স্পোর্টস ডেস্ক।।
মাঠে তিনি ম্যাজিক দেখান, প্রতিপক্ষের ডিফেন্স ভেঙে চুরমার করেন, আবেগ আর ফুটবলকে মেলান এক সুতোয়। ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে আলজেরিয়ার বিপক্ষে অসাধারণ এক হ্যাটট্রিক করে আর্জেন্টিনাকে ৩-০ গোলের বড় জয় এনে দিয়েছেন লিওনেল মেসি।
একই সাথে ছুঁয়েছেন বিশ্বকাপের ইতিহাসে মিরোস্লাভ ক্লোসার সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ডও। তবে এই রেকর্ডের মহোৎসবের চেয়েও ফুটবল বিশ্বকে বেশি নাড়া দিয়েছে আলজেরিয়ার বিপক্ষে তার প্রথম গোলটি করার পরের দৃশ্য। গোল উদযাপনের পর মাঠেই কাঁদতে দেখা যায় এই মহাতারকাকে। ভক্তদের মনে তখন একটাই প্রশ্ন, কেন এই কান্না?
ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে নিজের এই আবেগঘন মুহূর্তের পেছনের আসল রহস্য উন্মোচন করেছেন খোদ মেসিই।
৩৮ বছর বয়সী এই আর্জেন্টাইন অধিনায়ক জানিয়েছেন, মাঠের এই কান্নার পেছনে ফুটবলীয় কোনো কারণ ছিল না, বরং এর পেছনে লুকিয়ে ছিল সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত ও পারিবারিক এক কঠিন সময়।
মেসি জানান, বিশ্বকাপের এই উদ্বোধনী ম্যাচের আগের কয়েকটি দিন তাকে ভীষণ কঠিন ও জটিল পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে, যা কোনোভাবেই খেলার সাথে সম্পর্কিত নয়।
তবে সুনির্দিষ্টভাবে সেই সমস্যার কথা প্রকাশ না করলেও এই সংকটময় মুহূর্তে দলের সতীর্থ এবং আর্জেন্টিনা ফুটবল ফেডারেশনের কর্মকর্তারা যেভাবে তার পাশে দাঁড়িয়েছেন, তার জন্য সবার প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন তিনি। দল তাকে মানসিকভাবে চাঙ্গা রাখতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে বলেই তিনি মাঠে এমন পারফর্ম করতে পেরেছেন বলে মনে করেন এলএমটেন।
ক্যারিয়ারের এই সায়াহ্নে এসে অর্জনের খাতাটা পূর্ণ করার পর বর্তমান সময়টাকে নিজের ক্যারিয়ারের শীর্ষ পর্যায় হিসেবে দেখছেন মেসি। অন্যদিকে দলের মূল তারকার এমন রূপ দেখে ম্যাচ শেষে স্তব্ধ হয়ে গেছেন আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনিও।










































