Home Lead স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তফসিল সেপ্টেম্বরে, নভেম্বরের শেষে ভোটগ্রহণ হতে পারে: সিইসি

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তফসিল সেপ্টেম্বরে, নভেম্বরের শেষে ভোটগ্রহণ হতে পারে: সিইসি

3


ঢাকা অফিস।।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সময় নির্ধারণে বিভিন্ন বিষয় বিবেচনা করতে হচ্ছে বলে জানান সিইসি। তিনি বলেন, দুর্গাপূজা, স্কুলের পরীক্ষা ও বর্ষাকালের মতো বিষয়গুলো কমিশনের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। ডিসেম্বরের মধ্যে ভোট শুরু করার চেষ্টা চলছে। সম্ভব হলে নভেম্বরের শেষেই ভোট হতে পারে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তফসিল সেপ্টেম্বরে ঘোষণা করা হবে এবং নভেম্বরের শেষ দিকে ভোটগ্রহণ হতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। তিনি বলেছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের জন্য নির্বাচন কমিশন (ইসি) পুরোপুরি প্রস্তুত। এখন শুধু তফসিল ঘোষণার অপেক্ষা।

বৃহস্পতিবার কমিশন সচিবালয়ে নিজ দফতরে সাংবাদিকদের সঙ্গে প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন সিইসি।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের নতুন আচরণবিধি আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিং শেষে অনুমোদিত হয়েছে জানিয়ে সিইসি বলেন, মাঠপর্যায়ে প্রয়োগের জন্য আচরণবিধির ম্যানুয়াল তৈরির কাজ চলছে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনসংক্রান্ত আইনে কিছু পরিবর্তনের প্রস্তাব করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। প্রস্তাবিত পরিবর্তনে প্রার্থীর যোগ্যতা-অযোগ্যতা, দ্বৈত নাগরিকত্ব, লাভজনক পদে থাকা এবং ঋণখেলাপিদের বিষয়ে নতুন ধারা যুক্ত করা হয়েছে। প্রস্তাব চূড়ান্ত করে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।

এদিন দুপুরে সিইসির নেতৃত্বে চার নির্বাচন কমিশনার রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। বঙ্গভবনে অনুষ্ঠিত ওই সাক্ষাৎ প্রসঙ্গে সিইসি বলেন, নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন পরিচালনার জন্য তারা রাষ্ট্রপতির সহযোগিতা চেয়েছেন।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন কমিশনের সাম্প্রতিক নির্বাচন আয়োজনের প্রশংসা করেছেন জানিয়ে সিইসি বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হওয়ায় দেশে-বিদেশে প্রশংসিত হয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন। একই সঙ্গে রাষ্ট্রপতি দেশের গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনও ইসির অগ্রাধিকার তালিকায় রয়েছে বলে জানান সিইসি। তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের পাশাপাশি এ উপনির্বাচনের জন্যও কমিশন প্রস্তুত। এ আসনে সীমিত পরিসরে পোস্টাল ভোটের ব্যবস্থা নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ব্যবস্থা টেকসই করতে প্রশিক্ষণ ও ম্যানুয়াল তৈরির কাজ চলছে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সময় নির্ধারণে বিভিন্ন বিষয় বিবেচনা করতে হচ্ছে বলে জানান সিইসি। তিনি বলেন, দুর্গাপূজা, স্কুলের পরীক্ষা ও বর্ষাকালের মতো বিষয়গুলো কমিশনের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। ডিসেম্বরের মধ্যে ভোট শুরু করার চেষ্টা চলছে। সম্ভব হলে নভেম্বরের শেষেই ভোট হতে পারে।

আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে রমজান এবং এরপর ঈদুল আজহা ও বর্ষাকাল থাকায় নির্বাচনের জন্য সময় সীমিত হয়ে আসবে বলেও জানান সিইসি।