খবর বিজ্ঞপ্তি।।
খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি ও খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কেডিএ) চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এস এম শফিকুল আলম মনা বলেছেন, স্বৈরাচার বিদায় হলেও ষড়যন্ত্র থেমে নেই। প্রশাসনের ভেতরে এখনো ফ্যাসিবাদের দোসররা ঘাপটি মেরে বসে আছে এবং দেশকে অস্থিতিশীল করার পাঁয়তারা চালাচ্ছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, দল সুবিধাজনক অবস্থানে আছে,এমন ধারণা থেকে আত্মতুষ্টিতে ভোগার কোনো সুযোগ নেই।গণতন্ত্র অগ্রযাত্রাকে টিকিয়ে রাখতে নেতাকর্মীদের রাজপথে সজাগ ও সতর্ক থাকতে হবে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় নগরীর কে ডি ঘোষ রোডস্থ দলীয় কার্যালয়ে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় সংসদের সাবেক সহ-সভাপতি এবং খুলনা মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহŸায়ক মরহুম আজিজুল হাসান দুলুর চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। খুলনা মহানগর ও জেলা বিএনপি যৌথভাবে এ কর্মসূচির আয়োজন করে।
মরহুম আজিজুল হাসান দুলুর স্মৃতিচারণ করে অ্যাডভোকেট শফিকুল আলম মনা বলেন,দুলুর মতো ত্যাগী,আদর্শবান ও নিবেদিতপ্রাণ নেতা বারবার জন্ম নেন না। দলের শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং দুঃসময়ে দলকে এগিয়ে নিতে তিনি অনন্য ভূমিকা পালন করেছেন। এমন নেতাদের যথাযথ মূল্যায়ন করতে হবে এবং তাঁদের আদর্শকে ধারণ করে সামনের পথ চলতে হবে।
দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বলেন,দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রতিদিন চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে প্রায় বাইশ ঘণ্টাই দল,দেশ ও জাতির ভবিষ্যতের জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করে দিকনির্দেশনা দিয়ে যাচ্ছেন। অথচ দেশকে পিছিয়ে দিতে নানা ধরনের চক্রান্ত চলছে। স¤প্রতি ক্যান্টনমেন্ট থানার ওসির ফাঁস হওয়া অডিওতে প্রশাসনের ভেতর থেকে দেশকে অস্থিতিশীল করা এবং স্বৈরাচার হাসিনাকে ফিরিয়ে আনার প্ররোচনা দেওয়ার বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।একই সঙ্গে সেনাবাহিনী ও পুলিশ বাহিনীকে নিয়ে বিতর্কিত বক্তব্য দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর ভাষায়,এর অর্থ হলো প্রশাসনের রন্ধ্রে রন্ধ্রে এখনো ফ্যাসিবাদের দোসররা সক্রিয় রয়েছে।
তিনি আরও অভিযোগ করেন,একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এবং অতীতে গুম,খুন ও বাড়িঘর পোড়ানোর মতো অপকর্মে মদদদাতারা নিজেদের অপকর্ম আড়াল করার চেষ্টা করছে। লংমার্চসহ নানা ইস্যু তৈরি করে বাংলাদেশকে গণতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা থেকে দূরে ঠেলে দেওয়ার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।
নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহŸান জানিয়ে মনা বলেন,শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বহুদলীয় গণতন্ত্রের চেতনাকে সুদৃঢ় করতে এবং তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের গণতন্ত্রকে শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে সব ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে নেতাকর্মীদের অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকা পালন করতে হবে।
আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা বিএনপির আহŸায়ক মনিরুজ্জামান মন্টু,মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহŸায়ক বেগম রেহানা ঈসা,সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ পারভেজ বাবু ও হাসানুর রশীদ চৌধুরী মিরাজ।
অন্যান্য নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন থানা বিএনপির সভাপতি কে এম হুমায়ূন কবির,শেখ হাফিজুর রহমান মনি ও অ্যাডভোকেট শেখ মোহাম্মদ আলী বাবু, মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহŸায়ক বদরুল আনাম খান ও চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা ফারুক খন্দকার, ইসতিয়াক উদ্দিন লাভলু এবং সাবেক স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা জামাল হোসেন তালুকদার,খুলনা মহানগর বিএনপির দায়িত্বপ্রাপ্ত দপ্তর সম্পাদক শরিফুল ইসলাম টিপু,জেলা বিএনপির সদস্য আশরাফুল ইসলাম নূর,খুলনা মিডিয়া সেলের সদস্য সচিব রকিবুল ইসলাম মতি।থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জাকির ইকবাল বাপ্পী ও মোঃ নাসির উদ্দিন।
অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র যুগ্ম আহŸায়ক নুরুজ্জামান নিশাত, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহŸায়ক মুন্তাসির আল মামুন, জেলা ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত আহŸায়ক আবু জাফর, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব আবদুল মান্নান মিস্ত্রি, খুলনা মহানগর জাসাসের সদস্যসচিব কে এম এ জলিল, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা হুমায়ুন কবীর রুবেল, যুবদল নেতা জাবীর আলী এবং সদস্যসচিব হাফেজ মোঃ আল-আমিন।
ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মোঃ শফিকুল ইসলাম, মোঃ সালাউদ্দীন মোল্লা (বুলবুল), শেখ মোস্তফা কামাল, আজিজুর রহমান, শেখ মনিরুজ্জামান মনির, শেখ হাবিবুর রহমান এবং আহসান হাবিব বাবু।
সাধারণ সম্পাদকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন, মঞ্জুরুল আলম, মোঃ আমিন আহমেদ, মোঃ শওকত আলী বিশ্বাস লাবু, সাইফুল ইসলাম, মোঃ ওহিদুজ্জামান হাওলাদার ও মোঃ আরিফুল ইসলাম বিপ্লব।
সাংগঠনিক সম্পাদকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মোঃ মুরাদ হোসেন,শেখ মেহেদী হাসান, মোঃ ইয়াছিন মোল্লা, আব্দুল কাদের মল্লিক, মোঃ আলী আফজাল এবং ডাঃ শাহিন আহসান।
আলোচনা সভা শেষে মরহুম আজিজুল হাসান দুলুর রুহের মাগফিরাত ও জান্নাতুল ফেরদৌস কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন খুলনা মহানগর ওলামা দলের আহŸায়ক মাওলানা মোঃ আবু নাঈম কাজী।











































