Home আঞ্চলিক খুলনা আদালত পাড়ার খবর: জেলা-জরিমান-রিমান্ড

খুলনা আদালত পাড়ার খবর: জেলা-জরিমান-রিমান্ড

25

মাদক মামলায় একজনের  জেল-জরিমানা

স্টাফ রিপোর্টার

ফুলতলা থানার মাদক মামলার এক আসামীকে  ৫ বছরের সশ্রম কারাদ-, ৫ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদ-াদেশ দিয়েছে আদালত।

বৃহস্পতিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) খুলনা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মশিউর রহমান চৌধুরী এ রায় ঘোষণা করেছেন। দ-প্রাপ্ত আসামী হলেন ফুলতলা থানার দক্ষিণ ডিহি গ্রামের সাইদুল বিশ্বাসের ছেলে সুজন বিশ্বাস (২৫)। রায় ঘোষণাকালে আসামী সুজন আদালতে কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. মনসুর আহমেদ মেহেদী নথীর বরাত দিয়ে জানান, ২০১৮ সালের ১৯ অক্টোবর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ফুলতলা দক্ষিন ডিহী আইয়ান জুট মিলের সামনে অভিযান পরিচালনা করে র‌্যাব-৬। এসময় সুজন বিশ্বাসকে ৯৫ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার করা হয়। এঘটনায় সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার মো. গোলবর রহমান বাদি হয়ে ফুলতলা থানায় মাদক আইনে মামলা দায়ের করেন যার নং- ১৩। একই বছরের ২৩ নভেম্বর ফুলতলা থানার এসআই মো. মাহমুদ হাসান সুজন বিশ্বাসের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশীট দাখিল করেন। রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন পিপি অ্যাডভোকেট শেখ এনামুল হক ও এপিপি এম ইলিয়াস খান।

মাদক মামলায় দু’আসামির ১০ বছরের কারাদন্ড

স্টাফ রিপোর্টার  

খুলনা সদর থানার মাদক মামলার দু’আসামির প্রত্যেককে ১০ বছরের সশ্রম কারাদ-, ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরো ৬ মাসের সশ্রম কারাদ-াদেশ দেওয়া দিয়েছে আদালত। বৃহস্পতিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) খুলনা মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. শহীদুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেছেন।

দ-প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, নগরীর পশ্চিম বানিয়াখামার কাওসার সড়কের মৃত. হাতেম হাওলাদারের ছেলে মো. আলাউদ্দিন ও একই এলাকার টিএসসি মোড় নিগা বেগমের বাড়ির ভাড়াটিয়া রিপন শেখ ওরফে আমির হোসেন। এ মামলার অপর আসামি নগর ছাত্রদলের সাবেক নেতা আব্দুল্লাহ হেল কাফি সখাকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়েছে। রায় ঘোষণাকালে আসামী আমির হোসেন আদালতে কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন এবং আলাউদ্দিন পলাতক রয়েছেন।

আদালতের স্টোনোগ্রাফার মো. হাদিউজ্জামান হাদি নথীর বরাত দিয়ে জানান, ২০১২ সালের ২৮ জুন রাত পৌনে ১০ টার দিকে নগরীর শেরে বাংলা রোডে অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ। এসময়  নিরালা ১নং কাশেম সড়কের মুখে ১৯২ বোতল ফেন্সিডিলসহ আলাউদ্দিন ও রিপনকে  গ্রেফতার করা হয়। তারা পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে ছাত্রনেতা আব্দুল্লাহ হেল কাফি সখা ও রেজাউল ওরফে রেজাউল কসাই’র নাম উল্লেখ করে বলে পুলিশের দাবি। এ মামলায় তাদের দু’জনকে সহযোগী আসামী করা হয়। এঘটনায় এসআই মানস রঞ্জন বাদী হয়ে মাদক আইনে মামলা দায়ের করেন যার নং- ৩০। একই বছরের ২৭ আগস্ট এসআই মো. জেলহাজ্ব উদ্দিন ৩জনকে আসামী করে আদালতে চার্জশীট দাখিল করেন। রাস্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন পিপি অ্যাডভোকেট কেএম ইকবাল হোসেন ও এপিপি অ্যাডভোকেট মো. কামরুল হোসেন জোয়ার্দ্দার।

অস্ত্র মামলায় একজনের ১৭ বছরের কারাদন্ড

স্টাফ রিপোর্টার  

ফুলতলা থানার অস্ত্র মামলার এক আসামীকে অস্ত্র আইনের এ ধারায় ১০ বছর ও এফ ধারায় আরো ৭ বছরের সশ্রম কারাদ-াদেশ দিয়েছে আদালত।

বৃহস্পতিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক মো. ইয়ারব হোসেন এ রায় ঘোষণা করেছেন। দ-প্রাপ্ত আসামী হলেন, খুলনা জেলার কয়রা থানার কয়রা গ্রামের আব্দুর রশিদ গাজীর ছেলে এমদাদুল গাজী (৩২)। রায় ঘোষণাকালে দ-প্রাপ্ত আসামী এমদাদুল গাজী পলাতক ছিলেন। এ মামলার অপর ৩ আসামীকে বেকসুন খালাস দেয়া হয়েছে। খালাসপ্রাপ্তরা হলেন খুলনা জেলার কয়রা থানার কয়রা গ্রামের গোলাম রসুল ঢালীর ছেলে রশিদ ঢালী (৩৫), খুলনা জেলার ফুলতলা থানার বেগুনবাড়িয়া গ্রামের গোলাম তরফদারের ছেলে সালাম তরফদার (৪০) ও একই গ্রামের জব্বার মোল্যার ছেলে ইমাম মোল্যা (২৮)।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. মাহবুবুর রহমান নথীর বরাত দিয়ে জানান, ২০১৫ সালের ২৩ অক্টোবর রাত সোয়া ১০ টার দিকে বেজেরডাঙ্গা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এসময় বেজেরডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে থেকে একটি দেশীয় তৈরী শর্টারগান ও ২রাউন্ড কার্তুজ ও ৫টি বোমা সাদৃশ্য বস্তুসহ এমদাদুল গাজীকে গ্রেফতার করা হয় এবং ৩জন পালিয়ে যায়। এঘটনায়  জেলা ডিবির এসআই মুক্ত রায় চৌধুরী বাদী হয়ে অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করেন যার নং- ৪। ২০১৬ সালের ১৮ জানুয়ারি এসআই মো. ইব্রাহিম শেখ ৪জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশীট দাখিল করেন। রাস্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন এপিপি অ্যাডভোকেট এম ইলিয়াস খান। ।

খালিশপুর থানার মানব পাচার মামলার আসামী বাবু দালাল রিমান্ডে 

স্টাফ রিপোর্টার

খালিশপুর গাবতলা মোড়ের আঁখি আক্তারকে ঢাকায় ভাল বেতনে চাকরি দেয়ার কথা বলে ভারতে পাচার করার মামলার আসামী এবাদুল মোল্যা ওরফে বাবু ওরফে বাবু দালাল (৪৭) এর একদিনের রিমা- মঞ্জুর করেছে আদালত।

বৃহস্পতিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আতিকুস সামাদ পিএইচডি  রিমা-ের আদেশ প্রদান করেছেন। এবাদুল মোল্যা খুলনা জেলার দিঘলিয়া থানার ডোমরা গ্রামের মৃত. হোসেন মোল্যার ছেলে। এর আগে এ মামলার অপর আসামী  মো. মিজানুর রহমান শেখ (৪০) এর ৩দিনের রিমা- মঞ্জুর করেছিল একই আদালত। মিজানুর রহমান শেখ খালিশপুর গোয়ালখালি বাস্তহারা কলোনীর মৃত. ফজর আলীর ছেলে। ১৬ ফেব্রুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডি পুলিশ পরিদর্শক মো. শরিফুল ইসলাম আসামীকে আদালতে হাজির করে ৫দিনের রিমা-ের আবেদন করেছিলেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, খালিশপুর গাবতলা মোড়ের মৃত. চুন্নু শেখের মেয়ে আঁখি আক্তার (১৮) এর সঙ্গে মোবাইল ফোনে পরিচয় হয় যশোর জেলার অভয়নগর থানার শরখোলা গ্রামের পীর মোহাম্মদ শেখের ছেলে মঈন শেখের (৩৮)। সেই সুত্র ধরে ২০১৯ সালের ২৫ অক্টোবর সন্ধ্যা ৬টার দিকে মঈন ও তার স্ত্রী কেয়া আঁখির বাসায় এসে ১৫ হাজার টাকার চাকরি দিবে বলে তাদের বাড়িতে নিয়ে যায়। রাতে খাবারের সঙ্গে চেতনানাশক ওষুধ খাইয়ে তাকে ঘুম পড়িয়ে রাখে। যখন আঁখির ঘুম ভাঙ্গে তখন সে দেখতে পায় সে ভারতে। বাবু নামের এক লোক তাকে মোটরসাইকেলে নিয়ে যেয়ে মিজানুর রহমান শেখ ও সীমার কাছে বিক্রি করে দেয়। সেখানে তাকে অনৈতিক কাজ করতে বাধ্য করে তারা। পরে সেখানে আটকে থাকা অভযনগরের আর একটি মেয়ে আঁখির সঙ্গে পরামর্শ করে ওই বাড়ি থেকে পালিয়ে ভারতের পুলিশের নিকট যায় তারা। ভারতীয় পুলিশ ২০১৯ সালের ২৭ নভেম্বর যশোরের জাস্টিস এন্ড কেয়ার এনজিও বাংলাদেশে আসে আঁখি। এঘটনায় আঁখি আক্তার বাদী হয়ে মঈন ও তার স্ত্রী কেয়া, মিজানুর রহমান শেখ ও সীমার বিরুদ্ধে খালিশপুর থানায় মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনে মামলা দায়ের করেন যার নং- ৩৭, তাং- ২৭/১১/২০১৯।