কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
কুষ্টিয়ায় রনি নামে এক যুবককে হত্যার দায়ে দেবর ও ভাবিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার বেলা সাড়ে ১১টায় কুষ্টিয়া জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক অরূপ কুমার গোস্বামী এ রায় দেন।
দণ্ডিতরা হলেন- দৌলতপুর উপজেলার হায়দারের চর এলাকার আলমগীর হোসেনের ছেলে সজিব হোসেন (৩২) ও তার ভাবী সীমা খাতুন (২৫)।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালের ২৪ জানুয়ারি সন্ধ্যা ৭টায় দৌলতপুর উপজেলার হায়দারের চর গ্রামের নাহারুল ইসলামের ছেলে রনি নিখোঁজ হন। পরে ১ ফেব্রুয়ারি পদ্মা নদীর চর থেকে তার মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের পিতা নাহারুল ইসলাম বাদি হয়ে দৌলতপুর থানায় অজ্ঞাত ব্যক্তির বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করা হয়। এ ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে স্থানীয় প্রবাসী আফাজ উদ্দিনের স্ত্রী সীমা খাতুনের সাথে যুবক রনির পরকিয়া সম্পর্ক ছিল। রনি ওই সময় ঘনিষ্ট মুহূর্তের দৃশ্য মোবাইলে ধারণ করে গৃহবধূ সীমা খাতুনকে ব্ল্যাক মেইল করে অর্থ হাতিয়ে নিতে থাকে। এতে ক্ষুব্ধ সীমা খাতুন বিষয়টি তার দেবর সজিব হোসেনকে খুলে বলেন এবং সাহায্য চান। পরে ভাবি-দেবরের যোগসাজসে পরিকল্পিতভাবে রনিকে হত্যা করা হয়।








































