স্টাফ রিপোর্টার।।
ভাত চুরির অপবাদ দিয়ে খুলনার বেসরকারি নর্থ ওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী আজমুল হোসেনকে নির্যাতনের পর চুল কেটে দেয় অভিযুক্তরা। পরে ছাদে নিয়ে আরেক দফা পিটিয়ে সেখান থেকে ফেলে দেওয়া হয়।
এই ঘটনায় হওয়া মামলার এজাহার থেকে এইসব তথ্য জানা গেছে। নিহতের বাবা কুতুব উদ্দিন বাদী হয়ে চারজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ২০-২৫ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। তবে রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত এই মামলায় কাউকেই গ্রেপ্তার করা হয়নি।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে নগরীর হরিণটানা থানায় দায়ের করা মামলা দায়ের করা হয়।
মামলায় উল্লেখিত অভিযুক্ত চারজন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। তাদের নাম-পরিচয় জানাতে চাননি হরিণটানা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইকবাল হোসেন।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় খাজা হল সংলগ্ন মেসে মিল না দিয়ে খাবার খেয়ে ফেলে। এ ঘটনায় খাবার চুরি অপবাদ দিয়ে মেসের কয়েকজন শিক্ষার্থী ও স্থানীয় লোকজন আজমুল হোসেনকে বেধড়ক মারপিট ও নির্মমভাবে নির্যাতন করে।
তার মাথার চুল কেটে দেওয়া হয়। মেসের ছাদে নিয়েও নির্যাতন চালানো হয়। এক পর্যায়ে আমজুল চার তলার ছাদ থেকে পড়ে যায়। সেখান থেকে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তার শরীবের বিভিন্নস্থানে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে।
নগরীর হরিণটানা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইকবাল হোসেন বলেন, শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) রাতে দণ্ডবিধির ৩০২ ও ৩৪ ধারায় শনিবার রাতে নিহত আজমুল হোসেনের বাবা কুতুবউদ্দিন বাদী হয়ে হরিণটানা থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় চারজনের নাম উল্লেখ আছে। তবে তদন্তের স্বার্থে আসামিদের নাম প্রকাশ করা যাচ্ছে না।
ওসি বলেন, অত্যন্তু গুরুত্বসহকারে পুলিশ মামলার তদন্ত ও আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছে। তবে বিকাল পর্যন্ত কেউ গ্রেপ্তার হয়নি।











































