আন্তর্জাতিক ডেস্ক।।
মার্কিন বাহিনীর একাধিক হামলার জবাবে রোববার সকালে উপসাগরীয় প্রতিবেশী দেশগুলোর দিকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপ করেছে ইরান। একই সঙ্গে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করেছে তেহরান।
সর্বশেষ এই উত্তেজনা যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধের অবসান ঘটানোর লক্ষ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারককে (এমওইউ) আরও দুর্বল করে দিয়েছে। খবরে বলা হয়েছে, জর্ডান, বাহরাইন, কাতার, ওমান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত ইরানের হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, রোববার ভোরে তারা ইরানে হামলা চালায়। এর আগে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করে, সাইপ্রাসে নিবন্ধিত একটি কনটেইনার জাহাজ হরমুজ প্রণালীতে ‘অননুমোদিত রুটে’ চলাচল করছিল এবং সে কারণেই জাহাজটিকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়।
রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়, পরে আইআরজিসি আরও একটি জাহাজে হামলার কথা জানিয়ে অভিযোগ করে, সেটি ‘নিয়ম লঙ্ঘন’ করেছিল।
আইআরজিসির নৌবাহিনী এক বিবৃতিতে জানায়, ‘সিস্টেম বন্ধ রেখে সামুদ্রিক নিরাপত্তা বিপন্ন করা একটি জাহাজে হামলা চালিয়ে সেটিকে থামিয়ে দেওয়া হয়েছে। ’
এর কিছুক্ষণ পর যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, তাদের বাহিনী ইরানে নতুন দফায় হামলা চালিয়ে অন্তত ১৪০টি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে। মার্কিন সামরিক বাহিনী এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘হরমুজ প্রণালী দিয়ে অবাধে চলাচলকারী বেসামরিক নাবিক ও বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার সক্ষমতা ধ্বংস করে ইরানকে এর মূল্য চোকাতে বাধ্য করছে যুক্তরাষ্ট্র।’
তাদের দাবি, হামলার লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে ছিল ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ঘাঁটি, নৌ-সামরিক সক্ষমতা, গোলাবারুদের গুদাম, যোগাযোগ নেটওয়ার্ক এবং নজরদারি কেন্দ্র।
এদিকে আইআরজিসি জানিয়েছে, মার্কিন হামলার জবাবে তারা হরমুজ প্রণালী অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দিয়েছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিক্রিয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছে তারা।









































