Home জাতীয় সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডে এক ব্যক্তির সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে: চিফ প্রসিকিউটর

সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডে এক ব্যক্তির সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে: চিফ প্রসিকিউটর

0

ঢাকা অফিস।।

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যাকাণ্ডের তদন্তে সাংস্কৃতিক অঙ্গনের এক ব্যক্তির সঙ্গে ঘটনার যোগসূত্র পাওয়ার কথা জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। তবে ওই ব্যক্তির নাম-পরিচয় প্রকাশ করেননি তিনি।

আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে রোববার নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে চিফ প্রসিকিউটর এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা অন্য একটি মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা তদন্ত পরিচালনা করতে গিয়ে ভিন্ন মামলার সিডিআর পর্যালোচনায় হঠাৎ করেই সাংবাদিক সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের এই গুরুত্বপূর্ণ ক্লু পেয়ে যায়।’

তিনি আরও বলেন, ‘যেমন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হত্যার ঘটনা নিয়ে সাবেক মেজর মোজাফফর হোসেনের বিষয়ে কিছুটা ক্লু পেয়েছিলাম। এরকমই সাগর-রুনির ব্যাপারেও ক্লু পেয়েছি। তবে এর নাম পরিচয় এখনই প্রকাশ করতে পারছি না।’

‘তবে এটুকু বলতে পারি একজন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, তার সাথে সাগর-রুনির এই ঘটনার সাথে কানেকশন পাওয়া যায়। আমরা সেগুলো যাচাই বাচাই করে দেখছি। তার ওপর আমাদের নজরদারি রয়েছে। আরও তদন্ত হওয়ার পরে আরও অথেনটিক কোনো কিছু পাওয়া গেলে পিবিআইয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে তথ্যটা দিয়ে সহায়তা করা হবে।’

তিনি বলেন, এটা একটা ইনডিভিজ্যুয়াল মার্ডার কেস। এই মামলাটি সংশ্লিষ্ট দায়রা আদালতে বিচার হবে।

ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের ভাড়া বাসায় মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার এবং এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি দম্পতি খুন হন। এ ঘটনায় নিহত রুনির ভাই নওশের আলম রোমান আটজনের বিরুদ্ধে শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

ডিবি, র‌্যাবের হাত ঘুরে বর্তমানে মামলাটি তদন্তের জন্য উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্স কমিটি গঠন করা হয়। সর্বশেষ ২৭ আগষ্ট মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে না পারায় ফের ৩০ সেপ্টেম্বর তারিখ ধার্য় করেন ঢাকা মহানগর হাকিম আরিফুল ইসলাম। বর্তমানে পিবিআই মামলাটি তদন্ত করছে।