তারপরও সাহিদা ও মামুন আমাকে জমি নিয়ে বিভিন্ন সময় নানা ভাবে হয়রানী করে আসছে। আমি এর বিচার চাই।
সাহিদা বেগম বলেন, এই জমি আমাদের পৈত্রিক সম্পত্তি। এছাড়া ২০১৭ সালে রেল থেকে লিজও নিয়েছি। নিয়মিত খাজনা দিচ্ছেন বলে দাবি করলেও খাজনার কোন রশিদ তিনি দেখাতে পারেননি।
এবিষয়ে রূপসা মটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মোঃ সাইফুল ইসলাম বলেন, এই দুই পক্ষের অভিযোগের ভিত্তিতে কিছু দিন আগে আমার সভাপতি হারুন মোল্লা ও পূর্ব রূপসা বাসস্ট্যাান্ড পুলিশ ফাঁড়ির আইসি কামাল হোসেন রেলের ১৮ নং কাছারিতে যায়। উভয়পক্ষের কাগজ-পত্র দেখে ওখানকার কর্মকর্তা জানান ইদ্রিস আলীর কাগজ-পত্র সঠিক আছে। আর মামুনের কাগজ অনেক আগেই বাতিল করা হয়েছে।