ঢাকা অফিস ।।
ভারতে অনুপ্রবেশকারী বনানী থানার পরিদর্শক শেখ মো. সোহেল রানাকে বন্দী বিনিময় চুক্তির আওতায় দেশে ফিরিয়ে আনা হবে। আর, এই বিষয়ে কোন সমস্যা হবে না বলে জানিয়েছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদ।
আর বিজিবির অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ এম এম খায়রুল কবীর জানান, পুলিশ বিভাগ ও কুটনৈতিক তৎপরতা এই দুই প্রক্রিয়াতেই তাকে দেশে ফেরত আনতে হবে।
চাকরীবিধি লঙ্ঘন ও বিদেশে পালানোর অপরাধে তার বিরুদ্ধে কেবল বিভাগীয় ব্যবস্থাই নয় ফৌজদারি মামলাও চলবে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।
ই-কমার্স ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান, ই-অরেঞ্জের কথিত পৃষ্ঠপোষক বনানী থানার পরিদর্শক শেখ সোহেল রানাকে ভারত-নেপাল চ্যাংড়াবান্ধা সীমান্ত এলাকা থেকে শুক্রবার আটক করে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী।
ই-অরেঞ্জ নিয়ে মামলায় গ্রেপ্তার এড়াতে দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা ছিটমহল দিয়ে তিনি দালালের মাধ্যমে অবৈধভাবে ভারতে পালিয়ে যান। সেখান থেকে তার নেপাল হয়ে অন্য কোন দেশে গা ঢাকা দেয়ার পরিকল্পনা ছিলো।
রোববার, সোহেল রানাকে কোচবিহারের মেখলিগঞ্জ থানা পুলিশ আদালতে হাজির করা হলে বিচারক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন দিনের রিমাণ্ড মঞ্জুর করেন।
তবে এখন এই বিষয়ে বিজিবির তেমন কোন করণীয় নেই বলে জানান বিজিবির অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ এম এম খায়রুল কবীর।
আর, সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক এ কে এম শহীদুল হক বলছেন, সোহেল রানা চাকরিবিধি লঙ্ঘনের সঙ্গে ফৌজদারি অপরাধও করেছেন। তাই তার বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা হবার কথা।
এদিকে, রোবববার বিকালে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের হল অব ইন্টেগ্রিটিতে পুলিশের সব সদস্যের পদমর্যাদাভিত্তিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি উদ্বোধন করে মহাপরিদর্শক বলেন, স্পষ্টতই বোঝা যাচ্ছে মামলার প্রক্রিয়া দেখে অবৈধভাবেই দেশ ছেড়ে আরেক দেশে অনুপ্রবেশ করেছেন সোহেল।
তিনি বলেন, ‘ভারতের সাথে আমাদের এগ্রিমেন্ট রয়েছে। দেশেও সেই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। আসামি হিসেবে তাকে ফেরত আনা যাবে বলে আমি মনে করি। আমরা এ প্রক্রিয়া শুরু করছি’।
সোহেল রানা কিভাবে দেশ ত্যাগ করলেন, এতে কারও গাফিলতি রয়েছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের সাথে কথা হয়েছে। এ বিষয়টি তদন্ত চলছে বলে জানান পুলিশের মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদ।










































