স্পোর্টস ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানিয়েছেন আয়ারল্যান্ডের লেগ স্পিনার বেন হোয়াইট। বুধবার ২৮ বছর বয়সে প্রতিনিধিত্বমূলক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
২০২১ সালে বেলফাস্টে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি ম্যাচ দিয়ে আয়ারল্যান্ডের হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয়েছিল হোয়াইটের। দেশের হয়ে তার শেষ ম্যাচটি ছিল ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে বাংলাদেশের বিপক্ষে।
টেস্ট ক্রিকেটে আয়ারল্যান্ডের হয়ে তিনটি ম্যাচ খেলেছেন হোয়াইট। তিনটিই খেলেছেন ২০২৩ সালে। সব সংস্করণ মিলিয়ে দেশের হয়ে ৪৩টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন তিনি, যার মধ্যে ৩৮টিই টি-টোয়েন্টি।
অবসরের ঘোষণা দিয়ে হোয়াইট বলেছেন, ‘ছোটবেলার স্বপ্ন পূরণ করে দেশের প্রতিনিধিত্ব করা এবং সর্বোচ্চ পর্যায়ে ক্রিকেট খেলার সুযোগ দেওয়ায় ক্রিকেট আয়ারল্যান্ডকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। আয়ারল্যান্ডের হয়ে তিনটি আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া এবং টেস্ট ক্রিকেট খেলা—কোনোটিই আমার কল্পনায় ছিল না। তবে এসব অর্জন নিয়ে আমি সব সময় গর্বিত থাকব। এই পথচলায় পাওয়া অভিজ্ঞতা ও স্মৃতির জন্য চিরকাল কৃতজ্ঞ থাকব।’
আয়ারল্যান্ডের হয়ে ২০২১, ২০২৪ ও ২০২৬ সালের তিনটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দলেও ছিলেন হোয়াইট। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তার শিকার মোট ৪১ উইকেট।
হোয়াইটের অবসর নিয়ে মিশ্র অনুভূতির কথা জানিয়েছেন আয়ারল্যান্ডের প্রধান কোচ গ্যারি উইলসন। তিনি বলেন, ‘বেনের মতো একজন ক্রিকেটারের অবসরের খবরে আমার অনুভূতি সব সময়ই মিশ্র থাকে। একদিকে, তার দীর্ঘ ক্রিকেটজীবনের জন্য অভিনন্দন জানাই এবং ভবিষ্যতের জন্য শুভকামনা জানাই। দেশের হয়ে খেলার স্বপ্ন পূরণে সে অনেক সময় ও পরিশ্রম ব্যয় করেছে। অন্যদিকে, আয়ারল্যান্ডের হয়ে খেলার স্বপ্ন পূরণে সে কতটা পরিশ্রম করেছে, তা আমি নিজের অভিজ্ঞতা থেকেই জানি। দেশের হয়ে ৪০টির বেশি ম্যাচ খেলার সুযোগ পাওয়ায় আমি আনন্দিত। দলের সবাই তাকে মিস করবে।’
হোয়াইটের টি-টোয়েন্টি পারফরম্যান্সের বিশেষ প্রশংসা করে উইলসন আরও বলেন, ‘সে সব সংস্করণেই খেলেছে। তবে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের জন্যই তাকে সবচেয়ে বেশি মনে রাখা হবে। বাউন্স আদায় করার দক্ষতা এবং দুর্দান্ত গতিতে বল করার ক্ষমতা তাকে ব্যাটসম্যানদের জন্য কঠিন প্রতিপক্ষ করে তুলেছিল। তিনটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দলে জায়গা পাওয়া প্রমাণ করে, দলের কাছে সে কতটা সমাদৃত ছিল। নিজের ক্রিকেটজীবনের অর্জন নিয়ে তার গর্ব করা উচিত।’











































