বাগেরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাট জেলা ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্রের বেশির ভাগেই সুপেয় পানির ব্যবস্থা নেই। এতে দুর্যোগের সময় আশ্রিতদের পানি নিয়ে পড়তে হয় বিপাকে । পানি সংকটের কারণে কিছু আশ্রয়কেন্দ্রে স্থাপিত ট্যাংক, মোটর ও বেসিনসহ বিভিন্ন উপকরণ নষ্ট হচ্ছে। জেলা প্রশাসন বলছে, মুজিব বর্ষ সামনে রেখে জেলার আশ্রয়কেন্দ্র গুলোর পানি সংকটসহ সব ধরনের সমাধানের উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।
জানা গেছে, ২০০৭ সালের দিকে বাগেরহাটে ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র ছিল মাত্র ২৯টি। ওই বছরের নভেম্বরে ঘূর্ণিঝড় সিডরের আঘাতে উপক’লে হাজারো মানুষের প্রাণহানির পাশাপাশি ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। পরে জানমালের ক্ষতি রোধে বাগেরহাটের উপক’লীয় এলাকায় ঘূর্ণিঝড় সিডরের আঘাতের পরে নির্মিত হয়েছে ৩১৬টি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র, যার বেশির ভাগই আবার বিদ্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। তবে এসব বিদ্যালয় কাম আশ্রয়কেন্দ্রে পানির ব্যবস্থা না থাকায় ভোগান্তি পোহাতে হয় শিক্ষার্থী ও দুর্যোগে আশ্রয় নেয়া ব্যক্তিদের। সর্বশেষ গত বছর ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের সময়েও এ নিয়ে বিপত্তি দেখা দিয়েছিল।
শরণখোলার রায়েন্দা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আছাদুজ্জামান মিলন এ প্রতিনিধিকে বলেন, দুর্যোগের সময় পানি না থাকলে যে কী দুর্ভোগে পড়তে হয়, তা বলে বোঝানো যাবে না। দেখভালের কেউ না থাকায় অনেক আশ্রয়কেন্দ্রের পানির ট্যাংক, শৌচাগারের বেসিন, প্যানসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম নষ্ট হয়ে গেছে। এ ব্যাপারে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ বলেন, মুজিব বর্ষ উপলক্ষে কিছু অর্থ পাওয়া গেছে। এ অর্থ দিয়ে সব আশ্রয়কেন্দ্রে পানি সরবরাহের পাশাপাশি অন্যান্য সমস্যার সমাধান করা হবে।
তিনি বলেন, বর্তমানে জেলার নয় উপজেলায় ৩৪৫টি আশ্রয়কেন্দ্র রয়েছে। আরো আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণের কাজ চলছে। দুর্যোগ সহনীয় ঘর নির্মাণ করা হচ্ছে। যে ঘরে দুর্যোগের সময় বসবাসকারী পরিবারের পাশাপাশি প্রতিবেশীরাও আশ্রয় নিতে পারবে। সব মিলিয়ে দুর্যোগের ক্ষতি কমাতে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে।








































