আজ নিমের চারা রোপনের মধ্যদিয়ে খুলনায় শুরু হচ্ছে বিএনপির বৃক্ষরোপণ কর্মসুচি
খবর বিজ্ঞপ্তি
আজ সোমবার (২১ জুন) বেলা ১১টায় খুলনা সার্কিট হাউজ ময়দানের নিমের চারা রোপনের মধ্যদিয়ে খুলনায় শুরু হচ্ছে তিন মাসব্যাপী বৃক্ষরোপন কর্মসুচি। বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে খুলনা মহানগর ও জেলা বিএনপি এ নিমগাছ রোপণের কর্মসূচি গ্রহন করেছে। প্রাকৃতিছাকনি (ফিল্টার) নিমের চারা রোপন করে পরিবেশ সুন্দর ও প্রাণীকুলের বেঁচে অন্যতম উপাদান বাতাসকে দুষনমুক্ত এবং বিশ্ব পরিবেশ দিবস- ২০২১ এর প্রতিপাদ্য “ইকোসিস্টেম রেস্টোরেশন”” এ সর্বাত্মক ভূমিকা রাখতে এ কর্মসুচি গ্রহন করা হয়েছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করেছেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও খুলনা মাহানগর বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু। তিনি আরও বলেন, বিএনপি বাংলাদেশের জনগণকে একটি নির্মল পরিবেশ উপহার দেয়ার জন্যই নিম গাছ রোপণ কর্মসূচি গ্রহন করেছেন। নিমগাছের মধ্যেই অন্তর্নিহিত আছে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব ও পরিবেশ দূষণের প্রতিকার। তিনি প্রতিটি নেতাকর্মী তাদের বাড়ির আঙ্গিনায় কিংবা সুবিধাজণক স্থানে পরিকল্পিতভাবে দুই বা ততোধিক নিম গাছ রোপণ ও পরিচর্যা করার আহবান জানিয়েছেন। চলতি মৌসুমে খুলনা নগরীতে ৫ হাজার ও জেলায় ৫ হাজার মোট ১০ হাজার নিমের চারা রোপন করা হবে। গত বৃহস্পতিবার (১৭ জুন) দুপুর সাড়ে ১২টায় কেডি ঘোষ রোডস্থ দলীয় কার্যালয়ে খুলনা মহানগর বিএনপির জরুরী সভায় সিদ্ধান্ত মোতাবেক এ কর্মসুচি পালিত হবে। জেলা, মহানগর, উপজেলা, থানা, পৌর ও ওয়ার্ড এলাকায় পরিকল্পিতভাবে নিম গাছ রোপণ করে গাছগুলি পরিচর্যা ও রক্ষণাবেক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এ বিষয়ে বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সকল পর্যায়ে নেতা-কর্মীদের সম্পৃক্ত হওয়ার আহবান জানান মঞ্জু।
এদিকে আজকের কর্মসুচি সফল করার জন্য বেলা ১১টা খুলনা সার্কিট হাউস ময়দানে সকলকে উপস্থিত থাকার আহবান জানিয়েছেন মহানগর সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু, জেলা সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা, মহানগর সাধারন সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি, জেলা সাধারন সম্পাদক আমির এজাজ খান।
খুলনায় এক সপ্তাহ বাস-ট্রেন চলাচল বন্ধ
স্টাফ রিপোর্ঠার
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় খুলনায় মঙ্গলবার (২২ জুন) থেকে শুরু হচ্ছে এক সপ্তাহের কঠোর লকডাউন। রোববার (২০ জুন) বিকেলে খুলনা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এই বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।
গণবিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, লকডাউন চলাকালীন খুলনা রেলস্টেশনে ট্রেনের আগমন এবং বহির্গমন বন্ধ থাকবে। একইসঙ্গে জেলার অভ্যন্তরে অথবা আন্তঃজেলার গণপরিবহন চলাচল বন্ধ থাকবে। পাশাপাশি বন্ধ থাকবে ইজিবাইক, থ্রি হুইলারসহ সব ধরনের যানবাহন চলাচল।
২২ জুন থেকে ২৮ জুন পর্যন্ত সব ধরনের দোকানপাট, মার্কেট, শপিংমল ও কোচিং সেন্টারসমূহ বন্ধ থাকবে। তবে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য ও কাঁচাবাজারের দোকান প্রতিদিন সকাল ৭টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। এই সময়ের মধ্যে হোটেল-রেস্তোরাঁগুলো পার্সেল আকারে খাবার সরবরাহ করতে পারবে। ওষুধের দোকান সার্বক্ষণিক খোলা রাখা যাবে।
সব ধরনের পর্যটনকেন্দ্র, রিসোর্ট, কমিউনিটি সেন্টার ও বিনোদনকেন্দ্র বন্ধ থাকবে। জেলার অভ্যন্তরে সব ধরনের সাপ্তাহিক হাট/গরুর হাট বন্ধ থাকবে। অতি জরুরি প্রয়োজন ব্যতীত কোনোভাবেই বাড়ির বাইরে বের হওয়া যাবে না। বাইরে অবস্থানকালে সবাইকে অবশ্যই মাস্ক পরিধান করতে হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে সরকারি-বেসরকারি অফিসের জরুরি কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অফিস চলাকালীন তাদের নিজ নিজ অফিসের পরিচয়পত্র নিয়ে বাইরে চলাচল করতে পারবেন বলে জানানো হয়েছে।
বিধি-নিষেধসমূহ খুলনা জেলা ও মহানগরের সংশ্লিষ্ট সবাইকে কঠোরভাবে মেনে চলার অনুরোধ করা হয়েছে। অন্যথায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও এতে উল্লেখ করা হয়।
কেসিসি মেয়র খালেক’র সুস্থতা কামনায় ১৬ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের দোয়া
খবর বিজ্ঞপ্তি
রবিবার বাদ মাগরীব ১৬ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে খুলনার গনমানুষের নেতা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র, মহানগর আওয়ামীলীগের সংগ্রামী সভাপতি কর্মবীর জননেতা আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক’র আশু সুস্থতা কামনা করে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।উক্ত দোয়া অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ১৬ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি শেখ আবিদ উল্লাহ ।অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ১৬ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক শেখ হাসান ইফতেখার চালু। দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন মহানগর আওয়ামীলীগ নেতা শেখ মোঃ আনোয়ার হোসেন, জান্নাতুল ফেরদৌস পিকুল, কাউন্সিলর আমেনা হালিম বেবী, কাজী মুজিবুল হক, কামরুজ্জামান, মোঃ রুহুল আমীন খান,শেখ আরিফ উল্লাহ, রফিকুল ইসলাম মুকুল, শেখ আখতার হোসেন, কাজী রবিউল হোসেন, মোঃ দেলোয়ার হোসেন, আশরাফ আলী হাওলাদার শিপন, আবিদ হোসেন, মনির হোসেন, ওয়াসিম আকরাম, শেখ মিরাজ, শেখ মোঃ কামাল হোসেন , মোঃ সুলতান মোল্লা, আল মামুন সুমন, শেখ ফিরোজ হোসেন, মোঃ নিজাম উদ্দিন ,মোঃ ইয়াহিয়া, শেখ মুক্তা, শেখ শরিফুল, শেখ শহিদ প্রমুখ।
বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলায় কোনও মানুষ গৃহহীন থাকবে না-সালাম মূর্শেদী এমপি
খবর বিজ্ঞপ্তি
মুজিববর্ষ উপলক্ষ ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের মাঝে আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় দ্বিতীয় পর্যায়ে ৫৩ হাজার ৩৪০ পরিবারকে দুই শতাংশ জমির মালিকানাসহ সেমিপাকা ঘর উপহার দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
রবিবার সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘একটি ঘর পেয়ে দুঃখী মানুষের মুখে যে হাসি, যে আনন্দ; এর চেয়ে বড় পাওয়া আর কিছু না।’ তিনি বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য সমাজের একদম নিচুস্তরে পড়ে থাকা লোকদের টেনে তোলা, তাদের মূল সমাজের সঙ্গে অন্তর্ভুক্তি করা। এসময় খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূশের্দী ভিডিও কনফারান্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলায় কোনও মানুষ গৃহহীন থাকবে না। আওয়ামী লীগ সরকার মানুষের অধিকার নিয়ে কাজ করে। খুলনার রুপসা, তেরখাদা ও দিঘলিয়া উপজেলায় আজ আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় দ্বিতীয় পর্যায়ে ২৮৫টি ঘর প্রদান করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) খান মাসুম বিল্লাহর সভাপতিত্বে, বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন, থানা অফিসার ইনচার্জ সরদার মোশাররফ হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ যোবায়ের, ফারহানা আফরোজ মনা, কৃষি কর্মকর্তা মো:ফরিদুজ্জামান, প্রকৌশলী ওহিদুজ্জামান, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো:আরিফ হোসেন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা তাহিরা খাতুন, সমাজসেবা কর্মকর্তা জেসিয়াজামান, বিশিষ্ট ক্রীড়া বিদ আজাদ আবুল কালাম। যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আবু বকর মোল্লার সঞ্চালনায় আরো বক্তৃতা করেন, সহকারী মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা, জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য ও অধ্যক্ষ ফ ম আ:সালাম, জেলা কৃষকলীগের সভাপতি ও চেয়ারম্যান অধ্যাপক আশরাফুজ্জামান বাবুল, সাবেক সদস্য আ: মজিদ ফকির, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি সৈয়দ মোরশেদুল আলম বাবু, খান শাহজাহান কবীর, নজরুল ইসলাম, ইউপি চেয়ারম্যান কামাল হোসেন বুলবুল, জাহাঙ্গির শেখ, সাধন অধিকারী, এমপির প্রতিনিধি এস এম হাবিব, আকতার ফারুক, আজিজুল হক কাজল, আজমল ফকির, সুব্রত বাগচী, বিনয় হালদার, রাজিব দাস টাল্টু, মুক্তযোদ্ধা রফিক শিকদার, আ:মালেক শেখ, ওলিয়ার রহমান, ওয়াজেদ আলী,মুনসুর বিশ্বাস। অনুষ্ঠানে ভিডিওতে যুক্ত ছিলেন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন বাদশা ও উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা রুবাইয়া তাছনিম।
এদিকে খুলনার রুপসা, তেরখাদা ও দিঘলিয়া উপজেলার গরিব, অসহায় ও অসুস্থ্য সাংবাদিকদের মাঝে অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়। রোববার বেলা ১২ টায় উপজেলা অফিসার্সক্লাবে, উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) খান মাসুম বিল্লাহর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে চেক বিতরণ করেন, খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূর্শেদী।
এসময় তিনি বলেন, করোনা প্রতিরোধে বয়স্ক ও শিশুদের প্রতি অনেক বেশি যতœবান হতে হবে। মহামারী করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে মানুষকে আরো বেশি সতর্ক ও সজাগ হতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি ও সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার আহবান জানান এমপি সালাম মূর্শেদী।
উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) খান মাসুম বিল্লাহর সভাপতিত্বে, বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন, থানা অফিসার ইনচার্জ সরদার মোশাররফ হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ যোবায়ের, ফারহানা আফরোজ মনা, কৃষি কর্মকর্তা মো:ফরিদুজ্জামান, প্রকৌশলী ওহিদুজ্জামান, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো:আরিফ হোসেন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা তাহিরা খাতুন, সমাজসেবা কর্মকর্তা জেসিয়াজামান, বিশিষ্ট ক্রীড়া বিদ আজাদ আবুল কালাম। যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আবু বকর মোল্লার সঞ্চালনায় আরো বক্তৃতা করেন, সহকারী মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা, জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য ও অধ্যক্ষ ফ ম আ:সালাম, জেলা কৃষকলীগের সভাপতি ও চেয়ারম্যান অধ্যাপক আশরাফুজ্জামান বাবুল, সাবেক সদস্য আ: মজিদ ফকির, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি সৈয়দ মোরশেদুল আলম বাবু, খান শাহজাহান কবীর, নজরুল ইসলাম, ইউপি চেয়ারম্যান কামাল হোসেন বুলবুল, জাহাঙ্গির শেখ, সাধন অধিকারী, এমপির প্রতিনিধি এস এম হাবিব, আকতার ফারুক, আজিজুল হক কাজল, আজমল ফকির, সুব্রত বাগচী, বিনয় হালদার, রাজিব দাস টাল্টু, মুক্তযোদ্ধা রফিক শিকদার, আ:মালেক শেখ, ওলিয়ার রহমান, ওয়াজেদ আলী,মুনসুর বিশ্বাস। অনুষ্ঠানে ভিডিওতে যুক্ত ছিলেন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন বাদশা ও উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা রুবাইয়া তাছনিম।
ফকিরহাটে করোনা উপস্বর্গ নিয়ে স্কুল শিক্ষকের মূত্যু
ফকিরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাটের ফকিরহাটে করোনা উপস্বর্গ নিয়ে মল্লিক আবু নাসির (৪৫) নামের একজন স্কুল শিক্ষক মারা গেছেন। তিনি পিলজংগ ইউনিয়নের শাহ আওলিয়ার বাগ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও একই গ্রামের মরহুম মল্লিক দিদার বকস এর পুত্র। রবিবার সকালে তিনি নিজ বাড়িতে মারা যান। পারিবারিক সুত্রে জানা গেছে, গত কয়েকদিন ধরে তিনি জ¦র সর্দি ও কাশি সহ নানা উপস্বর্গ দিয়ে ভুগছিলেন। এর আগে গোপাল কুমার দে নামের আরো একজন মারা যান।
খুলনায় এ পর্যন্ত করোনা ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ নিয়েছেন এক লাখ ৭৬ হাজার একশত ৬৩ জন
তথ্য বিবরণী
খুলনা জেলায় রবিবার পর্যন্ত এক লাখ ৭৬ হাজার একশত ৬৩ জন করোনা ভ্যাকসিন প্রথম ডোজ গ্রহণ করেছেন। এর মধ্যে পুরুষ এক লাখ চার হাজার দুইশত ৪৩ জন এবং মহিলা ৭১ হাজার নয়শত ২০ জন। রবিবার খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে ৭২ জন করোনা ভ্যাকসিন গ্রহণ করেছেন। এর মধ্যে পুরুষ ৪১ জন এবং মহিলা ৩১ জন। খুলনা সিভিল সার্জন দপ্তর থেকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসকল তথ্য জানানো হয়েছে।
রামপালে হত্যা মামলার ২ আসামী র্যাবের হাতে আটক
স্টাফ রিপোর্টার
রামপালে রেজাউল হত্যা মামলার প্রধান দুই আসামীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৪। শনিবার (১৯ জুন) র্যাব-৪ এর একটি আভিযানিক দল ঢাকার আশুলিয়ার দূর্গাপুর এলাকা থেকে তাদের আটক করে। আটকৃতরা উপজেলার ডাকরা গ্রামের মোঃ সাইকুল শেখ (৩৫) ও মোঃ মিজান শেখ (৩৭)।
র্যাব সূত্রে খবর, রামপালের রেজাউল নামের এক ব্যক্তি খুন হলে তার স্ত্রী বাদী হয়ে রামপাল থানায় আসামীদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়ের পরপরই আসামীরা এলাকা ছেড়ে অন্যত্র আত্মগোপনে চলে যায়। তাদের গ্রেফতার করার জন্য পুলিশের পাশাপাশি র্যাব এর গোয়েন্দা দল ছায়াতদন্তে নামে। এরপর তাদের অবস্থান নিশ্চিত করে ওই এলাকায় অভিযান পরিচালনা করলে তারা র্যাবের জালে ধরা পড়ে গ্রেফতারকৃত আসামীদের রবিবার (২০ জুন) রামপাল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
রামপাল থানার ওসি মোঃ সামসুদ্দীন জানান, র্যাব-৪ এর সহায়তায় ২ আসামীকে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি সাইকুল শেখ হত্যার কথা স্বীকার করছে। তাদের ৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয়ার জন্য আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।
সাতক্ষীরায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা চেষ্টার ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি
সাতক্ষীরায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানকে একাধিকবার পরিকল্পিতভাবে হত্যা চেষ্টার ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম মাজেদ মাষ্টার এর পুত্র সাংবাদিক রাউফুজ্জামান বাদী হয়ে মামলাটি করেন । যার নাম্বার জি আর –৪২৪/২১, তারিখ ১৯/০৬/২১।
মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ১৪ ই জুন বিকাল ৪.৩০ মিনিটে সাতক্ষীরা মুনজিতপুর গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম মাজেদ মাষ্টার এর পুত্র সাংবাদিক রাউফুজ্জামান ও সঙ্গী একই গ্রামের মুনছুর আলীর পুত্র আব্দুল হামিদ কে নিয়ে মোটরসাইকেল যোগে জমিজমার বিষয় ধুলিহর ভূমি অফিসে যাওয়ার প্রাক্কালে পথিমধ্যে ব্রক্ষরাজপুর ইউনিয়ন পরিষদের উত্তর পার্শ্বের রাস্তায় বাজার সংলগ্ন পালপাড়ার সামনে পৌঁছালে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ওৎ পেতে থাকা অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী বাহিনী ধারালো দা, চাপাতি, কোপা, চাইনিজ কুড়াল লোহার রড, হাতুড়ি ও জিআই পাইপ দ্বারা হত্যার উদ্দেশ্যে দহাকুলা গ্রামের তাজেল উদ্দিন এর পুত্র মাসুদ রানা ওরফে কোপা মাসুদ, ওমরা পাড়া গ্রামের ইব্রাহিম মোড়ল এর পুত্র রিপন মোড়ল, দহাকুলা পূর্ব পাড়ার জিয়ারুল ইসলাম এর পুত্র ফাহিম, দামার পোতা গ্রামের আব্দুল খালেক মজলিস এর পুত্র কামরুজ্জামান ও তৌহিদুজ্জামান ওমরা পাড়া গ্রামের সোলায়মান হাজীর পুত্র মেহেদী হাসান, লবণ গোলা গ্রামের ছাকার উদ্দিন এর পুত্র আজিবর, দহাকুলা পূর্ব পাড়ার আজিম উদ্দিন সরদার এর পুত্র আমিনুর, লবনগোলা গ্রামের মহব্বত আলীর পুত্র শহিদুল ইসলাম, চেলার ডাঙ্গা গ্রামের আশরাদ আলীর পুত্র ইশার আলী, বড়দল গ্রামের ইসলাম কারিগর এর পুত্র ফজলুর রহমান ও একই গ্রামের নওশের আলীর পুত্র মাহমুদ হাসান, দহাকুলা পূর্ব পাড়ার আব্দুস সোবহান এর পুত্র সেলিম, দামারপোতা গ্রামের আব্দুল খালেক মজলিসের পুত্র হাফিজুল ইসলাম সহ অজ্ঞাত ৪/৫ জন আক্রমণ করে হাঁড়কাটা রক্তাক্ত জখম করে। আহত অবস্থায় ৯৯৯ এ কল করলে সাতক্ষীরা সদর থানার এএসআই আজিম তাদেরকে উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। বর্তমানে তারা সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। উল্লেখ্য, বিগত ২০০৬ সালে এ সন্ত্রাসী চক্র সর্ব কাশেমপুর গ্রামের পৈত্রিক সম্পত্তি জবরদখল করতে গেলে বাদীর মেঝ ভাই রাফেউজ্জামান বাধা দিলে বাদীর সামনে প্রকাশ্যে দিবালোকে তাকে কুপিয়ে হত্যা করে। এ বিষয়ে সাতক্ষীরা আদালতে জিআর ২৮/২০০৬ মামলাটি বিচারাধীন চলমান। কিছুদিন পূর্বে ব্রক্ষরাজপুর বাদীদের মৎস্য ঘেরে জবরদখল, লুট করতে গেলে ঘেরে অবস্থানরতদেরকে মারাত্মক জখম করে এ সকল সন্ত্রাসীরা। এ বিষয়ে সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি মামলা হয়। জি আর নম্বর ২৭২/২১। এ সন্ত্রাসী চক্রটি করোনা কে পুঁজি করে আদালতে জামীনে মুক্তি পেয়ে আবারও পূর্ব পরিকল্পিত মাফিক হত্যার ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে। এই সন্ত্রাসী চক্রের কাছে জিম্মি হয়ে গেছে একটি অসহায় মুক্তিযাদ্ধা পরিবার। এ বিষয় সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি দেলোয়ার হুসেন এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,“ তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
উপ সহকারি কৃষি কর্মকর্তাদের উপজেলা নির্দেশিকা ব্যবহার বিষয়ক ৫দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু
খবর বিজ্ঞপ্তি
উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তাদের উপজেলা নির্দেশিকা ব্যবহার বিষয়ক ৫দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু হয়েছে। রোববার সকাল ১০টায় খুলনা কৃষি তথ্য সার্ভিস ’র সম্মেলন কক্ষে এসআরএসআরএফপি’র অর্থায়নে এই প্রশিক্ষণ শুরু হয়। মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের মৃত্তিকা গবেষণা ও গবেষণা সুবিধা জোরদারকরণ প্রকল্পের অর্থায়নে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খুলনা এর সহায়তায় মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট বিভাগীয় কার্যালয় আয়োজন করে।
প্রধান অতিথি থেকে উদ্বোধন করেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের খুলনা অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালিক কৃষিবিদ জিএম এ গফুর। বিশেষ অতিথি ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো: হাফিজুর রহমান, মৃত্তিকা গবেষণা ও গবেষণা সুবিধা জোরদারকরণ প্রকল্প এসআরডিআই কৃষিবিদ জি এম মোস্তাফিজুর রহমান, মৃত্তিকা গবেষণা ও গবেষণা সুবিধা জোরদারকরণ প্রকল্প এসআরডিআই উপ-প্রকল্প পরিচালক কৃষিবিদ মোঃ আব্দুল হালিম, যশোর এসআরডিআই আঞ্চলিক কার্যালয়ের কৃষিবিদ জিএম মোস্তাফিজুর রহমান এবং কৃষি তথ্য সংস্থা’র আঞ্চলিক বেতার কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ শেখ ফজলুল হক মনি।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এসআরডিআই খুলনা বিভাগীয় প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা কৃষিবিদ শচীন্দ্র নাথ বিশ্বাস। অনুষ্ঠানে সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা শামসুন নাহার রতœা। খুলনা জেলার ১১ টি উপজেলা থেকে মোট ৩০ জন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা অংশ গ্রহন করেন। স্বাস্থ্য বিধি মেনে এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। প্রশিক্ষণটি মাটির স্বাস্থ্য রক্ষায় সুষম সার ব্যবহার ও ফসলের ফলন বৃদ্ধিতে গুরুপূর্ণ অবদান রাখবে বলে আশা করা যায়। প্রশিক্ষণ চলবে আগামী ২৪জুন পর্যন্ত।
ফকিরহাটে প্রধানমন্ত্রীর উপহার ১শ পরিবারকে জমিসহ ঘর প্রদান
ফকিরহাট প্রতিনিধি
সারাদেশের ন্যায় ফকিরহাটেও মুজিববর্ষ উপলক্ষে ভুমিহীন-গৃহহীন পরিবারকে জমি ও গৃহ প্রদান কার্যক্রম ২য় পর্যায় এর শুভ উদ্ভোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২০জুন রবিবার ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সারাদেশে ২য় পর্যায় ৫৩হাজার ৩শত ৪০টি ভুমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে ২শতক জমিসহ গৃহ হস্তান্তর কার্যক্রমের শুভ উদ্ভোধনের অংশ হিসাবে ১শত পরিবারকে কবুলিয়ত, জমির খতিয়ান, গৃহ প্রদানের সনদ ও ঘরের চাবি প্রদান করা হয়। প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক উদ্ভোধনের সাথে সাথে ১শত পরিবারের মাঝে গৃহ হস্তান্তর করেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান স্বপন দাশ। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) রহিমা সুলতানা বুশরা এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান তহুরা খান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার সানজিদা বেগম, প্রকল্প বাস্তাবায়ন কর্মকর্তা সাইদা দিলরুবা সুলতানা, সমাজসেবা অফিসার আব্দুর সবুর, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার দেবাশিষ বিশ^াস, শেখ হেলাল উদ্দীন ফাউন্ডেশনের সভাপতি অধ্যক্ষ অমিত রায় চৌধুরী, সাধারন সম্পাদক শিরিনা আক্তার, ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ রেজাউল করিম ফকির, খান শামীম জামান পলাশ, শেখ শহীদুল ইসলাম, এ্যাডঃ হীটলার গোলদার সহ বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানগনেরা। অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু পল্লী-২ (তেকাটিয়া) ও বঙ্গবন্ধু পল্লী-৩ (খড়িবুনিয়া) ১শত পরিবারের হাতে ঘরের দলিল প্রদান করা হয়। সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
‘গ্রামীণ ষাঁড়টির দাম ১৫ লাখ টাকা !
মনিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি :
যশোরের মণিরামপুরের এক মাদ্রাসা শিক্ষক এবার সেরা একটি ষাঁড় পুষছেন।সামনের কোরবানির ঈদে তিনি ষাঁড়টি বিক্রি করতে চান। ছয় ফুট উচ্চতা ও সাড়ে ১২ ফুট লম্বা আকারের ষাঁড়টির দাম তিনি ১৫ লাখ টাকা হাকাচ্ছেন। স্থানীয় ব্যাপারীরা ইতিমধ্যে ষাঁড়টির দাম আট লাখ টাকা তুলেছেন।
নিউজিল্যান্ডের ফ্রিজিয়ান জাতের বৃহদাকার এই গরুটির নাম তিনি রেখেছেন ‘গ্রামীণ ষাঁড়’। গত চার বছর ধরে ষাঁড়টি পুষছেন আকরাম হোসেন। ষাঁড়টির ওজন ৩৮-৪০ মণ। শিক্ষকের দাবি, ষাঁড়টি শুধু মণিরামপুরের নয় যশোর জেলার মধ্যে এবারের সেরা। একই দাবি উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরেরও।
বৃহদাকার ষাঁড়টি একনজর দেখতে দূর-দূরান্ত থেকে বহু মানুষ নিত্য আকরাম হোসেনের বাড়িতে ভিড় করছেন।
আকরাম হোসেনের বাড়ি উপজেলার কাশিপুর গ্রামে। তিনি স্থানীয় হালশা আদর্শ মহিলা দাখিল মাদ্রাসার সহকারি শিক্ষক। পেশায় শিক্ষক হলেও ছাত্রজীবন থেকে গরু পালন তার শখ। সেই থেকে শংকর জাতের গরু পুষছেন তিনি। উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের নিবন্ধনকৃত খেদাপাড়া ইউনিয়ের সেবা খামারি আকরাম। গ্রামীণ ষাঁড়টি ছাড়া তার খামারে আরো একটি বড় ষাঁড় রয়েছে। রোববার (২০ জুন) সরেজমিন উপজেলার কাশিপুর গ্রামে আকরাম হোসেনের বাড়িতে গিয়ে কথা হয় তার সাথে।
তিনি বলেন, ১৯৯৫ সালে এইচএসসি পাশ করি। তখন থেকে গরু পোষার শখ। ওই বছর প্রথম আমি মণিরামপুরে শংকর জাতের গরু আনি। এরপর থেকে গাভী পালন শুরু করি। প্রথমদিকে গাভী পুষতাম আর বিক্রি করতাম। একটা গাভী পালন করে তিন লাখ টাকায় বিক্রি করেছি। ২০১৭ সালের মাঝামাঝি একটা এঁড়ে বাছুর জন্ম নেয়। চার বছর পোষার পর বাছুরটি আজকের এই ‘গ্রামীণ ষাঁড়ে’ পরিণত হয়েছে। শিক্ষক আকরাম হোসেন বলেন, শিক্ষকতার পাশাপাশি সার্ভেয়ারের কাজও করি। আমার স্ত্রী হাসিনা খাতুন মূলত খামার দেখাশুনা করেন। করোনায় দীর্ঘদিন মাদরাসা বন্ধ থাকায় ষাঁড়টির যতœ নিচ্ছি আমি।
‘বাজারের কোন ফিড খাইয়ে না, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার পরামর্শে খৈল, ভুষি, ক্ষুদের ভাত, বিচালি ও কাচা ঘাস খাইয়ে গরুটি পুষেছি। একবছর ধরে প্রতিদিন ওর খাবারের পিছনে ৩০০ টাকা ব্যয় হচ্ছে’,বলেন আকরাম হোসেন।
রোববার সকালে আকরাম হোসেনের বাড়িতে মানুষের ভিড় দেখা গেছে। তারা সবাই দূর-দূরন্ত থেকে ষাঁড়টি দেখতে এসেছেন। এদের মধ্যে একজন মোহনপুর গ্রামের গৃহবধূ খাদিজা খাতুন। তিনি বলেন, বড় গরুর খবর শুনে দেখতি আইছি। এতবড় গরু কখনো দেখিনি।
কাশিপুর গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল গফুর বলেন, গতবছর মণিরামপুরের হরেরগাতী গ্রামের হাসমত আলীর ‘বাংলার বস’ নামের সেরা ষাঁড়টি দেখেছি। ইত্যা গ্রামের ‘পালসার বাবু’কেও দেখেছি। গ্রামীণ ষাড়ের তুলনা ওগুলো কিছু না। এই ষাঁড়টির ওজন ৩৮-৪০ মণ হবে। আমার দেখা চোখে এটি এবারের সেরা গরু।
আকরাম হোসেন বলেন, সকাল হলে গরু দেখার জন্য বাড়িতে মানুষের আনাগোনা শুরু হয়। বিকেলে লোকসংখ্যা বেশি হয়। খুলনার ডুমুরিয়া ও কেশবপুর এলাকা ছাড়াও বহু দূর থেকে পিকআপ ভরে মানুষ গরু দেখতে আসেন।
খামারিদের উদ্দেশে আকরাম হোসেন বলেন, বাজারের ফিড খাইয়ে কেউ গরু মোটাতাজা করতে যাবেন না। ওতে শুধু টাকা খরচ হয়। গরুর দেহ ঠিক থাকে না। কাঙ্খিত ফল পেতে হলে গরুকে বিচালি ও কাচা ঘাসের সাথে খৈল ভুষি খাওয়াতে হবে। মণিরামপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ড. আবুজার সিদ্দিকী বলেন, ‘আমাদের সাথে পরামর্শ করে খামার চালান শিক্ষক আকরাম। ওই শিক্ষকের ষাঁড়টি আমি দেখেছি। ষাঁড়টির দেহে ২৬-২৭ মণ মাংস আছে। মণিরামপুরে এবারের সেরা কোরবানির পশু এটি।’
কয়রায় বজ্রপাতে যুবকের মৃত্যু
কয়রা প্রতিনিধি
খুলনার কয়রা উপজেলার দক্ষিণ বেদ;কাশি ইউনিয়নের সুন্দরবন সংলগ্ন শাকবাড়ীয়া নদীতে চিংড়ীপোনা ধরার সময় বজ্রপাতে এক যুবক মারা গেছে। জানা গেছে, যুবকের নাম তৌহিদুল মোল্লা (২৫) তার বাড়ী ঘড়িলাল গ্রামে এবং তৈয়েবুর মোল্লার পুত্র। সূত্র জানায় রোববার অন্যান্য দিনের ন্যায় শাকবাড়ীয়া নদীতে নেট জালে চিংড়ী পোনা ধরার সময় দুপুর আনুঃ ১২ টার সময় বজ্রপাতে নদরি মধ্যে নৌকায় মৃত্যু বরণ করেন। এ বিষয় স্থানীয় ইউপি মেম্বর আছের আলী বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বজ্রপাতে তৌহিদুলের মৃত্যুর খবর তাৎক্ষনিকভাবে উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে জানানো হয়েছে। এছাড়া একই সময় বেঁড়িবাাঁধের উপর বজ্রপাতে একটি ছাগল মারা যায় এবং জনৈক মহিলা গুরুতর আহত হয়েছে। এদিকে এলাকাবাসী জানায়, মৃত্য তৌহিদুলের নব বধুর হাতের মেহেদির রং মুছে না যেতেই তার স্ত্রী বিধবা হয়েছেন এবং প্রায় একমাস তৌহিদুলের বিয়ে হয়েছে।
সাতক্ষীরায় করোনা আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে ৬ জনের মৃত্যু
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি
সাতক্ষীরায় গত ২৪ ঘন্টায় সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও বিভিন্ন বেসরকারী হাসপাতালে ভাইরাসটিতে আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে মোট ৬ জন মারা গেছেন। এর মধ্যে তিন জন করোনা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন বেসরকারী হাসপাতালে ও বাকী তিন জন উপসর্গ নিয়ে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা গেছেন। এনিয়ে জেলায় ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন আরো ৬০ জন। আর উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন অন্ততঃ ২৭১ জন। এছাড়া গত ২৪ ঘন্টায় ২৮ জনের নমুনা পরীক্ষা শেষে ২৪ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। যা শনাক্তের হার ৫০ শতাংশ। আজ পর্যন্ত জেলায় ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন মোট ২ হাজার ৮৫৪ জন।
এদিকে, তৃতীয় সপ্তাহের দ্বিতীয় দিনের লকডাউন চলছে সাতক্ষীরায়। লকডাউন উপেক্ষা করে মানুষ হাট বাজারে ভিড় করছেন। স্বাস্থ্যবিধি কিছুতেই মানতে চাচ্ছেন না। যদিও পুলিশ মোড়ে মোড়ে ব্যারিকেড দিয়ে চলাচল নিয়ন্ত্রণ করছেন। লকডাউনে জরুরি সেবা প্রতিষ্ঠান খোলা রয়েছে। ভোমরা স্থলবন্দরেও সীমিত পরিসরে চলছে আমদানী-রপ্তানী কার্যক্রম। ইতিমধ্যে জেলা শহর ও গ্রাম অঞ্চলের প্রায় প্রতিটি ঘরে ঘরে জ¦র, সর্দি, কাশিসহ নানা উপসর্গ নিয়ে ভুগছেন অধিকাংশ মানুষ।
সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন অফিসের করোনা বিষয়ক মূখপাত্র ডাঃ জয়ন্ত সরকার জানান, জেলায় করোনা আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে মোট ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে তিন জন করোনা আক্রান্ত হয়ে বিভিন্ন বেসরকারী হাসপাতালে ও বাকী তিন জন উপসর্গ নিয়ে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা গেছেন। এছাড়া জেলায় ২১৭ জন করোনা আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে মেডিকেল কলেজ এবং সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বাকীরা বিভিন্ন বেসরকারী হাসপাতাল, প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিন ও নিজ নিজ বাড়িতে চিৎিসাধীন রয়েছেন।
সাতক্ষীরার ৬৬৫ টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার পেল গৃহ দলিল ও ঘরের চাবি
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি
“আশ্রয়ণের অধিকার শেখ হাসিনার উপহার” এই স্লোগানকে সামনে রেখে মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে সাতক্ষীরার ৬৬৫ টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার পেল একক গৃহ দলিল ও ঘরের চাবি। রোববার সকালে জেলা শিল্পকলা একাডেমি থেকে উক্ত দলিল ও ঘরের চাবি হস্তান্তরের উদ্বোধন করা হয়।
জেলা প্রশাসনের আয়োজনে ও জেলা প্রশাসক এস.এম মোস্তফা কামালের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক আলহাজ¦ নজরুল ইসলাম, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আহসান হাবিব, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) তানজিল্লুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) এম.এম মাহমুদুর রহমান, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলহাজ¦ আসাদুজ্জামান বাবু, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফাতেমা-তুজ জোহরা প্রমুখ।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দেশের মোট ৫৩ হাজার তিনশ’ ৪০টি ভূমিহীন পরিবার জমিসহ গৃহ হস্তান্তর কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় দ্বিতীয় পর্যায়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে এটি বাস্তবায়ন করা হয়।
তালায় শ্লীলতাহানীর চেষ্টার অভিযোগঃ আটক ১
ইলিয়াস হোসেন, তালা(সাতক্ষীরা)
সাতক্ষীরার তালার পল্লীতে গৃহবধুর শ্ললিতাহানীর ঘটনায় পুলিশ প্রদীপ মন্ডল (৩৬) এক ব্যক্তিকে গতকাল ২০ জুন (রবিবার) সকালে গ্রেফতার করেছে। সে তালা উপজেলার শাহপুর গ্রামের সন্তোষ মন্ডলের ছেলে। এ ঘটনায় তালা থানায় একটি মামলা হয়েছে।
মামলার বিবরণে জানাযায়, শাহপুর গ্রামের সন্তোষ মন্ডলের ছেলে প্রদীপ মন্ডল (৩৬) গত ১৮ জুন দুপুরে বাড়ীতে কেউ না থাকার সুযোগে প্রতিবেশী এক গৃহবধুকে ধর্ষনের চেষ্টা করে । এ সময় গৃহবধুর চিৎকারে পাশর্^বতী লোকজন এগিয়ে আসলে সে পালিয়ে যায়। গৃহবধুর স্বামী প্রভাষ জানায়, ঘটনার সময় আমি বাড়ীতে ছিলাম না, পরে বাড়ীতে এসে প্রদীপ মন্ডলের বাবাকে ঘটনা জানালে, আসামীরা ক্ষিপ্ত হয়ে আমার বাড়ীতে হামলা করে। এ সময় আমাকে সহ আমার স্ত্রীকে বেদম মারপীট করে এবং হত্যার হুমকী দেয়। তালা থানার এস আই প্রীতিষ জানান, অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় প্রদীপ মন্ডলকে আটক করা হয়েছে।
তালা থানা অফিসার ইনচার্জ মেহেদী রাসেল জানান, শ্লীলতাহানীর মামলায় আসামীকে জেল-হাজতে প্রেরন করা হয়েছে।
তালায় আশ্রায়ন প্রকল্প-২ এর আওতায় ঘর পেল ৫০ পরিবার
ইলিয়াস হোসেন, তালা(সাতক্ষীরা) ঃ
সাতক্ষীরার তালায় মুজিব বর্ষ উপলক্ষ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রদত্ত আশ্রায়ন প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ে জমি ও গৃহহীন ৫০ পরিবারের মধ্যে গৃহ ও জমির দলিল হস্তানন্তর করা হয়েছে।
শনিবার (২০ জুন) দুপুরে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও কনফারেঞ্চের পরে সুবিধাভোগীদের উপস্থিতিতে এই ঘরের চাবি ও দলিল হস্তানন্তর করা হয়।
তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তারিফ-উল-হাসানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, তালা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ঘোষ সনৎ কামার, ভাইস চেয়ারম্যান সরদার মশিয়ার রহমান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মুরশিদা পারভীন পাপড়ী, সহকারী কমিশনার (ভুমি) মোঃ তারেক সুলতান, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ওবায়দুল হক প্রমুখ।
এসময় সুবিধাভোগী উপজেলার হরিহরনগর গ্রামের মৃত কছিম উদ্দীন গোলদারের ছেলে প্রতিবন্ধী আমিরুল ইসলাম (২৮) জানান, ৫ ভাই ও ২ বোনের মধ্যে প্রতিবন্ধী আমিনুল ইসলাম সকলের ছোট। সে স্থানীয় একটি মাছ কাটায় দিন ৫০ টাকা হারে কাজ করেন। তার থেকে নিজের খরচ হয় ২০ টাকা। বাকি টাকায় সংসার চলেনা। লেখা-পড়ায় আমিনুল এস এস সি পাশ। নেই ভিটা মাটি এবং থাকার কোন ঘর। উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে জমি এবং ঘর পেয়ে প্রতিবন্ধী আমিনুল ইসলাম বেজায় খুশি। ঘর পেয়ে প্রতিবন্ধী আমিনুল ইসলাম জাতির জনকের আত্মার শান্তি কামনা এবং মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া প্রার্থনা করেন।
তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তারিফ-উল-হাসান মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর এই মাহতী উদ্যেগকে স্বাগত জানিয়ে জানান, প্রধান মন্ত্রী নিজস্ব আশ্রায়ন প্রকল্পের আওতায় দ্বিতীয় ধাপে উপজেলায় ৫০টি গ্রহহীন পরিবারকে আজ গৃহ ও জমির দলিল হস্তানন্তর করা হয়েছে। এছাড়া এখনো যাচাই-বাছাই এর কাজ চলছে। এসময় তিনি সাংবাদিক সহ সকলের সহযোগীতা কামনা করেন।
তালা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ঘোষ সনৎ কামার জানান, তালা উপজেলায় যাদের জমি ও ঘর নেই তাদের প্রত্যেককে পর্যায়ক্রমে জমি এবং ঘর দেওয়া হবে। উপজেলায় কেউ গৃহহীন থাকবেনা। এসময় তিনি সর্বস্তরের মানুষের সহযোগীতা কামনা করেন।
রামপাল তাপ বিদ্যুকেন্দ্র থেকে মালামাল চুরি, আটক ১
রামপাল বাগেরহাট
বাগেরহাটে মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্রজেক্ট-রামপাল তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মালামাল চুরির সময় একজনকে আটক করেছে পুলিশ। রবিবার (২০ জুন) ভোরে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র সংলগ্ন পশুর নদী থেকে দুটি ইঞ্জিন চালিত ট্রলারসহ একজনকে হাতে নাতে আটক করে পুলিশ। এসময় তাদের কাছ থেকে ২৪০ গজ তামার তার, ২৫ ফুট লম্বা ৬পিস লোহার রড, ১৫ পিস চার ফিট লম্বা লোহার এ্যাঙ্গেল উদ্ধার করা হয়। যার আনুমানিক মূল্য ২ লক্ষ ৬১ হাজার টাকা। এঘটনায় রামপাল উপজেলার গৌরম্ভা ফাড়ির ইনচার্জ এসআই রফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে রামপাল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় ৮ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ১০-১৫ জনকে আসামী করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন রামপাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ সামছুউদ্দিন।
আটককৃত হলেন, খুলনা জেলার দাকোপ উপজেলার কালাবগী গ্রামের আবুল শেখের ছেলে শাহজাহান শেখ (৪০)। বাগেরহাটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ আছাদুজ্জামান বলেন, একদল সংঘবদ্ধ চোর রামপাল তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কৈঘরদাসকাঠি এলাকার পাশ থেকে বেশকিছু মালামাল নদী পথে নিয়ে যাচ্ছে। এমন খবর পেয়ে রামপাল থানা পুলিশ তাদেরকে ধাওয়া করে। একজনকে আটক করতে সক্ষম হয় পুলিশ সদস্যরা। অন্যরা পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় রামপাল থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। আটককৃতদের আদালতে সোপর্দের প্রস্তুতি চলছে। অন্য আসামীদেরকে গ্রেফতারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
বাগেরহটে ২৪ ঘন্টায় আক্রান্ত ৬৮, মৃত ২, শনাক্তের হার ৩৫
বাগেরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাটে গেল ২৪ ঘন্টায় নতুন করে আরও ৬৮ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছে। এই সময়ে মারা গেছে দুই জন। এই নিয়ে বাগেরহাটে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাড়াল দুই হাজার ৫৫০ জনে। মারা গেলেন ৬৫ জন। এদের মধ্যে সুস্থ্য হয়েছেন ১ হাজার ৭৫৪ জন। বাগেরহাট সদর হাসপাতাল সংলগ্ন ৫০ শয্যার করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৪৩ জন। রবিবার (২০ জুন) দুপুরে বাগেরহাট সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
এদিকে সংক্রমন ও মৃত্যুর হার বেড়ে যাওয়ায় স্থানীয়দের পাশাপাশি খোদ বাগেরহাট স্বাস্থ্য বিভাগের শীর্ষ কর্মকর্তা সিভিল সার্জন ডা. কেএম হুমায়ুন কবিরও শঙ্কা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, হঠাৎ করে আবারও করোনা উপসর্গ নিয়ে মানুষ হাসপাতালে আসছেন। করোনা রোগীর পরিমান বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমানে ৫০ শয্যা করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে করোনা আক্রান্ত ৪৩ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন। রোগীর পরিমান আরও বৃদ্ধি পেলে আমাদের চিকিৎসা দিতে হিমশিম খেতে হবে। মুমুর্ষ রোগী আসলে আমাদের আরও বিড়ম্বনায় পড়তে হবে। কারণ আমাদের এখানে তিনটি আইসিউ শয্যা থাকলেও ভেন্টিলেটর ও প্রশিক্ষিত জনবল না থাকায় চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব নয়। সংক্রমন প্রতিরোধে সকলকে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলার আহবান জানান তিনি।
এদিকে সংক্রমন প্রতিরোধে ১৯ জুন থেকে বাগেরহাটে সিনো ফার্মার করোনা ভ্যাকসিন দেওয়া শুরু হয়েছে। দুই দিনে জেলার ৯ উপজেলায় নির্ধারিত পেশার অন্তত তিনশ মানুষ সিনো ফার্মার করোনা টিকা গ্রহন করেছেন।
সিভিল সার্জন ডা. কেএম হুমায়ুন কবির বলেন, গেল ২৪ ঘন্টায় ১৯৪ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৬৮ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার ৩৫ শতাংশ। এই নিয়ে জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা আড়াই হাজার ছাড়িয়েছে। মৃত পৌছেছে ৬৫ জনে।
সংক্রমনের হার কমাতে স্বাস্থ্য বিভাগের পাশাপাশি সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছে জেলা প্রশাসনসহ সরকারের অন্যান্য সংস্থা। চলছে মাইকিং, মাস্ক বিতরণ ও ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান।
বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মোহাম্মাদ আজিজুর রহমান বলেন, সংক্রমন প্রতিরোধের ক্ষেত্রে আমরা সব ধরণের প্রচেষ্টা চালাচ্ছি। আমরা জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক, আইনজীবীসহ সব ধরণের পেশার মানুষের সাথে সভা করেছি। সকলকে যার যার জায়গা থেকে মানুষকে সচেতন করার আহবান জানানো হয়েছে। এর পাশাপাশি জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে মাইকিং করা হচ্ছে। প্রতিনিয়ত মাস্ক বিতরণ করা হচ্ছে সাধারণ মানুষের মাঝে।স্বাস্থ্য বিধি নিশ্চিত করতে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানও অব্যাহত রয়েছে বলে জানান তিনি।
বাগেরহাটে ৪৩৪ ভূমিহীন পরিবারের মাঝে পাকা ঘরের চাবি ও জমির দলিল হস্তান্তর
বাগেরহাট প্রতিনিধি
মুজিববর্ষ উপলক্ষে ভূমিহীন-গৃহহীন পরিবারকে জমি ও গৃহ প্রদান কার্যক্রম ২য় পর্যায়ে বাগেরহাটে ৪৩৪ জন ভূমিহীন পরিবারের মাঝে ঘরের চাবি ও জমির দলি হস্তান্তর করা হয়েছে। রবিবার (২০ জুন) দুপুরে বাগেরহাট জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে বাগেরহাট সদর উপজেলার ৮৮ জন ভূমিহীণ পরিবারের হাতে ঘরের চাবি ও দলিল তুলে দেন বাগেরহাট সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সরদার নাসির উদ্দিন ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মাদ মোছাব্বেরুল ইসলাম। এসময়, সহকারি কমিশনার ভূমি মোঃ শহিদুল্লাহ, সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান খান রেজাউল ইসলাম, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রিজিয়া পারভীনসহ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপকারভোগীরা উপস্থিত ছিলেন। জেলার অন্যান্য উপজেলায়ও একইভাবে ভূমিহীনদের মাঝে এই ঘরের চাবি হস্তান্তর করা হয়।
এর মধ্যে কচুয়া ১৭, রামপালে ৪০, মোংলায় ৫০, মোল্লাহাটে ৬০, চিতলমারী ৫০ ফকিরহাটে ১‘শ, মোরেলগঞ্জে ২৫ এবং শরণখোলা উপজেলায় ৪টি ঘর রয়েছে। দ্বিতীয় পর্যায়ে বাগেরহাটের ৯ উপজেলায় আরও ২১৪টি ভূমিহীন পরিবারকে জমি ও ঘর দেওয়া হবে। যেসব ঘরের কাজ চলছে। বিকেলেই পাকা ঘরে উঠবেন ঘরপ্রাপ্তরা। দীর্ঘদিন ভূমিহীণ থাকার পরে ঘর পেয়ে খুশি ভূমিহীন হতদরিদ্ররা।
উপকারভোগী প্রত্যেকটি পরিবার দুই শতক জমির সাথে ৫‘শ বর্গ ফুটের একটি পাকা বাড়ি পাবেন। এই পাকা ঘরে থাকবে দুটি বেডরুম, একটা কিচেন, একটা ইউটিলিটি রুম একটি টয়েলেট এবং একটা বারান্দা। প্রতিটি সেমিপাকা ঘর নির্মানে ব্যয় হয়েছে এক লক্ষ ৯১ হাজার টাকা।
এর আগে মুজিববর্ষ উপলক্ষে ভূমিহীন-গৃহহীন পরিবারকে জমি ও গৃহ প্রদান কার্যক্রম প্রথম পর্যায়ে বাগেরহাটে ৪‘শ ৩৩ জন ভূমিহীনকে দুই শতক জমিসহ পাকা ঘর দেওয়া হয়েছিল।
মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক-এর শারীরিক সুস্থতা কামনা দোয়া মাহফিল
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক-এর শারীরিক সুস্থতা কামনা করে রবিবার বাদ জোহর নগর ভবন মসজিদে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। কেসিসি ডিপ্লোমা প্রকৌশলী সমিতি, কেসিসি বঙ্গবন্ধু ডিপ্লোমা প্রকৌশলী পরিষদ ও ঠিকাদার কল্যাণ সমিতি যৌথভাবে এ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে। দোয়া মাহফিলে সিটি মেয়রের আশু রোগ মুক্তি ও সুস্থতা কামনা করে মহান আল্লাহ রাব্বুল আল-আামিনের দরবারে মোনাজাত করা হয়।
কেসিসি ডিপ্লোমা প্রকৌশলী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও কেসিসি বঙ্গবন্ধু ডিপ্লোমা প্রকৌশলী পরিষদের সভাপতি মোঃ নাজমুল হুদা, প্রকৌশলী রনি জামিল চৌধুরী, আবু সালেহ পাটোয়ারী, শেখ নজরুল ইসলাম, জাহিদ হোসেন, আবুল হোসেন মৃধা, নাজমুল হক, ঠিকাদার কল্যাণ সমিতির সভাপতি শেখ মনিরুজ্জামান খোকন, সাধারণ সম্পাদক তসলিম আহমেদ আশা, ঠিকাদার আশরাফ আলী হাওলাদার, জাহিদুল ইসলাম খলিফা, মোঃ সেলিম, মল্লিক আলমসহ প্রকৌশলীগণ ও সাধারণ ঠিকাদারগণ দোয়া মাহফিলে অংশগ্রহণ করেন। দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা মোঃ রফিকুল ইসলাম।
খুবির সকল পরীক্ষা স্থগিত
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা অঞ্চলে করোনার প্রাদুর্ভাব ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় আগামী ২২ জুন থেকে খুলনা জেলায় সর্বাত্মক লকডাউন ঘোষিত হয়েছে। এ প্রেক্ষিতে রবিবার বেলা সাড়ে ১১টায় উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন এর সভাপতিত্বে উপ-উপাচার্য ও ডিনবৃন্দের সাথে এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ডিসিপ্লিনে (বিভাগ) অনুষ্ঠিতব্য সকল পরীক্ষা স্থগিত রাখাসহ বেশি কয়েকটি সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। আজ বিকেলে রেজিস্ট্রার দপ্তরের জারিকৃত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।
মোংলায় প্রধানমন্ত্রীর ঘর উপহার পেলেন তৃতীয় লিঙ্গের নিশি
মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
নিশি আক্তার (২৪), তৃতীয় লিঙ্গের একজন মানুষ। বাবা নেই, মাকে নিয়ে থাকতেন সরকারি জায়গায় চায়ের দোকানে। মা চা বিক্রি করেন। আর সে এদিক সেদিক করে কোন রকম জীবন চলে যায়। দীর্ঘদিনের বাসনা ছিল নিজ জমি-ঘরে কি কখনো থাকতে পারবেন তারা। অবশেষে সেই বাসনা পূর্ণ হয়েছে। রবিার প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর পেয়ে দারুন খুশি সে ও তার পরিবার। আবেগ আপ্লুত হয়ে ধন্যবাদ দিতে ভুলেননি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। মোংলার নারকেলতলা আবাসন প্রকল্পে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ঘর পেয়েছেন তৃতীয় লিঙ্গের এই নিশি আক্তার।
দেশের অন্য কোথাও এমন ঘটনা হয়েছে কিনা, তা জানা না গেলেও বাগেরহাট জেলায় এই প্রথম। বিষয়টি নিশ্চিত করে মোংলা উপজেলার নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) কমলেশ মজুমদার বলেন, মোংলায় প্রধানমন্ত্রীর উপহার নিতে অনেক গৃহ ও ভূমিহীনরা আবেদন করেছিলেন। এরমধ্যে একজন তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের আবেদন পেয়ে উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলে নিশি আক্তারকে ঘর দেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। তবে এর আগে তিনি আসলে ঘর পাওয়ার যোগ্য কিনা সেটিও যাচাই-বাছাই করেই দিয়েছি বলে জানান ইউএনও কমলেশ মজুমদার।
এদিকে রবিবার সরেজমিনে নিশির নতুন ঘরে গেলে দেখা যায় তার মা সুফিয়া বেগমকে (৬০) নিয়ে সেখানে উঠেছেন তিনি। নতুন ঘর পেয়ে দারুন খুশি তারা। নিশি বলেন, আমাদের থাকার জায়গা ছিলনা, স্থায়ী থাকার জায়গা হলো এখন, আমাদেও মত মানুষকে মূল্যায়নের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই।
তিন বছর আগে মারা যায় নিশির বাবা ইমান শেখ। এরপর তার পাঁচ ভাই যে যার মত আলাদা হয়ে যান। শুধু মায়ের সাথে ছিলেন নিশি। পৌর শহরের কুমারখালীর টি,এ ফারুক স্কুলে দশম শ্রেণী পর্যন্ত পড়াশোনা করেন নিশি। তখন তার নাম ছিল জাবেদ শেখ। এরপর স্থানীয় তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের সাথে জড়িয়ে বাচ্চাদেরকে নাচিয়ে-গেয়ে নিজের জীবনকে বদলে হয়ে যান নিশি আক্তার।
এদিকে মোংলায় প্রধানমন্ত্রীর ঘর পেয়েছেন ৫০ জন গৃহ ও ভূমিহীন পরিবার। রবিবার সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ঘর হস্তান্তরের উদ্বোধন করেন। উপজেলা চেয়ারম্যান আবু তাহের হাওলাদার ও নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কমলেশ মজুমদার এই ঘরের চাবি হস্তান্তর করেন উপকারভোগীদের হাতে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পৌর মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ আব্দুর রহমান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) নয়ন কুমার রাজবংশী, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নাহিদুজ্জামানসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও আওয়ামী নেতৃবৃন্দরা।
মোংলায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করোনায় আরো এক নারীর মৃত্যু, শনাক্ত আরও ১৬ জন
মোংলা প্রতিনিধি
মোংলায় সরকারী হাসপাতালে করোনা আক্রান্ত হয়ে আরো এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। রবিবার দুপুর ১২টার দিকে পৌর শহরের সিগনাল টাওয়ার এলাকার রেনু বেগমকে (৫৫) উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান তার পরিবার। সেখানে ভর্তি হয়ে করানো করোনা পরীক্ষায় তার রিপোর্ট পজেটিভ আসে। এরপর দুপুর ১টার দিকে হাসপাতালেই তার মৃত্যু হয়। এর আগেও এ হাসপাতালে করোনা আক্রান্ত হয়ে আরো ৫ নারী-পুরুষের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ জীবিতেশ বিশ্বাস। তবে বেসরকারী হিসেবে এর সংখ্যা আরো বেশি।
এদিকে রবিবার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২৯ জন করোনা পরীক্ষা করিয়েছেন। তার মধ্যে ১৬ জনের করোনা পজেটিভ শনাক্ত হয়েছে। রবিবার শনাক্তের হার ৫৫ ভাগ। এর আগে শনিবার শনাক্তের হার ছিল ৪৫ ভাগ, আর বৃহস্পতিবার ছিল ৫০ ভাগ।
কঠোর বিধি নিষেধের ৪র্থ দফায় ঘোষিত ৪র্থ দিন রবিবারেও চলমান বিধি নিষেধ রয়েছে মোংলায়। তবে তা খুব বেশি একটা মানছেন না কেউই। বিধি নিষেধ বাস্তবায়নে শহরে পুলিশের ব্যারিকেড ও টহল অব্যাহত রয়েছে।
মোংলা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ইকবাল বাহার চৌধুরী বলেন, চলমান কঠোর বিধি নিষেধ বাস্তবায়নে সার্বক্ষণিক মাঠে রয়েছে পুলিশ। কয়েকদিন ধরে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার মধ্যেও পুলিশ পৌর শহরের প্রবেশমুখগুলোতে ব্যারিকেড বসিয়ে অপ্রয়োজনে প্রবেশে বাঁধা ও সকল দোকানপাট এবং যান চলাচল বন্ধ রাখতে কাজ করে যাচ্ছেন।
পাইকগাছায় আরো ৩শ ভূমিহীন পরিবার জমি সহ রঙিন ঘর পেলেন
পাইকগাছা প্রতিনিধি
পাইকগাছায় মুজিব বর্ষ উপলক্ষে ভূমিহীনদের মাঝে তৃতীয় লিঙ্গের ৩টিসহ ৩শ পরিবারের মাঝে প্রধানমন্ত্রী প্রদত্ত ঘর উপহার দেয়া হয়েছে। রোববার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধনের পর পাইকগাছা উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবিএম খালিদ হোসেন সিদ্দিকী ঘর ও দলিল হস্তান্তর করেন। উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের মধ্যে হরিঢালী, কপিলমুনি, লস্কর, চাঁদখালী, সোলাদানা, গদাইপুর, রাড়–লী ও গড়ইখালী ইউনিয়নে ঘরের দলিল হস্তান্তর করা হয়। উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে দলিল হস্তান্তরের উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান আনোয়ার ইকবাল মন্টু, সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহরিয়ার হক, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ইমরুল কায়েস, লস্কর ইউপি চেয়ারম্যান কে,এম, আরিফুজ্জামান ও কপিলমুনি ইউপি চেয়ারম্যান কওসার আলী জোয়াদ্দার। বেলা ১টায় হরিঢালী ইউনিয়নের গোলাবাড়ীস্থ ভূমিহীন তৃতীয় লিঙ্গের ৩টি পরিবারের মাঝে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘর হস্তান্তর করেন ইউএনও এবিএম খালিদ হোসেন সিদ্দিকী।
পাইকগাছায় জেলা বিএনপির উদ্যোগে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ
পাইকগাছা প্রতিনিধি
পাইকগাছায় ঘুর্ণিঝড় ইয়াসে ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে খুলনা জেলা বিএনপির উদ্যোগে দেলুটি ইউনিয়নের ২০টি পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করে হয়েছে। রবিবার সকালে চাল, ডাল, আলু, পিঁয়াজ, রসুন, তেল সহ নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়। জেলা বিএনপির পক্ষে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন উপজেলা বিএনপির আহবায়ক ডাঃ মোঃ আব্দুল মজিদ। উপস্থিত ছিলেন, কাউন্সিলর এস,এম, ইমদাদুল হক, তুষার কান্তি মন্ডল, প্রভাষক সুজিত মন্ডল, মাস্টার সন্তোষ কুমার গাইন, জলিল উদ্দীন শিকারী, বাদশা মিয়া, খালিদ হোসেন, আরশাফ গাজী, আব্দুল্লাহ গাজী, মুকুল শেখ, রিপন, আকবর গাজী, জয়দেব, সিরাজ শেখ, ইব্রাহিম শেখ, আকবর, মোস্তায়িন গাজী, দেবাশীষ মন্ডল, হাবিবুর সরদার, রঞ্জন মন্ডল, মনিরুল শিকারী, সিজার হোসেন, মিলন সরকার, আবুল কালাম আজাদ, সোলাইমান, মনিহার প্রমুখ।
পাইকগাছায় ভিপি সম্পত্তিতে অবৈধ ভাবে পাঁকা স্থাপনা বন্ধের দাবীতে জেলা প্রশাসকের নিকট অভিযোগ
পাইকগাছা প্রতিনিধি
পাইকগাছায় ভিপি সম্পত্তিতে অবৈধ পাঁকা স্থাপনা বন্ধের দাবীতে জেলা প্রশাসক বরাবর অভিযোগ হয়েছে। অভিযোগে দেখা যায় স্থানীয় মনোরঞ্জন মন্ডলের ছেলে অমর রঞ্জন মন্ডল ভিপি ৭১২/৭৫-৭৬ নং লীজ কেসের এস এ ২২৯ নং খতিয়ানের ৫৭৪,৫৭৩,৫৯৮ ও ৫৯৯ দাগের ২.৫০ একর জমি অর্পিত তালিকা থেকে অবমুক্ত করার জন্য ৯৫/২০১৭-১৮ নং মামলা করে। যার মধ্যে আদালত ২.০০ একর সম্পত্তি অবমুক্ত করে সহকারী কমিশনার (ভূমি) কে নির্দেশনা দেন। পরে সহকারী কমিশনার সে মোতাবেক অমর রঞ্জন মন্ডলকে বুঝিয়ে দেন। অবশিষ্ট ৫০ শতক জমি ইজারা পাওয়ার জন্য অতি সম্প্রতি আবেদন করেন পূর্ব ইজারাদারের ওয়ারেশ সন্যাসী মন্ডল। কিন্তু অমর রঞ্জন মন্ডল উক্ত ৫০ শতক ভিপি সম্পত্তিতে পাঁকা স্থাপনা নির্মাণ করতে থাকায় সন্যাসী মন্ডল খুলনা জেলা প্রশাসক বরাবর অভিযোগ করেছে। অভিযোগ টি আমলে নিয়ে জেলা প্রশাসক পুনঃরায় স্কেচ ম্যাপ সংশোধনসহ প্রতিবেদন দাখিলের জন্য বলেন। সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহরিয়ার হক পাইকগাছা জানান, নির্দেশনা পেয়েছি উক্ত অর্পিত সম্পত্তি অবমুক্ত করন স্কেচ ম্যাপ সংশোধন সহ প্রতিবেদন দাখিলের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
বেনাপোলে করোনার প্রভাব বেড়েছে , ২৪ ঘন্টায় ৪ জনের মৃত্যু , ৩৫টি নমুনার মধ্যে ২৭ জনের করোনা সনাক্ত
বেনাপোল প্রতিনিধি
করোনা সংক্রমন প্রতিরোধে বেনাপোলে কঠোর লকডাউনের মধ্যে করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহ রুপ নিয়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ৩৫ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ২৭ জনের করোনায় সনাক্ত হয়েছে। শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ ইউসুফ আলী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
শার্শা উপজেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটি গত বৃহস্পতিবার থেকে বেনাপোল ও শার্শাকে লকডাউন ঘোষনা করে। যা আগামী এক সপ্তাহ পর্যšত বলবদ থাকবে বলে জানান পুলিশের নাভারন সার্কেল এএসপি জুয়েল ইমরান ।
তিনি বলেন, সকাল ৯ টা থেকে বিকেল ৩ টা পর্যšত শুধুমাত্র নিত্য প্রয়োজনীয় দোকানপাট খোলা থাকবে। ৩ টার পর থেকে কোন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা থাকবে না। শুধুমাত্র ওষুধের দোকান ও ভারত ফেরত যাত্রীদের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনের আবাসিক হোটেল এবং খাবার হোটেল সার্বক্ষণিক খোলা থাকবে।
তবে শহর থেকে গ্রামেও করোনা ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকেই করোনা পরীক্ষা করাচ্ছেন না । ফলে স্বাস্ত্য বিভাগের কাছে করোনা বৃদ্ধি পাওয়ার সঠিক তত্য আসছে না। শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. ইউসুফ আলি জানান, সীমাšতবর্তী বেনাপোল সহ বিভিণœ অঞ্চলে করোনার প্রকোপ বেড়েগেছে। করোনা সংক্রমণ রোধে স্বাস্থ্য বিভাগ ও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর-লকডাউন ঘোষনা করা হয়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ৩৫ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ২৭ জনের করোনায় সনাক্ত হয়েছে। বেনাপোল ও শার্শায় এ পর্যšত ৬৫০ জন করোনা রোগী সনাক্ত হয়েছে। তাদেরকে হোম কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। বেনাপোল ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আহসান হাবিব জানান, ভারত ফেরত প্রত্যেক যাত্রীদের বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টিনে রাখা হচেছ তাদের নিজ খরচে। ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট যাতে ছড়াতে না পারে সেজন্য তাদের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হচেছ। আজ রবিবার ভারতে থেকে বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে ৪০ জন দেশে ফিরেছে। তাদেরকে বেনাপোলে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারাইনটিনে রাখঅ হয়েছে। গত ২৬ এপ্রিল থেকে ১৯ জুন পর্যন্ত ভারত থেকে ৫ হাজার ৪৩৯ জন পাসপোর্টধারি যাত্রী বাংলাদেশে ফিরেছেন।
মোড়েলগঞ্জে ভুমিহীন ও গৃহহীন ২৫ পরিবার পেল আশ্রয়স্থল
আরিফুল ইসলাম আরিফ, মোড়েলগঞ্জ:
বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জে মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে ভূমিহীন ও গৃহহীন ২৫ পরিবার মাথা গোঁজার ঠাই হিসেবে পেল জমি ও গৃহ। রবিবার সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের মাঝে ২য় পর্যায়ে ভিডিও কনফারেন্সে জমি ও গৃহ প্রদান অনুষ্ঠানের শুভ উদ্ধোধনের মাধ্যমে তাদের মালিকানা হস্তান্তর করা হয়েছে।
উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত জমি ও গৃহ মালিকানা হস্তান্তর অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. দেলোয়ার হোসেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক মোজাম, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফাহিমা খানম, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. দিলদার হোসেন, সিনিয়র উপজেলা মৎম্য অফিসার বিনয় কুমার রায়, উপজেলা ভারপ্রাপ্ত কৃষি অফিসার সিফাত আল মারুফ, মোড়েলগঞ্জ প্রেসক্লাব সভাপতি এইচএম মইনুল ইসলাম প্রমুখ।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন ২য় পর্যায়ে ভূমিহীন ও গৃহহীন ২৫ পরিবার সহ মোট ৩১ টি পরিবার মাথা গোঁজার ঠাই পেল। মোড়েলগঞ্জ ১৬ ইউনিয়নে ১৬১ পরিবার প্রধানমন্ত্রীর দেয়া ভুমি ও গৃহ পাবেন।
সুন্দরবনের হরিণ শিকারে বনবিভাগের বিরুদ্ধে অভিযোগ
শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি ঃ
শরণখোলায় হরিণ শিকারে সহযোগিতার অভিযোগ উঠেছে বনবিভাগের বিরুদ্ধে। ২০ জুন রোববার সকালে উপজেলা পশ্চিম খাদা গ্রামের মৃত কাদের বয়াতী পুত্র মোঃ জালাল বয়াতী শরণখোলা প্রেসক্লাবে বন্য প্রাণী নিধনের চাঞ্চল্যকর এমন অভিযোগে সংবাদ সম্মেলণ করেন।
তিনি লিখিত বক্তব্যে বলেন, শরণখোলা উপজেলাধীন পশ্চিম খাদা গ্রামের মৃত আদেলদ্দিন হাওলাদারের ছেলে মোঃ মোস্তফা হাওলাদার বিএম নং-২৭ বন বিভাগে চাকুরী গ্রহণের পর থেকে হরিণ শিকারীদের সহযোগিতা করে কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছেন। ইতিমধ্যে তিনি জমি ক্রয় সহ লোড ও আনলোড ড্রেজার ক্রয় করে তার ভাইয়ের মাধ্যমে তা পরিচালনা করে আসছে। তিনি আরও জানান, নাম প্রকাশে অনেচ্ছেুক একাধিক জেলে জানিয়েছে, বিএম মোস্তফা জ্ঞানপাড়া, চরদুয়ানী সহ বিভিন্ন এলাকার হরিণ শিকারীদের দ্বারা সুন্দরবনের হারিণ শিকার করিয়ে একটি বড় অংশ তার পকেটস্থ করেন। সুন্দরবনের ফরেস্ট অফিসারগণ সহ তাহার সহকর্মীদের সে ম্যানেজ করেন। যদি দুই একটি হরিণ শিকারী দল তার প্রাপ্য থেকে বঞ্চিত করে তখন তাদের কৌশলে বনবিভাগের হাতে হরিণের গোসত সহ তাদের তুলে দিয়ে বন্যপ্রাণী হত্যা মামলা দায়ের করে কোর্ট হাজতে প্রেরণ করেন।
বিএম মোস্তফা গত ২৩ মে ছুটিতে বাড়ি আসিয়া ১১ জুন পর্যন্ত কমপক্ষে ১৫ বার চরদুয়ানী, জ্ঞানপাড়া সহ বিভিন্ন এলাকায় চোরাই শিকারীদের বাড়ীতে যায়। এছাড়া তিনি তার বাড়ীতে হরিণের গোসতের দ্বারা ভোজের আয়োজন করে। উক্ত ভোজ সভায় অতিথিদের মধ্যে কেহ কেহ বিষয়টি আলোচনায় এনেছে। তাই তিনি বিষয়টি সাধারণ নাগরিক হিসাবে জনস্বার্থে সরকারী সম্পত্তি বা বন্যপ্রাণী রক্ষা ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবীতে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষন করতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করিছেন বলে তিনি জানান। এ বিষয়ে জানতে বিএম মোঃ মোস্তফা হাওলাদার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, ২০১১ সালে জালাল বয়াতীর আপন ভাই খয়ের মিয়া বয়াতীকে বাঘ ও হরিণের চামড়া সহ আটক করে জেল হাজতে প্রেরণ করায় এবং জালাল বয়াতীর নিকট পাওনা ৫০ হাজার টাকা চাইতে গেলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও কাল্পনিক অভিযোগ তুলেছেন।
খুলনা জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত
তথ্য বিবরণী
খুলনা জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির জুন মাসের সভা রবিবার সকালে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মো: ইকবাল হোসেনের সভাপতিত্বে জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষ থেকে অনলাইনে অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সিভিল সার্জন ডাঃ নিয়াজ মোহাম্মদ জানান, খুলনা জেনারেল হাসপাতাল আজ থেকে করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতাল রূপে কার্যক্রম শুরু করেছে। গতকাল থেকে খুলনা মেডিকেল কলেজ কেন্দ্রে পুনরায় করোনার ভ্যাকসিন প্রদান করা হচ্ছে। তবে প্রাথমিকভাবে কেবল ডাক্তার ও মেডিকেল শিক্ষার্থীদের ভ্যাকসিন প্রদান করা হচ্ছে। বর্তমানে মজুদ টিকার ডোজে জেলার ১৬ হাজার চারশত জনকে ভ্যাকসিন দেওয়া যাবে। জেলা সমাজসেবা দপ্তরের উপপরিচালক খান মোতাহার হোসেন বলেন, সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি হিসেবে বয়স্কভাতা, বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা ভাতা, অসচ্ছল প্রতিবন্ধীভাতা ও প্রতিবন্ধী শিক্ষা উপবৃত্তির আওতায় জেলায় এক লাখ ৪৫ হাজার ২৭ জন উপকারভোগী রয়েছেন। যাদের সকলেই এখন মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে ভাতার অর্থ পাচ্ছেন।
সভাপতির বক্তৃতায় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মোঃ ইকবাল হোসেন নতুন রাস্তা থেকে সোনাডাঙ্গা পর্যন্ত রাস্তা দ্রুত মেরামত বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। এছাড়া বর্ষা মৌসুমে উপকূলীয় বেড়িবাঁধ রক্ষণাবেক্ষণে আরও যতœশীল হতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের নিদের্শনা দেন। তিনি সরকারি সকল দপ্তরকে অর্পিত দায়িত্ব পালনে সচেষ্ট থাকতে বলেন।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ ইউসুপ আলী সভায় বিগত মাসের উন্নয়ন সমন্বয় সভার কার্যবিবরণী উপস্থাপন করেন। সভায় উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সরকারি কর্মকর্তা ও কমিটির সদস্যরা জুমে যুক্ত ছিলেন।
সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেকের রোগমুক্তি ও সুস্থ্যতা কামনায় মহানগর যুবলীগ ও ছাত্রলীগের দোয়া মাহফিল
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা বলেন “তালুকদার আব্দুল খালেক একজন কর্মবীর মানুষ, সকাল থেকে রাত অবধি তিনি খুলনার মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে কাজ করেন। এই বয়সেও তিনি খুলনার মানুষের জন্য নিরলসভাবে পরিশ্রম করেন, পরিশ্রম করতে যেয়ে নিজের শরীরের প্রতিও সময়মত খেয়াল রাখতে পারেন নি। তারই ফল¯্রুতিতে তিনি আজ অসুস্থ্য। গত ১৫ জুন তারিখে তিনি হঠাৎ অসুস্থ্য হয়ে পড়েন এবং শহীদ শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালে বিভিন্ন শারীরিক চেকআপ করান এবং তার ইউরোলজি সমস্যা ধরা পড়ে। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা সিএমএইচ হাসপাতালে ভর্তি হয় তিনি, সেখানে ডাক্তারের পরামর্শে অতি দ্রুত সময়ে তার অস্ত্রপচার সম্পন্ন হবে। আপনারা তার রোগমুক্তি ও সুস্থতার জন্য দোয়া করবেন।” খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় মেয়র আলহাজ¦ তালুকদার আব্দুল খালেকের সুস্থ্যতা ও রোগমুক্তি কামনা করে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, খুলনা মহানগর ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, খুলনা মহানগর শাখার আয়োজনে দোয়া মাহফিলে এ সব কথা বলেন তিনি। দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন মহানগর আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ, কাউন্সিলর হাফিজুর রহমান হাফিজ, এসএম আকিল উদ্দীন, মোতালেব মিয়া, রণজিত কুমার ঘোষ, খুলনা মহানগর যুবলীগের আহবায়ক সফিকুর রহমান পলাশের সভাপতিত্বে আর উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি ও মহানগর যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক শেখ শাহাজালাল হোসেন সুজন, খুলনা মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান রাসেল, মহানগর যুবলীগের আহবায়ক কমিটির সদস্য রোজি ইসলাম নদী, কামরুল ইসলাম, মোঃ আবুল হোসেন, কাজী কামাল হোসেন, শওকাত হোসেন, অভিজিৎ চক্রবর্তী দেবু, কবির পাঠান, তাজুল ইসলাম, কাজী ইব্রাহীম মার্শাল, জুয়েল হাসান দিপু, মহিদুল ইসলাম মিলন, মশিউর রহমান সুমন, মেহেদী মোড়ল, কেএম শাহীন, ইয়াসিন আরাফাত, মুসফিকুর রহমান সাগর, আব্দুল্লাহ আল মামুন মিলন, বিপুল মজুমদার, বাচ্চু মোড়ল, পলাশ সাহা দেবু, পলাশ মন্ডল, সোহেল বিশ^াস, তাজমুল হক তাজু, আসাদুজ্জামান বাবু, রণবীর বাড়ই সজল, মাহামুদুল হাসান শাওন, এখতিয়ার মোল্লা, জব্বার আলী হীরা, ঝলক বিশ^াস, জহির আব্বাস, ইয়াসিন আলী, মেহেদী হাসান সুজন, কামরুল ইসলাম অপু, এসএম ইমাজ উদ্দীন, রফিকুল ্ইসলাম রফিক, মেহেদী হাসান সুজন, দিদারুল আলম, মাহামুদুল ইসলাম সুজন, সোহান হোসেন শাওন, তায়েজুল ইসলাম তাজ, ইবনুল হাসান, মাহামুদুর রহমান রাজেস, আব্দুল কাদির সৈকত, হিরন হাওলাদার, তরিকুল ইসলাম তুফান, এমএ হেসেন সবুজ, বায়েজিদ সিনা, জোয়েব সিদ্দিকী, চিন্ময় মিত্র সাগর, সাজু দাশ, মশিউর রহমান বাদশা, মোঃ গালিব হোসেন, মেহেদি হাসান সজিব, ইমরান সরদার বাবু, জিসান আরাফাত, সৈকত দাশ, ইমদাদুল হক, রেজোয়ান রিজু, ওমর কামাল, নিশাত ফেরদৌস অনি, রুমান আহমেদ, ইলিয়াস হোসেন লাবু, ইকবাল কবির লিটন, রবিউল ইসলাম লিটন, রকিবুল ইসলাম, মোঃ হাসান শেখ, মাসুম উর রশিদ, ইব্রাহীম আহমেদ তপু, জামিল আহমেদ সোহাগ, জিহাদুর রহমান জিহাদ, মহিদুল হক শান্ত, সোহাগ দেওয়ান, হারুন অর রশিদ, বাদল সিপাহী, মোঃ জামাল হোসেন, রফিকুল ইসলাম, মুরাদ হোসেন, শফিকুজ্জামান মিন্টু, শোভন হাওলাদার, সাইফুল ইসলাম শুভ, মাহিরুল হক শিলং, মাহামুদুল হাসান, সাজ্জাদ সাজু, আবিদ আল হাসান, পিয়াল হাসান, রাহুল, মৃদৃল রহমান প্রমুখ। দোয়া ও মিলাদ শেষে উপস্থিত সকলের মাঝে তবারক বিতরণ করা হয়।
পাইকগাছায় র্যাবের অভিযানে ৩টি পাইপগানসহ গ্রেফতার ২
স্টাফ রিপোর্টার
খুলনা জেলার পাইকগাছা থানাধীন গড়াইখালী গ্রামে অভিযান চালিয়ে ৩টি দেশীয় তৈরী পাইপগানসহ দু’জনকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৬। রবিবার (২০ জুন) দুপুর সোয়া ১২টার দিকে গোপন সংবাদের মাধ্যমে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতার দু’জন হলেন খুলনা জেলার কয়রা থানার ৩নং কয়রার মো. ইব্রাহীম গাজীর ছেলে
মো. বেলাল হোসেন (২৯) ও বানিয়াখালী গ্রামের অরবিন্দু রায়ের ছেলে হিরামন রায় (২৮)।
র্যাব-৬ জানায়, খুলনা জেলার পাইকগাছা থানাধীন গড়াইখালী গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে র্যাবের একটি আভিযানিক দল। এসময় গড়াইখালী ফেরিঘাটের মঈন গাজী এর চায়ের দোকানের সামনে থেকে দেশীয় তৈরী ৩টি পাইপগান ও একটি মোটরসাইকেলসহ বেলাল হোসেন ও হিরামন রায়কে গ্রেফতার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে পাইকগাছা থানায় ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা অনুর্ধ্ব-১৭ গোল্ডকাপ ফুটবল প্রতিযোগিতা: খুলনা বিভাগীয় পর্যায়ের খেলা শুরু আজ
ক্রীড়া প্রতিবেদক
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের ক্রীড়া পরিদপ্তরের সার্বিক ব্যবস্থাপনায়, খুলনা বিভাগীয় প্রশাসন ও খুলনা জেলা ক্রীড়া অফিসের আয়োজনে সোমবার (২১ জুন) থেকে শুরু হচ্ছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুননেসা মুজিব অনুর্ধ্ব-১৭ জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল প্রতিযোগিতার খুলনা বিভাগীয় পর্যায়ের খেলা।
খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে প্রতিযোগিতার খেলাগুলি অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিযোগিতা খুলনা বিভাগের ১০টি জেলা ও খুলনা মহানগর দল নকআউট ভিত্তিতে এ খেলায় অংশগ্রহণ করবে। খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে সোমবার প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো. ইসমাইল হোসেন (এনডিসি)। উদ্বোধনী ম্যাচে সকাল ১০টা ছেলেদের গ্রুপে কুষ্টিয়া জেলা দল মুখোমুখি হবে সাতক্ষীরা জেলা দলের। একই দিন বেলা সাড়ে ১১টায় মেয়েদের গ্রুপেও কুষ্টিয়া জেলা মুখোমুখি হবে সাতক্ষীরার মেয়েদের।
খুলনা জেনারেল হাসপাতালে করোনা রোগী ভর্তি শুরু
স্টাফ রিপোর্টার
খুলনা জেনারেল হাসপাতালকে ৭০ শয্যার করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে রূপান্তর করা হয়েছে। রবিবার (১৯ জুন) থেকে করোনা রোগীদের ভর্তি শুরু হয়েছে। হাসপাতালটির করোনা ইউনিটের ফোকাল পারসন ডা. কাজী আবু রাশেদ জানান, দুপুর পর্যন্ত এখানে ছয় জন করোনা রোগী ভর্তি হন। সিভিল সার্জন ডা. নিয়াজ মোহাম্মদ জানান, খুলনা জেনারেল হাসপাতালে রোগীদের চিকিৎসা ও ভর্তির কার্যক্রম শুরু হওয়ায় বহির্বিভাগ ও জরুরি বিভাগে কোনও চিকিৎসা প্রদান করা হচ্ছে না। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন জানান, খুলনায় করোনা শনাক্তে নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা বৃদ্ধি করা হচ্ছে।
সাতক্ষীরায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে ৮০ বছরের বৃদ্ধ আটক
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি
সাতক্ষীরার দেবহাটায় শিশু শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে আব্দুল করিম (৮০) নামের এক বৃদ্ধকে আটক করেছে পুলিশ।
রোববার (২০ জুন) দুপুরে উপজেলার গরুরহাট এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। তিনি ওই গ্রামের মৃত পানাউল্লা মোড়লের ছেলে। পুলিশ জানায়, শিশুটিকে ফুসলিয়ে বৃদ্ধ একটি নির্মাণাধীন ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করেন। পরে শিশুটির চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে বৃদ্ধকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন। আহত শিশুটিকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
দেবহাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপ্লব কুমার সাহা বলেন, এ ঘটনায় ওই শিশুর ভাই থানায় মামলা করেছে।
কুষ্টিয়ায় মধ্যরাত থেকে সাত দিনের লকডাউন
কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে কুষ্টিয়া জেলায় সাত দিনের লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। রোববার দিবাগত রাত ১২টা ১ মিনিট থেকে লকডাউন কার্যকর হবে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম রাত আটটার দিকে এ বিষয়ে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেন।
জেলা প্রশাসনের গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জেলায় সব ধরনের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, শিল্পকারখানা, শপিং মল, দোকান, রেঁস্তোরা ও চায়ের দোকান বন্ধ থাকবে। তবে কাঁচাবাজার ও নিত্যপ্রয়োজনীয় (মুদি) পণ্যের দোকান ও ওষুধের দোকান সকাল ৭টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে খোলা রাখা যাবে।
লকডাউন চলাকালে সব পর্যটনকেন্দ্র, রিসোর্ট, কমিউনিটি সেন্টার ও বিনোদনকেন্দ্র বন্ধ থাকবে। আন্তজেলা ও দূরপাল্লার গণপরিবহন বন্ধ থাকবে। এ ছাড়া ইজিবাইক, থ্রি–হুইলারসহ সব যান্ত্রিক যানবাহন বন্ধ থাকবে।এ সময় সব সাপ্তাহিক হাট ও গরুর হাট বন্ধ থাকবে।
ওই গণবিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, অতি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া (ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কেনা, চিকিৎসাসেবা, মরদেহ দাফন বা সৎকার ইত্যাদি) কোনোভাবেই বাড়ির বাইরে বের হওয়া যাবে না। জরুরি প্রয়োজনে যাঁরা ঘর থেকে বের হবেন, তাঁদের অবশ্যই মাস্ক পরতে হবে। আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিষেবা (কৃষি উপকরণ, খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, গণমাধ্যম, বিদ্যুৎ, পানি, জ্বালানি তেল, ফায়ার সার্ভিস) চালু থাকবে। এসব প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী ও যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবে।
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট লকডাউনের সময় সবাইকে এসব বিধিনিষেধ মেনে চলার নির্দেশ দেন। অন্যথায় প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি। এ লকডাউন চলবে ২৭ জুন পর্যন্ত।











































