Home খেলাধুলা বিশ্বকাপ জিতিয়েও দল থেকে বাদ পড়ে হেসেছিলেন সূর্যকুমার

বিশ্বকাপ জিতিয়েও দল থেকে বাদ পড়ে হেসেছিলেন সূর্যকুমার

0

স্পোর্টস ডেস্ক।।

জাতীয় দল থেকে বাদ পড়া নিয়ে নিয়ে অবশেষ মুখ খুলেছেন ভারতের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। চলতি বছরের শুরুতে দেশের মাটিতে সূর্যকুমারের নেতৃত্বে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতে ভারত। এরপর দল থেকে বাদ পড়েন তিনি। সূর্যর জায়গায় আয়ারল্যান্ড ও ইংল্যান্ড সিরিজের জন্য অধিনায়ক করা হয় শ্রেয়াস আইয়ারকে।

নির্বাচকদের সিদ্ধান্ত নিয়ে তখন নানা আলোচনা হলেও সূর্যকুমার এত দিন চুপ ছিলেন। সাবেক ভারতীয় ক্রিকেটার আকাশ চোপড়ার ইউটিউব চ্যানেলে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নীরবতা ভেঙেছেন সূর্য। দলে থেকে বাদ পড়ার প্রতিক্রিয়া হেসেছিলেন বলে জানিয়েছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপজয়ী এই অধিনায়ক।

সূর্যকুমার বলেন, ‘যখন দেখলাম দলে আমার নাম নেই, আমি হেসেছিলাম। দলের হয়ে খেলার সময় চাপের মুহূর্তে বা যখন পরিস্থিতি আমার পক্ষে যায়নি, তখনো আমি সব সময় হাসার চেষ্টা করেছি। নিজেকে শান্ত রাখার চেষ্টা করেছি।’

অজিত আগারকারের নেতৃত্বাধীন নির্বাচক কমিটি সিদ্ধান্তটা যে তার কাছে একেবারে অপ্রত্যাশিত ছিল, সেটিও স্বীকার করেছেন সূর্য। তিনি বলেন, ‘২০২৬ সালে এসে আমি ভেবেছিলাম, সামনের দুই বছরও দলটাকে এগিয়ে নিয়ে যাব। সামনে অলিম্পিক, এরপর আরেকটি টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ ছিল সামনে। কিন্তু আপনি যা ভাবছেন আর অন্যজন যা ভাবছেন, দুটো ভিন্ন বিষয়। নির্বাচকেরা যদি মনে করে থাকেন সামনে এগিয়ে যাওয়ার জন্য এটাই ভালো সিদ্ধান্ত, তারা সেই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।’

দল থেকে বাদ পড়ার পর কিছুদিন সিদ্ধান্তটি মেনে নিতে কষ্ট হয়েছিল সূর্যর। তিনি বলেন, ‘শ্রেয়াসের সঙ্গে আমি অনেক দিন খেলেছি। সে ভালো ক্রিকেটার, ভালো মানুষ, ভালো অধিনায়কও। ওকে কেন অধিনায়ক করা হলো, এটা নিয়ে মাথাব্যথা ছিল না। কিন্তু আমি হতাশ ছিলাম। কারণ, দুই বছরে আপনি একটি সিরিজও হারেননি।

বিশ্বকাপ জিতেছেন, এশিয়া কাপ জিতেছেন। সবকিছু যখন ভালোই চলছে, তখন পরিবর্তনের প্রয়োজন কেন? এই প্রশ্নটাই আমার মাথায় ঘুরছিল।’

বিশ্বকাপের পর দেড় মাস বাড়িতে বসে থাকার সময়টাই সবচেয়ে কঠিন ছিল বলে জানিয়ে সূর্য বলেন, ‘আমি ভাবছিলাম, এটা কীভাবে হলো? কীভাবে সম্ভব? আমরা তো সবে বিশ্বকাপ জিতলাম। হ্যাঁ, আইপিএল আমার প্রত্যাশামতো হয়নি। আমরা বাড়িতে বসে ছিলাম। বন্ধু ও পরিবারের সদস্যরা আসতেন, সবাই বলতেন, সমস্যা নেই, জীবনেরই অংশ। কিন্তু তারা চলে গেলে আমরা আবার বাড়িতে একা থাকতাম।’