নগরীতে কেএমপির দরিদ্রদের মাঝে ত্রাণ ও আর্থিক সহায়তা
খবর বিজ্ঞপ্তি
নগরীর বয়রাস্থ পুলিশ লাইন্সে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে ২৪১ জন দরিদ্রদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। রবিবার (৮ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টায় কেএমপি’র ত্রাণ সহায়তা কার্যক্রমে প্রত্যেককে (নগদ ২০০ টাকা, ৭ কেজি চাল, ১ কেজি ডাল, ২ কেজি আলু, ১ কেজি পেঁয়াজসহ মোট-১১ কেজি পরিমাণ বিতরণ করা হয়।
উক্ত ত্রাণসামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেএমপির পুলিশ কমিশনার মো. মাসুদুর রহমান ভূঞা। তিনি বলেন, “করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বিস্তার ও লকডাউনকে কেন্দ্র করে পরিবহন শ্রমিক ও অসহায় মানুষ যারা খাদ্যের অভাবে কষ্ট করছে, আমরা তাদের পাশে দাঁড়িয়েছি।” এসময় উপস্থিত ছিলেন কেএমপি’র অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) এসএম ফজলুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (এএন্ডও) সরদার রকিবুল ইসলাম, ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (উত্তর) মোল্লা জাহাঙ্গীর হোসেন, ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (সদর) মোহাম্মদ এহ্সান শাহ, ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (ডিবি) বিএম নুরুজ্জামান, ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (প্রসিকিউশন) রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ, পিপিএম; ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (এফএন্ডবি) শেখ মনিরুজ্জামান মিঠু, ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (ইএন্ডডি) মো. কামরুল ইসলাম, ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (আরসিডি) মনিরা সুলতানা, অতিরিক্ত ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (সোয়াট) মো. মারুফাত হুসাইন, অতিরিক্ত ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (সদর) মো. শাহ্ জাহান শেখ, অতিরিক্ত ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) সোনালী সেন, অতিরিক্ত ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (ফোর্স) খন্দকার লাবনীসহ সহকারী পুলিশ কমিশনারবৃন্দ, অফিসার ইনচার্জবৃন্দ এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সম্মানিত সাংবাদিকবৃন্দ।
কেএমপির অভিযানে মাদকসহ গ্রেফতার ৩
স্টাফ রিপোর্টার
গত ২৪ ঘন্টায় খুলনা মহানগর পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযানে ৫০ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতার মাদক ব্যবসায়ীরা হলেন নগরীর ৩৩, পশ্চিম বানিয়াখামার ক্রস রোডের মৃত. গফ্ফার তালুকদার এর ছেলে রুম্মান তালুকদার (২৮), খালিশপুর হাউজিং বাজারের ফজলুল হকের ছেলে মো. সোহাগ হাওলাদার (৪০) ও আলমনগর পালপাড়ার দুলাল চন্দ্র শীল এর ছেলে নবমুসলিম মো. আব্দুল্লাহ হাওলাদার (২১)।
কেএমপির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মো. শাহ্ জাহান শেখ জানান, গত ২৪ ঘন্টায় নগরীর বিভিন্ন এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ। এসময় ৫০ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ২টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
রূপসায় র্যাবের অভিযানে ধর্ষণ মামলার এক পলাতক আসামি গ্রেফতার
স্টাফ রিপোর্টার
খুলনা জেলার রূপসা থানাধীন ৫নং ঘাটভোগ ইউনিয়নের আলাইপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে ধর্ষণ মামলার এক এজাহারভুক্ত পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৬। রবিবার (৮ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার আসামি হলেন বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট থানার জাড়িয়া কাহারডাঙ্গা গ্রামের মো. রুহুল শেখের ছেলে মো. আলমগীর শেখ (২৮)।
র্যাব-৬ জানায়, রবিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রূপসা থানাধীন আলাইপুর গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে র্যাবের একটি আভিযানিক দল। এসময় ফকিরহাট থানার মামলা নং-৫ তারিখ ০৫/০৮/২০২১ ধারাঃ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী ২০০৩) এর ৯(১)/৩০ এর এজাহারভুক্ত পলাতক আসামি আলমগীর শেখকে গ্রেফতার করা হয়। তাকে ফকিরহাট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
পদোন্নতি পেলেন খুলনার ৫ পুলিশ কর্মকর্তাসহ ৭১জন
স্টাফ রিপোর্টার
খুলনা মেট্টোপলিটন পুলিশ (কেএমপি) ও জেলা পুলিশের ৫জন কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দিয়েছে সরকার। সহকারী পুলিশ সুপার পদের এসব কর্মকর্তাদের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার করা হয়েছে। রবিবার (৮ আগস্ট) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পুলিশ শাখা-১ এর উপসচিব ধনঞ্জয় কুমার দাস স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ পদোন্নতির কথা জানানো হয়েছে।
পদোন্নতিপ্রাপ্ত ৫ পুলিশ কর্মকর্তার মধ্যে রয়েছে কেএমপির ৪জন ও জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ের ১জন। এছাড়া সারা দেশে আরও ৬৬ জন পুলিশ কর্মকর্তাকে এ পদোন্নতি দেয়া হয়। সহকারী পুলিশ সুপার থেকে কেএমপির পদোন্নতিপ্রাপ্ত অতিরিক্ত পুলিশ সুপাররা হলেন এস এম কামরুজ্জামান পিপিএম, মো. নজরুল ইসলাম পিপিএম, মো. আবুল খায়ের ফকির পিপিএম ও শেখ মোহাম্মদ আবু যাহিদ পিপিএম। আর পুলিশ সুপার কার্যালয়ের একমাত্র কর্মকর্তা হচ্ছেন মো. হুমায়ুন কবির।
ডেঙ্গু প্রতিরোধের ব্যাপারে সিটি করপোরেশন প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবে তা লিপ সার্ভিসেই সীমাবদ্ধ :খুলনা বিএনপি
খবর বিজ্ঞপ্তি
করোনার সঙ্গে ডেঙ্গু প্রতিরোধেও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহনের দাবি জানিয়েছেন খুলনা মহানগর বিএনপি। রবিবার (৮ আগস্ট) প্রদত্ত বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, করোনার সঙ্গে ডেঙ্গুর প্রকোপ থেকে বাঁচতে হলে মশক নিধনে খুলনা সিটি করপোরেশনকে আরও বেশি সক্রিয় হতে হবে। জনগণের অসচেতনাকে দোষ দিয়ে নিজেদের ব্যর্থতার আড়াল না করে সরকারের উচিত করোনা ও ডেঙ্গু মোকাবিলায় সমন্বয়হীনতা-অব্যবস্থাপনা দূর করা। করোনা মহামারি প্রতিরোধে সবাই যখন ব্যস্ত সময় পার করছে তখন নীরবে-নিভৃতে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে। প্রায় প্রতিদিনই রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় মানুষ ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হচ্ছেন। তবে করোনা পরিস্থিতির কারণে স্বাস্থ্যসেবা ভেঙে পড়ায় অনেকে জ্বর হলেও হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন না।
জুলাই মাসে খুলনার মানুষ করোনার ভয়াবহ রূপ দেখেছে। হাসপাতাল গুলোতে যেমন ছিল রোগীর চাপ, তেমনি চিকিৎসাসেবা দিতে গিয়ে চিকিৎসকদের হিমশিম খেতে হয়েছে। করোনার মাঝে নতুন করে ডেঙ্গু হানা দেয়ায় জনমনে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। এ জন্য সকলকে সচেতন হতে হবে। মশার লার্ভা ধ্বংস করতে হবে। জমে থাকা বৃষ্টির পানি, বাসা বাড়ির ছাদে ফুলের টবে, বিভিন্ন স্থানে ডাবের খোলা, প্লাস্টিক, ফ্রিজের নিচে জমে থাকা পানি ও মাটির পাত্রে জমে থাকা পানি এবং বাড়ির আঙিনা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। নগরীতে মশার উপদ্রব বেড়েছে উল্লেখ করে বিবৃতিতে বিএনপি নেতারা বলেন, সন্ধ্যার পর এমনকি দিনের বেলায়ও মশার কামড়ে অতিষ্ঠ হয়ে উঠছে নগরবাসী। প্রতিবারের মতো সিটি করপোরেশন ডেঙ্গু প্রতিরোধের ব্যাপারে প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবে তা লিপ সার্ভিসেই সীমাবদ্ধ রেখেছে। কার্যকর ও সঠিকভাবে ব্যবস্থা করতে না পারলে পরিণতি ভয়াবহ আকার ধারণ করবে, এতে কোনো সন্দেহ নেই উল্লেখ করে অনতিবিলম্বে ক্রাশ প্রোগ্রামের আওতায় ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে মশক নিধন অভিযান জোরদার করার আহবান জানান।
বিবৃতিদাতারা হলেন, কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও খুলনা মহানগর সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু, খুলনা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুজ্জামান মনি, সাহারুজ্জামান মোর্ত্তজা, মীর কায়সেদ আলী, শেখ মোশাররফ হোসেন, জাফরউল¬াহ খান সাচ্চু, জলিল খান কালাম, সিরাজুল ইসলাম, এড. ফজলে হালিম লিটন, এড. বজলুর রহমান, এড. এস আর ফারুক, স ম আব্দুর রহমান, শেখ ইকবাল হোসেন, শেখ জাহিদুল ইসলাম, অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, সিরাজুল হক নান্নু, মো. মাহবুব কায়সার, নজরুল ইসলাম বাবু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, এস এম আরিফুর রহমান মিঠু ও ইকবাল হোসেন খোকন প্রমুখ।
প্রতিশোধ নিতে ছোটভাইকে হত্যা করে বোন!
যশোর প্রতিনিধি
যশোরের চৌগাছায় স্কুলছাত্র এহতেশাম মাহমুদ রাতুল (১৮) হত্যার দায়ে তার বোন ও বোনের স্বামীকে গ্রেফতার করা হয়। বাবার ওপর প্রতিশোধ নিতেই তারা (বোন ও বোনের স্বামী) রাতুলকে হত্যা করে বলে তারা জানায়।
শনিবার ডিবি কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ভিকটিমের বোন মাহমুদা মমতাজ মিমকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি আরেক আসামি ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলার কাশিপুর গ্রামের শিশির আহমেদের স্ত্রী। তাকে আজ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
রোববার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) জাহাঙ্গীর আলম।
জেলা পুলিশের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ১২ জুলাই বিকালে চৌগাছা থানাধীন লস্করপুর শ্মশান মাঠে পাটক্ষেত থেকে মুখে স্কচটেপ মোড়ানো ১৮ বছর বয়সী অজ্ঞাত যুবকের এক মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরবর্তীতে মৃতের আত্মীয়-স্বজন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে ও ছবি দেখে মৃতের মৃতদেহ সনাক্ত করে উদ্ধারকৃত লাশ এহতেশাম মাহমুদ রাতুলের।
তিনি ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার বাজিপোতা গ্রামের মহিউদ্দীনের ছেলে ও স্থানীয় সামবাজার এমপিবি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির ছাত্র। এর আগে ১১ জুলাই দুপুর আড়াইটার দিকে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর সন্ধ্যা ৭টার দিকে স্বজনরা মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলেও সন্ধান পাননি।
এ ঘটনার বিষয়ে ভিকটিমের পিতা মহিউদ্দীন বাদী হইয়া অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে চৌগাছা থানা যশোরে অভিযোগ করেন। মামলাটি চাঞ্চল্যকর ও ক্লুলেস হওয়ায় তদন্তের দায়িত্ব পায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। ডিবির অনুসন্ধানে ইতোপূর্বে হত্যার সঙ্গে জড়িত ভিকটিমের ভগ্নিপতি শিশির আহম্মেদকে গত ১৭ জুলাই চট্টগ্রাম পতেঙ্গা থেকে গ্রেফতার করা হয়।
তার স্বীকারোক্তি মোতাবেক ভিকটিমের মোবাইল ফোন, হত্যাকাজে ব্যবহৃত স্কচটেপ, ভিকটিমের পরিহিত ছেঁড়া বস্ত্র উদ্ধার করা হয়। আসামি শিশির আহম্মেদ আদালতে ১৬৪ ধারা মোতাবেক স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে। হত্যার পরিকল্পনার সঙ্গে ভিকটিম রাতুলের বোন মাহমুদা মমতাজ মীমের সংশ্লিষ্টতার কথা জানায়।
এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারী তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করে ঘটনার সঙেঙ্গ জড়িত থাকার তথ্য প্রমান পেয়ে ভিকটিমের বোন মাহমুদা মমতাজ মীমকে শনিবার বিকালে মামলার বাদী রাতুলের পিতা মো. মহিউদ্দিনের মাধ্যমে মাহমুদা মমতাজ মীমকে ডিবি কার্যালয়ে হাজির করলে জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সত্যতা পেয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে রোববার আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, মাহমুদা মমতাজ মীম ফেসবুকের পরিচয়ে শিশিরের সাথে প্রেমে জড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে পিতা-মাতার অবাধ্যে শিশিরকে বিয়ে করার জন্য ঘর ছেড়ে পালিয়ে যায়। বাবা-মায়ের সাথে সম্পর্ক রাখার জন্য যোগাযোগের চেষ্টা করলেও পিতা মহিউদ্দীন তার সম্মান রক্ষায় মেয়ে-জামাতা শিশিরের সাথে সম্পর্ক ছেদ করেন এবং শিশিরকে বিভিন্নভাবে অপমান করেন। অপমানের প্রতিশোধ নিতে শিশির ও মীম পরস্পর যোগসাজশে ভিকটিম রাতুলকে নেশাগ্রস্থ করার চেষ্টা চালায় এবং একপর্যায়ে তারা সফল হয়।
এরপর পরিকল্পনা মতো ঘটনার দিন মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে চৌগাছা শ্মশান মাঠের পাশে বেড়গোবিন্দপুর বাওড়ের পাড়ে ভিকটিমকে চেতনানাশক ঔষধ খাইয়ে অচেতন করে মুখে স্কচটেপ লাগিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে লাশ পাট ক্ষেতে ফেলে রাখে। ভিকটিমের মোবাইল ফোন শিশির ও মীম মিলে শিশিরের ঘরে ইটের নিচে পুঁতে রাখে বলে জানা যায়।
চাকরির নামে প্রতারণা, চক্রের সদস্য গ্রেফতার
যশোর প্রতিনিধি
সেনাবাহিনীতে চাকরির নামে প্রতারণার অভিযোগে কামাল হোসেন (৫০) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। রোববার ভোরে সদর উপজেলার গহেরপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
তিনি ওই গ্রামের বক্কার মোল্যার ছেলে। তার কাছ থেকে নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প, সেনাবাহিনীর মালি পদে ভুয়া নিয়োগপত্র ও ভুয়া আইডি কার্ড উদ্ধার করা হয়েছে।
যশোর ডিবির ওসি রুপন কুমার সরকার জানান, যশোর সদর উপজেলার রাজাপুর গ্রামের রবিউল ইসলামের ছেলে মধু হোসেনকে (২৪) সেনাবাহিনীর মালি পদে চাকরি দেয়ার প্রলোভনে ২০২০ সালের ৯ জুন ৬ লাখ টাকা নেয় অভিযুক্ত কামাল হোসেন। বিনিময়ে তিনি সেনাবাহিনীর মালি পদে ভুয়া নিয়োগপত্রসহ ভুয়া আইডি কার্ড প্রদান করেন।
মধুকে নিয়ে ঢাকা সেনানিবাসে যান এবং যশোর সেনানিবাসে বদলি হওয়ার কথা বলে বাড়িতে পাঠিয়ে দেয় প্রতারক চক্র। এ ঘটনায় শনিবার দিবাগত রাত ১২টার পর কোতয়ালি থানায় মামলা করেন রবিউল ইসলাম। রোববার ভোরে কামাল হোসেনের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
এ সময় তার কাছ থেকে নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প, সেনাবাহিনীর মালি পদে ভুয়া নিয়োগপত্র ও ভুয়া আইডি কার্ড উদ্ধার করা হয়েছে।
ডিবি ওসি বলেন, সেনাবাহিনীসহ বিভিন্ন সংস্থার নামে ওয়েবসাইট খুলে প্রতারক চক্র ভুয়া চাকরির নামে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। এ চক্রটির সন্ধানে ডিবি কাজ করছে।
খুলনা বিভাগে কমেছে মৃত্যু, বেড়েছে শনাক্ত
স্টাফ রিপোর্টার
খুলনা বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে; একই সময়ে নতুন করে ৬১২ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে। রোববার সকাল পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগের মধ্যে সর্বোচ্চ ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে কুষ্টিয়ায়। বাকিদের মধ্যে যশোরে সাতজন, খুলনা, ঝিনাইদহ ও চুয়াডাঙ্গায় দুজন করে, বাগেরহাট, মাগুরা ও মেহেরপুরে একজন করে মারা গেছেন।
এর আগে শনিবার বিভাগে ৩৯ জনের মৃত্যু এবং ৪২৮ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল।
এতে দেখা যায়, খুলনা বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা কমেছে। তবে বেড়েছে শনাক্তের হার।
বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
করোনা সংক্রমণের শুরু থেকে রবিবার সকাল পর্যন্ত বিভাগের ১০ জেলায় মোট শনাক্ত হয়েছেন ৯৯ হাজার ৪৯৪ জন। আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ২ হাজার ৬৫৭ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৭৮ হাজার ৩৫৯ জন।
খুলনা বিভাগের মধ্যে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় চুয়াডাঙ্গায় গত বছরের ১৯ মার্চ।
“দুর্বিত্তকারীরা শুধু তাদের স্বার্থই হাসিল করেনি বরং এই অসহায় মানুষের মনের বিশ^াসে আঘাত হেনেছে”
খবর বিজ্ঞপ্তি
শনিবার রূপসার শিয়ালিতে দুর্বৃত্তদের হামলায় ক্ষহিগ্রস্ত সনাতন ধর্মালম্বীদের দেখতে সেখানে যান বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ খুলনা মহানগর শাখার আহবায়ক সফিকুর রহমান পলাশ। এ সময় ক্ষতিগ্রস্থ সনাতন ধর্মালম্বী পরিবারের সদস্যদের সাথে তিনি কথা বলেন। তাদের সহমর্মিতা জানান। একই সাথে এই ঘটনার সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
অপরদিকে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ খুলনা মহানগর শাখার নেতৃবৃন্দ। বিবৃতিদাতা নেতৃবৃন্দরা হলেন, নগর যুবলীগের আহবায়ক সফিকুর রহমান পলাশ ও যুগ্ম আহবায়ক শেখ শাহাজালাল হোসেন সুজনসহ নগর যুবলীগের সকল নেতৃবৃন্দ। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক বিষ বাষ্প ছড়ানো দুবৃর্ত্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে বলেন, “দুর্বিত্তকারীরা শুধু তাদের স্বার্থই হাসিল করেনি বরং এই অসহায় মানুষের মনের বিশ^াসে আঘাত হেনেছে”।
ডুমুরিয়ায় খালে বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ: তলিয়ে গেছে ফসলি জমিসহ বসতঘর
ডুমুরিয়া প্রতিনিধি
ডুমুরিয়ায় সরকারী খাস খালে ক্রসবাঁধ দিয়ে মাছ চাষ করায় কৃত্রিম জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে তলিয়ে গেছে শতাধিক একর ফসলি জমি ও বাড়িঘর।এতে ক্ষদিগ্রস্থ হচ্ছে মৎস্যচাষি,কৃষক ও ভেড়িবাঁধে থাকা বিভিন্ন প্রজাতির সবজি ক্ষেত।তবে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান বলছেন দু’দিনের মধ্য স্বেচ্ছায় ওই ভেড়িবাঁধ কেটে না দিলে ক্ষতিগ্রস্থ জনগণ সাথে বাঁধটি অপসারণ করা হবে।সরেজমিনে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকের সাথে কথা বলে জানা যায়, উপজেলার শোভনা ইউনিয়নের দক্ষিণ শিবপুর বিলের মধ্যদিয়ে হেতালবুনিয়া নামক একটি সরকারী খাসখাল প্রবাহমান রয়েছে।যা দিয়ে ওই বিলের প্রায় ২’শ বিঘা জমির পানি নিস্কাশন হয়ে আসছে।সম্প্রতি স্থানীয় হযরত গাইনের ছেলে হাফিজুর গাইন প্রবাহমান ওই খালে ক্রসবাঁধ দিয়ে মাছ চাষ করায় পানি নিস্কাশনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়ে কৃত্রিম জলাবদ্ধতায় তলিয়ে গেছে ওই এলাকা।স্থানীয় আব্দুল গাজী,মোজাফ্ফার শেখ,আজিজুর হালদার সহ ক্ষতিগ্রস্থ অনেকেই জানান,আমাদের ভেড়িবাঁধে রোপিত শশা,করলা,ঝিঙ্গা,তরমুজসহ বিভিন্ন প্রজাতির সবজি, পানিতে তলিয়ে ফলন্ত গাছগলি মরতে বসেছে,মৎস্যঘের তলিয়ে মাছও ভেসে যাচ্ছে এবং বসতঘর তলিয়ে বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়েছে।স্থানীয় ভাবে কয়েক দফায় সমস্যা সমাধানে ব্যর্থ হয়ে অবশেষে চেয়ারম্যান’র সরনাপন্ন হয়েছি।এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান সুরঞ্জিত কুমার বৈদ্য বলেন,অভিযোগ পেয়ে গতকাল রবিবার বিকেলে সরেজমিনে গিয়ে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে এবং খালে ক্রসবাঁধ দেয়া ঘের মালিক হাফিজুরের কাছে এর কারন জানতে চাইলে তিনি স্বেচ্ছায় দুদিনের মধ্যে ক্রসবাঁধ কেটে পানি নিস্কাশনের ব্যবস্থা করবে বলে অঙ্গিকার করেছে।্ এতে ব্যর্থ হলে জনগণকে সাথে নিয়ে ভেড়িবাঁধ কেটে পানি নিস্কাশনের ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
বিএনপি নেতার পিতার মৃত্যুতে শোক
খবর বিজ্ঞপ্তি
বটিয়াঘাটা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক জাহিদুর রহমান রাজুর পিতা সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুস সালাম শেখ (৮৫) রবিবার দুপুর ২টার দিকে বার্ধক্যজনিত জটিলতায় ভুগে খারাবাদস্থ নিজ বাসভবনে ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি অনন্না ইলাইহি রাজিউন। বাদ মাগরিব স্থানীয় রাজবাড়ি জামে মসজিদে মরহুমের নামাজে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
বিএনপি নেতা রাজুর পিতার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ, শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা এবং মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন খুলনা জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ।
বিবৃতিদাতারা হলেন খুলনা জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী, সহ সভাপতি খান জুলফিকার আলী জুলু, মোস্তফা উল বারী লাভলু, শেখ আলী আজগর, যুবদল সভাপতি এস এম শামীম কবির, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি তৈয়েবুর রহমান, শ্রমিকদল সভাপতি বাবু উজ্জ্বল কুমার সাহা, যুবদল সাধারন সম্পাদক ইবাদুল হক রুবায়েদ, জাসাস আহবায়ক সাইদুজ্জামান খান, স্বেচ্ছাসেকবদল সাধারন সম্পাদক আতাউর রহমান রুনু, শ্রমিকদল সাধারন সম্পাদক খান ইসমাইল হোসেন, ছাত্রদল সভাপতি আব্দুল মান্নান মিস্ত্রী, সাধারন সম্পাদক গোলাম মোস্তফা তুহিন, মহিলাদল সাধারন সম্পাদক এ্যাড. সেতারা সুলতানা, মৎস্যজীবীদল সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক আজিজুল ইসলাম, জাসাস সদস্য সচিব শহিদুল ইসলাম শহিদ, হাফিজুর রহমান, অধ্যাপক আইয়ুব আলী, ইলিয়াস মল্লিক, মতিউর রহমান বাচ্চু, মিরাজুর রহমান মিরাজ, খান আইয়ুব আলী, হিরু মল্লিক, রফিকুল ইসলাম বাবু, মাসুদ জমাদ্দার, আরিফুর রহমান, শফিকুল ইসলাম শফিক, আবু মুসা, হাবিবুর রহমান হবি, আব্দুল মালেক, মাসুম বিল্লাহ, খান আনোয়ার হোসেন, শেখ ইউসুফ আলী, শেখ আব্দুর রহমান, হিরাঙ্গীর হোসেন হিরু প্রমূখ।
ঘাটভোগে সংঘাতের ঘটনায় বিএনপি নেতা হেলালের ক্ষোভ
খবর বিজ্ঞপ্তি
রূপসা উপজেলার ঘাটভোগ ইউনিয়নে আচমকা সাম্প্রদায়িক সংঘাতের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিএনপি’র কেন্দ্রীয় তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল। ঘটনার সাথে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি প্রদান এবং ক্ষতিগ্রস্থদের সহায়তার দাবি জানান তিনি।
আজ এক বিবৃতিতে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা এবং খুলনা-৪ আসন থেকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে প্রতিদ্বন্ধি প্রার্থী আজিজুল বারী হেলাল গত ৬ আগষ্ট শিয়ালী গ্রামের সহিংসতায় আহত ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান। একই সাথে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে হয়রানি বন্ধ এবং প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার দাবী জানান।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, রূপসা’র মানুষ শান্তি ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে বিশ্বাসী। বছরের পর বছর এই অঞ্চলের মানুষ মসজিদ থেকে ভেসে আসা আজানের ধ্বনি এবং মন্দিরের ঘন্টাধ্বনি’র সাথে শান্তিপূর্ণ ভাবে বসবাস করে আসছে। স্থানীয় প্রশাসনের প্রতি আহবান জানিয়ে তিনি বলেন, এই সম্প্রীতি যেন রাজনৈতিক বা সাম্প্রদায়িক মতলবে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও প্রতিষ্ঠানের জন্য তিনি সরকারী বরাদ্দের আবেদন জানান ।
বঙ্গমাতার জন্মবার্ষিকীতে জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল
খবর বিজ্ঞপ্তি
বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব এর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ০৮ আগস্ট (রবিবার) বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ খুলনা জেলা শাখার আয়োজনে বিকাল ৫ টায় দলীয় কার্যালয়ে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জনাব আলহাজ্ব শেখ হারুনুর রশীদ।
সভাপতি জনাব শেখ হারুনুর রশীদ তাঁর বক্তব্যে বলেন “বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের প্রতিটি ধাপে বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিণী হিসেবে নয়, একজন নীরব দক্ষ সংগঠক হিসেবে যিনি নিজেকে বিলিয়ে দিয়ে বাঙালির মুক্তি সংগ্রামে ভূমিকা রেখেছেন এবং বঙ্গবন্ধুকে হিমালয় সমআসনে অধিষ্ঠিত করেছেন তিনি বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব।”
অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. সুজিত অধিকারী।
জনাব এ্যাড. সুজিত অধিকারী বলেন, “সতত প্রেরণাদায়ী বঙ্গমাতা, বাঙালির স্বাধীনতার স্বপ্ন পুরুষ হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতা সংগ্রামের সুদীর্ঘ পর্যায়ে যে মহীয়সী নারী , প্রেরণাদায়ী হিসেবে সর্বদায় ছায়ার মতো বঙ্গবন্ধুর আজীবনের সহযোগিতায় ছিলেন তিনিই বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব”
অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এ্যাড. কাজী বাদশা মিয়া, এ্যাড. রবীন্দ্রনাথ মন্ডল, বিএমএ ছালাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ সরফুদ্দিন বিশ্বাস বাচ্চু, মোঃ কামরুজ্জামান জামাল, এ্যাড. ফরিদ আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক সরদার আবু সালেহ, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক জোবায়ের আহম্মেদ খান জবা, ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক শ্রীমন্ত অধিকারী রাহুল, দপ্তর সম্পাদক এম এ রিয়াজ কচি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক শেখ মো. রকিকুল ইসলাম লাবু, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক হালিমা ইসলাম, যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক কাজী শামীম আহসান, শ্রম সম্পাদক মোজাফফর মোল্যা, সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোকলেসুর রহমান বাবলু, উপ প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক খায়রুল আলম,
উপ দপ্তর সম্পাদক সায়েদুজ্জামান সম্রাট, জেলা সদস্যবৃন্দ জাহাঙ্গীর হোসেন মুকুল, শাহিনা আক্তার লিপি, ফারজানা নিশি মোঃ জামিল খান, রূপসা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সরদার আবুল কাশেম ডাবলু, আওয়ামী লীগ নেতা প্রতাপ কুমার, হোসনে আরা চম্পা, মানিকুজ্জামান অশোক, মোতালেব হোসেন, খান সাইফুল ইসলাম, সরদার জাকির, শেখ মোঃ আবু হানিফ, দেব দুলাল বাড়ই বাপ্পি, পারভেজ হাওলাদার, মোঃ ইমরান হোসেন, আলমগীর মল্লিক, জলিল তালুকদার, হাসান রুমি, রাফেল হোসেন বাবু, মাহফুজার রহমান সোহাগ, বিধান চন্দ্র রায়, শেখ রিজাউল করিম রেজা, তালিউর রহমান সানি, কবির আহম্মেদ মনা, এ্যাড.বদরুল আলম তয়ন, তাপস জোয়ার্দ্দার, রাফেল হোসেন বাবু, আল মোমিন লিটন, জাহাঙ্গীর হোসেন, লিটন কুমার রায়, জাহিদ সজল, রুবেল, সবুজ, আমিরুল মুমেনিন রানা, লিয়ন বিশ্বাস, তানভীর রহমান আকাশ, মৃণাল কান্তি বাছাড়, চিশতি নাজমুল বাশার, দ্বীপ পান্ডে বিশ্ব, রাকিব মাহমুদ, আলমগীর হোসেন রাজু, আবিদ হাসান ফাহিম, মইনুল হাসান মঈন, শেখ রাসেল, বাপ্পি সাহ, রাজা, হান্নান, মাসুদ, পলাশ রায়, সাইফুল ইসলাম সাইফ, আব্দুল খালেক স্বাধীন প্রমূখ।
নেতৃবৃন্দ তাঁদের বক্তৃতায় আরও বলেন “শেখ মুজিবুর রহমান-এর জাতির পিতা হয়ে ওঠার পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান যে মহীয়সী নারীর তিনি তাঁর সহধর্মিণী বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব । আমাদের বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব তিনি সারাটা জীবন ভর বঙ্গবন্ধুকে অনুপ্রেরণা জুগিয়ে ছিলেন। সংসারের সকল দায়িত্ব তিনি একাই সামনে দিয়েছেন, শেখ মুজিব নিশ্চিন্তে মন দিয়েছে দেশ গড়ার কাজে রাজনীতিতে জনসেবায় । এই মহীয়সী নারী ছিলেন বাঙালি জাতির অধিকার আদায়ের সংগ্রামে জাতির পিতার একজন যোগ্য বিশ্বস্ত সহচর । দেশের স্বাধীনতার জন্য তিনি বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে একই স্বপ্ন দেখতেন তাইতো তিনি শুধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘রেনু’ নন আমাদের ” বঙ্গমাতা “আলোচনা শেষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া পরিচালনা করেন আব্দুর রহিম।
খুলনা জেলায় করোনা ভ্যাকসিন নিয়েছেন আট হাজার আটশত ৩৬ জন
তথ্য বিবরণী
খুলনা জেলায় রবিবার আট হাজার আটশত ৩৬ জন করোনা ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ গ্রহণ করেছেন। যার মধ্যে পুরুষ চার হাজার ছয়শত ৩২ এবং মহিলা চার হাজার দুইশত চার জন। এ পর্যন্ত এক লাখ ৫২ হাজার ৪৩ জন করোনা ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ গ্রহণ করেছেন। খুলনা সিটি কর্পোরেশন এলাকায় তিন হাজার সাতশত জন এবং নয়টি উপজেলায় মোট পাঁচ হাজার একশত ৩৬ জন করোনা ভ্যাকসিন গ্রহণ করেন। উপজেলাগুলোর মধ্যে দাকোপে দুইশত ২৩ জন, বটিয়াঘাটা এক হাজার তিনশত ৫৬ জন, দিঘলিয়ায় একশত ৯১ জন, ডুমুরিয়ায় তিনশত ৬০ জন, ফুলতলায় তিনশত ১৮ জন, কয়রায় ৪৩ জন, পাইকগাছায় দুই হাজার দুইশত ৬৩ জন, রূপসায় দুইশত ৭২ জন এবং তেরখাদায় একশত ১০ জন টিকা গ্রহণ করেছেন। রবিবার খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঁচশত ১৫ জন, সদর হাসপাতালে তিনশত ৬১ জন, পুলিশ হাসপাতালে ৩০ জন এবং খুলনা জেলার সাতটি উপজেলায় দুই হাজার আটশত ৭৯ জন করোনা ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ গ্রহণ করেন। খুলনা সিভিল সার্জন দপ্তরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসকল তথ্য জানানো হয়েছে।
বঙ্গমাতার জন্মদিন পালনে মহানগর বঙ্গবন্ধু পরিষদ
খবর বিজ্ঞপ্তি
জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মীনি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মাতা বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৯১তম জন্মদিন উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু পরিষদ খুলনা মহানগর কার্যালয়ে ৮ই আগষ্ট বিকাল ৫ টায় আলোচনা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। সভাপতিত্ব করেন মহানগর সহ-সভাপতি শরীফ এনামুল কবির, মহানগর সাধারন সম্পাদক এম আসাদুজ্জামান মুন্নার পরিচালনায় বক্তাগন বলেন ১৯৩০ সালে ৮ই আগোষ্ট তৎকালীন গোপালগঞ্জের মহকুমার টুঙ্গীপাড়া গ্রামে তিনি জন্মগ্রহন করেন। তার ডাকনাম ছিল রেনু। বাবার নাম শেখ জহুরুল হক, মাতার নাম হোসনেয়ারা বেগম, ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগষ্ট কালো রাতে তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের হাতে পরিবারের অন্য সদস্যদের সাথে নির্মমভাবে শাহাদাৎ বরণ করেন। তিনি স্বাধীনাতা যুদ্ধে লড়াই সংগ্রামের নেপথ্যে প্রেরনাদাত্রী ছিলেন। তিনি বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবনে ছায়ার মত অনুসরন করে তার প্রতিটি কাজে প্রেরনার উৎস হয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধু যখন পাকিস্তানি শাসকদের হাতে বার বার বন্দী জীবন যাপন করেছিলেন, তখন আ’লীগের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা ফজিলাতুননেছা মুজিবের কাছে ছুটে যেতেন এবং বঙ্গবন্ধুর বিভিন্ন দিক নির্দেশনা তাদের কাছে পৌছে দিতেন ও লড়াই সংগ্রাম চালিয়ে যেতে অনুপ্রেরনা যোগাতেন। সভায় আরো বক্তব্য রাখেন পরিষদের মহানগর সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ হাসমত আলী, রোটাঃ ইঞ্জি মিজানুর রহমান, প্রধান শিক্ষক মোঃ রফিকুল ইসলাম, সাধারন সম্পাদক ডা.হাফিজুর রহমান সোহেল, আলীনুর হোসেন মাতুব্বর, অধ্যক্ষ শাহ্ জিয়াউর রহমান স্বাধীন, শেখ জাহাঙ্গীর হোসেন, আবুল কালাম মোল্লা, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মারুফ চৌধুরী রিমন, মোঃ রেজাউল করিম, মোঃ নুরউদ্দিন, ছিদ্দিকুর রহমান বাবু, মোঃ আরমানুজ্জামান বাঁধন, আওলাদুল আমিন, আঃ জব্বার কমান্ডার, মোঃ শহিদুল ইসলাম, রুহুল আমিন, আশিক চৌধুরীপ্রমুখ।
শিয়ালী গ্রামে বিশৃঙ্খল ঘটনায় সালাম মূর্শেদী এমপি’র তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ
খবর বিজ্ঞপ্তি
বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ ১০২ (খুলনা-৪) আসনের সংসদ সদস্য বিশিষ্ট ক্রিড়াবিদ জননেতা আব্দুস সালাম মূর্শেদী এক বিবৃতিতে গতকাল শনিবার (৭ আগষ্ট) বিকেলে তার নির্বাচনী এলাকাধীন রুপসা উপজেলার ঘাটভোগ ইউনিয়নের শিয়ালী গ্রামে ঘটে যাওয়া ন্যাক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। বিবৃতিতে তিনি বলেন, সৃষ্টির আদিকাল থেকেই বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মিলনক্ষেত্র। আর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এই দেশের অসাম্প্রদায়িক রাজনীতির ধারক ও বাহক। বর্তমান সরকারের শাসনামলে এখানে সকল ধর্ম ও বর্ণের মানুষ নির্বিঘ্নে ও নিরাপদে যার যার ধর্ম শান্তিপূর্ণ ভাবে প্রতিপালন করছেন ও সুখে শান্তিতে পরস্পরে মিলেমিশে বসবাস করছেন।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দেয়া ‘ধর্ম যার যার উৎসব সবার’ শ্লোগানকে ধারন করেই আমরা সর্বদা নিজ এলাকায় জনসেবামূলক কাজে নিজেদের নিয়োজিত রেখেছি। জাতীর পিতার হাতে গড়া ও তার সুযোগ্যকন্যা আজকের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সোনার বাংলায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রিতি বিনষ্টকারী, ধর্মান্ধ, অরাজকতা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারিদের কোন ঠাঁই নেই। লিখিত বিবৃতিতে তিনি আশা প্রকাশ করেন, বর্তমান সরকারের প্রশাসন অবশ্যই ‘শিয়ালিতে’ এই অরাজকতা সৃষ্টিকারিদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসবে ও উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করবে। তিনি এলাকায় শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে সংশ্লিষ্ট সকলকে ধৈর্য ধারন করে প্রকৃত অপরাধীদের খুঁজে বের করতে প্রশাসনকে সর্বাত্মক সহযোগীতা করার অনুরোধ জানিয়েছেন।
ইসলামী আন্দোলন খুলনা মহানগরের মাসিক সভা অনুষ্ঠিত
খবর বিজ্ঞপ্তি
রবিবার সন্ধ্যা ৭ টায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ খুলনা মহানগরীর নিয়মিত মাসিক সভা খুলনা নগরীর পাওয়ার হাউজ মোড়স্থ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।লের নগর সভাপতি আলহাজ্ব মুফতী আমানুল্লাহ এর সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি শেখ নাসির উদ্দীনের পরিচালনায় এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় উপস্থিত ছিলেন মুফতী মাহবুবুর রহমাহ, মুফতী ইমরান হুসাইন, মাওলানা দ্বীন ইসলাম, মোঃ সাইফুল ইসলাম ভূঁইয়া, আব্দুল্লাহ নোমান, গাজী ফেরদাউস সুমন, মাওলানা আব্বাস আমীন, মঈন উদ্দিন ভূইয়া, আলহাজ্ব আব্দুল মোমিন, মোল্লা রবিউল ইসলাম তুষার, মুফতী শেখ আমীরুল ইসলাম, আলহাজ্ব জাহিদুল ইসলাম, মাওলানা শায়খুল ইসলাম বিন হাসান, এ্যাডঃ কামাল হোসেন, আলহাজ্ব আমজাদ হোসেন, হাফেজ আব্দুল লতিফ, আলহাজ্ব মোঃ আবু তাহের, বীর মুক্তিযোদ্ধা জি এম কিবরিয়া, আলহাজ্ব সরোয়ার হোসেন বন্দ, আলহাজ্ব আব্দুস সালাম, শেখ হাসান ওবায়দুল করীম, মাওলানা হাফিজুর রহমান।
বঙ্গমাতা’র ৯১তম জন্ম-বার্ষিকীতে খুলনা মহানগর শ্রমিক লীগের আলোচনা-সভা ও দোয়া
খবর বিজ্ঞপ্তি
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিনী, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার মাতা এবং বাঙ্গালী নারীর অনুপ্রেরণার ঊৎস, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুননেছা মুজিব’র ৯১তম শুভ-বার্ষিকী উপলক্ষে সংগঠনের কার্যালয়ে বাদ-আসর খুলনা মহানগর শ্রমিক লীগের উদ্যেগে স্বাস্থ্য-বিধি মেনে আলোচনা-সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভার সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: মোতালেব মিয়া। সভা পরিচালনা করেন সংগঠনের সাধারন সম্পাদক রনজিত কুমার ঘোষ। দোয়া প্রার্থনা করেন সংগঠনের যুগ্ম সম্পাদক মো: আব্দুর রহিম খান। উক্ত সভায় বক্তৃতা করেন, সংগঠনের সহ-সভাপতি মল্লিক নওশের আলী, মোল্লা মাহাবুবুর রহমান, মো: আব্দুর রহিম খান, মোল্লা আজাদ আলী, কিংকর সাহা, নাসরিন আখতার, খন্দকার রফিকুল ইসলাম, মো: আকতার হোসেন, মো: শরিফুল ইসলাম, মো: আজিম উদ্দিন, মো: নুর ইসলাম, মো: আনিুর রহমান, মো: মঈনুল ইসলাম মোহন, মো: ইলিয়াস হোসেন সোহেল, এএইস রাজু, মো: বায়েজিদ সরদার, মো: আ: হাকিম, মো: রাজু, প্রশান্ত কুমার ঘোষ, মো: শাহিন শরীফ বাবু, মো: আইনুল ইসলাম, মো: গোলাম মোস্তফা কবির, মো: আইয়ুব আলী, শংকর কুমার কুন্ডু, জাহানারা আক্তার, সোমা আক্তার, বকুলী বেগম, ফাহিমা আক্তার, মো: আলাউদ্দিন, সোহেল বিন জয়নাল, মো: ইকলাস হোসেন, মোহম্মদ আলী সহ প্রমূখ নেতৃবৃন্দ। উক্ত অনুষ্ঠানে জাতিরপিতা এবং তার পরিবারের সকলের জন্য ও মরহুমার আত্মার শান্তি কামনায় ১ মিনিট নিরবতা পালন করা হয় এবং উক্ত সভায় সকলের জন্য দোয়া প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়। করোনার এই ক্রান্তিলগ্নে অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত সকলের দীর্ঘায়ু জীবন কামনা করেও দোয়া প্রার্থনা করা হয় এবং আমাদের সবাইকে দুরুত্ব বজায় রেখে ও মাক্স পরিধান করে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানান নেতৃবৃন্দ।
খুলনায় পরিবহন শ্রমিকদের মাঝে নিসচার খাদ্য সহায়তা প্রদান
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনায় লকডাউনে কর্মহীন পরিবহন শ্রমিকদের (শ্রমিক-ড্রাইভার, কন্ডাক্টর ও হেলপার) মধ্যে দ্বিতীয় দফা খাদ্য সহায়তা প্রদান ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। খাদ্য সহায়তার প্যাকেজে ছিল-চাল, ডাল, আটা ও আলু । স্বাস্থ্যবিধি মেনে ৬৫ জন শ্রমিককে এ সহায়তা প্রদান করা হয়।
রোববার (৮ আগস্ট) বিকেল ৫টায় মহানগরীর সোনাডাঙ্গাস্থ নবপল্লী কমিউনিটি সেন্টারে কর্মহীন পরিবহন শ্রমিকদের মধ্যে খাদ্য সহায়তা প্রদান করে নিরাপদ সড়ক চাইয়ের (নিসচা) খুলনা মহানগর শাখা। এতে প্রধান অতিথি থেকে শ্রমিকদের হাতে খাদ্য সহায়তা তুলে দেন খুলনা জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুব হাসান। নিরাপদ সড়ক চাইয়ের (নিসচা) খুলনা মহানগর শাখার সভাপতি এস এম ইকবাল হোসেন বিপ্লবের সভাপতিত্বে ও সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান মুন্নার সঞ্চালনায় এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের খুলনা মহানগর শাখার সহ-সভাপতি বাবু শ্যামল সিংহ রায়, , খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক বিশিষ্ট শিল্পপতি শ্রীমন্ত অধিকারী রাহুল ও দ্যা ফিউচার আইডিয়াল মাদার অর্গানাইজেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মো. সাইফুল ইসলাম। এ সময় অতিথিরা বলেন, টানা লকডাউনে কর্মহীন হয়ে সবচেয়ে বিপর্যস্ত অবস্থায় পড়েছেন পরিবহনের শ্রমিকরা। শ্রমিকদের আর্থিক দুরবস্থার কথা চিন্তা করে নিসচার খুলনা মহানগর কমিটি তাদের সহযোগিতায় হাত বাড়ি দিয়েছে। যা প্রশংসার দাবি রাখে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সহ-সাধারণ সম্পাদক মো: রুহুল আমীন তালুকদার সোহাগ, মো: ইলিয়াস হোসেন লাবু, রকিব উদ্দিন ফারাজী, অর্থ সম্পাদক মো: নাজমুল হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক ফারহানা চৌধুরী কনিকা, দপ্তর সম্পাদক এম মোস্তফা কামাল, প্রচার সম্পাদক মো: সোলায়মান হোসেন, ক্রীড়া সম্পাদক মো. মনিরুল ইসলাম সাগর, মহিলা সম্পাদক শিরিনা পারভীন, কার্য্যনির্বাহী সদস্য আল আমিন মো: আব্দুল্লাহ চৌধুরী, এ্যাডভোকেট মেহেদী ইনসার, মাহমুদা আক্তার লিজা, মো: আবু মুছা, মো: শামীম হোসেন, সদস্য বিপ্লবী কাজী খলিল, ফিরোজ আলী, শ্রমিক নেতা দেশ আহমেদ রাজু প্রমুখ।
বাগেরহাটে ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামি গ্রেফতার
স্টাফ রিপোটার,বাগেরহাট
খুলনা র্যাব-৬ এর একটি আভিযানিক দল অভিযান চালিয়ে আলমগীর সেখ(২৮) নামের এক পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করেছে। রবিবার (৮ আগস্ট) বেলা ১১ টার দিকে খুলনা রুপসার আলাইপুর গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। সে বাগেরহাটের ফকিরহাট থানার একটি ধর্ষণ মামলার এজাহার নামীয় পলাতক আসামি। খুলনা র্যাব এর মিডিয়া সেল থেকে রবিবার দুপুরে দেয়া এক মেইল বার্তায় জানানো হয়, ফকিরহাট থানায় গত ৫ আগষ্ট দায়ের করা একটি ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামি আলমগীর সেখ ওই এলাকায় অবস্থান করছে। গোপনে এ খবর পেয়ে সত্যতা যাচাই পুর্বক র্যাবের আভিযানিক দলটি রবিবার বেলা ১১ টার দিকে ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে আলমগীরকে গ্রেফতার করে। পরে তাকে ফকিরহাট থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।
বাগেরহাটে একদিনে আক্রান্ত ৬০, মৃত্যু ১
স্টাফ রিপোটার,বাগেরহাট
বাগেরহাটে একদিনে ২৬০ জনের নমুনা পরীক্ষায় নতুন করে ৬০ জনের শরীরের করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এই সময়ে মারা গেছেন এক জন। এই নিয়ে জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে ১৩০ জনের। জেলায় মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৬ হাজার ৩২৩ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ৫ হাজার ৪০০ জন। বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি হাসপাতাল ও বাড়িতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৭৯৩ জন। রবিবার (০৮ আগস্ট) দুপুরে বাগেরহাটের সিভিল সার্জন ডা. কেএম হুমায়ুন কবির এসব তথ্য জানিয়েছেন।
২৪ ঘন্টায় আক্রান্তদের মধ্যে বাগেরহাট সদর উপজেলায় ২২ জন, মোংলায় ১৭, শরণখোলায় ১১, মোরেলগঞ্জে ৪, ফকিরহাটে ৩, চিতলমারী, মোল্লাহাট এবং কচুয়ায় একজন করে রয়েছেন।
বাগেরহাটের সিভিল সার্জন ডা. কে এম হুমায়ুন কবির বলেন, বাগেরহাটে গত ২৪ ঘন্টায় ২৬০ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৬০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার দাড়িয়েছে ২৩ শতাংশ। এই সময়ে মৃত্যু হয়েছে এক জনের। এই অবস্থায় বাগেরহাটবাসীকে আরও বেশি সচেতন হওয়ার জন্য পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
বাগেরহাটে সড়ক দূর্ঘটনায় মোটরসাইকেল চালক নিহত
স্টাফ রিপোটার,বাগেরহাট
বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে সড়ক দূর্ঘটনায় অহিদুর জামান (২৯) নামের এক মোটেরসাইকেল চালক নিহত হয়েছেন। রবিবার (০৮ আগস্ট) সকালে বাগেরহাট-পিরোজপুর মহাসড়কের মোরেলগঞ্জ উপজেলার বলভাদ্রপুর এলাকায় এই দূর্ঘটনা ঘটে। মোরেলগঞ্জ উপজেলার মহিশপুরা পুলিশ ক্যাম্পের সদস্যরা নিহতের মরদেহ উদ্ধার করেছে। নিহত অহিদুর জামান সাতক্ষিরা জেলার তালা উপজেলার ইসলামকাঠি গ্রামের শেখ আহমদ আলীর ছেলে। বোনের বাড়িতে বেড়াতে মোরেলগঞ্জে এসেছিলেন।
মহিশপুরা পুলিশ ক্যাম্পের এসআই মাহমুদ হাসান বলেন, বলভাদ্রপুর এলাকার শাহার ব্রিজের পাশে যেকোন গাড়ির সাথে ধাক্কা লেগে মোটরসাইকেল চালক অহিদুর জামান পড়ে যায়। এতে সে ঘটনাস্থলেই নিহত হন। খবর পেয়ে আমরা তার মরদেহ উদ্ধার করেছি। নিহতের পরিবারকে খবর দেওয়া হয়েছে। তারা আসলে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।
বাগেরহাটে নানা অভিযোগের ভিতর টিকা নিলেন সাড়ে ৪৪ হাজার মানুষ
স্টাফ রিপোটার,বাগেরহাট
বাগেরহাটে একদিনে ইউনিয়ন পর্যায়ে ৪৪ হাজার ৪৬৮ জন টিকা নিয়েছেন। নির্ধারিত সময় শনিবার (০৭ আগস্ট) সকাল ৯টা থেকে বিকেল তিনটা পর্যন্ত জেলার ৮১টি টিকাদান কেন্দ্রে নানা বয়সী মানুষ এই টিকা নেন। তবে সকাল থেকে বৃষ্টি থাকলেও টিকা গ্রহিতাদের ভীড় ছিল চোখে পড়ার মত। দোড় গোড়ায় টিকা কার্যক্রমে খুশি সাধারণ মানুষ। তবে কোন কোন কেন্দ্রে টিকাদানকর্মী ও সাধারণ মানুষের ছিল নানা অভিযোগ। স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে গণটিকা দেওয়ার প্রথম দিনে যেসব অভিযোগ উঠেছে সেগুলো ক্ষতিয়ে দেখা হবে। স্বাস্থ্য বিভাগের পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী সকাল ৯টার মধ্যে বাগেরহাট শহরের সরকারি পিসি কলেজ কেন্দ্রে নানা বয়সী মানুষ টিকা নিতে ভীড় করেন। লাইনে দাড়িয়ে টিকা নিতে দেখা যায় সাধারণ মানুষকে। কোন প্রকার বিড়ম্বনা ছাড়া টিকা নিতে পেরে খুশি স্থানীয়রা।
টিকা নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে আফসারা বেগম বলেন, সরকার বাড়ির দোরগোড়ায় করোনা টিকা কার্যক্রম শুরু করায় আমাদের উপকার হয়েছে। সকালে ঘুমের থেকে উঠে এসে নিরিবিলি পরিবেশে টিকা নিয়েছি। আগে হাসপাতালে যেয়ে লম্বা লাইনে দাড়িয়ে টিকা দিতে হচ্ছিল। সরকার ওয়ার্ড পর্যায়ে টিকা দেয়ায় সাধারণ মানুষের দারুণ সুবিধা হয়েছে। সুষ্ঠু পরিবেশে টিকা নিতে পেরে খুশি হয়েছি।
এদিকে বেলা সকাল ৯টায় কচুয়া উপজেলার বারুইখালী টিকাদান কেন্দ্রেও স্থানীয়দের ভীড় থাকলেও নির্দিষ্ট সময়ে টিকাদান কার্যক্রম শুরু করতে পারেনি তারা। বেলা সাড়ে ১১টায় এই কেন্দ্রে টিকাদান দেওয়া শুরু হয়। এ কারণে অনেক সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ অসন্তোষ সৃষ্টি হয়।
স্থানীয় টিকা গ্রহিতা ফারুক খান ও শোভন কবুলাসি বলেন, সকাল ৯টার দিকে আমরা টিকাদান কেন্দ্রে এসেছিলাম।কিন্তু সাড়ে ১১টায় টিকা দেওয়া শুরু হয়েছে। এই কারণে আমাদের অনেকক্ষন দাড়িয়ে থাকতে হয়েছে।
এই কেন্দ্রের তিন নম্বর বুথের টিকাদানকর্মী রাজিয়া সুলতানা বলেন, এই টিকা দেওয়ার জন্য তাদের কোন আলাদা প্রশিক্ষন দেয়া হয়নি। স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও তুলা সরবরাহের কথা থাকলেও তারা তা পান নি। কেউ কেউ ব্যাক্তিগত ভাবে মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও তুলা সংগ্রহ করেছেন। কিভাবে কতটুকু টিকা দিতে হবে এটা না জানার কারণে আমাদের টিকা দিতে দেরি হয়েছে। এত বড় জাতীয় কার্যক্রমে আমাদের আগে প্রশিক্ষন দিলে, এ ধরণের বিড়ম্বনায় পড়তে হত না। পাশাপাশি টিকা গ্রহিতাদেরও সময় বাঁচত। রাজিয়া আরও বলেন, সব উপজেলায় স্বাস্থ্য সহকারীদের টিকা প্রদানের প্রশিক্ষন দেওয়া হলেও, কচুয়ায় দেওয়া হয়নি। এই কারণে আমাদের মত স্বাস্থ্য কর্মীরা বিপাকে পড়েছেন। শুধু এই কেন্দ্রে নয়, আরও কয়েকটি কেন্দ্রে একই ধরণের অভেযাগ ছিল বিভিন্ন উপজেলায়।
এ বিষয়ে কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মঞ্জুরুল করিমকে ফোন করা হলে “নিয়ম অনুযায়ী সবকিছু সরবরাহ করা হয়েছে”।
বাগেরহাটের সিভিল সার্জন ডা. কেএম হুমায়ুন কবির বলেন, সকাল থেকে বৃষ্টির কারণে আমরা হতাশায় ছিলাম। যে আমাদের টিকাদান লক্ষমাত্রা অর্জিত হবে কি না। তারপরও আমরা লক্ষ মাত্রার ৯৫ শতাংশ মানুষকে টিকা দিতে সক্ষম হয়েছি। কোন কেন্দ্রে টিকার সংকট তৈরি হয়নি।
অভিযোগের বিষয়ে সিভিল সার্জন বলেন, দু’একটি কেন্দ্রে যেসব অভিযোগ উঠেছে সেগুলো ক্ষতিয়ে দেখা হবে। দায়িত্বে অবহেলা পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। এছাড়া এই টিকাদান কার্যক্রম আমরা খুব সতর্কভাবে পর্যবেক্ষন করেছি। এখানের ছোট খাট ভুল ত্রুটি পরবর্তী কার্যক্রমে সামলে নেওয়া হবে।
ফকিরহাটের বেতাগায় ঠিকাদারের বাড়িতে দুধর্ষ ডাকাতি,মালামাল লুট
ফকিরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাটের ফকিরহাটের বেতাগা এলাকায় গভীর রাতে একজন ঠিকাদারের বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাটি শুক্রবার দিবাগত গভীর রাতে ঘটেছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। ভূক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয়রা জানায়, ঘটনার রাতে বেতাগা ইউনিয়নের মহিষ প্রজনন ও উন্নয়ন খামার সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা মো: কামাল হোসেন নামের একজন ঠিকাদারের নবনির্মিত পাকা বাড়ির গ্রিল কেটে অস্ত্রধারী ডাকাত দল ঘরে প্রবেশ করে। এ সময় ঠিকাদার কামাল তার বৃদ্ধ পিতা, স্ত্রী ও শিশু সন্তানসহ সকলকে মারপিটসহ অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তাদেরকে রশি দিয়ে বেধেঁ একটি রুমে আটক করে রাখে। এরপর ডাকাত দল ঘরে থাকা নগত ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা ও স্বর্ণালংকার সহ গুরুত্বপূর্ণ কাজপত্র নিয়ে পালিয়ে যায়। ভুক্তভোগী পরিবার আরও জানায়, ডাকাত দল আনুমানিক রাত ১টায় ঘরে প্রবেশ করে ডাকাতিকৃত মালামাল নেওয়ার পর তারা ফ্রিজে ও কিচেন রুমে থাকা খাবার খেতে থাকে। পরে ডাকাতদল মটর সাইকেল ও একটি প্রাইভেটকারে পালিয়ে যায়। এ ব্যাপারে ফকিরহাট মডেল থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবু সাঈদ মোঃ খাইরুল আনাম জানান, এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে। ডাকাতির সাথে জড়িতদের আটকের জোর চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
সাতক্ষীরায় করোনা উপসর্গে মৃত্যু কমেছে, কমেছে সংক্রমণের হারও
খান নাজমুল হুসাইন, সাতক্ষীরা
সাতক্ষীরায় গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা উপসর্গে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। দীর্ঘ ৫ মাসের মধ্যে মৃত্যুর সংখ্যা এটি সর্বনিম্ন। এছাড়া কমেছে করোনা সংক্রমণের হারও।
উপসর্গ নিয়ে মৃত ওই নারীর নাম হাসিনা খাতুন (৫৫)। তিনি দেবহাটা উপজেলার সখিপুর গ্রামের নুরুল ইসলামের স্ত্রী।
জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, জ্বর, সর্দি, কাশি ও শ্বাসকষ্টসহ করোনার নানা উপসর্গ নিয়ে গত সপ্তাহ খানেক আগে হাসিনা খাতুন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ভর্তি হন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার রাতে তার মৃত্যু হয়। এ নিয়ে জেলায় এ পর্যন্ত করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন মোট ৫৭৩ জন। আর ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন আরো ৮৫ জন।
এদিকে, একদিনের ব্যবধানে সাতক্ষীরায় আরও কমেছে করোনা সংক্রমণের হার। গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৭৯ টি নমুনা পরীক্ষায় ৬৬ জনের করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার ১৭ দশমিক ৪১ শতাংশ। আগের দিন শনাক্তের হার ছিল ২১ শতাংশ।
সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন অফিসের করোনা বিষয়ক তথ্য কর্মকর্তা ডা. জয়ন্ত কুমার সরকার বলেন, এনিয়ে এপর্যন্ত সাতক্ষীরায় মোট করোনা রোগীর সংখ্যা দাড়িয়েছে ৬ হাজার ৩৭ জন। নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ২৪ হাজার ১শ’ ৬২ জনের। এছাড়া এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন মোট ৪ হাজার ৮শ’৮৫ জন। বর্তমানে করোনা রোগী রয়েছেন এক হাজার ৬৭ জন। হাসপাতালে ভর্তি করোনা রোগীর সংখ্যা ৩৫ জন। এদের মধ্যে সামেক হাসপাতালে ৩০ জন ভর্তি রয়েছেন। হোম আইসোলেশনে আছেন এক হাজার ১শ’ ৪ জন।
সাতক্ষীরার সিভিল সার্জন ডা. হুসাইন শাফায়াত জানান, জেলায় করোনা উপসর্গ ও আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা অনেক কমেছে। গত ২৪ ঘন্টায় উপসর্গে মারা গেছেন এক জন। এ অবস্থা ধরে রাখতে সবাইকে স্বাস্থ্য বিধি মানার ও মাস্ক পরার আহবান জানান তিনি।
খুলনার রূপসার মন্দিরে ভাংচুরের মামলায় গ্রেপ্তার ১০
রূপসা প্রতিনিধি
খুলনার রূপসা উপজেলার শিয়ালী গ্রামে মন্দির, হিন্দু সম্প্রদায়ের বাসিন্দাদের দোকান ও বাড়ি ভাংচুরের ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় ১০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার রাতে রূপসার ঘাটভোগ ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে রূপসা থানা।
রূপসা থানার ওসি মোশাররফ হোসেন জানান, শনিবার রাতে মামলা দায়েরের পর রাতভর অভিযান চালিয়ে ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া ১০ জনের মধ্যে এজাহারভুক্ত আসামি রয়েছেন ৯ জন। অন্য একজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে রোববার ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন ঘাটভোগ ইউনিয়নের চাঁদপুর গ্রামের শরিফুল ইসলাম ও সম্রাট মোল্লা, শিয়ালী গ্রামের মঞ্জুরুল আলম, বামনডাঙ্গা গ্রামের শরিফুল ইসলাম শেখ, রানা শেখ, মোল্লাহাট উপজেলার বুড়িগাংনী গ্রামের আকরাম ফকির, সোহেল শেখ, শামীম শেখ ও জামিল বিশ্বাস। এছাড়া বামনডাঙ্গা গ্রামের মোমিনুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তিকে আটক করে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
মামলায় শিয়ালী পশ্চিমপাড়া জামে মসজিদের ইমাম নাজিম সমাদ্দারকে প্রধান আসামি, মাসুম মল্লিককে দ্বিতীয় আসামি ও লিটন মল্লিককে তৃতীয় আসামি করা হয়। তাদের এখনও গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।
খুলনার অতিরিক্তি পুলিশ সুপার সুশান্ত সরকার বলেন, পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের অল্প সময়ে গ্রেপ্তার করা হবে। এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়েই কাজ করছে পুলিশ। ওই ঘটনায় রূপসা উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি শক্তিপদ বসু ২৫ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাত পরিচয় ২০০ জনকে আসামি করে মামলা দায়ে করেছেন।
ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা গেছে, রোববার সকাল থেকে শিয়ালী গ্রামে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছিলো। সকাল থেকে পুলিশ ও র্যা ব এলাকায় টহল অব্যাহত রেখেছে। এলাকায় এখনও অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
রোববার সকালে শিয়ালী গ্রামে গিয়ে দেখা গেছে, গ্রামের প্রধান সড়কের দুই পাশে দাড়িয়ে নীরব প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করছে গ্রামের মানুষ। গ্রামের অধিকাংশ বাড়িতে গতকাল সকালে রান্না হয়নি।
সকালে খুলনা জেলা আওয়ামী লীগ, রূপসা উপজেলা আওয়ামী লীগ, খুলনা মহানগর ও জেলা পূজা উদযাপন পরিষদ, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের নেতারা এলাকা পরিদর্শনে যান। এ সময় নেতাদের কাছে ক্ষোভ প্রকাশ করেন গ্রামের মানুষ।
শিয়ালী গ্রামের শিবপদ ধর বলেন, বিকালে কিছু বুঝে ওঠার আগেই তার বাড়িতে হামলা চালান ৫০/৬০ জন ব্যক্তি। প্রথমে তারা তার নাম ধরে খুঁজতে থাকে। এ সময় তিনি বাড়ির পেছন পাশ দিয়ে পালিয়ে বিলের ভেতরে গিয়ে আশ্রয় নেন। তার বৃদ্ধ মা, স্ত্রী ও দুই সন্তান বাড়িতে ছিলো। তাদের সামনেই বাড়িঘরের বিভিন্ন মালামাল ভাংচুর করে। বাড়ির ভেতরে তার বাবার স্মৃতিস্তম্ভ ভেঙ্গে ফেলে। টয়লেট, চেয়ার টেবিল কিছুই বাদ দেয়নি।
পূজা উদযাপন পরিষদের রূপসা উপজেলা সভাপতি শক্তিপদ বসু বলেন, পুলিশের ভূমিকায় এখন আমরা সন্তুষ্ট। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বাকি আসামিদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই।
এদিকে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, গত ৬ আগস্ট রাত সাড়ে ৮ টায় শিয়ালী পূর্বপাড়ার ১৫-২০ জন হিন্দু ধর্মাবলম্বী ঢাকঢোল বাজিয়ে হরিকীর্তন গাইতে গাইতে শিয়ালী গ্রাম থেকে শিয়ালী মহাশশ্মানের দিকে যাচ্ছিলেন। শিয়ালী পশ্চিমপাড়া জামে মসজিদের সামনে রাস্তায় পৌঁছালে মসজিদে এশার নামাজের জন্য থাকা ইমাম নাজিম সমাদ্দার মসজিদের বাইরে এসে বলেন যে, এখন নামাজের সময়। তিনি হরিকীর্তন গান গাইতে নিষেধ করেন। তখন বাকতিন্ডতা শুরু হয়।
বিষয়টি নিয়ে শনিবার থানায় বৈঠক হওয়ার কথা ছিলো। কিন্তু শনিবার বিকাল পৌনে ৬টার দিকে শতাধিক দুর্বৃত্ত দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ওই গ্রামে হামলা চালায়। এ সময় ৪টি মন্দির, হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকের ৬টি দোকান ও একটি বাড়িতে ভাংচুর চালানো হয়।
সংবাদ পেয়ে রূপসা থানা ও শিয়ালী ক্যাম্পের পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ৭ আগস্ট বিকাল সাড়ে ৬টার দিকে উত্তেজিত মুসল্লিরা হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়ি ঘরে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করে।
এদিকে ভাংচুর করা মন্দির ও শ্মশানের সংস্কার করা হবে বলে জানিয়েছেন রূপসা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুবাইয়া তাছনিম। তিনি জানান, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শীঘ্রই মেরামতের কাজ শুরু হবে।
খুলনায় প্রথমবারের মতো করোনা আক্রান্ত ২ শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি
স্টাফ রিপোর্টার
খুলনায় প্রথমবারের মতো করোনা আক্রান্ত দুই শিশুকে ২০০ শয্যা বিশিষ্ট ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এর আগে খুলনায় বেশ কয়েকজন শিশু করোনায় আক্রান্ত হলেও কাউকে হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজন হয়নি।
করোনা হাসপাতালের ফোকাল পার্সন ডা. সুহাস রঞ্জন হালদার জানান, শনিবার বিকাল পৌনে পাঁচটায় খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলার কল্যাণশ্রী গ্রামের শাহজাহান খাঁর ছয় মাসের শিশু পুত্র আমীর হামজাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার পরিবারের কেউ করোনা আক্রান্ত নেই। এছাড়া একই দিন বিকালে ওই উপজেলার হোগলবুনিয়া গ্রামের কুমারেশ বালার নয় মাসের শিশু পুত্র সুমন বালাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সুমনের মা সুজাতা বালাও (২৭) করোনা আক্রান্ত হয়ে এই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
তিনি জানান, এর আগে করোনা আক্রান্ত শিশুদের বহির্বিভাগ থেকে পরামর্শ দেওয়া হয়। তারা বাড়িতে থেকে চিকিৎসা নিয়েছে। এই প্রথম খুলনায় হাসপাতালে করোনা আক্রান্ত শিশু রোগী ভর্তি হলো। শিশু আমীর হামজার পরিবারের সদস্যরা জানায়, শিশুটি কিভাবে করোনায় আক্রান্ত হলো তা তারা বলতে পারছেন না।
খুলনার সিভিল সার্জন ডা. নিয়াজ মোহাম্মদ জানান, এর আগে করোনা আক্রান্ত কোনো শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়নি। তবে খুলনায় এ পর্যন্ত কত শিশু করোনা আক্রান্ত হয়েছে সেই পরিসংখ্যান তার দপ্তরে নেই।
নতুন প্রজন্মের নারীদের মাঝে বঙ্গমাতার আদর্শ ছড়িয়ে দেওয়ার আহবান
তথ্য বিবরণী
বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মুজিব ছিলেন একজন ক্ষনজন্মা, কালজয়ী নারী। বিভিন্ন সংকটে অবিচল থেকে সাহসিকতার সাথে কিভাবে তা মোকাবিলা করতে হয় বাঙ্গালি জাতিকে সেটা শিখিয়েছেন তিনি। খুলনায় বঙ্গমাতার ৯১তম জন্মবার্ষিকী উপযাপন উপলক্ষ্যে আলোচনা সভায় বক্তারা একথা বলেন। খুলনা জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে যৌথভাবে খুলনা জেলা প্রশাসন ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের খুলনা কার্যালয় এই ভার্চুয়াল আলোচনা সভার আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোঃ মনিরুজ্জামান তালুকদার। এবছর প্রথমবারের মতো জাতীয়ভাবে বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মুজিবের জন্মবার্ষিকী উদযাপন করা হয়। এবছরে দিবসটির প্রতিপাদ্য ‘বঙ্গমাতা সংকটে সংগ্রামে নির্ভীক সহযাত্রী’। সভাপতি তাঁর বক্তৃতায় বলেন, বঙ্গবন্ধু তাঁর জীবনের একটি বড় অংশ, প্রায় সাড়ে তের বছর, জেলে কাটিয়েছেন। এই দীর্ঘ সংকটকালে বঙ্গমাতা একদিকে যেমন সংসার সামলিয়েছেন অন্যদিকে রাজনৈতিক কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত থেকে সচলরেখে দেশের মানুষকে সংগঠিত করেছেন। তিনি আরও বলেন, বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা আর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন একে অপরের পরিপূরক। বঙ্গমাতার কারনেই বঙ্গবন্ধু জাতির পিতা হতে পেরেছিলেন, নতুন একটি দেশ উপহার দিতে পেরেছেন। তিনি নতুন প্রজন্মের নারীদের বঙ্গমাতার অনুপ্রেরনাদায়ী জীবনাদর্শ অনুসরণের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হওয়ার আহবান জানান।
অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ ইউসুপ আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা সরদার মাহবুবার রহমান, মোঃ আলমগীর কবীর, খুলনা জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারপ্যাসন অধ্যাপিক রুনু ইকবাল বিথার, জাতীয় পর্যায়ে জয়িতা সাকেরা বানু, নারী সংগঠনের নেত্রী শামীমা সুলতানা শিলু ও হালিমা ইসলাম প্রমুখ বক্তৃতা করেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত জানান মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক হাসনা হেনা। দিবসটি উদযাপন উপলক্ষ্যে খুলনা সিটি কর্পোরেশন ও নয়টি উপজেলায় মোট ৭০ জন অসহায় নারীকে সেলাই মেশিন এবং ১২ জন নারীকে নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয়।
জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা
তথ্য বিবরণী
খুলনা জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির আগস্ট মাসের সভা রবিবার দুপুরে জেলা প্রশাসক মোঃ মনিরুজ্জামান তালুকদারের সভাপতিত্বে তাঁর সম্মেলনকক্ষ থেকে অনলাইনে অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুব হাসান বলেন, খুলনা জেলায় গতমাসে সংঘটিত হত্যাকা-গুলোর অধিকাংশই পূর্বশত্রুতার জেরে হয়েছে। প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হবে। নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধিতে অভিভাবক ও জনপ্রতিনিধিদের এগিয়ে আসতে হবে। ব্যক্তির অসচেতনতা ও লোভের কারণে অনলাইনে প্রতারণার সুযোগ সৃষ্টি হয়। এবিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।
সভায় সিভিল সার্জন ডাঃ নিয়াজ মোহাম্মদ জানান, খুলনায় অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার দ্বিতীয় ডোজ প্রদানের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ৪৮ হাজার ডোজের পুরোটাই খুলনায় এসে পৌঁছেছে। সুতরাং অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার দ্বিতীয় ডোজের জন্য অপেক্ষমান ব্যক্তিরা টিকা গ্রহনের জন্য মোবাইলে এসএমএস পাবেন। জেলার সিনিয়র কৃষি বিপণন কর্মকর্তা আব্দুস সালাম তরফদার জানান, খুলনার বাজারে চাল, ভোজ্যতেল ও গোল আলুর দাম কিছুটা বৃদ্ধি পেলেও অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রয়েছে। সভাপতির বক্তৃতায় জেলা প্রশাসক বলেন, করোনাভাইরাসের বিস্তাররোধে কঠোর বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মাঠে রয়েছে। সকল জনসমাবেশস্থলে স্বাস্থ্যবিধি মানার ওপর জোর দেওয়া প্রয়োজন। তিনি তাঁর বক্তৃতায় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ ও মাদকের বিস্তার রোধে উপজেলা পর্যায়ে অভিযান জোরদার করা এবং পাসপোর্ট অফিসকে দালাল মুক্ত রাখতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেন। এছাড়া কমিটির সদস্যদের আলোচনায় উঠতি বয়সী তরুণদের উচ্চগতিতে মোটর সাইকেল চালানো ও অনলাইন জুয়ার বিস্তার নিয়ন্ত্রণ, রান্নার কাজে ব্যবহার হওয়া এলপিজি গ্যাসের সিলিন্ডার নির্ধারিত দামে বিক্রয় নিশ্চিতকরণে পদক্ষেপ নিতে বলা হয়। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পুলক কুমার ম-ল সভার শুরুতে বিগত মাসে খুলনা জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি তুলে ধরেন। সভায় জানানো হয় খুলনা জেলা অধিক্ষেত্রে বিগত জুলাই মাসে ১৪৪ টি মামলা দায়ের করা হয়েছে যা বিগত জুন মাসে জেলায় দায়ের হওয়া মামলা থেকে ৩৩ টি কম। খুলনা মহানগীর অধিক্ষেত্রে জুলাই মাসে একশত ২৫টি মামলা দায়ের হয়েছে যা বিগত জুন মাসে দায়ের হওয়া মামলা হতে ৪৫টি কম। সভায় উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সদস্যরা অনলাইনে যুক্ত হন।
কয়রায় সাবেক ছাত্রলীগ নেতা আলামিন কে কুপিয়েছে সন্ত্রাসীরা
কয়রা প্রতিনিধি
কয়রা উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আলামিন ইসলাম (খোকন) এর উপর অতর্কিত হামলা করে কুপিয়ে জখম করেছে সন্ত্রাসীরা। ঘটনাটি উপজেলার মহারাজপুর ইউনিয়নের বড়ব্রীজ নামক স্থানে। এ ঘটনায় কয়রা উপজেলা ছাত্রলীগ রবিবার সকাল ১০ টায় কয়রা উপজেলা আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে প্রতিবাদ সমাবেশে সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, শনিবার সন্ধ্যায় বড় ব্রীজের রাস্তা সংস্কার কাজে বাঁধা দেওয়ায় সাবেক ছাত্রলীগ নেতা আলামিন তার প্রতিবাদ করায় স্থানীয় মঠবাড়ী গ্রামের সন্ত্রাসীরা দা’ এর কোপে তার মাথায় ও হাতে আঘাত করে। এ সময় পাশ^বর্তী লোকজন ছুটে এসে আলামিনকে উদ্ধার করে জায়গীরমহল হাসপাতালে পাঠায় এবং সন্ত্রাসীদের একজনকে আটক করে। সূত্র জানায়, ঘটনার কিছুক্ষণ পর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছালে স্থানীয়রা সন্ত্রাসী লালমিয়া (২০) কে পুলিশের হাতে সোপর্দ করে। জানা গেছে, মঠবাড়ী গ্রামের সালাম গাজীর পুত্র জেনারুল (২৪), রিকোম (২৮) ও তার ছোট ভাই লালমিয়া (২০) এবং একই গ্রামের তাদের সহযোগী মোজাফফার, ছিদ্দিক ও শরিফসহ আরও কয়েকজন এ হামলায় অংশ নেয়। এর মধ্যে ঘটনাস্থল থেকে জনতা লাল মিয়াকে আটক করলেও অন্যরা পালিয়ে যায়। এ বিষয় প্রত্যক্ষদর্শী আলমিন ঢালী, আবুল গাজীসহ একাধিক ব্যক্তি জানায়, বড়ব্রীজের মাটি ধ্বসে পড়ায় ছাত্রলীগ নেতা আলামিনের নির্দেশে স্থানীয় ভ্যান ও নছিমন চালকরা বাঁশ ও মাটি দিয়ে উক্ত রাস্তা সংস্কার করছিল। এসময় সন্ত্রাসী জেনারুল ও তার দুই ভাই ও আরও কয়েকজন এসে রাস্তা সংস্কার কাজে বাধা দেয় এবং হুংকার দিয়ে বলে লাভলু চেয়ারম্যান ও এমপির লোকজন দিয়ে কাজ করতে দেব না। অতঃপর শনিবার সন্ধ্যার মহুর্তে আলামিন খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যেয়ে জেনারুলদের বরেন, রাস্তা সকলের তাই কাজ করতে অসুবিধা কি? আলামিন এ কথা বলার পরপরই গায়ের জামার মধ্য থেকে দা বের করে লাল মিয়া আলামিনের মাথায় কোপ মারলে আলামিন হাত দিয়ে ঠেকাতে গেলে তার ডান হাতের বৃদ্ধা আঙ্গুল ঝুলে পড়ে এবং জেনারুল, রিকোম দা বের করে আলামিনের মাথায় দা’ এর কোপ মারে। এ সময় পাশে লোকজন ছুটে এসে লালমিয়াকে ধরে ফেললে অন্যরা দৌড়ে পালায়। এদিকে আলামিনকে ঐ রাতে জায়গীরমহল হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে খুমেক হাসপাতালে প্রেরণ করেন কর্তব্যরত ডাক্তার এবং এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।
অচেতননাশক স্প্রে ছিটিয়ে রামপাল উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যনের বাড়ীতে দুধর্ষ চুরি
মোংলা ও রামপাল (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
অচেতননাশক স্প্রে ছিটিয়ে বাগেরহাটের রামপাল উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হোসনেয়ারা মিলির বাড়ীতে দুধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। বাড়ীর লোকজনকে অচেতন করে ঘরের জানালার গ্রিল কেটে ভিতরে ঢুকে আলমারী ভেঙ্গে স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা চুরি করে নিয়ে গেছে দুর্বত্তরা।
উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হোসনেয়ারা মিলি জানান, সারাদিনের কাজ কর্ম শেষে শনিবার রাত ৮টার দিকে তিনি বাড়ীতে যান। এরপর তিনি বাড়ীতে বসে রবিবারের বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছার জন্মবাষির্কী উদযাপনের জন্য দলীয় নেতা-কর্মীদের ফোনে দাওয়াত দেন। এসব নিয়ে তিনি রাত ২টা পর্যন্ত তিনি জেগে ছিলেন। এরপর তারা স্বামী-স্ত্রী ঘুমিয়ে পড়েন। রাতের কোন এক সময়ে দুর্বত্তরা ঘরের জানালা দিয়ে অচেতননাশক স্প্রে ছিটিয়ে দেয়। এতে তারা অচেতন হয়ে পড়লে দুর্বত্তরা ঘরের জানালার গ্রিল কেটে ঘরের ভিতরে প্রবেশ করে। দুর্বত্তরা দা দিয়ে আলমারী ভেঙ্গে তাতে থাকা প্রায় ১৪ ভরি ওজনের বিভিন্ন ধরণের স্বর্ণের গহনা ও নগদ ২ লাখ ৭৮ হাজার টাকা নিয়ে যান। এছাড়া আরো অন্যান্য মালামালও নিয়ে গেছে দুর্বত্তরা। পরে রবিবার ভোরে আশপাশের প্রতিবেশীরা তাদেরকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পেয়ে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান। প্রাথমিক চিকিৎসায় উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানের জ্ঞান ফিরলেও এখনও অচেতন রয়েছেন তার স্বামী মো: শেখ আলতাফ মাহমুদ (৬০)। তাকে সেখানে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। এদিকে খবর পেয়ে থানা পুলিশসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দরা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হোসনেয়ারা মিলির ওই বাড়ীতে ছুটে যান। তবে এ ঘটনায় এখনও পর্যন্ত থানায় কোন অভিযোগ দেয়া হয়নি।
রামপাল থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: সামসুদ্দীন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। অভিযোগ পেলে এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।
মহীয়সী বঙ্গমাতা সর্বদা বঙ্গবন্ধুকে সময়োচিত সিদ্ধান্ত দিয়েছেন : উপাচার্য
খবর বিজ্ঞপ্তি
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিনী, মহীয়সী নারী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৯১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে রবিবার বেলা ১১টায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্মিত বঙ্গমাতার ম্যুরালে উপাচার্যের নেতৃত্বে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হয়। পরে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন বলেন, খোকা থেকে মুজিব ভাই, মুজিব ভাই থেকে বঙ্গবন্ধু এবং বঙ্গবন্ধু থেকে জাতির পিতা হয়ে ওঠার পিছনে বঙ্গমাতার ত্যাগ ও অবদান ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। মহীয়সী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব সর্বদা বঙ্গবন্ধুকে সময়োচিত সিদ্ধান্ত দিয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধুকে বিভিন্ন সংকটময় মুহূর্তে তিনি প্রেরণা যুগিয়েছেন। বঙ্গমাতার নেপথ্য ভূমিকা ও দূরদর্শিতার ফলশ্রুতিতে আমরা বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জন এবং একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র লাভ করি। তিনি বলেন, স্বাধীনতা সংগ্রামের বিভিন্ন পর্বে বঙ্গমাতা নীরব ও সরব সাংগঠনিক ভূমিকা রাখার পাশাপাশি বঙ্গবন্ধুর সহচর নেতাকর্মীদেরও নানাভাবে সহায়তা করেছেন। তাই আমাদের মহান স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে বঙ্গবন্ধুর পাশাপাশি বঙ্গমাতার গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। বঙ্গবন্ধুর দীর্ঘ জেলজীবনে তিনি একদিকে সংসার সামলিয়েছেন, অন্যদিকে দলের নেতাকর্মীদের সঠিক রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। ৭ মার্চের ভাষণ দেওয়ার ব্যাপারে বঙ্গবন্ধুকে দলের শীর্ষ নেতাদের অনেকেই নানা পরামর্শ দিয়েছিলেন। এ নিয়ে বঙ্গবন্ধু অনেকটা বিচলিত, চিন্তিত এবং দ্বিধা-দ্বন্দ্বে ভুগছিলেন। কিন্তু বঙ্গমাতার উপস্থিত বুদ্ধিমত্তা, দূরদর্শিতা ও সঠিক পরামর্শের কারণেই ৭ মার্চে অবিচল থেকে বঙ্গবন্ধু তাঁর হৃদয় থেকে উৎসারিত ঐতিহাসিক ভাষণ দিতে পেরেছিলেন। যে ভাষণ আজ বিশ্ব সেরা, বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ।
তিনি আরও বলেন, বঙ্গমাতা মানবিক গুণাবলীতে উদ্ভাসিত ছিলেন। তিনি মাওলানা ভাসানীকে টাঙ্গাইলের সন্তোষ থেকে ঢাকায় এনে চিকিৎসা প্রদানের ব্যবস্থা করার বিষয়ে বঙ্গবন্ধুকে উদ্বুদ্ধ করেন। এমনকি তিনি ধানম-ির ৩২ নম্বর থেকে তাঁর জন্য হাসপাতালে রান্না করা খাবার পাঠিয়েছেন। বঙ্গবন্ধু জেলে থাকাকালীন দলের বহু নেতাকর্মীকে আর্থিক সহায়তা করেন। এমনকি বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবনে এবং পারিবারিক সংকটে তিনি তাঁর সোনার গহনা বিক্রি করে সহায়তা করেছিলেন। বঙ্গমাতার জীবনী আলোচনা করলে দেখা যায়- বঙ্গবন্ধুর জীবনসঙ্গী হিসেবে সকল প্রতিকূল অবস্থায় তিনি সাথে ছিলেন। একনিষ্ঠভাবে পারিবারিক ভূমিকা পালনের সাথে সাথে রাজনৈতিক ক্ষেত্রে অসামান্য অবদান রেখে গেছেন। তিনি এই মহীয়সী নারীর ৯১তম জন্মবার্ষিকীতে তাঁর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে বলেন তাঁর অবদান বাংলাদেশের ইতিহাসে অবিস্মরণীয় হয়ে থাকবে।
আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোসাম্মাৎ হোসনে আরা ও ট্রেজারার প্রফেসর সাধন রঞ্জন ঘোষ। হলের প্রভোস্ট প্রফেসর ড. আয়েশা আশরাফের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য রাখেন রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন স্কুলের ডিন, বিভিন্ন বিভাগের পরিচালক, ছাত্র বিষয়ক পরিচালক, প্রভোস্ট, সংশ্লিষ্ট হলের সহকারী প্রভোস্ট ও কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
বঙ্গোপসাগরের বাংলাদেশ জলসীমা থেকে একটি ভারতীয় ফিসিং ট্রলারসহ ১৩ জেলে আটক
মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
বঙ্গোপসাগরের বাংলাদেশ জলসীমায় অনুপ্রবেশ করে অবৈধভাবে মাছ আহরণের সময় একটি ভারতীয় ফিসিং ট্রলারসহ সেদেশের ১৩ জেলেকে আটক করেছে কোস্টগার্ড। শনিবার দিবাগত রাত ১২টা ২৫ মিনিটের সময় সমুদ্রে টহলে থাকা কোস্ট গার্ডের জাহাজ সিজিএস সোনার বাংলার ভারতীয় ওই ট্রলারটিকে আটক করে।
কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোন সদর দপ্তর’র (মোংলা) মিডিয়া কর্মকর্তা লে: কমান্ডার আমিরুল হক জানান, শনিবার দিবাগত রাত ১২টা ২৫ মিনিটের দিকে সমুদ্রে টহলরত কোস্ট গার্ডের জাহাজ সোনার বাংলা বাংলাদেশ জলসীমায় একটি বিদেশী ট্রলারকে অবৈধভাবে মাছ ধরতে দেখেন। এ সময় ট্রলারটি কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে টহলরত জাহাজটি তাদেরকে ধাওয়া করে আটক করে। মোংলা বন্দরের ফেয়ারওয়ে বয়া থেকে ১৫ দশমিক ৪ নটিক্যাল মাইল দক্ষিণ-পশ্চিমে বাংলাদেশের জলসীমা থেকে ভারতীয় ওই ট্রলারসহ ১৩ জেলেকে আটক করা হয়। জব্দকৃত ট্রলার ও আটক ১৩ ভারতীয় জেলেকে রবিবার বিকেলে মোংলা থানা পুলিশে হস্তান্তরের কথা রয়েছে বলে জানিয়েছে কোস্ট গার্ড। কোস্ট গার্ডের এ কর্মকর্তা বলেন, তাদের আওতাভুক্ত এলাকায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ, বনজ সম্পদ সংরক্ষণ, চোরাচালান ও মৎস্য সম্পদ রক্ষায় সার্বক্ষনিক টহল জোরদার করা হয়েছে। নিয়মিত এ অভিযান চলবে এবং ভবিষ্যৎতে অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।
বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব আমাদের অনুপ্রেরণা: বাবুল রানা
খবর বিজ্ঞপ্তি
বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব আমাদের অনুপ্রেরণা। তাঁর জীবনাদর্শন আমাদের সংকট মোকাবেলায় সাহস যোগায়। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহ ধর্মিনী হিসেবে তিনি পরিবার পরিচালনায় ও দেশের স্বাধীনতা অর্জনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। তৎকালীন রাজনৈতিক দাবানলে বাঙ্গালী জাতীর অধীকার রক্ষায় অনেক জটিল সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে অগ্রণি ভূমিকা পালন করেছেন তিনি। যা ইতিহাসের পাতায় পাতায় উল্লেখিত। ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মাতৃস্নেহে তিনি লালন করেছেন। মাতৃসম এই মহীয়সী নারীকেও ইতিহাসের জঘণ্যতম হত্যাকান্ডের মধ্য দিয়ে হত্যা করা হয় এই নিকৃষ্ট হত্যাকান্ডের স্বঘোষিত পলাতক খুনীদের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের আওতায় আনার দাবী জানাই। খুনীদের পৃষ্ঠপোষক ও তাদের উত্তরসূরীদেরও আইনের আওতায় আনতে হবে।
বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, খুলনা মহানগর শাখা আয়োজিত ত্রাণ বিতরণ ও দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই কথা বলেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ, খুলনা মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানা।
তিনি আরো বলেন, আমরা বিশ্বাষ করি বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা’র যোগ্য উত্তরসূরী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই আমাদের স্বপ্ন বাস্তবায় হবে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই সুখী, সমৃদ্ধ ও স্বনির্ভর উন্নয়ন শীল বাংলাদেশ আজ বাস্তবে রূপ নিয়ছে। উন্নয়নের এই যাত্রা অব্যাহত রাখতে আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে দেশ বিরোধী চক্রদের প্রতিহত করতে হবে।
রবিবার বেলা ১১ টায় নগরীর শঙ্খ মার্কেটস্থ দলীয় কার্যালয়ে নগর যুবলীগের আহবায়ক সফিকুর রহমান পলাশ এর সভাপতিত্বে ও যুগ্ম আহবায়ক শেখ শাহজালাল হোসেন সুজনের পরিচালনায় আরো উপস্থিত ছিলেন, নগর যুবলীগ নেতা কামরুল ইসলাম, আব্দুল কাদের শেখ, কাজী কামাল হোসেন, অভিজিৎ চক্রবর্তী দেবু, কবির পাঠান, মোস্তফা শিকদার, ইয়াসিন আরাফাত, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা অভিজিৎ পাল, রফিকুল ইসলাম রফিক, থানা ও ওয়ার্ড যুবলীগের নেতা ইলিয়াস হোসেন লাবু, আরিফুর রহমান আরিফ, মোস্তাঈন বিন ইদ্রিস চঞ্চল, আসাদুজ্জামান শাহিন, হাসান শেখ, ইমরুল ইসলাম রিপন, এজাজ আহম্মেদ, মাসুম উর রশিদ, জামাল শেখ, অলক শীল, লাবু আহম্মেদ, জিহাদুল ইসলাম জিহাদ, মহিদুল হক শান্ত, নগর ছাত্রলীগ নেতা, আসাদুজ্জামান বাবু, জব্বার আলী হীরা, জহির আব্বাস, ইমতিয়াজ আহমেদ রিপন, মাহামুদুর রহমান রাজেশ, হিরন হাওলাদার, যুবলীগ নেতা রাসেল শাকাওয়াত, জহিরুল হক মুরাদ, সাগর মজুমদার, রাজু সাহা, মাজহারুল ইসলাম প্রমুক।
এ সময় শতাধিক স্বল্প আয়ের মানুষের মাঝে নগদ অর্থ, চাল, ডাল ও আটা বিতরণ করা হয়। ত্রাণ বিতরণ শেষে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবসহ ১৫ আগষ্ট নিহত সকলের আত্মার শান্তি কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া পরিচালনা করেন হাফেজ মাওলানা মোঃ শাহেদ হোসেন।
কর্মহীন খুলনা মটর শ্রমিকদের মধ্যে শ্রমিক নেতা মনা’র উদ্যোগে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ
খবর বিজ্ঞপ্তি
লকডাউনে কর্মহীন হয়ে পড়া খুলনা মটর শ্রমিক ইউনিয়নের (১১১৪) সদস্যদের মধ্যে আসন্ন নির্বাচনে ইউনিয়নের সভাপতি প্রার্থী ও বিশিষ্ট শ্রমিক নেতা মোঃ মনোয়ার হোসেন মনা’র উদ্যোগে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। রোববার (০৮ আগষ্ট) বেলা সাড়ে ১১টায় নগরীর ডাকবাংলা মাহিন্দ্রা স্ট্যান্ড চত্বরে এ খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়। এ সময় কয়েকশ’ শ্রমিকের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী প্রদান করা হয়।
খাদ্য সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা। বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা মহানগর জাতীয় শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক রনজিৎ কুমার ঘোষ ও মহানগর জাতীয় শ্রমিক লীগের সহ-সভাপতি মোঃ আনোয়ার হোসেন সোনা।
খাদ্য সামগ্রী বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন- আওয়ামী লীগ নেতা শেখ আব্দুল জব্বার, সাতক্ষীরা রূট কমিটির সভাপতি মো. বাদশা, সম্পাদক শামীম হোসেন, ফুলবাড়ীগেট শাখার সভাপতি মো. বাদশা মিয়া ও সম্পাদক মো. বাবুল হোসেন, শ্রমিক নেতা মাসুদুর রহমান, আলী আহমেদ, মোঃ মতিয়ার রহমান, মো. কামাল হোসেন, আব্দুল কাদের, রাজু মৃর্ধা, মোঃ রিয়াজ মীর, মোঃ শুকুর আলী, মোঃ মিজানুর রহমান, মোঃ নূরুল ইসলাম, ওয়াহিদুজ্জামান খোকন, মো. মনির হোসেন, মো. সাগর প্রমূখ।
বেগম মুজিবের জন্মদিনে নগর ছাত্রলীগের বৃক্ষরোপন কর্মসূচী ও দোয়া মাহফিল
খবর বিজ্ঞপ্তি
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিনী বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৯১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বৃক্ষরোপন কর্মসূচী ও দোয়া মাহফিল করেছে খুলনা মহানগর ছাত্রলীগ। রবিবার খুলনা আলিয়া মাদ্রাসা জামে মসজিদে জোহর নামাজের পরে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের রুহের মাগফিরাত কামনায় এ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয় এবং দোয়া মাহফিলের পর খুলনা আলিয়া মাদ্রাসা চত্ত্বরে ঔষধি ও ফলদ বৃক্ষের চারা রোপন করা হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে বৃক্ষরোপন কর্মসূচী ও দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক ছাত্রনেতা শেখ মোঃ আবু হানিফ, জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান চৌধুরি মোঃ রায়হান ফরিদ, মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান রাসেল। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মহানগর ছাত্রলীগ নেতা তাজমুল হক তাজু, রণবীর বাড়ই সজল, নাইমুর রহমান নাইম, রফিকুল ইসলাম, ইয়াসিন আলী, পাপ্পু সরকার, মাহামুদুল হাসান সুজন, শেখ সাকিব, সোহান হোসেন শাওন, আরাফাত হোসেন মিয়া, মাহামুদুর রহমান রাজেস, আব্দুল কাদির সৈকত, বায়েজিদ সিনা, আহনাফ অর্পন, শেখ মোঃ রাসেল, সাইফুল ইসলাম, সাজু দাশ, শংকর কুন্ডু, ইমরান হোসেন বাবু, তৌহিদুল ইসলাম সানি, শেখ সাইফ সাজিদ, রেজওয়ান খান রিজু, নিশাত ফেরদৌস অনি, রুমান আহমেদ, মোঃ মিজানুর রহমান, আলী হোসেন, নাইমুল ইসলাম তোষি, পিয়াল হাসান, আবিদ আল হাসান, সাজ্জাত সাজু, রায়হান শিকদার, তানভীর ইসলাম সাব্বির, রফিকুল ইসলাম, রাহুল শাহরিয়ার, আলামিন হোসেন, সাইফুল ইসলাম, তাসফিকুর আহমেদ ভোর প্রমুখ। দোয়া পরিচালনা করেন খুলনা আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা খ ম জাকারিয়া। দোয়া শেষে উপস্থিত সকলের মাঝে তবারক বিতরণ করা হয়।
বঙ্গবন্ধুর সব সাহসী পদযাত্রায় বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিব ছিলেন সক্রিয় সহযাত্রী: বাবুল রানা
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এমডি এ বাবুল রানা বলেছেন, ছোটবেলা থেকেই
শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব পরিবারের সদস্যদের প্রতি সবসময় দায়িত্বশীল ছিলেন। জীবদ্দশায় স্বামী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নানা পরামর্শ ও নির্দেশনা দিয়ে লড়াই-সংগ্রামের প্রেরণা জুগিয়েছেন। বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধসহ তৎকালীন সব সংগ্রামে তিনি গণমানুষের পক্ষে অবস্থান নিয়ে সব কষ্ট সহ্য করেছেন। বঙ্গবন্ধুর সংগ্রামময় জীবনে তিনি যেমন পরিবারের হাল ধরেছিলেন পরম মমতায়, তেমনি সাংগঠনিক দায়িত্বও পালন করেছেন যথেষ্ট সাহসিকতার সঙ্গে। বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে মহীয়সী ফজিলাতুন্নেছা মুজিব দিকনির্দেশনা দিয়ে দলীয় নেতাকর্মী ও অনুসারীদের সাহস জোগাতেন। কারাবন্দি বঙ্গবন্ধুর নির্দেশ ও নির্দেশনা নেতাকর্মীদের অবহিত করতেন। ১৫ আগস্ট বুলেটের সামনে দাঁড়িয়েও বিন্দুমাত্র বিচলিত না হয়ে হত্যাকারীদের এই জঘন্য কর্মকান্ডের প্রতিবাদ জানিয়েছেন নিজেদের জীবনকে উৎসর্গ করে। তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধুর সব সাহসী পদযাত্রায় বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিব ছিলেন সক্রিয় সহযাত্রী। আগরতলা মামলায় বঙ্গবন্ধু কারারুদ্ধ হওয়ার পর তার প্যারোলে মুক্তির জন্য সক্রিয় দলটি বঙ্গমাতার জন্য সফল হতে পারেনি। বাঙালির স্বাধীনতা ও মুক্তির চূড়ান্ত মাহেন্দ্রক্ষণে বঙ্গমাতাই তার জীবনসঙ্গী বঙ্গবন্ধুকে সঠিক পথ বাতলে দিয়েছিলেন। বঙ্গমাতা বঙ্গবন্ধুর আদর্শে নিজেকে এবং নিজের সন্তানদের গড়ে তোলেন। শুধুমাত্র সহধর্মিনী হিসেবে নয়, রাজনৈতিক সহকর্মী হিসেবে আজীবন বঙ্গবন্ধুর ছায়াসঙ্গী ছিলেন বেগম মুজিব। জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত তিনি ইতিহাসের কালজয়ী মহানায়কের অনুপ্রেরণাদায়িনী হয়ে পাশে ছিলেন। নিয়তির নিষ্ঠুর পরিহাসে ১৫ই আগস্ট ১৯৭৫ সালে ঘাতকের নির্মম বুলেটের আঘাতে জীবন দিতে হয় বঙ্গমাতাসহ পরিবারের সকল সদস্যকে।
গতকাল রবিবার বাদ মাগরিব দলীয় কার্যালয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিনী, জননেত্রী দেশরতœ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মাতা বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৯১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ জাতিয় কমিটির সদস্য এ্যাড. চিশতি সোহরাব হোসেন শিকদার। খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক হাফেজ মো. শামীমের পরিচালনায় আরো বক্তব্য রাখেন, মহানগর আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যা. আলমগীর কবির, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক এ্যাড. অলোকা নন্দা দাস, যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক শেখ ফারুক হোসেন হিটলু, উপ-প্রচার ও প্রচারণা সম্পাদক মো. মফিদুল ইসলাম টুটুল, সোনাডাঙ্গা থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তসলিম আহমেদ আশা, নির্বাহী সদস্য কাউন্সিলর মো. আনিছুর রহমান বিশ্বাষ, মহানগর কৃষক লীগের আহবায়ক এ্যাড. একেএম শাহজাহান কচি, মহানগর শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক রনজিত কুমার ঘোষ, মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম আসাদুজ্জামান রাসেল। এসময়ে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা শ্যামল সিংহ রায়, বীর মুক্তিযোদ্ধা নুর ইসলাম বন্দ, অধ্যক্ষ শহীদুল হক মিন্টু, জামাল উদ্দিন বাচ্চু, শেখ মো. আনোয়ার হোসেন, কামরুল ইসলাম বাবলু, শেখ নুর মোহাম্মদ, এ্যাড. সরদার আনিসুর রহমান পপলু, মোজাম্মেল হক হাওলাদার, বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ মোশারফ হোসেন, কাউন্সিলর শেখ হাফিজুর রহমান, মনিরুজ্জামান খান খোকন, এস এম আকিল উদ্দিন, কাউন্সিলর মোজাফফর রশিদী রেজা, মোতালেব হোসেন, মো. আমির হোসেন, এ্যাড. শামীম আহমেদ পলাশ, আলী আকবর খান, মোক্তার হোসেন, মুন্সি নাহিদুজ্জামান, হাবিবুর রহমান দুলাল, চ ম মজিবুর রহমান, আব্দুল হাই পলাশ, মো. মুন্সি আইয়ূব আলী, এ্যাড. শেখ ফারুক হোসেন, এমরানুল হক বাবু, এ্যাড. শামীম মোশারফ, মাওলানা আব্দুর রহিম, নুরজাহান রুমী, নুরিনা রহমান বিউটি, নাসরিন আক্তার, মিনু আহম্মেদ, সরনী ইসলাম সুইটি, সাবিহা ইসলাম আঙ্গুরা, রেজওয়ানা প্রধান, নাসরিন সুলতানা, আলমগীর মল্লিক, মো. শহীদুল হাসান, আশরাফ আলী হাওলাদার শিপন, অভিজিৎ চক্রবর্তী দেবু, মাহমুদুল হাসান রাজেস, ওমর কামাল, নিশাত ফেরদৌস অনি, রুম্মান আহমেদসহ দলের বিভিন্ন পযায়ের নেতাকর্মী।
আলোচনা সভা শেষে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা সাঈদ হোসেন।
বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বঙ্গবন্ধুর শক্তি ও অনুপ্রেরণার নাম: বাবুল রানা
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এমডি এ বাবুল রানা বলেছেন, বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের প্রতিটি ধাপে বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিনী হিসেবে নয়, একজন নীরব দক্ষ সংগঠক হিসেবে যিনি নিজেকে বিলিয়ে দিয়ে বাঙালির মুক্তি সংগ্রামে ভূমিকা রেখেছেন এবং বঙ্গবন্ধুকে হিমালয় সমআসনে অধিষ্ঠিত করেছেন তিনি বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব। বাঙালির শ্রেষ্ঠ অর্জন দেশের স্বাধীনতাসহ বঙ্গবন্ধুর সব লড়াই-সংগ্রাম-আন্দোলনের নেপথ্যের প্রেরণা দানকারী ছিলেন ফজিলাতুন্নেছা মুজিব। তিনি বঙ্গবন্ধুর সমগ্র রাজনৈতিক জীবন ছায়ার মতো অনুসরণ করে তার প্রতিটি রাজনৈতিক কর্মকান্ডে অফুরান প্রেরণার উৎস হয়ে ছিলেন। বঙ্গবন্ধু যখন বারবার পাকিস্তানি শাসকদের হাতে বন্দি জীবনযাপন করছিলেন, তখন আওয়ামী লীগের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা ফজিলাতুন নেছা মুজিবের কাছে ছুটে আসতেন বঙ্গবন্ধুর নির্দেশনা জানতে। তিনি তাদের বঙ্গবন্ধুর বিভিন্ন দিকনির্দেশনা পৌঁছে দিতেন এবং লড়াই-সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার জন্য অনুপ্রেরণা জোগাতেন। বিশেষ করে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় যখন বঙ্গবন্ধুর প্যারোলে মুক্তি নিয়ে কিছু কুচক্রী স্বাধীনতা সংগ্রামকে বিপন্ন করার ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছিল, তখন প্যারোলে মুক্তির বিপক্ষে বেগম মুজিবের দৃঢ়চেতা অবস্থান বাংলার মুক্তি সংগ্রামকে ত্বরান্বিত করেছিল, যা বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। তিনি আরো বলেন, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বঙ্গবন্ধুর শক্তি ও অনুপ্রেরণার নাম। তাঁর অনুপ্রেরণায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব থেকে বঙ্গবন্ধু, বঙ্গবন্ধু থেকে জাতির পিতা হয়েছেন। বঙ্গবন্ধুর সমস্ত চিন্তা চেতনার সাথে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত ছিলেন বঙ্গমাতা বেগম মুজিব।
গতকাল রবিবার সকাল সাড়ে ১০টায় খুলনা জাতিয় মহিলা সংস্থার উদ্যোগে নিজ কার্যালয়ে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৯১তম জন্মবাষির্কী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন খুলনা জাতিয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান অধ্যা. রুনু ইকবাল বিথার। আলোচান সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রিয় নেত্রী নাজনীন নাহার কনা, মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খাদিজা কবির তুলি, সদর থানা মহিলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ফারহানা হক ববি, জাতিয় মহিলা সংস্থার সদস্য ও বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছার ভাগ্নী শাহিদা খানম জলি, সদস্য শবনম সাবা, নুরানী রহমান বিউটি, ইশরাত জাহান হীরা প্রমূখ।
আলোচনা সভা শেষে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।
শিক্ষকের শখের ছাদ বাগান, ৫ লাখ টাকার চারা বিক্রি
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
দেশে করোনার সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যায়। এরপর থেকে ঘরবন্দি দিন চলতে থাকে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ পৌরসভার কাশিপুর গ্রামের শিক্ষক হাফিজুর রহমান মাসুদের। ঘরবন্দি হয়ে একসময় হাঁফিয়ে ওঠেন তিনি। এ সময় তার কিছু একটা করার পরিকল্পনা মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছিল।
একদিন দুটি দার্জিলিং জাতের কমলা লেবুর চারা কিনে বাড়ির ছোট্ট ছাদে রাখা টবে রোপণ করেন তিনি। ছোটবেলা থেকেই গাছের প্রতি টান ছিল এই শিক্ষকের। সেই টান থেকে শখ চেপে বসে বাগান করার। শুরু করেন বাড়ির ছাদে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রজাতির ফল ও ফুলের চারা রোপণ।
এরই মধ্যে মরু অঞ্চলের সুস্বাদু ত্বীন ফলসহ বেশ কয়েক ধরনের গাছে ফল ধরা শুরু করে। এতে আগ্রহ আরও বেড়ে যায়। এক সময় শখের বাগান ছাদ পেরিয়ে বাড়ির আশপাশের জমিতে বাণিজ্যিক নার্সারিতে রূপ নেয়। যেখান থেকে প্রতি মাসে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা আয় হচ্ছে। সাথে আরও দুজন বেকারের কর্মসংস্থান হয়েছে তার নার্সারিতে। করোনাকালে অবসর সময় কাজে লাগিয়ে কীভাবে বাড়তি আয় সম্ভব তা দেখিয়ে দিয়েছেন মনোহরপুর পুখুরিয়া দাখিল মাদরাসার আইসিটির এই শিক্ষক।
জানা গেছে, বাগান করার পর তিনি ধীরে ধীরে সংগ্রহ করেন আরও দেশি-বিদেশি ফলের চারা। অনলাইনে যাচাই করে দেশের বিভিন্ন নার্সারি থেকে নানা জাতের ফল ও ফুলের চারার সংগৃহশালা তৈরি করেন। তার নার্সারিতে ১৭০ প্রজাতির বিভিন্ন ফল ও ফুলের চারা আছে। এগুলোর মধ্যে পার্সিমন, লং মালবেরি ও ইনসুলিন প্লান্ট।
এছাড়া রয়েছে কিউজাই, কিং অপ চাকাপাতা, ব্রুনাই কিংসহ বিভিন্ন জাতের আম। হাজারি কাঁঠাল, থাই বারোমাসি কাঁঠাল, ভিয়েতনামের লাল কাঁঠাল, ভিয়েতনামের গোলাপি কাঁঠাল। কমলার মধ্যে রয়েছে দার্জিলিং কমলা, নাগপুরি কমলা, ছাতকি কমলা, মেন্ডারিন কমলা ও কেনু কমলা। এছাড়া চায়না-৩ কাগুজি লেবু, এলাচি কাগুজি লেবু, সিডলেচ কাগুজি লেবু, থাই কাগুজি লেবু।
ভিয়েতনামি ও কেরালা নারিকেল। বিদেশি ফল ত্বীন, জয়তুন, রামবুটান, ডুরিয়ান, অ্যাভোকাডোসহ ঔষধি গাছ করসল, টুরুপ চান্ডাল ও সাদা লজ্জাপতি।
প্রতিদিন তার ছাদ বাগান দেখতে দূর-দূরান্ত থেকে শৌখিন মানুষ আসছেন। ফেরার সময় অনেকে পছন্দের ফুল ফলের চারা নিয়ে যাচ্ছেন বলে তিনি জানান।
শিক্ষক হাফিজুর রহমান বলেন, গত বছর মার্চে দেশে করোনা ধরা পড়ার পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যায়। সময় কাটাতে ছাদে প্রথমে দুটি লেবুর চারা লাগান। এসময় ঘরবন্দি হয়ে বসে না থেকে কিছু একটা করার পরিকল্পনা করি।
শুরু করি আমার ছোট্ট ছাদে দুষ্প্রাপ্ত ফুল ও ফলের ছাদ বাগান। কিছুদিন যেতে না যেতেই সেই শখের ছাদা বাগান এখন আমার আয়ের আরেকটি উৎসে পরিণত হয়েছে। ইতিমধ্যে ত্বীন ফলের ৫ লক্ষাধিক টাকার চারা বিক্রি করেছেন তিনি।
মাসুদ আরও জানান, তিনি পরিচিতজন ও এলাকার চাষিদের উদ্বুদ্ধ করছেন বিদেশি ফল চাষে। তার প্রেরণায় অনেকে বাণিজ্যিকভাবে ত্বীন ফলের চাষ শুরু করেছেন। তার ছাদ বাগান ও বাড়ির আঙ্গিনার নার্সারি দেখে এখন অনেকে তাদের নিজ বাড়ির পতিত জমিতে বিভিন্ন ফলের চারা রোপণ করছেন বলেও তিনি জানান।
কালীগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসার শিকদার মো. মোহায়মেন আক্তার ছাদ বাগান প্রসঙ্গে বলেন, আমরা একটু চেষ্টা করলেই আমাদের ছাদে সবুজ বাগান গড়ে তুলতে পারি। ছাদ বাগান আমাদের একদিকে অবসর সময় কাটাতে সাহায্য করবে, অন্যদিকে পরিবারের সবজি ও ফলের চাহিদা পূরণ হবে।
কার উল্টে ডোবায় জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান
মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি
যশোর জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম মিলন দুর্ঘটনার কবলে পড়েছেন। রোববার (৮ আগস্ট) বেলা সোয়া ১১ টায় তিনি ব্যক্তিগত কারসহ রাস্তার পাশে ডোবায় পড়ে যান। তার বাড়ি মণিরামপুরের চালুয়াহাটি ইউনিয়নের রামনাথপুর গ্রামে।
শহিদুল ইসলাম মিলন বলেন, বেলা ১১ টার দিকে ব্যক্তিগত কারে চড়ে এলাকা থেকে যশোর শহরের উদ্দেশে যাচ্ছিলাম। পথিমধ্যে স্থানীয় গৌরিপুর গ্রামে কার উল্টে রাস্তার পাশে ডোবায় পড়ে যাই। ডুবন্ত অবস্থায় দরজা খুলে আমি অক্ষত অবস্থায় বেরিয়ে আসি।
তিনি বলেন, পাকা রাস্তা সরু হওয়ায় চাকা পিছলে পড়ে গেছি। আল্লাহর রহমতে সুস্থ আছি।
খুলনায় প্রগ্রেসিভ ইন্স্যুরেন্সের বিরুদ্ধে হজ¦ বীমার গ্রাহককে হয়রাণির অভিযোগ
স্টাফ রিপোর্টার
খুলনায় প্রগ্রেসিভ লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড’র বিরুদ্ধে হজ¦ বীমার গ্রাহককে হয়রাণির অভিযোগ উঠেছে। মেয়াদ পূর্তির তিন মাসের মধ্যে পলিসির অর্থ পরিশোধের কথা থাকলেও কর্তৃপক্ষ নানা অজুহাতে তালবাহানা করছেন। এমনকি দীর্ঘ তিন বছর ধরে গ্রাহক পাওনা অর্থ না পেয়ে হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগে জানা গেছে, সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার মৌতলা গ্রামের বাসিন্দা কাজী সুফিউল্লাহ ফারুকী (আবু কাজী) ২০০৪ সালের ১২ অক্টোবর প্রগ্রেসিভ লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড’র সাতক্ষীরা সার্ভিসিং সেল অফিসে ৫০ হাজার টাকার ১৫ বছর মেয়াদী একটি হজ¦ বীমা (পলিসি নং-০০৬৩০২৬-৭) খোলেন। যার সর্বশেষ প্রিমিয়াম (কিস্তি) ২০১৮ সালের ১২ অক্টোবর খুলনা সার্ভিসিং সেল অফিসে তিনি জমা দেন। পলিসিটি ২০১৯ সালের ১২ অক্টোবর মেয়াদ পুর্তি হয়।
গ্রাহক কাজী সুফিউল্লাহ ফারুকী (আবু কাজী) জানান, নিয়ম অনুযায়ী মেয়াদ পূর্তির তিন মাসের মধ্যেই লভ্যংশ সহ প্রায় ৭৫ হাজার টাকা তার পাওয়ার কথা। সে মোতাবেক কোম্পানির চাহিদা অনুযায়ি তিনি ২০১৯ সালের ১৯ ডিসেম্বর মেয়াদোত্তীর্ণ বীমা দাবির আবেদন, বীমার মূল দলিল, জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটো কপি, ব্যাংক হিসাবের চেক বইয়ের ফটো কপি ও ছবিসহ যাবতীয় কাগজপত্র খুলনা সার্ভিসিং সেল অফিসে জমা দেন। এমনকি প্রতিষ্ঠানের চাহিদার প্রেক্ষিতে ইউপি চেয়ারম্যানের প্রত্যয়নপত্রও জমা দিয়েছেন। কিন্তু প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ একবার ঢাকা হেড অফিস থেকে আবার খুলনা সার্ভিসিং অফিস থেকে চেক দেবেন বলে বারবার হয়রানি করছেন।
আবু কাজী অভিযোগ করেন, কোম্পানির ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (খুলনা বিভাগ) আজিজুল ইসলাম মন্ডলকে বিষয়টি জানানো হলে তিনি দু’ মাস আগে বলেছিলেন- তাদের খুলনা অফিসের এ্যাকাউনটেন্ট (হিসাব রক্ষক) শেখ জাকির হোসেন তাকে চেক দেয়ার ব্যবস্থা করবে। তাকে তিনি বলে দেবেন। তার কথা অনুযায়ী জাকিরের সঙ্গে যোগাযোগ করলে সে বলে হেড অফিস থেকে তার কাছে কোন চেক দেয়া হয়নি বা এ বিষয়ে কোন কিছুই বলা হয়নি। দীর্ঘ প্রায় তিন বছর ধরে প্রগ্রেসিভ লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড কর্তৃপক্ষ তাকে হয়রানি করছেন বলেও অভিযোগ করে এর প্রতিকার দাবি করেন তিনি।
এ বিষয়ে কোম্পানির ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (খুলনা বিভাগ) আজিজুল ইসলাম মন্ডলের সঙ্গে ৭ আগষ্ট কথা বলার জন্য একাধিকবার তার সেলফোনে যোগাযোগ করা হলেও কল ফরোয়ার্ড অপশন চালু রাখায় সংযোগ পাওয়া যায়নি।
খুলনা অফিসের এ্যাকাউনটেন্ট (হিসাব রক্ষক) শেখ জাকির হোসেন রোববার (৮ আগষ্ট) এ প্রতিবেদককে বলেন, সাধারণত মেয়াদোত্তীর্ণ বীমা দাবির অর্থ মেয়াদ পুর্তির তিন থেকে নয় মাসের মধ্যেই পরিশোধ করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। কিন্তু বর্তমানে কোম্পানির আর্থিক ক্রাইসিস থাকায় একটু বিলম্ব হচ্ছে। তবে গ্রাহক আবু কাজীর বিষয়টি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে ২/১ দিনের মধ্যে সমাধানের চেষ্টা করবেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের চেতনা ও আদর্শ প্রতিষ্ঠা করাই নতুন প্রজন্মের দায়িত: এম,পি চঞ্চল
মহেশপুর(ঝিনাইদহ)প্রতিনিধিঃ
বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের চেতনা ও আদর্শ প্রতিষ্ঠা করাই নতুন প্রজন্মের দায়িত্ব এবং এ দায়িত্ব নিষ্ঠার সাথে সকলকে পালনের আহবান জানিয়েছেন ঝিনাইদহ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব শফিকুল আজম খান চঞ্চল। তিনি বলেন বঙ্গমাতা একজন ক্ষণজন্মা নারী। তিনি সর্বাক্ষনিক বঙ্গবন্ধুকে অনুপ্রানিত করতেন। বঙ্গবন্ধু জেলখানায় থাকাকালে নীরবে তার দায়িত্ব পালন করতেন বঙ্গমাতা। তিনি বুঝতেন কোন সময় কি করা প্রায়োজন। রাজনীতিসহ তাদের সবকিছু একসাথে আবর্তিত হয়েছে।
শফিকুল আজম খান চঞ্চল আরো বলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান,বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব ও তাদের পরিবারের জন্মই হয়েছিলো দেশের স্বাধীনতার জন্য-বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্য। তাই তাদের চেতনা,আদর্শ সমাজের রন্ধে রন্ধে প্রতিষ্ঠা করাই আমাদের নতুন প্রজন্মের দায়িত্ব।
গতকাল রোববার সন্ধ্যায় ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলা আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি সাজ্জাদুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মীর সুলতানুজ্জামন লিটনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৯১ জন্ম দিনের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দান কালে ঝিনাইদহ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব শফিকুল আজম খান চঞ্চল এ কথা বলেন।
আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক প্রচার সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজি আব্দুস সাত্তার,পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি অমল কুমার কুন্ডু পৌর মেয়র আব্দুর রশিদ খান,ফতেপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ডাঃ আতাউর রহমান,মান্দারবাড়ীয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি হারুন আর রশিদ, জেলা পরিষদের সদস্য এম এ আসাদ, ফতেপুর ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি সিরাজুল ইসলাম,পান্তাপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান ইসমাইল হোসেন প্রমুখ।
সাতক্ষীরার অতিবৃষ্টিজনিত জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের মাঝে ব্রি উদ্ভাবিত ধানের বীজ প্রদান
খান নাজমুল হুসাইন, সাতক্ষীরা
সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলায় অতিবৃষ্টিজনিত জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মাঝে ব্রি উদ্ভাবিত আমন ধানের বীজ সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। বাংলাদেশ ধান গবেষনা ইনষ্টিটিউট আঞ্চলিক কার্যালয় সাতক্ষীরার আয়োজনে ও কৃষিসম্প্রসারন অধিদপ্তর শ্যানগরের সহযোগিতায় রোববার দুপুরে উপজেলা কৃষিসম্প্রসারন অধিদপ্তরের হলরুমে ৩০০ কৃষকের মাঝে তিন কেজি করে আমন ধানের বীজ সহায়তা প্রদান করা হয়।
শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আ.ন.ম আবুজার গিফারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অনলাইনে সংযুক্ত হয়ে ভিডিও কনফারেন্স এর মাধ্যমে বক্তব্য রাখেন, প্রধান অতিথি গাজীপুর বাংলাদেশ ধান গবেষনা ইনষ্টিউট (ব্রি) এর মহাপরিচালক ড. মোঃ শাহজাহান কবির।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, কৃষিসম্প্রসারন অধিদপ্তর সাতক্ষীরার উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মোঃ নুরুল ইসলাম, ব্রি আঞ্চলিক কার্যালয় সাতক্ষীরার প্রধান ও সিনিয়র সাইন্টিফিক অফিসার ড. এসএম মফিজুল ইসলাম, সিনিয়র সাইন্টিফিক অফিসার ইমরান উল্লাহ সরকার, ড. আমানত উল্লাহ রাজু, ফার্ম ম্যানেজার অসিম কুমার বিশ্বাস প্রমুখ।
উক্ত অনুষ্ঠানে কৃষি গবেষকরা এ সময়, অতিবৃষ্টিজনিত জলাবদ্ধ এলাকায় ব্রি উদ্ভাবিত আমন ধানের বীজ কিভাবে চাষাবাদ করা যায় তা নিয়ে কৃষকদের সাথে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
ফকিরহাটে বঙ্গমাতার জন্মদিন উপলক্ষে সেলাই মেশিন প্রদান
ফকিরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাটের ফকিরহাটে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব এর ৯১তম জন্মদিন উপলক্ষে আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল, অসহায় ও দরিদ্র নারীদের মাঝে সেলাই মেশিন প্রদান ও মোবাইলে নগদের মাধ্যমে সরকারি অর্থ বিতরণ করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের আয়োজনে রবিবার সকাল ১০টায় উপজেলা অডিটরিয়ামে ৭জন নারীর মাঝে সেলাই মেশিন ও ৩ জন নারীকে মোট ৯হাজার টাকা নগদের মাধ্যমে প্রদান করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা বেগমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান স্বপন দাশ। বিশেষ অতিথি ছিলেন সরকারি ফকিরহাট শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ শিক্ষাবিদ অমিত রায় চৌধুরী, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান শেখ মোস্তাহিদ সুজা ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান তহুরা খানম। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সুমিতাই ইয়াসমিন। অনুষ্ঠান সঞ্চলনা করেন প্রশিক্ষক শান্তা দাশ।
বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বাঙালির মুক্তি সংগ্রামে অন্যতম এক নেপথ্য অনুপ্রেরণাদাত্রী
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনার কয়রা উপজেলায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিনী বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৯১তম জন্মবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে। কয়রা উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে আলোচনা সভা ও মহিলাদের কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে সেলাই মেশিন বিতরণ সহ নানাবিধ কর্মসূচীর মাধ্যমে দিবসটি পালিত হয়। রবিবার (৮ আগস্ট) দুপুরে উপজেলা পরিষদের হল রুমে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অনিমেষ বিশ্বাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা-৬ (কয়রা-পাইকগাছা) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ আক্তারুজ্জামান বাবু। এসময় তিনি বলেন, বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব কেবল বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিনীই নন, বাঙালির মুক্তি সংগ্রামে অন্যতম এক নেপথ্য অনুপ্রেরণাদাত্রী। তিনি আরও বলেন, বাঙালি জাতির সুদীর্ঘ স্বাধিকার আন্দোলনের প্রতিটি পদক্ষেপে তিনি বঙ্গবন্ধুকে সক্রিয় সহযোগিতা করেছেন। ছায়ার মত অনুসরন করেছেন প্রানপ্রিয় স্বামী বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে। এই আদর্শ বাস্তবায়নের জন্য অবদান রেখেছেন। এসময় বক্তারা মহীয়সী নারী বঙ্গমাতার গৌরবময় কর্মজীবনের উপর আলোচনা করেন। পরে উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয়ের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত ৬ জন দুঃস্থ ও অসহায় নারীকে কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষে সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়। আলোচনা সভা ও সেলাই মেশিন বিতরন শেষে দিবসটি স্বরণীয় করে রাখতে ছাত্রলীগের উদ্যোগে উপজেলা পরিষদ চত্বরে একটি ফলজ বৃক্ষ রোপণ করেন সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ আক্তারুজ্জামান বাবু। এসময় অন্যান্যের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান এ্যাড. কমলেশ কুমার সানা,কয়রা থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ রবিউল হোসেন, প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা মোস্তাইন বিল্লাহ, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রেশমা খাতুন, জেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জসিম উদ্দিন বাবু, জেলা যুবলীগ নেতা শামীম সরকার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম বাহারুল ইসলাম, যুবলীগ নেতা এ্যাডঃ আরাফাত হোসেন, আজিজুল হাকিম, বাইজিদ হোসেন, জাকারিয়া হোসেন, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শরিফুল ইসলাম টিংকু, সাধারণ সম্পাদক আমিনুল হক বাদল প্রমূখ।
বঙ্গমাতার জন্মবার্ষিকীতে রামপালে দরিদ্র পরিবার পেলো সেলাই মেশিন
মোংলা ও রামপাল (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বাগেরহাটের রামপালে দরিদ্র পরিবারের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়েছে। রবিবার সকালে রামপাল উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা প্রশাসন ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের আয়োজিত বঙ্গমাতার জন্মবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে ৭টি দরিদ্র পরিবারের হাতে এ সেলাই মেশিন তুলে দেয়া হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ কবীর হোসেন, উপজেলা চেয়ারম্যান শেখ মোয়াজ্জেম হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মোল্ল্যা আঃ রউফ, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান নূরুল হক লিপন, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ সামসুদ্দীন, উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা জাহিদুর রহমান, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ মতিউর রহমান, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ জিয়াউল হক, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ শাহীন রহমান ও উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ইশরত জাহান। জন্মবার্ষিকীর এ অনুষ্ঠানে বঙ্গমাতার জন্য বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।
বটিয়াঘাটায় বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব এর ৯১ তম জন্মবার্ষিকী পালন
বটিয়াঘাটা প্রতিনিধি
বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব এর ৯১ তম জন্মবার্ষিকী পালন উপলক্ষ্যে জেলার বটিয়াঘাটা উপজেলা প্রশাসন ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের আয়োজনে গতকাল সোমবার বেলা সাড়ে ১১টায় স্থানীয় পরিষদ সম্মেলন কক্ষে পালিত হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় অন্যান্যের উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান আশরাফুল আলম খান, ভাইস চেয়ারম্যানদ্বয় নিতাই গাইন ও চঞ্চলা মন্ডল, থানার ওসি মোহাম্মদ শাহ্ জালাল, প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ বঙ্কিম কুমার হালদার, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ এমদাদুল হক, পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা নারায়ন চন্দ্র সরকার, উপজেলা প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি পরিতোষ কুমার রায়, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক এস এম এ ভূট্টো, ইউপি সদস্য মোঃ আলম ভূঁইয়া সহ আগত সুফলভোগী বৃন্দ । আলোচনা সভা শেষে অতিথিবৃন্দ বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিবের জন্ম বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষ্যে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে ৭টি ইউনিয়নের ৭ জন মহিলা সুফলভোগীকে ১ টি করে সেলাই মেশিন ও ২ জন সুফলভোগীকে নগদ অর্থ প্রদান করেন ।
ডুমুরিয়ায় চেয়ারম্যান প্রার্থী আ’লীগ নেতা সাংবাদিক জাহাঙ্গীরের গনসংযোগ
ডুমুুরিয়া প্রতিনিধি
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ডুমুরিয়া সদর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনয়ণ প্রত্যাশী উপজেলা আওয়ামী লীগের উপ-প্রচার সম্পাদক ও প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এস এম জাহাঙ্গীর আলম গতকাল রবিবার দিনব্যাপী নানা কর্মসূচীতে অংশ গ্রহন করেন। বিকেলে সাজিয়াড়া মোড় মসজিদে তাবলীগ জামায়াতের ডুমুরিয়া সদর ইউনিয়ন শাখার মাসিক মাসোয়ারায় অংশ নেন। এর আগে ডুমুরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছার জন্মদিনে বক্তৃতা করেন। রাতে ডুমুরিয়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরাজি ডুমুরিয়া গ্রামের আছাদ সরদারকে দেখতে যান। এছাড়া দিনব্যাপী তিনি সাজিয়াড়া, আরাজি ডুমুরিয়া, খলশী ও মির্জাপুর গ্রামের বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এসময়ে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকার রিজাউল ইসলাম, মোস্তফা শেখ, বিল্লাল শেখ, ব্যাপারি আইয়ুব আলী, নওশের সরদার, আজমত শেখ, আব্দুল হালিম ঢালী, শওকত ঢালী, রিজাউল শেখ, আতিয়ার শেখ, আলমগীর মোড়ল, সুমন শেখ, কবির মোড়ল, ইনামুল হালদার, পলাশ রায়, বাধঁন মন্ডল, সুব্রত বিশ্বাস, হারুনুর রশীদ বাবু, এস কে বাপ্পি, জাহাঙ্গীর মোড়ল প্রমুখ।
কেশবপুরে শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৯১ তম জন্মবার্ষিকী পালন
কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি:
কেশবপুর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিণী বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুননেছা মুজিবের ৯১ তম জন্মবার্ষিক উপলক্ষে আলোচনা সভা,সেলাই মেশিন ও আর্থিক প্রদান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ ও মহিলা বিয়ষক কর্মকর্তার কার্যালয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এমএম আরাফাত হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা,সেলাই মেশিন ও আর্থিক প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন,ও সেলাই মেশিন এবং আর্থিক প্রদান করেন কেশবপুরের সংসদ সদস্য ও যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদার। এছাড়া বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এস এম রুহুল আমিন,পৌর মেয়র রফিকুল ইসলাম,প্রমুখ। এসময় উপস্থিত ছিলেন,উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এইচ এম আমির হোসেন,উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান পলাশ কুমার মল্লিক,উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাসিমা সাদেক,জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য সাগর হোসেন,কেশবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক গৌতম রায়,দপ্তর সম্পাদক মফিজুর রহমান মফিজ,পৌর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি শফিকুল ইসলাম টুকু,সাধারণ সম্পাদক কার্ত্তিক চন্দ্র সাহা,কেশবপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি আশরাফ উজ জ্জামান খান,থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ বোরহান উদ্দীন,পাঁজিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম মুকুল,উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য শাহাদাৎ হোসেন,জাহাঙ্গীর হোসেন,সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কবির হোসেন,উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক ও পৌর কাউন্সিলর বিএম শহিদুজ্জামান শহিদ,উপজেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক কাজী আজাহারুল ইসলাম মানিক উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রা রাবেয়া ইকবালসহ উপজেলা পৌর,ইউনিয়ন,ওয়ার্ড,আওয়ামী লীগ,যুবলীগ,ছাত্রলীগ,মহিলা আওয়ামী লীগ,স্বেচ্ছাসেবক লীগ,শ্রমিকলীগ,যুব মহিলা লীগসহ অংঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।
কেশবপুরে ৫ শত দুঃস্থ অসহায় পরিবার পেলো সরকারি ত্রান
আলমগীর হোসেন, কেশবপুর:
কেশবপুর পৌরসভার আয়োজনে করোনায় ক্ষতিগ্রস্থদের মানবিক সহায়তা হিসেবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ত্রাণ তহবিল হতে বরাদ্দকৃত চাল,এবং নগদ,অর্থ দ্বারা ক্রয়কৃত ত্রাণসামগ্রী তৃতীয় লিঙ্গর মানুষ,সেলুন,স মিল শ্রমিক,লন্ডী দোকানদার,এবং দুঃস্থ গরীব ও অসহায় ৫ শত পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে।
রবিবার দুপুর ১২টায় পৌরসভার কার্যালয়ের সামনে পৌর মেয়র রফিকুল ইসলামের সার্বিক তত্ত্বাবধানে অসহায় ৫ শত পরিবারের মাঝে প্রধান অতিথি হিসেবে ত্রাণ বিতরণ করেন কেশবপুরের সংসদ সদস্য ও যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদার। এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এস এম রুহুল আমিন,উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এইচ এম আমির হোসেন,উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান পলাশ কুমার মল্লিক,উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাসিমা সাদেক,জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য সাগর হোসেন,কেশবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক গৌতম রায়,দপ্তর সম্পাদক মফিজুর রহমান মফিজ,পৌর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি শফিকুল ইসলাম টুকু,সাধারণ সম্পাদক কার্ত্তিক চন্দ্র সাহা,কেশবপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি আশরাফ উজ জ্জামান খান,থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ বোরহান উদ্দীন,পাঁজিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম মুকুল,উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য শাহাদাৎ হোসেন,জাহাঙ্গীর হোসেন,সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কবির হোসেন,উপজেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক কাজী আজাহারুল ইসলাম মানিক উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রা রাবেয়া ইকবালসহ উপজেলা পৌর,ইউনিয়ন,ওয়ার্ড,আওয়ামী লীগ,যুবলীগ,ছাত্রলীগ,মহিলা আওয়ামী লীগ,স্বেচ্ছাসেবক লীগ,শ্রমিকলীগ,যুব মহিলা লীগসহ অংঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।
খুবির স্থাপত্য ডিসিপ্লিনের শিক্ষক শিবু প্রসাদ বসুর মায়ের পরলোকগমনে উপাচার্যের গভীর শোক
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য ডিসিপ্লিনের সহকারী অধ্যাপক শিবু প্রসাদ বসুর মা আভা বসু শনিবার সকাল ৮.৪০ মিনিটে বাগেরহাট জেলার কচুয়া উপজেলা সদরে নিজ বাড়িতে পরলোকগমন করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। তিনি বেশকিছুদিন ধরে বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছিলেন। তিনি ৬ ছেলে, ১ মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। গতকাল বিকেলে তার অন্তেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য ডিসিপ্লিনের সহকারী অধ্যাপক শিবু প্রসাদ বসুর মায়ের পরলোকগমনে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। এক শোক বিবৃতিতে তিনি তার আত্মার শান্তি কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।
অনুরূপভাবে শোক প্রকাশ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোসাম্মাৎ হোসনে আরা, ট্রেজারার প্রফেসর সাধন রঞ্জন ঘোষ, বিজ্ঞান, প্রকৌশল ও প্রযুক্তিবিদ্যা স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. আফরোজা পারভীন, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস, স্থাপত্য ডিসিপ্লিনের প্রধান প্রফেসর ড. শেখ সিরাজুল হাকিমসহ ডিসিপ্লিনের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।
খুবির সাবেক ট্রেজারার সরদার আব্দুর রাজ্জাকের ২০তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে দোয়া অনুষ্ঠিত
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ট্রেজারার সরদার আব্দুর রাজ্জাকের ২০তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে রবিবার বাদ যোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবন সংলগ্ন জামে মসজিদে দোয়ার আয়োজন করা হয়। দোয়া অনুষ্ঠানের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস, প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) আব্দুর রাজ্জাক, উপ-পরিচালক শেখ মুজিবুর রহমান, উপ-রেজিস্ট্রার শেখ আরিফ নেওয়াজ ও মোঃ তারিকুজ্জামান লিপন। এসময় মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া পরিচালনা করেন পেশ ইমাম ক্বারী মোঃ মুস্তাকিম বিল্লাহ।











































