স্টাফ রিপোর্টার।।
খুলনার ফুলতলা উপজেলার দামোদর গ্রামের এখলাস হত্যা মামলায় দুই আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারা দণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাদের দুজনের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।
এ মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ৪ আসামিকে খালাস দিয়েছেন আদালত। রোববার (১৬ মার্চ) খুলনার অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত-৩ এর বিচারক আবীর পারভেজ এ রায় ঘোষণা করেন।
সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- দামোদর পশ্চিমপাড়া এলাকার আজিজুল চৌধুরী এবং একই এলাকার রুবেল সরদার। খালাস পাওয়া আসামিরা হলো আলাউদ্দিন চৌধুরী, মো. হারুন অর রশিদ ওরফে মো. হারুন খা, জহিরুল খা, আশরাফুল আলম ওরফে কচি সরদার।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ২০১৪ সালের ২৫ মার্চ রাতে বাড়ির সামনে এখলাসকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় তার ভাই রফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে ৩ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত পরিচয় চার থেকে পাঁচজনের বিরুদ্ধে ফুলতলা থানায় মামলা করেন। ২০১৫ সালের ১৫ এপ্রিল মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডি’র পুলিশ পরিদর্শক মো. শাহাবুদ্দিন চৌধুরী সাতজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
এদিকে মাদক মামলায় দুই আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাদের দুজনের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের খালাস প্রদান করেন আদালত।
রোববার খুলনার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-২ এর বিচারক নীলা কর্মকার এ রায় ঘোষণা করেন।
সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন যশোর জেলার শার্শা উপজেলার ইছাপুর গ্রামের সোহরাব হোসেন এবং একই উপজেলার শংকরপুর গ্রামের ফরিদ বিশ্বাস। খালাসপ্রাপ্ত আসামিরা হলো আবদুর রহিম ও আব্দুল্লাহ আল বাকী। সাজাপ্রাপ্ত দুই আসামি পলাতক রয়েছে।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, ডুমুরিয়া থানা পুলিশ ২০১৩ সালের ২৮ এপ্রিল ৪৬০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করে। এ ঘটনায় এস আই হান্নান শরীফ বাদী হয়ে মামলা করেন। একই বছরের ২৯ মে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এস আই ইলিয়াস ফকির চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।











































