# শনিবারের মধ্যে ক্ষতিগ্রস্তঘর সংস্কার সম্পন্ন করা হবে
স্টাফ রিপোর্টার
খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার আপার ভদ্রা নদী পুনঃখননের কাজের কারণে চুকনগর আশ্রয়ণ প্রকল্পের কয়েকটি ঘর ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ায় দুঃখ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। বুধবার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এ কথা বলেছেন ভবদহ এলাকার জলাবদ্ধতা দূরীকরনে ছয়টি নদী খনন প্রকল্পের সেনাবাহিনী নিযুক্ত পিডি লেঃ কর্নেল মামুনুর রশীদ। তিনি বলছেন ক্ষতিগ্রস্থদের সকল ক্ষতিনিরুপন করে তা ইতিমধ্যে সংস্কার করা শুরু হয়েছে।
এ সময় উপস্থিত যশোর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী পলাশ কুমার ব্যানার্জী বলেন, গত তিন দিনে খননের মাটি অপসারণ করা হয়েছে। ঘরের সমস্যা গুলো সমাধান করা হচ্ছে।
এ সময় তার সাথে আরো উপস্থিত ছিলেন, পানি সম্পদ মন্ত্রণায়ের অতিরিক্ত সচিব মোঃ আজীম আহমেদ, উপ সচিব মোঃ রেজাউল করীম, পানি উন্নয়ন বোর্ড খুলনার প্রধান প্রকৌশলী মোঃ আবুল বাশার, তত্ববধায়ক প্রকৌশলী বি এম আব্দুল মোমিন, পানি উন্নয়ন বোর্ড যশোরের নির্বাহী প্রকৌশলী পলাশ কুমার ব্যানার্জী।
প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর আওতায় ২০২১ সালের ২৩ জানুয়ারি ও ২০ জুন এবং ২২ সালে তিনটি ধাপে খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার চুকনগর, খর্নিয়া এবং কাঁঠালতলা এলাকায় শতাধিক ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারগুলোকে পুনর্বাসন করে তৎকালীন সরকার। চুকনগর, খর্নিয়া এবং কাঁঠালতলা এলাকায় খাস জমি চিহ্নিত করে দুই কক্ষবিশিষ্ট সেমি পাকা ঘরগুলো নির্মাণ করা হয়। যশোর ও খুলনার ভবদহ অঞ্চলের জলাবদ্ধতা নিরসনে আপার ভদ্রাসহ ৫টি নদীর (হরিহর, হরি-তেলিগাতী, আপারভদ্রা, টেকা ও শ্রী) ৮১.৫ কিলোমিটার পুনঃখনন কাজ দেয় সরকার। পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) এবং সেনাবাহিনীর মধ্যে নদী খননের এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয় ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেড মাধ্যমে বাস্তবায়িত হওয়ায় এই নদী খনন শুরু হয়। এটি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেড বাস্তবায়ন করছে। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) এবং সেনাবাহিনীর মধ্যে নদী খননের এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয় ২০২৫ সালের ২২ সেপ্টেম্বর। প্রকল্পের আওতায় যশোর ও খুলনা এলাকার হরিহর নদী ৩৫ কিলোমিটার, হরি-তেলিগাতি নদী ২০ কিলোমিটার, আপার ভদ্রা নদী ১৮.৫ কিলোমিটার, টেকা নদী ৭ কিলোমিটার ও শ্রী নদী ১ কিলোমিটারসহ মোট ৫টি নদীর ৮১.৫ কিলোমিটার পুনঃখনন করা হবে। সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী সেনাবাহিনী ‘অর্পিত ক্রয়কার্য’ পদ্ধতিতে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে। নদী খননের পাশাপাশি নিষ্কাশন ব্যবস্থা উন্নয়ন, ড্রেজড মাটি সংরক্ষণ ও স্থানীয় জনগণের চলাচলের রাস্তা হিসেবে ব্যবহারযোগ্য করা হবে। পরিবেশবান্ধব পুনঃখনন নিশ্চিত করতে টার্ফিং ও বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমও হাতে নেওয়া হবে। ভবদহ অঞ্চলের জলাবদ্ধতা নিরসনে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়।










































