চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ভয়াবহ আগুনে বহু হতাহতের ঘটনায় শোকাহত পুরোদেশ। এর রেশ কাটতে না কাটতেই একইদিনে পৃথক স্থানে রেল ও ফেরিতে আগুনের ঘটনা ঘটেছে। গণমাধ্যমে প্রকাশ, শনিবার বেলা পৌনে ১টার দিকে মৌলভীবাজারে পারাবত এক্সপ্রেসের বগিতে আগুন লাগে। একইদিনে মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ের শিমুলিয়া ঘাট থেকে যাত্রী ও যানবাহন নিয়ে যাওয়ার সময় পদ্মা নদীতে রোকেয়া নামে একটি ফেরিতে আগুন লাগে। এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে, পারাবত এক্সপ্রেসের পাওয়ার কারে লাগা আগুন থেকে পুড়ে যায় তিনটি বগি। এ আগুন লাগার ঘটনায় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রধান করে ৭ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। আর ফেরিতে শর্ট সার্কিট নয়তো মশার কয়েলের আগুন থেকে আগুনের সূত্রপাত হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আগুনের ঘটনা নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে অনেকে নাশকতার শঙ্কা জানিয়ে মন্তব্য করছেন। এছাড়া অনেকে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বিষয়গুলো গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখার অনুরোধ করছেন। আমাদের আশাবাদ, ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে স্ব স্ব কর্তৃপক্ষ গুরুত্ব সহকারে কাজ করবেন।
দেশে বিভিন্ন সময়ে আগুন লাগার ঘটনা বা দুর্ঘটনা ঘটলে ফায়ার সার্ভিসসহ উদ্ধারকাজে নিযুক্ত নানা প্রতিষ্ঠানের সীমাবদ্ধতা উঠে আসে। নয়তো ভবিষ্যতে ওইসব প্রতিষ্ঠানের দক্ষতা বৃদ্ধির বিষয়ে মতামত দেন দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ। কিন্তু আফসোসের বিষয়, ধীরে ধীরে সেসব কথা ও আশ্বাস বেশিরভাগ সময়ে বাস্তবতায় রূপ নেয় না। আবার কোনো পদক্ষেপ নেয়া হলেও তা যথাযথ হয় না। এইদিকে যথাযত নজর দেয়া খুবই জরুরি বলে আমরা মনে করি। তাহলে হয়তো ভবিষ্যতে সীতাকুণ্ডসহ নানা দুর্ঘটনার মতো প্রাণ ও সম্পদহানি কমে আসবে উল্লেখযোগ্য হারে।











































