স্পোর্টস ডেস্ক।।
অস্ট্রেলিয়ার কাছে বিধ্বস্ত হয়েছে বাংলাদেশের মেয়েরা। আগে ব্যাটিং করে নিগার সুলতানা জ্যোতির দল করতে পেরেছে মাত্র ৭৭ রান। সেই রান অস্ট্রেলিয়ার মেয়েরা টপকে যায় ৯.৩ ওভারেই। বাজেভাবে হারের পর বাংলাদেশের এখন লক্ষ্য পরের ম্যাচে পাকিস্তানের বিপক্ষে ঘুরে দাঁড়ানো। নেদারল্যান্ডসকে হারিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করেছিল বাংলাদেশ।
কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে হেরে সেই মোমেন্টাম হারিয়েছে তারা। এখন আগামী শনিবার (২০ জুন) পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচের দিকেই তাকিয়ে অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি।
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ হেরে অধিনায়ক জ্যোতি বলেন, ‘প্রথমত, আমরা টুর্নামেন্টটা ভালোভাবেই শুরু করেছিলাম। প্রথম জয়টি আমাদের মোমেন্টাম এনে দিয়েছিল, কিন্তু আমরা সেটাকে ধরে রাখতে পারিনি। এখন আমাদের পরের ম্যাচ পাকিস্তানের বিপক্ষে। আমরা সত্যিই আশা করছি সেখানে ঘুরে দাঁড়াতে পারব। আমি বিশ্বাস করি, দল হিসেবে আমাদের সেই সামর্থ্য আছে। তাই আমরা সামনে তাকিয়ে আছি এবং পরবর্তী ম্যাচের অপেক্ষায় রয়েছি।’
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এভাবে বিধ্বস্ত হয়ে হতাশা লুকাতে পারেননি অধিনায়ক জ্যোতি। শুরুতে দ্রুত উইকেট হারানোর কারণেই চাপে পড়ে যান বলে উল্লেখ করেছেন বাংলাদেশের অধিনায়ক, ‘হ্যাঁ, অবশ্যই আমি হতাশ। কারণ আমরা সবাই জানি যে দল হিসেবে আমরা এর চেয়ে ভালো। আমাদের বোলিং ইউনিট খুবই শক্তিশালী, তাই আমরা আগে ব্যাট করতে চেয়েছিলাম। যদি আমরা বোর্ডে কিছু রান তুলতে পারতাম, তাহলে তাদের (অস্ট্রেলিয়ার) ওপর কিছুটা হলেও চাপ তৈরি করার সুযোগ থাকত। কিন্তু তা হয়নি, কারণ প্রথম ১০ ওভারের মধ্যেই আমরা প্রায় পাঁচটি উইকেট হারিয়ে ফেলি। তখন মাঝের সারির ব্যাটারদের জন্য সেট হওয়া এবং রান তোলা খুব কঠিন হয়ে যায়।’
ইংল্যান্ডের আলো-বাতাস বাংলাদেশ বা উপমহাদেশের চেয়ে অনেকটাই ভিন্ন। কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে অধিনায়ক জানান, ‘আমার মনে হয় এই উইকেট পেস বোলারদের জন্য খুব সহায়ক। তারা নতুন বলে খুব ভালো বোলিং করেছে এবং সেখানেই আমরা গতি হারিয়ে ফেলি। তবে মারুফাও নতুন বলে খুব ভালো বোলিং করেছে। কিন্তু আপনি যদি যথেষ্ট রানই না করেন, তাহলে বোলিং ইউনিটের করার মতো তেমন কিছু থাকে না।’
দুই ম্যাচে এক জয় নিয়ে ২ পয়েন্ট অর্জন করেছে বাংলাদেশ। টেবিলের তৃতীয় স্থানে রয়েছে তারা। পরের ম্যাচ ২০ জুন, পাকিস্তানের বিপক্ষে সাউদাম্পটনে। অস্ট্রেলিয়া ম্যাচ ভুলে বাংলাদেশ এখন সামনে তাকাতে চায়, ‘দেখুন, যা হওয়ার তা হয়ে গেছে। এখন সেটা নিয়ে আর কিছু করার নেই। আমাদের বোলিং ইউনিট খুবই ভালো। যদি আমরা পাওয়ারপ্লেতে আরও কিছু উইকেট নিতে পারতাম, তাহলে হয়তো তাদের ওপর আরও চাপ তৈরি করতে পারতাম। আমরা মারুফাকে দিয়ে শুরু করেছিলাম এবং সে খুব ভালো বোলিং করেছে। যদি আরও কয়েকটি উইকেট নিতে পারতাম, তাহলে হয়তো কিছু সুযোগ তৈরি হতো।’











































