খুলনাঞ্চল রিপোর্ট।।
নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার নবীপুরে সুন্দলপুর-৪ গ্যাসকূপে গ্যাসের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়া গেছে। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) নির্ধারিত খননকাজ শেষে কূপে স্থাপন করা পাইপের মুখে আগুন জ্বালিয়ে গ্যাসের উপস্থিতি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়।
বাংলাদেশ পেট্রােলিয়াম এক্সপারেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেডের (বাপেক্স) তত্ত্বাবধায়েন গত ২৯ জুলাই কূপটির খননকাজ শুরু হয়েছিল। সুন্দলপুর-৪ গ্যাস কূপ খননের সাথে জড়িত একটি সূত্র জানায়, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, কূপটি থেকে প্রতিদিন ৫০ থেক ৭০ লাখ ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করা সম্ভব হবে।
জেলার সেনবাগ উপেজলার নবীপুর ইউনিয়নের বড় চারিগাঁও গ্রামে সুন্দলপুর-৪ মূল্যায়ন কাম উন্নয়ন কূপটির অবস্থান। এর আগে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপেজলার সিরাজপুর এলাকায় একই গ্যাসক্ষেত্রের অধীনে সুন্দলপুর-১, ২ ও ৩ নম্বর কূপ খনন করা হয়েছিল। নতুন কূপটি সেনবাগে হলেও একই ভূগর্ভস্থ গ্যাসেক্ষত্র কাঠামোর অংশ হওয়ায় এর নাম সুন্দলপুর-৪ রাখা হয়েছে।
বাপেক্স সূত্রে জানা গেছে, কূপটিতে ডিরেকশনাল ওয়েল পদ্ধতিতে মেজারিং হোয়াইল ড্রিলিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে ১ হাজার ৫৭৮ মিটার পর্যন্ত খনন করা হয়েছে। এর মধ্যে ১ হাজার ৪২০ থেকে ১ হাজার ৪৬০ মিটার গভীরতার স্তরে গ্যাসের উপস্থিতি পাওয়া গেছে।
প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, গ্যাসের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়ার পর এখন ড্রিল স্টেম টেস্ট (ডিএসিট) করা হচ্ছে। আগামী চার থেকে পাঁচ দিনের মধ্যে এ পরীক্ষা শেষ হলে কূপটিতে গ্যাসের মজুতের পরিমাণ ও উত্তোলন সক্ষমতা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যাবে।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হেচ্ছ, কূপটি থেকে প্রতিদিন ৫০ থেক ৭০ লাখ ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করা সম্ভব হবে। পাইপলাইনের মাধ্যমে এ গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হবে।
সুন্দলপুর-৪ মূল্যায়ন কাম উন্নয়ন কূপ খনন প্রকেল্পর প্রকল্প পরিচালক মো. মোজাম্মেল হক গ্যাস পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সুন্দলপুর-৪ গ্যাস কূপে গ্যাসের উপস্থিতি আগেই পাওয়া গেছ। তবে খননকাজ শেষ আজ কূপে বসানো পাইপের মুখে আগুন জ্বালিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্যাস পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। আগামী চার থেকে পাঁচ দিনের মধ্যে ডিএসটি পরীক্ষা শেষ হলে মোট মজুতকৃত গ্যাসের পরিমাণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।











































