Home আঞ্চলিক সারা খুলনা অঞ্চলের সব খবরা খবর

সারা খুলনা অঞ্চলের সব খবরা খবর

37
খুলনার সোনাডাঙ্গা-নতুন রাস্তা সড়কটিতে বেশ কয়েক মাস ধরে সংস্কারকাজ চলছে। সংস্কারকাজের ধীরগতির কারণে এখনো ঠিক হয়নি খানাখন্দ। ফলে যান চলাচলে ভোগান্তি দেখা দিচ্ছে। বয়রা পূজাখোলার ছবি: সংগৃহীত

আন্দোলনের মুখে সরকারের মসনদ তাসের ঘরের মতো উড়ে যাবে: মনা
।। খবর বিজ্ঞপ্তি।।
খুলনা মহানগর বিএনপির আহবায়ক এড. শফিকুল আলম মনা বলেছেন, দেশনেত্রী গণতন্ত্রের মা খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে সামনে যে আন্দোলন আসছে, তাতে বর্তমান সরকারের মসনদ তাসের ঘরের মতো উড়ে যাবে। তিনি বলেন, সরকারের পতন এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। দুর্নীতি, টাকা পাচার ও লুটপাটের কারণে অর্থনীতি ধ্বংস হয়ে গেছে। বিদ্যুৎ সংকটে লোডশেডিংয়ে দেশের মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে পড়ছে। দ্রব্য্যমূল্যের দাম এখন আকাশ ছোঁয়া। এ অবস্থা চলতে পারে না। অচিরেই আন্দোলনের মাধ্যমে এ সরকারকে বিদায় করা হবে। আর সে লক্ষ্যে দলকে শক্তিশালী ও সুসংগঠিত করতে হবে। তিনি ব্যক্তি স্বার্থকে পরিহার করে দলকে শক্তিশালী করার জন্য নেতাকর্মীদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন।
মঙ্গলবার (২৬ জুলাই) বেলা ১১টায় কেডি ঘোষ রোডস্থ বিএনপি কার্যালয়ে খুলনা মহানগর আহবায়ক কমিটির সাংগঠনিক কমিটির সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব শফিকুল আলম তুহিনের পরিচালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক তারিকুল ইসলাম জহির, স ম আ. রহমান, সৈয়দা রেহেনা ঈসা, কাজী মাহমুদ আলী, আজিজুল হাসান দুলু, শের আলম সান্টু, আবুল কালাম জিয়া, বদরুল আনাম খান, মাহাবুব হাসান পিয়ারু, চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন, একরামুল হক হেলাল, মাসুদ পারভেজ বাবু, শেখ সাদী ও হাসানুর রশিদ চৌধুরী মিরাজ, শেখ জাহিদুল ইসলাম, আ. রাজ্জাক, হাফিজুর রহমান মনি, আশফাকুল রহমান কাকন, ওয়াহিদুর রহমান দিপু, বেগ তানভিরুল আজম, সাহিনুল ইসলাম পাখি, রুবায়েত হোসেন বাবু, মুরশিদ কামাল, আরিফ ইমতিয়াজ খান তুহিন, কেএম হুমায়ন কবির, বিপ্লবুর রহমান কুদ্দুস, সাজ্জাদ হোসেন তোতন, সৈয়দ সাজ্জাদ আহসান পরাগ, কাজী মিজানুর রহমান, একরামুল হক মিল্টন, জহর মীর, উদ্দিন নান্নু, শেখ ইমাম হোসেন, আহসান উল্লাহ বুলবুল, এ্যাড. মোঃ আলী বাবু, আবু সাঈদ হাওলাদার আব্বাস, আফসার উদ্দিন,মোল্লা ফরিদ আহমেদ, আনসার আলী, নাসির খান, আব্দুস সালাম, কাজী শাহ নেওয়াজ নিরু, আব্দুর রহমান ডিনো, নাজমুল হুদা চৌধুরী সাগর, তারিকুল ইসলাম, খন্দকার হাসিনুল ইসলাম নিক, জাহিদ হোসেন, মিজানুর রহমান মিলটন, শফিকুল ইসলাম শফি, আক্কাস আলী, ফারুক হোসেন, মুজিবর রহমান, আজিজা খানম এলিজা ও মাসুদ খান বাদল।
সভায় সর্বসম্মতিক্রমে মহানগরীর ৫টি থানায় গঠিত সাংগঠনিক টিমের দায়িত্ব সঠিকভাবে সফল করার সাংগঠনিক টিমের সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয় এবং সাংগঠনিক টিম বিলুপ্ত করা হয়। সভায় ২৭ জুলাই (আজ) রাত ৮টার মধ্যে সকল ওয়ার্ডের কর্মী সভার তারিখ ও স্থান নির্ধারন করে মহানগর কার্যালয়ে অবহিত করার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি নির্দেশ প্রদান করা হয়। কোন ওয়ার্ডে স্থান নির্ধারনে জটিলতা দেখা দিলে দলীয় কার্যালয়ে কর্মী সভা করার সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। সভা থেকে ওয়ার্ড কমিটি ৩১ সদস্যের এবং ইউনিট কমিটি ১২ সদস্যের করার সিদ্ধান্ত হয়। ওয়ার্ড আহবায়ক সম্মেলনে সভাপতি বা সাধারন সম্পাদক পদে প্রার্থী হতে পারবে না বলে সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।

বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র সজীব ওয়াজেদ জয়’র শুভ-জন্মদিন উপলক্ষে নগর শ্রমিক লীগের কেককাটা ও আলোচনা সভা
খবর বিজ্ঞপ্তি
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দৌহিত্র, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য সন্তান এবং তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা, ডিজিটাল ব্ংালাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা- সজীব ওয়াজেদ জয় এর ৫২ তম শুভ-জন্মদিন উপলক্ষে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭:৩০ মিনিটে সংগঠনের কার্যালয়ে খুলনা মহানগর শ্রমিক লীগের উদ্যেগে কেক-কাটা, আলোচনা-সভা ও তার দীর্ঘায়ু জীবন কামনা করে দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সাধারন সম্পাদক রনজিত কুমার ঘোষ। সভা পরিচালনা করেন সংগঠনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো: আব্দুর রহিম খান। উক্ত অনুষ্ঠানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা এবং ডিজিটাল বাংলার রুপকার সজীব ওয়াজেদ জয় সহ পরিবারের সকলের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু জীবন কামনা করে দোয়া প্রার্থনা করা হয়। অনুষ্ঠানে নেতৃবৃন্দ বলেন, স্বপ্নের পদ্মা সেতু উদ্বোধন এর মধ্যে দিয়ে উন্নয়ন ও সম্ভাবনার এক নতুন দ্বার উন্মোচন হয়েছে এবং এতে দক্ষিণ-পঞ্চিম অঞ্চলের ব্যাপক উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। তাই এই উন্নয়নের ধারকে অব্যহত রাখতে আগামী মেয়র নির্বাচন ও জাতীয় নির্বাচনে শেখ হাসিনার সরকারকে আবারও নির্বাচিত করে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আনতে হবে।
উক্ত অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন, সংগঠনের সহ-সভাপতি মল্লিক নওশের আলী, মো: আকতার হোসেন, মো: শরিফুল ইসলাম, মো: আজিম উদ্দিন, সঞ্জয় কর্মকার, বিপ্লব কুমার দে, মো: নুর ইসলাম, প্রশান্ত কুমার ঘোষ, মো: শহিদুল ইসলাম, খোকন শীল কুটি, বিপ্লব কুমার রায়, মো: আইনুল ইসলাম, সনজিত ঘোষ, আব্দুর রহিম, আরিফুল ইসলাম অনিক, মাজেদা বেগম, ঝুমুর বেগম, মানু সাহা, মো: শাওন, মো: রুহুল আমিন, মোহম্মদ আলী সহ প্রমূখ নেতৃবৃন্দ।
এমপি বাবু’র মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের আর্থিক সহায়তা পেল পাইকগাছার ২৫ ব্যক্তি
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা-৬ (কয়রা-পাইকগাছা) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ আক্তারুজ্জামান বাবু’র মাধ্যমে পাইকগাছার আরও ২৫ জন দুঃস্থ ও অস্বচ্ছল ব্যক্তি প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা পেয়েছেন। মঙ্গলবার (২৬ জুলাই) সকালে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ইউএনও মমতাজ বেগমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ আক্তারুজ্জামান বাবু ২৫ জন ব্যক্তিদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের ১১ লাখ ৮০ হাজার টাকার চেক প্রদান করেন। উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শিয়াবুদ্দীন ফিরোজ বুলু’র সঞ্চালনায় এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ আনোয়ার ইকবাল মন্টু, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান লিপিকা ঢালী, লোনাপানি কেন্দ্রের কেন্দ্র প্রধান ও প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোঃ লতিফুল ইসলাম, ওসি জিয়াউর রহমান, ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ, কওছার আলী জোয়াদ্দার, রিপন কুমার মন্ডল, কেএম আরিফুজ্জামান তুহিন, কাজল কান্তি বিশ^াস, শাহজাদা মোঃ আবু ইলিয়াস, জিএম আব্দুস সালাম কেরু, শেখ জিয়াদুল ইসলাম জিয়া, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম রেজায়েত আলী, অধ্যক্ষ রবিউল ইসলাম, প্রাক্তন অধ্যক্ষ রমেন্দ্রনাথ সরকার, প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক সুরাইয়া বানু ডলি সহ বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তাবৃন্দ।

দাকোপে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে অবৈধ ১১ জাল ও দুটি পাটা আগুনের পুড়িয়ে বিনষ্ট
মোঃ শামীম হোসেন- বাজুয়া (দাকোপ)
জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০২২ এর চতুর্থ দিন মঙ্গলবার দিন ব্যাপি খুলনার দাকোপ উপজেলার বারুইখালি বিভিন্ন খালে মৎস্য সংরক্ষণ আইনে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। মোবাইল কোর্ট পরিচালনা কালে মোট ১০ টি চায়না দুয়ারী জাল, ১ টি বেহুন্দি জাল ও দুটি অবৈধ পাটা বাধ আগুনের পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়। পরবর্তীতে জালগুলি উপজেলা পরিষদ চত্বরে এনে পোড়ানো হয়। এ সময় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে বেহুন্দি জাল ব্যবহারকারীর নিকট হতে ২ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নিবাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মিন্টু বিশ্বাস। সার্বিক সহযোগিতায় করেন সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সেলিম সুলতান, উপজেলা মৎস্য অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারী বৃন্দ ও বাংলাদেশ নৌ পুলিশের সদস্যবৃন্দ।

দাকোপে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে অবৈধ ১১ জাল ও দুটি পাটা আগুনের পুড়িয়ে বিনষ্ট
বাজুয়া (দাকোপ) প্রতিনিধি
জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০২২ এর চতুর্থ দিন মঙ্গলবার দিন ব্যাপি খুলনার দাকোপ উপজেলার বারুইখালি বিভিন্ন খালে মৎস্য সংরক্ষণ আইনে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। মোবাইল কোর্ট পরিচালনা কালে মোট ১০ টি চায়না দুয়ারী জাল, ১ টি বেহুন্দি জাল ও দুটি অবৈধ পাটা বাধ আগুনের পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়। পরবর্তীতে জালগুলি উপজেলা পরিষদ চত্বরে এনে পোড়ানো হয়। এ সময় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে বেহুন্দি জাল ব্যবহারকারীর নিকট হতে ২ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নিবাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মিন্টু বিশ্বাস। সার্বিক সহযোগিতায় করেন সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সেলিম সুলতান, উপজেলা মৎস্য অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারী বৃন্দ ও বাংলাদেশ নৌ পুলিশের সদস্যবৃন্দ।
চুলকাঠিতে চেতনাশক ওষুধ খেয়ে চারজন অসুস্থ্য: খুমেকে ভর্তি
ফকিরহাট প্রতিনিধি।
বাগেরহাট সদর উপজেলার রাখালগাছি ইউনিয়নের সৈয়দপুর দক্ষিনপাড়া (যতিনের মোড়) এলাকার একটি বাড়ীতে চেতনাশক ওষুধ খাইয়ে একই পরিবারের ৪জনকে অসুস্থ্য করে পালিয়েছে অজ্ঞাত দুবৃত্তরা। সোমবার গভীর রাতে তৈয়েব আলী মোল্লার পুত্র শরিফুল ইসলাম মোল্লার বাড়ীতে এঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা অচেতন অবস্থায় বাড়ির সকলকে উর্দ্ধার করে খুমেকে ভর্তি করেছেন। তবে পরিবারের সকলে অচেতন থাকায় নগদ টাকা ও মালামাল খোয়া গেছে কি না তা সঠিক ভাবে জানা যায়নি।
প্রতিবেশী তরিকুল ইসলাম জানান, সোমবার রাতে বাড়ির সকলে রাতের খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। এর আগে সম্ভাবত দুবৃত্তরা জালানার ফাঁকা দিয়ে সুকৌশলে খাবারের সাথে চেতনাশক ওষুধ প্রয়োগ করেন। সকালে স্থানীয়রা অচেতন অবস্থায় গৃহকর্তা শরিফুল মোল্লা (৪০), তার স্ত্রী কাজল বেগম (৩২), পুত্র সহিদুল (১২) ও আরিফুল-(৩)কে উদ্ধার করে খুমেকে ভর্তি করেছেন। বাড়ীর সকলে অচেতন থাকায় কি পরিমান মালামাল অজ্ঞাত দুবৃত্তরা নিয়েছেন তা সঠিক ভাবে জানা যায়নী।

বঙ্গবন্ধু সৈনিকলীগের খুলনা মহানগরের সভা
খবর বিজ্ঞপ্তি
২৬ শে জুলাই বিকাল ৪ টায় বঙ্গবন্ধু সৈনিকলীগ খুলনা মহানগর এর আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের খুলনা মহানগর সভাপতি মোঃ মহিদুল ইসলাম নান্নু, সাধারন সম্পাদক এম আসাদুজ্জামান মুন্নার পরিচালনায় আরও বক্তব্য রাখেন সংগঠনের মহানগর সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ হাসমত আলী, ইঞ্জি শান্তুনু বৈরাগী, মোঃ আব্দুস সামাদ, ওয়ারেন্ট অফিসার (অবঃ) মোঃ কামরুল ইসলাম, বিশ্বজিত মন্ডল, কমান্ডার আলী আজম, আব্দুর জব্বার, মোঃ নাইমুর রহমান, মোঃ সালাম সরদার, শিউলী আক্তার, প্রবীর কুমার, ইমরান হোসেন, মোঃ মিজানুর রহমান মন্টু, হামিদা বেগম, হালিমা বেগম, মোঃ জাহিদুর রহমান, জায়েদুর রহমান, মুক্তা আক্তার, শিপ্রা শীল, প্রমুখ।

দিঘলিয়ায় ফের বিদেশি পিস্তল উদ্ধার, আটক রাজিব এবং ইসমাইলের নামে ২টি মামলা
দিঘলিয়া প্রতিনিধিঃ

গত ২৫ জুলাই (সোমবার) ডাকাতির প্রস্তুতি কালে একটি বিদেশি বন্দুক ও ৫ রাউন্ড গুলি এবং দেশীয় অস্ত্রসহ আটককৃত রাজিব সরদার (২৭) ও ইসমাইল হোসেন (৩৫) এর স্বীকারোক্তি অনুযায়ী দিঘলিয়ার সেনহাটী মদিনা মসজিদ এর সামনে মানিক ফকির এর বাড়ি হতে জেলা পুলিশ ও দিঘলিয়া থানা পুলিশ এর একটি দল মঙ্গলবার গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে আরও একটি বিদেশি পিস্তল ও এক রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) তানভীর আহমদ গতকাল (মঙ্গলবার) ২৬ জুলাই দুপুর দুইটায় স্থানীয় সাংবাদিকদের অস্ত্র উদ্ধার, আসামী গ্রেপ্তার এবং এ অভিযান পরিচালনার প্রেস ব্রিফিং করেন। প্রেস ব্রিফিংএ তিনি জানান, ধৃত আসামিদের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ এর একপর্যায়ে গ্রেফতারকৃত আসামি মোঃ ইসমাইল হোসেন স্বীকার করে যে তার হেফাজতে আরো একটি অস্ত্র আছে। আসামীর স্বীকারোক্তি মোতাবেক গতকাল রাতে পুলিশ সুপার মোহান্মদ মাহবুব হাসান (বিপিএম) মহোদয়ের নির্দেশক্রমে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সার্কেল-এ) এস এম রাজু আহন্মেদ, দিঘলিয়া থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ আহসানউল্লাহ চৌধূরী নেতৃত্বে সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সসহ আসামিকে সঙ্গে নিয়ে অভিযান পরিচালনা করে। ইসমাইল হোসেন এর দেখানো মতে সেনহাটি মদিনা মসজিদের সামনে (৭ নং ওয়ার্ড) মানিক ফকিরের বাড়ি হইতে রাত সাড়ে ৩ ঘটিকার সময় একটি পিস্তল ও এক রাউন্ড গুলি ও ১টি ম্যাগজিং উদ্ধার করা হয়। তিনি আরো জানান, আসামিদের রিমান্ড গ্রহণসহ অন্যান্য আইনগত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

এ ব্যাপারে দিঘলিয়া থানায় ডাকাতি এবং অস্ত্র পৃথক দুইটি মামলা রুজু হয়েছে। মামলা নং-১০, তাং-২৫/০৭/২০২২ ইং মামলায় পেনাল কোড এর ৩৯৯/৪০২ উল্লেখ করা হয়। অপর মামলা নং -১১ তাং-২৫/০৭/২০২২ইং অস্ত্র আইন এর ১৯ (অ) ১৯(ঋ) উল্লেখ করা হয়।

উল্লেখ্য গত সোমবার দুপুর দেড়টার দিকে দিঘলিয়া উপজেলার দেয়াড়া কলোনীর রীনা বেগমের ভাড়া বাড়ি থেকে খুলনা জেলা পুলিশ ও দিঘলিয় থানা পুলিশ এর একটি চৌকস টিম ডাকাতির প্রস্তুতি কালে রাজিব ও ইসমাইল কে আটক করে। আটককৃত রাজিব নগরীর খানজাহান আলী থানা এলাকার যোগীপোল গ্রামের সুলতান সরদারের ছেলে অপরজন ইসমাইল সেনহাটী রেজার মোড়স্হ সামসুল আলমের ছেলে। এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি একনলা বিদেশি বন্দুক ও ৫ রাউন্ড তাজা গুলি, একটি রামদা, একটি ছুরি, একটি হাতুড়ি ও দুইটি স্লাইস রেঞ্জ উদ্ধার করা হয়। রাজিব এর নামে খানজাহান আলী থানা সহ বিভিন্ন থানায় হত্যা ও অস্ত্রসহ একাধিক মামলা রয়েছে।

রামপালে দূর্বৃত্তদের কোপে যুবক জখম
রামপাল (বাগেরহাট) সংবাদদাতা ।।
রামপালের গৌরম্ভা বাজারে দূর্বৃত্তদের হামলায় মোজাহিদ গাজী (৩৭) গুরুতর জখম হয়েছেন। আহত মোজাহিদ গাজী উপজেলার কাপাসডাঙ্গা গ্রামের মৃত ইসমাইল গাড়ীর পুত্র।

মঙ্গলবার সকাল ১০ টায় উপজেলার গৌরম্ভা বাজারের বাসস্টান্ড থেকে খুলনা যাওয়ার পথে দূর্বৃত্তরা গতিরোধ করে চাইনিজ কুড়াল দিয়ে মাথায় এলোপাতাড়ি কুপিয়ে মারাত্মক জখম করে। আহত মোজাহিদ কে উদ্ধার করে রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। আহতর স্বজন জানান মোজাহিদ খুলনা যাওয়ার পথে বর্ণি গ্রামের মেহেদী জোয়ার্দার ও নাসিম জোয়ার্দারসহ ২/৩ জন গতিরোধ করে চাইনিজ কুড়াল দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে মারাত্মক জখম করে। আমর খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে গেলে দূর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। আহত মোজাহিদ গৌরম্ভা ইউনিয়ন আওয়ামী সেচ্ছাসেবক লীগের সদস্য বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে গৌরম্ভা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রাজীব হোসেন ঘটনাটি নিশ্চিত করে বলেন দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘ দিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। আমি মিমাংসার চেষ্টা করে মেহেদী ও নাদিমকে নোটিশ করি। তারা আমার শালিস উপেক্ষা করে মোজাহিদ কে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করেছে।

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত রামপাল থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছিল। এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে এবং দোষীদের বিচারের দাবী জানিয়েছেন উপজেলা সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি সরদার বোরহান উদ্দিনসহ নেতৃবৃন্দ।

সাতক্ষীরার দেবাহাটায় অস্ত্রসহ এক যুবক আটক
খান নাজমুল হুসাইন, সাতক্ষীরা
সাতক্ষীরার দেবহাটায় অভিযান চালিয়ে একটি ওয়ান শ্যুটারগানসহ আহসান উল্লাহ (২৫) নামের এক যুবককে আটক করেছে র্যাব। মঙ্গলবার ভোর রাতে দেবহাটার পারুলিয়া থেকে তাকে আটক করাহয়।
আটক যুবক কালিগঞ্জ উপজেলা সদরের বাসিন্দা। র্যাব সাতক্ষীরা ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার স্কোয়াড্রন লিডার ইশতিয়াক আহমেদ জানান, পারুলিয়াতে মাদক ক্রয়-বিক্রয়কারীদের ধরতে ভোর রাতে অভিযান চালায় র্যাব সদস্যরা। র্যাব সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক চোরাকারবারীরা পালিয়ে গেলেও এ সময় একটি ওয়ান শ্যুটারগানসহ হাতে নাতে আটক করা হয় আহসান উল্লাহকে। জব্দ করা হয় তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন, মোটর সাইকেল ও নগদ ১৮৩০ টাকা। জব্দকৃত অস্ত্রসহ আটককৃত যুবককে মঙ্গলবার দুপুরে দেবহাটা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে তিনি আরো জানান।

কালীগঞ্জে ছাত্রীর শরীরে মূত্র নিক্ষেপ: প্রতিবাদ করে বাবা চাচা জখম
সাবজাল হোসেন,বিশেষ প্রতিনিধি ॥
ঝিনাইদহ কালীগঞ্জে ৯ম শ্রেণির এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে উত্যক্তের প্রতিবাদ করায় বাবা ও চাচা মারধরের শিকার হয়েছেন। সোমবার বিকেলে উপজেলার গয়েশপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এদিকে ছাত্রীর বাবা ওই রাতেই ৮ জনের নাম উল্লেখপূর্বক কালীগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।
স্থানীয়রা জানায়, কয়েকদিন আগে ষাটবাড়িয়া আলিম মাদ্রাসা থেকে বাড়ি যাওয়ার পথে ৯ম শ্রেণির এক ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করে একই মাদ্রাসার ৯ম শ্রেণির ছাত্র রাব্বি, সাঈদ ও জীবন। তাদের কথায় রাজি না হওয়ায় তারা ওই ছাত্রীর শরীরে একটি বোতলে মুত্র ভরে নিক্ষেপ করে। এ ঘটনার প্রতিবাদ করলে বখাটেরা ওই ছাত্রীর বাবাকে মারধর করে। একই দিন সন্ধ্যায় তারা গ্রামের মাঠ থেকে চাচা আফজাল হোসেনকেও রড দিয়ে বেধড়ক পিটিয়ে হাত ভেঙে দেয়। সে এখন কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
মেয়টির বাবা জানান, মাদ্রাসা থেকে বাড়ি ফেরার পথে রাব্বি, সাঈদ ও জীবন নামের কয় বখাটে আমার মেয়েকে উত্ত্যক্ত করে খারাপ প্রস্তাব দেয়। এ ঘটনার আমি প্রতিবাদ করতে গেলে আমাকে মারধর করা হয়। বিষয়টি মাদ্রাসার সুপারকে জানালে তিনি গ্রামে বসা-উঠা করে মীমাংসা করার পরামর্শ দেন। কিন্ত বিকেলে আমার ভাই মাঠে কাজ করতে গেলে ওই বেপরোয়া বখাটেরা আমার ভাইকেও রড দিয়ে পিটিয়ে হাত দেয়। সে এখন কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছে।
এ ব্যাপারে ষাটবাড়িয়া আলিম মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল ইমরানুর রহমান জানান, বিষয়টি তিনি শুনেছেন। মাদ্রাসা থেকে বাড়ি ফেরার পথে ঘটনাটি ঘটেছে। মাদ্রাসার বাইরের ঘটনা হওয়ায় তিনি গ্রামের মীমাংসা করার পরামর্শ দিয়েছেন।
কালীগঞ্জ থানার ওসি আব্দুর রহিম মোল্লা জানান, এ ব্যাপারে সোমবার রাতে থানায় ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

মহেশপুরের আজমপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ নেতার কবর জিয়ারত করলেন এম,পি চঞ্চল
মহেশপুর(ঝিনাইদহ)প্রতিনিধিঃ
ঝিনাইদহ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ¦ শফিকুল আজম খান চঞ্চল গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে মহেশপুর উপজেলার আজমপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ নেতা ফিরোজ আহাম্মেদের কবর জিয়ারত করেছেন।
পরে তিনি মৃত আওয়ামীলীগ নেতা ফিরোজ আহাম্মেদের পরিবারকে সান্তনা দিতে বাড়ীতে যান। এ সময় মৃত আওয়ামীলীগ নেতা ফিরোজ আহাম্মেদের মা সংসদ সদস্য আলহাজ¦ শফিকুল আজম খান চঞ্চলকে কাছে পেয়ে তাকে জড়িয়ে ধরে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন।
পরে আজমপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের নেতা ও সাবেক ইউপি সদস্য অসুস্থ আব্দুল মান্নানকে দেখতে তার বাড়ীতে যান। এবং তার চিকিৎসার খোজ খবর নেন সংসদ সদস্য আলহাজ¦ শফিকুল আজম খান চঞ্চল।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন আজমপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান শাহাজান আলী,সাধারণ সম্পাদক আকিদুল ইসলামসহ দলীয় নেতৃবৃন্দ।

মহেশপুরে মাদ্রাসা ছাত্র মিজানুর ৬ দিন ধরে নিখোঁজ
মহেশপুর(ঝিনাইদহ)প্রতিনিধিঃ
ঝিনাইদহের মহেশপুরে মিজানুর রহমান (১৩) নামে জোকা হাফিজিয়া মাদ্রাসা ছাত্র ৬ দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছে। নিখোজ মিজানুর রহমান মহেশপুর উপজেলার নস্তী গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে।
পারিবারিক সূত্রে জানাগেছে,মহেশপুর উপজেলার নস্তী গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে মিজানুর রহমান কালুহুদা গ্রামের জামাতা মশিয়ার রহমানের বাড়িতে থেকে জোকা হাফিজিয়া মাদ্রাসায় লেখাপড়া করে আসছিলো সে। গত ২২ জুলাই থেকে তাকে আর খুজে পাওয়া যাচ্ছে না। এঘটনায় নিখোঁজ মিজানুর রহমানের পিতা মহেশপুর থানায় একটি সাধারন ডায়েরী করেছেন। যার নং ১২৫৬, তারিখ ২৫/০৭/২০২২।
নিখোঁজ মিজানুর রহমানের পিতা সিরাজুল ইসলাম জানান, কালুহুদা গ্রামের আমার জামাতা মশিয়ার রহমানের বাড়িতে থেকে আমার পুত্র জোকা মাদ্রাসায় লেখা পাড়া করত। সে রাতে মাদ্রাসার বোডিং এ রাত্রী যাপন করত। ২২ জুলাই সে মশিয়ার রহমানের বাড়ি থেকে মাদ্রাসার বেতন নিয়ে মাদ্রাসার উদ্দেশ্যে রওনা হয়। তারপর থেকে সে নিখোজ রয়েছে। আমি সম্ভব্য সকল আত্মীয়-স্বজনদের বাড়িতে খোঁজ করে সন্ধান করতে পারিনি।

বাগেরহাটে সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত-২,আহত-১৫
বাগেরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাটের ফকিরহাটে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সাথে ধাক্কা লেগে যাত্রীবাহী বাসের দুই যাত্রী নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৬ জুলাই) সকাল পৌনে ১১টায় খুলনা-মাওয়া মহাসড়কে ফকিরহাট উপজেলার পালেরহাট নামক স্থানে এই দূর্ঘটনা ঘটে। এসময় অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় তাদেরকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
দূর্ঘটনা কবলিত বাসটি মেঘনা ক্লাসিক পরিবহনের বলে জানা গেছে। এটি সকালে ঢাকা থেকে বাগেরহাটের শরণখোলার উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসে। নিহতরা হলেন, পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলার সাপলেজা গ্রামের সিদ্দিক মল্লিকের ছেলে মনি মল্লিক (২৪) এবং খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা এলাকার আনোয়ারা বেগম (৪০)। তবে তিনি কোথায় কেন এসেছিলেন তা জানাতে পারেনি পুলিশ।
এদিকে দুর্ঘটনায় মহাসড়কে প্রায় ৩০মিনিট যানবাহন চলাচল বন্ধ ছিল। পরে মডেল থানা পুলিশ, মোল্লাহাট হাইওয়ে থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের একটি টিম এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। দুর্ঘটনা কবলিত দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়া বাসটি পুলিশ জব্দ করেছেন। তবে চালক ও হেলপার পালিয়ে গেছে।
ফকিরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আলিমুজ্জামান বলেন, যাত্রীবাহী একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছে ধাক্কা দিলে দুইজন নিহত হন। নিহতদের মরদেহ ফকিরহাট থানায় কমপ্লেক্সে রয়েছে। নিহতদের পরিবার ও স্বজনদের সাথে কথা বলা হয়েছে, তারা আসলে মরদেহ নিয়ে যাবেন।

বাগেরহাটে নারীকে গনধর্ষণ মামলার প্রধান আসামী গ্রেপ্তার
বাগেরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাটে স্বামী পরিত্যক্ত নারীকে গনধর্ষণ মামলার প্রধান আসামী সাইফুল ইসলাম(২৫)কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (২৫ জুলাই) রাতে বাগেরহাট শহরে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এর আগে ওইদিন সন্ধ্যায় নির্যাতিতা ওই নারী বাদী হয়ে সাইফুলসহ পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে বাগেরহাট মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন।
গ্রেপ্তার সাইফুল ইসলাম (২৫) সদর উপজেলার ডেমা ইউনিয়নের বড়বাশবাড়িয়া গ্রামের মৃত সামছুল হাওলাদারের ছেলে। মঙ্গলবার(২৬ জুলাই) দুপুরে সাইফুলকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ওই নারী বলেন, রোববার রাতে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে বাইরে বের হন তিনি। এসময় আগে থেকে ওত পেতে থাকা বড়বাশবাড়িয়া গ্রামের সাইফুল ইসলাম (২৫), রাব্বি হাওলাদার (২২), জাহিদুল হাওলাদার (৩৫), সজীব হাওলাদার(২৫) এবং রিয়াজ হাওলাদার (২৩) আমাকে জাপটে ধরে এবং মুখ চেপে ধরে বাড়ির পাশের সুপারি বাগানে নিয়ে যায় এবং পর্যায়ক্রমে পাঁচজনই আমাকে ধর্ষণ করে।
নির্যাতিতা নারীর ডাক্তারি পরীক্ষা বাগেরহাট জেলা হাসপাতালে সম্পন্ন হয়েছে। তাকে বাগেরহাট সদর হাসপাতালের গাইনী ওয়ার্ডে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
বাগেরহাটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মাহমদ্র হাসান বলেন, নারীকে ধর্ষণের ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে পাঁচজনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়েছে। সোমবার রাতে অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামী সাইফুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বাগেরহাটে মামলা করে বিপাকে পরিবার
বাগেরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার পিলজংগ গ্রামের শেখ আঃ মমিন (৭৭) তার স্ত্রী রিজিয়া বেগম(৫৫)কে মারধর ও গাছ কাটা মামলায় মামলাকরে চরম বিপাকে পড়েছে পরিবারটি। ভুক্তভোগীর অভিযোগ মামলার আসামীরা জামিনে মুক্তি পেয়ে ক্ষিপ্ত হয়েছে। তারা বিভিন্ন ভাবে হয়রানিসহ এলাকাছেড়ে চলে যেতে বলে নইলে প্রানে মেরে ফেলার হুমকি প্রদান করে। এতে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে পরিবারটি।
ভুক্তভোগী শেখ আঃ মমিন অভিযোগ করে বলেন, গত ৭ এপ্রিল সকালে আমার পাশ^বর্তি ফকিরহাট উপজেলার পিলজংগ গ্রামের আশিষ রায়(৪৬),স্বপন রায় (৫৮),অঞ্জন চক্রবর্তী(৩০) ও অরিন্দাম চক্রবর্তি আমার ভোগদখলীয় সম্পত্তিতে অনধিকার ভাবে প্রবেশ করে গাছ কেটে ফেলে। গাছ কেটে নেওয়ার সময় আমি ও আমার স্ত্রী রিজিয়া বেগম বাধা প্রদান করি। তারা আমাকে ও আমার স্ত্রীকে মারধর করে ও আমার স্ত্রেিক নিয়ে কুরুচিপূর্ন মন্তব্য করে। তারা আমাদের অকথ্যভাষায় গালাগালসহ প্রান নাশের হুমকি দেয়। পরে বিষয়টি ফকিরহাট মডেল থানায় সাধারন ডায়রি করি। যার নং-১৫৭৭(৩) ,তাং-১৮.০৪.২০২২। পরে ফকিরহাট থানা বিষয়টি তদন্ত করলে ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা পান। আসামীদের বিরুদ্ধে ফকিরহাট মডেল থানায় নন এফ আই আর প্রসিকিউশন নং-৬৮,১৫/০৫/২০২২ খ্রিঃ ৩২৩/৪২৭/৫০৬(২) ধারায় মামলা হয়। পরে আসামীরা মামলা থেকে জামিনে মুক্ত পেয়েই আমাদের উপর আরো বেশি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। এখন আমরা যাতে গ্রামে থাকতে না পারি এজন্য উঠে পড়ে লেগেছে। তারা বিভিন্ন সময় আমাদের জীবন নাশের হুমকী দিচ্ছেন। আমরা এখন চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। তিনি আরো বলেন, এই আশিষ রায়ের বিরুদ্ধে একাধিক অপকর্মের অভিযোগ রয়েছে। তার বিরুদ্ধে পিলজংগ থানার মৃত নিমাই চন্দ্র সাহার মেয়েকে একাধিকবার ধর্ষন করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া এই আশিষ রায়ের বিরুদ্ধে সরকারি জায়গা থেকে গাছ চুরি করে কাটার অভিযোগও রয়েছে। তিনি আরো বলেন বলেন, আমরা দীর্ঘ দিন ধরে অত্যন্ত সুনামের সাথে এলাকায় বসবাস করে আসছি। কিন্তু আশিষ রায়(৪৬),স্বপন রায় (৫৮),অঞ্জন চক্রবর্তী(৩০) ও অরিন্দাম চক্রবতির অত্যাচারে আমাদের জীবন অতিষ্ট হয়ে উঠেছে। তাদের অত্যাচার থেকে বাচতে ও শন্তিপূর্ন ভাবে এলাকায় বসবাস করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।
এ বিষয়ে ফকিরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আলিমুজ্জামান বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে। ঘটনার সত্যতা পেলে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

ডুমুরিয়ায় ইউপি মেম্বারের মটরসাইকেল চুরি
ডুমুরিয়া প্রতিনিধি
ডুমুরিয়ায় প্রকাশ্য দিবালোকে এক ইউপি মেম্বারের মটরসাইকেল চুরি হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা কমপ্লেক্স ভবনের নিচতলা থেকে এ চুরি সংঘটিত হয়। মটরসাইকেল মালিক খর্ণিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ৬নং ওয়ার্ড সদস্য মোঃ মোক্তার হোসেন জানান, ঘটনার দিন দুপুরে নিজ নামীয় খুলনা মেট্রো-ল-১১-৮০৩২ নাম্বার এ্যপাসি ১৫০ সিসি নীল রঙের মটরসাইকেলটি উপজেলা কমপ্লেক্স ভবনের নিচতলায় রেখে ৩য় তলায় একটা মিটিং এ অংশ গ্রহণ করি। কিছুক্ষণ পর নীচে নেমে দেখি গাড়িটি নেই। কে কাহারা গাড়িটি চুরি করে পালিয়েছে। তবে সিসি ক্যামেরা ফুটেজে ডুমুরিয়ার উপর দিয়ে গাড়িটি এক ব্যক্তি চালিয়ে যা”েছ বলে দেখা যা”েছ।

পাটকেলঘাটায় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সাবেক সভাপতির ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন
এস.এম মজনু, পাটকেলঘাটা (সাতক্ষীরা)
সরকারী ঘোষনা অনুযায়ী রাত ৮টার পর দোকান খোলা রাখার অপরাধে গত সোমবার রাত ৯টার দিকে সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সাবেক সভাপতি বিশ্বজিত সাধুর পাটকেলঘাটা গোডাউন রোডের কপোতাক্ষ এন্টারপ্রাইজ সার কিটনাশক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়।
বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার নেতৃত্ব প্রদান করেছেন তালা উপজেলা প্রশাসন, পাটকেলঘাটা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাঞ্চন কুমার রায়। এসময় তাদের সহযোগীতা করেন সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তারা। তবে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করার সময় বিশ্বজিত সাধু চিকিৎসার জন্য ভারতে অবস্থান করছেন বলে তার ছোট ছেলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন। তিনি আরও বলেন সরকারি নির্দেশ মোতাবেক আমার প্রতিষ্ঠানের সব দরজা বন্ধ ছিল। কিন্তু বাড়ী ফেরার সময় দেখি আমার টর্চ লাইট টা দোকানে। বিধায় টর্চ লাইটটি নিতে একটা দরজা খোলা মাত্রই আমার দোকানের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। এছাড়া একই রোডের নয়ন এন্টারপ্রাইজ ও আশুতোষের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সহ ১০টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়।

রামপালে ব্র্যাকের সামাজিক ক্ষমতায়ন আইনী সুরক্ষায় সভা
রামপাল (বাগেরহাট) সংবাদদাতা ।।
রামপালে ব্রাকের উদ্যোগে সামাজিক ক্ষমতায়ন ও আইনী সুরক্ষা বিষয়ে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ উপলক্ষে সোমবার সকল ১০ টায় উপজেলার বড় নবাবপুর গ্রামের পল্লীসমাজ পুনর্গঠন করা হয়। নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ বিষয়ক পুনর্গঠন সভায় বিধিলিপি সভাপতি নির্বাচিত হন। সার্বিক সহযোগীতায় ছিলেন এসোসিয়েট অফিসার জেসমিন আক্তার ও গ্রামের নারী পুরুষসহ যুব সমাজ।
বাহারুলের মুক্তির দাবীতে কয়রা শেখ রাসেল প্রতিবন্ধী স্কুলের শিক্ষক শিক্ষার্থীর মানববন্ধন
কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি
আওয়ামীলীগ নেতা ও কয়রা সদর ইউপি চেয়ারম্যান বাহারুল ইসলামের মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও নিঃশর্ত মুক্তির দাবীতে মানববন্ধন করেছেন শেখ রাসেল প্রতিবন্ধী ও অটিষ্টিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার সকাল ১১ টায় উপজেলা সদরের তিন রাস্তার মোড়ে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা থেকে বিভিন্ন কর্মসুচি ঘোষণা করা হয়। এসময় স্কুলের সহকারি শিক্ষক রোকনুজ্জামান কাজল ও আয়তুল্লা জানান, বাহারুল শুধু আওয়ামীলীগের নেতা ও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নয়, তিনি এই প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান শিক্ষক। তিনি বলেন, রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে একটি মিথ্যা মামলায় তাকে জড়িত করায় বাহারুল এখন জেল হাজতে। তাই তার অনুপস্থিতিতে শেখ রাসেল প্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক বিদ্যালয়ের প্রায় ৩ শতাধিক শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা তাদের প্রিয় প্রধান শিক্ষক এবং প্রতিষ্ঠাতা বাহারুল ইসলামের মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও মুক্তির দাবীতে রাজ পথে নেমেছে। মানববন্ধন শেষে এক প্রতিবাদ সভায় উক্ত স্কুলের শিক্ষক তরিকুল ইসলাম বলেন, বাহারুল ইসলাম আওয়ামীলীগ পরিবারের সন্তান তিনি দীর্ঘদিন উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং বর্তমানে কয়রা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, বাহারুল একজন সমাজসেবক তিনি শুধু প্রতিবন্ধী নয় এলাকাবসীকে সেবা দিতে হাসপাতাল, কবরস্থান, এতিম খানা ও বয়স্কদের কোরআন শিক্ষার ব্যবস্থা করেছেন। সভায় প্রতিবন্ধী ৩য় শ্রেনীর মনিরা নামে এক ছাত্রী কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, আমাদের প্রিয় স্যারের কারনে আমরা অনেকে লেখা পড়ার সুযোগ পাচ্ছি। আমরা আমাদের স্যারের মিথ্যা মামলার মুক্তি চাই।

দাকোপে আসল চোর কে এই নিয়ে জনমনে গুঞ্জন
মোঃ শামীম হোসেন- বাজুয়া (দাকোপ)
খুলনার দাকোপে গরু চোর নিয়ে চলছে কয়েকদিন ধরে নানান গুঞ্জন ও সমলোচনা। এলাকার মানুষের মাঝে চলছে প্রকৃত চোর নিয়ে নানা কৌতুহল। এলাকাবাসীর কাছ থেকে জানা যায় এ যেন নাটক বা সিনেমার গল্পের মত।দাকোপ উপজেলার ১নং পানখালী ইউনিয়নের বারুইখালী গ্রাম থেকে শুরু হয় চোরের কাহিনী। গত ইং ১৬ জুলাই রোজ শনিবার বারুইখালী গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দা মহাদেব নামের এক ব্যক্তির ৫টি গরু এক সঙ্গে হারিয়ে যায়। অনেক খোজাখুজির এক পর্যায়ে অর্থাৎ ১৯ জুলাই রোজ মঙ্গলবার মহাদেবকে কোন এক ব্যক্তি খবর দেন। যে বাগেরহাটের ফকিরহাটে বেতাগার হাটে তার ৫টি গরুর তিনটি গরুর সন্ধান পাওয়া গেছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে ততক্ষণিক ভাবে মহাদেবের কোন এক আত্মীয় সেখানে উপস্থিত হয়। বেতাগার হাটে রমজান নামের এক ব্যাপারীর নিকট হারিয়ে যাওয়া পাঁচটির তিনটি গরুর সন্ধান মেলে। কে বিক্রি করেছে? কিভাবে গরু এখানে এলো? নানা প্রশ্নের মুখোমুখি। বেতাগার বাজার সাথে সাথে উত্তেজনা মুখোর, চারি দিকে ছড়িয়ে পড়ে গরু চুরির বিষয়। তখন বেতাগা গরুর হাট বাজার কমিটি রমজান আলী ব্যাপারীকে জিজ্ঞেসা করেন যে, এই গরু কোথায় তিনি পেয়েছেন? সাথে সাথে রমজান ব্যাপারী বলেন, আমি চুনকুড়ি গ্রামের বাসিন্দা গরুর ব্যবসা করেন গোলক সরদারের কাছ থেকে কিনেছি। সাথে সাথে গোলকের ফোনে বাজার কমিটি ফোন দেন, অনেক বার ফোন দেওয়ার পর ফোন রিসিভ করেন। তখন গোলক বাজুয়া খুটাখালী গরুর হাটে অবস্থান করছিলেন। ততক্ষণিক ফোনে গরুর বিষয় কথা হয়। গোলক বলেন, আমি বারুইখালী গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দা মানবেন্দ্রনাথ, পিং কার্তিক দাকোপ খুলনার নিকট হইতে গরু কিনেছি।
বাজার কমিটি সিদ্ধান্ত নেয়, এই গরু বিক্রি করছেন যে, তাকে হাজির করা হোক। ততক্ষনিক ভাবে দাকোপের বারুইখালী গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দা মানবেন্দ্র নাথকে গরুর বিষয় জানানো হয়। ততক্ষণিক ভাবে মানবেন্দ্রকে নিয়ে বেতাগার হাটে চলে যান, গোলকের লোক জন। এবং বারুইখালী মহাদেবের হারিয়ে যাওয়া গরু দেখতে পান। উপস্থিত বাজার কমিটির সম্মুখে মানেবেন্দ্রনাথ বলেন, আমি যে তিনটি গরু বিক্রি করেছি। সে গরু এখানে নাই। আর এই গরু আমি বিক্রি করিনি। আমি বিক্রি করেছি, আমার নিজ গৃহের গরু। মানেবেন্দ্রনাথের কথা শুনে বাজার কমিটি গোলক সরদারকে জিজ্ঞেসা করেন, কত তারিখ বা কবে গরু কিনেছেন তিনি? তখন গোলক বলেন, বৃহস্পতিবার আমি মানেবেন্দ্রের কাছ থেকে গরু কিনেছি।ওমনি বারুইখালীর গরুর মালিক মহাদেব তিনি বলেন, আমার গরু হারিয়েছে শনিবারে, আপনি কিভাবে বৃহস্পতিবার গরু কিনেছেন? তখন কথাটা ঘুরিয়ে গোলক বলেন, বৃহস্পতিবার গরুর বায়না করেছিলাম। তখনই মানেবেন্দ্র বেতাগার হাটে জনসম্মুখে বলেন, আমি গত ২৫/২৬দিন আগে গরু বিক্রি করেছি। আমার নিজ বাড়ির গরু। তাছাড়া আমার বাড়ির গরু, আমি বিভিন্ন সময় টাকার প্রয়োজনে বিক্রি করেছি। এখনো আমার বাড়িতে ১৫ টির উপরে গরু রয়েছে। মানেবেন্দ্রের ও গোলকের কথায় কোন মিল বা প্রমান না থাকায়। তখন জনগনের মাঝে বাজারে এক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।কিছুক্ষণ পরে আবারও জানা যায়, হারিয়ে যাওয়া আরও দুটি গরু পাওয়া গেছে। পথে রমজান ব্যাপারী বিক্রি করে আসে। তখন বেতাগার হাটে ওই সময় উপস্থিত ছিলেন, দাকোপ উপজেলার ১নং পানখালী ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের স্থানীয় বাসিন্দা এবং সাবেক ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলাম। রফিকুল ইসলাম বেতাগা গরুর হাট কমিটিকে বলেন, আমরা স্থানীয় ভাবে মীমাংসা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ততক্ষণিক ভাবে বাজার কমিটি উপস্থিত রফিকুল ইসলামের উপর দায়িত্ব দেন। ওই দিন মঙ্গলবার সন্ধায় বারুইখালী গ্রামের মাসুম হ্যাচারিতে বসে শালিশী বিশাল উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।
বেরিয়ে আসে পূর্বের চুরি হওয়া অত্র এলাকার গরুর হিসাব। দিতে হবে ১৬টি গরুর জরিমানা। জরিমানা ধার্য করা হয় ৭লাখ ৪০হাজার টাকা। গোলক আর গোলকের ছেলে মানুষের ভাষ্য অনুযায়ী দাবি তাদের সহযোগী হিসাবে বিভিন্ন সময় চুনকুড়ি খেওয়া ঘাট পর্যন্ত গরু এগিয়ে দিতেন মানবেন্দ্র। গোলক আর তার ছেলের ভাষ্য সাক্ষী অনুযায়ী মানবেন্দ্রকে চোর সাবস্ত করেন। এ বিষয় সাংবাদিকরা জানার জন্য ২০জুলাই বুধবার বারুইখালী গ্রামে মানবেন্দ্রের নিকট তার বাড়িতে যান, তার বাবা, মা ও আত্মীয় স্বজনরা বলেন, আমাদের পূর্বের শত্রুতার জের ধরে আমাদের উপর এমন অমানবিক অবিচার। মানবেন্দ্রের বাবা কার্তিক কেঁদে কেঁদে বলেন, আমি অসুস্থ মানুষ, আমার ছেলে যদি দোষী হয়, দেশে আইন প্রশাসন আছে। শুধু শুধু আমার ছেলেকে ভয় ভীতি প্রদর্শন করে, জোর পূর্বক স্বাক্ষর নিয়েছে। তিনি আরো বলেন, এখানে আমার ছেলে, গোলক আর গোলকের ছেলে যদি চোর হয়। তাহলে, মেম্বার কে? চুরিকৃত গরুর পাস রবীন্দ্রনাথ মেম্বারের কাছে কেন? যার ট্রোলারে বা নৌকায় নদী পার করা হয়েছে, সে কে? তিনি আরো বলেন, এ বিচারের আমি তীব্র নিন্দা জানাই। এ বিষয় মানবেন্দ্রকে জিজ্ঞেসা করা হলে তিনি একই কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, আমাকে শালিশীতে জোর পূর্বক ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন এবং আমাকে গালিগালাজ সহ চোখ উঠানোর কথা বলে জোর পূর্বক স্বাক্ষর নেয়। পরে সাংবাদিকরা গোলকের বাড়িতে গেলেও কারো কোন দেখা মেলেনি। এবং মোবাইল নম্বরও বন্ধ।
গরু চোরের বিষয় ও পাস সম্পর্কে জানার জন্য রাবিন্দ্রনাথ মেম্বারকে তার ব্যবহারিত নম্বরে ফোন দিয়ে জিজ্ঞেসা করা হলে তিনি বলেন, গোলক আর তার ছেলে চুরি করেছে। আমার ওয়ার্ডের লোক তাই আমি গিয়েছিলাম। চুরিকৃত পাসের ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বাজুয়ার দেবাশীষ পাস তৈরি করে দিয়েছে। আমি ব্যস্ত, আর আমার এখন কথা বলার সময় নাই। তাই বলে ফোন রেখে দেন। পরে ফোন দিলেও রিসিভ হয়নি। কিন্তু এখানে এর শেষ নয়। কার ট্রোলারে পার করতো গরু? কে পার করতো? চুরি হওয়া গরুর পাস কেন মেম্বার রাবিন্দ্রনাথের নিকট? চোরের সহযোগিতা কেন করছে মেম্বার? বার বার ডাকা হলে কেন মিডিয়ার সামনে আসছে না। তাছাড়া এ বিচারের ব্যাপারে রফিকুল ইসলাম ফোনে বলেন, আমরা অনেকে ছিলাম, চেয়ারম্যান সাব্বির আহম্মেদও উপস্থিত ছিলেন। সর্ব বিষয় জেনে আমরা জরিমানা করেছি। দাকোপ উপজেলা বাসি ও জনগনের দাবি সঠিক তদন্তের মাধ্যমে দেখতে চান। আসল চোর কে? বেরিয়ে আসুক আসল ঘটনা। এলাকা বাসীর পক্ষ থেকে এ বিষয়ে দাকোপ উপজেলা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হচ্ছে যে আসল চোরেরও সাজা হোক।

অভয়নগরে নগদ টাকা-স্বর্ণালঙ্কার চুরি; পুলিশের ধারনা এটা ছিঁচকে চুরির ঘটনা
স্টাফ রিপোর্টার
অভয়নগরে জানালার গ্রিল কেটে নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার চুরির ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (২৫জুলাই) ভোর রাতে পৌরসভার তালতলা নামক এলাকায় পারিবারিক স্বাস্থ্য ক্লিনিকের সামনে মৃত ইছাহাক তরফদারের বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে। মৃত ইছাহাক তরফদারের স্ত্রী খোরশেদা বেগম বলেন, আমার স্বামী ৩বছর আগে মারা গেলে আমার এক মেয়ে ও এক নাতিকে নিয়ে ওই বাড়িতে বসবাস করে আসছি। আজ ভোর বেলায় আনুমানিক ৩টার সময় গ্রিল কেটে ৫ জন ব্যক্তি ঘরের ভিতরে প্রবেশ করে। এসময় ঘরের ভিতরে শব্দ হলে আমি ও আমার মেয়ে ঘুম থেকে জেগে যায়। তারা এসময় আমার মেয়ে ও আমাকে দেশিয় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে জিম্মি করে ফেলে। পরে সব ঘরে ঢুকে আলমারী, সোকেচ থেকে নগদ ৫৫ হাজার টাকা ও ১৬ ভর্রি স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে যায়। এ বিষয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কে এম শামিম হাসান জানান, জানালার গ্রিল কেটে নগদ টাকা-স্বর্ণালঙ্কার চুরি করে নিয়ে গেছে। ঘটনাটি ছিঁচকে চোরের কাজ হতে পারে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

পরিবেশ উপমন্ত্রী আজ খুলনা আসছেন
তথ্য বিবরনী
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন উপমন্ত্রী বেগম হাবিবুন নাহার দুই দিনের সফরে আজ ২৭ জুলাই খুলনা আসছেন। সফরসূচি অনুযায়ী উপমন্ত্রী ২৮ জুলাই সকাল ১০টায় বাগেরহাট জেলা পরিষদ চত্বরে বৃক্ষরোপণ অভিযান ও সাত দিনব্যাপী বৃক্ষমেলার উদ্বোধন করবেন। উপমন্ত্রী পরে ঢাকার উদ্দেশ্যে বাগেরহাট ত্যাগ করবেন।

নড়াইলে স্কুল পড়ুয়া তরুণীকে জোরপূর্বক ধর্ষন, লম্পট ধর্ষনকারি পুলিশের জালে আটক
নড়াইল প্রতিনিধিঃ
নড়াইল সদর উপজেলার তুলারামপুর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যলয়ের নবম শ্রেনী পড়ুয়া শারমিন নামে এক ছাত্রী ধর্ষনের শিকার হয়েছেন। কাজলা গ্রামের হোসেন শেখ এর মেয়ে শারমিন আকতার। একই ইউনিয়নের দক্ষিন চাচড়া গ্রামের গণেষ বিশ্বাসের বখাটে ছেলে অন্তর বিশ্বাস (১৯) জোরপূর্বক ধর্ষণ করে এবং ধর্ষণের ঘটনা কাউকে জানালে মেরে ফেলার হুমকি দেয় ধর্ষক অন্তর বিশ্বাস। ধর্ষণের শিকার শারমিনের মা রুপালী বেগম জানান, স্কুল বন্ধ থাকায় গত শনিবার (১৬ জুলাই) বিকালে আমার মেয়ে বাইসাইকেল চালিয়ে দর্জিবাড়ি যাওয়ার পথে অন্তর বিশ্বাস ও তার ২ সহপাটির সহযোগিতায় জোরকরে পাটক্ষেতে নিয়ে আমার মেয়েকে ধর্ষণ করে। এ ব্যাপারে কাউকে কিছু জানালে মেরে ফেলা হবে বলেও হুমকি দেয় অন্তর বিশ্বাস। এই ভয়ে আমার মেয়ে বাড়িতে এসে আমাদের কিছুই বলেনি কিন্তু দেখি আমার মেয়ের মন খুব খারাপ। পরে স্কুলে যেয়ে শিক্ষিকা শিউলি কে ঘটনার বিষয়ে প্রথমে বলে এবং শিক্ষিকা শিউলি আমাকে একই দিন সন্ধার সময় ফোন করে জানান, আপনার মেয়ে শারমিনের সাথে অন্তর বিশ্বাস নামের এক হিন্দু ছেলে খারাপ কাজ করেছে। স্কুলের শিক্ষিকা শিউলি জানান, কাউকে কিছু না জানানোর শর্তে আমার শিক্ষর্থী শারমিন আমাকে বলে ম্যাডাম আমার সাথে অন্তর বিশ্বাস নামের এক বখাটে ছেলে খারাপ কাজ করেছে, কি খারাপ কাজ করেছে জানতে চাইলে, আমাকে শারমিন সব কিছু খুলে বলে।আমি যদি এ ঘটনার বিষয়ে কিছু বলি তাহলে শারমিন আত্মহত্যা করতে পারে, এই ভয়ে আমি তাৎখনিক কাউকে কিছু না জানিয়ে, পরে শারমিনের বাবা-মা কে ঘটনাটা জানায়। ঘটনা শোনার পরে শারমিনের মা তুলারামপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান টিপু সুলতান কে ঘটনাটি জানালে গত (২৩ জুলাই) রাত সাড়ে এগারোটার সময় ধর্ষণকারী অন্তর বিশ্বাসকে পুলিশ আটক করে। পরে সকালে ধর্ষণের শিকার শারমিনকে পুলিশ নড়াইল সদর হাসপাতালে মেডিকেলের জন্য নিয়ে যান। তুলারামপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান টিপু সুলতান ঘটনার সত্যতা শিকার করে বলেন, আমাকে ধর্ষণের শিকার মেয়েটির মা বিষয়টি জানালে, আমি সাথে সাথে প্রশাসনকে জানায়, পরে পুলিশ ধর্ষণকারী অন্তর বিশ্বাসকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। অন্তর বিশ্বাস অপরাধী হলে তদন্তপূর্বক আমি তার সঠিক বিচার চাই আর এর সঠিক বিচার না হলে এ ধরনের অপরাধ নড়াইলে বাড়তেই থাকবে বলে জানান। তুলারামপুর ইউনিয়নের বিট পুলিশের এস আই শিশির ঘোষ জানান, সদর থানার ওসি স্যার আমাকে ইনফর্মেশন দিলে আমি তাৎক্ষনিক অন্তর বিশ্বাস কে (২৩ জুলাই) শনিবার রাত সাড়ে এগারোটার সময় তার নিজ বাড়ি থেকে আটক করে থানায় সোপর্দ করি।
নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত ওসি মোঃ মাহামুদুর রহমান ঘটনার সত্যতা শিকার করে বলেন, ভক্তোভোগী মেয়ের মা বাদি হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন, যার মামলা নং ১৮। পুলিশ অন্তর বিশ্বাসকে আটক করে কোর্টে প্রেরণ করা করেছ বলেও জানান।

শরণখোলায় ছাত্রলীগের সভাপতির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন
শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আসাদুজ্জামান আসাদকে জড়িয়ে চাঁদাবাজি, জমি দখল ও আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের মারধরের অভিযোগে শরণখোলা প্রেসক্লাবে যে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে তার প্রতিবাদে ২৬ জুলাই মঙ্গলবার বেলা ১টার দিকে উপজেলা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
লিখিত বক্তব্যে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আসাদুজ্জামান আসাদ জানান, খোন্তাকাটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাকির হোসেন খাঁন মহিউদ্দিন, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক তাজু সরদার সহ কতিপয় নেতা কর্মী আমার ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন করতে গত ২৫ জুলাই তাকে জড়িয়ে শরণখোলা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করেন। সেখানে আমার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, জমিদখল ও আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের উপর হামলা সহ বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরা হয়। যা সম্পুর্ন মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। আমি রাজনৈতিক গ্রুপিং প্রতিহিংসার স্বীকার।

গত ২৩ জুলাই শনিবার উপজেলার খোন্তাকাটা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জসিম উদ্দিন সিদ্দিক গাজী তার ভাই মনির গাজী ও তার শ্যালক বাবুল হাওলাদার ৩৭নং পশ্চিম বানিয়াখালী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আমার ভগ্নিপতি আঃ মালেক হাওলাদারকে ছাত্রছাত্রীদের উপবৃত্তি না পাওয়া সংক্রান্ত ঘটনার সূত্রধরে মারধর করেন। খবর পেয়ে শিক্ষকের স্ত্রী ও আমার বোন নাসিমা বেগম, ছেলে রাসেল ও বায়েজিদ ছুটে আসলে তাদেরকেও পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। আহতদের শরণখোলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে ওই শিক্ষক বিদ্যালয়ে গেলে পুনরায় সিদ্দিক গাজী, তার ভাই মনির গাজী ও বাবুল হাওলাদার বিদ্যালয়ের মধ্যেও তাকে মারপিট করে। একটি দোকানের মধ্যে আটকে রাখে। পরে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে শিক্ষকের পুত্র রাসেল ৯৯৯ এ ফোন করলে শরণখোলা থানা পুলিশের একটি দল স্কুল শিক্ষক আঃ মালেক হাওলাদারকে উদ্ধার করেন। একজন শিক্ষক ও তার পরিবারের উপর হামলার ঘটনা ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে ও ইউপি চেয়ারম্যান জাকির হোসেন খাঁন মহিউদ্দিন আমার ভগ্নিপতির বাড়িঘর জালিয়ে দিতে ইউপি সদস্য সিদ্দিক গাজীকে হুকুম দেয়। এসকল ঘটনা আমি জেনে ফেলায় ও প্রতিবাদ করায় ইউপি চেয়ারম্যান সহ আওয়ামী লীগের একটি অংশ ষড়যন্ত্র করে আমাকে ফাঁসাতে মিথ্যা অভিযোগ তোলেন বলে আসাদ দাবী করেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে খোন্তাকাটা ইউপি চেয়ারম্যান মো. জাকির হোসেন খাঁন মহিউদ্দিন বলেন, ছাত্রলীগ সভাপতি আসাদুজ্জামান আসাদ তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ এনেছে তা সত্য নয়। বরং আসাদের বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগের প্রমান তার কাছে রয়েছে।

নড়াইলে বিদ্যুতায়িত হয়ে এক যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু
মোঃ তাহের, নড়াইল প্রতিনিধিঃ
নড়াইলে বিদ্যুতায়িত হয়ে এক থাই মিস্ত্রী যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (২৫জুলাই) বিকালে নড়াইল শহরের ভওয়াখালি এলাকায় কাজ করার সময় দূর্ঘটনার শিকার মিথুন কাজী নামে ঐ যুবককে সংকটাপন্ন অবস্থায় যশোর মেডিক্যেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করে। প্রত্যক্ষদর্শী নিহতের সহকর্মী জানায়, মিথুন নড়াইল শহরের ভওয়াখালী এলাকায় একটি দ্বিতল ভবনের ব্যালকনিতে এস এস পাইপের কাজ করছি। এ সময় অসাবধনতা বসত একটি পাইপ ব্যালকনির পাশ দিয়ে যাওয়া ১১ কেভি বৈদ্যুতীক সঞ্চালন লাইনের সংস্পর্শে গিয়ে পড়ে। এতে অপর প্রান্তে পাইপের স্পর্শে থাকা মিথুন বিদ্যুতায়িত হয়ে ছিটকে পড়ে সংজ্ঞা হারিয়ে ফেলে। এ অবস্থায় আশপাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে নড়াইল সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে চিকিৎসক উচ্চতর চিকিৎসার জন্য তাকে যশোর মেডিক্যেলে স্থানান্তরিত করেন। সেখানে নেয়া হলে পরিক্ষাঅন্তে চিকিৎসক মিথুনকে মৃত ঘোষনা করে। মিথুন ভওয়াখালী এলাকার হাকিম কাজীর ছেলে। তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকাবহ পরিবেশের সৃষ্টি হয়। স্বজনরা কোনভাবে মেনে নিতে পারেছেন না প্রিয় মানুষটির এভাবে চলে যাওয়া, তাদের আর্তনাদ আহাজারিতে হৃদয় বিদারক দৃশ্যের অবতারনা হয় এদিন ভওয়াখালি এলাকায়।

দেশীয় মাছের উৎপাদন বৃদ্ধিতে অধিক গবেষণা করতে হবে : উপাচার্য
খবর বিজ্ঞপ্তি
জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ-২০২২ উপলক্ষ্যে ‘নিরাপদ মাছে ভরব দেশ, বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ২৬ জুলাই (মঙ্গলবার) সকাল ১০টায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ এন্ড মেরিন রিসোর্স টেকনোলজি ডিসিপ্লিনের আয়োজনে কটকা স্মৃতিস্তম্ভ সংলগ্ন পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়।
পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু একাডেমিক ভবনের সাংবাদিক লিয়াকত আলী মিলনায়তনে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন। তিনি বলেন, মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশ একটি মর্যাদাপূর্ণ অবস্থান তৈরি করে নিতে সক্ষম হয়েছে। দেশে এখন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি মাছ উৎপাদন হচ্ছে। যা দেশের আমিষের চাহিদা পূরণের পর বিদেশে রপ্তানি করে বৈদেশিক আয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
তিনি আরও বলেন, মাছ উৎপাদন বৃদ্ধি করলেই হবে না; তা যেনো নিরাপদ ও পুষ্টিমান সম্পন্ন হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। বিশেষ করে মাছ চাষে ব্যবহৃত ভিটামিন, কেমিক্যাল জনস্বাস্থ্য এবং প্রাকৃতিক পরিবেশ ও পানি ব্যবস্থাপনার জন্য হুমকি কিনা সে বিষয়টি ভেবে দেখতে হবে। সেজন্য মাছ উৎপাদনে ব্যবহৃত কেমিক্যাল নিরাপদ ও পুষ্টিমান সম্পন্ন কিনা তা যাচাই করে নিতে হবে।
উপাচার্য বলেন, আমাদের দেশে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি পেলেও প্রাকৃতিক জলাধার থেকে দেশীয় প্রজাতির মাছ বিলুপ্ত হচ্ছে। এখন আমাদের দেশীয় মাছ সংরক্ষণের উদ্যোগ নিতে হবে। মান নিয়ন্ত্রণ করে দেশীয় মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি করতে হবে। এক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অধিক গবেষণা করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, আমরা এখন কৃষি নির্ভরতা কাটিয়ে শিল্পোন্নয়নের দিকে নজর দিচ্ছি। তিনি বলেন, চিংড়ি রপ্তানিতে কিছু ক্ষেত্রে মান নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে, সাদামাছেও মান নিয়ন্ত্রণ করা প্রয়োজন। এসব বিষয় বিবেচনা করে গবেষণায় অগ্রসর হতে হবে। তিনি গবেষণার ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সহায়তার আশ্বাস দেন।
তিনি জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ-২০২২ উপলক্ষ্যে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠান সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হওয়ায় সংশ্লিষ্ট ডিসিপ্লিন ও মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
ফিশারিজ এন্ড মেরিন রিসোর্স টেকনোলজি ডিসিপ্লিন প্রধান প্রফেসর ড. মোঃ গোলাম সরোয়ারের সভাপতিত্বে আলোচনা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জীববিজ্ঞান স্কুলের ডিন প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস ও জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জয়দেব পাল। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সংশ্লিষ্ট ডিসিপ্লিনের সহকারী অধ্যাপক মোঃ শাহিন পারভেজ।
এসময় ডিসিপ্লিনের অন্যান্য শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী এবং মৎস্য অধিদপ্তরের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। পরে বেলা ১২টায় দিবসটি উপলক্ষ্যে ডিসিপ্লিন প্রধানের নেতৃত্বে আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু একাডেমিক ভবনের সামনে থেকে এক র্যালি বের হয়। র্যালিটি ক্যাম্পাসের অধিকাংশ সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

মোংলা বন্দরে আমদানীকৃত রিকন্ডিশন্ড গাড়ীর মূল্যবান যন্ত্রাংশ চুরি, মালামাল উদ্ধারসহ আটক ৩
মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
মোংলা বন্দরে আমদানীকৃত রিকন্ডিশন্ড গাড়ীর মূল্যবান যন্ত্রাংশ চুরির মালামাল উদ্ধারসহ তিনজনকে আটক করা হয়েছে। সোমবার রাত সাড়ে ১১ টায় বন্দর কর্তৃপক্ষের নিরাপত্তা বিভাগের সদস্যরা তাদেরকে আটক করেন। এ ঘটনায় মঙ্গলবার দুপুরে নিরাপত্তা বিভাগের উপ-পরিদর্শক মোঃ আরিফুল ইসলাম বাদী হয়ে মোংলা থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।
আটক ব্যক্তিরা হলেন পিরোজপুর জেলা সদরের দেলোয়ার হোসেনের ছেলে মোঃ রাজু (৩০), বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার সুলতান আহম্মেদের ছেলে মোঃ জসিমউদ্দীন ও খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলার হুমায়ূন কবিরের ছেলে ফাহিম শেখ (২৫)।

মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা (সিএসও) লেঃ কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মেহেদি জানান, একটি চক্র এ বন্দরের সুনাম ক্ষুন্ন করতে এসব অপকর্ম করে আসছিলেন। ওই চক্রের সদস্যরাই সোমবার রাতে গাড়ীর ড্রাইভার ও শ্রমিক সেজে জেটির ভিতরে ঢুকে পড়েন। পরে তারা বন্দরে আমদানী হওয়া রিকন্ডিশন্ড গাড়ীর বিভিন্ন মূল্যবান যন্ত্রাংশ খুলে পিকআপ গাড়ীতে উঠিয় বের হওয়ার সময় নিরাপত্তা কর্মীদের হাতে ধরা পড়েন। এ সময় আটককৃতদের ব্যবহৃত খুলনা মেট্রো- ন ১১-০৭০৭ নম্বরের পিকআপটি থেকে চারটি নেভিগেশনাল সফটওয়্যার এসডি কার্ড, দুইটি রিমোট চাবি, চারটি চার্জার, একটি চার্জার ক্যাবল, তিনটি পেনড্রাইভ, একটি সিগন্যাল লাইট, একটি ক্যামেরা, ১৪ টি কার্টার ব্লেড ও একটি ছাতা জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় আটক হওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মঙ্গলবার দুপুরে মোংলা থানায় মামলা দেওয়া হয়েছে বলে জানান লেফটেন্যান্ট কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মেহেদি। তিনি বলেন, বন্দর কর্তৃপক্ষের কঠোর নিরাপত্তার কারণে চুরিসহ সব প্রকারের অপরাধমুলক কর্মকাণ্ড কমে আসায় গাড়ী আমদানীতে এ বন্দর রেকর্ড গড়েছে। এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

এদিকে বাংলাদেশ রিকন্ডিশন্ড ভেহিক্যালস ইমপোর্টার্স অ্যান্ড ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বারবিডা’র) লিয়াজোঁ অফিসার শেখ আবেদুর মুবিন বলেন, সুযোগ-সুবিধার ক্ষেত্রে চট্টগ্রাম বন্দরের থেকে মোংলা বন্দর এগিয়ে থাকায় এই বন্দর ব্যবহার করছি আমরা। কিন্তু আমদানী হওয়া রিকন্ডিশন্ড গাড়ীর যন্ত্রাংশ চুরি হওয়ার ঘটনা আমাদের প্রতিনিয়ত হতবাক করছে। এই চোরাই সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে এসব অপকর্ম করে আসছে। দ্রুত এসব বন্ধ করা না গেল আমরা মোংলা বন্দর ব্যবহারে উৎসাহ হারাবো। বারবিডা’র এই প্রতিনিধি আরও বলেন, আমদানী হওয়া রিকন্ডিশন্ড গাড়ী জাহাজ থেকে খালাসকালে তাদের প্রতিনিধি উপস্থিত থাকলে এই চুরির ঘটনা আর ঘটবেনা। বন্দরের কঠোর নিরাপত্তার কারণে ৮০ শতাংশ চুরি হ্রাস পেয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাকী ২০ শতাংশ চুরি ঠেকানো গেলে এ বন্দরে গাড়ী আমদানী আরও বাড়বে।

মোংলা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বলেন, গাড়ির যন্ত্রাংশ চুরির দায়ে বন্দর কর্তৃপক্ষ তিনজনকে আটক করে থানায় সোপর্দ করেছেন। তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের পর আদালতের মাধ্যমে মঙ্গলবারই জেলজাহতে পাঠানো হবে।

মোংলায় গভীর রাতেও লোডশেডিং: অন্ধকার ও গরমে অতিষ্ঠ পৌরবাসী, দেখা দিয়েছে চুরি-ডাকাতির ভয়

মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
গভীর রাতের লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে মোংলা পৌরবাসী। সোমবার দিবাগত রাত ১২টা ১০ মিনিটে হঠাৎ চলে যায় বিদ্যুৎ। এরপর টানা এক ঘন্টা পর বিদ্যুৎ আসে। এর আগে দিনেও কয়েকবার লোডশেডিং দেয়া হয়। দিনে ও রাতে ঘোষণা বহিঃভূতভাবে লোডশেডিংয়ে চরম ভোগান্তীতে বন্দর ও পৌর শহরের বাসিন্দারা। তবে গভীর রাতে লোডশেডিংয়ের ফলে দোকানপাট ও বাড়ীঘরে চুরি-ডাকাতির ভয়ে রয়েছেন স্থানীয়রা। এছাড়া অন্ধকারে চলাচলেও ছিনতাইয়ের ঝুঁকি বাড়ছে। গভীর রাতে বিদ্যুৎ না থাকায় শহরের পরিচ্ছন্ন কর্মীদের ভোগান্তী ও নাইট গার্ডদের মধ্যে চুরি-ছিনতাইয়ের আতংক এবং ভীতি দেখা দিয়েছে।

পৌরসভার পরিচ্ছন্নতা কর্মী মোহর আলী বলেন, রাত ১২টার পর শহরের ময়লা আবর্জনা পরিস্কার করতে নামি। নামতে লোডশেডিং এখন ময়লা তো সব পরিস্কার হবেনা, কারণ অন্ধকারে দেখা যায়না কিছু। আমাদের কষ্ট আরো বেশি হচ্ছে।

পৌর শহরের শেখ আঃ হাই সড়কের দোকানী রুহুল আমিন ও মজিবর গাজী বলেন, রাত ১২টার পর বিদ্যুৎ চলে গেছে। কখন আসে জানিনা, এতে তো দোকানপাটের তালা ভেঙ্গে চুরি হওয়ার ভয় আছে।
পৌর শহরের নাইট গার্ড মোঃ বেলায়েত হোসেন বলেন, রাতেও লোডশেডিং, সকল দোকানপাট বন্ধ। অন্ধকারে কয়টি দোকান পাহারা দিবো। কোন জায়গা থেকে চোরে আবার তালা ভেঙ্গে মালামাল নিয়ে যায় সেই আতংকে আছি এখন। একা কয়টা দোকান পাহারা দেয়া যায়।

গভীর রাতে বিদ্যুৎ যাওয়ায় গরমে ভোগান্তী বাড়ছে বাসিন্দাদের। গরমে কেউ কেউকে দেখা গেছে বাহিরে বসে আছেন, আবার কেউ কেউ রাস্তায় হাটাহাটি করছেন। সকাল, দুপুর, বিকেল ও সন্ধ্যার লোডশেডিং এখন গভীর রাতও ছাড়িয়ে গেছে।

শহরের বান্ধাঘাটার এলাকার মোঃ রাসেল ও কলেজ মোড়ের আঃ হালিম বলেন, সারাদিন কাজ কর্ম করে বাড়ীতে এসে খেয়ে শুতে গেলেই বিদ্যুৎ গেলো। গরমে ঘরে থাকা যায় না, তাই বাহিরে হাটছি। আর ঘরের অন্যান্যরা ঘুম থেকে উঠে বসে আছে। দিনেও লোডশেডিং আবার গভীর রাতেও তাই। আমরা বিপদেই আছি।

এদিকে অন্ধকারে যান চলাচলও চরম ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। শহরতলীর মাকড়ঢোন গ্রামের অটো ভ্যান গাড়ী চালক কালাম হোসেন বলেন, এতো রাত এখন দিয়েছে লোডশেডিং, রাস্তাঘাট অন্ধকার কিভাবে গাড়ী চালাবো। গাড়ীর আলোতে তো আর কিছু দেখাই যায়না। সবদিক দিয়ে ভীষণ সমস্যা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, বর্তমানে মোংলায় ৪৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎতের চাহিদা থাকলেও সরবরাহ রয়েছে ৩০ মেগাওয়াট। আর ঘাটতি থাকছে ১৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। তাই ঘোষণা ছাড়াই কৌশলগতভাবে দিনে-রাতে লোডশেডিংও ক্রমান্বয়ে বেড়েই চলেছে।

খালিশপুর থানা আ’লীগ সভাপতি নান্নুর অস্ত্রপচার আজ
খবর বিজ্ঞপ্তি
খালিশপুর থানা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও মহানগর আওয়ামী লীগ নির্বাহী সদস্য এ কে এম সানাউল্লাহ নান্নু ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত হয়ে ঢাকায় স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আজ (মঙ্গলবার) তার অপারেশন হবে। তার সুস্থ্যতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল সোমবার বাদ মাগরিব দলীয় কার্যালয়ে সদর থানা আওয়ামী লীগ আয়োজিত দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির উপস্থিত ছিলেন, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা। সদর থানা আওয়ামী লীগ সভাপতি এ্যাড. মো. সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক ফকির মো. সাইফুল ইসলামের পরিচালনায় দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগ নেতা শ্যামল সিংহ রায়, অধ্যক্ষ শহিদুল হক মিন্টু, জামাল উদ্দিন বাচ্চু, মো. মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ, জোবায়ের আহমেদ খান জবা, অসিত বরন বিশ্বাস, কাউন্সিলর শেখ হাফিজুর রহমান, এ্যাড. তারিক মাহমুদ তারা, এ্যাড. এম এম সাজ্জাদ আলী, মোল্লা আব্দুল হাই, এম এ নাসিম, মীর বরকত আলী, এস এম আসাদুজ্জামান রাসেল, পারভেজ হাওলাদার, মো. ইমরান হোসেন, বাবুল সরদার বাদল, ফয়েজুল ইসলাম টিটো, নজরুল ইসলাম তালুকদার, শেখ এশারুল হক, এ্যাড. শামীম মোশাররফ, মো. সেলিম মুন্সি, আতাউর রহমান শিকদার রাজু, মো. শিহাব উদ্দিন, ওহিদুল ইসলাম পলাশ, আযম খান, ফেরদৌসী আলম রিতা, রেখা খানম, গোলাম হায়দার বুলবুল, গাজী মোশাররফ হোসেন, কাজী নজরুল ইসলাম, শেখ হারুন মানু, জাহিদুর রহমান, জহুর মোল্লা, শেখ জিল্লুর রহমান, মাহমুদুর রহমান রাজেস, রুম্মান আহমেদ, ওমর কামাল সহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
এ সময়ে ২৬নং ওয়ার্ড বিএনপি থেকে আওয়ামী লীগে যোগদানকৃত আব্দুস সবুর মোড়ল উপস্থিত ছিলেন।
দোয়া পরিচালনা করেন, মাওলানা রফিকুল ইসলাম।

খালিশপুর থানা আ’লীগ সভাপতি নান্নুর সুস্থ্যতা কামনায় নেতৃবৃন্দের বিবৃতি
খবর বিজ্ঞপ্তি
খালিশপুর থানা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও মহানগর আওয়ামী লীগ নির্বাহী সদস্য এ কে এম সানাউল্লাহ নান্নু ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত হয়ে ঢাকায় স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আজ (মঙ্গলবার) তার অপারেশন হবে। সফল অস্ত্রপচার, সুস্থ্যতা ও দীর্ঘায়ু জন্য তিনি দলের সকল নেতাকর্মী, আত্মীয় স্বজন, শুভানুধ্যায়ীর কাছে দোয়া কামনা করেছেন তিনি। এদিকে তার সুস্থ্যতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান এমপি, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক, খুলনা-২ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য সেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল, খুলনা জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও জেলা পরিষদ প্রশাসক বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব শেখ হারুনুর রশীদ, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা, জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. সুজিত কুমার অধিকারী।

নগর আ’লীগ নেতা কামালের শাশুড়ির মৃত্যুতে নেতৃবৃন্দের শোক
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ কামালের শাশুড়ি আবেদা বেগম (৭৫) মৃত্যুবরণ করেছেন (ইন্না লিল্লাহে ………. রাজেউন)। গতকাল সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় বার্ধক্য জনিত কারনে নিজ বাসভবনে মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তিনি ছেলে মেয়ে নাতি নাতনি, আত্মীয়স্বজন সহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। মরহুমার নামাজে জানাযা সোমবার বাদ এশা ফেরিঘাট জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়। জানাযা শেষে মরহুমাকে বসুপাড়া কবরস্থানে দাফন করা হয়। এদিকে কামালের শাশুড়ির মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা শোকাহতদের পাশে যান। তিনি সেখানে কিছু সময় অবস্থান করেন এবং শোকাহতদের ধৈর্য্য ধারনের জন্য সান্তনা দেন। পরে তিনি জানাযায় অংশগ্রহণ করেন।
অপরদিকে আবুল কালাম আজাদ কামালের শাশুড়ি আবেদা বেগমের মৃত্যুতে গভীর শোক, শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা ও মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন, শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান এমপি, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক, খুলনা-২ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য সেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল, খুলনা জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও জেলা পরিষদ প্রশাসক বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব শেখ হারুনুর রশীদ, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা, জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. সুজিত কুমার অধিকারী।

খাবারের অভাবে শিশুকে বিক্রি করতে বাজারে নিলেন বাবা!
খুলনাঞ্চল রিপোর্ট
ঠাকুরগাঁও বালিডাঙ্গী উপজেলায় সাত মাস আগে সাম্মী জন্ম নেয় এক দরিদ্র পরিবারে। ছয় সদস্যের অভাবের সংসারে এই শিশু কন্যাকে দত্তক ও স্থানীয় বাজারে বিক্রি করতে নিয়ে আসেন তার বাবা মতিউর রাহমান মতি। পরে এলাকাবাসীর পরামর্শে বাড়ি ফেরত নিয়ে আসেন তিনি।

মতিউর রহমান (৪৫) ওই উপজেলার ৪ নম্বর বড় পলাশবাড়ি ইউনিয়নের জিয়াবাড়ি দক্ষিণ দুয়ারী গ্রামের বাসিন্দা।

তিনি একজন দিনমজুর। সারাদিন মাঠে কাজ করে যা আয় করেন তা দিয়ে কোনমতে সংসার চলে। তিন মেয়ের লেখাপড়ার খরচ ও ৭ মাস বয়সী শিশুকন্যা শাম্মীর খরচ জোগাতে পারছিলেন না তিনি। তাই বাধ্য হয়ে গত রোববার শিশুটিকে বিক্রি ও দত্তক দেওয়ার উদ্দেশ্যে নিয়ে যান স্থানীয় এক বাজারে।

স্থানীয়রা জানান, মতিউর খুবই হত-দরিদ্র। সন্তানদের ঠিকমতো খাবার ও ভরণপোষণ কাপড়-চোপড় কিনে দিতে পারে না। কোনদিন একবেলা খায় তো আরেক বেলা না খেয়ে থাকে। মা-বাবা কখনোই চায় না তাদের সন্তানকে বিক্রি বা দত্তক দিতে। কিন্তু অভাবের সংসার তাদের বাধ্য করেছে।

সরেজমিনে গেলে জানা যায়, ২৬ বছর আগে মতিউর রহমানের সঙ্গে নাজমা বেগমের পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের পরে তাদের সংসারে জন্ম নেয় এক কন্যা সন্তান। এভাবে ছেলে সন্তানের আশায় তাদের সংসারে একে একে জন্ম নেয় ৪ কন্যা সন্তান। এখন সেই চার কন্যা সন্তানসহ মোট ছয়-জনের সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন তিনি। তাই বাধ্য হয়ে সাম্মীকে বিক্রয় ও দত্তক দেওয়ার জন্য বাজারে নিয়ে গেছিলেন তিনি।

বাবা মতিউর রহমান (মতি) বলেন, ‘আমার কোন ছেলে নাই। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি আমি। দিনমজুরি দিয়ে যা আয় হয় সেটা দিয়ে তিন বেলার খাবারই জুটে না। তাই আমার ছোট মেয়ে সাম্মীকে বিক্রয় ও দত্তক দিতে বাজারে গিয়েছিলাম। কিন্তু এলাকার অনেকে তা করতে না দিয়ে আমাকে বাড়িতে নিয়ে আসে। সরকারীভাবে যদি আমাকে সহযোগিতা করা হয় তাহলে আমি আমার চার কন্যা সন্তানকে নিয়ে সংসার চালিয়ে যেতে পারবো।’

মা নাজমা বেগম বলেন, ‘আমার স্বামীর তেমন আয় রোজগার না থাকায় ঠিকমত সংসার চালাতে পারে না। একটা মেয়ে নবম শ্রেণীতে পড়ছে। কিছুদিন পর তাকে বিয়ে দিতে হবে। আমাদের কোন সম্পদ নেই। তাই আমার স্বামী আমার সব থেকে ছোট ৭ মাসের কন্যা সন্তানকে মানুষের কাছে বিক্রি দেওয়ার জন্য বাজারে নিয়ে গিয়েছিল।’

এ দিকে মতিউরকে ইউনিয়ন পরিষদ ও সরকারের পক্ষ থেকে সহযোগিতার ব্যবস্থা করে দিবেন বলে জানান ৪ নম্বর বড় পলাশবাড়ি ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য হারুন অর রশীদ। তিনি বলেন, ‘মতি গরিব মানুষ। তার কোন জমি-জায়গা নাই। দিন মজুরি দিয়ে যা আয় হয় তা দিয়ে সন্তানদের মুখে খাবার দেন। অভাব অনটনের জন্য তার ৭ মাসের কন্যাকে বাজারে বিক্রি করতে যান। এটা খুবই দুঃখজনক। তবে মতিকে কিভাবে সাহায্য সহোযোগীতা করা যায় তার চেষ্টা আমি করব।’

এ বিষয়ে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহা. যোবায়ের হোসেন বলেন, ‘ওই দরিদ্র পিতা আমার সঙ্গে যোগাযোগ করলে আমি তাদের সহযোগিতার বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’-আমাদের সময়

বাদীপক্ষের লুটপাটের ভয়ে মালামাল সরিয়ে রাখছে আসামিপক্ষ
মহম্মদপুর (মাগুরা) প্রতিনিধি
মাগুরার মহম্মদপুরে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় হাসিব মুন্সি (১৫) নামে এক মাদ্রাসাছাত্রকে কুপিয়ে হত্যার পর আসামিদের বাড়িঘর লুটপাটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত শনিবার রাতে হাসিব নিহত হওয়ার পর আসামিপক্ষের লোকজন এলাকা ছাড়া। এ সুযোগে নিহত হাসিবের পক্ষের লোকজন গভীর রাতে আসামিপক্ষের লোকজনের বাড়িঘরে হামলা লুটপাট করে।

ঘটনার পর থেকে ওই এলাকার আসামিপক্ষের লোকজন গ্রেফতার আতঙ্কে গ্রাম ছেড়েছে এবং সাধারণ জনগণকে গুরুত্বপূর্ণ মালামাল সরিয়ে নিরাপদ স্থানে নিতে দেখা গেছে। এ ঘটনায় মহম্মদপুর থানায় একটি হত্যা মামলা করা হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, গত ২৩ জুলাই বিকালে চর ঝামা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে ফুটবল খেলা নিয়ে লিয়াকত আলীর ছেলে সুমনের (১৫) সঙ্গে হাসিবের বাকবিতাণ্ডা হয়। সুমন বাড়িতে গিয়ে বিষয়টি জানায়। পরে সুমন ২০-৩০ জন লোকজন সঙ্গে নিয়ে ডাল, সড়কি, রামদাসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বিদ্যালয়ের সামনে একা বসে থাকা হাসিবের ওপর হামলা করে। তখন সুমনের সমর্থকরা হাসিবকে কুপিয়ে জখম করে ফেলে রেখে যায়। আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ফরিদপুরের বোয়ালমারি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক হাসিবকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ হত্যাকে পুঁজি করে বাদীপক্ষের শতাধিক লোকজন গভীর রাতে আসামিপক্ষের লোকজনের বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে লুটপাট করেছে। লুটপাটকারীরা আসামিপক্ষের ১০০টির বেশি গরু, ২০০টির অধিক ছাগল, স্বর্ণালংকার, ল্যাপটপ, টিভি, ফ্রিজ, হাস-মুরগি, ঘরের আসবাবপ্রত্র, নগদ টাকাসহ বিভিন্ন মালামাল লুটপাট করে নিয়ে গেছে।

এদিকে বাদীপক্ষের ভয়-ভীতির মুখে ওই এলাকায় সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। এ হত্যার ঘটনায় লুটপাট আতঙ্কে অনেকে মূল্যবান মালপত্র, গৃহস্থালি সামগ্রী ও গবাদিপশু অন্যত্র সরিয়ে নিতে দেখা গেছে। রাস্তায় তেমন লোকজন-যানবাহন নেই। পুলিশের টহলের গাড়ি আসা-যাওয়া করছে। গ্রামের প্রবেশ পথে পুলিশকে অবস্থান নিয়ে থাকতে দেখা গেছে। এলাকায় এখনো থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

এ ঘটনায় বাদীপক্ষের নজির হোসেন মেম্বার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, তাদের একটি বাড়িও লুটপাট ভাঙচুর করা হয়নি। আসামিপক্ষের স্বজনরা তাদের মালামাল নিজ হেফাজতে নিয়ে রেখেছেন।

মহম্মদপুর থানার ওসি মো. আশরাফুল ইসলাম (অ.দ) বলেন, আসামিপক্ষের লোকজনের বাড়িতে লুটপাটের বিষয়টি আমাকেও কয়েকজন জানিয়েছে। কিন্তু ওই সময় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। পুলিশের নজরে এমন কোনো কিছু পড়েনি। এ হত্যার ঘটনায় ৪৭ জনের নামোল্লেখসহ আরও ২০ জনকে অজ্ঞাত করে নিহতের বড়ভাই আমানউল্লাহ একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। হত্যার সঙ্গে জড়িতদের আটকের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এছাড়া ওই এলাকায় সংঘর্ষ এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

মহসেন জুট মিলের বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাধারন শ্রমিক কর্মচারীদের দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত
ফুলবাড়ীগেট প্রতিনিধি
খুলনার শিরোমনি শিল্প এলাকার বন্ধকৃত মহসেন জুট মিলের অর্থঅভাবে বিনাচিকিৎসায় মৃত্যবরনকারী শ্রমিক কর্মচারীদের রুহের মাগফেরাত কামনায় এক দোয়া অনুষ্ঠান গতকাল বিকাল ৫ টায় মহসেন জুট মিলের প্রধান ফটকের সামনে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাধারন শ্রমিক কর্মচারীদের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়। শ্রমিক নেতা নিজামউদ্দিনের সভাপতিত্বে ও সাইফুল্লাহ তারেকের পরিচালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন মহসেন জুট মিলের সাবেক সাধারন সম্পাদক ও বেসরকারী পাট, সুতা বস্ত্রকল শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশনের সাধারন সম্পাদক গোলাম রসুল খান। বক্তৃতা করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ক্বারী আসহাব উদ্দিন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহাতাব উদ্দীন, বীর মুক্তিযোদ্ধা ইব্রাহীম কাগজী, আইনউদ্দিন , আমির মুন্সি প্রমুখ । সভা শেষে দোয়া অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মহসেন জুট মিলের পেশ ইমাম মাওলানা একরাম উদ্দিন। দোয়া অনুষ্ঠান পুর্বক আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন শ্রমিকদের চুড়ান্ত পাওনা পরিশোধের দাবিতে আগামি ২৯ জুলাই শুক্রবার বিকাল ৪ টায় মহসেন জুট মিলের প্রধান ফটকের সামনে এক শ্রমিক জনসভা অনুষ্ঠিত হবে । এবং জনসভা থেকে কঠোর কর্মসূচি ঘোষনা করা হবে বলেও জানান শ্রমিক নেতারা। এছাড়া মিল মালিক কতিপয় দালাল সিবিএ নেতাদের নিয়ে নতুন করে যে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে তার বিরুদ্ধে শ্রমিক কর্মচারীদের সজাগ থাকার আহবান জানানো হয়।

স্বামী হত্যার বিচার দাবি: সড়ক দুর্ঘটনা বলে ‘খুন ধামাচাপা’
যশোর অফিস
যশোরের চৌগাছা উপজেলার দেবীপুর গ্রামের বিপ্লব হোসেন নামে এক ব্যক্তিকে হত্যা করে সড়ক দুর্ঘটনা বলে ধামাচাপা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার দুপুরে প্রেসক্লাব যশোর মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন নিহতের স্ত্রী নাসরিন আক্তার।

তিনি বলেন, ‘বিপ্লব হোসেন সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যাননি। তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। তার চাচাতো ভাইয়েরা মিথ্যা তথ্য দিয়ে ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ দাফন করে। তারাই বিপ্লবকে হত্যা করেছে।’

এ বিষয়ে ১৬ মে যশোরের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ৫ জনের নামে মামলা করেছেন নাসরিন আক্তার। মামলার তদন্তভার পেয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। মামলার পর তাকে ও তার সন্তানদের প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

আসামিরা হলেন-চৌগাছা উপজেলার দেবীপুর গ্রামের আরশাদ আলীর ছেলে আরিফ হোসেন, আলামিন ও আরশাদ আলী, রমজান মালিথার ছেলে আরিফুল ইসলাম, নিয়ামতপুর গ্রামের বুদো’র ছেলে বিপুল হোসেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে নাসরিন আক্তার বলেন, বাড়িতে একটি কুকুরের বাচ্চা আসা নিয়ে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি আসামিদের সঙ্গে আমার স্বামী বিপ্লব হোসেনের বিরোধ হয়। এই বিরোধ নিয়ে তাদের মধ্যে হাতাহাতি হয়। বিষয়টি আসামিরা মেনে নিতে পারেনি। ফলে আসামিরা বিপ্লব হোসেনকে হত্যার ষড়যন্ত্র করে। গত ১ মার্চ সন্ধ্যায় বিপ্লব হোসেন মোটরসাইকেলে তার খালু শ্বশুরের বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন। পথিমধ্যে মুক্তদহ গ্রামের মোড়ে (চৌগাছা-কোটচাঁদপুর সড়ক) আসামিরা বিপ্লবের গতিরোধ ও মারপিট করে গুরুতর জখম করে। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে চৌগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ সময় আসামিরা থানায় অভিযোগ দিতে বাধা দেয়। এমনকি লাশ ময়নাতদন্ত করতে দেওয়া হয়নি। সে সময় লাশ দাফন হয়ে যায়। পরে খোঁজখবর নিয়ে ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে আমি বাদী হয়ে আদালতে মামলা করেছি। আদালত মামলাটি গ্রহণ করে এ ব্যাপারে চৌগাছা থানায় আর কোন মামলা হয়েছে কি না তা প্রতিবেদন আকারে ১০ কার্য দিবসের মধ্যে অবহিত করার নির্দেশ দেন। এরপর ৩১ মে আদালত যশোর পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দেন। আদালতে মামলা করায় আসামিরা বিভিন্ন সময়ে আমাকে ও আমার সন্তানদের প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। হুমকির ঘটনায় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছি। আমরা এখন আতঙ্কে রয়েছি। অমি স্বামী হত্যার বিচার চাই। প্রয়োজনে আমার স্বামীর লাশ পুনরায় ময়নাতদন্তের দাবি জানাচ্ছি।’

এ বিষয়ে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) যশোরের পুলিশ সুপার রেশমা শারমিন বলেন, ‘এ বিষয়ে তদন্ত চলছে। ভিকটিমের লাশ উদ্ধারের জন্য আদালতে আবেদন করা হয়েছে। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

এসময় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন-বিপ্লবের মা সাবিরন বেগম, ভাই রুবেল হোসেন, মেয়ে সাবিনা আক্তার বিপাশা ও খালু শ্বশুর রফিকুল ইসলাম।