সাঈদা সুলতানা>>
বাংলাদেশে সামাজিক-অর্থনৈতিক উন্নয়নে ব্যাপক অগ্রগতি হয়েছে। এ সাথে জ্বালানি হিসেবেও গ্যাসের ব্যবহার বাড়ছে। উল্লেখযোগ্যসংখ্যক মানুষ রান্নার কাজে এখন গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহার করে থাকেন, যা এলপিজি বা এলপি গ্যাস নামে পরিচিত। এটি মূলত দাহ্য হাইড্রোকার্বন গ্যাসের মিশ্রণ এবং জ্বালানি হিসাবে রান্নার কাজে, গাড়িতে ও ভবনের তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে ব্যবহার করা হয়। ১৯১০ সালে আবিষ্কৃত হওয়ার পর ১৯১২ সালে এ গ্যাস বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন শুরু হয়। আগে পাইপ লাইনের মাধ্যমে গ্যাসের ব্যবহার শুধুমাত্র শহরকেন্দ্রিক থাকলেও বর্তমানে সিলিন্ডারের মাধ্যমে গ্রাম-গঞ্জসহ সারাদেশেই ব্যাপকহারে গ্যাস ব্যবহৃত হচ্ছে। ফলে অসতর্ক ব্যবহারের কারণে বাড়ছে দুর্ঘটনা, যা প্রায়ই অসংখ্য মানুষের মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
গ্যাস বা সিলিন্ডার গ্যাস পাইপলাইন বিস্ফোরণের প্রতি ক্ষেত্রেই বেশিরভাগ সময় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে নারী ও শিশু। কারণ বাসাবাড়িতে গ্যাস ও গ্যাসের ব্যবহারের ক্ষেত্রে নারীরাই এগিয়ে এবং শিশুদের অবস্থান নারীদের আশেপাশেই থাকে বলে, বেশিরভাগ দুর্ঘটনায় নারীদের পাশাপাশি শিশুরাও ক্ষতিগ্রস্ত হয় ব্যাপকভাবে।
বিগত কয়েক বছরের তথ্যে গ্যাস সিলিন্ডার ও পাইপলাইন বিস্ফোরণের ভয়ঙ্কর চিত্রে নারী ও শিশুর প্রাণহানির ব্যাপক সংখ্যা লক্ষ্যণীয়। পত্রিকায় প্রকাশিত ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণের ঘটনাগুলোতে এ চিত্র উঠে এসেছে। মিরপুরে গ্যাস পাইপলাইনে বিস্ফোরণ, নারী-শিশুসহ দগ্ধ ৭, সূত্র- কালের কণ্ঠ, ২৬ আগস্ট, ২০২১। মগবাজারে ভয়াবহ বিস্ফোরণে শিশুসহ নিহত ৭, সূত্র- ভোরের কাগজ জুন ২৭, ২০২১। গাজীপুরে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে মা-মেয়ের মৃত্যু, সূত্র- বাংলাদেশ জার্নাল, ১৯ জুন ২০২১। হাজারীবাগে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে নারীর মৃত্যু, সূত্র-বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট ১৫ জুন ২০২১। লালমনিরহাটে সিলিন্ডার বিস্ফোরণে শিশুর মৃত্যু, দগ্ধ মা-বাবা, সূত্র- যুগান্তর, ০১ মে ২০২১। নারায়ণগঞ্জে গ্যাসের পাইপলাইন বিস্ফোরণ: শিশুর মৃত্যু, দগ্ধ ৩৭, সূত্র- সমকাল, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০। রূপনগরে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে শিশুর মৃত্যু, সূত্র-প্রথম আলো, ০৭ নভেম্বর ২০১৯।
এলপিজি সিলিন্ডার বিস্ফোরণের মূল কারণ হিসেবে বিশেষজ্ঞদের গবেষণায় হিসেবে দেখা যায়, যেহেতু সিলিন্ডারের গ্যাস খুব বেশি চাপে তরল করে প্রবেশ করানো হয়, তাই এটির বিস্ফোরণও খুব মারাত্মক হয়, এক্ষেত্রে বিস্ফোরণ হলে, শক ওয়েভ ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে। এ শক ওয়েভ শরীরের যে অংশে লাগে, সে অংশের ব্যাপক ক্ষতি হয়। অনেকসময় প্রাণহানিও ঘটে এর ফলে।
তাছাড়া সিলিন্ডার যদি লিক হয়, সেক্ষেত্রে গ্যাস ভালভ হোসপাইপ কিংবা রেগুলেটর লিক হয়ে বিস্ফোরণ ঘটাতে পারে। নিম্নমানের বা মেয়াদোত্তীর্ণ সিলিন্ডার গ্যাসের চাপ রক্ষা করতে না পেরে বিস্ফোরণ ঘটাতে পারে। যদি আগুন বা তাপ সিলিন্ডারের সংস্পর্শে চলে আসে, সেক্ষেত্রে বিস্ফোরণ ঘটতে পারে। অসতর্কতা, গ্যাসের চুলার চাবি বন্ধ না করা বা চাবি লুজ থাকা ইত্যাদি যেসব কারণে গ্যাস নির্গত হয়ে জমাট বেঁধে থাকে, সেসব কারণ বিষ্ফোরণ ঘটাতে পারে সহজে এবং ভয়াবহভাবে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা গেছে গ্যাস লিকের সময় চুলা জ্বালাতে ম্যাচের কাঠি ধরানোর সাথে সাথেই আগুন ধরে বিস্ফোরণ ঘটে।
বিস্ফোরণ প্রতিরোধে প্রতিক্ষেত্রে সর্তকতা অবলম্বন করা আবশ্যক। অনুমোদিত বিক্রেতাদের থেকেই গ্যাস সিলিন্ডার কেনা উচিত। এ সাথে নিশ্চিত করতে হবে সিলিন্ডারে কোম্পানির সিল রয়েছে কি না, সিলিন্ডারটির সেফটি ক্যাপটি সুরক্ষিতভাবে লাগানো রয়েছে কি না, ভূমির সমতলে সমান ও শুষ্ক জায়গায় সিলিন্ডারটি রাখা হয়েছে কি না, গ্যাস ভর্তি অবস্থায় সিলিন্ডারটি টানা হেঁচড়া বা মাটিতে গড়ানো কোনোভাবেই ঠিক না। বিক্রেতা বা ডেলিভারিম্যানের কাছ থেকে সিলিন্ডারের যথাযথ ব্যবহারবিধি ও ম্যানুয়াল সম্পর্কে জেনে নেয়া উচিত। সর্বোপরি, বিস্ফোরণ রোধে বিস্ফোরক পরিদপ্তর থেকে গ্যাস সিলিন্ডারের যেসব নিরাপত্তা নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, তা মেনে চলতে হবে সতর্কতার সাথে।
গ্যাস লিকের ঘটনার মতো ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির সম্মুখীন হলে আতঙ্কিত না হয়ে ঠা-া মাথায় পরিস্থিতির মোকাবিলা করা, অত্যন্ত জরুরি। গ্যাস লিক হয়েছে বা হচ্ছে বোঝা গেলে ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী, লাইট, ধূপকাঠি, মোমবাতি ইত্যাদি বন্ধ করে দেয়া ও নিভিয়ে ফেলা উচিত। সিলিন্ডার কানেকশন বন্ধ করে সেখানে সেফটি ক্যাপ লাগাতে হবে সতর্কতার সাথে। গ্যাস লিকের ফলে গ্যাসের গন্ধ পেলে ঘরের সব জানালা ও দরজা খুলে দিতে হবে, ফ্যানগুলো বন্ধ করে দিতে হবে। ঘটনার তীব্রতা দেখা দিলে দেরি না করে ফায়ার সার্ভিস ও পার্শ্ববর্তী থানার সাথে যোগাযোগ করতে হবে। নতুবা ৯৯৯ জরুরি নাম্বারটি ব্যবহার করে সাহায্য চাইতে হবে।
বিভিন্ন সময় পাইপলাইনে গ্যাসের বিস্ফোরণের কারণ নিয়ে বিভিন্ন সংস্থা ও নগর চিন্তাবিদগণের যেসব বক্তব্য, গণমাধ্যমে উঠে এসেছে তাতে দেখা যায়, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলী আহাম্মেদ খান, মগবাজারে বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্ত ভবন পরিদর্শন শেষে গণমাধ্যমকে জানান, ঢাকাসহ সারা দেশেই উন্নয়নকাজ চলছে। নগরায়ন ও শিল্পায়ন দ্রুত হচ্ছে। এসব কাজে অনেক ক্ষেত্রে বিল্ডিংকোড বা নির্মাণকাজে ফায়ার নির্দেশনা মানা হচ্ছে না। ফলে এ ধরনের দুর্ঘটনা ঘটছে প্রায়ই। বিদ্যুতের অবৈধ সংযোগ থেকে স্পার্ক ও অবৈধ পাইপলাইনের লিকেজ থেকে বের হওয়া গ্যাসের কারণে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় মসজিদে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটেছে বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছে তদন্ত সংস্থা সিআইডি।
নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের উপ-পরিচালক আবদুল্লাহ আল আরেফিনের মতে, অবৈধ সংযোগ ব্যবহারকারীদের অসচেতনতা, গ্যাস কোম্পানির কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারীর অসততার কারণে এসব ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেছে। বিশিষ্ট নগর পরিকল্পনাবিদ অধ্যাপক নজরুল ইসলামের মতে, পরিকল্পনা বাস্তবায়ন ও নিয়ন্ত্রণ সংস্থার মধ্যে সমন্বয়হীনতার অভাবই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্রধান বাধা। অবৈধ গ্যাস সংযোগ বন্ধের পাশাপাশি লাইনের নিয়মিত পরীক্ষা অবশ্যই করতে হবে। নইলে এরকম দুর্ঘটনা এবং জান-মালের ক্ষতি হতেই থাকবে। দীর্ঘ দিন ধরে নগর-পরিকল্পনার সঙ্গে সম্পৃক্ত মো. নুরুল্লাহর মতে, এ শহরের মহাপরিকল্পনার কোন ক্ষেত্রগুলো সিটি করপোরেশনের আওতাভুক্ত এবং কোনগুলো রাজউকের, তা অনেক ক্ষেত্রেই প্রশ্নবিদ্ধ। চরম সমন্বয়হীনতা, খোঁড়াখুঁড়ি করার কারণেও অনেক সময় লাইনে লিকেজ হয়। সঠিকভাবে তদারকি না করায় দুর্ঘটনাগুলো ঘটে।
এসব মতামতের ভিত্তিতে এটিই স্পষ্ট হচ্ছে যে, সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয়, সঠিক পরিচর্যা, জনসচেতনতা ও সর্তকতা অবলম্বন করে সিলিন্ডার গ্যাস, পাইপলাইনে গ্যাসের যথাযথ ব্যবহার দুর্ঘটনামুক্ত করে তা সকলের ব্যবহারের ক্ষেত্রে আস্থা অর্জন করা সম্ভব এবং তা আমাদের করতেই হবে। তবেই সরকার গৃহীত পদক্ষেপগুলো কার্যকর ও বাস্তবে রূপ নিবে সঠিক ও যথাযথভাবে।
জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিষ্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেড বাণিজ্যিক, আবাসিক ও শিল্প গ্রাহকদের মধ্যে পাইপ লাইনের মাধ্যমে গ্যাস সাপ্লাই দিয়ে থাকে। তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিষ্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেডের (ওয়েবসাইট তথ্য অনুযায়ী) অবৈধ গ্যাস সংযোগ ও অবৈধ পাইপলাইন অপসারণ কার্যক্রম সংক্রান্ত তথ্যে যা জানা যায়, প্রতিবেদনের মাস: আগস্ট ২০২১ (১ আগস্ট হতে ৩১ আগস্ট ২০২১ পর্যন্ত)। ১ জানুয়ারি ২০২০ হতে ৩১ আগস্ট ২০২১ পর্যন্ত বিভিন্ন শ্রেণী/গ্রাহক থেকে মোট উচ্ছেদ করেছে, আবাসিক বার্ণার/সংযোগ-৪৫৩,১৫৮, দৈর্ঘ্য-৭৩৭.৩১কিঃমিঃ, বাণিজ্যিক বার্ণার/সংযোগ-২০৫ ও শিল্প বার্ণার/সংযোগ-৬। ৩১ আগস্ট এর পরবর্তীতে চিহ্নিত অবশিষ্ট বার্ণার/সংযোগ-২৯,৫৯৬, দৈর্ঘ্য-১০২ কিঃমিঃ।
তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিষ্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেড এর অবৈধ গ্যাস সংযোগ ও অবৈধ পাইপলাইন উচ্ছেদের উদ্যোগ প্রশংসনীয় এবং আমরা আশাবাদী এ উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে। তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষের অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্নকরণের এ উদ্যোগের ফলে গ্রাহকদের বৈধ ও নিরাপদ গ্যাস লাইন সংযোগ প্রাপ্তি ও ব্যবহার সহজতর হবে।
একসময় এমন দিন ছিল, যেসময় অনেক মফস্বল শহর ও গ্রামগঞ্জে প্রায় সকলেই লাকড়ি, গাছের পাতা, খড় সংগ্রহ করে, গোবর শুকিয়ে রান্নার জন্য আগুনের উপকরণ তৈরি করতো। পাশাপাশি অন্যান্য আরো বিভিন্ন ধরণের উপকরণের মাধ্যমেও রান্না করার আগুন তৈরি করা হতো আগে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে। গ্রামেগঞ্জে বিভিন্ন ধরনের মাটির চুলার প্রচলন ছিল আগে আরো বেশি, রান্নার কাজে কোরোসিন চালিত চুলাও ব্যবহার করা হতো সেসময়। এ নিয়ে নারীদের মধ্যে একটা উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা কাজ করতো, অনেক সময় আগুনের উপকরণ সংগ্রহের অভাবে এমনকি সময়মতোরান্না করাও সম্ভব হয়ে উঠতোনা।
বর্তমান সরকার কম খরচে জ্বালানি গ্যাস সরবরাহ করে সারাদেশে মফস্বল, গ্রাম-গঞ্জে সিলিন্ডার ব্যবহারের ক্ষেত্রে এক বৈপ্লবিক পরিবেশ তৈরি করেছে, যার ফলে নারীদের সময় অপচয় রোধ হয়েছে, পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন পরিবেশ তৈরি হয়েছে, স্বল্প সময়ে অনেক রান্নার আয়োজনে সুবিধা তৈরি হয়েছে। আগে লাকড়ি ব্যবহারের কারণে চুলায় আগুন তৈরির উপকরণ সংগ্রহে রাখার জন্য একটা নির্দিষ্ট শুষ্ক স্থানে এসব উপকরণ স্তুপ করে রাখা হতো। গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহারের পর এটার প্রয়োজন এখন আর হচ্ছে না বললেই চলে। গ্যাস ব্যবহারের ফলে এখন একটা খোলামেলা পরিবেশ তৈরি হয়েছে। নারীরা এখন সিলিন্ডার গ্যাস ব্যবহারে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছেন। মফস্বল ও গ্রাম-গঞ্জেও আধুনিকতার ছোঁয়া এখন লক্ষ্যণীয়।
আগে আগুন তৈরিতে পর্যাপ্ত উপকরণ সংগ্রহের প্রয়োজনে বিভিন্ন ধরনের গাছকেটে লাকড়ি সংগ্রহ করা হতো। এতে বৃক্ষ নিধন করে ভয়াবহ পরিবেশ বিপর্যয়ের সম্মুখীন হওয়ার আশংকা দেখা দিয়েছিল। গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহারের ফলে পরিবেশের সে বিপর্যয় অনেকাংশেই রোধ করা সম্ভব হয়েছে।
সর্বোপরি, কম খরচে রান্নায় সিলিন্ডার ব্যবহারের মতো সরকারের এই যুগান্তকারী পদক্ষেপ নারীসহ সকল সাধারণ জনগণের জন্য এক আশীর্বাদ। সতর্কতার সাথে নিয়ম মেনে সিলিন্ডার গ্যাস ব্যবহার করলে মফস্বল-গ্রামসহ সারা বাংলার নারী-শিশুরা যেমন দুর্ঘটনার হাত থেকে নিজেদের রক্ষা করতে পারবে, তেমনি নিরাপদ সমাজ বিনির্মাণে নারীর অবস্থানও আরও সুসংহত ও সমৃদ্ধ হবে। কাজেই সিলি-ার ও পাইপ লাইনে গ্যাসের বিষ্ফোরণ প্রতিরোধে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সমন্বিত কার্যক্রমের সাথে সাথে আমাদের সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই। লেণখক: সহকারী তথ্য অফিসার, পিআইডি।










































