আসাদ, দিঘলিয়াঃ
দিঘলিয়া উপজেলার দেয়াড়া গ্রামে ১৪ বছর বয়সী ষষ্ঠ শ্রেণির এক স্কুল ছাত্রী গণধর্ষণের শিকার হয়েছে। দিঘলিয়া থানা পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে এলাকাবাসীর সহায়তায় ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত ৩ কিশোরকে আটক করতে সক্ষম হয়েছে। আটককৃত মোঃ শান্ত বিশ্বাস (২১) পিতা ইয়ারুক বিশ্বাস, মুন্না (১৭) পিতা সিরাজ, বিল্লাল শেখ (১৭) পিতা মিজান শেখ এর বাড়ি একই গ্রামে।
কিশোরীটির মা বাদী হয়ে গণধর্ষণের অপরাধে দিঘলিয়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলা নং ১৯। তাং ২৭/০৩/২০২২।
দিঘলিয়া থানা ও এলাকাবাসী সুত্রে জানা যায়, রবিবার (২৭ মার্চ) সকাল আনুমানিক পৌনে দশটার দিকে স্কুলে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মেয়েটি তার সহপাঠিদের সঙ্গে বাড়ি থেকে বের হয়। রাস্তায় অভিযুক্ত আসামিরা মেয়েটির গতিরোধ করে। মেয়েটি তাদের সঙ্গে যেতে রাজি না হলে শান্ত তার হাতে থাকা হাতুড়ি দিয়ে ভয়-ভীতি দেখায়। একপর্যায়ে মেয়েটিকে পার্শবর্তী আমবাগানের ভিতর নিয়ে যায় এবং শান্ত, মুন্না ও বিল্লাল পালাক্রমে ধর্ষণ করে। খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে দিঘলিয়া থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ আহসান উল্লাহ চৌধুরী ও ইন্সপেক্টর (তদন্ত) রিপন কুমার সরকারের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে এলাকাবাসীর সহায়তায় ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত তিন জনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।
ইন্সপেক্টর (তদন্ত) রিপন কুমার সরকার এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, ভুক্তভোগী কিশোরী বর্তমানে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে চিকিৎসাধীন রয়েছে। আটককৃত আসামিদের গতকাল আদালতে প্রেরণ করলে বিজ্ঞ আদালতে আসামিরা তাদের অপরাধের দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছে।











































