Home জাতীয় কেরানীগঞ্জ থানা থেকে ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ জাতীয় চিড়িয়াখানায়

কেরানীগঞ্জ থানা থেকে ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ জাতীয় চিড়িয়াখানায়

0

ঢাকা অফিস।।
বুধবার সন্ধ্যায় মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা ৩ লাখ ৩০ হাজার টাকার বিনিময়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প নামে মহিষটি গ্রহণ করে চিড়িয়াখানায় নিয়ে যান।

কোরবানি হচ্ছে না ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ নামের আলোচিত অ্যালবিনো মহিষটি। শেষ মুহূর্তে প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে বিরল প্রজাতির এই মহিষকে রাজধানীর মিরপুরে জাতীয় চিড়িয়াখানায় নেওয়া হয়েছে।

নারায়ণগঞ্জের কোরবানির উদ্দেশ্যে মহিষটি কিনেছিলেন কেরাণীগঞ্জের জিঞ্জিরার এক ব্যক্তি। তবে প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় মহিষটির বিরল বৈশিষ্ট্য বিবেচনায় নিয়ে সেটি সংরক্ষণের উদ্যোগ নেয়।

বুধবার (২৭ মে) সন্ধ্যায় মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা আনুষ্ঠানিকভাবে ৩ লাখ ৩০ হাজার টাকার বিনিময়ে মহিষটি গ্রহণ করেন এবং চিড়িয়াখানায় নিয়ে যান।

অ্যালবিনো জাতের এ মহিষটির গায়ের রঙ, চুল ও চোখ দেখতে অনেকটা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতো হওয়ায়, নারায়ণগঞ্জ শহরের পাইকপাড়ায় রাবেয়া এগ্রো ফার্মের মালিক জিয়াউদ্দিন মৃধার ছোট ভাই আদর করে এর নাম রাখেন ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবিটি ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়। প্রতিদিনই উৎসুক মানুষ মহিষটি দেখতে ভিড় করছিলেন।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমেও খবর শিরোনাম হয় ডোনাল্ড ট্রাম্প নামে মহিষটি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পও এ নিয়ে পোস্ট করেন।

ভাইরাল হওয়ার আগেই ৭০০ কেজি ওজনের এই অ্যালবিনো জাতের মহিষ ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’কে ৫৫০ টাকা কেজি দরে কিনেছিলেন রাজধানীর জিনজিরা এলাকার ক্রেতা সামির।

গত সোমবার (২৫ মে) সন্ধ্যায় মহিষটিকে ক্রেতার বাড়িতে পাঠানোর সময় খামারে আয়োজন করা হয়েছিল এক রাজকীয় বিদায় সংবর্ধনার। লাল গালিচা বিছিয়ে জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’কে বিদায় জানানো হয়েছিল, যা নেটিজেনদের মাঝে দারুণ আলোড়ন সৃষ্টি করে।

প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, বিরল অ্যালবিনো বৈশিষ্ট্যের কারণে মহিষটিকে সংরক্ষণ ও গবেষণার আওতায় আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। চিড়িয়াখানায় দর্শনার্থীরাও প্রাণীটি কাছ থেকে দেখতে পারবেন।

এদিকে, ঈদুল আজহায় মহিষটি কোরবানি না হওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন প্রাণিপ্রেমী ও স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের মতে, বিরল এই প্রাণী সংরক্ষণের উদ্যোগ প্রশংসনীয় এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হয়ে থাকবে।