Home আঞ্চলিক টাকা ছাড়া ফাইল ছাড়ে না সাতক্ষীরার তালা এলজিইডির হিসাব সহকারী মুস্তাফিজ

টাকা ছাড়া ফাইল ছাড়ে না সাতক্ষীরার তালা এলজিইডির হিসাব সহকারী মুস্তাফিজ

9

ইলিয়াস হোসেন, তালা (সাতক্ষীরা)।।

সাতক্ষীরার তালা এলজিইডি চলছে অফিসে রমরমা ঘুষ বাণিজ্য। প্রতি ফাইলে ৫০০ থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত দিতে হয় হিসাব সহকারী মোস্তাফিজুর রহমানকে। এভাবে রাতারাতি কোটিপতি বনে গেছে হিসাব সহকারী মুস্তাফিজুর রহমান।

বুধবার তালা উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যলয়ে যেয়ে হিসাব সহকারী মুস্তাফিজুর রহমানের কাছে পেমেন্ট সার্টিফিকেট চান মেসার্স আকবর কন্সট্রাশনের প্রোপাইটর আকবর হোসেন। এসময় হিসাব সহাকরী মুস্তাফিজুর রহমান ঐ ঠিকাদারের কাছে ৫শ টাকা দাবি করেন। ঠিকাদার টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় তার সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ শুরু করেন হিসাব সহাকরী মুস্তাফিজ। এক পর্যায়ে তাদের ভিতর বাকবিতান্ডার সৃষ্টি হয়।

এ সময় ঘটনা স্থলে উপস্থিত ঠিকাদারদের মধ্যে আসিব হোসেন শোভন অভিযোগ করে বলেন, ফাইল প্রতি মুস্তাফিজ ৫শ থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত নিয়ে থাকেন অর্থাৎ এক টাকার ফাইলেও দশমিক পাঁচ শতাংশ হিসাব করে টাকা দিতে হয় তাকে। অন্যথায় সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের সাথে অসৌজন্য মূলক আচরণসহ নানান অজুহাত দেখাতে থাকে সে।

নাম না প্রকাশের শর্তে এক ঠিকাদার বলেন, হিসাব সহকারি মুস্তাফিজ যে উপজেলায় কর্মরত থাকে সেখানেই ঠিকাদারদের জিম্মি করে তার রমরমা ঘুষ বাণিজ্যের অভয়অরণ্য গড়ে তোলে। তার চাহিদা মতো টাকা না দিলে চরম ভূগান্তি ফেলেন ঠিকাদারদের। আমার মনে হয় তালায় যেহেতু কোনো হিসাব রক্ষক নেই সংগত কারণেই ভারপ্রাপ্ত উপজেলা প্রকৌশলী রথীন্দ্র নাথ কে ম্যানেজ করে সে এই ঘুষ বাণিজ্যের রমরমা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।

অভিযুক্ত হিসাব সহকারি মুস্তাফিজুর রহমান এর সাথে মুঠো ফোনে ঘুষ বানিজ্যের অভিযোগ এর বিষয় জিঞ্জাসাবাদে তিনি কোন কথা না বলে ফোনটি কেটে দেন।

এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলী রথিন্দ্র নাথ হালদার এ প্রতিবেদককে বলেন, আমি আপনার নিকট হতে বিষয়টি শুনলাম। যদি সে দূণীতি করে থাকে তাহালে উপরোস্ত কর্মকর্তার সাথে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করবো। দোষী প্রমানিত হলে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।