ছাত্রদল নেতা নুরে আলম সিদ্দিকী বাপ্পি’র ১৯তম হত্যাবার্ষিকীতে আলোচনা ও দোয়া মাহফিল
খবর বিজ্ঞপ্তি।।
খুলনা জেলা ছাত্রদলের সাবেক চারুকলা বিষয়ক সম্পাদক শহীদ নুরে আলম সিদ্দিকী বাপ্পির ১৯ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে ডুমুরিয়া উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে সোমবার (২৮ মার্চ) সকাল ১১ টায় কবর জিয়ারত এবং শাহপুর বাজারস্থ বিএনপির কার্যালয়ে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা বিএনপির আহবায়ক মোল্যা মোশাররফ হোসেন মফিজ’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি সাবেক সভাপতি এবং খুলনা মহানগর বিএনপির আহবায়ক এ্যাড. শফিকুল আলম মনা, প্রধান বক্তা হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক ছাত্রনেতা ও খুলনা মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব শফিকুল আলম তুহিন। বিএনপি নেতা গাজী শাহেদুজ্জামান বাবু ও একেএম জাফর ইকবাল’র সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপির ১ম যুগ্ম আহবায়ক শেখ সরোয়ার হোসেন, জেলা কৃষক দলের সভাপতি মোল্লা কবির হোসেন, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য ও ১নং ধামলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বিএম জহুরুল হক, এফ এম মাসুদুল হক, মাষ্টার আমিরুল হালদার, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক শেখ শাহিনুর রহমান, হাবিবুর রহমান হবি, মশিউর রহমান লিটন, অরুণ গোলদার, আমিনুর রহমান মোড়ল, ডুমুরিয়া উপজেলা যুবদলের আহবায়ক প্রভাষক মঞ্জুর রশিদ, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মোল্যা মশিউর রহমান, উপজেলা যুব দলের সিঃ যুগ্ম আহবায়ক সরদার বিল্লাল হোসেন, সন্দীপক চ্যাটার্জী, উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি ও সংরক্ষিত মহিলা ইউপি সদস্য আর্জিনা বেগম, উপজেলা মৎস্যজীবী দলের আহবায়ক শেখ মাহাবুর রহমান, উপজেলা কৃষক দলের সাধারন সম্পাদক মাষ্টার আইয়ুব আহমেদ, উপজেলা মৎস্যজীবী দলের সাধারন সম্পাদক মাষ্টার সেলিম হালদার, নীলউৎল মন্ডল,উপজেলা মহিলা দলের সাধারন সম্পাদক জাহানারা ইসলাম, খান আসাদুজ্জামান, বিএম মনিরুজ্জামান, জিএম আলমগীর হোসেন, শেখ আঃ সালাম, খোকন তালুকদার, আলমগীর শাহীন, আবুল হোসেন সরদার, আঃ গফ্ফার মোড়ল, আঃ মজিদ জোয়াদ্দার, খান আবুল কালাম আজাদ, ইউপি সদস্য নুর ইসলাম, জিএম রফিকুল ইসলাম, ইউপি সদস্য ইকবাল মাসুদ বাবলু, ইউপি সদস্য আলামিন বিশ্বাস, ইউপি সদস্য তুষার মন্ডল, ইউপি সদস্য আরতি মহাজন, ইউপি সদস্য শাহিনুর বেগম, মাসুদ ফারাজী, রোজিনা বেগম, বিএনপি নেতা আশরাফ হোসেন, রেজোয়ান হোসেন, স ম জিহাদুল ইসলাম, মো ইমরান হোসেন, রফিকুল ইসলাম, সবুজ গাজী, ইলিয়াস হোসেন টুলু, হালিম সরদার, মোঃবক্কার হোসেন, মোঃ জাবের আলী, আলতাফ মোড়ল, স,ম মোমতাজ, আশরাফ সরদার, গনি জোদ্দার, গফ্ফার সরদার, ইব্রাহীম খান টুটুল, রহমান খান, নুর ইসলাম তারক মন্ডল, মোড়ল, মনিরুল ইসলাম, হায়দার মোল্লা, শরফুল আকুঞ্জি, ইমরুল কায়েস, হাসান গোলদার, বাবলু গাজী, মুরাদ মোল্লা, মালেক ফকির, ইজাহারুল গাজী, আঃ হাই গাজী, মোহাম্মদ আলী, ইনামুল মল্লিক, সাবেক ছাত্র নেতা আমিনুল ইসলাম, শামীম আকতার রোমান, মতিউর রহমান ফারাজী, উপজেলা দলের নেতা মোল্যা আবরার হোসেন সৈকত, মোঃ সাহেদ, সোহেব মোড়ল, কামরুল ইসলাম, মোঃ আব্দুল্লাহ, শরিফুল ইসলাম, ওয়ালিদ ফকির, ইমন, সোহান, আলমামুন, সোহেল, সোহাগ সরদার, এ সময় উপস্থিত ছিলেন শহীদ নুরে আলম সিদ্দিকী বাপ্পির বড় ভাই মোস্তাক আহমেদ বুলু।
খুলনা মহানগর বিএনপির শোক
।। খবর বিজ্ঞপ্তি।।
শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের সাবেক ভিপি ও বিএনপি নেতা শফিকুল ইসলাম নিপুলের পিতা ডা. সোলায়মান হোসেন ও সোনাডাংগা থানা ছাত্রদলের সদস্য সচিব শেখ নামমিন হোসেন মারজানের বড়ভাই শেখ বোরহান উদ্দিনের মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন খুলনা মহানগর বিএনপি। বিবৃতিদাতারা হলেন, আহবায়ক এড. শফিকুল আলম মনা, সদস্য সচিব শফিকুল আলম তুহিন ও যুগ্ম আহবায়ক তরিকুল ইসলাম জহির। প্রদত্ত বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ মরহুমদ্বয়ের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেছেন।
খুলনার চাকুরী প্রত্যাশিদের চাকুরী মেলা
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনায় চাকরি প্রত্যাশিদের জন্য চাকুরী মেলার আয়োজন করেছে ইউসেপ বাংলাদেশ। মেলায় দেশের শীর্ষস্থানীয় ৩২টি প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। এ মেলার মাধ্যমে চাকুরী প্রত্যাশিরা তাদের পছন্দমতো চাকরি দাতা প্রতিষ্ঠানে সিভি জমা দিতে পারছে। মেলা শেষে চাকুরী দ্বাতা প্রতিষ্ঠান তাদের পছন্নমত প্রার্থীকে ডাকছে ভাইভার জন্য।
ইউসেপ বাংলাদেশ খুলনা অঞ্চলের আয়োজনে ও আইএলও এর আর্থিক সহযোগিতায় কর্মহীন যুবক-যুবতীদের চাকুরী নিশ্চিত করতে এ মেলার আয়োজন করে ইউসেপ মহসিন টেকনিক্যাল ইন্সটিটিউট। খুলনার বৈকালী মোড় এলাকায় প্রতিষ্ঠানটির চত্তরে গতকাল সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলে এই চাকরি মেলা। চাকরি মেলায় তরুণ-তরুণীসহ সকল বয়সীরা উপস্থিত হয়ে তাদের পছন্নমত প্রতিষ্ঠানে সিভি জমা দেন।
ইউসেপ বাংলাদেশের পরিচালক মো: দিদারুল আনাম চৌধুরীর সভাপতিত্বে চাকুরী মেলায় প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা জেলা প্রশাসক মো: মনিরুজ্জামান তালুকদার। সকালে বেলুন উড়িয়ে অনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন অতিথিবৃন্দ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইউসেপ বাংলাদেশের রিজিওনাল ম্যানেজার মোহাম্মদ কামরুজ্জামান এবং বক্তব্য রাখেন খুলনা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের প্রিন্সিপাল প্রকৌশলী অনিমেশ পাল, গাজী মেজিকেল কলেজ ও হসপিটালের চেয়ারম্যান ডা: গাজী মিজানুর রহমান, বিশ^াস প্রপার্টিজ সিইও মো: আজগর বিশ^াস (তারা)।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, কোভিড-১৯ এর কারনে অনেকে চাকুরী হারিয়েছে, ঠিক এমনই সময়ে ইউসেপ বাংলাদেশ কতৃক চাকুরী মেলার আয়োজন অনেক ভালো উদ্যোগ। অনেক চাকুরী প্রার্থী ও চাকুরীদাতা প্রতিষ্ঠান উপস্থিত আছে। তিনি বলেন, কারিগরী প্রশিক্ষণের কোনো কোনো বিকল্প নেই। শুধু সার্টিফিকেট অর্জনের জন্য নয় বরং দক্ষতা সম্পন্ন মানুষ হওয়ার জন্য কারিগরী প্রশিক্ষণ প্রয়োজন। তিনি কর্মহীন যুবক-যুবতীদের প্রশিক্ষণ পরবর্তী চাকুরী মেলার আয়োজনের জন্য আইএলও ও ইউসেপ বাংলাদেশ কে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
মেলায় চাকুরী প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাণ আর এফ এল গ্রুপ, আকিজ জুট মিলস লি:, এসিআই মটরস, বেক্সিমকো এলপিজি, টিকে গ্রুপ, বাংলাদেশ এডিবল ওয়েল লি:, সালাম জুট মিলস প্রা: লি:, জুট টেক্সটাইল মিলস লি:, বিশ^াস প্রপার্টিজ, আব্দুল্লাহ ব্যাটারী কোং লি:, মিতালী ফুড ইন্ডাস্টিজ লি:, ইউরো গ্রুপ, বিডিজবস ডট কম, ফার্নিচার ওয়াল্ড, ইলেক্ট্রো সলুশন, খুলনা লিংক ও গাজী মেজিকেল কলেজ ও হসপিটালসহ দেশের বিভিন্ন স্বনামধণ্য প্রতিষ্ঠিানের প্রতিনিধিগণ।
মেলায় আনুমানিক ৪০০ প্রশিক্ষণার্থী চাকুরী প্রত্যাশীরা তাদের পছন্দের কোম্পানীতে নিজ নিজ সিভি প্রস্তুত করে জমা প্রদান করেন এবং স্পট ইন্টারভিউ এর মাধ্যমে ১৫০ জনের চাকুরী নিশ্চিত হয়। খুবই আনন্দঘন ও শিক্ষণীয় পরিবেশে চাকুরী মেলাটি সম্পন্ন হয়। মেলাতে পার্টনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিডিজবসের প্রতিনিধিগণ।
উল্লেখ্য, ১৯৭২ সাল থেকে ইউসেপ-বাংলাদেশ শহরের সুবিধাবঞ্চিত শ্রমজীবী শিশু কিশোরদের সাধারণ শিক্ষা, কারিগরি প্রশিক্ষণ প্রদান এবং প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত গ্রাজুয়েটদের কর্মসংস্থানে সহযোগিতা প্রদান করে আসছে। এরিই আলোকে ইউসেপ বাংলাদেশের ডিসেন্ট এমপ্লয়মেন্ট এ্যান্ড অন্টারপ্রেনিইউরশীপ প্রোগ্রাম এ বর্ণাঢ্য চাকুরী মেলার আয়োজন করে।
সমগ্র দেশের ন্যায় খুলনা মহানগরীতে ‘এক দিনে এক কোটি’ গণটিকা ক্যাম্পেইনের ২য় রাউন্ড
খবর বিজ্ঞপ্তি
দেশব্যাপী গণটিকা প্রদান কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সমগ্র দেশের ন্যায় খুলনা মহানগরীতে ‘এক দিনে এক কোটি’ গণটিকা ক্যাম্পেইনের ২য় রাউন্ড অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক সোমবার সকাল ৯টায় কেসিসি পরিচালিত খুলনা কলেজিয়েট গার্লস স্কুল ও কেসিসি উইমেন্স কলেজে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে গণটিকা ক্যাম্পেইনের (২য় রাউন্ড) উদ্বোধন করেন। কোন ব্যক্তি যেন বাদ না পড়ে সে জন্য আগামী ৩০ মার্চ পর্যন্ত ওয়ার্ড পর্যায়ে এ ক্যাম্পেইন চলমান থাকবে।
উদ্বোধনকালে সিটি মেয়র বলেন, জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর। করোনা সংক্রমণ রোধে সবরকম প্রতিরোধ ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি সকল বয়সের নাগরিকদের টিকার আওতায় আনতে সরকার বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। সারা দেশের ন্যায় খুলনা মহানগরী এলাকায় টিকাদান কার্যক্রম সফল করতে স্বাস্থ্য সেবায় নিয়োজিত সকল সংস্থা আন্তরিকতার সাথে কাজ করছে। তিনি বলেন, কিছু মানুষ সরকারের ভাল কাজগুলিকে ভালভাবে নিতে চায়না। দেশের মানুষের কল্যাণে নেতিবাচক মনোভাব পরিহার করার আহবান জানিয়ে সিটি মেয়র আরো বলেন, একজনের অবহেলার কারণে বহুলোক ক্ষতির শিকার হতে পারে। সে কারণে টিকাদান কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নে সকলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে।
উল্লেখ্য, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি ‘এক দিনে এক কোটি’ ক্যাম্পেইনে টিকা গ্রহণকারীদের ২য় ডোজ প্রদানের লক্ষ্যে এ ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সিটি মেয়র ১ম ডোজ গ্রহণকারী সকলকে ক্যাম্পেইনে এসে টিকার ২য় ডোজ এবং যারা এখনো টিকা গ্রহণ করেননি তাদেরকে টিকার ১ম ডোজ গ্রহণের অনুরোধ জানান।
কেসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (যুগ্মসচিব) লস্কার তাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন কাউন্সিলর এসএম মোজাফ্ফর রশিদী রেজা। খুলনার বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. মোঃ মঞ্জুরুল মোর্শেদ, ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশনের খুলনা বিভাগীয় সমন্বয়কারী ডা. মোঃ আরিফুর রহমান, ইউনিসেফ-খুলনার বিভাগীয় প্রধান ডা. নাজমুল আহসান, কেসিসি’র সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর মনিরা আক্তার, সাহিদা বেগম, মাজেদা খাতুন, কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ তৌহিদুজ্জামান, স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ শরীফ শাম্মিউল ইসলাম প্রমুখ অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন ও উপস্থিত ছিলেন। স্বাগত বক্তৃতা করেন কেসিসি’র প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. স্বপন কুমার হালদার।
কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মহানগরীর প্রতি ওয়ার্ডে ৯টি করে ৩১টি ওয়ার্ডে ২শ ৭৯টি গণটিকাদান কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে ২জন টিকাদার ও ৩জন ভলেন্টিয়ার নিয়োজিত রয়েছে। মহানগরীর ১ লক্ষ্য ১ হাজার ৭১জনকে টিকার ২য় ডোজ প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
তালায় নকল দুধ তৈরি চক্রের সদস্য আটক
ইলিয়াস হোসেন, তালা(সাতক্ষীরা)::
গরুর নকল দুধ তৈরির উপাদান ভারতীয় নিম্ন মানের গ্লুকোজ পাওডার সহ তালায় নকল দুধ তৈরি চক্রের সদস্য বিকাশ ঘোষ (৪০)কে পুলিশ আটক করেছে। রোববার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তালার জাতপুর বাজারে অভিযান চালিয়ে স্থানীয় ক্যাম্প পুলিশ তাকে আটক করে। এসময় তার কাছ থেকে ৪ বস্তা গ্লুকোজ পাওডার ও সয়াবিন তৈল উদ্ধার হয়। ধৃত বিকাশ পাশ্ববর্তী জেয়ালা গ্রামের মৃত. খগেন্দ্র নাথ ঘোষের ছেলে। সে দীর্ঘদিন ধরে গরুর নকল দুধ তৈরি করে তরল দুধের সাথে মিশিয়ে বিভিন্ন দুধ কোম্পানীর কাছে বিক্রি করে আসছিল।
জাতপুর পুলিশ ক্যাম্পের আইসি এস.আই ওহিদুর রহমান জানান, বিকাশ ঘোষ সহ জেয়ালা গ্রামের একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে ভারতীয় নিম্ন মানের গুড়ো দুধ, গ্লুকোজ পাওডার ও সয়াবিন তৈল দিয়ে নকল দুধ তৈরি করে আসছিল। রোববার রাতে বিকাশ ঘোষ ৪বস্থা গ্লুকোজ পাওডার ও সয়াবিন তৈল নিয়ে যাবার সময় জনগনের সহায়তায় তাকে জাতপুর বাজার থেকে আটক করা হয়। পরে, ওই রাতেই ধৃত বিকাশকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রশান্ত কুমার বিশ্বাস’র ভ্রাম্যমান আদালত দুগ্ধজাত পন্যে ভেজাল মেশানো সহ ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৪২ ও ৪৩ ধারা লংঘন করার অপরাধে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। এছাড়া উদ্ধার হওয়া ৪ বস্তা ভেজাল গ্লুকোজ বাজেয়াপ্ত করেন।
উল্লেখ্য, দুগ্ধ পল্লীখ্যাত তালার জেয়ালা গ্রামে একটি বড় চক্র দীর্ঘ বছর ধরে ভারতীয় নিম্ন মানের গুড়ো দুধ, গ্লুকোজ পাওডার ও সয়াবিন তৈল দিয়ে নকল তরল দুধ তৈরি করে আসছে। পরে সেই দুধ গরুর তরল দুধের সাথে মিশিয়ে তার নামী-দামি কয়েকটি দুধ কোম্পানির কাছে সরবারহ করছে। দুধ কোম্পানীগুলোর স্থানীয় প্রতিনিধি বা কর্মচারীরা বিষয়টি জানলেও তারা অবৈধ সুবিধা নিয়ে এই ভেজাল দুধ সংগ্রহ করে ঢাকা সহ বিভিন্ন শহরে সরবারহ করছে। এই দুধ পান করে শিশু, বয়স্ক এবং কিডনি, হার্ট ও ডায়াবেটিকস রোগীরা অধিকতর অসুস্থ হচ্ছে। তালায় ভেজাল ও নকল দুধ তৈরির বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসন অবগত থাকলেও প্রভাবশালীদের হস্তক্ষেপের কারনে এর বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহন হয়নি।
খুলনা প্রেসক্লাব চত্বরে মাসব্যাপী ‘হস্ত ও কুটির শিল্প ঈদ আনন্দ মেলা’র স্টল নির্মাণ কাজের উদ্বোধন
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা প্রেসক্লাবের আয়োজনে রেড বাটন এন্টারটেইনমেন্ট এর সহযোগিতায় মাসব্যাপী ‘হস্ত ও কুটির শিল্প ঈদ আনন্দ মেলা’র স্টল নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যায় খুলনা প্রেসক্লাবের নবনির্মিত শহীদ শেখ আবু নাসের ব্যাংকুয়েট হল চত্বরে এ উপলক্ষে মেলার স্টল নির্মাণ কাজের উদ্বোধন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। উদ্বোধন শেষে মেলার সফলতা কামনা করে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া পরিচালনা করেন খুলনা প্রেসক্লাবের ইমাম মোঃ ইউসুফ হাবিব।
উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন খুলনা প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি মোঃ জাহিদুল ইসলাম, সহকারী সম্পাদক আনোয়ারুল ইসলাম কাজল ও এ এইচ এম শামিমুজ্জামান, রেড বাটন এন্টারটেইনমেন্ট’র স্বত্ত্বাধিকারী শেখ সুমন আলী (রিক্কন), মেলার পরিচালক মোঃ রফিক, মোঃ হাসান ও মোঃ শামীম প্রমুখ।
আগামী ৮ এপ্রিল থেকে খুলনা প্রেসক্লাবের শহীদ শেখ আবু নাসের ব্যাংকুয়েট হল ও লিয়াকত আলী মিলনায়তনসহ ক্লাব চত্বরে মাসব্যাপী এই ‘হস্ত ও কুটির শিল্প ঈদ আনন্দ মেলা’ চলবে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত ৬০/৭০টি স্টল দর্শনার্থীদের জন্য খোলা থাকবে। মাসব্যাপী এই মেলার স্টলগুলোতে বিভিন্ন দেশি-বিদেশি ক্রোকারিজ সামগ্রী, খাদ্যসমগ্রী, কুটির শিল্প, জামদানি শাড়ীসহ বিভিন্ন বস্ত্র সামগ্রী, কসমেটিকস, বাচ্চাদের বিভিন্ন ধরনের খেলনা সামগ্রীসহ বিভিন্ন রকমারী পণ্য পাওয়া যাবে।
এছাড়াও বাচ্চাদের বিনোদনের জন্য মেলা প্রাঙ্গণে নাগোর দোলা, নৌকা দোল, মিনি ট্রেনের ব্যবস্থা থাকবে।
ফিরতে শুরু করেছেন জেলে-মহাজনরা, ৩ কোটি ৮৫ লাখ টাকা রাজস্ব আদায়
মোংলা (বাগেরহাট)প্রতিনিধি
বঙ্গোপসাগর পাড়ের সুন্দরবনের দুবলার চরের শুটকির মৌসুম শেষে হয়েছে। তাই বনবিভাগের বেঁধে দেয়া সময়সীমা অনুযায়ী আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে জেলেদের দুবলার চর ছাড়তে হবে। তাই টানা ৫ মাসের শুটকি মৌসুম পার করে এখন বাড়ি-ঘরে ফিরতে শুরু করেছেন তারা। জেলেরা যে যার মতনই করেই ফিরছেন লোকালয়ে। তাদের লোকালয় ফেরা ও নিরাপত্তায় সুন্দরবনের বিভিন্ন নদী-খালে চেক পোস্ট বসেছে কোস্ট গার্ড, র্যাব, পুলিশ ও বনবিভাগের।
পূর্ব সুন্দরবনের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন জানান, এ মৌসুমে দুবলার শুটকির কারবার থেকে রাজস্ব আদায়ের টার্গেট ৩ কোটি ২০ লাখ টাকা থাকলেও তার চেয়ে বেশি হয়েছে। এবার আয় হয়েছে ৩ কোটি ৮৫ লাখ ৩৭ হাজার ১৯৮ টাকা। তিনি আরো বলেন, সদ্য শেষ হওয়া এ মৌসুমে বড় ধরণের ঝড়-জলোচ্ছ্বাস না থাকায় ও দস্যুমুক্ত সুন্দরবন থাকায় বিগত দিনের লোকসান কাটিয়ে কিছুটা হলেও ঘুরে দাঁড়াতে পেরেছেন জেলেরা।
অক্টোবর থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত সুন্দরবন সংলগ্ন বঙ্গোপসাগর পাড়ের দুবলা, আলোরকোল, মেহেরআলী চরসহ আশপাশের ৮/১০টি চরে ১০ হাজারেরও বেশি জেলে সমবেত হয়ে অস্থায়ী বসতি গড়ে তোলেন। এ সময় জুড়ে গভীর সাগর থেকে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ আহরণ ও বাছাই করে শুটকি প্রক্রিয়াজাতকরণের কাজ করে থাকেন দুবলার জেলেরা। আর এ খাত থেকে প্রতি বছর গড়ে বনবিভাগ ৩ কোটি টাকার বেশি রাজস্ব আয় করে থাকেন।
রামপালে প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা জলিলের স্মরণসভা
রামপাল (বাগেরহাট) সংবাদদাতা
রামপাল উপজেলা পরিষদের সাবেক প্রথম চেয়ারম্যান ও যুদ্ধকালীন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার প্রয়াত শেখ আ, জলিল এর স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বিকাল ৫ টায় উপজেলার কৃষি অফিস মিলনায়তনে অ্যাডভোকেট মহিউদ্দিন শেখের সভাপতিত্বে স্মরণ সভায় বক্তব্য দেন উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হোসনেয়ারা মিলি, অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শেখ সুলতান আহমেদ, রবীন্দ্রনাথ দেবনাথ, অধ্যাপক মো. বজলুর রহমান, নাগরিক নেতা শেখ আফজাল হোসেন, ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ সাদী, মোন্তাজ মোল্লা প্রমুখ। সভায় মুক্তিযুদ্ধের বীর সেনানীর জীবন ও কর্মের উপর আলোচনা করা হয়। দেশের জন্য তার অসামান্য অবদান জাতিকে অনুপ্রাণিত করবে বলে বক্তাগণ উল্লেখ করেন।
ফকিরহাটে পূবালী ব্যাংকের উপ-শাখার শুভ উদ্বোধন
ফকিরহাট প্রতিনিধি।
বাগেরহাট পূবালী ব্যাংক লিমিটেড শাখার অধীনে ফকিরহাট উপ-শাখার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সোমবার সকাল ১০টায় মুক্তার ম্যানসনে অনুষ্ঠিত হয়। ফিতা কেটে শুভ উদ্বোধন করেন পূবালী ব্যাংক লিমিটেডের খুলনা অঞ্জল প্রধান ও উপ-মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ আরিফুর রহমান। এতে সভাপতিত্ব করেন বাগেরহাট শাখার ব্যবস্থাপক কে.এম রাসেল। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা অঞ্চলের সহ-মহাব্যবস্থাপক শেখ সালাহ উদ্দিন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মো. ইমদাদ হোসেন, ফকিরহাট বাজার বনিক সমিতিরে সভাপতি শেখ সিরাজুল ইসলাম, সাধারন সম্পাদক উজ্জল কুমার ঘোষ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ফকিরহাট উপ-শাখার ব্যবস্থাপক মো. রবিউল ইসলাম। এসময় বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শেখ নূরুল ইসলাম, ব্যাংক ভবন মালিক মো. মিজানুর রহমান ও বিভিন্ন শাখা ব্যবস্থাপক, ব্যবসায়ী সহ বিশিষ্টজনেরা উপস্থিত ছিলেন।
ফকিরহাট সরকারী মহিলা কলেজে নবীন বরণ অনুষ্ঠান
ফকিরহাট প্রতিনিধি।
বাগেরহাটের সরকারী ফকিরহাট ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মহিলা ডিগ্রী কলেজের ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষের একাদশ শেণির নবাগত শিক্ষার্থীদের বনীন বরণ অনুষ্ঠান সোমবার বেলা ১১টায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান স্বপন দাশ। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দেবাশীষ কুমার বিশ্বাস ও ইউপি চেয়ারম্যান মো. রেজাউল করিম ফকির। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অত্র কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ দেবদুলাল বসু চম্পক। প্রভাষক মু. হাইদার আলীর প্রভাষক মোছা. কামরুন্নাহার যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সহকারী শিক্ষক কাউন্সিলের সাধারন সম্পাদক মনোতোষ রায় কেষ্ট, শিক্ষক অচিন্ত্য কুমার সরদার, শচীন্দ্রনাথ রায়, পরিমল কান্তি মন্ডল, তাপস কুমার বিশ্বাস, মাসুদ হোসেন মুক্ত, কাজী ডেইজী আক্তার প্রমূখ। অনুষ্ঠান শেষে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে বিভিন্ন ইভেন্টে প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের পুরস্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ফকিরহাট উপজেলায় উন্নয়ন মেলা-২০২২ অনুষ্ঠিত
ফকিরহাট প্রতিনিধি।
বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা অডিটোরিয়ামে উন্নয়ন মেলা-২০২২ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার সকাল ১০টায় উন্নয়ন মেলার শুভ উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান স্বপন দাশ। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা বেগমের সভাপতিত্বে এসময় ফকিরহাট সহকারী কমিশনার (ভূমি) বিধান কান্তি হালদার, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শেখ মোস্তাহিদ সুজা, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান তহুরা খানম, ইউপি চেয়ারম্যান মো. রেজাউল করিম ফকির, উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. পুষ্পেন কুমার শিকদার, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দেবাশীস কুমার বিশ্বাস, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আশীষ কুমার নন্দী, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা কৃষ্ণা সরকার, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা তাহিরা খাতুন সহ বিভিন্ন সরকারী কর্মকর্তা, শিক্ষক ও শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।
ফকিরহাটে মানসা কালিবাড়ি গ্রামীণ মেলায় মানুষের ঢল
ফকিরহাট প্রতিনিধি।
বাগেরহাটের ফকিরহাটে ব্যপক উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে ঐতিহ্যবাহী সুÑপ্রাচীন ও সুÑপ্রসিদ্ধ মানসা কালি মন্দিরের কালি মায়ের ৪৯তম পুনঃ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে মানসা কালি মন্দির সেবা সমিতি শনিবার ও রবিবার ২দিন ব্যাপী ধর্মীয় বিভিন্ন অনুষ্ঠান সহ গ্রামীণ মেলার আয়োজন করেন। অনুষ্ঠানে দ্বিতীয় দিন রাতে ধর্মীয় যাত্রাপালার মধ্য দিয়ে শেষ হয় এই ধর্মীয় উৎসব। প্রতি বছরের মতো এবারো মেলায় হাজার হাজার দর্শনার্থীদের উপস্থিতি দেখা গেছে। দেশের বিভিন্ন প্রাপ্ত থেকে এসে মেলায় পসরা সাজিয়ে বসে ব্যবসায়ীরা। ঐতিহ্যবাহী মানসা কালী মন্দিরটি কত শতকে এই প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে তা কেউ বলতে না পারলেও জানা গেছে, মুক্তিযুদ্ধের সময় পাক হানাদার বাহিনী কর্তৃক মন্দিরটি ধংস করে দেয়। স্বাধীনতার পরে এক ধর্ণাঢ্য ব্যাক্তির সহায়তায় এই মন্দিরটি পুনঃ নির্মান করা হয়। সেই সময় থেকে প্রতি বছর ১১ই চৈত্র মন্দিরটির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও কালী পূঁজা উপলক্ষে এখানে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে গ্রামীন মেলা। এবারে ৪৯ তম পুনঃ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার হাজার দর্শনার্থীদের উপস্থিতিতে মানসা কালীবাড়ি ছড়িয়ে পড়ে উৎসবের আমেজ। এখানে আসা সকল দর্শনার্থীদের পার্শ্ববর্তি বিদ্যালয়ের মাঠে সারিবদ্ধ ভাবে বসিয়ে খাবার পরিবেশন করা হয়। গ্রামীণ মেলা ও ধর্মীয় উৎসব চলাকালীর সময়ে পরিদর্শন করেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান স্বপন দাশ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা বেগম, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শেখ মোস্তাহিদ সুজা, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মো, রেজাউল করিম ফকির, মূলঘর ইউপি চেয়ারম্যান এ্যাড. হিটলার গোলদার, নলধা-মৌভোগ ইউপি চেয়ারম্যান সরদার আমিনুর রশিদ মুক্তি সহ বিভিন্ন কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈনিক নেতৃবৃন্দ সহ বিশিষ্টজনেরা। এসময উপস্থিত ছিলেন মানসা কালী মন্দিরের সভাপতি রবীন্দ্রনাথ হালদার বাটুল, সাধারন সম্পাদক বাবলু আশ সহ মন্দিরের সদস্যবৃন্দ।
ফকিরহাটে ভ্রাম্যমান আদালতে মাদকসেবীকে ৩মাসের সাজা
ফকিরহাট প্রতিনিধি।
বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলা লখপুর ইউনিয়নের খাজুরা গ্রামে রবিউল ঢালী (৪০) নামের এক মাদকসেবীকে ৩মাসের কারাদন্ড ও ১শত টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। সোমবার সকাল ১০টায় খুলনা মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের বিশেষ গোয়েন্দা শাখার একটি দল বিশেষ এক অভিয়ানে ১০গ্রাম গাজা সহ রবিউল ঢালীকে আটক করে। পরে ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক এসিল্যান্ড ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট বিধান কান্তি হালদার তাকে এই সাজা প্রদান করেন।
বাগেরহাটে ঐতিহ্যবাহি সেবাধর্মী সংগঠন বাগেরহাট ফাউন্ডেশনের বার্ষিক সাধারণ সভা
বাগেরহাট প্রতিনিধি.
বাগেরহাটের ঐতিহ্যবাহি সেবাধর্মী সংগঠন বাগেরহাট ফাউন্ডেশনের বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকালে শহরের জেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। ফাউন্ডেশনের সভাপতি বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আজিজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বার্ষিক সাধারণ সভায় সাংগঠনিক নিরীক্ষা প্রতিবেদন পাঠ করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক আহাদ উদ্দিন হায়দার। আয় ব্যয়ের হিসাব তুলে ধরেন কোষাধ্যক্ষ সরদার ওমর ফারুক।
১৯৮১ সালে বাগেরহাটের দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীদের এককালীন শিক্ষাবৃত্তি, বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য গুণীজনদের সংবর্ধনাসহ নানা পর্যায়ের মানুষদের কাজের স্বীকৃতি দেয়ার অঙ্গীকার নিয়ে বাগেরহাট ফাউন্ডেশনের যাত্রা শুরু হয়। তারই ধারবাহিকতায় গত চার দশক ধরে এই সংগঠনটি কাজ করে যাচ্ছে।
এসভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বাগেরহাটের পুলিশ সুপার কে এম আরিফুল হক, বাগেরহাটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ খোন্দকার রিজাউল করিম, বাগেরহাট-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মীর শওকাত আলী বাদশা।
বাগেরহাটের বিভিন্ন শ্রেণি পেশার ২৭১ জন সদস্য রয়েছেন। এরমধ্যে আজীবন সদস্য রয়েছেন ২৪৮ জন।
সাধারণ সভায় সংগঠনের সদস্যরা বলেন, বাগেরহাট ফাউন্ডেশন যে উদ্দেশ্যে নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল তা অবিচল থাকবে। মহামারি করোনার সময়ে কর্মহীন হয়ে পড়া সংগীত শিল্পী, সাংবাদিক, কিন্ডার গার্টেনের শিক্ষকসহ দরিদ্র মানুষদের আর্থিক ও খাদ্য সহায়তা করেছে। জেলার অনেক দরিদ্র মেধাবী রয়েছে যাদের মাসে মাসে একটা খরচের টাকা প্রয়োজন রয়েছে তা তারা যোগাড় করতে পারেন না। এসব দরিদ্র মেধাবীদের খুঁজে বের করে তাদের আগামীতে শিক্ষাবৃত্তি দেয়ার প্রস্তাবনা তুলে ধরেন। এই সেবাধর্মী সংগঠনের ফান্ডকে আরও কিভাবে বাড়ানো যায় তার উৎস খোঁজার পরামর্শ দেন অনেক বক্তা।
১ এপ্রিল জাতীয় মহাসমাবেশ সফলে ইসলামী আন্দোলনের থানা দায়িত্বশীলদের সাথে মতবিনিময়
খবর বিজ্ঞপ্তি
নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ, শিক্ষা-সিলেবাসে ধর্মীয় শিক্ষা সংকোচন বন্ধ, ইসলাম, দেশ ও মানবতাবিরোধী মদের বিধিমালা বাতিল, স্বাধীনতার মূল লক্ষ্য- সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং দুর্নীতি ও সন্ত্রাস মুক্ত কল্যাণ রাষ্ট্র গঠনে ইসলামী হুকুমত কায়েমের লক্ষ্যে আগামী ১ লা এপ্রিল শুক্রবার বাদ জুম্মা ঢাকার ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় মহাসমাবেশ সফলের লক্ষ্যে
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ খুলনা মহানগর কমিটির থানা দায়িত্বশীলদের সাথে এক মত বিনিময় সভা গতকাল সোমবার (২৮ মার্চ) বিকাল ৫ টায় নগরীর পাওয়ার হাউজ মোড়স্থ আইএবি মিলানায়তনে নগর সভাপতি আলহাজ্ব মুফতী আমানুল্লাহ’র সভাপতিত্বে ও নগর সেক্রেটারী শেখ মোঃ নাসির উদ্দিনের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় উপস্থিত ছিলেন নগর সহ সভাপতি মুফতী মাহবুবুর রহমান, সহ সাংগঠনিক মোঃ সাইফুল ইসলাম, প্রচার ও দাওয়াহ্ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান, গাজী ফেরদাউস সুমন, মাওঃ আব্বাস আমিন, আলহাজ্ব মোঃ মোমিনুল ইসলাম, মাওঃ শায়খুল ইসলাম বিন হাসান, এ্যাডভোকেট মোঃ কামাল হোসেন, আলহাজ্ব মোঃ আমজাদ হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা জিএম কিবরিয়া, আলহাজ্ব আব্দুস সালাম, নির্বাহী সদস্য শেখ হাসান ওবায়দুল করীম, আবুল কালাম আজাদ, সদর থানার সভাপতি আলহাজ্ব আবু তাহের, সেক্রেটারি মুফতি আমিরুল ইসলাম, সোনাডাঙ্গা থানার সভাপতি মুফতী ইমরান হোসাইন, সেক্রেটারি মোল্লা রবিউল ইসলাম তুষার, খালিশপুর থানা সভাপতি হাফেজ আব্দুল লতিফ, সেক্রেটারি মাওলানা হাফিজুর রহমান, দৌলতপুর থানা সভাপতি আলহাজ্ব সরোয়ার হোসেন বন্দ, সেক্রেটারি মাওলানা নিজাম উদ্দিন মল্লিক, লবনচরা থানা সভাপতি মাওলানা দ্বীন ইসলাম, সেক্রেটারি আলহাজ্ব সফিউল ইসলাম, খানজাহান আলী থানার সভাপতি মোঃ মঈন উদ্দিন ভূঁইয়া, সেক্রেটারি মাওলানা মাসুম বিল্লাহ, হরিনটানা থানার মোঃ নজরুল ইসলাম, মোঃ আল আমিন, মোঃ ইসমাইল হোসেন প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।
সভায় আগামী ১লা এপ্রিল জাতীয় মহাসমাবেশ সফলের লক্ষ্যে খুলনার প্রত্যেকটি থানা ও ওয়ার্ড থেকে ঢাকায় গাড়ি যাওয়াসহ বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
কুয়েটে অমর একুশে হলের শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ ও বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) অমর একুশে হলের ২০১৬ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা ও ২০২০ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৮ মার্চ সোমবার বিকালে অমর একুশে হলের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ^বিদ্যালয়ের মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. কাজী সাজ্জাদ হোসেন। অনুষ্ঠানে অমর একুশে হলের প্রফেসর এ.এন.এম. এনামুল কবীর এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিচালক (ছাত্র কল্যাণ) প্রফেসর ড. ইসমাঈল সাইফুল্যাহ । এসময় অতিথিবৃন্দ নবীন শিক্ষার্থীদের ফুল ও উপহার দিয়ে বরণ করে নেন এবং বিদায়ী প্রকৌশলীদের সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন। অনুষ্ঠানে অমর একুশে হলের সহকারী প্রভোস্ট মোঃ আরিফুল ইসলাম খন্দকার, মোঃ অনিক হাসান, সোমনাথ সোমদ্দার ও মোঃ মেহরাব হোসেন সহ বিশ^বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সুন্দরবনের নীলবাড়ীয়া খাল থেকে ৮ কেজি হরিণের মাংসসহ নৌকা জব্দ
মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
পূর্ব সুন্দরবনের নীলবাড়ীয়া এলাকা থেকে ৮ কেজি হরিণের মাংসসহ একটি ইঞ্জিন চালিত নৌকা জব্দ করেছে বনবিভাগ। সোমবার দুপুরে বনবিভাগের স্মার্ট পেট্রোলিং টিমের সদস্যরা ইঞ্জিন চালিত নৌকাসহ ওই মাংস জব্দ করেন। তবে হরিণ শিকারি চক্রের কেউকে আটক করতে পারেননি অভিযানকারীরা।
সুন্দরবনের স্মার্ট পেট্রোলিং টিম দুই এর টিম লিডার ও শরণখোলা স্টেশন কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান জানান, স্মার্ট পেট্রোলিংয়ের সদস্যরা সোমবার দুপুরে পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের দুবলা এলাকায় নিয়মিত টহল দিচ্ছিলেন। এ সময় নীলবাড়ীয়া খালে একটি ইঞ্জিন চালিত নৌকা দেখে তাদের সন্দেহ হয়। তারা সন্দেহভাজন ওই ট্রলারের দিকে যেতে শুরু করলে শিকারীরা দূর থেকে বনরক্ষীদের দেখে ইঞ্জিন চালিত নৌকা ফেলে বনের গহীনে পালিয়ে যায়। পরে ওই ইঞ্জিন চালিত নৌকায় তল্লাশি করে ৮ কেজি হরিণের মাংস উদ্ধার করা হয়। এছাড়া শিকারীদের ইঞ্জিন চালিত নৌকায় দুই শতাধিক মাছ ধরা বরশি ও তাদের ব্যবহৃত বিভিন্ন মালামাল পাওয়া যায়। পরে মালামালসহ জব্দকৃত ইঞ্জিন চালিত নৌকা ও হরিণের মাংস দুবলা জেলে পল্লী টহল ফাঁড়িতে হস্তান্তর করা হয়েছে।
দুবলা জেলে পল্লী টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় একটি মামলা করা হয়েছে ও বনবিভাগরে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে মাংস দুবলা অফিস সংলগ্ন এলাকায় মাটি চাপা দেয়া হয়েছে।
সাতক্ষীরার কলারোয়ায় স্কুল ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার
খান নাজমুল হুসাইন, সাতক্ষীরা
সাতক্ষীরার কলারোয়ায় কৃষি ক্ষেতের একটি পানির ড্রেন থেকে অষ্টম শ্রেনীতে পড়ুয়া এক স্কুল ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার সকালে উপজেলার জালালাবাদ ইউনিয়নের মাষ্টার পাড়া এলাকার আলাউদ্দিন সরদারের কুল বাগানের পানির ড্রেন থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত স্কুল ছাত্রীর নাম সঞ্চিতা হোসেন সেঁঁজুতি (১৩)। সে কলারোয়া উপজেলার জালালাবাদ ইউনিয়নের মাষ্টার পাড়া এলাকার কৃষক সোহরাব হোসেন পলাশর মেয়ে ও কলারোয়া গার্লস পাইলট হাইস্কুলের অষ্টম শ্রেনীর ছাত্রী।
নিহতের বাবা সোহরাব হোসেন পলাশ জানান, তার দ্বিতীয় স্ত্রীর মেয়ে সঞ্চিতা হোসেন সেঁজুতি গতকাল রোববার স্কুলে গিয়েছিল। তারপর থেকে সে বাড়ি ফেরেনি। সারা দিন তাকে না পেয়ে রাতে কলারোয়া থানায় তিনি একটি জিডি করেন।
মেয়ের হত্যা প্রসঙ্গে তিনি আরো জানান, তার মেয়ের সাথে প্রতিবেশি আলতাফ হোসেনের ছেলে আব্দুর রহমানের সাথে এক বছর আগে থেকে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। আব্দুর রহমান কলারোয়া সরকারি কলেজে এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষে পড়াশুনা করে। এ নিয়ে তাদের মধ্যে শালিস-বিচারও হয়েছে। তাদের এই সম্পর্ক তিনি মেনে নেননি। ধারণা করা হচ্ছে, তার প্রেমিক আব্দুর রহমান তাকে শিক্ষা দিতে তার মেয়েকে শ^াসরোধ করে হত্যা করেছে।
কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাসির উদ্দীন মৃধা জানান, সকালে খবর পেয়ে ঘটনা স্থলে গিয়ে মেয়েটির মরদেহ উদ্ধার করে সাতক্ষীরা হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। তার হাত বেঁধে গলায় ওড়না পেচিয়ে শ^াসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে অন্য কোথাও হত্যা করে সেখানে ফেলে রাখা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে এবং খুব দ্রুতই মূল ঘাতককে গ্রেপ্তার করা হবে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।
রূপসায় মাছ ধরতে বাধা প্রদানে হামলায় আহত ১ : ইউপি সদস্যসহ আটক
রূপসা প্রতিনিধি :
রূপসায় জোরপূর্বক ঘেরের মাছ ধরায় বাধা ইউপি সদস্যসহ তার সাঙ্গপাঙ্গদের হামলায় গুরুতর আহত হয়েছে জুলহাস ভুইঁয়া (৩৫)। সোমবার সকাল ১০টায় উপজেলার গোয়ালবাড়ির চর গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। আহত জুলহাস ওই গ্রামের রুহুল আমিন ভুইঁয়ার ছেলে। এঘটনায় পুলিশ ইউপি সদস্য শফিক (৩৩) ও তার সহযোগী বাচ্চুকে(৩৭) আটক করেছে। এ ঘটনায় জুলহাসের ভাই সাংবাদিক বিএম শহিদুল্লাহ বাদী হয়ে ৯ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ১৫/১৬ জনের বিরুদ্ধে থানায় এজাহার দাখিল করেছে। আহত জুলহাস খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
আহত জুলহাসের পারিবারিক সূত্র ও পুলিশ জানায়, ইট পরিবহন ব্যবসায়ী জুলহাস তার নিজ জমি ও ওয়াপদার ক্যানেল এ মাছ চাষ করতো। সোমবার সকালে স্থানীয় ইউপি মেম্বর শফিক ২০/২৫ জন লোক নিয়ে ওই ক্যানেলে মাছ ধরতে আসে। মাছ ধরার এক পর্যায়ে জুলহাস ঘটনাস্থলে পৌছে তাদের বাধা দিলে তাকে বেধড়ক মারপিট করে রক্তাক্ত জখম করে। এসময় জুলহাসের ভাই সাং শহিদুল্লাহ তাদের কবল থেকে ভাইকে রক্ষা করার চেষ্টা করলে তাকেও মারপিট করতে থাকে। এক পর্যায়ে শহিদুল্লাহ পালিয়ে আত্মরক্ষা করে। এদিকে হামলাকারীরা জুলহাসকে মৃত ভেবে ফেলে রেখে চলে যাওয়ার পর স্থানীয়দের সহযোগীতায় পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে রূপসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। সেখানে প্রায় এক ঘন্টার চিকিৎসায় তার জ্ঞান না ফেরায় তাকে দ্রুত খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। এদিকে পুলিশ খবর পেয়ে তাৎক্ষনিক অভিযান চালিয়ে ইউপি মেম্বর শফিক ও তার সহযোগী বাচ্চুকে গ্রেফতার করেছে।
কেশবপুরে এক মেশিনারিজ গোডাউন পুড়ে ভষ্মিভূত
কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি
কেশবপুরে অগ্নিকান্ডে এক ব্যবসায়ীর একটি মেশিনারিজ গোডাউন পুড়ে ভষ্মিভূত হয়ে গেছে। এতে তার প্রায় এক কোটি টাকার সম্পদের ক্ষতি হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে রোববার বেলা ১১টায় উপজেলার গৌরীঘোনা ইউনিয়নের ভরতভায়না বাজারে। অগ্নিকান্ডের খবর পেয়ে কেশবপুর ও ডুমুরিয়া উপজেলার ফায়ার সার্ভিসের ৪টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় দেড় ঘন্টা কাজ করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। আগুন লাগার ঘটনায় বাজারের অন্য ব্যবসায়ীদের ভেতর আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
এলাকাবাসী ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ভরতভায়না বাজারে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে ব্যবসায়ী কামরুল ইসলাম শেখের জীম মেশিনারিজের দোকানসহ গোডাউনে আগুন লেগে যায়। মুহুর্তের মধ্যেই আগুন দোকান ও গোডাউনের ভেতর ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে থাকা মেশিনারিজ, পানির ফিটিং লাইন, মোটরসাইকেল পার্টস, অ্যালুমিনিয়াম, হার্ডওয়্যার, প্লাস্টিক এবং স্যানেটারি সামগ্রীর মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে হাজির হয় কেশবপুর ও ডুমুরিয়া উপজেলার ফায়ার সার্ভিসের ৪টি ইউনিট। তারা প্রায় দেড় ঘন্টা কাজ করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।
ভরতভায়না মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আহসান হাবিব বলেন, ওই ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আগুন দাউ দাউ করে জ্বলার সময় বাজারের অন্য ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
কেশবপুর ফায়ার সার্ভিসের সাব অফিসার জাহাঙ্গীর আলম বলেন, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে ওই আগুনের সূত্রপাত ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আগুন লেগে ওই ব্যবসায়ীর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের ৪টি ইউনিট প্রায় দেড় ঘন্টা কাজ করার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।
এ ব্যাপারে জীম মেশিনারিজের মালিক কামরুল ইসলাম শেখ বলেন, আগুন লেগে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে থাকা বিভিন্ন মালামাল পুড়ে ১ কোটি টাকার উপর ক্ষতি হয়েছে।
পাইকগাছায় কপিলমুনি ও সোলাদানা ইউনিয়ন বিএনপির সম্মেলে সভাপতি সম্পাদক নির্বাচিত
পাইকগাছা প্রতিনিধি।।
পাইকগাছায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএপি) কপিলমুনি ইউনিয়ন শাখার সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার সকাল দশটায় উপজেলা দলীয় কার্যলয়ে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ওই সম্মেলনে শেখ আনারুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও নির্বাচন কমিশনার এ্যাড, জি এ সবুর। উদ্ভোধন করেন বিএনপির আহবায়ক চিকিৎসক আব্দুল মজিদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন, খুলনা জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আশরাফুল আলম নান্নু, সাবেক চেয়ারম্যান শাহাদাৎ হোসেন ডাবলু, এস এম এনামুল হক। বক্তব্য রাখেন, কাউন্সিলর সেলিম নেওয়াজ, তুষার কান্তি মন্ডল, আবুল হোসেন। কপিলমুনি ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডের ২৭ জন ভোটারের মধ্য ২৫ জন ভোটার সম্মেলনে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছে।
সম্মেলনে সভাপতি শেখ আনারুল ইসলাম(বিনা প্রতিদ্বিতায়) সম্পাদক সন্তোষ কুমার সরকার, সাংগঠনিক সম্পাদক সুজায়েত নির্বাচিত হয়েছেন।
অপর দিকে বিকাল সাড়ে চারটায় সোলাদানা ইউনিয়ন বিএনপির সম্মেলে সভাপতি আমিনুর সম্পাদক হকিম, সাংগঠনিক সম্পাদক ইস্রাফিল নির্বাচিত হয়েছে।
সোলাদানা ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডের ২৭ জন ভোটারের মধ্য ২২জন ভোটার সম্মেলনে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে।
পাইকগাছার দেলুটিতে ৪ হাজার মানুষের পানীয় জলের অভাব পুরণে পুকুর সংস্কার ও বাঁধ নির্মাণ
পাইকগাছা প্রতিনিধি।।
পাইকগাছায় দ্বীপ বেষ্টিত দেলুটি ইউনিয়নের দেলুটি গ্রামের ৪ হাজার জনগোষ্টির পানীয় জলের অভাব পূরণে পুকুর সংস্কার ও ভাঙ্গন রোধে জিওটেক ব্যাগ দিয়ে বাঁধ নির্মান করে দিলেন চেয়ারম্যান তুহিন। সোমবার দুপুরে নিজেই নেতৃত্ব দিয়ে বাঁধের কাজ শুরু করেন। তিনি বলেন এটি আমার ইউনিয়ান না হলেও এখানকার মানুষের দাবীর মুখে তিনি প্রায় দুই লক্ষটাকা ব্যায় একটি পুকুর খনন করে মিষ্টি পানির আধার সুষ্টি করে পানিয় জলের অভাব পুরণ করেছেন। এলাকার ইসমাইল শেখ জানান, এ এলাকাটি চারিপাশে লবন পানি। ইতিপূর্বে দেলুটিবাসী লস্কর চেয়ারম্যান তুহিনের আর্থসামাজিক কর্মকান্ড সম্পর্কে বিভিন্ন মাধ্যমে অবহিত হয়ে তারা তার কাছে গ্রীষ্মকালীন সময়ে এলাকার পানীয় জলের সীমাহীন অভাবের কথা তুলে ধরেন । দেলুটি গ্রামবাসী চেয়ারম্যান তুহিন কাগজীর কাছে তাদের মসজিদের পুকুরটি সংস্কারের দাবী জানান। যার পানি খেয়ে এলাকার প্রায় চার হাজার মানুষ জীবন ধারণ করে থাকে । চেয়ারম্যান তুহিন তাদের পানীয় জলের অভাব পূরণের লক্ষে ঐ পুকুরটি খনন সহ ভাংগন কবলিত বাঁধটির ব্যাপারে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহনের আশ্বাস প্রদান করেন । সে মোতাবেক তিনি খুলনা বন্ধু উন্নয়ন ( কঋউ-৮৯) বন্ধু ফোরাম এর সাথে যোগাযোগ করেন।
দেলুটি গ্রামবাসীর পানীয় জলের একমাত্র উৎস্য জামে মসজিদের পুকুরের পাশেই শিবশা নদী, যার পানি লবনাক্ত এবং পাড় ভেঙে নদীর পানি ঢুকে যাওয়ার সম্ভাবনা খুবই বেশী । সে কারণে সোমবার দুপুরে গ্রামবাসি ও দেলুটি ইউনিয়ন চেয়ারম্যান রিপন কুমার মন্ডলের উপস্থিতিতে জিওব্যাগ দিয়ে বাঁধ নির্মান সম্পন্ন করেন চেয়ারম্যান তুহিন। বাঁধের সময় উপস্থিত ছিলেন ইউপি সদস্য চম্পক বিশ্বাস, সুকুমার কবিরাজ ও ইসমাইল শেখ সহ লস্কর ইউনিয়ন এবং দেলুটি ইউনিয়নের ব্যক্তিবর্গ।
ইন্দুরকানীতে টিকাকেন্দ্র থেকে বাড়ী ফেরার পথে গাড়ী চাপায় বৃদ্ধার মৃত্যু
ইন্দুরকানী (পিরোজপুর) সংবাদদাতা:
ইন্দুরকানীতে টিকাকেন্দ্র থেকে বাড়ী ফেরার পথে গাড়ী চাপায় বৃদ্ধার মৃত্যু । সোমবার উপজেলার পাড়েরহাট ইউনিয়নের উমেদপুর কমিউনিটি ক্লিনিকের সামনের সড়কে প্রিয়া বালা (৭৫) নামে এক বৃদ্ধা মহিলাকে পিরোজপুর থেকে ছেড়ে আসা একটি পিকাপ ভ্যান চাপা দিলে স্থানীয়রা তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে পিরোজপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত্যু ঘোষণা করেন। প্রিয়া বালা উমেদপুর গ্রামের মৃতঃ নারায়ন দেবনাথের স্ত্রী। করোনার ২য় ডোজ টিকা নিয়ে বাড়ী ফেরার পথে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা জানান, টিকা নেওয়ার পরে টিকাদান কেন্দ্রে কোন বিশ্রামের জায়গা না থাকায় অনেকেই অসুস্থ হয়ে পরলেও বিশ্রামের জন্য বাড়ীতে চলে যেতে হচ্ছে। টিকা নিয়ে বাড়ীতে ফেরার সময় প্রিয়া বালা অসুস্থ হয়ে রাস্তার উপরে পড়ে গেলে পিরোজপুর থেকে আসা একটি পিকাপ ভ্যান তাকে চাপা দেয়। উপজেলা স্বাস্থ্য পরিদর্শক মোঃ নুরুল আমিন জানান, টিকা নিতে আসা লোকদের অতিরিক্ত ভিরের কারণে সকলকে বসতে দেওয়া যায় নাই। প্রিয়াবালা টিকা নিয়ে যাওয়ার সময় ক্লিনিকের সামনে রাস্তার উপরে দুর্ঘটনার শিকার হন।
ডুমুরিয়ায় আদালতকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে রাতের আঁধারে ঘর বেঁধে জমি জবর দখল !
ডুমুরিয়া প্রতিনিধি
ডুমুরিয়ায় আদালতের আদেশ উপেক্ষা করে রাতের আঁধারে ঘর বেঁধে জমি জবর দখল করলো প্রভাবশালী প্রতিপক্ষ। গত রবিবার দিবাগত রাতে উপজেলার শোভনা ইউনিয়নের শিবপুর বাদুরগাছি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। সরেজমিনে গিয়ে গতকাল সোমবার দুপুরে ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায়, উপজেলার শোভনা ইউনিয়নে শিবপুর বাদুরগাছা এলাকার মৃত আবু তালেব মোল্লার ছেলে মৎস্য ব্যবসায়ী রুহুল আমিন মোল্লা ২০১২ সালে একই এলাকার বিআরএস রেকর্ডীয় মালিক সামছুর রহমান হালদারের নিকট থেকে কবলা মূলে একখন্ড জমি ক্রয় করে ভোগ দখল করে আসছে। শিবপুর বাদুরগাছি মৌজার ২৬৫ খতিয়ানে ৮২০ নং দাগে থাকা ২৪ শতাংশ জমিতে তিনি মাছ চাষ ও ধান চাষ করে আসছেন। এমতাব¯’ায় একই এলাকায় আজিজুল হালদার, মোশারফ হালদার,মুছা হালদার, সাইফুল ইসলাম নামের প্রভাবশালী ব্যক্তিরা খোড়া অজুহাত খাড়া করে ওই জমি জবর-দখলের নেশায় মেতে উঠে। তারই জের ধরে ঘটনার রাতে সকলের অজান্তে ওই জমিতে ঘর তুলে জবর দখলে নেয় ওই প্রতিপক্ষ। এ প্রসঙ্গে কথা হয় ¯’ানীয় ইউপি সদস্য মফিজুল ইসলাম, বিল্লাল গাজী ও আহাদ গাজীসহ অনেকের সাথে। তারা একই সুরে সুর মিলিয়ে বলেন রুহুল আমিন মোল্লা ক্রয় সূত্রে মালিক হয়ে প্রায় এক যুগ ধরে ওই জমি ভোগদখল করে আসছে। সকালে এসে দেখি হঠ্যাৎ গভীর রাতে ঘর বেঁধে ওই জমি দখলে নিয়েছে প্রতিপক্ষ। তারা ক্ষোভ ও দুঃখ প্রকাশ করে আরও বলেন, দেশে কি আইন বলে কিছু নেই ? জোর যার মুল্লুক তার এটাই কি বাস্তবায়ন হবে ? এ প্রসঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত রুহুল আমিন মোল্লা বলেন,যখন জবর দখলের পাঁয়তারা শুরু হয় তখন উপায়ন্ত না পেয়ে খুলনা অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের দ্বার¯’ হই,যার এমপি নং-৭৫৯/১৯। আদালত বিষয়টি আমলে নিয়ে ¯ি’তাব¯’া বজায় রাখার নির্দেশ দেন। কিš‘ সে আদেশকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে রাতের আঁধারে ঘর তুলে দিল প্রভাবশালী ওই প্রতিপক্ষ। এ ঘটনায় আবারও আদালতের দ্বার¯’ হবেন বলে জানান ক্ষতিগ্রস্ত ওই পরিবারটি।
মোংলায় প্রতিবন্ধীর জায়গা দখল করে বিল্ডিং করলো ব্যবসায়ী !
মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
মোংলায় এক দৃষ্টি প্রতিবন্ধীর জমি দখল করে জোরপূর্বক বিল্ডিং করার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী প্রতিপক্ষ সেলিম হাওলাদারের বিরুদ্ধে। এনিয়ে ওই প্রতিবন্ধী পরিবার বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দিলেও কোন প্রতিকার মেলেনি। এই সুযোগে দখলকারী জাহাজী ব্যবসায়ী সেলিম হাওলাদার উপজেলার কাইনমারী এলাকায় তার বিলাসবহুল বিল্ডিংয়ে আরও চাকচিক্য করছেন। সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান ওই ব্যবসায়ীকে ভুক্তভোগী দৃষ্টি প্রতিবন্ধীর জায়গা বুঝিয়ে দিতে বললেও অদৃশ্য কারণে দীর্ঘ চার বছরেও তা বুঝিয়ে দেয়নি সেলিম। তাই একেবারেই নিরুপায় হয়ে প্রতিবন্ধী এয়াছিন আলী খাঁয়ের বাবা মুনছুর আলী খাঁ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ করেন।
অভিযোগ সূত্রে ও ভুক্তভোগী প্রতিবন্ধী এয়াছিন আলীর পিতা মুনছুর আলী জানান, ১৯৯৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর কাইনমারী মৌজায় স্থানীয় মান্দার মজুমদারের কাছ থেকে ২৬ শতক জমি ক্রয় করে ভোগ দখলে আছেন। ২৬ শতক জমির মধ্যে থেকে সে তার প্রতিবন্ধী ছেলে এয়াছিন আলী খাঁকে ১৬ শতক জমি রেজিষ্ট্রি করে দেন তিনি। ওই জমির মধ্যে তার পাশ্ববর্তী মোঃ রুস্তম হাওলাদারের ছেলে সেলিম হাওলাদার জোরপূর্বক এক শতক জমি জবর দখল করে বিল্ডিং নির্মাণ শুরু করেন। এতে বাঁধা দিলে মুনছুর আলী খাঁকে নানা রকম হুমকি দেন সেলিম। পরে সংশ্লিষ্ট চাঁদপাই ইউনিয়ের চেয়ারম্যান মোল্লা তারিকুল ইসলামের কাছে লিখিতভাবে অভিযোগ দিলে জমি পরিমাপকারী আমিন দিয়ে বিরোধপূর্ণ ওই জমি ছয় বার মাপ দেওয়া হয়। এতে মুনছুর আলী খাঁয়ের প্রতিবন্ধী ছেলে এয়াছিন আলী খাঁয়ের ১৬ শতকের মধ্যে এক শতক জমি দখলের প্রমাণ মেলে সেলিমের বিরুদ্ধে। পরে ওই এক শতক জমি ছেড়ে কিংবা বাজার দরে টাকা দেওয়ার কথা থাকলেও আজও তা না দিয়ে দখলকৃত জায়গায় চাকচিক্য বিল্ডিং হাকিয়ে যাচ্ছেন ব্যবসায়ী সেলিম হাওলাদার।
এ বিষয়ে সেলিম হাওলাদার বলেন, প্রতিবন্ধী এয়াছিন হাওলাদার আমার মধ্যে জমি পাবে আর আমি তার মধ্যে জমি পাবো। মাপ হলে তা জমি ছেড়ে দিবো তা না হলে টাকা দিয়ে দিবো।
চাঁদপাই ইউপি চেয়ারম্যান মোল্লা তারিকুল ইসলাম বলেন, সেলিম হাওলাদার প্রতিবন্ধী এয়াছিন আলীর জায়গা দখল করে বিল্ডিং নির্মাণ করেছে এ ঘটনা সত্য। সেলিমকে প্রতিবন্ধীর জায়গা ছেড়ে দিতে বলা হলেও গত চার বছরেও তিনি তা করেননি। ব্যবসার সুবাধে সেলিম বেশ কয়েক বছর ধরে চট্রগ্রামে অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে।
প্রতিবন্ধী এয়াছিন আলী খাঁয়ের জমি দখলের বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কমলেশ মজুমদার বলেন, ইতোমধ্যে এনিয়ে একটি কমিটি করা হয়েছে। ওই কমিটির তদন্ত প্রতিবেদন হাতে আসার পর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ই-নথির সুবিধা ব্যবহার করতে পারলে খুবি অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে যাবে : উপ-উপাচার্য
খবর বিজ্ঞপ্তি
২৮ মার্চ (সোমবার) খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সত্যেন্দ্রনাথ বসু একাডেমিক ভবনের ইউআরপি ল্যাবে ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেলের (আইকিউএসি) উদ্যোগে শিক্ষক/কর্মকর্তাদের ই-নথি বিষয়ক প্রশিক্ষণ (চতুর্থ ধাপ) শেষে সনদপত্র বিতরণ করা হয়েছে।
বিকাল সাড়ে ৩টায় প্রধান অতিথি হিসেবে প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোসাম্মাৎ হোসনে আরা। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছেন। তাঁর সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে আমাদের কাজ করে যেতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় বাংলাদেশে ই-নথি প্রচলনের ধারণা দিয়েছেন। তার সেই ধারণা ও পরামর্শে ই-নথি প্রচলনে কাজ শুরু হয়েছে। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে এ পর্যন্ত ৮৩ জন কর্মকর্তা প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, ই-নথি বিষয়ে যারা প্রশিক্ষণ নিয়েছেন, তারা এখন বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যদের শেখাবেন। তাদের হাত ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ে ই-নথি ব্যবহার ছড়িয়ে পড়বে, দক্ষ জনশক্তি তৈরি হবে। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় পেপারলেস বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত হবে। উপ-উপাচার্য বলেন, ই-নথির সুবিধা ব্যবহার করতে পারলে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে যাবে। কাজে আরও গতিশীলতা সৃষ্টি হবে। তিনি এ উদ্যোগ গ্রহণের জন্য উপাচার্যকে ধন্যবাদ জানান।
আইকিউএসির পরিচালক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হায়দারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস। ই-নথি বিষয়ে ব্রিফ করেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের আইএমসিটির উপ-পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ মনির উল্লাহ ও প্রোগ্রামার/সিস্টেম ইঞ্জিনিয়ার দিজেন্দ্র চন্দ্র দাশ। প্রশিক্ষণার্থীদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন সহকারী-রেজিস্ট্রার মো. আতিয়ার রহমান এবং সেকশন অফিসার মিসেস শামিমা খাতুন।
চতুর্থ ধাপের প্রশিক্ষণে ২৩ জনসহ ৪টি ধাপে মোট ৮৩ জন শিক্ষক/কর্মকর্তা প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। তারা মাস্টার ট্রেইনার হিসেবে পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তা এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে কর্মচারীদের ই-নথি বিষয়ক প্রশিক্ষণ দেবেন। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে সর্বাধিক সংখ্যক প্রশিক্ষণার্থী ই-নথি বিষয়ক প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন।
খুবির বিজিই ডিসিপ্লিনে নবীনবরণ অনুষ্ঠিত
খবর বিজ্ঞপ্তি
২৮ মার্চ (সোমবার) খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োটেকনোলজি এন্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং (বিজিই) ডিসিপ্লিনের ২১ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু একাডেমিক ভবনের সাংবাদিক লিয়াকত আলী মিলনাতনে অনুষ্ঠিত নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জীববিজ্ঞান স্কুলের ডিন প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ডিসিপ্লিনের সিনিয়র শিক্ষক প্রফেসর ড. মো. রায়হান আলী ও সহকারী ছাত্র বিষয়ক পরিচালক প্রফেসর মোহাম্মদ রাকিবুল হাসান সিদ্দিকী। সভাপতিত্ব করেন ডিসিপ্লিন প্রধান প্রফেসর ড. শেখ জুলফিকার হোসেন।
অনুষ্ঠানে শিক্ষকদের মধ্য থেকে বক্তব্য রাখেন প্রফেসর ড. খন্দকার মোয়াজ্জেম হোসেন ও প্রফেসর ড. মো. মুরসালিন বিল্লাহ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রফেসর ড. মো. ইমদাদুল ইসলাম। শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে বক্তব্য রাখেন ঈশিতা আক্তার বীথি ও রাফিয়া রাইতা। অনুষ্ঠানে নবীন শিক্ষার্থীদের শপথ বাক্য পাঠ করানো এবং ফুল ও ক্রেস্ট দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়।
এর আগে নবীনবরণ উপলক্ষ্যে সকাল ১০টায় ক্যাম্পাসে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু একাডেমিক ভবনের সামনে থেকে শুরু হয়ে ক্যাম্পাসের অধিকাংশ এলাকা প্রদক্ষিণ করে। শোভাযাত্রায় ডিসিপ্লিন প্রধানসহ সংশ্লিষ্ট ডিসিপ্লিনের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। এ উপলক্ষ্যে বিকেলে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে।
খুবি কর্মকর্তা মো. মোজাম্মেল হকের মাতার ইন্তেকালে গভীর শোক
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের মডার্ন ল্যাঙ্গুয়েজ সেন্টারে কর্মরত সহকারী রেজিস্ট্রার মো. মোজাম্মেল হকের মাতা নূরজাহান বেগম গত ২৫ মার্চ (শুক্রবার) বেলা পৌনে ১২টায় বার্ধক্যজনিত কারণে ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি … রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিলো ১১৩ বছর। তিনি চার পুত্র ও দুই মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। বাদ আসর চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার পীতম্বরপুর গ্রামে নামাজে জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন সহকারী রেজিস্ট্রার মো. মোজাম্মেল হকের মাতার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। এক শোক বার্তায় তিনি মরহুমার রুহের মাগফিরাত কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।
অনুরূপভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোসাম্মাৎ হোসনে আরা, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস, মডার্ন ল্যাঙ্গুয়েজ সেন্টারের পরিচালক প্রফেসর ড. মুহাম্মদ শাহ জালালসহ সংশ্লিষ্ট সেন্টারের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ শোক প্রকাশ করেছেন।
অপর এক বিবৃতিতে শোক প্রকাশ করেছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় অফিসার্স কল্যাণ পরিষদের সভাপতি এস এম মনিরুজ্জামান (পলাশ) ও সাধারণ সম্পাদক দীপক চন্দ্র মন্ডলসহ পরিষদের সদস্যবৃন্দ।
খুবিতে আন্তঃডিসিপ্লিন ক্রিকেট প্রতিযোগিতার ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণ আজ
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তঃডিসিপ্লিন ক্রিকেট প্রতিযোগিতার ফাইনাল খেলা আজ ২৯ মার্চ (মঙ্গলবার) বেলা ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে শুরু হবে। ফাইনালে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা ডিসিপ্লিন এবং পরিসংখ্যান ডিসিপ্লিন মুখোমুখি হবে। ফাইনাল খেলা শেষে বিকাল ৪টায় উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন প্রধান অতিথি হিসেবে খেলোয়াড়দের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করবেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি থাকবেন উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোসাম্মাৎ হোসনে আরা। সম্মানিত অতিথি থাকবেন রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস ও ছাত্র বিষয়ক পরিচালক প্রফেসর মো. শরীফ হাসান লিমন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন শারীরিক শিক্ষা চর্চা বিভাগের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. আহসান হাবীব।
ঝিনাইদহে জাতীয় মহিলা সংস্থার উদ্যোগে স্বাধীনতা দিবস উদ্যাপন
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি-
ঝিনাইদহে জাতীয় মহিলা সংস্থার উদ্যোগে মহান স্বাধীনতা দিবস পালন উপলক্ষে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভা ও পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৬ মার্চ সকালে শহীদদের স্বরণে জাতীয় মহিলা সংস্থার কার্যালয় থেকে একটি র্যালী বের করে বুদ্ধিজীবি শহীদ মিনারে পুষ্পমাল্য অর্পন করা হয়। পরে দিবসটি উপলক্ষে ক্রীড়া প্রতিযোগিতার অনুষ্ঠিত হয়। এসময় মহিলা সংস্থার প্রশিক্ষনার্থীরা অংশ গ্রহণ করেন। তাদের মধ্যে ঝুড়িতে বল নিক্ষেপ প্রতিযোগিতায় সেলাই ও এমব্রয়ডারী প্রশিক্ষনার্থী অঞ্জলী রানী বিশ্বাস ১ম স্থান অধিকার করে, ২য় স্থান লাভ করে ব্লক-বাটিক প্রশিক্ষনার্থী আসমা খাতুন এবং ৩য় স্থান অধিকার করেন সেলাই ও এমব্রয়ডারী প্রশিক্ষনার্থী সাবিনা ইয়াসমিন। এছাড়াও লটারির মাধ্যমে ১ম স্থান লাভ করে ফাতেমা তুজ্জোহরা, ২য় স্থান লাভ করে অনিফা সুলতানা এবং ৩য় স্থান লাভ করে জুথি খাতুন। পরে এক আলোচনা সভা ও পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়। সেসময় জাতীয় মহিলা সংস্থার জেলা কর্মকর্তা হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইদহ জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান দিপ্তী রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় মহিলা সংস্থার সদস্য নাজমা বেগম, ফাতেমা বেগম, মাঠ সমন্বয়কারী ওমর ফারুক, সহকারি প্রোগ্রামার মাহমুদুর রহমান প্রমুখ। পরে বিজয়ীদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণ করা হয়। এছাড়াও প্রশিক্ষনার্থীদের সাথে আসা প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণকারী বিজয়ী এক কলেজ ছাত্রীকে ব্যক্তি উদ্যোগে পুরষ্কৃত করেন জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান দিপ্তী রহমান।
রামপালে মিথ্যা মামলায় হয়রানি বন্ধে সংবাদ সম্মেলন
রামপাল (বাগেরহাট) সংবাদদাতা
রামপালে মিথ্যা মামলা থেকে রেহাই পেতে চিত্রা গ্রামের একটি ভুক্তভোগী পরিবার সংবাদ সম্মেলন করেছেন। চিত্রা গ্রামের আবুল হাসেম শেখের পুত্র হাফিজুর রহমানের পক্ষে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন তার মা নাহার বেগম। এ সময় তার পরিবারের সদস্যরা সাথে ছিলেন। লিখিত বক্তব্য তিনি জানান, মৎস্যঘের ও এলাকার গ্রাম্য বিরোধের জের ধরে দীর্ঘ দিন ধরে হয়রানি করে আসছে একটি মহল। চিত্রা গ্রামের মোস্তাফিজুর রহমান বাদশা, খায়রুল খসরু, মোস্তফা মীর, সোহেল মুন্সী, ফজলু শেখ, মনি মোল্লা, শাহীন মোল্লা, হামীম শেখ, আশারত ঢালী, মাজহারুলসহ আমাদের ভুল বুঝে হয়রানি করছে। বিষয়টি তাদের বোঝানোর চেষ্টা করেও ব্যার্থ হচ্ছি। আমরা পরিবার পরিজন নিয়ে মারাত্মক নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছি। তাদের দাবী প্রশাসনের দ্বারেদ্বারে ঘুরে ও কোন প্রতিকার পাচ্ছেন না। তারা সবার সাথে মিলে মিশে থাকতে চান বলে জানান। এজন্য প্রশাসন ও সচেতন গ্রামবাসীর সহযোগিতা কামনা করেন।
জেলের জালে আটকে পড়া পদ্ম গোখরা সুন্দরবনে অবমুক্ত
মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
জেলের মাছ ধরা জালে ধরা/আটকে পড়া একটি বিষধর পদ্ম গোখরা/খৈয়া গোখরা সাপ উদ্ধার করে সুন্দরবনের করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্র এলাকায় অবমুক্ত করেছে বনবিভাগ।
পূর্ব সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের করমজল পর্যটন ও বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আজাদ কবির জানান, বাগেরহাটের গোটাপাড়া ইউনিয়নের গোটাপাড়া গ্রামের এক জেলে রবিবার বিকেলে খেপলা জাল দিয়ে খালে মাছ ধরছিলেন। তখন ওই জেলের জালে একটি পদ্ম গোখরা/খৈয়া গোখরা সাপ প্রজাতির বিষধর সাপ ধরা পড়ে। পরে ওই জেলের জালে আটকে পড়া সাপটি গোটাপাড়া ইউনিয়নের দফাদার সেখান থেকে সেটিকে উদ্ধার করে বনবিভাগের বাগেরহাট বিভাগীয় দপ্তরে (পূর্ব সুন্দরবন বিভাগ সদর দপ্তর) দিয়ে আসেন। এরপর বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেনের দেয়া খবরে করমজল পর্যটন ও বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রে কর্মকর্তা আজাদ কবির সোমবার সাপটি নিয়ে দুপুরেই করমজলের বনের অভ্যন্তরে অবমুক্ত করেন। আজাদ কবির বলেন, সাপটি বিষধর প্রজাতির পদ্ম গোখরা। এর আরেক নাম হলো খৈয়া গোখরা। এটি ফনা বিশিষ্ট সাপ। এ সাপটি লম্বা ৫ ফুট বলেও জানান তিনি। তিনি আরো বলেন, কোন প্রাণীই অযথা কেউকে আক্রমণ করেনা, যদি কেউ সেটিকে আঘাত কিংবা তার আবাসে হানা না দেয়। সাপ হলেও এ প্রাণী পরিবেশের ইকোসিস্টেমেরই অংশ। তাই ইকোসিস্টেম ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে সাপসহ কোন প্রাণীই না মেরে আমাদেরকে খবর দিলে আমরা তা উদ্ধার করে তার প্রকৃত পরিবেশে ফিরিয়ে দিতে সক্ষম হবো। তাই সুন্দরবনের আশপাশের মানুষের কাছে আমাদের দাবী থাকবে কেউ কোথাও কোন বন্যপ্রাণী কিংবা বিলুপ্ত প্রজাতির কোন প্রাণীর সন্ধান পেলে না মেরে আমাদেরকে জানাবেন তাতে আমাদের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে সহায়ক হবে।
স্বামীকে শ্বাসরোধ করে হত্যা, স্ত্রী গ্রেফতার
স্টাফ রিপোর্টার
যশোরে পারিবারিক কলহে স্বামীকে বালিশ চাপা ও গলায় রশি দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্ত্রী সুরাইয়া খাতুনের (১৯) বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেছে। পুলিশের কাছে তিনি বিষয়টি স্বীকারও করেছেন। গেলরাত ১২ টার পরে যেকোনও সময় বাঘারপাড়া উপজেলার দক্ষিণ শ্রীরামপুর গ্রামের লাল্টু মণ্ডলকে (২৫) খুন করেন তার স্ত্রী। বাঘারপাড়া থানার ওসি ফিরোজ উদ্দীন বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানিয়েছে, রবিবার দিবাগত রাত দুইটার দিকে সুরাইয়া খাতুন তার শাশুড়িকে ডেকে জানান- লাল্টু গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। বিষয়টি জানার পর নিহতের বড়ভাই মনিরুজ্জামান মিন্টু এবং মা রুমের মধ্যে যেয়ে দেখেন, লাল্টু মেঝেতে শোয়ানো অবস্থায় রয়েছেন। এরপর তাকে স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া হলে তিনি তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ওসি ফিরোজ উদ্দীন বলেন, লাল্টু যশোর ক্যান্টনমেন্টে ব্যাটম্যান হিসেবে কর্মরত ছিলেন। সম্প্রতি ছুটিতে বাড়িতে এসেছেন। গহনা সংক্রান্ত বিষয়ে সম্প্রতি স্ত্রীর সাতে তার ঝগড়া হয়। লাল্টু সেইসময় স্ত্রীকে মারপিটও করেন। তারই জের ধরে গেলরাতে ঘুমন্ত অবস্থায় লাল্টুকে তার স্ত্রী বালিশ চাপা ও গলায় রশি দিয়ে আটকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছেন বলে সুরাইয়া পুলিশকে জানিয়েছেন।
এ ঘটনায় পুলিশ নিহতের স্ত্রী সুরাইয়াকে গ্রেফতার করেছে। ময়নাতদন্তের জন্যে মরদেহ যশোর জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে ওসি জানিয়েছেন। গ্রেফতার সুরাইয়া খাতুন যশোর সদরের কেফায়েতনগর গ্রামের ইউনুছ মোল্যার মেয়ে।
বাগেরহাট জেলা যুবদল নেতার কারাগারে
বাগেরহাট প্রতিনিধি :
বাগেরহাটে জলা যুবদলের সহ-সাধারন সম্পাদক ও মোল্লাহাট উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক শেখ জিয়াউর রহমান মিথ্যা নাশকতা মামলায় কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ২৭ মার্চ রবিবার সকালে আদালতে হাজিরা হয়ে জামিন আবেদন করলে জেলা ও দায়রা জজ মোহা : রবিউল ইসলাম জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
শেখ জিয়াউর রহমানকে নি:শর্ত মুক্তি দাবি জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন তারা হলেন বাগেরহাট জেলা যুবদলের সভাপতি মো: হারুন আল রশীদ, সাধারন সম্পাদক মো: সুজন মোল্লা, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মো: জাহাঙ্গীর শেখ, সহ- সাধারন সম্পাদক মিজানুর রহমান রাজন, আলম পারভেজ লিটন, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক সোহেল তরফদার, প্রচার সম্পাদক এইচ এম রাশেদ কামাল, আইনবিষয়ক সম্পাদক এ্যাডভোকেট এস এম ইমরান হোসেন প্রমুখ।
দল পুনর্গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে: ডক্টর ফরিদ
রামপাল (বাগেরহাট) সংবাদদাতা
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ ও সুসংগঠিত হয়ে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার করতে হবে। মানবাধিকার, সাম্য, সুশাসন ও গণতন্ত্রসহ সকল মৌলিক অধিকারকে ফেরাতে আমাদের নিরন্তর লড়াই চলছে। এ লড়াই অন্যায়কে পায়ে মাড়িয়ে ন্যায় প্রতিষ্ঠার লড়াই। দেশ আজ বিপন্ন। এ দেশ আমার আপনাদের সকালের। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণার মাধ্যমে অর্জিত হয়েছে এ স্বাধীনতা। তার আদর্শের ভিত্তিতে রচিত হয়েছে এ বাংলাদেশ। আমরা কারো সমালোচনা করতে চাই না। দেশে কি হচ্ছে ? কেমন আছেন দেশের মানুষ তা আপনারা হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছেন। দেশ বাঁচাতে স্বাধীনতার ডাক এসেছিল। দেশ পেয়েছি, কিন্তু স্বাধীনতা ? গণতন্ত্র ? মানবাধিকার ? দেশ একটি লুটেরার হাতে জিম্মি। আসুন আমরা এ শৃঙ্খল ভেঙ্গে ফেলি। এ জন্য ঐক্যবদ্ধ থাকার কোন বিকল্প নেই। ধারাবাহিকভাবে গত শুক্রবার ও শনিবার রামপাল-মোংলা বিএনপি এবং বিভিন্ন অংগ সংগঠনের নেতাকর্মীদের সাথে স্বাধীনতার ৫০ পূর্তি উপলক্ষে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাগেরহাট জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম এসব কথা বলেন। উপজেলার বড়দিয়াস্থ তার বাসভবন চত্বরে শনিবার বিকাল ৪ টায় মহান স্বাধীনতা দিবসের এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মাসুদুর রহমান পিয়ালের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব আলমগীর কবির বাচ্চুর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি বক্তব্য দেন, ডক্টর ফরিদুল ইসলাম। এ সময় যুবদলের ১০ ইউনিয়নের বিপুল সংখ্যাক নেতা কর্মী উপস্থিত ছিলেন। এর পূর্বে উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি মোল্লা তরিকুল ইসলাম শোভনের সভাপতিত্বে আরো একটি সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত হয়। এখানে দলীয় ও সাংগঠনিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। এ ছাড়াও ওই দিন সকালে মোংলা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মরহুম নজীর মৃধার কবর জিয়ারত ও মোংলা উপজেলা বিএনপি ও অংগসংগঠনের বিপুল সংখ্যাক নেতাকর্মীর সাথে কুশল বিনিময় করেন। শুক্রবার বিকালে মোংলা উপজেলা বিএনপি ভারপ্রাপ্ত সভাপতি স, ম ফরিদ এর সভাপতিত্বে একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়াও ওই উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের বিএনপি ও অংগসংগঠনের নেতা কর্মীদের সাথে মতবিনিময় করছেন ডক্টর ফরিদুল ইসলাম। এ সময় তিনি বলেন আমাদের সর্বোচ্চ সামর্থ্য দিয়ে যার যার অবস্থান থেকে এগিয়ে আসতে হবে। আমৃত্যু আমি আপনাদের পাশে থাকতে চাই একজন কর্মী হয়ে। বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি ও তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী এবং বীরের বেশে তাকে ফিরিয়ে আনতে হবে। তার দেওয়া স্লোগান বাস্তবয়নে সব বিভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। এ সময় তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। সভায় বক্তব্য দেন, মোংলা উপজেলা বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দ। শুক্রবার ও শনিবার বক্তব্য দেন রামপাল-মোংলা বিএনপি, যুবদল, মৎসজীবিদল, তাতীদল, সেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদলসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। তারা সংগঠনকে শক্তিশালী করার উপর জোর দেন।#
বেনাপোল বন্দর দখল নিতে মুহুমুহ বোমা হামলায় ২০ শ্রমিক আহত
বেনাপোল প্রতিনিধি
বেনাপোল বন্দর দখল নিতে বহিরাগত দুর্বৃওদের মুহুমুহ বোমা হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন পথচারী সহ বন্দরের ২০ শ্রমিক। ফলে বšদর দিয়ে দু’ দেশের মধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে আমদানি রপ্তানী বানিজ্য সহ পন্য খালাশ প্রক্রিয়া।
সেমবার সকালে কোন কিছু বুঝে ওঠার আগেই একদল দুর্বৃও বন্দরের হ্যান্ডলিং কার্যক্রম দখলে নিতে শ্রমিক সংগঠনের অফিসের সামনে মুহুমুহু বোমা হামলা শুরু করে। বোমার আতংকে বন্দরের সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। কর্মরত শ্রমিকরা প্রাণ বাচাতে এদিক ওদিক ছোটা ছুটি করতে থাকে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বন্দরে সব ধরনের মালামাল ওঠা নামা সহ পন্য খালাশ কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।
সকাল থেকে এ পর্যন্ত অর্ধ শতাধিক বোমার বিস্ফোরন ঘটে। গুরুতর আহত ইমরান হোসেনকে আশংকাজনক অবস্থায় স্থানীয় হামপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরে বন্দরে হ্যান্ডলিং শ্রমিকের ঠিকাদারি কাজ দখল নিতে দুটি গ্রুপ মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে।
বন্দর হ্যান্ডলিং শ্রমিক ঠিকাদার অহিদুজ্জামান অহিদ জানান, সকালে প্রতিদিনের ন্যায় শ্রমিকরা কাজে যোগদান করেন। কোন কিছু বোঝার আগেই বহিরাগত একদল শ্রমিক বন্দরের সামনে অর্ধ শতাদিক বোমার বিস্ফোরন ঘটায় ফলে বন্দরে সব ধরনের কাজ কর্ম বন্ধ হয়ে যায়। রাশেদ বাহিনীর লোকজন বন্দরে এধরনের বোমা হামলা করেছে।
নাভারন পুলিশের “ক” সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার জুয়েল ইমরান জানান, বোমা হামলার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনা স্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে সক্ষম হয়। তবে তদন্তে জানা গেছে রাশেদ কাউন্সিলর এর নেতৃত্বে বন্দরে বোমা হামলা করা হয়েছে। আমারা ৩জনকে আটক করেছি।
নগরীর বয়রার মাদক ব্যবসায়ী ৫০ পিচ ইয়াবা সহ আটক
স্টাফ রিপোর্টার
নগরীর বয়রা আজিজের মোড় এলাকায় মনিরুলের বাড়ি থেকে মাদক ব্যবসায়ী সুলতান আহমেদ কে দুপুর ১,৩০ মিনিটের সময় মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের এস,আই মোঃ বদরুল হাসান, এসআই জাহানারা, এসআই রাকিবুল ইসলাম, এসআই মঞ্জুরুল বাশার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ৫০ পিচ ইয়াবাসহ এই ব্যবসায়ীকে আটক করে। মাদক ব্যবসায়ী সুলতান আহমেদকে কয়েকদিন আগে ৫০০ গ্রাম গাঁজা সহ গোয়েন্দা পুলিশ আটক করে। এসআই মোঃবদরুল হাসান জানান সুলতান একজন পুরাতন মাদক ব্যবসায়ী।তার নামে কয়েকটি মামলা রয়েছে। মাদক ব্যবসায়ী সুলতানের বিরুদ্ধে মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের হয়েছে বলে এস আই রাকিবুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিন্ত করেন।
দিঘলিয়ায় ষষ্ঠ শ্রেনীতে পড়ুয়া ছাত্রী গণধর্ষণের শিকার
আসাদ, দিঘলিয়াঃ
দিঘলিয়া উপজেলার দেয়াড়া গ্রামে ১৪ বছর বয়সী ষষ্ঠ শ্রেণির এক স্কুল ছাত্রী গণধর্ষণের শিকার হয়েছে। দিঘলিয়া থানা পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে এলাকাবাসীর সহায়তায় ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত ৩ কিশোরকে আটক করতে সক্ষম হয়েছে। আটককৃত মোঃ শান্ত বিশ্বাস (২১) পিতা ইয়ারুক বিশ্বাস, মুন্না (১৭) পিতা সিরাজ, বিল্লাল শেখ (১৭) পিতা মিজান শেখ এর বাড়ি একই গ্রামে। কিশোরীটির মা বাদী হয়ে গণধর্ষণের অপরাধে দিঘলিয়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলা নং ১৯। তাং ২৭/০৩/২০২২। দিঘলিয়া থানা ও এলাকাবাসী সুত্রে জানা যায়, রবিবার (২৭ মার্চ) সকাল আনুমানিক পৌনে দশটার দিকে স্কুলে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মেয়েটি তার সহপাঠিদের সঙ্গে বাড়ি থেকে বের হয়। রাস্তায় অভিযুক্ত আসামিরা মেয়েটির গতিরোধ করে। মেয়েটি তাদের সঙ্গে যেতে রাজি না হলে শান্ত তার হাতে থাকা হাতুড়ি দিয়ে ভয়-ভীতি দেখায়। একপর্যায়ে মেয়েটিকে পার্শবর্তী আমবাগানের ভিতর নিয়ে যায় এবং শান্ত, মুন্না ও বিল্লাল পালাক্রমে ধর্ষণ করে। খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে দিঘলিয়া থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ আহসান উল্লাহ চৌধুরী ও ইন্সপেক্টর (তদন্ত) রিপন কুমার সরকারের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে এলাকাবাসীর সহায়তায় ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত তিন জনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। ইন্সপেক্টর (তদন্ত) রিপন কুমার সরকার এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, ভুক্তভোগী কিশোরী বর্তমানে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে চিকিৎসাধীন রয়েছে। আটককৃত আসামিদের গতকাল আদালতে প্রেরণ করলে বিজ্ঞ আদালতে আসামিরা তাদের অপরাধের দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছে।
মোংলায় বন্ধুর ছুরিকাঘাতে বন্ধু নিহত
মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
মোংলায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এক বন্ধুর ছুরিকাঘাতে আরেক বন্ধু নিহত হয়েছেন। নিহতের নাম মোঃ শাহিন (৩৫)। সোমবার রাত ৮ টার দিকে পৌর শহরের ছাড়াবাড়ী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত শাহিন ছাড়াবাড়ী এলাকার মোঃ একরামুল হকের ছেলে। শাহিন পেশায় একজন মার্চেন্ট শ্রমিক ছিলেন। নিহত শাহিনের নাদিরা বেগম নামের এক স্ত্রী রয়েছেন। এদিকে এ ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে নিহতের সুরতহাল রিপোর্ট সম্পন্ন করেছেন। এছাড়া লাশের ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে পুলিশের।
নিহত শাহিনের বড় বোন খাদিজা বেগম জানান, একই এলাকার মারুফ (৩৫) নামের কাঠ মিস্ত্রীর সাথে তার ভাইয়ের পূর্ব শত্রুতা ছিল। সেই জের ধরেই মারুফ তার ভাইকে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। মারুফ খুলনা জেলার কয়রার মোঃ আব্দুর রশিদের ছেলে। মারুফ ছাড়াবাড়ী এলাকায় বসবাস করে আসছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী রাশিদা বেগম ও জামাল হোসেন জানান, পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ছাড়াবাড়ী এলাকার রাস্তার উপরে রাত ৮ টার দিকে মারুফ নামের এক যুবক শাহিনের পেটের বাম পাশে ছুরি ঢুকিয়ে দিয়ে দ্রুত দৌড়ে পালিয়ে যান। এরপর আমরা শাহিনকে সেখান থেকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাই। হাসপাতালে কর্তব্যরত ডাঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম বলেন, হাসপাতালে আনার আগে পথেই শাহিনের মৃত্যু হয়। তিনি বলেন, নিহতের পেটের বাম পাশে ছুরির আঘাত রয়েছে। এতে তার পেটের নারী-ভুড়ি বের হয়ে যায়।
মোংলা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বলেন, শাহীন নামের এক যুবক ছুরিকাঘাতে নিহত হওয়ার ঘটনায় আইনী প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এছাড়া মারুফকে আটকে পুলিশের তৎপরতা চলছে।
এদিকে এ ঘটনায় স্থানীয়রা বলেন, মারুফ আর শাহিন দুই বন্ধু। শাহিন মারুফের স্ত্রী নাদিরা বেগমকে ভাগিয়ে নিয়ে বিয়ে করেছেন দেড় বছর আগে। এনিয়েই শাহিনের সাথে মারুফের শত্রুতার সৃষ্টি হয়। সেই শক্রতার জের ধরেই এ খুনের ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলেও ধারণা করছেন এলাকাবাসী। নাদিরার আগের সংসারে অর্থাৎ মারুফের ঘরে ১০ বছর বয়সের একটি পুত্র সন্তানও রয়েছে।
নিত্যপণ্যের বাজারে সরকারের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই: মনা
।। খবর বিজ্ঞপ্তি।।
খুলনা মহানগর বিএনপির আহবায়ক এড. শফিকুল আলম মনা বলেছেন, লুটেরা সরকারের ভ্রান্তনীতির কারনে দ্রব্যমুল্য সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাহিরে চলে গেছে। আওয়ামী লীগ যখনই ক্ষমতায় গেছে তখনই তাদের নেতাকর্মীরা লুটপাট করেছে, হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট করেছে। ১৯৭৩-৭৪ সালে তারা যখন ক্ষমতায় ছিল তখন গণতন্ত্র হত্যা করে বাকশাল কায়েম করেছিল। বাংলাদেশ আজ অদ্ভুত এক দেশে পরিণত হয়েছে। এখানে ৪০ টাকা ডিমের হালি, তেলের দাম ১৮০ টাকা, ৭০ টাকা চাল, ১২০ টাকা ডাল। সবকিছুর দাম বেড়েছে, শুধু বাড়েনি মানুষের দাম। একদিকে মানুষ দ্রব্যমূল্য নিয়ে দিশেহারা আর সরকারের নেতা, পাতি-নেতারা ব্যস্ত লুটপাটে। মফস্বলের ছাত্রলীগ নেতার অ্যাকাউন্টে পাওয়া যায় দুই হাজার কোটি টাকা।
সোমবার (২৮ মার্চ) বিকালে নগরীর ২৪ নং ওয়ার্ডের কাজী বাড়ির সামনে আগামীর রাষ্ট্রনায়ক বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনায় ও বিএনপি নেতা রকিবুল ইসলাম বকুলের তত্ত্বাবধায়নে পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষ্যে দরিদ্র মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। বিএনপি নেতা মনা আরো বলেন, নিত্যপণ্যের বাজারে সরকারের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। দুর্নীতির কারণে এখন এমন একটা পর্যায়ে চলে গেছে যে, প্রতিটি ক্ষেত্রে ২০-২৮ শতাংশ জিনিসপত্রের দাম বেড়ে গেছে। বাজারের ক্ষেত্রে সিন্ডিকেট তৈরি করা হয়েছে। তারা কৃত্রিমভাবে জিনিসপত্রের দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে। কোথাও কোনো জবাবদিহি নেই। চরম দুর্নীতির প্রভাব বাজারে গিয়ে পড়ছে। লাগামহীনভাবে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বেড়ে যাওয়ায় জনগণকে তার মাশুল দিতে হচ্ছে। তিনি পবিত্র রমজান মাসে অসহায় মানুষের পাশে দাড়ানোর জন্য সমাজের বিত্তবান ও দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন নগর বিএনপির সদস্য সচিব শফিকুল আলম তুহিন, কাজী মাহমুদ আলী, আজিজুল হাসান দুলু, বদরুল আনাম, একরামুল হক হেলাল, হাসানুর রশিদ মিরাজ, কে এম হুমায়ুন কবির, সিরাজুল ইসলাম লিটন, হুমায়ুন কবির চৌধুরী, কে এম মাহবুব আলম, আসলাম হোসেন, মইদুল ইসলাম টুকু, ডা. ফারুক হোসেন, ইয়াজুল ইসলাম এ্যাপলো, কালাম হোসেন, ইয়াসিন শেখ, রেজাউল আমিন সাবু, সরোয়ার সিকদার, মেহেদি মাসুদ খান।
পেপসি ভেবে বিষপান, মারা গেল শিশু
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
পেপসি ভেবে বিষপান করে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ল ৮ বছরের শিশু। সোমবার ঝিনাইদহের শৈলকুপার ব্রহ্মপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
মারা যাওয়া শিশু হাসানুর জোয়ার্দ্দার ব্রহ্মপুর গ্রামের নিপুল জোয়ার্দ্দারের ছেলে। সে ব্রহ্মপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র ছিল।
শিশুটির খালা সালমা খাতুন জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় হাসানুরের বাবা নিপুল শেখ মাগরিবের নামাজ পড়ে বাজার থেকে টাইগারের বোতলে ঘাস মারা বিষ কিনে বাড়িতে আনে। বারান্দার একপাশে রেখে সে গরুর খাবার দিতে গোয়ালে যায়। বোন মুসলিমাকে ভাগ দিতে হবে তাই একটু বেশি খাওয়ার আশায় গোপনে টাইগারের বোতলে রাখা বিষ পেপসি ভেবে হাসানুর পান করে।
এদিকে মুখের মধ্যে কেমন লাগলে সে বাবার কাছে দৌড়ে যায়। সঙ্গে সঙ্গে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান বাবা নিপুল জোয়ার্দ্দার। অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসক তাকে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। অবস্থার আরও অবনতি হলে কুষ্টিয়া থেকে রোববার রাজশাহী মেডিকেল কলেজে নেওয়া হয় হাসানুরকে।
সোমবার দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসানুর মারা যায় বলে জানান খালা সালমা খাতুন।
শৈলকুপা থানার এসআই আমিরুজ্জামান বলেন, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে মৃত্যুর সংবাদটি থানায় জানানো হয়েছে।
‘আয়রন ট্যাবলেট খাওয়ার’ পর স্কুলছাত্রীর মৃত্যু
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
ঝিনাইদহ সদর উপজেলার হাট গোপালপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে আয়রন ট্যাবলেট খাওয়ার পর রেবা খাতুন (১২) নামের এক স্কুলছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সে সদর উপজেলার উত্তর সমশপুর গ্রামের সাগর হোসেনের মেয়ে এবং ওই স্কুলের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী। এ ঘটনায় ফারজানা ও আসমা নামের আরও দুই শিক্ষার্থী সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ইউসুফ আলি জানান, অন্য দিনের মতো সোমবার সকাল ১০টার দিকে স্কুলে আসে। শনিবার দেশব্যাপী কৈশোরকালীন পুষ্টি নিশ্চিত করতে শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে সরবরাহ করা আয়রন (ফলিক অ্যাসিড) ট্যাবলেট খাওয়ানো হয়। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে হঠাৎ করে রেবা খাতুনসহ ৩টি মেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে। সেখান থেকে তাদের উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক রেবাকে মৃত ঘোষণা করে। অন্যদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
মেয়েটির বাবা সাগর হোসেন বলেন, আমার মেয়ে সকালে বাড়ি থেকে ডিম আর মিষ্টিকুমড়ার তরকারি দিয়ে ভাত খেয়ে স্কুলে যায়। আমার মেয়ের তো কোনো রোগ নেই। কেন আমার মেয়ে মারা গেল তা তদন্ত করার দাবি করছি আমি।
হাটগোপালপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান বিকাশ কুমার বিশ্বাস বলেন, ৩টা মেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে। এর মধ্যে একটা মেয়ে মারা গেছে। এই মৃত্যুর সঠিক কারণ যেন স্বাস্থ্য বিভাগ দ্রুত বের করে সে দাবি জানান তিনি।
হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আশরাফুজ্জামান বলেন, মেয়েটিকে আমরা মৃত অবস্থায় পেয়েছি। তবে আয়রন ট্যাবলেট খেয়ে তার মৃত্যু হয়েছে নাকি অন্য কোনো কারণ ছিল তা আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর বা ময়নাতদন্তের পরই জানা যাবে।
ঝিনাইদহের সিভিল সার্জন ডা. শুভ্রা রাণী দেবনাথ বলেন, আয়রন ট্যাবলেট থেকে মৃত্যুর কোনো নজির নেই। এমনকি ওষুধ যদি মেয়াদোত্তীর্ণও হয় তবুও সর্বোচ্চ পাতলা পায়খানাসহ বমি হতে পারে। তারপরও মৃত্যুর কারণ নির্ণয় করার জন্য সদর হাসপাতালের শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ আনোয়ারুল ইসলামকে প্রধান করে ৩ সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী ৩ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে তাদের।
ভর্তি অপর দুইজনকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে বলেও জানান সিভিল সার্জন।
পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রের আত্মহত্যা
বাগেরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাটের কুচুয়ায় মা-বাবার সঙ্গে অভিমান করে পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্র আত্মহত্যা করেছে।
রোববার রাতে উপজেলার আন্ধারমানিক গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
মারা যাওয়া সুলপ্ত মজুমদার (১১) ওই গ্রামের সুজিত মজুমদারের ছেলে এবং আন্ধারমানিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র ছিল।
পরিবার সূত্র জানিয়েছে, লেখাপড়া না করায় রোববার বিকালে সুলপ্ত মজুমদারকে শাসন করেন তার মা-বাবা। এরপর থেকে তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না।
একপর্যায়ে বাড়ির কাঠের ঘরের দোতলায় আড়ার সঙ্গে ফাঁস দেওয়া অবস্থায় তাকে পাওয়া যায়। পরে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
বাগেরহাট জেলা পুলিশের মিডিয়া সেলের প্রধান সমন্বয়কারী পুলিশ পরিদর্শক এসএম আশরাফুল আলম জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।
খুলনায় অনির্দিষ্টকালের ট্যাংকলরি ধর্মঘট
স্টাফ রিপোর্টার||
শ্রমিক নেতা আল আমিনের ওপর হামলাকারীদের আটকের দাবিতে খুলনায় মঙ্গলবার ভোর থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ট্যাংকলরি ধর্মঘট ডেকেছে খুলনা বিভাগীয় ট্যাংকলরি শ্রমিক ইউনিয়ন। নগরীর খালিশপুরে অবস্থিত পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা অয়েল ডিপো থেকে জ্বালানি তেল উত্তোলন এবং পরিবহন বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আলী আজম।
ট্যাংকলরি শ্রমিকরা জানান, সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টায় ট্যাংকলরি শ্রমিক ইউনিয়নের লাইন সম্পাদক আল আমিন খালিশপুর নয়াবাটি রোডের বাসা থেকে বের হন। এরপর চারটি মোটরসাইকেলযোগে আসা ৮/৯ জন সন্ত্রাসী তাকে কুপিয়ে আহত করে। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।
এর প্রতিবাদে ট্যাংকলরি শ্রমিকরা সোমবার দুপুর দেড়টা থেকে বিকাল পৌনে ৪টা পর্যন্ত নতুন রাস্তা মোড়ে খুলনা-যশোর মহাসড়ক অবরোধ করে। ধর্মঘট চলাকালে শ্রমিকরা রাস্তায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেন।
খুলনা বিভাগীয় ট্যাংকলরি শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আলী আজম জানান, শ্রমিক নেতা আল আমিনের ওপর হামলাকারীরা ধরা না পড়া পর্যন্ত তারা ধর্মঘট চালিয়ে যাবেন।
রেললাইনের পাশে শপিংব্যাগে জীবিত নবজাতক
যশোর অফিস||
যশোর সদরের চুড়ামনকাটি রেললাইনের পাশে শপিং ব্যাগে ফেলে যাওয়া জীবিত এক নবজাতককে উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার সকালে স্থানীয় এক নারীর সহযোগিতায় পুলিশ শিশুটিকে উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা বিশিস্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেছে। বর্তমানে শিশুটি পুরোপুরি সুস্থ আছে বলে পুলিশ ও চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।
স্থানীয়রা জানান, চুড়ামনকাটি দাসপাড়ার অঞ্জলী রানী দাস নামের এক নারী সকালে হাঁটতে গিয়ে চৌগাছা সড়কের রেল ক্রসিংয়ে একটি শপিং ব্যাগ দেখতে পান। তিনি ব্যাগের কাছে গেলে দেখতে পান একটা বাচ্চা ব্যাগের ভেতর নড়াচড়া করছে। তিনি দ্রুত বাচ্চাটিকে কোলে তুলে বাড়িতে নিয়ে যান। পরে খবর পেয়ে স্থানীয় সাজিয়ালী পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা ঘটনাস্থালে হাজির হয়ে ওয়ার্ড মেম্বর মাহবুব হাসান রানুর সহযোগিতায় মেয়ে শিশুটিকে হাসপাতালে ভর্তি করেন।
শিশুটি ‘কুড়িয়ে পাওয়া’ অঞ্জলী বলেন, তিনিই শিশুটির লালন পালন করতে চান।
সাজিয়ালী পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই শাহিন ফরহাদ জানিয়েছেন, এখনও শিশুটির পরিচয় জানা যায়নি। তার বয়স মাত্র কয়েকদিন। এলাকাবাসীর ধারণা- ভোরে কেউ বাচ্চাটিকে রেললাইনের পাশে ফেলে রেখে গেছে।
পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীর সঙ্গে ছেলের বিয়ে দিলেন স্কুলশিক্ষিকা
চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি।।
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকার বিরুদ্ধে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীকে নিজের ছেলের সঙ্গে বিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
গত ২০ মার্চ চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার তিতুদহ ইউনিয়নের ছোটশলুয়া গ্রামের ওই কিশোরীর সঙ্গে দশম শ্রেণি পড়ুয়া ছেলের বিয়ে দেন তিনি। প্রথম কয়েক দিন বিষয়টি গোপন থাকলেও পরে জানাজানি হয়।
সোমবার (২৮ মার্চ) সকালে বেগমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, মেহেদি রাঙা হাতে শ্রেণিকক্ষে ক্লাস করছে ওই ছাত্রী।
বিয়ের বিষয়ে ওই শিক্ষিকা বলেন, ‘আমার মায়ের শরীর খুব খারাপ। তার ইচ্ছা নাতি ছেলের বউ দেখার। মায়ের ইচ্ছা পূরণ করার জন্যই ছেলের সঙ্গে ছাত্রীর বিয়ে দিয়েছি। তবে বিয়ে রেজিস্ট্রি করা হয়নি।’
এ বিষয়ে বেগমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রশিদের কাছে জানতে চাইলে বলেন, ‘বিষয়টি সম্পর্কে আমি কিছুই জানি না।’
বিয়ের কাজী মফিজুল ইসলাম বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, ‘এ ধরনের কোনও বিয়ে আমি পড়াইনি। আমাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।’
বেগমপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলী হোসেন জোয়ার্দ্দার বলেন, ‘বেগমপুর ইউনিয়নকে বাল্যবিবাহমুক্ত করার জন্য ইউনিয়ন পরিষদ বদ্ধপরিকর। একজন স্কুলশিক্ষিকা কীভাবে এ ধরনের কাজ করতে পারেন আমার জানা নেই।’
চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘বিষয়টি আমাদের দেখার দায়িত্ব না।’
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামীম ভুইয়া বলেন, ঘটনার সত্যতা পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
খুলনায় হরতাল চলাকালে আটক ৬
স্টাফ রিপোর্টার।।
দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে বাম গণতান্ত্রিক জোটের ডাকা আধাবেলা হরতাল চলাকালে খুলনায় ছয় জন আটক করা হয়েছে। সোমবার (১৮ মার্চ) সকাল ৮টায় মিছিলের প্রস্তুতি নিলে পিকচার প্যালেস মোড় ও ডায়াবেটিস অফিসের সামনে থেকে তাদের আটক করে পুলিশ।
খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান আল নামুন বলেন, সকালে রাজপথে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টাকালে ছয় জনকে আটক করা হয়েছে।
নগর সিপিবির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট বাবুল হাওলাদার বলেন, সকাল থেকে বামজোটের নেতাকর্মীরা শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে অবস্থান নিয়ে পিকেটিং শুরু করে। পুলিশি বাধার কারণে পিকেটিং করতে পারেনি। সকাল ৮টার দিকে পুলিশ ছয় জনকে আটক করে। পরে নেতাকর্মীরা নিরাপদ স্থানে সরে যায়।
তিনি জানান, পুলিশ গণসংহতি আন্দোলন খুলনা জেলার আহ্বায়ক মুনীর চৌধুরী সোহেল, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল- বাসদ জেলা আহ্বায়ক জনার্দন দত্ত নান্টু, সিপিবি মহানগর সাধারণ সম্পাদক অ্যাডবোকেট নিত্যানন্দ ঢালী, সিপিবির নিরোধ রায়, কিংশুক রায় ও রাসেলকে পুলিশ আটক করেছে।
টিকা কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ ছেড়ে ক্লিনিকে অপারেশন করছিলেন চিকিৎসক!
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি।।
অফিস টাইমে স্বাস্থ্য বিভাগের নির্দেশনা মোতাবেক গণটিকাদান কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ না করে প্রাইভেট ক্লিনিকে অপারেশন করছিলেন ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. মাহাবুবুল আলম। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে সোমবার (২৮ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে তাকে উপজেলার একটি বেসরকারি ক্লিনিকের অপারেশন থিয়েটারে পাওয়া যায়।
এ ঘটনায় ডা. মাহাবুবুল আলমকে কারণ দর্শানোর পাশাপাশি আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন জেলা সিভিল সার্জন।
জানা যায়, সোমবার সকাল থেকে দেশব্যাপী বিশেষ গণটিকাদান ক্যাম্পেইনের আওতায় শৈলকুপাতেও দ্বিতীয় ডোজ টিকা দেওয়া শুরু হয়। সেই কার্যক্রম তদারকির জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. মাহাবুবুল আলমকে ধলহরাচন্দ্র ইউনিয়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়। তারই অংশ হিসেবে তাকে সকালে ওই ইউনিয়নে যেতে নির্দেশ দেন উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা। কিন্তু সেসময় সেখানে না গিয়ে উপজেলা শহরের খোন্দকার প্রাইভেট হাসপাতালে সিজারিয়ান অপারেশন করতে যান ডা. মাহবুব। স্থানীয়দের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ওই সময় স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে ক্লিনিকটিতে অভিযান চালিয়ে তাকে অপারেশন থিয়েটারে পাওয়া যায়।
বিষয়টি নিয়ে ডা. মাহাবুবুল আলমের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, আমি কোনো সিজার করতে যাইনি। সিভিল সার্জন বা কে কী বলেছে সেটা তাদের ব্যাপার।
জানতে চাইলে শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রাশেদ আল মামুন বলেন, ধলহরাচন্দ্র ইউনিয়নে টিকা কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের দায়িত্ব ছিল ডা. মাহাবুবুল আলমের ওপর। কিন্তু বেলা ১১টার দিকে অভিযোগ আসে, তিনি সেখানে যাননি। তিনি শৈলকুপা শহরের বেসরকারি হাসপাতাল খোন্দকার ক্লিনিকে সিজার করছিলেন।
তিনি আরও বলেন, বিষয়টি শুনে ক্লিনিকের অপারেশন থিয়েটারে গিয়ে দেখা যায়, মাহাবুবুল আলম সিজার করছেন। কেন তিনি অফিস টাইমে এমনটি করেছেন এর জন্য জবাব দিতে হবে।
বিষয়টি নিয়ে ঝিনাইদহ সিভিল সার্জন ডা. শুভ্রা রানী দেবনাথ বলেন, সরকারি দায়িত্ব ছেড়ে বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই। কোনো চিকিৎসক সরকারি চাকরি করে সরকারি ডিউটি ছেড়ে বেসরকারি ক্লিনিকে অপারেশন করবে এটা হতে পারে না।
তিনি আরও বলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা আমাকে বিষয়টি ফোনে জানিয়েছেন। আমি শোকজ করতে তাকে নির্দেশনা দিয়েছি। এই চিঠি আমার কাছে আসলে সেটি আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। কেননা শুধু সতর্ক করলে হবে না, সতর্কতার সঙ্গে কঠোর আইনগত ব্যবস্থাও নিতে হবে








































