স্টাফ রিপোর্টার ।।
জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবে ক্রমেই তলিয়ে যাচ্ছে দেশের উপকূলীয় এলাকা। বাস্তুচ্যুত হয়ে পড়ছে হাজার হাজার মানুষ। এসব মানুষের প্রতীকী উপস্থাপনের মাধ্যমে বিশ্বনেতাদের কাছে কার্বন নির্গমন বন্ধের দাবি জানালেন খুলনার তরুণরা।
খুলনা, সাতক্ষীরাসহ উপকূলের বিস্তীর্ণ এলাকা তলিয়ে যাওয়ায় নিমজ্জিত জনগোষ্ঠীর দুর্ভোগের দিকে জলবায়ু সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর রাষ্ট্রপ্রধানদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তারা।
শুক্রবার খুলনা মহানগরীর বয়রা দিঘিতে এ কর্মসূচি পালিত হয়। বাংলাদেশের বৈদেশিক দেনাবিষয়ক কর্মজোট, উপকূলীয় জীবনযাত্রা ও পরিবেশ কর্মজোট এবং পার্টিসিপেটরি রিসার্চ অ্যাকশন নেটওয়ার্ক (প্রান) যৌথভাবে প্রতীকী এ প্রতিবাদ কর্মসূচির আয়োজন করে।
প্রতিবাদ কর্মসূচিতে তরুণরা জানান, প্রতিবছরের মতো এবারও আগামী ৩০ অক্টোবর থেকে জাতিসংঘ জলবায়ু সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। বছরের পর বছর উন্নত বিশ্বের নেতাদের প্রতিশ্রুতি দিয়ে আসছেন, কিন্তু প্রতিশ্রুতি পূরণ করছেন না।
জলবায়ুবিষয়ক আন্তর্জাতিক সংগঠন আইপিসিসি সতর্ক করে দিয়েছে যে, জলবায়ু দুর্যোগ ঠেকানোর সর্বশেষ সুযোগ দ্রুত শেষ হয়ে যাচ্ছে। জীবাশ্ম জ্বালানিভিত্তিক উন্নয়ন বন্ধ না করলে একুশ শতকের শেষ নাগাদ মানবসভ্যতা রক্ষা করা যাবে না। এমন একটি জরুরি অবস্থায় জাপান ও অস্ট্রেলিয়া কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করে যাচ্ছে। বাংলাদেশের উপকূলের ঝুঁকি বিবেচনায় না নিয়েই চীন, জাপান ও যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানিগুলো জীবাশ্ম জ্বালানিতে আরও বেশি হারে বিনিয়োগ করছে। আমাদের জীবন নয়, মুনাফাই তাদের কাছে বড় হয়ে উঠেছে।
কয়লাসহ জীবাশ্ম জ্বালানিতে বিনিয়োগ বন্ধ করা, শতভাগ নবায়নযোগ্য জ্বালানি নিশ্চিত করা, শিল্পোন্নত দেশগুলোর প্রতিশ্রুত ১০০ বিলিয়ন ডলার নিশ্চিত করা, ২০৫০ সালের মধ্যে কার্বন নির্গমন শূন্যে নামিয়ে আনার জন্য পদক্ষেপ নেওয়া এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করার দাবি তুলে ধরেন তারা।










































