স্টাফ রিপোর্টার।।
নাম পরেশ চন্দ্র দাস, পিতার নাম যতীন কুমার দাস, মাতা- শ্রীমতি লীলা রাণী দাস, ভোটার আইডি নং ৮২৩৪৯৪৫৯০৮, ভোটার আইডি অনুযায়ী বর্তমান ঠিকানা পুলিশ লাইন বয়রা, খুলনা। বাংলাদেশ পুলিশে কর্মরত এএসআই পরেশের বিপি নং ৮৩০৩০৪৮২৫৮। নিজেই নাম দিয়েছেন জনি। জনি পরিচয়ে নগরীর মোক্তার হোসেন সড়কের বাসিন্দা প্রবাসীর স্ত্রী ইয়াসমিনের সাথে পরিচয়। পরিচয়ের সুত্র ধরে প্রেমজ সর্ম্পক গড়ে তোলে। প্রেম থেকে তাদের সর্ম্পক শারীরিক সম্পর্কে গড়ায়। সর্ম্পকের কারণে প্রবাসী স্বামীর অর্থবিত্ত সবকিছুই হাতিয়ে নেয় এএসআই পরেশ চন্দ্র দাস ওরফে জনি।
যা জানা গেছে: পুলিশের আইজি বরাবরে লিখিত অভিযোগে প্রবাসী স্বামী কবির হোসেন উল্লেখ করেন, ২০০৫ সালের ৭ মার্চ জীবন জীবিকার তাগিদে কাতারে পাড়ি জমান তিনি। কাতারে প্রবাসী জীবনযাপনকালে তার স্ত্রী ইয়াসমিন এন, আই,ডি নং-৪৭৯৫১৩১৫৬০১১০ দুটি শিশু সন্তানসহ খুলনার বাসায় রেখে যান। প্রবাসী জীবনযাপনকালে জানতে পারেন তৎকালীন খুলনা থানার এ এস আই পরমেশ চন্দ্র ওরফে জনি তার স্ত্রীর কাছ থেকে ১ কোটি টাকার বেশি হাতিয়ে নিয়েছে। খবর পেয়ে তিনি বাংলাদেশে আসেন এবং সত্যতা জানতে পেরে স্ত্রীর কাছে টাকা পয়সার হিসাব চাইলে পুলিশের উক্ত এসআই প্রবাসী কবিরকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিতে থাকে। পরবর্তীতে কবীর আবারো কাতারে চলে গেলে এএসআই পরমেশ জনি তার স্ত্রী ইয়াসমিনকে নিয়ে স্বামী স্ত্রীর মত বসবাস করতে থাকে । বিভিন্ন সময়ে তারা কুয়াকাটা ও কক্সবাজার সহ বিভিন্ন জায়গায় ট্যুরে যায় হোটেলে থাকে যাহার প্রমাণস্বরূপ যাতায়াতের বাস টিকিটের কপি ও তাদের একসঙ্গে স্বামী স্ত্রীর যুগল ছবি পাওয়া গেছে।

তালাক দিলেও ইয়াসমিন বহাল তবিয়তে: প্রবাসী কবির তার স্ত্রী ইয়াসমিনকে তালাক দিলেও এএসআই পরেশ চন্দ্র দাস ওরফে জনির ক্ষমতায় কবিরের বাড়িতেই বসবাস করিছে। বাড়ি ছেড়ে চলে যেতে বললেই এএসআই পরমেশ জনি বিভিন্নভাবে মানুষের মাধ্যমে জীবননাশ ও মিথ্যা মামলায় জড়ানোর হুমকি দিয়ে আসছে।

কবিরের বক্তব্য: প্রবাসী কবির হোসেন খুলনাঞ্চলকে জানান, ১০ বছরের প্রবাসী জীবনে উপার্জিত সমুদয় টাকা পয়সা সবকিছুই হাতিয়ে নিয়েছে এএসআই পরেশ চন্দ্র দাস ওরফে জনি। শরীরের রক্ত পানি করে বিদেশ থেকে উর্পাজিত অর্থ সবকিছুই হাতিয়ে নিয়েছে এএসআই পরেশ। তিনি বলেন আমি সুষ্ঠ বিচার দাবি করছি। আমার আয়ের টাকা ফেরৎ পাওয়ার জন্য সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন করেছি।

মোবাইলে পাওয়া যায়নি জনিকে: আনিত অভিযোগ সর্ম্পকে এএসআই পরেশ চন্দ্র দাস ব্যবহৃত ০১৭১৬-১৬৯৯৮৬নং মোবাইলে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তাকে পাওয়া যায়নি।












































