Home আঞ্চলিক চিংড়ি উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশংকায় চাষীরা: পাইকগাছায় চাহিদার তুলনায় বাগদার পোনা সরবরাহ...

চিংড়ি উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশংকায় চাষীরা: পাইকগাছায় চাহিদার তুলনায় বাগদার পোনা সরবরাহ ব্যাপক কম

6

বাবুল আক্তার, পাইকগাছা

পাইকগাছায় চলতি বছর চাহিদার তুলনায় বাগদার পোনা সরবরাহ ব্যাপক কম। অন্য বছরের তুলনায় দাম ৩ থেকে ৪ গুণ বেশি হওয়ায় চরম হতাশাগ্রস্থ হয়ে পড়েছে চিংড়ি চাষীরা। কোথাও মিলছে না নদীর পোনাও। ফলে হাজার হাজার হেক্টর জমিতে চিংড়ি উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশংকায় ভুগছে চিংড়ি চাষীরা। জানা যায়, পাইকগাছাসহ দক্ষিণাঞ্চলে আশির দশক থেকে চিংড়ি চাষ হয়ে আসছে। উপজেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় মোট ঘেরের সংখ্যা ৩ হাজার ৯৪০টি। যার আয়তন ১৭ হাজার ৭৫ হেক্টর। গত বছর ব্যাপক ভাইরাসজনিত কারণে মোড়কের পরও ৫ হাজার ৭২০ মেট্রিক টন চিংড়ি উৎপাদন হয়েছে। চলতি বছর বাগদার পোনার ব্যাপক সংকট ও অধিক দামের কারণে অধিকাংশ চিংড়ি ঘেরে অনেকেই পোনা ছাড়তে পারেনি। এছাড়া মে মাস থেকে জুলাই মাস পর্যন্ত মৎস্য প্রজননজনিত কারণে মাদার আহরণ বন্ধ থাকায় এ বছর চিংড়ি চাষ নিয়ে হতাশায় ভুগছে চাষীরা। গত বছর ১ হাজার পোনা দাম ছিল ২-৩শ টাকা, চলতি বছর যার দাম ৯শ থেকে ১ হাজার টাকা। ব্যবসায়ী গোলাম কিবরিয়া রিপন জানান, গত বছরের চেয়ে চলতি বছর ৮০% পোনার সংকট। প্রতিদিন এলাকায় ৭০-৮০ লাখ পোনার চাহিদা থাকলেও সরবরাহ রয়েছে মাত্র ৭-৮ লাখ। কক্সবাজার, খুলনা, সাতক্ষীরায় ৮০টি হ্যাচারীর মধ্যে ২৮টি হ্যাচারীতে পোনা উৎপাদিত হচ্ছে। নদীতে মিলছে না প্রাকৃতিক উপায়ে পাওয়া বাগদার পোনা। চিংড়ি চাষী সবুজ মৎস্য খাবারের স্বত্ত্বাধিকারী মাশফিয়ার রহমান সবুজ জানান, বিগত বছরে চিংড়ি ঘেরে একদিনে যে পরিমাণ পোনা দিয়েছি, ১০দিনেও সে পরিমাণ পোনা ছাড়তে পারছি না।  এভাবে থাকলে আদৌ চিংড়ি চাষ করা সম্ভব হবে না। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা এস,এম, শহিদুল্লাহ জানান, মাদার সংকটের কারণে পোনার সংকট দেখা দিয়েছে। খুব তাড়াতাড়ি পোনা সংকট কেটে যাবে বলে তিনি আশাবাদী।