Home আঞ্চলিক শ্যামনগরে ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেফতার, থানার সামনে বিক্ষোভ

শ্যামনগরে ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেফতার, থানার সামনে বিক্ষোভ

2

 সাতক্ষীরা প্রতিনিধি ।।

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার কৈখালি ইউপি চেয়ারম্যান আবদুর রহিমকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারের সময় তাকে বাধাদানকারী বেশ কয়েকজন নারী পুরুষকে পুলিশ পিটিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী। প্রতিবাদে থানার সামনেও বিক্ষোভ করেছে এলাকাবাসী। তবে পুলিশ মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করেছে। বুধবার বেলা ১১টার দিকে এসব ঘটনা ঘটে শ্যামনগরের কৈখালি ইউনিয়নের ভেটখালি ব্রিজের কাছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গ্রেফতার চেয়ারম্যানসহ অন্যদের মারধরের ঘটনায় এলাকাবাসী ফুঁসে উঠেছে।  তারা এর প্রতিবাদ নিন্দা জানিয়ে শ্যামনগর থানার এসআই নুর কামাল এএসআই মেহেদির বিচার দাবি করেছেন। স্থানীয়রা জানান, বুধবার সকালে শ্যামনগর থানার এসআই নুর কামালের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ভেটখালি এলাকায় পৌছায়।  তারা কিছুক্ষণ পরপর দুবারের ইউপি চেয়ারম্যান আবদুর রহিমকে গ্রেফতারের চেষ্টা চালায়।  সময় গ্রামবাসী বাধা দিলে এসআই নুর কামাল এএসআই মেহেদিসহ পুলিশ সদস্যরা তাদের ওপর লাঠিচার্জ করে। এতে কমপক্ষে ১৫ জন আহত হয়েছেন। বিষয়ে জানতে চাইলে এসআই নুর কামাল চেয়ারম্যান অন্যদের মারপিট করা হয়নি বলে দাবি করে।  তিনি বলেন, চেয়ারম্যানের সমর্থকদের হামলায় তিনি নিজে, এসআই মেহেদি, কনস্টেবল মেহেদি রিপন নামের এক কনস্টেবল আহত হয়েছেন। এদিকে চেয়ারম্যান আব্দুর রহিমকে গ্রেফতারের কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে শ্যামনগর থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, তার বিরুদ্ধে ৬টি মামলার সাজা এবং ৪টি মামলার ওয়ারেন্ট রয়েছে। এসব অভিযোগে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে চেয়ারম্যানের ঘনিষ্ঠ সূত্র থেকে জানা যায়, সব মামলায় তিনি হাইকোর্টের জামিনে রয়েছেন।

তিনি আরও জানান, আব্দুর রহিমকে মারপিট করা হয়নি। এমনকি জনসাধারনের ওপরও পুলিশ লাঠিচার্জ করেনি। ৬টি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত এবং ৪টি মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আব্দুর রহিম সদ্যসমাপ্ত ইউপি নির্বাচনে কোন আইনে অংশগ্রহন করতে পেরেছেন এমন প্রশ্ন রাখা হলে ওসি তার সঠিক জবাব দিতে পারেননি। তিনি বলেন, এসব উচ্চ পর্যায়ের ব্যাপার নির্বাচন কমিশনের ব্যাপার। তবে আমাদের কাছে এসব মামলা সাজার কাগজপত্র রয়েছে। রিপোর্ট লেখার সময়ও দুপুর ১২টাও শ্যামনগর এলাকায় উত্তেজনা চলছিল। এলাকাবাসী শ্যামনগর থানার সামনে এসেও বিক্ষোভ প্রদর্শন করে চেয়ারম্যানের মুক্তি দাবি এবং মারপিটের ঘটনার জোর প্রতিবাদ জানায়।